Category: স্বাস্থ্য

Get updates on Health News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Spinach: শীতে কেন খাবেন পালং শাক? কী কী পুষ্টিগুণ রয়েছে সবুজ, সতেজ এই সবজিটিতে?

    Spinach: শীতে কেন খাবেন পালং শাক? কী কী পুষ্টিগুণ রয়েছে সবুজ, সতেজ এই সবজিটিতে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীতের বাজার মানেই হরেক রঙের সবজি। আর তার সঙ্গে হাজির থাকে সবুজ, সতেজ পালং শাক (Spinach)। শীতের মরশুমে বাঙালির পাতে পালং শাক থাকবেই। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধু স্বাদে নয়, গুণেও পালং শাক অতুলনীয়। বিশেষত শীতের সময়ে পালং শাক খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়। একাধিক রোগ মোকাবিলায় পালং শাক খুবই সাহায্য করে। তাই মরশুমের সবজি হিসেবে শীতে পালং শাক খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উপকারী (Spinach)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রার রকমফেরে অনেক সময়েই রক্তচাপ ওঠানামা করে। তাই যাঁদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না, অথবা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত, তাঁরা শীতে পালং শাক খেলে বাড়তি উপকার পাবেন। কারণ, পালং শাকে থাকে ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। শীতের শুরুতে কিংবা শীতের বিদায়পর্বে আবহাওয়ার অনেকটাই পরিবর্তন হয়। আর তার জেরেই নানান ভাইরাসের দাপট বাড়ে। ফলে, অনেকেই নানান সংক্রমণের শিকার হন। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি পর্যাপ্ত থাকলে ভোগান্তি কমবে‌। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন এ। এই উপাদান দেহের রক্তের শ্বেত কণিকাকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে বাড়তি সাহায্য করে।

    ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য

    শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষত প্রবীণদের মধ্যে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। আদ্রর্তার অভাবেই এই সমস্যা হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাক এক্ষেত্রে বাড়তি উপকারী।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে (Spinach) ভিটামিন এ থাকে। ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াতে এই উপাদান‌‌ বিশেষ সাহায্য করে। এছাড়াও, পালং শাকে থাকে ফলিক অ্যাসিড।‌ ফলে এই সবজি খেলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। শীতে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। তাই হৃদরোগ রুখতে পালং শাক‌ বিশেষ সাহায্য করে।

    তবে, শুধু শীতের সমস্যা কমায় না। পালং শাক শরীরে একাধিক উপকার করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে থাকে‌ বিটা ক্যারোটিন। এর ফলে চোখ ভালো থাকে। চোখে ছানির ঝুঁকি কমায় এই উপাদান। এছাড়াও পালং শাকে থাকে ক্লোরোফিল। এর ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

    পালং শাক খাওয়ার সময় কোন দিক নজরে থাকবে? (Spinach)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাকের উপকারিতা অনেক। স্বাস্থ্যগুণও প্রচুর। কিন্তু কয়েকটা দিক নজরে রাখা জরুরি। তবেই শরীর ভালো থাকবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাক অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। গ্যাস, পেটব্যথাও হতে পারে। তাই পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। আবার পালং শাক নিয়মিত খেলে কিডনির সমস্যা হতে পারে। কারণ পালং শাক বেশি খেলে শরীরে অক্সালিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত পালং শাক (Vegetable) খেলে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনির সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হয়‌।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JNU: ম্যালেরিয়া-কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে নয়া আবিষ্কার জেএনইউ বিজ্ঞানীদের

    JNU: ম্যালেরিয়া-কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে নয়া আবিষ্কার জেএনইউ বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় আবিষ্কার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) বিজ্ঞানীদের। ম্যালেরিয়া ও কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে এই আবিষ্কার। জেএনইউয়ের (Big Discovery) স্পেশাল সেন্টার ফর মলিকিউলার মেডিসিনের দলটি একটি মানব প্রোটিন, ‘এইচএসপি ৭০’-কে চিহ্নিত করেছে।

    একাধিক সংক্রমণ রুখবে (JNU)

    এই প্রোটিনটি ম্যালেরিয়া ও কোভিড-১৯ এর মতো রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিজ্ঞানীরা রাশিয়া ও ভারতের গবেষকদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করে এইচএসপি ৭০ এর একটি ছোট মলিকিউল ইনহিবিটর তৈরি করেছেন, যা একাধিক সংক্রমণের জন্য একটি বিস্তৃত-স্পেকট্রাম চিকিৎসা হিসাবে কাজ করতে পারে। এই গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন জেএনইউয়ের স্পেশাল সেন্টার ফর মলিকিউলার মেডিসিনের অধ্যাপক আনন্দ রঙ্গনাথন এবং শৈলজা সিং। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এইচএসপি ৭০-কে টার্গেট করা হলে ওষুধ প্রতিরোধ আটকানো যেতে পারে, যা সংক্রমণের চিকিৎসায় একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কারটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ফর বায়োলজিকাল ম্যাক্রোমলিকিউলসে।

    এইচএসপি ৭০ টার্গেট

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে (JNU), এইচএসপি ৭০ সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন এবং মানুষের এসিই২ রিসেপ্টরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে, যা ভাইরাসকে কোষে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, জ্বরের সময় এইচএসপি ৭০ এর মাত্রা বাড়ে এবং এই সংযোগকে স্থিতিশীল করে। ফলে ভাইরাসটি কোষে সহজেই প্রবেশ করতে পারে। এইচএসপি ৭০ ইনহিবিট করে তারা ল্যাব পরীক্ষায় ভাইরাসের প্রতিলিপি সম্পূর্ণরূপে থামাতে সক্ষম হন। অধ্যাপক শৈলজা সিং বলেন, “ম্যালেরিয়া পরজীবী বা সার্স-কোভ২ এর মতো রোগজীবাণু হোস্টের মেকানিজম ব্যবহার করে বেঁচে থাকে। এইচএসপি ৭০ টার্গেট করে আমরা তাদের প্রতিলিপি তৈরি করার ক্ষমতা এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে (Big Discovery) লড়াই করার ক্ষমতা ব্যাহত করতে পারি।”

    আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাড়িতে ঢুকে হিন্দু মহিলাকে খুন! ছেঁড়া হয় তুলিসীর মালা, চলে দেদার লুটপাট

    আবিষ্কারের গুরুত্ব প্রসঙ্গে অধ্যাপক রঙ্গনাথন বলেন, “বিশ্ব হয়ত কোভিড ১৯-কে পেছনে ফেলেছে। কিন্তু বিজ্ঞানী হিসেবে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আমাদের আবিষ্কার ভবিষ্যৎ মহামারির জন্য প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করতে পারে।” এইমসের ড. প্রমোদ গর্গ এবং পিএইচডি স্কলার প্রেরণা জোশি-সহ গবেষণার অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “এই গবেষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে একটি সর্বজনীন পদ্ধতি প্রদান করতে পারে (JNU)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Drug Resistant Pneumonia: বায়োটেকনোলজি জগতে যুগান্তকারী ঘটনা, আবিষ্কার নয়া অ্যান্টিবায়োটিক

    Drug Resistant Pneumonia: বায়োটেকনোলজি জগতে যুগান্তকারী ঘটনা, আবিষ্কার নয়া অ্যান্টিবায়োটিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বায়োটেকনোলজি জগতে যুগান্তকারী ঘটনা। মহারাষ্ট্রের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ওকহার্ট লিমিটেড প্রথম দেশীয়ভাবে উন্নত অ্যান্টিবায়োটিক ‘নাফিথ্রোমাইসিন’ (বাণিজ্যিক নাম- মিকন্যাফ) তৈরি করেছে। এটি বহু-ওষুধ প্রতিরোধী (Drug Resistant Pneumonia) জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর। এই নয়া অ্যান্টিবায়োটিকটি (Antibiotic) প্রাপ্তবয়স্কদের কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড ব্যাকটেরিয়াল নিউমোনিয়া (CABP) চিকিৎসার কাজে লাগবে।

    ‘সফট লঞ্চ’ (Drug Resistant Pneumonia)

    চলতি বছরের ২০ নভেম্বর কেন্দ্রের ডিপার্টমেন্ট অব বায়োটেকনোলজি এবং বায়োটেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্স কাউন্সিল (BIRAC) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এই ওষুধটির ‘সফট লঞ্চ’ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ড্রাগ-প্রতিরোধী নিউমোনিয়া প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী  ২০ লক্ষেরও বেশি মৃত্যুর জন্য দায়ী। বিশ্বব্যাপী নিউমোনিয়ার মধ্যে ভারতের অংশ ২৩ শতাংশ। এখানে অ্যাজিথ্রোমাইসিনের মতো প্রচলিত ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কারণে চিকিৎসায় নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে (Drug Resistant Pneumonia)।

    কী বলছেন প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান?

    বায়োটেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্স কাউন্সিল ওকহার্টকে নাফিথ্রোমাইসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য ৮ কোটি টাকা দিয়েছে। যদিও প্রকল্পের খরচ ৫০০ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেওয়া হয়েছে। ওকহার্টের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান ডঃ হাবিল খোরাকিওয়ালা তাঁর বক্তব্যে মিকন্যাফের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এটি একটি ওরাল ড্রাগ, যা কমিউনিটি রেসপিরেটরি ইনফেকশন মোকাবিলার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। গত ৩০ বছরে এই সেগমেন্টে বিশ্বব্যাপী কোনও নতুন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয়নি বলেও জানান তিনি। তাঁর দাবি, ওষুধটি অ্যাজিথ্রোমাইসিনের তুলনায় ১০ গুণ বেশি কার্যকর এবং ফুসফুসে ৮ গুণ বেশি এক্সপোজার দেয়। এটি প্রতিদিন একবার করে তিন দিন খেতে হবে। তিনি জানান, নাফিথ্রোমাইসিন উন্নততর নিরাপত্তা এবং সহনশীলতা প্রদর্শন করে। এতে ক্লিনিক্যাল কিওর রেট রয়েছে ৯৬.৭ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নাফিথ্রোমাইসিনের উন্নয়ন ১৪ বছরের টানা গবেষণা এবং ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের (Antibiotic) ফল, যেখানে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং ভারতের মধ্যে পরিচালিত হয়েছে (Drug Resistant Pneumonia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Antibiotics: সামান্য কিছু হলেই টপাটপ অ্যান্টিবায়োটিক? জানেন কত বড় বিপদ ডেকে আনছেন?

    Antibiotics: সামান্য কিছু হলেই টপাটপ অ্যান্টিবায়োটিক? জানেন কত বড় বিপদ ডেকে আনছেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঋতু পরিবর্তনের সময় সামান্য জ্বর, সর্দি-কাশি হোক কিংবা পেটের অসুখ, যে কোনও সমস্যাতেই অনেকে  অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics) খান। একটা অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স করলেই সব সমস্যা মিটে যাবে, অনেকের ধারণা এটাই।‌ তাই অনেক সময়েই চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে ইচ্ছে মতো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া চলতেই থাকে। আবার অনেকে ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিক খান। আর এর জেরেই বাড়ছে বিপদ। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে সেই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ফলে, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এখন থেকেই সতর্ক না হলে পরে আরও বড় বিপদ অপেক্ষা করছে।

    কী বিপদের আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা? (Antibiotics)

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার। তার ফলেই বাড়ছে বিপদ। শিশু বয়স থেকেই যে কোনও সামান্য অসুখে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। অতিরিক্ত  অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার জেরে শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে শরীর ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া করছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যান্টিবায়োটিক বেশি খাওয়ার জেরে শরীরের ভিতরে থাকা জীবাণু ওষুধের বিরুদ্ধে শক্তিশালী থাকার কৌশল জেনে যাচ্ছে। এর ফলে বড় কোনও অসুখ হলে ওই ওষুধ আর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারছে না।‌ অ্যান্টিবায়োটিকের (Antibiotics) বিরুদ্ধে যেসব জীবাণু শক্তি বাড়াচ্ছে, তাদের বিশেষজ্ঞেরা ‘সুপারবাগস’ বলেই চিহ্নিত করেছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর ফলে বিভিন্ন জটিল অসুখে শারীরিক অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে। বিশেষত যে কোনও অস্ত্রোপচারের পরে শরীরে ইনফেকশন আটকানো‌ আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কারণ, বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস শরীরে প্রবল শক্তিশালী হয়ে থাবা বসাচ্ছে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ বয়স্কদের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে এই সুপারবাগস (superbugs)। বয়স বাড়লে নানান অসুখে শরীর কাবু হচ্ছে। কিন্তু কোনও ওষুধ শরীরে ঠিকমতো কাজ করছে না।‌ শারীরিক পরীক্ষা করে ধরা পড়ছে অধিকাংশ ওষুধের বিরুদ্ধে শরীরে জীবাণুর রেজিস্ট্যান্স শক্তি তৈরি হয়ে গিয়েছে। এর ফলে ভোগান্তি কয়েকগুণ বাড়ছে। আবার হাসপাতালে বারবার ভর্তি থাকতে হলেও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। শরীরের ভিতরের একাধিক ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস সক্রিয় হয়ে উঠছে। ফলে নানান জটিল অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়ছে‌।

    কীভাবে সুপারবাগস-এর বিরুদ্ধে মোকাবিলা সম্ভব? (Antibiotics)

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সচেতনতা এবং সতর্কতাকেই হাতিয়ার করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনই অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যায় না, এ নিয়ে আরও সচেতনতা জরুরি। কারণ, অনেকেই এ ব্যাপারে একেবারেই সতর্ক নয়। বিশেষত শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতনতা জরুরি। সামান্য সর্দি-কাশি কিংবা সাধারণ ভাইরাসঘটিত অসুখে একেবারেই যথেচ্ছ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না। কারণ খুব ছোট থেকেই এভাবে ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী জীবনে জটিলতা (Big danger) আরও বাড়বে। তাই সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। সব সময় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics) খাওয়া দরকার। তবেই এই বিপদ আটকানো সম্ভব হবে‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian gooseberry: খাওয়ার পরেই একটা আমলকি!  এই ফলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    Indian gooseberry: খাওয়ার পরেই একটা আমলকি! এই ফলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আমলকি! ভারতীয় এই ফলের চাহিদা বিশ্ব বাজারে তর তর করে বাড়ছে! বিশেষজ্ঞ মহল এই ফলের নাম দিয়েছে ‘সুপার ফুড’ (Indian gooseberry)! ভাত খাওয়ার পরে কিংবা বিকেলে, দিনের যে কোনও সময় এক টুকরো মুখে পুরলেই দেখা দেবে ম্যাজিক! একাধিক রোগ মোকাবিলার বাড়তি শক্তি পাওয়া যাবে এতে।  এমনকী বিভিন্ন রোগের উপশম করে এই ফল। তাই এই ফলকে ‘সুপার ফুড’ও বলা হয়।

    কাদের জন্য উপকারী এই ফল?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু থেকে বয়স্ক, সকলেই এই ফল নিয়মিত খেতে পারে। সবার জন্য এই ফল বিশেষ উপকারী। তবে শিশুকে তিন বছরের আগে আমলকি দেওয়া উচিত নয়। কারণ, কাঁচা আমলকি যথেষ্ট শক্ত হয়। ফলে গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে তিন বছরের উর্ধ্বে শিশুদের এই ফল ছোট টুকরো করে দেওয়া যেতে পারে। বয়স্করা নিয়মিত আমলকি খেতে পারেন। প্রবীণদের জন্য আমলকি বিশেষ উপকারী হয়।

    কী কী উপকার পাওয়া যায়? (Indian gooseberry)

    আমলকিতে থাকে ভিটামিন সি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর ফলে সর্দি-কাশি মোকাবিলায় এই ফল বিশেষ করে উপকারী। প্রবীণ এবং শিশুদের সর্দি-কাশির সমস্যা বেশি হয়। বিশেষত ঋতু পরিবর্তনের সময়ে বারবার অনেকেই সর্দি-কাশিতে নাজেহাল হন। তাই নিয়মিত আমলকি খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়। 
    মাথাব্যথায় আমলকি বিশেষ উপকার করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই বমি এবং মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন। বিশেষত মাইগ্রেনের সমস্যায় আক্রান্তদের ভোগান্তি আরও বাড়ে। আমলকি (Indian gooseberry) নিয়মিত খেলে বমি ভাব দূর হয়। মাথাব্যথাও কমে। 
    আমলকিতে থাকে আয়রন।  তাই নিয়মিত আমলকি খেলে রক্তাল্পতা কমে। শরীরে আয়রনের জোগান ঠিকমতো পাওয়া যায়। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, বয়ঃসন্ধিকাল থেকে মেয়েরা নিয়মিত আমলকি খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি অনেকটাই কমবে। 
    আমলকিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদান শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে নিয়মিত আমলকি খেলে ক্যান্সারের মতো রোগকেও মোকাবিলা করা সহজ হয়। 
    স্থূলতা কমাতে আমলকি (Indian gooseberry) বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আমলকি সহজেই দেহের ক্ষতিকারক মেদ ঝরাতে সাহায্য করে‌। তাই স্থূলতা রুখতে আমলকি খুবই উপকারী। 
    আমলকি হজমে সাহায্য করে। পাশপাশি বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আমলকির রস পেপটিক আলসার রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। 
    উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও আমলকি বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুকনো আমলকির (Amlaki) গুঁড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dandruff: শীত পড়তেই বাড়ছে খুসকি! কেন‌ হয় এই সমস্যা? কোন ঘরোয়া উপাদানে হবে মুশকিল আসান? 

    Dandruff: শীত পড়তেই বাড়ছে খুসকি! কেন‌ হয় এই সমস্যা? কোন ঘরোয়া উপাদানে হবে মুশকিল আসান? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাড়ির একরত্তি সদস্য হোক কিংবা পরিবারের সবচেয়ে প্রবীণ, শীতের আমেজ শুরু হতেই এক অদ্ভুত সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। কত বয়স, ছেলে না মেয়ে-এই পরিচয় আর তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। এই সমস্যার জেরে নাজেহাল আট থেকে আশি। তাপমাত্রার পারদ নামতেই অনেকেই খুসকির (Dandruff) সমস্যায় কাবু। ঘন ঘন মাথা চুলকানো, অস্বস্তিবোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সমস্যার সহজ সমাধান রয়েছে। নিয়মিত কিছু ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করলেই হবে মুশকিল আসান।

    কেন শীতের শুরুতে বাড়ে খুসকি? (Dandruff)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের চামড়ার অপরিচ্ছন্নতা থেকেই খুসকির সমস্যা তৈরি হয়। অনেকেই নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহার করেন না। আর ধুলো ও দূষণের জেরে মস্তিষ্কের চামড়া অর্থাৎ চুলের ভিতরের অংশ অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। তার জেরেই তৈরি হয় খুসকির সমস্যা। তবে, এই সমস্যাকে আরও জটিল করে শুষ্ক ত্বক। ত্বক শুষ্ক হলে খুসকির সমস্যা বাড়ে। আর শীতের শুরুতে ত্বকের শুষ্কতা এমনিতেই বাড়ে। আরেক দিকে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণও বেড়ে যায়। তাই শীতের শুরুতে ভোগান্তি বাড়ায় খুসকি। তাছাড়া, অনেকের নানা ধরনের অ্যালার্জি থাকে। যার জেরেও খুসকির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। শীতের প্রথমে অনেক সময়েই তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করার জেরে রক্তে অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়ে। শরীরে তৈরি হয় নানান ছত্রাকের সংক্রমণ। এর জেরে খুসকির মতো সমস্যাও বাড়তে থাকে। কিন্তু কীভাবে মুশকিল আসান হবে? বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘরোয়া কিছু উপাদানের মাধ্যমে সহজেই কমতে পারে খুসকির ভোগান্তি।

    রাতভর ভেজানো নিমপাতার মিশ্রণ

    খুসকির সমস্যা কমাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে নিমপাতা। নিমপাতা শরীরের একাধিক রোগ‌ মোকাবিলায় সাহায্য করে। খুসকি কমাতেও বিশেষ উপকারী এই নিমপাতা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ১০ থেকে ১৫টা নিমপাতা সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপরে সেই ভেজানো নিমপাতা বেটে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। সেই মিশ্রণ মাথায় মাখলে খুসকির (Dandruff) সমস্যা অনেকটাই কমবে‌।

    মেথি বীজ এবং পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চামড়ায় লাগানো (Dandruff)

    মস্তিষ্কের চামড়ায় অর্থাৎ চুলের ফাঁকে ভালো ভাবে মেথির বীজ এবং পাতিলেবুর রসের মিশ্রণ লাগালে দ্রুত খুসকির সমস্যা কমে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সারা রাত মেথির বীজ ভিজিয়ে রেখে তাকে মসৃণ ভাবে বেটে নিতে হবে। তার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে লেবুর রস। পাতিলেবুর রস মেশানো সেই মেথির বীজের মিশ্রন মাথায় সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন মাখলেই কমবে খুসকির (Dandruff) সমস্যা।

    তুলসী পাতা এবং আমলার ব্যবহার

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত তুলসী পাতা এবং আমলা একসঙ্গে বেটে মাথায় মাখলে খুসকি দ্রুত কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, আমলা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিতে হবে‌। দশ থেকে বারোটা তুলসী পাতা ভিজিয়ে বেটে নিতে হবে। আমলার গুঁড়ো এবং তুলসী পাতা বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে ভালোভাবে মাথায় মেখে অন্তত তিরিশ মিনিট রাখতে হবে। নিয়মিত এটা ব্যবহার করলেই খুসকির সমস্যা কমবে। 

    তবে এই সব ঘরোয়া উপাদান‌ (Domestic ingredients) ব্যবহারের পাশাপাশি নিয়মিত ভালোভাবে স্নান করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চুল পরিষ্কার থাকলে, মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকলে খুসকির সমস্যা সহজেই কমানো যায়। তাই নিয়মিত শ্যাম্পু করা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Stomach cancer: চল্লিশের পরেই পাকস্থলীর ক্যান্সার বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন কোন খাবারে বাড়ছে এই রোগ?

    Stomach cancer: চল্লিশের পরেই পাকস্থলীর ক্যান্সার বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন কোন খাবারে বাড়ছে এই রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্যান্সারের দাপট বাড়ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও বাড়ছে এর দাপট। অন্যদিকে, গত কয়েক বছর ধরে দেশ জুড়ে পাকস্থলীর ক্যান্সারে (Stomach cancer) আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই ক্যান্সারের দাপট বাড়ার জেরেই উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে পরিসংখ্যান?

    গত দেড় দশকে দেশ জুড়ে নানা ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে স্টমাক ক্যান্সার বা পাকস্থলীর ক্যান্সার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে যে কয়েকটি ক্যান্সার বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে, সেই তালিকায় প্রথমের দিকেই রয়েছে স্টমাক ক্যান্সার। পুরুষদের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত ক্যান্সারে পুরুষেরা বেশি আক্রান্ত হন, তার প্রথম পাঁচেই রয়েছে স্টমাক ক্যান্সার। মহিলাদের ক্ষেত্রে তালিকার সাত নম্বরে রয়েছে স্টমাক ক্যান্সার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগেও এই ক্যান্সারের দাপট ছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যেত, পঞ্চান্ন বছরের বেশি বয়সিরা এই রোগে আক্রান্ত হতেন। ষাটোর্ধ্বদের রোগ নির্ণয় করে জানা যেত। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই রোগে তরুণ প্রজন্মের আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, চল্লিশের পরেই এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে‌। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

    কেন বাড়ছে স্টমাক ক্যান্সারের দাপট? (Stomach cancer)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্টমাক ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ জীবন যাপনের ধরন। তরুণ প্রজন্মের অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন বিপদ বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ মদ্যপানকে ‘স্টাইল স্টেটমেন্ট’ ভাবছেন। জন্মদিন হোক বা অফিসের প্রমোশন, মদ বন্ধুমহলে আড্ডা দেওয়ার অবশ্য সঙ্গী হয়ে উঠছে। আর এটাই চরম ক্ষতি করছে। এর পাশপাশি ক্যাফরিন জাতীয় খাবার অর্থাৎ কফি খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে যাওয়াও আরও একটি কারণ। তরুণ প্রজন্মের (Young generation) একাংশ মারাত্মক কফি পান করতে ভালোবাসে। অনেক সময়েই তারা খালি পেটে একাধিক কাপ কফি খাচ্ছেন‌। এই অভ্যাস ভয়ঙ্কর। পাকস্থলীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। 
    এর পাশপাশি অতিরিক্ত মশলা জাতীয় খাবার এবং চর্বি জাতীয় খাবার পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, চটজলদি মশলাদার খাবারেই তরুণ প্রজন্মের একাংশ অভ্যস্ত। বার্গার, পিৎজা এখন অনেকের নিয়মিত খাবারের তালিকায় থাকে, যা বিপজ্জনক। এই ধরনের খাবারে থাকে মারাত্মক রাসায়নিক। ফলে এই খাবার পাকস্থলীর জন্য খুবই ক্ষতিকারক। তাই এই ধরনের খাদ্যাভ্যাস থাকলে স্টমাক ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়বে।

    কীভাবে স্টমাকের যত্ন নেবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস একাধিক রোগ মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। স্টমাক ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও তাই খাবারেই ভরসা রাখছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত টক দই জাতীয় খাবার খেতে হবে। এই ধরনের খাবারে প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক থাকে। অর্থাৎ ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে। যা মানুষের শরীরের পক্ষে উপকারী। তাই নিয়মিত টক দই খেলে পাকস্থলী সুস্থ (Stomach cancer) থাকে‌। 
    ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার স্টমাকের জন্য বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আলু, গাজর, টমেটো ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার। এই ধরনের খাবার পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই নিয়মিত এই ধরনের সব্জি খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। 
    পাকস্থলী সুস্থ রাখতে ফাইবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফাইবার হজমে সাহায্য করে। শরীরে ক্ষতিকারক অ্যাসিড তৈরি করা আটকায়। এর ফলে স্টমাক ভালো থাকে। তাই নিয়মিত ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার মেনুতে রাখা জরুরি। নাশপাতি, আপেল, আটার তৈরি রুটি, বাঁধাকপির মতো সব্জি নিয়মিত খেলে দেহে প্রয়োজনীয় ফাইবারের জোগান বজায় থাকে। এতে শরীর সুস্থ থাকে। 
    ভিটামিন সি শরীর সুস্থ রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। স্টমাক ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলেই জানাচ্ছেন‌ চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, লেবু, বেরি, কিউই জাতীয় ফল নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন‌ সি-র চাহিদা সহজে পূরণ হয়। এর ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Winter infections: তাপমাত্রার পারদ নামতেই বাড়ছে সংক্রমণ! হাঁচি-কাশি-গলাব্যথার মতো নানা উপসর্গে কাবু?

    Winter infections: তাপমাত্রার পারদ নামতেই বাড়ছে সংক্রমণ! হাঁচি-কাশি-গলাব্যথার মতো নানা উপসর্গে কাবু?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের পরেই বদলে গিয়েছে আবহাওয়া। চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রার পারদ অনেকটাই কমেছে। তবে আবহাওয়ার এই বদলে‌ বাড়ছে ভোগান্তি। বিশেষত প্রবীণদের একাংশ বাড়তি ভোগান্তির শিকার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ষাটোর্ধ্বদের অধিকাংশের হাঁচি-কাশি-গলাব্যথার মতো নানান উপসর্গ (Winter infections) দেখা দিচ্ছে। আবার ফুসফুসের নানান সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। ফলে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। একাধিক ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের জেরে জ্বরও হচ্ছে। 

    কেন এই আবহাওয়ায় বাড়ছে নানা রোগের দাপট? (Winter infections)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু এবং বয়স্কদের মধ্যেই নানা রোগের প্রকোপ বাড়ছে‌। তবে এই বছরে বয়স্কদের ভোগান্তি বেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অধিকাংশ প্রবীণ নাগরিক নানা ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের জেরে জ্বরে আক্রান্ত। তার সঙ্গে দেখা দিচ্ছে বক্ষঃরোগের দাপট। শ্বাসনালীতে সংক্রমণও দেখা দিচ্ছে। যার জেরে হাঁচি-কাশির মতো সমস্যা হচ্ছে। নানান অ্যালার্জি ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শহরের একাধিক সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় আক্রান্ত প্রবীণ রোগীদের ভিড় বাড়ছে। বিশেষত ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজে আক্রান্তদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে।

    এই ভোগান্তির অন্যতম কারণ আবহাওয়ার পরিবর্তন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতের শুরুতে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। এর জেরে একদিকে তাপমাত্রার পারদ হঠাৎ করেই কমে যায়। আবার, বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। আর সব মিলিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে একাধিক ভাইরাস। ফলে ভোগান্তি (Sneezing-cough-sore throat) বাড়ে। তার উপরে প্রবীণদের মধ্যে ফুসফুসের রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাই এই আবহাওয়াতে ভোগান্তি বাড়ছে।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বিশেষত বয়স্কদের সুস্থ থাকার জন্য বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রবীণদের অনেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যায় ভোগেন (Winter infections)। তার জন্য নিয়মিত ওষুধ খান। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে। সেই ওষুধের ডোজে হেরফের করা চলবে না। এতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। নিয়মিত কিছু শারীরিক কসরত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতের শুরুতে অনেকেই পেশি ও রক্ত সঞ্চালনের নানা সমস্যায় ভোগেন। তাই নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক কসরত নিয়মিত করা জরুরি। এতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হবে। শরীর সুস্থ থাকবে।

    জল পর্যাপ্ত খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পারদ পড়ে যাওয়ায় অনেকেই জল খেতে চান না। ফলে শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরে ভাইরাস সংক্রমণের (Winter infections) ঝুঁকিও কমানো সহজ হয়।

    খাবারে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। সহজপাচ্য খাবার নিয়মিত খেতে হবে। তবে ব্যালান্স ডায়েট জরুরি। অর্থাৎ ভাত-রুটির সঙ্গে পরিমিত সব্জি, প্রাণীজ প্রোটিন যেমন মাছ-ডিম-মাংস নিয়মিত খাওয়া দরকার। সঙ্গে অবশ্যই রাখতে হবে দুধ কিংবা দুগ্ধজাত কোনও খাবার। তাহলে শরীর সহজে এনার্জি পাবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বজায় থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Immunity Power: একটু ভারী খাওয়া-দাওয়ার পরেই বিগড়ে যাচ্ছে শরীর! বারবার ভোগান্তি রুখবেন কীভাবে?

    Immunity Power: একটু ভারী খাওয়া-দাওয়ার পরেই বিগড়ে যাচ্ছে শরীর! বারবার ভোগান্তি রুখবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে কিংবা যে কোনও অনুষ্ঠান-উদযাপনের খাওয়া-দাওয়ার পরেই বিগড়ে যায় শরীর। কখনও জ্বর-সর্দি-কাশি, আবার কখনও পেটের অসুখ! বছরভর নানান ভোগান্তি লেগেই থাকে। ঋতু পরিবর্তনের মরশুমে বাড়ে আরও বিপদ। গলাব্যথা থেকে জ্বর কিংবা সর্দি! অসুখের জেরে অনেকেই নাজেহাল হন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কম থাকার জেরেই এই বিপদ! শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি (Immunity Power) কম থাকলে নানান রোগের কবলে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে‌। তাই সুস্থ জীবনযাপনের জন্য জরুরি রোগ প্রতিরোধ শক্তি! পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘরোয়া উপাদানেই এই সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভব। নিয়মিত কিছু খাবার খেয়েই বাড়ানো যাবে ইমিউনিটি পাওয়ার! যার ফলে সামান্য অসুখেই শরীর কাবু হবে না। এছাড়াও সাধারণ ভাইরাস ঘটিত অসুখের ভোগান্তিও কমবে! এবার জেনে নিন, কীভাবে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ শক্তি?

    জলখাবারে থাকুক সাইট্রাস ফল (Immunity Power) 

    বাড়ির বাচ্চাদের স্কুলের টিফিনে হোক কিংবা বড়দের প্রাতঃরাশে, অন্যান্য খাবারের সঙ্গে নিয়মিত থাকুক সাইট্রাস ফল। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাইট্রাস ফল হল বিভিন্ন ধরনের বেরি জাতীয় ফল। অ্যাপ্রিকট থেকে স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি-সবগুলোই সাইট্রাস গোত্রীয় ফল। নিয়মিত এই জাতীয় ফল খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ শক্তি। কারণ, সাইট্রাস জাতীয় ফলে থাকে ভিটামিন সি। শরীরে এই ভিটামিন সি-র জোগান থাকলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। আবার এটা রক্তে শ্বেত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। তাই দেহের প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। নিয়মিত এই ফল খেলে শরীর সুস্থ থাকবে।

    রান্নায় ব্যবহার হোক হলুদ

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রান্নায় নিয়মিত হলুদ ব্যবহার করলে রোগ প্রতিরোধ‌ শক্তি (Immunity Power) বাড়ে। কারণ, হলুদে থাকে কারকিউমিন। এই উপাদান শরীরে ব্যাকটেরিয়া ঘটিত অসুখের ঝুঁকি কমায়। আবার আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের বিরুদ্ধেও মোকাবিলা করে। তাই হলুদ রান্নায় নিয়মিত ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    দুপুরের খাবারে পাতে থাকুক শাক

    যে কোনও ধরনের শাক শরীরের জন্য উপকারী, এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুঁই শাক হোক কিংবা পালং শাক, যে কোনও ধরনের শাক শরীর সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।‌ কারণ,  শাকে থাকে ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন এবং ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো উপাদান। এই উপাদানগুলো পেশিকে মজবুত করে। শরীরের  প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি (Immunity Power) বাড়ে। তাই নিয়মিত দুপুরে ভারী খাবার অর্থাৎ ভাত কিংবা রুটি খাওয়ার সময় সঙ্গে থাকুক এক ধরনের শাক! এতে শরীর সুস্থ থাকবে।

    টক দই থাকুক শেষ পাতে

    শরীর সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে খাবারের শেষ পাতে থাকুক টক দই। এমনটাই পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দইয়ে থাকে একাধিক ভালো ব্যাকটেরিয়া। যা মানুষের শরীরের অন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই নিয়মিত টক দই খেলে অন্ত্রের রোগের ঝুঁকি (Illness) কমবে। পেটের অসুখ এবং হজম জনিত সমস্যায় ভোগান্তি কমবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে।

    মুরগির ডিম এবং মাংস দেবে বাড়তি শক্তি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেহে প্রোটিনের চাহিদা ঠিকমতো পূরণ না হলে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই নিয়মিত প্রোটিন‌ জাতীয় খাবার জরুরি।‌ তাই মেনুতে মুরগির‌ ডিম কিংবা মাংসের পদ থাকা জরুরি। তবে অবশ্যই সহজপাচ্য রান্না হতে হবে।‌ যাতে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি ৬-র মতো উপাদানের জোগান‌ ঠিকমতো হয়। নিয়মিত ডিম এবং মাংস জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খেলে পেশি মজবুত হবে। আয়রনের চাহিদা পূরণ হবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে (Immunity Power)।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pneumonia: প্রত্যেক নিঃশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ! নিউমোনিয়ার মতো রোগের দাপট মারাত্মক বাড়ছে কেন?

    Pneumonia: প্রত্যেক নিঃশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ! নিউমোনিয়ার মতো রোগের দাপট মারাত্মক বাড়ছে কেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে দূষণ। বিশেষত বায়ুদূষণ বাড়াচ্ছে একাধিক বিপদ। আর সব চেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে ফুসফুসের! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে ফুসফুসের অসুখের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। যার জেরে নিউমোনিয়ার (Pneumonia) মতো রোগের দাপট মারাত্মক বেড়েছে। ১২ নভেম্বর ছিল বিশ্ব নিউমোনিয়া সচেতনতা দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, যেভাবে পৃথিবী জুড়ে এই রোগের দাপট বাড়ছে, তাতে সচেতনতা না বাড়ালে মোকাবিলা করা কঠিন। আরও কঠিন হয়ে উঠবে সুস্থ জীবনযাপন। তাই প্রথম থেকেই বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। এই বছরে তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক নিঃশ্বাস কতখানি গুরুত্বপূর্ণ, সেটা বোঝা জরুরি। বাতাসে যেভাবে দূষিত উপাদান বাড়ছে, তাতে পরিশুদ্ধ বাতাস কতখানি পাচ্ছে, মানুষকে সেদিকে নজর দিতে হবে। এ বছরের থিম ‘Every Breath Counts’।

    কাদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে নিউমোনিয়া? (Pneumonia) 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু এবং বয়স্কদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে এই রোগ।‌ নিউমোনিয়ার দাপটে বিশ্ব জুড়ে প্রতি বছর ৮০ লাখ শিশুর জীবন-সঙ্কট তৈরি হয়। প্রবীণ নাগরিকদেরও জীবনের ঝুঁকি বাড়ায় এই রোগ। গত কয়েক বছরে সত্তরোর্ধ্ব অধিকাংশ মানুষের মৃত্যুর কারণের তালিকায় প্রথম দিকেই থাকছে নিউমোনিয়া। তাই প্রথম থেকেই এই রোগ নিয়ে সচেতনতা না থাকলে বিপদ বাড়বে। কিন্তু কীভাবে নিউমোনিয়ার মোকাবিলা সম্ভব?

    টিকাকরণ জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফুসফুসের সুস্থতার (Lung infection) দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে। তাই টিকাকরণ নিয়ে সচেতনতা জরুরি। শিশুদের পাশপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের নিউমোনিয়ার টিকা নিতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, বিশ্বের একাধিক দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের টিকাকরণ নিয়ে বিশেষ সচেতনতা নেই। ফলে, এই রোগের দাপট আরও বাড়ছে।

    ধূমপানের অভ্যাস ছাড়তে হবে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ধূমপান অত‌্যন্ত ক্ষতিকারক। এই অভ্যাস ছাড়তেই হবে। যে ধূমপান করছে, তার পাশপাশি তার আশপাশের মানুষের জন্যও এই অভ্যাস ক্ষতিকারক।ফুসফুসের উপরে এটা মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ফুসফুসের একাধিক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। নিউমোনিয়ার (Pneumonia) দাপট বাড়াতে পারে এই অভ্যাস। তাই ধূমপানের অভ্যাস ছাড়া দরকার।

    নিয়মিত হাত পরিষ্কার

    সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত পরিষ্কার করা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস থাকলে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। ফলে, নিউমোনিয়ার মতো জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকিও কমবে।

    ঘরের ভিতরের বাতাস পরিশুদ্ধ থাকা জরুরি (Pneumonia) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘরের ভিতরের বাতাস কতখানি পরিশুদ্ধ সেদিকেও‌ নজরদারি জরুরি। প্রয়োজনে আরও ইন্ডোর গাছ ঘরে রাখার দিকেও নজর দেওয়া দরকার। বহু গাছ বাতাসের দূষিত উপাদান সহজেই টেনে নেয়। তাই সেদিকে নজর দিলে নিউমোনিয়ার মতো রোগের মোকাবিলা সহজ হয়‌।

    রোগ নিয়ে সচেতনতা

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লাগাতার সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ থাকলে একেবারেই এড়িয়ে চলা যাবে না। প্রথম থেকেই রোগ নিয়ে সতর্ক থাকলে বড় বিপদ এড়ানো‌ সহজ হয়। নিউমোনিয়ার (Pneumonia) ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share