Category: স্বাস্থ্য

Get updates on Health News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • West Nile Virus: আতঙ্কের নয়া নাম ওয়েস্ট নাইল! কীভাবে মানবদেহে ছড়ায় এই ভাইরাস?

    West Nile Virus: আতঙ্কের নয়া নাম ওয়েস্ট নাইল! কীভাবে মানবদেহে ছড়ায় এই ভাইরাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমূখী। এর মধ্যেই আবার দেশে মিলল ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile Virus)। সম্প্রতি এই ভাইরাসের কবলে পড়ে কেরালায় (Kerala) মৃত্যু হয়েছে ৪৭ বছরের এক ব্যক্তির। এর আগে ২০১৯ সালে এই রাজ্যেরই কোঝিকোড়ে এই ভারাসের হানায় মৃত্যু হয়েছিল সাত বছরের এক শিশুর।  তারপর থেকেই এই ভাইরাস নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।  

    কী এই ভাইরাস: ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস বা ডব্লিউএনভি (WNV) হল নাইল ভাইরাসের পুরো নাম। এটি একটি মশাবাহিত রোগ (vector borne virus)। সাধারণত কিউলেক্স (culex sp) মশা থেকে এই রোগ ছড়ায়। মূলত পাখির দেহ থেকে মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস ঢোকে মানুষের শরীরে। আফ্রিকা, ইউরোপ, নর্থ আমেরিকা ও পশ্চিম এশিয়ায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। এই ভাইরাসের আক্রমণে প্রাথমিকভাবে জ্বর আসে, মাথা যন্ত্রণা হয়, গায়ে র‌্যাশও বেরোতে দেখা যায় মাঝে মাঝে। এ ছাড়া হয় গ্ল্যান্ডের সমস্যা। এই লক্ষ্মণগুলি কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

    কখন বিপদ: নাইল ভাইরাস যদি কোনও ক্রমে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় তাহলেই বিপদ। মস্তিষ্কে পৌঁছলেই ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। মস্তিষ্কে সংক্রমণ হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সংক্রমণ মস্তিষ্ক থেকে ছড়িয়ে পড়ে সুষুম্নাকাণ্ডে। যার জেরে মানবশরীরের স্নায়ুতন্ত্র বিকল হয়ে পড়ে।

     বিপদ বেশি কাদের: যে সব মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাঁরা সহজেই এই রোগের শিকার হন। সাধারণত শিশু ও বয়স্ক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হয়। তাই শিশু ও বয়স্কদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সবথেকে বেশি।

    ওষুধ: মানুষের দেহে এই রোগ হলে তা নিরাময়ের কোনও ওষুধ বা ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত নেই। স্নায়ুতন্ত্র (nervous system) যাতে পুরোপুরি বিকল হয়ে না পড়ে সে জন্য নিউরো-ইনভেসিভ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সঙ্গে বিভিন্ন লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ওই রোগের মোকাবিলা করা হয়। 

    ওষুধ নেই তাই এই রোগ হওয়ার আগেই সাবধান হওয়া ভাল। এই রোগ থেকে বাঁচার সবথেকে ভাল উপায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা। বর্ষার আগে নিয়মিত মশারি টাঙিয়ে শোয়াই বাঞ্ছনীয়।

     

  • Apple Cider Vinegar: জেনে নিন অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

    Apple Cider Vinegar: জেনে নিন অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা জানি যে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগারের (Apple Cider Vinegar) অনেক উপকারিতা রয়েছে। সেই কারণে অনেকেই নিয়মিতভাবে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খেয়ে থাকেন। তবে অনেকে এটি দেহের ওজন কমানোর জন্যই খেয়ে থাকেন।

    আপেলের রসে ইস্ট ও ব্যাকটিরিয়া মিশিয়ে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার তৈরি করা হয়। ওজন কমানোর সঙ্গে সঙ্গে এই ভিনিগার ত্বকের সৌন্দর্য্য রক্ষায়ও কাজে লাগে। কিন্তু এটি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করার আগে কিছু দিকে বিশেষ নজর রাখা উচিত।

    অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার সকালে খালি পেটে খাবেন নাকি রাতে খাবেন সেই দিকে বিশেষ নজর রাখা উচিত। এই পানীয় সকালে খালি পেটে  খাওয়া  ভালো, কারণ এটি সকালে খেলে শরীর থেকে টক্সিন বের হয়ে যায় এবং আপনার শরীরের হজম ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

    আরও পড়ুন: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

    যদিও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার অন্তর্ভুক্ত করলে আপনার শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে থাকে। কারণ এই পানীয়টি পান করলে আপনার খিদে কমে যেতে শুরু করে এবং কম পরিমাণে খাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই আপনার ওজন কমতে সময় লাগে না।

    সুতরাং এই পানীয়টি সরাসরিভাবে আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে না কিন্তু আপনার খিদে কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কিন্তু শুধুমাত্র এই পানীয় পান করলে আপনার শরীরের ওজন কমবে না, আপনাকে এর পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়ামও করতে হবে।

    ওজন কমানো ছাড়াও অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খাবার হজম করতে সাহায্য করে থাকে। এই পানীয়টি আপনার পাকস্থলীতে খাদ্য হজম করার অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে সহজেই খাবার হজম হয়ে যায় ও গ্যাস, স্ফীতভাব থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: বদহজমের সমস্যা? জেনে নিন ৫টি ঘরোয়া টোটকা

    তবে অনেকেই অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার সরাসরি খেতে পারেন না। ফলে তাদের জন্য একটি সহজ উপায় হল, কিছুটা উষ্ণ গরম জলে ২ চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার, ১ চা চামচ মধু ও দারচিনি সহ একটি মিশ্রণ বানিয়ে আপনি এটি পান করতে পারেন।

    এটি সাধারণত সকালে খালি পেটে খাওয়াই বেশি উপকারী। কিন্তু এটি পান করার পরে কিছু খাবার খেয়ে নেওয়া উচিত। এই পানীয়টি আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় রাখলে এক মাসের মধ্যেই এর ফলাফল দেখতে পাবেন।

  • Immunity: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান? জানুন কী কী খাবেন

    Immunity: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান? জানুন কী কী খাবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীর বাঁচাতে চাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবারের জোগান। একমাত্র স্বাস্থ্যসম্মত একটি ডায়েট চার্টই পারে শরীরে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পুষ্টির (Nutrients) জোগান দিতে। পুষ্টিকর খাবার খেলে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity Power)। তখন আর ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়তে হয় না নানান সংক্রমক রোগ ব্যাধিতে। পুষ্টিবিদদের মতে, এমন কিছু খাবার আছে, যা খেলে আমরা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাটা বাড়িয়ে নিতে পারি। প্রশ্ন হল, কী খাব? আসুন জেনে নেওয়া যাক, নিয়মিত কোন কোন খাবার পেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

    ইমিউনিটি চা: গ্রিন টি, লেবু, আদা, হলুদ ইত্যাদি দিয়ে বানিয়ে নিন ইমিউনিটি চা। ব্ল্যাক টি কিংবা কফির পরিবর্তে গ্রিন খেলে উপকার হবে।

    ওয়েলনেস মিল্ক: গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেলেও বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। গরম দুধে দারুচিনি মেশিয়ে খেলেও বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। তবে গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেলে উপকার হবে বেশি।

    ইমিউনিটি স্মুদি: শরীর ভালো রখাতে ইমিউনিটি স্মুদির জুড়ি মেলা ভার। বিভিন্ন প্রকার বেরি, স্পিনাচ, হলুদ ইত্যাদি দিয়ে বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে ইমিউনিটি স্মুদি। এটি নিয়মিত খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

    আরও পড়ুন : পেয়ারা পাতার চা কমাবে ওজন! এর গুণাগুণ জানলে চমকে যাবেন আপনিও

    হেলদি ডেজার্ট হেলদি ডেজার্টও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আমাদের শরীরে। ডার্ক চকোলেটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরের কোষগুলির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে পরিমিত ডার্ক চকোলেট খাওয়াই যেতে পারে।

    হেলদি গার্নিস: ধনেপাতা, পুদিনা পাতা, বাদাম এবং বিভিন্ন প্রকার বীজ দিয়ে বানিয়ে নিন হেলদি গার্নিস। বীজে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই। এই ভিটামিন ই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ হেলদি গার্নিস খেলে আদতে শরীর থাকবে সুস্থ।

    সাইট্রাস ওয়েক-আপ জুস: যাঁদের একটুতে ঠান্ডা লেগে যায় তাঁরা নিয়মিত সাইট্রাস ওয়েক-আপ জুস খেতে পারেন। সাইট্রাসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। যে কোনও লেবু জাতীয় ফলেই মেলে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই যে কোনও লেবুর রস নিয়মিত খেলে উপকার হবে।

    ইয়োগার্ট স্ন্যাক কাপ: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে ইয়োগার্ট। মধু এবং ফলের টুকরো দিয়ে ইয়োগার্ট খেলে শরীর হবে চাঙা। বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • World Physiotherapy Day: দীর্ঘমেয়াদি ব্যথায় ভুগছেন? ফিজিওথেরাপি নিন, সুস্থ থাকুন

    World Physiotherapy Day: দীর্ঘমেয়াদি ব্যথায় ভুগছেন? ফিজিওথেরাপি নিন, সুস্থ থাকুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর দিনটিকে ওয়ার্ল্ড ফিজিওথেরাপি ডে (World Physiotherapy Day) হিসেবে পালন করা হয়। আর এই দিনটির উদ্দেশ্য হল ফিজিওথেরাপির মাধ্যমেও যে ফিট থাকা যায়, তা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। গত কয়েক বছরে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে মানুষের মাংসপেশি ও জয়েন্টের ব্যথার সমস্যা খুব দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে তরুণ-তরুণীদেরও নানা ধরনের ব্যথার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। কোমর ও হাঁটুর ব্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়েছে। এর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ ও চিকিৎসা।

    কিন্তু আপনি কি জানেন যে ফিজিওথেরাপির সাহায্যেও প্রচণ্ড ব্যথার সমস্যা ওষুধ ছাড়াও সহজে সেরে যায়?  ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর এই বিশেষ দিনটি মানুষের মধ্যে এই চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পালিত হয়। এই থেরাপির মাধ্যমে আর্থ্রাইটিস, ফ্রোজেন শোল্ডার, পিঠের ব্যথা এমনকি প্যারালাইসিসের সমস্যাও সহজে নিরাময় করা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

    এখানে কিছু সাধারণ ফিজিওথেরাপির কথা উল্লেখ করা হল যা আপনাদের ফিট রাখতে সাহায্য করবে।

    মাসকিউলোস্কেলেটাল ফিজিওথেরাপি

    এটি অর্থোপেডিক ফিজিওথেরাপি নামেও পরিচিত।  শরীরের কোনও হাড়, জয়েন্ট, লিগামেন্ট এবং পেশীর কোনরকমের সমস্যায় এই ফিজিওথেরাপির সাহায্য নেওয়া হয়। কোনো ধরনের ঘাড় বা পিঠে ব্যথা, ফ্র্যাকচার, আঘাত বা মচকে গেলে এই ধরনের ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।

    আরও পড়ুন: করোনার সমস্ত ভেরিয়েন্টকে নিষ্ক্রিয় করবে SP1-77 অ্যান্টিবডি! কী জানালেন গবেষকরা?

    সফট ট্যিসু মোবিলাইজেশন

    এটি থেরাপিউটিক ম্যাসেজ নামেও পরিচিত। এটি রোগীর পেশী শিথিল করতে এবং এমনকি নির্দিষ্ট কোনও জায়গায় ফোলা কমাতে সাহায্য করতে পারে। খেলার সময় কোনও আঘাত পেলে ব্যথা ঠিক করার জন্য এই চিকিৎসা কার্যকরী। এছাড়াও রক্ত ​​​​সঞ্চালন এবং লিম্ফ প্রবাহে সহায়তা করে।

    জেরিয়াট্রিক ফিজিওথেরাপি

    গতিশীলতা বজায় রাখতে,  দীর্ঘস্থায়ী জয়েন্টের ব্যথা কম করতে, সহনশীলতা এবং শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে এই ফিজিওথেরাপি।

    ক্রায়োথেরাপি এবং হিট থেরাপি

    ডেস্ক জব (Desk Job) এবং খেলাধুলা সংক্রান্ত আঘাতের ক্ষেত্রে এই ফিজিওথেরাপি কার্যকরী। খেলোয়াড়দের অনেক সময় পেশী শক্ত হয়ে যায়, তখন সেই জায়গায় তাপ বা ঠান্ডা লাগালে অনেকটা আরাম পাওয়া যায়। হিট থেরাপিতে গরম প্যাক ও ক্রায়োথেরাপিতে একটি আইস প্যাক লাগিয়ে এই সমস্যা দূর করা যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • COVID vaccine: কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন টিকাপ্রাপকেরা বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন কর্বেভ্যাক্স

    COVID vaccine: কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন টিকাপ্রাপকেরা বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন কর্বেভ্যাক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিশিল্ড (Covishield) অথবা কোভ্যাক্সিন (Covaxin) টিকাপ্রাপকদের বায়োলজিক্যাল ই-র তৈরি কর্বেভ্যাক্সের (Corbevax) বুস্টার ডোজ দেওয়া যাবে বলে জানাল, ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন (NTAGI)। কেন্দ্র নিযুক্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি জানিয়েছে, যে সব ১৮ ঊর্ধ্ব ইতিমধ্যেই কোভিশিল্ড অথবা কোভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের কর্বেভ্যাক্সের বুস্টার ডোজ দেওয়া যাবে।

    এ ব্যাপারে সম্প্রতি বৈঠকে বসেছিল এনটিএজিআই। সেখানেই বুস্টার ডোজ হিসেবে অন্য ভ্যাকসিন ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল (DCGI) কর্বেভ্যাক্সকে ছাড়পত্র দিয়েছিল গত ৪ জুন। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সিদের বুস্টার ডোজ হিসেবে ব্যবহার করার অনুমোদন পেয়েছিল বায়োলজিক্যাল ই-র তৈরি ভারতের প্রথম আরবিডি প্রোটিন সাব-ইউনিট ভ্যাকসিন। বর্তমানে এই ভ্যাকসিন ১২-১৪ বছর বয়সিদের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: জানেন কি, কয়েকটি সহজ পদ্ধতি মেনেই আপনি হারাতে পারেন ফুসফুসের ক্যান্সারকে?

    ভিন্নধর্মী বুস্টার (Heterologous Booster) হিসেবে আগেই ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (DCGI) এর অনুমোদন পেয়েছিল বায়োলজিক্যাল ই লিমিটেডের (Biological E Ltd) তৈরি কোভিড টিকা কর্বেভ্যাক্স (Corbevax)। কর্বেভ্যাক্সই ভারতের প্রথম কোভিড টিকা, যা ভিন্নধর্মী বুস্টার ডোজ হিসেবে অনুমোদন পেল। টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ছয় মাস পরে কর্বেভ্যাক্স বুস্টার নেওয়া যেতে পারে। কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন (Covaxin)-র সম্পূর্ণভাবে টিকা পাওয়া প্রাপ্তবয়স্করা তাদের তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ হিসেবে কর্বেভ্যাক্স নিতে পারেন।

    এনটিএজিআইয়ের এক আধিকারিকের মতে, বিশেষজ্ঞরা ছাড়পত্র দিয়েছে। এখন যদি কেন্দ্র কোভিশিল্ড অথবা কোভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ হিসেবে কর্বেভ্যাক্সকে ব্যবহার করার অনুমতি দেয় তাহলে টিকাকরণ নয়া দিশা পাবে। উল্লেখ্য, ১৮-৫৯ বছর বয়সিদের বিনামূল্যে সতর্কতামূলক কোভিড টিকার ডোজ (বুস্টার ডোজ) দেওয়া শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে। ১৫ জুলাই থেকে পরবর্তী ৭৫ দিন কোভিডের বুস্টার ডোজ পাওয়া যাবে বিনামূল্যে। স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজাদি কী অমৃত মহোৎসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৭৫ দিন ধরে চলবে এই বিনামূল্যের বুস্টার ডোজ টিকাকরণ।

  • Covid-19 Symptoms: আপনি কি কোভিডে আক্রান্ত? জানা যাবে হাতের নখ দেখেই!

    Covid-19 Symptoms: আপনি কি কোভিডে আক্রান্ত? জানা যাবে হাতের নখ দেখেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  করোনা (Coronavirus) আতঙ্ক এখনও পুরোপুরিভাবে কেটে উঠতে পারেনি বিশ্বব্যাপী মানুষ। ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় করোনা রোগীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এতদিনে করোনার বিভিন্ন প্রজাতি (covid variant) আসার সঙ্গে সঙ্গে কোভিডের লক্ষণেও অনেক পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। আগে কোভিড (Covid-19) হলে সাধারণ উপসর্গ ছিল সর্দি-কাশি, জ্বর, স্বাদ ও ঘ্রাণশক্তি চলে যাওয়া ইত্যাদি। কিন্তু এখন নতুন রিপোর্টে কোভিডের নতুন লক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এখন কোনও ব্যক্তি কোভিডে আক্রান্ত কিনা তা বোঝা যাবে হাতের নখ দেখেই।

    সম্প্রতি একটি উপসর্গের কথা তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা। তা হলো হাতের আঙুলের নখের কিছু পরিবর্তন। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, নখের আকার ও রঙ বদলে যাচ্ছে, আবার নখের উপরে একটি রেখা ফুটে উঠছে। সেই উপসর্গ দেখা দিলেই বোঝা যাচ্ছে যে ওই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত। ইতিমধ্যেই এই ধরনের উপসর্গ অনেকের শরীরেই দেখা দিয়েছে। যা থেকে চিকিৎসকরা দ্রুত বুঝতে পারছেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ব্যক্তিটি। এই লক্ষণকে চিকিৎসার ভাষায় বলা হচ্ছে কোভিড নেইল (Covid Nail)। এতে দেখা যাচ্ছে, কারো ক্ষেত্রে লাল রঙের অর্ধেক চাঁদের মতো দাগ দেখা যাচ্ছে। বাকি অংশ সাদা হয়ে রয়েছে। হঠাৎই এমন পরিবর্তন দেখা দিলে কোভিড পরীক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নখের লাল অংশ গাঢ় হওয়ার অর্থ আপনার শরীরের ভাইরাসের পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে।

    আরও পড়ুন: ঊর্ধ্বমুখী করোনারগ্রাফ, দেশজুড়ে ১৯৫ কোটি টিকাকরণ

    কোভিডে আক্রান্ত হলে কী কী পরিবর্তন দেখা যাবে নখে?

    • হাত-পায়ের নখে দাগ।
    • হাতের নখে সাদা দাগ।
    • নখের কিছু অংশ কমলা রঙ হয়ে যাওয়া।
    • হাতে ও পায়ে জ্বালা।
    • নখ আলগা হয়ে যাওয়া।

    তবে কোভিড রোগীদের মধ্যে নখে লাল রঙের অর্ধেক চাঁদের মতো দাগ এই উপসর্গই বেশি দেখা গিয়েছে। যদিও এই বিশেষ লক্ষণের কোনও কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। যদিও মনে করা হচ্ছে, ইনফেকশনের ফলে রক্তের শিরা-ধমনী নষ্ট হয়েও নখের এমন অবস্থা হতে পারে। সুতরাং যেহেতু কোভিডে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এমন নখ প্রায়ই দেখা যাচ্ছে, তার জন্য এইদিকে বিশেষ নজর রাখা দরকার। নখের মধ্যে এসব উপসর্গ দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে করোনা পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। কারণ চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের উপসর্গ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস?

  • Monsoon Health Tips: বর্ষাকালে রোগমুক্ত থাকবেন কীভাবে? রইল কিছু উপায়

    Monsoon Health Tips: বর্ষাকালে রোগমুক্ত থাকবেন কীভাবে? রইল কিছু উপায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বর্ষাকাল শুরু হয়ে গিয়েছে আর বর্ষাকাল মানেই একাধিক রোগের আশঙ্কা। করোনা এখনও শেষ হয়নি, তারমধ্যেই বর্ষাকাল আসায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণও বেড়ে গিয়েছে। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। এই সময় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুর সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। ডেঙ্গু, জ্বর, ম্যালেরিয়া, সর্দি-কাশি, মাথা ব্যথা একটা না একটা লেগেই থাকে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আরও রোগ সংক্রমণ এড়ানোর জন্যে আগে থেকেই সতর্ক হয়ে যান।

    আরও পড়ুন: সকালে উঠে কখন জল খাবেন? জানালেন বিশেষজ্ঞ

    বর্ষাকালে যেসব রোগ সাধারণত দেখা যায় সেগুলো হল:

    মশাবাহিত রোগ- ডেঙ্গু (Dengue) , ম্যালেরিয়া (Malaria)।

    বায়ুজনিত রোগ- ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza) , সর্দি-কাশি (Common cold), নিউমোনিয়া (pneumonia)।

    জলবাহিত রোগ- কলেরা (Cholera), ডায়রিয়া ( Diarrhoea), টাইফয়েড (Typhoid), হেপাটাইটিস এ, ই (hepatitis A & E)।

    রোগ সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কী কী করণীয়?

    • আশেপাশে কোথাও জল জমতে দেওয়া উচিত নয়। কারণ জমা জলেই মশার উপদ্রব বাড়ে। এছাড়াও মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারি ব্যবহার করা উচিত।
    • এইসময় খাদ্য তালিকায় বিশেষ নজর রাখা উচিত। রোগ প্রতিরোধকারী ও পুষ্টিকর খাবার বেশি করে খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
    • যাঁদের শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগ আছে, তাঁদের মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।
    • যাঁদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কম তাঁদের সংক্রমিত রোগীর থেকে দূরে থাক উচিত।
    • আপনার চারপাশ পরিস্কার, পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত।
    • বারবার হাত ধোয়া উচিত ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত।
    • যদি আপনি কোনও রোগের উপসর্গ দেখতে পান তবে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে, সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।
    • বদ্ধ ঘরে থাকা উচিত নয়, সবসময় খোলামেলা জায়গায় থাকা উচিত।
    • বাইরের খাবার কম খান। বাড়িতেও হাল্কা খাবার রান্না করুন।
    • জল ফুটিয়ে খান। এতে জলে জীবাণু থাকার আশঙ্কা কমে যায়।

    আরও পড়ুন: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত? এই ভেষজ খেলে নিয়ন্ত্রণে আসবে রক্তে শর্করার মাত্রা

  • Cancer Drug Trial: বিশ্বে প্রথমবার এক ওষুধেই উধাও ক্যান্সার! চমকে দেওয়া দাবি গবেষকদের

    Cancer Drug Trial: বিশ্বে প্রথমবার এক ওষুধেই উধাও ক্যান্সার! চমকে দেওয়া দাবি গবেষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশ্চর্যজনক ঘটনা! কর্কটরোগ (Cancer) থেকে মুক্তি পেতে এমনই একটি সঞ্জীবনী ওষুধের সন্ধান পেয়েছেন বলে দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা। এক ওষুধেই কেল্লাফতে! যাকে বলা হচ্ছে মিরাক্যল! সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কি মিলল ক্যান্সারের ওষুধ (Cancer Drug)? অন্তত একটি ট্রায়ালে, তাই প্রমাণিত হয়েছে।

    যুগ যুগ ধরে মারণ কর্কটরোগের নিরাময় খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মানুষ। বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশ দশকের পর দশক ধরে ক্যান্সারের ওষুধ তৈরি করার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু, নির্দিষ্ট সাফল্য অধরাই থেকে গিয়েছিল। 

    কিন্তু, অদূর ভবিষ্যতে, সেই সম্ভাবনা বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। অন্তত তেমনই আশা জাগিয়েছে নতুন গবেষণা। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ক্যান্সার নিরাময়ে এমনই একটি ম্যাজিক ড্রাগের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা।

    দাবি করা হচ্ছে, ‘ডসটারলিম্যাব’ (Dostarlimab) নামের একটি ওষুধের ফলেই ক্যান্সার মুক্ত হতে পেরেছে কিছুজন। ১৮ জন রোগীর শরীরে এটি প্রয়োগ করা হয়েছিল। প্রায় ৬ মাস ধরে এই ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। তারপর ম্যাজিকের মতোই শরীর থেকে উধাও হয়ে যায় টিউমার। এই আবিষ্কারের জন্য ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে চিকিৎসক মহলে।

    আরও পড়ুন: রোগীর শরীরে ভুল রক্ত, সরকারি হাসপাতালের বেহাল দশা

    নিউইয়র্কের (New York) একটি ক্যান্সার সেন্টারের এক চিকিৎসক বলেন, “ক্যান্সারের  ইতিহাসে ঘটনাটি এই প্রথমবার ঘটেছে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘ডসটারলিম্যাব’ ওষুধটি ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হয়েছে যা মানব শরীরে অ্যান্টিবডির বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

    আরও পড়ুন: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, যে ১৮ জন রোগীর ওপর এই ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছিল, তাঁদের আগে কেমোথেরাপি করা হয়েছিল। রেডিয়েশনও দেওয়া হয়েছিল। কারও কারও অস্ত্রোপচারও করা হয়। কোনও আশানুরূপ ফল লা আসায় এই ওষুধটি প্রয়োগ করা হয়। এবং তারপরেই আর তাঁদের কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন হয়নি।

    একজন কলোরেক্টাল ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ (Colorectal Cancer specialist) জানান, প্রতিটি ক্যান্সার  রোগী এখন সম্পূর্ণ সুস্থ, এবং এটি একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা। তিনি এই গবেষণাকে বিশ্ব-প্রথম বলে অভিহিত করেছেন। অন্য একজন অনকোলজিস্ট  (Oncologist) জানান, তাঁরা ক্যান্সার মুক্ত হয়েছেন জেনে রোগীরা খুশিতে কেঁদে ফেলেছিলেন।

    চিকিৎসকরা জানান, ট্রায়াল চলাকালীন রোগীদের ছয় মাস ধরে প্রতি তিন সপ্তাহে এই ওষুধ দেওয়া হয়। তাঁরা সবাই ক্যান্সারের একই লেভেলে ছিল ও ক্যান্সার তাঁদের মলদ্বারে (Rectum) হলেও পরে এটি দেহের অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়েনি এবং রোগীদের ওপর ওই ওষুধ প্রয়োগ করার ফলে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও দেখা যায়নি।

    ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এই ওষুধের গুরুত্ব অনেকটাই বেশি, তবে এই নিয়ে আরও পরীক্ষা বা ট্রায়ালের দরকার আছে, এমনটাই জানিয়েছেন ক্যান্সার গবেষকরা।

  • Eye Drop: রিডিং গ্লাসের আর দরকার নেই, আই ড্রপেই সব সমস্যার সমাধান!

    Eye Drop: রিডিং গ্লাসের আর দরকার নেই, আই ড্রপেই সব সমস্যার সমাধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেককেই ছোটবেলা থেকে চশমা পরতে হয়। বিশেষ করে কোনও কিছু পড়ার সময় চশমা তো লাগেই।  তাছাড়াও বয়স বাড়লেও চোখে পাওয়ার আসে অনেকেরই। তখন এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য তিনটি উপায় পড়ে থাকে তা হল চশমা পরা, লেন্স পরা, নয়তো চোখের অপারেশন করা। কিন্তু এই তিনটির কোনওটিরই আর প্রয়োজন নাও হতে পারে। কারণ তেমনই আশা দেখাচ্ছে নতুন এক আই ড্রপ।

    এই আই ড্রপটিকে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (Food and Drug Administration) স্বীকৃতি দিয়েছে। চশমার পরিবর্তে বিশ্বে এটাই প্রথম কোনও আই ড্রপ তৈরি করা হয়েছে। ‘ভিউটি’ (Vuity) নামক আই ড্রপটি বিশেষ করে যাঁদের কোনও কিছু পড়ার সময়ে চশমার দরকার হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এই আই ড্রপ খুবই কাজের বলে দাবি করা হয়েছে নির্মাতাদের তরফে। এটি ৪০ বয়স থেকে ৫৫ বছর বয়সী ব্যক্তিদের জন্যে বেশি উপকারী বলে মনে করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    কীভাবে কাজ করে এই আইড্রপ?

    আইড্রপটি দুচোখে একবার একবার করে দিতে হবে এবং এটি দেওয়ার ১৫ মিনিট পর এটি কার্যকরী হয়। তারপর এর প্রভাব ৬ থেকে ১০ ঘন্টা ধরে থাকে। এর পরে ড্রপ না নিলে আবার চশমা ব্যবহার করতে হতে পারে। এই আইড্রপটি পাইলোকার্পিন নামক উপাদান দিয়ে তৈরি। এটি চোখে ph- এর মাত্রাকে ঠিক রাখে ও   চোখের মণিকে আকারে আগের চেয়ে ছোট করে দেয়। ফলে কাছের জিনিস দেখতে সুবিধা হয় ও কাছের বস্তুতে ফোকাস করতেও সুবিধা হয়।

    কারা এটি ব্যবহার করতে পারবেন?

    এই আইড্রপটির প্রভাব ৬৫ বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কম কার্যকরী ও যাদের ‘প্রেসবায়োপিয়া’-র সমস্যা অতটাও গুরুতর নয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বেশি কাজে লাগে। দৃষ্টিশক্তি কাছের জিনিস দেখা বা কোনও কিছু পড়ার ক্ষেত্রে ঝাপসা হয়ে যায়। একেই চিকিৎসার ভাষায় প্রেসবায়োপিয়া (presbyopia) বলা হয়।

    আরও পড়ুন: উজ্জ্বল ত্বক চান? রোজ খান এই জুসটি, পরিবর্তন দেখুন এক সপ্তাহে

     

     

  • Diet For Thyroid: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    Diet For Thyroid: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থাইরয়েডের সমস্যা বা থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনার খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এখানে থাইরয়েডের জন্য বিশেষজ্ঞদের তৈরি এক দিনের বিশেষ ডায়েট চার্ট বা গোটা একটি দিনের খাদ্য তালিকা দেওয়া হল যা আপনার শরীরে থাইরয়েড এর মাত্রা ঠিক রাখতে অনুসরণ করতে পারেন। 

    মর্নিং ড্রিঙ্ক- সকালে এক বড় চামচ কাঁচা হলুদের রস, এক চিমটি গোলমরিচ এবং এক ছোট চামচ নারকেল তেল নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। এটি প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়া আপনার জন্য উপকারী হতে পারে। এই পানীয়ের সমস্ত উপাদানই আপনার জন্য উপকারী, কারণ হলুদ রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। গোলমরিচ হলুদ এর উপকারিতাকে বাড়াতে সাহায্য করে এবং নারকেল তেলে ভালো ফ্যাট থাকে যা থাইরয়েডের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    সকালের পুষ্টিকর  খাবার- ১০০ গ্রাম সবুজ মুগডাল নিয়ে এটি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন, ঘুম থেকে উঠে এর থেকে জল ঝরিয়ে নিন এবং একটি প্যানে জল, লবণ ও হলুদ দিয়ে এটি রান্না করুন কিন্তু এটি যেন সম্পূর্ণ রান্না করা না হয়। প্রায় ৮০% রান্না করতে হবে। একটি পৃথক প্যানে কাটা পেঁয়াজ, মাত্র ১ চা চামচ ঘি বা তেলে ভাজুন। এরপর আদা রসুনের পেস্ট, ধনেগুঁড়ো, দারচিনি গুঁড়ো, জিরা, গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে দিন। এই তরকারি রান্না করা মুগডাল ভালো করে মেশান, মিশ্রণটি আরও একটু ভাজুন। এরপর এতে তাজা ধনেপাতার সঙ্গে ছোট চামচ কুমড়োর বীজ যোগ করুন। মুগ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে প্রোটিন তো রয়েছেই তবে এটি সহজে হজম হয় এবং এতে কোনও ফ্যাট নেই এবং মুগ থাইরয়েড গ্রন্থির জন্য খুবই উপকারী।

    ডিটক্স চা- এটি বানাতে ১ চা চামচ জিরা, ধনে বীজ, মৌরি বীজ, এবং আধা চা চামচ শুকনো আদা গুঁড়ো মিশিয়ে এই বিশেষ চা তৈরি করুন। সব উপকরণ দেওয়া হয়ে গেলে পাঁচ কাপ জলে ফুটোতে দিন এটা আপনি দিনে একাধিকবার পান করতে পারেন।

    দুপুরের খাবার- এক কাপ হলুদ মুগ ডালের ময়দা অথবা আধ কাপ ভেজানো মুগডাল ব্যবহার করতে পারেন। এতে আধা কাপ ময়দা যোগ করুন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল যোগ করে একটি প্যান কেক তৈরি করে ফেলুন এবং এতে আরও স্বাদ আনার জন্য এই মিশ্রণটিতে অর্ধেক চা চামচ মৌরি এবং জিরার বীজের সঙ্গে স্বাদমতো লবণ দিয়ে দিন এবং আপনার প্যানকেক তৈরি হয়ে যাবে। সবজির মধ্যে আপনি যেগুলি বেছে নিতে পারেন সেগুলো হল- করলা, গাজর, কুমড়ো, পালং শাক, লেটুস, শালগম ইত্যাদি। রান্না করার সময় খুব অল্প পরিমাণে তেল বা ঘি দিয়ে একটি পেঁয়াজ ব্যবহার করুন। এবার এতে আদা-রসুন বাটা, জিরা ও ধনের গুঁড়ো, ১ চিমটি হিং, কালো মরিচ, স্বাদ অনুযায়ী লবণ দিন। কেটে রাখা সবজি গুলো দিয়ে দিন, সবজি যাতে ওভারকুকড না হয়ে যায় তার দিকে বিশেষ নজর রাখুন। এই সবজি রান্না করার সময় জল যোগ করার প্রয়োজন হবে না। এই সবজিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই সহজেই হজম হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে আপনার বিপাক প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে। দুপুরের খাবারের পরেও আপনি আবার ডিটক্স চা খেতে পারেন এবং পরে ভেজানো বাদাম খেতে পারেন।

    রাতের খাবার- আপনাকে সব সময় রাত্রি আটটার মধ্যেই রাতের খাবার খেয়ে নিতে হবে। রাতের জন্য একটি সুপ তৈরি করে ফেলুন। এটি তৈরি করতে এক কাপ ভেজানো সবুজ মুগ ডাল বা হলুদ মুগ ডাল নিন, ২ কাপ সবজি যোগ করুন। এবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল দিয়ে লবণ, হলুদ, কাঁচা মরিচ যোগ করুন। ফোঁড়নের জন্য একটি প্যানে ১ চা চামচ জিরা, ১ চিমটি হিং নিন। এবার এতে অল্প কাঁচা পেঁয়াজ, আদা রসুনের পেস্ট যোগ করে ভালোভাবে ভাজুন। এবার এতে রান্না করা মুগ ও সবজির মিশ্রণটি দিয়ে দিন। এভাবে তৈরি হয়ে যাবে একটি ফাইবার সমৃদ্ধ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ১২ মাস ধরে প্রতিদিন এই খাদ্য তালিকা অনুসরণ করলে এর ফলাফল দেখতে পাবেন। এটি থাইরয়েড হরমোনের উন্নত করতে সাহায্য করে, অপরদিকে আপনার শরীরের ওজন কমাতেও সাহায্য করে। রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। আবার মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মত আবেগকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, থাইরয়েডের রোগীকে অবশ্যই পরিশোধিত ময়দা, গম, মিষ্টি, দই, দুগ্ধজাত খাবার, জাঙ্কফুড এবং টক খাবার খাওয়া কমাতে হবে। কারণ এই জাতীয় খাবারগুলি থাইরয়েডের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়। আমিষভোজীদের জন্য তিনি বিশেষ পরামর্শ— দুপুরে সপ্তাহে দুবার মাছের তরকারি, ডিমের তরকারি বা চিকেন কারিও খেতে পারেন।

LinkedIn
Share