Category: স্বাস্থ্য

Get updates on Health News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Durga Puja 2024: রাত জেগে দুর্গাপুজোয় ঠাকুর-দর্শন! লাগাতার এই অভ্যাস কতখানি অস্বাস্থ্যকর?

    Durga Puja 2024: রাত জেগে দুর্গাপুজোয় ঠাকুর-দর্শন! লাগাতার এই অভ্যাস কতখানি অস্বাস্থ্যকর?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রায় সারা রাত জেগে থাকা। ভোরের আলো ফোটার আগে ঘুমোতে‌ যাওয়া।‌ আবার বেলা গড়িয়ে ঘুম থেকে ওঠা! তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ এই অভ্যাসে চলছেন। কখনও কাজের প্রয়োজনে, আবার কখনও মোবাইল, ল্যাপটপের পর্দায় ওটিটি সিরিজে বুঁদ হয়ে রাত কাটিয়ে দেন তরুণ প্রজন্মের একাংশ। তাই কলকাতা ঘুরে ঠাকুর-দর্শনের জন্যও আদর্শ সময়, রাতের কলকাতাকেই বেছে নেন বেশিরভাগ তরুণ-তরুণী। অবশ্য দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2024) সময়ে রাত জেগে উৎসব উদযাপনে বাদ যায় না কচিকাঁচারাও। পরিবারের সঙ্গে অনেকেই সারা রাত জেগে উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম, ‘প্যান্ডেল হপিং’ চলে। কিন্তু এই রাত জেগে প্রতিমা-দর্শন একেবারেই অস্বাস্থ্যকর বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, রাত জাগার এই অভ্যাস শরীরে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে। এর ফলে একাধিক জটিল রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়।

    কোন ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা? (Durga Puja 2024)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাত জেগে থাকলে শরীরে একাধিক অঙ্গের উপরে চাপ পড়ে, এর ফলে শরীরে নানান রোগের ঝুঁকি বাড়ে। রাত জাগার অভ্যাস লিভার এবং পাকস্থলীর জন্য ক্ষতিকারক। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুজোর সময়ে অনেকেই গভীর রাতে নানান রকমের ভারী খাবার খান। অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার, চর্বি জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার পরে সারা রাত জেগে থাকা শরীরে মারাত্মক ক্ষতিকারক। এর জেরে হজমের সমস্যা তৈরি হয়। অন্ত্র ঠিকমতো কাজ করতে পারে না।‌ এর ফলে লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্যা তৈরি হতে পারে। রাত জাগার ফলে শরীরে একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরের নির্দিষ্ট ঘড়ি আছে। যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ বলা হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী, দিনে বিভিন্ন কাজের সময় শরীরের নানান হরমোন নিঃসরণ হয়। আবার রাতের সময় শরীরের বিশ্রামের সময়। সেই সময়েও শরীরের বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ হয়। শরীরের এমন কিছু হরমোন রয়েছে, যা রাতে ঘুমোনোর পরেই নিঃসরণ হয়। তাই রাত জাগলে হরমোনের ভারসাম্যের অভাব ঘটে। এর ফলে বিভিন্ন অঙ্গের সক্রিয়তা হারায়। আবার মানসিক চাপ, খিটখিটে মেজাজ তৈরি হয়। অসম্ভব ক্লান্তি বোধ গ্রাস করে।
    রাত জেগে থাকলে (Durga Puja 2024) মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও কমে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের বিশ্রাম জরুরি। রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোলে তবেই মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসরণ হয়। যা মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই রাত জাগার অভ্যাস মস্তিষ্কে বিশেষত স্মৃতিশক্তিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্থূলতার সমস্যায় ভুক্তভোগীদের জন্যও রাত জাগার অভ্যাস বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে। ঠিকমতো বিশ্রাম না নিলে শরীরের ওজন বেড়ে যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কাদের বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুজোর সময়ে (Durga Puja 2024) অনেকেই রাত জেগে উদযাপনে যোগ দেন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই অভ্যাস বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই তাদের আগাম সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকতে রাত জাগা এড়িয়ে চলাই উচিত। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঠিকমতো খাওয়া এবং ঘুম, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খুবই জরুরি। রাত জাগলে রক্তচাপ ওঠা-নামা করতে পারে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে‌। 
    আবার ডায়বেটিস আক্রান্তদের রাত জাগা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, নির্দিষ্ট সময় অন্তর খাওয়া, ঠিকমতো হজম হওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে এগুলো খুব জরুরি। তাই রাত জেগে থাকা (Pratima-darshan) কিংবা গভীর রাতে অতিরিক্ত পরিমাণে খাবার খাওয়া, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিপদ তৈরি করতে পারে। হজমের সমস্যা থাকলে রাত জেগে উদযাপন এড়িয়ে চলাই উচিত বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাত জাগার অভ্যাস অন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।‌ তাই রাত জাগলে হজমের আরও গোলমাল হয়। 
    মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে রাত জাগার অভ্যাস এড়িয়ে চলতে হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাইগ্রেনের যন্ত্রণা কমাতে নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্রাম, পর্যাপ্ত ঘুম খুব জরুরি। তাই মাইগ্রেন সমস্যা কমাতে রাত জাগার অভ্যাস এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Health: উৎসব মানেই খাবারে অনিয়ম! শরীরের জন্য কতখানি বিপদ ডেকে আনছেন?

    Durga Puja Health: উৎসব মানেই খাবারে অনিয়ম! শরীরের জন্য কতখানি বিপদ ডেকে আনছেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শুরু বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব! দুর্গাপুজোর আনন্দে মেতে উঠেছেন আট থেকে আশি, সব বয়সের মানুষ। আর বাঙালির উৎসব উদযাপনের সঙ্গে সব সময় জড়িয়ে থাকে বিশেষ খাওয়া-দাওয়া! পুজোর দিনে ভালো খাবার না খেলে বাঙালির উৎসব উদযাপন সম্পূর্ণ হয় না। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ভালো-মন্দ খাবারের সঙ্গে যুক্ত হয় খাবারের সময় এবং পরিমাণ নিয়ে চূড়ান্ত অনিয়ম! যা শরীরের জন্য বাড়তি বিপদ‌ (Durga Puja Health) তৈরি করে।‌ তাই পুজোর দিনে খাদ্যাভ্যাসের পাশপাশি খাবারের সময় এবং পরিমাণ নিয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। না হলে বড় রকমের শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

    কী ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে? (Durga Puja Health)

    চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, পুজোর পরেই বহু মানুষ পেটের সমস্যায় ভোগেন। বিশেষত শিশুদের অনেকেই পেটব্যথা, বমির মতো সমস্যায় ভোগে। আবার পেটের গোলমালও দেখা দেয়। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে লাগাতার খাওয়ার জন্য এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুজোর সময়ে অনেকেই অত্যাধিক পরিমাণে চটজলদি খাবার যেমন রোল, চাউমিন, মোগলাই খান। বাদ যায় না বিরিয়ানি থেকে পিৎজা। তাই তিন-চারদিন টানা এই ধরনের খাবার খাওয়ার জেরে লিভার এবং পাকস্থলীর মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। 
    পাশপাশি স্থূলতার সমস্যা তৈরি হতে পারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের চটজলদি খাবার খাওয়ার জেরে শরীরের ওজন অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। বিশেষত যাঁরা স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা আরও বেশি সমস্যায় (Durga Puja Health) পড়তে পারেন। 
    পুজোর সময়ে অনেকেই সময়মতো খাবার খান‌ না। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্ত্রের একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুজোর সময়ে অনেক রাত করে তেলমশলা জাতীয় খাবার খান। আর এর জেরেই হজমের মারাত্মক গোলমাল হয়।
    পাশপাশি ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগা রোগীদের এই ধরনের খাদ্যাভ্যাস জটিল পরিস্থিতি তৈরির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের সময়ে বেশি অনিয়ম হলে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রক্তে শর্করার পরিমাণ ওঠানামা করতে পারে। আর উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় নোনতা খাবার হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। তাই এই ধরনের সমস্যা থাকলে‌ বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    সুস্থ থাকার কী পরামর্শ‌ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ সুস্থ থাকার জন্য দরকার নির্দিষ্ট সময়ে পরিমিত খাবার। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুজোর দিনে (Festival) কমবেশি সকলেই অন্য রকম খাবার খাবেন। সব সময় সব কিছু নিয়ন্ত্রণ হয়তো সম্ভব হয় না।‌ তবে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের মিষ্টিজাতীয় খাবারে নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে। পেস্ট্রি, কেক কিংবা মিষ্টি, একেবারেই খাওয়া চলবে না। এতে নানান শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। আবার উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ জরুরি। কারণ কোলেস্টেরল যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, দেহে যাতে বাড়তি মেদ তৈরি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি (Durga Puja Health)। 
    তবে‌ এর পাশাপাশি মদ্যপানেও রাশ জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মদ্যপান লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। উৎসবের দিনে অনেকেই অতিরিক্ত মদ্যপান করেন। যা শরীরের হৃদরোগ থেকে লিভারের জটিল অসুখের মতো একাধিক শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই লিভার সুস্থ রাখতে এই দিকগুলো নজরে রাখা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: পুজোর ছুটিতে ডাক্তারবাবুরা! আগাম কাদের সতর্কতা জরুরি? কী পরামর্শ মেনে চলবেন? 

    Durga Puja 2024: পুজোর ছুটিতে ডাক্তারবাবুরা! আগাম কাদের সতর্কতা জরুরি? কী পরামর্শ মেনে চলবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আর মাত্র কয়েকদিন! তার পরেই ঢাকে কাঠির আওয়াজ! দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2024) সময় দেশ-বিদেশে অনেকেই ছুটি কাটাতে যান‌। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরাও সেই তালিকায় রয়েছেন। রোগীদের একাংশের দুশ্চিন্তা, ‘ছুটির সময়ে’ বড় বিপদ রুখবেন কীভাবে?! তবে দিন কয়েকের মোকাবিলার উপায় বলছেন বিশেষজ্ঞ মহল! আসুন, দেখে নিই, কী পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা?

    ডায়াবেটিসের বিপদ রুখতে পেট খালি রাখলে চলবে না (Durga Puja 2024)

    তরুণ প্রজন্ম থেকে প্রবীণ নাগরিক, ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক। সব বয়সের অধিকাংশ মানুষ এই রোগে ভুগছেন! পুজোর কদিন শরীরের বাড়তি বিপদ আটকাতে তাঁদের সতর্কতা জরুরি বলেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুজোর সময় অনেকেই অনিয়ম করেন। বিশেষ করে খাওয়া নিয়ে অনিয়ম হয় সবচেয়ে বেশি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ খাওয়ায় যেন কোনও নড়চড় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওষুধের সময়ে হেরফের হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ ওঠা-নামা করতে পারে। এর জেরে শরীরে নানা রকম অস্বস্তি, এমনকী চেতনা হারানোর মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে। তবে, ওষুধের পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার দিকেও নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর খাবার খাওয়া জরুরি। মিষ্টিজাতীয় খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফল ও সব্জি এবং পরিমিত প্রাণীজ প্রোটিন নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখা দরকার। বাড়তি দুশ্চিন্তা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    হৃদরোগের বিপদ ঠেকাতে নুনের পরিমাণে রাশ

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন কম বয়সিরাও। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খাওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, পুজোর সময়ে যাতে কোনও ভাবেই ওষুধে অবহেলা না হয়, সেটা মনে রাখা দরকার। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। পাশপাশি খাবারে নজরদারি দরকার। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, পুজোর সময়ে (Durga Puja 2024) অনেকেই লাগাতার চটজলদি খাবার খান। অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন এবং তেলেভাজা খাওয়ার জেরে সমস্যা হতে পারে। বিশেষত যারা কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বিভিন্ন চটজলদি খাবারে বাড়তি নুন দেওয়া থাকে। তাই সেগুলো এড়িয়ে যেতে হবে। নুন খাওয়ার পরিমাণে রাশ  টানলেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    জ্বরে ভরসা থাকুক প্যারাসিটামলে (Durga Puja 2024)

    আবহাওয়ার খামখেয়ালির জেরে পুজোর মধ্যেও‌ বাড়তে পারে জ্বর, সর্দি-কাশির দাপট। অনেকেই ভোগান্তি কমাতে ইচ্ছেমতো অ্যান্টিবায়োটিক খান। এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যথেচ্ছ অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। তাই ইচ্ছেমতো অ্যান্টিবায়োটিক একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। বরং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জ্বর হলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া কোনও ভাবেই অন্য কোনও ওষুধ খাওয়া যাবে না।

    জল এবং স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সতর্কতা জরুরি

    পুজোর সময়ে (Durga Puja 2024) অনেকেই সারাদিন বাইরে থাকেন (Holiday)! নানা ধরনের খাবার খাওয়ার পাশপাশি বিভিন্ন জায়গা থেকে জল খান। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জল পরিশ্রুত কিনা সেদিকে নজরদারি জরুরি। জল পরিশ্রুত না হলে পেটের মারাত্মক সমস্যা শুরু হতে পারে। বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি নজরদারি জরুরি। তাই বাইরে বেরোলে সঙ্গে পরিশ্রুত জল রাখা দরকার। বাইরে থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। না হলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হবে। পাশপাশি খাওয়ার আগে হাত পরিষ্কার করার মতো স্বাস্থ্যবিধির প্রাথমিক শর্ত পূরণ করা জরুরি। তাহলে নানান বড় অসুখ আটকানো সহজ হবে।

    শারীরিক পরিস্থিতি জটিল হলে অবশ্যই হাসপাতাল

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারি কিংবা বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সব সময় চালু থাকে। তাই পুজোর সময়েও (Holiday) শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি ঘটলে বাড়তি ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়। অনেক সময়েই বহির্বিভাগ অনিয়মিত হলেও জরুরি বিভাগের পরিষেবা চালু থাকে। তাই সমস্যা জটিল মনে হলে যে কোনও হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CDSCO: পরীক্ষায় ডাহা ফেল প্রতিদিনের ব্যবহৃত প্যারাসিটামল, প্যান ডি! ৫৩ ওষুধের তালিকা প্রকাশ

    CDSCO: পরীক্ষায় ডাহা ফেল প্রতিদিনের ব্যবহৃত প্যারাসিটামল, প্যান ডি! ৫৩ ওষুধের তালিকা প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাত-পায়ে ব্যাথা, জ্বর জ্বর ভাব চট করে সমাধান প্যারাসিটামল (Pan D-Paracetamol)। অ্যাসিড হচ্ছে, সকালে খালি পেটে প্যান ডি প্রয়োজন। কিন্তু এই ওষুধ গুলোর মধ্যেই রয়েছে বিপদ। গুণমান পরীক্ষায় ডাহা ফেল করল নিত্যদিন ব্যবহৃত ৫৩টি ওষুধ। তালিকায় রয়েছে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ ক্ল্যাভাম ৬২৫, গ্যাসের জন্য ব্যবহৃত প্যান ডি, জ্বরের জন্য ব্যবহৃত প্যারাসিটামল ট্যাবলেট আইপি ৫০০-ও মতো ওষুধগুলি। 

    কোন কোন ওষুধ ব্যর্থ

    প্রতি মাসেই নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধের গুণমান পরীক্ষা করে দেখে সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট‌্যান্ডার্ডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন বা সিডিএসসিও (CDSCO)। তাদেরই পরীক্ষায় ৫৩টি ওষুধ গুণমান বজায় রাখতে ব‌্যর্থ হয়েছে। অগাস্ট মাসের ‘নট অফ স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি (এনএসকিউ অ্যালার্ট)’-র তালিকা প্রকাশ করেছে CDSCO। দু’টি তালিকায় প্রথমে রয়েছে ৪৮টি ওষুধের নাম, দ্বিতীয় তালিকায় রয়েছে ৫টি ওষুধ। তালিকায় যে সমস্ত ব্র্যান্ড রয়েছে সেগুলির সঙ্গে বড় কিছু ওষুধ তৈরির সংস্থার নাম জড়িয়ে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এর মধ্যে একটি সংস্থা রাষ্ট্রায়ত্ত। রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্তান অ‌্যান্টিবায়োটিক লিমিটেড বা হাল, কর্নাটক অ‌্যান্টিবায়োটিকস অ‌্যান্ড ফার্মাসিউটিক‌্যালস লিমিটেডের ওষুধও পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি। কলকাতার সংস্থা অ‌্যা‌লকেম হেলথ সায়েন্সেস বহুল প্রচলিত ওষুধ প‌্যান-ডি এবং ক্ল‌্যাভামও ব‌্যর্থ হয়েছে পরীক্ষায়।

    ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার দাবি

    তবে প্রশ্ন উঠছে এত বিখ‌্যাত এবং জনপ্রিয় বিভিন্ন সংস্থার ওষুধ গুণমান পরীক্ষায় পাস করতে কীভাবে ব‌্যর্থ হল। ওষুধ প্রস্তুতকারী এক সংস্থার তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, যে সমস্ত ব্যাচের ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে সেগুলি তাঁদের তৈরি নয় এবং সেগুলি জাল। একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে তাঁরা ইতিমধ্যেই সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের দাবি, উদ্দেশ‌্যপ্রণোদিতভাবে খারাপ কাঁচামাল ব‌্যবহার করে তাদের সংস্থাগুলিকে বদনাম করার লক্ষ্যে ওই ওষুধগুলি তৈরি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টির তদন্ত দাবি করেছে তারা।

    আরও পড়ুন: ভারতে মিরাজ-রাফাল রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র খুলতে চায় ফরাসি সংস্থা দাসোল

    ওষুধের তালিকা

    যে ওষুধগুলি পরীক্ষায় ব্যর্থ, তাদের তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। সেখানে ওষুধের নামের সঙ্গে প্রস্তুতকারী সংস্থার নামও রয়েছে।

    1. Amoxicillin And Potassium Clavulanate Tablets IP (Clavam 625) – M/s.
    Alkem Health Science
    2. Amoxicillin & Potassium Clavulanate Tablets (Mexclav 625) – M/s. Meg
    Lifesciences
    3. Calcium And Vitamin D3 Tablets IP (Shelcal 500) – M/s. Pure & Cure
    Healthcare Pvt. Ltd.
    4. Metformin Hydrochloride Sustained-release Tablets IP (Glycimet-SR-500)
    – M/s. Scott-Edil Pharmacia Ltd.
    5. Vitamin B Complex with Vitamin C Softgels – M/s. Asoj Soft Caps Pvt. Ltd.
    6. Rifmin 550 (Rifaximin Tablets 550 mg) – M/s. Legen Healthcare
    7. Pantoprazole Gastro-Resistant and Domperidone Prolonged-Release
    Capsules IP (Pan – D) – M/s. Alkem Health Science
    8. Paracetamol Tablets IP 500 mg – M/s. Karnataka Antibiotics and
    Pharmaceuticals Ltd.
    9. Montair LC Kid (Montelukast Sodium & Levocetirizine Hydrochloride
    Dispersible Tablets) – M/s. Pure & Cure Healthcare Pvt. Ltd.
    10. Compound Sodium Lactate Injection IP (Ringer Lactate Solution for
    Injection) (RL 500 ml) – M/s. Vision Parenteral Pvt. Ltd.
    11. Fexofenadine Hydrochloride Tablets IP 120 mg – M/s. Maxtar Bio-Genics
    12. Laxnorm Solution (Lactulose Solution USP) – M/s. Athens Life Sciences
    13. Heparin Sodium Injection 5000 Units (Hostranil Injection) – M/s. Health
    Biotech Ltd.
    14. Buflam Forte Suspension (Ibuprofen & Paracetamol Oral Suspension) –
    M/s. Ornate Pharma Pvt. Ltd.
    15. Cepodem XP 50 Dry Suspension (Cefpodoxime Proxetil and Potassium
    Clavulanate Oral Suspension) – M/s. Hetero Labs Limited
    16. Nimesulide, Paracetamol and Chlorzoxazone Tablets (NICIP MR) – M/s.
    HSN International
    17. Rolled Gauze (Non-Sterilized) – M/s. Blazon India
    18. Ciprofloxacin Tablets IP 500 mg (Ocif-500) – M/s. Ornate Labs Pvt. Ltd.
    19. Nimesulide, Phenylephrine Hydrochloride & Levocetirizine
    Dihydrochloride Tablets (Nunim-Cold) – M/s. Unispeed Pharmaceuticals Pvt.
    Ltd.
    20. Adrenaline Injection IP Sterile 1 ml – M/s. Alves Healthcare Pvt. Ltd.
    21. Compound Sodium Lactate Injection IP (Ringer Lactate Solution for
    Injection) RL 500ml – M/s. Vision Parentral Pvt. Ltd.
    22. Vingel XL Pro Gel (Diclofenac Diethylamine, Linseed Oil, Methyl
    Salicylate, and Menthol Gel) – M/s. Universal Twin Labs
    23. Atropine Sulphate Injection IP 2 ml – M/s. Nandani Medical Laboratories
    Pvt. Ltd.
    24. Cefoperazone & Sulbactam For Injection (Todaycef 1.5 G) – M/s. Daxin
    Pharmaceuticals Pvt. Ltd.
    25. Heparin Sodium Injection IP 25000 IU / 5ml – M/s. Scott-Edil Pharmacia
    Ltd.
    26. Cefepime & Tazobactam for Injection (Crupime – TZ Kid Injection) – M/s.
    Cosmas Research Lab. Ltd.
    27. Atropine Sulphate Injection IP (Atropine Sulphate) – M/s. Priya
    Pharmaceuticals
    28. Salbutamol, Bromhexine HCI, Guaifenesin and Menthol Syrup (Acozil
    Expectorant) – M/s. Antila Lifesciences Pvt. Ltd.
    29. Diclofenac Sodium IP – M/s. Sara Exports Ltd.
    30. Escitalopram and Clonazepam Tablets IP (Klozaps-ES Tablets) – M/s.
    Digital Vision
    31. Phenytoin Sodium Injection USP – M/s. Health Biotech Ltd.
    32. Paracetamol, Phenylephrine Hydrochloride and Cetirizine Hydrochloride
    Suspension (Cethel Cold DS Suspension) – M/s. Win Cure Pharma
    33. Calcium 500 mg with Vitamin D3 250 IU Tablets IP – M/s. Life Max
    Cancer Laboratories
    34. Amoxycillin and Potassium Clavulanate Tablets IP 625 mg (RenamegaCV 625) – M/s. Malik Lifesciences Pvt. Ltd.
    35. Olmesartan Medoxomil Tablets IP 40 mg – M/s. Life Max Cancer
    Laboratories
    36. INFUSION SET-NV – M/s. Medivision Healthcare
    37. Telmisartan Tablets IP 40 mg – M/s. Life Max Cancer Laboratories
    38. Alprazolam Tablets IP 0.25 mg (Erazol-0.25 Tablets) – M/s. Elikem
    Pharmaceuticals Pvt. Ltd.
    39. Glimepiride Tablets IP (2 mg) – M/s. Mascot Health Series Pvt. Ltd.
    40. Calcium and Vitamin D3 Tablets IP – M/s. Unicure India Ltd.
    41. Metronidazole Tablets IP 400mg – M/s. Hindustan Antibiotics Ltd.
    42. Paziva -40 – M/s. Gnosis Pharmaceuticals Pvt. Ltd.
    43. Pantomed -40 – Digital Vision 176
    44. Cefixime Oral Suspension IP (Dry Syrup) – Nestor Pharmaceuticals Ltd.
    45. Moxymed CV – Alexa Pharmaceuticals
    46. Frusemide Injection IP 20 mg – Nestor Pharmaceuticals Ltd.
    47. Kudajarishtam – Bala Herbals
    48. Tab Nodosis – Steadfast Medishield Pvt. Ltd.
    49. Haridrakhanda – Bhaskara Vilasam Vaidyasala
    50. Pantoprazole Inj. BP 40 mg – Kerala Medical Services Corporation Ltd.
    51. Yogaraja Guggulu – Bhaskara Vilasam Vaidyasala
    52. PANCEF-OF – Aglomed Ltd.

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lung infections: বর্ষায় বাড়ছে সংক্রমণ! রান্নাঘরের কোন পাঁচ উপাদানে সহজেই সুস্থ থাকবে ফুসফুস? 

    Lung infections: বর্ষায় বাড়ছে সংক্রমণ! রান্নাঘরের কোন পাঁচ উপাদানে সহজেই সুস্থ থাকবে ফুসফুস? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একটানা বৃষ্টিতে স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া। স্কুল যাতায়াতে কিংবা বাজার করতে গেলেও ভিজতে হচ্ছে! মামুলি সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। তার সঙ্গে দেখা দিচ্ছে ফুসফুসের জটিল অসুখ। অনেকেই ফুসফুসের একাধিক সংক্রমণে ভুগছেন। বিশেষত শিশু ও বয়স্করা ফুসফুসের সংক্রমণে (Lung infections) নাজেহাল। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে কলকাতা সহ দেশের একাধিক শহরের বাসিন্দারা ফুসফুসের রোগে কাবু। ক্রনিক পালমোনারি ডিজিজ-এ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। পাশপাশি খুব কম বয়স থেকেই অনেকে হাঁপানির সমস্যায় ভুগছে। এছাড়াও ফুসফুসের নানান অসুখের জেরে কাশি, জ্বর এমনকী শ্বাসকষ্টের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, কিছু ঘরোয়া উপাদান নিয়মিত ব্যবহার করলেই ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো‌ যাবে। বাড়ির রান্নাঘরের সেই উপাদান শিশু থেকে বয়স্ক, সকলের জন্যই উপকারী। এবার দেখে নেওয়া যাক, রান্নাঘরের কোন উপাদান ফুসফুস সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে?

    হলুদ (Lung infections)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হলুদ প্রায় প্রত্যেক রান্নাঘরেই থাকে। নিয়মিত রান্নায় হলুদের ব্যবহার করলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তবে গরম ভাতের সঙ্গে অন্তত এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেলে কাজ আরও ভালো হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, হলুদে থাকে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। এই উপাদান ফুসফুসের জন্য বিশেষ উপকারী। এছাড়াও হলুদে থাকে কারকিউমিন উপাদান। এই উপাদান ফুসফুসের ক্যান্সার রুখতেও বিশেষ সাহায্য করে‌।

    রসুন

    খালি পেটে এক কোয়া রসুন ফুসফুসের সংক্রমণ (Lung infections) রুখতে বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষার শুরুতেই প্রতিদিন সকালে এক কোয়া রসুন খাওয়ায় অভ্যস্থ হলে ফুসফুসের অসুখ সহজে‌ মোকাবিলা করা সম্ভব।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে থাকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। তাই নিয়মিত রসুন খেলে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে।

    গোলমরিচ (Lung infections)

    বর্ষায় ফুসফুসের সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে গোলমরিচ বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের পরামর্শ, দিনে অন্তত যে কোনও একটি রান্নায় গোলমরিচ ব্যবহার করলে ফুসফুসের সংক্রমণ ঠেকানো‌ সহজ হবে‌‌। গোলমরিচ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। তাই গোলমরিচ সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সাহায্য করবে।

    আদা

    ফুসফুসের সংক্রমণ (Lung infections) রুখতে আদা খুবই উপকারী বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় প্রবীণরা চায়ে আদা দিয়ে খেতে পারেন। আবার শিশুদের আদার ছোট্ট টুকরো খাওয়ানো যেতে পারে। এতে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। আদা হল প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। তাই আদাকে ফুসফুসের রক্ষাকবচ বলা হয়। নিয়মিত আদা খেলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

    আখরোট

    সকালে খালি পেটে আখরোট (Kitchen  Ingredients) খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। এই অভ্যাস অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। বিশেষত ফুসফুস সুস্থ রাখতে আখরোট বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আখরোট ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি।‌ তাই মস্তিষ্কের পাশপাশি ফুসফুসের জন্য ও আখরোট বিশেষ উপকারী।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Children Diseases: খামখেয়ালি আবহাওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে শিশুদের! কাহিল করে দিচ্ছে কোন কোন রোগ? 

    Children Diseases: খামখেয়ালি আবহাওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে শিশুদের! কাহিল করে দিচ্ছে কোন কোন রোগ? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দিন কয়েক ধরে গরমে জেরবার হচ্ছিল উত্তর থেকে দক্ষিণ! শরতের রোদে প্রায় পুড়েছে সকলে! আবার চলতি সপ্তাহে শুরু প্রবল বৃষ্টি! হাওয়া অফিসের অনুমান, আগামী ছ’দিন একনাগাড়ে চলবে বৃষ্টি! আগামী সপ্তাহে আবার রোদের দেখা মিলবে! তাপমাত্রার পারদ বাড়ছে-কমছে! আর আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনা স্বাস্থ্যের বিপদ (Children Diseases) বাড়াচ্ছে! বিশেষত শিশুদের ভোগান্তি বাড়ছে। তাই সতর্কতা জারি না রাখলে আরও সমস্যা বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছে চিকিৎসকদের একাংশ।

    গলাব্যথা, কাশি-সর্দি এবং জ্বর (Children Diseases)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, আবহাওয়ার এই রকমফের বাতাসে একাধিক ভাইরাসের দাপট বাড়াচ্ছে। সক্রিয় হচ্ছে একাধিক রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু। আর তার জেরেই নানান রোগের প্রকোপ বাড়ছে। গত দু’সপ্তাহে শিশুদের ভাইরাসঘটিত জ্বরের প্রকোপ কয়েক গুণ বেড়েছে। গলাব্যথা, কাশি-সর্দি এবং জ্বর! এই উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ গরম আবার তারপরেই লাগাতার বৃষ্টি-সব মিলিয়েই এই ধরনের সমস্যা বাড়ছে বলে জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। 
    আবার দিন কয়েক আগে তাপমাত্রা হঠাৎ অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় (Strange weather) বহু শিশু ‘হিট বার্ন’-এর মতো সমস্যায় ভুগছে বলেও জানাচ্ছে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সর্দি-কাশি বা অন্য কোনও ভাইরাসঘটিত রোগের কবলে না পড়লেও বহু শিশুর দেহের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। থার্মোমিটারে মাপলে মনে হবে শিশুর জ্বর হয়েছে। দূর্বলতাও দেখা দিচ্ছে। কিন্তু আবহাওয়া হঠাৎ গরম হয়ে যাওয়ার জেরে শিশুর দেহ এই হঠাৎ বদলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না। প্রাপ্তবয়স্কদের মতো তাদের দেহ পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে নিজেকে ঠান্ডা রাখতে পারে না। তাই শরীর গরম হয়ে যাচ্ছে।

    পেটের অসুখ

    জ্বরের পাশপাশি পেটের অসুখের সমস্যাও বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, রাজ্যের একাধিক জেলায় জল জমে রয়েছে। বন্যা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিশুরা মারাত্মক পেটের অসুখে ভুগছে। অনেক জায়গায় পরিশ্রুত জল নেই। ফলে সমস্যা (Children Diseases) আরও বাড়ছে‌। এই আবহাওয়ায় আরেকটি সমস্যা হচ্ছে ছত্রাক সংক্রমণ। ত্বক বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, শুষ্ক আর ভিজে আবহাওয়ার এই ঘনঘন পরিবর্তনের জেরে শিশুদের ত্বকে নানান ছত্রাক সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে! ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া আবার হালকা একটা আস্তরণ দেখা দিচ্ছে!

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Children Diseases)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, বর্ষায় রাজ্যে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ মারাত্মক। তাই জ্বর হলে কোনও ভাবেই অবহেলা করা চলবে না।‌ দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি। তবে আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনায় ভাইরাস ঘটিত অসুখ থেকে বাঁচতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া জরুরি। পাশপাশি নিয়মিত লেবু জাতীয় ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে কোনও লেবু জাতীয় ফলে থাকে ভিটামিন সি। সর্দি-কাশি কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে এই ধরনের ফল বিশেষ সাহায্য করে। স্কুল পড়ুয়াদের টিফিনে নিয়মিত কিউই জাতীয় ফল দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে ভাইরাস ঘটিত অসুখের (Children Diseases) প্রকোপ কমবে‌। 
    ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে শিশুকে নিয়মিত স্নান করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ত্বক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে এই ধরনের অসুখের ঝুঁকি কমে। 
    জলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষার জেরে বহু জায়গায় জলের পাইপ ফেটে গিয়েছে‌। পরিশ্রুত পানীয় জল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই জলঘটিত অসুখ যেমন কলেরা, ডায়ারিয়ার মতো রোগ প্রতিরোধ করতে শিশুদের জল ফুটিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mpox: পুজোর আগে ভারতে হানা মাঙ্কিপক্সের ভয়ানক ভ্যারিয়েন্টের! কেন সতর্ক করেছিল ‘হু’?

    Mpox: পুজোর আগে ভারতে হানা মাঙ্কিপক্সের ভয়ানক ভ্যারিয়েন্টের! কেন সতর্ক করেছিল ‘হু’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পুজো। তার ঠিক আগেই মাঙ্কিপক্সের (Mpox) নতুন উপরূপ ‘ক্লেড ১বি’-এর সংক্রমণের হদিশ মিলল ভারতেও। সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, কেরলের মলপ্পুরমে এক যুবকের শরীরে মাঙ্কিপক্সের ক্লেড ১বি-র সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এমপক্সের নতুন উপরূপ ক্লেড ১ প্রসঙ্গে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।

    ভারতে প্রথম আক্রান্ত

    সরকারি সূত্রে খবর, কেরলের মলপ্পুরমে এক রোগীর শরীরে এমপক্সের (Mpox) ক্লেড ১বি-র সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এমপক্সের এই উপরূপে প্রথম কেউ আক্রান্ত হলেন ভারতে। বছর আটত্রিশের ওই রোগী সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ফিরেছিলেন। দেশে ফেরার পর থেকেই তাঁর বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। গত মাসেই দেশে ফেরার পর থেকে জ্বরে ভুগছিলেন ওই রোগী। ত্বকে র‌্যাশ বেরিয়েছিল। চিকেনপক্সে যেমন হয়, অনেকটা সেই রকমই। পরে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে যান তিনি। সেই সময়ে উপসর্গ দেখে সন্দেহ হয় চিকিৎসকের। নমুনা পরীক্ষা করা হলে শরীরে এমপক্সের সংক্রমণ ধরা পড়ে। এর আগে দিল্লিতে এক রোগীর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। তবে সেটি ছিল ক্লেড ২ উপরূপের সংক্রমণ।

    আরও পড়ুনঃ মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ

    মাঙ্কিপক্সের (Mpox) নতুন উপরূপ বিশ্বের একাধিক দেশে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। যেহেতু সেটি দ্রুত গতিতে সংক্রমণ ছড়ায়। অফ্রিকায় ছড়ানোর পর গত অগাস্ট মাসে এমপক্স নিয়ে গোটা বিশ্বে সতর্কতা জারি করে হু (WHO)। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের পর এই নিয়ে দ্বিতীয় বার মাঙ্কিপক্স নিয়ে সতর্কতা জারি করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। উল্লেখ্য, মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশ্বের একাধিক প্রান্তে উদ্বেগের মধ্যেই সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে উৎসবের মরশুমে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করে একটি নির্দেশিকাও জারি করেছে কেন্দ্র। আশির দশকে প্রথম মাঙ্কি পক্সের খোঁজ মিলেছিল। তার পর থেকে মূলত পশ্চিম এবং মধ্য আফ্রিকার দেশগুলিতেই এই রোগ সীমাবদ্ধ ছিল। কারণ, মাঙ্কি পক্স পশুবাহিত রোগ। আর যে ধরনের পশুর শরীর থেকে এ রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা, তাদের বাস মূলত গ্রীষ্মপ্রধান এলাকার বৃষ্টি বনাঞ্চলে (রেন ফরেস্ট)। চিকেন পক্সের মতো মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে কেবল গায়ে র‌্যাশ কিংবা ফুসকুড়ি বেরোয়। কিন্তু মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে সারা গায়ের পাশাপাশি, লসিকাবাহেও ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। এই ভাইরাসের কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heart Disease: ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যেও বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা!

    Heart Disease: ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যেও বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি! বাদ নেই ভারত। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি বছর সময়ের আগেই ভারতীয়দের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ হৃদরোগ। বিশেষত ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। হার্ট অ্যাটাকে (Heart Disease) আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও বাড়ছে। তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগ বেড়ে যাওয়া যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছে চিকিৎসক মহল। তাই এ বছর ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে উপলক্ষে চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সতর্কতাই পারবে হৃদরোগের বড়‌ ঝুঁকি রুখতে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সময় মতো হৃদযন্ত্রের খেয়াল রাখতে পারলে, হার্ট অ্যাটাকের মতো রোগের মোকাবিলা সহজ হয়। কিন্তু অধিকাংশ সময়েই অসচেতনতার জেরে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

    তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে কেন বাড়তি উদ্বেগ? (Heart Disease)

    সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ভারতে ৫৫ বছর বয়সের আগেই ৫০ শতাংশ ভারতীয় হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বিশেষত করোনা পরবর্তীকালে এই সমস্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। তিরিশ থেকে চল্লিশ বছর বয়সি ভারতীয়দের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেড়েছে। এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে। দেড় দশক আগেও‌ এই ধরনের শারীরিক সমস্যা ৫০ বছর বয়স পার করেই দেখা দিত। তার সঙ্গে কম বয়সিদের মধ্যে ডায়াবেটিস এবং কোলেস্টেরলের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সব মিলিয়ে তরুণ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সমস্যা দেশের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে উপলক্ষে দেশ জুড়ে নানান কর্মসূচি নিয়েছেন চিকিৎসকেরা। মানুষকে হৃদরোগ (Heart Disease) সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করতে নানান কর্মশালার আয়োজন করেছেন তাঁরা। জীবন যাপন স্বাস্থ্যকর থাকলে হার্ট অ্যাটাক মোকাবিলা সহজ, এই সব কর্মশালায় সে সম্পর্কেও সাধারণ মানুষকে সজাগ করা হচ্ছে। তবে, বংশানুক্রমিক হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে, নিজের উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা থাকলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষাও জরুরি। যাতে হৃদযন্ত্রের কোনও সমস্যা হলে প্রথম পর্বেই রোগ চিহ্নিত হয়। তাহলে বড় বিপদ আটকানো সহজ হবে।

    তরুণ প্রজন্মকে কোন ‘তিন মন্ত্রে’ হৃদযন্ত্রের যত্ন শেখাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কসরত এবং ঘুম-এই তিনটি দিকে তরুণ প্রজন্ম নজর দিলেই হৃদরোগের (Heart Disease) ঝুঁকি কয়েকগুণ কমবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছর কুড়ির চৌকাঠে পৌঁছনোর আগেই স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনকে অভ্যাস করতে হবে। তাঁদের পরামর্শ, প্রথম থেকে ঘুমের জন্য পর্যাপ্ত সময় নির্ধারণ করতেই হবে। দিনে অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। স্কুল জীবনে রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া এবং ভোরে ওঠার অভ্যাস থাকলেও পরবর্তীতে অনেকেই সেই অভ্যাস ধরে রাখতে পারেন না। ফলে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা এবং অনেক দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা, প্রাতঃরাশ না করার মতো একাধিক অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু নিয়মিত ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, সকালে অন্তত আধ ঘণ্টা হাঁটা কিংবা অন্য কোনও শারীরিক কসরত করার অভ্যাস শরীরকে সুস্থ রাখার অন্যতম হাতিয়ার (High blood pressure)। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ডায়াবেটিস আটকানোর সহজ পথ শরীরে পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং যোগাভ্যাস। এর পাশপাশি খাবারেও নজরদারি জরুরি। বিশেষত তেলজাতীয় খাবার যে কোনও রকম ভাজা কিংবা অতিরিক্ত রাসায়নিক দিয়ে তাজা রাখা মাংস খাওয়া একেবারেই চলবে না। প্রাণীজ প্রোটিনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সব্জি এবং ফল নিয়মিত খেতে হবে। খাওয়ার পরিমাণেও সতর্কতা জরুরি। রক্তের শর্করা, দেহের ওজন এবং কোলেস্টেরল-এই তিনের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই তরুণ প্রজন্ম হৃদরোগকে সহজেই মোকাবিলা করবে বলেই মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন সুস্থ জীবনের একমাত্র পথ!

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covid XEC: ইউরোপ-আমেরিকায় করোনার নয়া উপরূপের হদিশ, উদ্বিগ্ন গবেষকরা

    Covid XEC: ইউরোপ-আমেরিকায় করোনার নয়া উপরূপের হদিশ, উদ্বিগ্ন গবেষকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) সম্পূর্ণভাবে যে নির্মূল হবে না, এই কথা আগেই বহু বিজ্ঞানীরা জানিয়ে ছিলেন। অতিমারির দাপট মনে হয় ফের ফিরে আসতে চলেছে। ইউরোপ (Europe-America) জুড়ে করোনার নতুন উপরূপ এক্সইসি-র (Covid XEC) খোঁজ মেলার পর ফের আতঙ্কের দানা বেঁধেছে। চলতি বছরের জুন মাসেই প্রথমবার জার্মানিতে করোনার এই নয়া রূপ এক্সইসি-র হদিশ মেলে। ক্রমে তা ব্রিটেন, আমেরিকা, ডেনমার্ক এবং অন্য দেশগুলিতে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এক্সইসি-র (Covid XEC)  করোনার ওমিক্রনের বংশধর। চরিত্রবদল করে শক্তি বাড়িয়েছে। ফলে শরৎকালেও সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম হয়ে উঠছে। শীতে প্রভাব আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষকরা অনুমান করছেন, এই নয়া প্রজন্মের করোনা ভাইরাস (Coronavirus) মানুষের শরীরে বাসা বাধলে ইউরোপ এবং আমেরিকায় সংক্রমণ ব্যাপক ভাবে ঊর্ধবমুখী হবে।

    চিন-সহ বিশ্বের ২৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে

    এই নতুন প্রজাতির করোনা (Covid XEC) সংক্রমণের সম্পর্কে এখনই বিস্তৃত ভাবে না বলা গেলেও, লন্ডনের ‘জেনেটিক্স ইনস্টিটিউট অ্যাট ইউনিভার্সিটি কলেজ’-এর ডিরেক্টর ফ্র্যাঙ্কোসিস ব্যালাউক্স বলেন, ডেনমার্ক, জার্মানি, ব্রিটেন, আমেরিকা, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, ইউক্রেন, পর্তুগাল, চিন-সহ বিশ্বের ২৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার (Coronavirus)  এই প্রজাতি। গবেষকের দাবি, ওমক্রিনের দুটি প্রজাতির আরেক রূপ হল এক্সইসি। ওমিক্রনের কেএস.১.১ এবং কেপি.৩.৩ এই দুই প্রজাতির মিলমিশেই নতুন রূপ নিয়েছে (Covid XEC)। এই প্রজাতি অত্যন্ত মারাত্মক ভয়াবহরূপ। খুব দ্রুত এক শরীর থেকে অপর আরেক শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই রূপান্তরিত ভাইরাসের (Coronavirus) জন্য গোটা বিশ্বে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। তবে টিকা দিয়ে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল বলে দাবি গবেষকদের। এখন আরেকবারও এই সংক্রমণের প্রভাব দেখা গিয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    গবেষকদের মধ্যেও উদ্বেগ

    অধ্যাপক ফ্র্যাঙ্কোসিস বলেন, “২৭টি দেশে ৫০০ জনের রক্ত এবং থুতু-লালার নমুনা পরীক্ষা করে করোনার (Coronavirus) লক্ষণ পাওয়া গিয়েছে। আক্রান্তরা অনেকেই জ্বর, গলা ব্যথা, শুকনো কাশি, গন্ধ এবং স্বাদের অভাব সহ উপসর্গ পাওয়া গিয়েছে।” উল্লেখ্য চিনে করোনা সংক্রমণ রেখাচিত্র উপরের দিকে উঠেছিল বিএফ ৭ রূপের জন্য। ভারতেও এই প্রজাতির নমুনা (Covid XEC) পাওয়া গিয়েছিল। তবে ভারতীয়দের মধ্যে মিশ্র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রতিক্রিয়া এবং দুই বার টিকা প্রয়োগের জন্য এই ধরেনর সংক্রমণের আশঙ্কা খুব কম। একই ভাবে করোনার নতুন প্রজাতির সংক্রমণ ভারতে এখনও লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকায় সংক্রমণের প্রভাব বাড়ায় ভারতেরও চিন্তার একটা বিষয় রয়েছে। এই বিষয়ে গবেষকদের মধ্যেও উদ্বেগের ভাব স্পষ্ট হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Alzheimer’s Disease: মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    Alzheimer’s Disease: মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিচ্ছে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলার সমস্যা। বিশ্ব জুড়ে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অধিকাংশ প্রবীণ নাগরিক অ্যালজাইমার্সে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর জেরে জীবনযাপনের মান কমছে। স্বাভাবিক জীবন নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও অ্যালজাইমারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, এই রোগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রোগ নির্ণয় না হওয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী অ্যালজাইমার (Alzheimer’s Disease) আক্রান্ত কিনা, তা বুঝতেই অনেক দেরি হয়ে যায়। পাশপাশি এই রোগ নিরাময়ে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাই প্রথম পর্যায়েই রোগ নির্ণয় করতে পারলে, নানান থেরাপির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয় বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে নয়া গবেষণা? (Alzheimer’s Disease)

    বিশ্ব জুড়ে অ্যালজাইমার নিয়ে একাধিক গবেষণা চলছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ান-এর একদল চিকিৎসক-গবেষক জানিয়েছেন, অ্যালজাইমারের মতো রোগের কিছু উপসর্গ চল্লিশ বছরের পরেই স্পষ্ট হয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এই ধরনের উপসর্গকে অবহেলা করেন। কিন্তু সেই উপসর্গ দেখা দিলে পরিবারকে সচেতন হতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘরোয়া কিছু সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যেতে পারে ওই ব্যক্তির অ্যালজাইমারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ কতখানি! তাহলে নানান থেরাপির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করা সহজ হয়। ওই চিকিৎসক-গবেষকেরা জানাচ্ছেন, এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে।

    অ্যালজাইমার্স কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যালজাইমার (Alzheimer’s Disease) হল মস্তিষ্কের স্নায়ুঘটিত এক ধরনের সমস্যা। এই রোগে আক্রান্ত হলে মস্তিষ্কের একাধিক স্নায়ু কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে, ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। নিজের পরিচয়, নাম এগুলোও আক্রান্ত ভুলে যান। আস্তে আস্তে শরীরের ক্ষমতাও হারিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্পূর্ণ নষ্ট হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ষাট বছরের পরে অধিকাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ওই আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চল্লিশের পরে এই রোগের কিছু লক্ষণ স্পষ্ট হয়। কিন্তু কোন লক্ষণকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে গবেষণা?

    দিনের সাধারণ ঘটনা মনে থাকছে তো!

    সাম্প্রতিক ওই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দিনের খুব সাধারণ ঘটনা মনে থাকছে কিনা সেদিকে খেয়াল করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, চল্লিশের পরে অনেকেই খুব সাধারণ জিনিস ভুলে যান। অনেক সময়েই কাজের চাপে মনে রাখার ক্ষমতা কমে। কিন্তু অ্যালজাইমারের মতো রোগের অন্যতম উপসর্গ এই ভুলে যাওয়া। তাই খেয়াল রাখা জরুরি চল্লিশোর্ধ ব্যক্তি নিয়মিত সাধারণ জিনিস ভুলে যাচ্ছেন কিনা। ওই গবেষকদের একাংশ জানাচ্ছে, দশ মিনিট আগে ঘটনা কোনও ঘটনা, হয়তো কাঁচের গ্লাস ভেঙে যাওয়া কিংবা পরিবারের কোনও সদস্যের বাইরে যাওয়ার মতো কথা একেবারেই মনে করতে না পারলে, নিয়মিত এই ধরনের ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়লে সতর্ক হতে হবে। এটা অ্যালজাইমারের লক্ষণ।

    বারবার মেজাজ বদল বিপজ্জনক! (Alzheimer’s Disease)

    পরিবারের চল্লিশোর্ধ্ব সদস্যের বারবার মেজাজ বদল হলে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, হঠাৎ করেই রেগে যাওয়া, অকারণে উত্তেজিত হয়ে থাকা, সামান্য বিষয়েও বিরক্তি বা মারাত্মক উদ্বিগ্ন হয়ে থাকা ব্যক্তিকে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। মস্তিষ্ক নানান আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত দ্রুত এই মেজাজ বদল ইঙ্গিত দিচ্ছে মস্তিষ্ক আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ঘরের জিনিস রাখা মনে থাকছে কি?

    গবেষকদের একাংশ জানাচ্ছে, ঘরে কোথায় কোন জিনিস রাখা হয়, সেটা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে (Problems in Mid-forties) মনে থাকছে কিনা সেটা খেয়াল করা দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, রান্নাঘরে চা তৈরির সামগ্রী কোথায় থাকে কিংবা ব্যাঙ্কের ডকুমেন্ট আলমারির কোথায় রাখা হয়, সেটা মনে রাখতে পারছেন কিনা সে নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অনেক সময়েই দেখা যাচ্ছে, বয়স পঞ্চাশের চৌকাঠে পা দেওয়ার আগেই অনেকে এই সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে রাখতে পারছেন না। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, বেশ কিছু নির্দিষ্ট থেরাপি রয়েছে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই দ্রুত রোগ (Alzheimer’s Disease) নির্ণয় হলে মোকাবিলা সহজ হবে। দরকার সচেতনতা। তবেই অ্যালজাইমারের মতো রোগের দাপট রুখতে পারবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share