Category: স্বাস্থ্য

Get updates on Health News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Thyroid Problem: থাইরয়েডের সমস্যা? জানুন কী কী রোগ দেখা দিতে পারে

    Thyroid Problem: থাইরয়েডের সমস্যা? জানুন কী কী রোগ দেখা দিতে পারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকের দিনে থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) একটি সাধারণ রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। থাইরয়েডে (Thyroid) আক্রান্তদের প্রায় ৬৬ শতাংশই জানেন না যে তাঁদের এটি আছে এবং এটি খুবই চিন্তার বিষয়।

    কিন্তু যদি আপনি জানেন যে আপনার থাইরয়েড আছে তাহলে আপনাকে অবশ্যই থাইরয়েডের মাত্রা ঠিক রাখতে আপনার খাদ্য তালিকাতেও  কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। থাইরয়েড সম্পর্কে আপনার কিছু জেনে নেওয়া দরকার।

    থাইরয়েড হল গলার সামনে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থি। এটি খাবার থেকে আয়োডিন নিয়ে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন করে। থাইরয়েড হরমোন শরীরের প্রায় সকল কার্যক্রমে সহযোগিতা করে যেমন- হার্ট রেট, লিভার ফাংশন, সার্কুলেশন, মেটাবলিজম ও ইন্টার্নাল ক্লক।

    থাইরয়েড এমন একটি সমস্যা যা কোনও রোগ নয় বরং পুরো জীবনের জন্য একটি ব্যাধিও। তবে হাইপারথাইরয়েডিজম (Hyperthyroidism) এবং হাইপোথাইরয়েডিজমের (Hypothyroidism) মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। হাইপারথাইরয়েডিজম হল এমন একটি সমস্যা যেখানে থাইরয়েড গ্রন্থি থাইরয়েড হরমোন বেশি পরিমাণে উৎপাদন করে।

    আরও পড়ুন: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    অন্যদিকে হাইপোথাইরয়েডিজমে থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়। হাইপারথাইরয়েডিজম আক্রান্ত ব্যক্তির ওজন বাড়তে থাকে, যখন হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তির ওজন অনেক বেশি কমে যায়। থাইরয়েডের সমস্যার ফলে কি কি সমস্যা দেখা দিতে পারে তা হল—

    • থাইরয়েড নডুলাস- থাইরয়েড গ্রন্থির অনিয়ম।
    • থাইরয়েডাইটিস- থাইরয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায়।
    • হাইপোথাইরয়েডিজম- যখন থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণে হরমোন তৈরি করতে পারে না।
    • হাইপারথাইরয়েডিজম- যখন থাইরয়েড গ্রন্থি প্রয়োজনের বেশি হরমোন তৈরি করে।
    • গলগন্ড- থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধি।
    • থাইরয়েড ক্যান্সার। 

    আয়ুর্বেদ অনুসারে, অত্যাধিক মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আপনার মেটাবলিজম কে নষ্ট করে দিতে পারে, যার ফলে থাইরয়েড হতে পারে। টক্সিন যখন থাইরয়েডে জমা হতে থাকে তখন সেলুলার গঠনে পরিবর্তন দেখা যায়। এটি থাইরয়েডের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে ফলে দেহে ইমিউনিটি সিস্টেম নষ্ট হতে থাকে।

    আরও পড়ুন: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

    ফলে থাইরয়েডের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই দরকার। কারণ প্রথমদিকে অত বেশি সমস্যা না দেখা দিলেও ভবিষ্যতে গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন আপনি। তাই সময়মত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত দরকার।

  • Summer Fruits: গরমকালে খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন জাম, কী কী উপকারিতা জানেন?

    Summer Fruits: গরমকালে খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন জাম, কী কী উপকারিতা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাম মানেই নস্ট্যালজিয়া। ‘জাম’ শব্দটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ছোটবেলায় গাছ থেকে পেড়ে খাওয়ার স্মৃতি। কালো ফলগুলির টক-মিষ্টি স্বাদ এবং খাওয়ার পরে জিভের বেগুনী রঙ ছেলেবেলার কথা মনে করিয়ে দেয়। জুন-জুলাই মানেই জামের মরশুম। স্বাদে অতুলনীয় এই ফল। শুধু তাই নয়, জাম স্বাস্থ্যের পক্ষেও অত্যন্ত উপকারি। স্বাস্থ্যবিদদের মতে, জাম একটি অন্যতম গ্রীষ্মকালীন ‘সুপার ফ্রুট’। জাম খেলে শরীরে আদ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। জামের ৮৪%-ই জল। শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এই ফলের জুরি মেলা ভার। গরমকালে ঘাম হওয়ার কারণে শরীর থেকে প্রচুর জল বেরিয়ে যায়। তাই গরম কালে জাম অত্যন্ত উপকারি। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে ফলে হজমে সাহায্য করার সাথে সাথেই বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ সারাতেও সাহায্য করে। ওজন কমাতেও সাহায্য করে জাম। জামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। ফলে জাম খেলে ত্বকও সুন্দর হয়। আগেকার দিনে হাঁপানি, ত্বকের সমস্যা, মধুমেহ, পেট ব্যাথার মতো সমস্যার ওষুধ তৈরিতে জাম ব্যবহার করা হত।  

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যান্সার, কেমো প্রতিরোধকারী উপাদানও থাকে জামের মধ্যে। প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় রক্তাল্পতা রোধ করতেও উপকারি জাম। রক্তে লাল রক্ত কনিকা এবং হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে জাম।

    দেখে নেওয়া যাক জামের আরও কিছু উপকারিতা:

    জাম শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে: জামে ৮৪%-ই জল থাকায়, জাম শরীরের আদ্রতার মাত্রাকে বৃদ্ধি করে। ফসফরাস, আয়োডিনের মতো  মিনারেলসও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে জামে।  রোজ জাম খেলে শরীরে আদ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: জামে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, সি এবং প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

    ওজন কমানো: জাম খেলে ক্ষিদে পাওয়ার প্রবণতা কমে। লো ক্যালরি ফল হলেও প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে জামের।

    স্বাস্থ্যকর ত্বক: গরমে ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা হয়। জামে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট প্রপার্টি আছে। যা ব্রনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে জামে। 

     

  • Weight Gain or Loss: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে!  হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

    Weight Gain or Loss: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা খাদ্য গ্রহণ করি। সেই খাদ্য আমাদের শক্তি দেয়। একথা আমরা সবাই জানি। এই অর্জিত শক্তি আমরা শারীরবৃত্তীয় ও দৈনন্দিন জীবনের নানান কাজে খরচ করি। এই সহজ হিসেবের উপর ভিত্তি করেই মানুষ বেঁচে থাকে। শক্তি গ্রহণ ও খরচের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলেই ওজন বাড়ে বা কমে। ধরুন আপনি বেশি খাচ্ছেন, কিন্তু পরিশ্রম কম করছেন। তখন ওজন বাড়বে। অপরদিকে বেশি পরিশ্রম করে কম খেলে ওজন কমবে। এটাই সহজ হিসেব।  

     কিন্তু ধরুন কোনও ব্যক্তি আগেও যেমন খেতেন, এখনও তেমনই খান। শারীরিক পরিশ্রমও আগে যেমন করতেন, আজও তেমনই করেন। তবুও হু হু করে তাঁর ওজন কমছে বা বাড়ছে। এমন অবস্থা কিন্তু শারীরিক কোনও অসুস্থতার দিকেই ইঙ্গিত করে। এরকম ঘটলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    প্রাইমারি থাইরোটক্সিকোসিস—এই রোগে থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে বেশি পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন বের হয়। শরীরে থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য বিপাকক্রিয়াকে দ্রুত করে দেয়। বিপাকক্রিয়ার গতি বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরে শক্তি ক্ষয় অনেক বেশি হয়। ফলে ওজন কমে দ্রুত। এদিকে রোগীর খিদে ভালোই থাকে। আবার অন্যদিকে হাইপোথাইরোডিজম দ্রুত হারে ওজন বাড়ায়।

    ডায়াবেটিস— পর্যাপ্ত খিদে থাকার পরও দ্রুত ওজন কমার অন্যতম কারণ হল ডায়াবেটিস। এই রোগে শরীর খাদ্যের মাধ্যমে গৃহীত গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে না। গ্লুকোজ ইউরিন দিয়ে বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরে শক্তির ঘাটতি দেখা যায়। এছাড়া এই বিশেষ রোগে শরীরে উপস্থিত প্রোটিন ভেঙে পড়ে এবং দেহের বাইরে বেরিয়ে যায়। ফলে পেশির ক্ষয় হয় দ্রুত। আবার টাইপ টু ডায়াবেটিসের ফলে ওজন বেড়ে যায়।

    ক্যান্সার— যে কোনও ধরনের ক্যান্সারই শরীরে শক্তির দ্রুত ক্ষয়ের কারণ হতে পারে। ফলে ক্যান্সার হলে অনেক ক্ষেত্রেই ওজন কমে। তবে সমস্ত ধরনের ক্যান্সারের তুলনায় গ্যাস্ট্রো-ইন্টেসসটিনাল ক্যান্সার, অর্থাৎ পাকস্থলী, অন্ত্র, লিভার, খাদ্যনালীর মতো জায়গায় ক্যান্সার হলে ওজন দ্রুত কমে। কারণ খাদ্য হজমের প্রক্রিয়ায় শরীরের এই অংশগুলির ভূমিকা অনেক বেশি। তাই এই অংশে কর্কট রোগ ছড়িয়ে পড়লে খাবারকে পরিপাক করে শক্তি সঞ্চয় করতে সমস্যা হয়। আর পর্যাপ্ত শক্তির অভাবে ওজন কমে দ্রুত। 

    হতাশা— হতাশা বা মনের অসুখও মানুষের ওজন কমা বাড়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। হতাশা বা বিষ্ণণ্ণতা থেকে খাবারে অরুচি আসে. রাতে ঘুম কম হয়। এগুলি পরোক্ষে ওজন কমা-বাড়াতে প্রভাব ফেলে।

    পলিসিস্টিক ওভারি— এর ফলে দেহে স্থূলতা বৃদ্ধি পায়।

    দ্রুত ওজন বাড়া বা কমার উপসর্গকে কোনও সময়ই অগ্রাহ্য করবেন না। আবার ভয়ও পাবেন না। শুধু যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যত তাড়াতাড়ি ওজন কমা বা বাড়ার কারণ সম্পর্কে জানবেন, ততই চিকিৎসা করতে সুবিধে হবে।

  • Heart Attack Symptoms: সাবধান! ভুলেও অবহেলা করবেন না, হার্ট অ্যাটাকের এই ৮টি লক্ষণ

    Heart Attack Symptoms: সাবধান! ভুলেও অবহেলা করবেন না, হার্ট অ্যাটাকের এই ৮টি লক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যখন হৃদপিণ্ডের কোনও শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। বিভিন্ন কারণ যেমন- উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, উচ্চ কোলেস্টোরলের সমস্যা, অতিরিক্ত মেদ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ—এগুলির ফলেই মূলত হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। তবে অনেক সময় কোনও রকম ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে বা কোনও লক্ষণ ছাড়াই হার্টের বিভিন্ন রোগ বা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তবুও যেসব লক্ষণ হার্টের পক্ষে ক্ষতিকারক বা যেসব কারণের জন্য হার্ট অ্যাটাক হতে পারে সেই লক্ষণগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

    • অ্যাঞ্জিনা বা বুকে ব্যথা: বুকে ব্যথা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার প্রধান লক্ষণ। বুকে ব্যথা হওয়ার সময় কোনওরকম অস্বস্তি, চাপ অনুভূত হলেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
    • বদহজম, বুকজ্বালা, পেট ব্যথা: অনেকেরই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সময় এই লক্ষণগুলো দেখা যায়। বিশেষ করে পুরুষদের থেকে মহিলাদের হার্ট অ্যাটাক হলে এই লক্ষণগুলি দেখা যায়।
    • ব্যায়াম না করলে: পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যায়াম না করলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।
    • মানসিক চাপ: মানসিক চাপ থাকলেই তা হার্টের ওপরে প্রভাব ফেলে। এই চাপ দীর্ঘকালীন হলে পরে তা রক্তে কোলেস্টেরল, শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় ও উচ্চ রক্তচাপও দেখা যায়। এইসব কারণেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
    • ডায়াবেটিস: যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা, শর্করার মাত্রা বেশি থাকে, ফলে হার্টের শিরা ধমনীতে রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি হতে পারে। ফলে এর থেকে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: হার্টের রোগের ঝুঁকি রয়েছে কাদের, বলে দেবে ব্লাড গ্রুপ!

    • অতিরিক্ত মদ্যপান: অতিরিক্ত মদ খাওয়ার ফলেও হার্টের বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে ও হার্ট অ্যাটাক হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।
    • ওবেসিটি: ওবেসিটিকে ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’ বলা হয়। ওবেসিটি রোগীদের দেহে বেশি পরিমাণে রক্তের প্রয়োজন হয় ফলে সেই রক্তের পরিমাণ নিয়ন্ত্রন করতে রক্তচাপ বেড়ে যায় আর রক্তচাপ বাড়লেই হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
    • কাশি: আপনার যদি দীর্ঘ দিন কাশির সমস্যা থাকে, তবে বুঝতে হবে আপনার হার্ট ঠিক মতো কাজ করছে না। ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তবে হ্যাঁ, কাশি সব সময় হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ নাও হতে পারে।

    তাই এইসব সমস্যা থাকলে বা এইসব লক্ষণ দেখা দিলে আগে থেকেই সতর্ক হয়ে যান ও ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

     

  • High Cholesterol: শরীরে কোলেস্টেরল বেড়েছে? বুঝে নিন ত্বকের এই উপসর্গ দেখেই

    High Cholesterol: শরীরে কোলেস্টেরল বেড়েছে? বুঝে নিন ত্বকের এই উপসর্গ দেখেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরে কোলেস্টেরলের (Cholesterol) মাত্রা যত বাড়বে, ততই চিন্তা বাড়ে। কারণ কোলেস্টেরলের বৃদ্ধির কারণে শরীরে একাধিক রোগের সংক্রমণ বাড়ে। হৃদরোগ, যকৃৎ সহ শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট, রক্ত সঞ্চালনে বাধা ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যাঁদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ থাকে, তাঁদের হাই কোলেস্টেরল থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    তাই সঠিক সময়ে শরীরের খেয়াল রাখা দরকার এবং নিয়মিত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে কীভাবে বুঝবেন যে আপনার শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে কিনা? চিকিৎসকদের মতে, রক্ত পরীক্ষা করা ছাড়াও আপনি আপনার ত্বক দেখেও বুঝতে পারবেন যে আপনার শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে।  ত্বকের কী কী পরিবর্তন দেখলে বুঝতে পারবেন যে কোলেস্টেরল বেড়েছে তা বিস্তারিত বলা হল।

    ত্বকে বেগুনী বা নীল বর্ণের জাল ন্যায় আভা – বিশেষ করে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকলে এমন দেখা দিতে পারে। এটি কোলেস্টেরল এমবলিজেশন সিনড্রোমের (cholesterol embolization syndrome) লক্ষণ। এর ফলে ধমনীতে কোলেস্টেরল জমে যায় ও রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে।

    আরও পড়ুন: হার্টের রোগের ঝুঁকি রয়েছে কাদের, বলে দেবে ব্লাড গ্রুপ!

    জ্যানথেলাসমা (Xanthelasma) – এই ক্ষেত্রে চোখের পাশে হলুদ-কমলা বর্ণের অতিরিক্ত কিছু অংশ দেখতে পাওয়া যায় যা ত্বকের নীচে কোলেস্টেরল জমেই এটি তৈরি হয়।

    জ্যান্থোমা (Xanthoma) – এটি জ্যানথেলাসমার মতই যা কোলেস্টেরল ত্বকের নীচে জমেই সৃষ্টি হয়, কিন্তু এটি চোখের পাশে না হয়ে পায়ে অথবা হাতে হয়।

    সোরিয়াসিস (Psoriasis) – নতুন গবেষণায় জানা যায় যে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লেই সোরিয়াসিস দেখা যায়, যা হাইপারলিপিডেমিয়া (Hyperlipidaemia) নামে পরিচিত।

    আরও পড়ুন: চিজ খেতে পছন্দ করেন? তবে জেনে নিন চিজ খেলে কী কী ক্ষতি হতে পারে

    শুষ্ক ত্বক ও ত্বকের রঙ পরিবর্তন – কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লেই রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে, ফলে ত্বকের কোষগুলো সঠিক পরিমাণে পুষ্টি পায় না, তাই ত্বকের রঙ পরিবর্তন হয়ে যায় ও ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

    ফুট আলসার সারতে বিলম্ব – কোলেস্টেরল বৃদ্ধির ফলে পায়ের ক্ষত বা ফুট আলসার ঠিক হতে অনেক সময় লেগে যায়। কারণ কোলেস্টেরল বেশী হলে রক্ত প্রবাহে অসুবিধা হয় ও ক্ষত স্থানে সঠিক পরিমাণে রক্ত পৌঁছতে পারে না, তাই এই সমস্যা দেখা যায়।

  • Child Growth: সন্তানের বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত? মেনে চলুন এই তালিকা

    Child Growth: সন্তানের বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত? মেনে চলুন এই তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাচ্চাদের (Children) বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত থাকেন অনেক বাবা-মা। তাঁদের সন্তানটি লম্বা (Height) হবে তো! এই ভয় অনেককেই তাড়া করে বেড়ায়। এক্ষেত্রে সবসময়ই বিশেষজ্ঞরা খাওয়া-দাওয়ার ওপর জোর দেন। পুষ্টিকর খাবার খেলে বাচ্চাদের বৃদ্ধি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়। কিছু পরিবেশগত, জিনগত বিষয়ের ওপরেও নির্ভর করে কে কতটা লম্বা হবে। জীবনযাপনেরও অনেকটাই প্রভাব আছে এর ওপর। ভালো খাদ্যাভ্যাস অনেকটাই বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে। লম্বা হওয়ার জন্যে কিছু আসনেরও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। জেনে নিন। 

    আরও পড়ুনঃ হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত
     
    ১। দেওয়ালে পেট ঠেসে রেখে দাঁড়িয়ে আঙুল দিয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করতে হবে। আস্তে আস্তে যতটা সম্ভব পায়ের আঙুলের ওপর দাঁড়াতে হবে। শরীরকে যতটা সম্ভব টানটান করতে হবে। পাঁচ- সাত মিনিট এই আসনটি করান আপনার বাচ্চাটিকে।  

    ২। দেওয়ালে পেছন করে দাঁড়াতে হবে। পা দুটিকে ফাঁকা করে হাঁটু খানিকটা শিথিল করে রাখতে হবে। এবার দুই হাত দিয়ে দেওয়াল ছুঁতে হবে। এরপর নীচু হয়ে পায়ের পাতা ছোঁয়ার চেষ্টা করতে হবে। এই আসনটিও ৫-৭ মিনিট করান আপনার সন্তানকে।

    ৩। স্কোয়াট পজিশনে শ্বাস নিন এবং শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে লাফান। 

    ৪। এরপর ভুজনাসন করুন।

    ৫। তারপর এক পা এবং দুই পায়ে যথাক্রমে পবন মুক্তাসন করুন। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে শুধু খাদ্যই নয় বাচ্চাদের প্রকৃতির সংস্পর্শেও রাখতে হবে। তাহলেই তাদের প্রকৃত বৃদ্ধি হবে। বাচ্চার বৃদ্ধির জন্যে মুক্ত বাতাস, সূর্যালোক খুব জরুরি।  

    আরও পড়ুনঃ রোজ খান এই খাবারগুলো, থামিয়ে রাখুন ত্বকের বয়স

    এবার জেনে নিন কী কী খাওয়াবেন আপনার খুদেটিকে।

    ১। বাচ্চাদের দুধ, ঘি এবং চিনি খাওয়ানো জরুরি।

    ২। সকালের খাবারে পোহা, সবজি দিয়ে দেশী ঘি-র উপমা বানিয়ে দিতে পারেন।

    ৩। গরমকালে তরমুজসহ নানা ফল দিন।

    ৪। দুপুরের খাবারে দিতে পারেন, স্যালাড, আলুর পরোটা, মুগডাল, বাটার মিল্ক, ছাতু, লাড্ডু।

    ৫। বিকেলে খিদে পেলে দিতে পারেন ছোলা, কিসমিস বা ডাবের জল।
     
    ৬। রাতে দিন রুটি, মেশানো সবজি, পনির এবং বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপ।

    ৭। খেয়াল রাখবেন, আপনার সন্তান যেন বেশি না খেয়ে ফেলে। খাওয়ার পরেই যেন শুতে না যায়। খেয়ে খানিকটা সময় পেরোলে তবেই বিছানায় যাওয়া উচিত। 

    ৮। সন্ধ্যে ৬.৩০-৭ টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিতে হবে।

    ৯। সঠিক বৃদ্ধি হতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার বাচ্চাদের। 

    * ওপরের সব মতামত বিশেষজ্ঞদের। 

  • Covid 19: একবারও ছুঁতে পারেনি করোনা? অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা নাকি নিপাট বিজ্ঞান? 

    Covid 19: একবারও ছুঁতে পারেনি করোনা? অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা নাকি নিপাট বিজ্ঞান? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) অতিমারীর  করালগ্রাসে যখন গোটা বিশ্ব হাসফাঁস করছে, যাচ্ছে একের পর এক প্রাণ, তখনও কিছু এমন মানুষকে আমরা সবাই চিনি যাঁদের করোনা স্পর্শ করতে পারেনি। অনেকেই তাঁদের ভাগ্যকে হিংসে করেছেন। অনেকেরই মনে হয়েছে তাঁদের কী কোনও অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা আছে? যখন ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত তখনও কী উপায়ে তারা মারণরোগের হাত থেকে পার পেয়ে গেলেন? 

    ব্রিটেনের ৬০% মানুষই এই রোগে একবার না একবার আক্রান্ত হয়েছিলেন। সূত্র মতে আসলে সেই সংখ্যা আরও বেশি। কিন্তু তা সত্বেও  এমন অনেকেই আছেন যাঁদের কোভিড ১৯ (Covid-19) ছুঁতে পর্যন্ত পারেনি। এর কারণ কী? 

    অতিপ্রাকৃতিক শক্তি থাকার সম্ভাবনাকে প্রথমেই উড়িয়ে দেওয়া উচিত। এই ব্যক্তিদের সুস্থতার পেছনে দুটি বিষয় ছিল। বিজ্ঞান এবং ভাগ্য। প্রথম সম্ভাবনা হল, এনারা কখনও ভাইরাসের সংস্পর্শে আসননি। এটা একপ্রকার তাঁদের ভাগ্যই বলা যায়। আবার অনেকেই নিজেকে সুরক্ষিত রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। মহামারীকে আটকানোর সমস্ত সাবধানতা অবলম্বন করেছেন।  

    আরও পড়ুনঃ ১৮.১৫ কোটি অব্যবহৃত টিকা রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির জন্যে উপলব্ধ করল স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    গবেষণায় জানা গিয়েছে, টিকা শুধু যে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কমায় তাই না, টিকা নেওয়ার ফলে সংক্রমণের ভয়ও অনেকটা কমে যায়। 
     
    বিশেষজ্ঞদের মতে অনেকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity) বেশি হওয়ায় বা জিনগত কারণেও তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। 

    বয়স এবং জিনের ধরনের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে, কে আক্রান্ত হবেন, আর কে আক্রান্ত হবেন না। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। আমরা জানি, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে এইরোগ খুব সহজেই আক্রমণ করতে পারে। ঘুম কম হওয়াও এই ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ার বড় কারণ। 

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতক্ষণ স্থায়ী হবে তা নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। কারণ দেখা গিয়েছে যাঁরা করোনার প্রথম ঢেউ থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ থেকে পরিত্রাণ পাননি। 

    তাই আপনি যদি মনে করেন আপনার পাশের মানুষটি কেন বারবার নিষ্কৃতি পেয়ে যাচ্ছেন এই রোগ থেকে, সত্যিই কি কোনও অতিপ্রাকৃতিক শক্তি আছে তাঁর? তাহলে জেনে রাখুন ‘রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা’ নামক একটি শক্তি সত্যিই তাঁর আছে। অথবা কোভিডের বিরুদ্ধে বরাবর সমস্তরকম সাবধানতা অবলম্বন করে এসেছেন তিনি।  

     

  • Monkeypox: মাঙ্কিপক্সই কী ডেকে আনবে পরবর্তী মহামারী? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    Monkeypox: মাঙ্কিপক্সই কী ডেকে আনবে পরবর্তী মহামারী? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঙ্কিপক্সের (Monkeypox) বিষয়ে ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করেছেন সারা বিশ্বের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। মধ্য এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা এই রোগ বেশ দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে ইউরোপের দেশগুলিতে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯২ জনের এই রোগ ধরা পড়েছে। আরও ২৮ জন আক্রান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ব্রিটেন, ইতালি, পর্তুগাল, স্পেন এবং সুইডেনে মাঙ্কিপক্স সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। ফ্রান্স, ইতালি, সুইডেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় নতুন কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাঙ্কিপক্স সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে এইসব অঞ্চলে ভ্রমণে আসার কারণেই বাইরের দেশে ছড়িয়েছে এই রোগ। সব দেশগুলিতে নজর চালচ্ছে সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘ। যে দেশগুলি এখনও আক্রান্ত নয়, সে দেশগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঙ্কিপক্স একটি বিরল ভাইরাল সংক্রমণ। রোগটি সাধারণত খুব সংক্রামক নয় এবং মানুষ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেরে ওঠেন। এই রোগে মৃত্যুর হার এক শতাংশের চেয়েও কম। রোগটি করোনার মতো সংক্রামক নয়। আমেরিকায় এই রোগের প্রথম কেস ৭ মে ধরা পড়ে। রোগী সম্প্রতি নাইজেরিয়া ভ্রমণে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে তিনি ভাইরাসে আক্রান্ত হন।   

    ছড়াচ্ছে নয়া ভাইরাস! সতর্কতা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, জরুরি বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    ত্বকের সংস্পর্শে এলেই মূলত ছড়ায় এই রোগ। রোগের উপস্বর্গগুলি হল, র‍্যাশ, জ্বর এবং ব্যথা। এটা অনেকটাই ছোট পক্সের মতো, কিন্তু ছোট পক্সের থেকে অনেকটাই কম ভয়ঙ্কর। রোগটি করোনার মতো শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে না বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।  

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক আধিকারিক জানান, “যৌন সংসর্গে এই রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কোনও ব্যক্তি যদি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হন এবং তিনি যদি যৌন কার্যকলাপে লিপ্ত হন, সেক্ষেত্রে অপর সুস্থ ব্যক্তির দেহে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে৷ তিনিও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন।”   
     
    স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দুশ্চিন্তার বিষয়টি হ’ল ভাইরাসটি কমিউনিটির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং সম্ভবত সংক্রমণের একটি নতুন মাধ্যমও তৈরি হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আশঙ্কা, কোনও উৎসবে বা অনুষ্ঠানে বেশি লোক একত্রিত হলে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস। 

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই রোগের মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।  টিকা এবং ওষুধের ব্যবহারে এই ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চিকেন পক্সের টিকা এবং ওষুধ দুই-ই এই ভাইরাসের ওপর কার্যকরী বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। যাদের শরীরে কোনও রকম দানা বা র‍্যাশ রয়েছে তাদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চললেই এই রোগ থেকে বাঁচা সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা।  

     

  • Tomato Flu: এবার টমেটো ফ্লু, নয়া ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুরা

    Tomato Flu: এবার টমেটো ফ্লু, নয়া ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid) এখনও বর্তমান। তার মধ্যেই আর এক অজানা ভাইরাসের হানা। এবার আক্রান্ত পাঁচ বছর বয়সের কম শিশুরা। ইতিমধ্যেই দ্রুত এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে কেরলে। খাদ্যে বিষক্রিয়ার পরে নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণে জর্জরিত কেরল। এখনও পর্যন্ত ৮২ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন মূলত শিশুরাই আক্রান্ত হচ্ছে এই রোগে। তীব্র জ্বর এবং সারা গায়ে ছোট ছোট লাল ফোস্কার মতো ক্ষত এই রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য।  ক্ষুদ্রাকৃতি টমেটোর মতো এই ফোস্কার কারণেই রোগটির নাম ‘টমেটো ফ্লু’ (Tomato Flu)। এটি একটি বিরল ভাইরাল রোগ। কেরলের কোল্লাম জেলায় ইতিমধ্যেই ৮০টি শিশু এই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর। আক্রান্ত শিশুদের প্রত্যেকেরই বয়স ৫ বছরের কম বলে জানিয়েছে কেরলের (Keral) স্বাস্থ্য দফতর। কোল্লাম ছাড়াও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলাতেও কিছু রোগীর সন্ধান মিলেছে। আরিয়ানকাভু, আঁচল এবং নেদুভাথুর থেকেও সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে।

    এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাতে ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে তাই কেরল-তামিলনাড়ু (Tamilnadu) সীমানায় জারি করা হয়েছে সতর্কতা। প্রশাসনের তরফে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।  জ্বর বা অন্য অসুস্থতা নিয়ে যাতে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে কেউ যেতে না পারেন, সে বিষয়ে নজর দেওয়া হচ্ছে। জ্বরের উপসর্গের হদিশ মিললেই করা হচ্ছে পরীক্ষা।

     চিকুনগুনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে এই জ্বরের। তীব্র জ্বর,গা ব্যথা ও ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে রোগীর শরীরে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বমি ও পেটের গোলযোগও। তবে এই সব লক্ষণ ছাড়াও রোগীর দেহে দেখা যাচ্ছে টমেটোর মতো ছোট ছোট ফোস্কা। হাতের বা পায়ের তালুতে এই লাল রঙের ফুসকুড়ি বেশি দেখা যাচ্ছে।
     
    রোগটির কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। তাই নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা পদ্ধতির কথা এখনই নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রাথমিক ভাবে সংক্রমণ আটকাতে পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাই বলছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করারও পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। সঙ্গে নিতে হবে যথেষ্ট বিশ্রাম। ফোস্কাগুলি চুলকালে বিপদ আরও বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। যাঁরা সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের অন্যদের থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর ফোসকাগুলি যাতে গলে না যায়,সেদিকে খেয়াল রাখার কথাও বলছেন চিকিসকেরা।

    এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, তাতে ৫ বছরের বয়সের নীচের শিশুদের এই সংক্রমণটি হচ্ছে। তাই তাদের বেশি সাবধানে রাখার কথা বলা হচ্ছে। যদিও এটি একেবারে নতুন কোনও ভাইরাস নাকি চিকুনগুনিয়া বা ডেঙ্গির প্রভাবে এটি হচ্ছে— তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে চিকিৎসকদের মধ্যে। এখনও পর্যন্ত কেরলের বিভিন্ন অংশে এই ভাইরাস সংক্রমণের কথা জানা গেলেও অন্যত্র এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা।  

  • Health Tips: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    Health Tips: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানেন কি ওজন (weight) কমানোর ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে লবণ বা নুন (salt)। দেহের অতিরিক্ত ওজনের ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়ে থাকে। ফলে ওজন কমাতে লবণ বিশেষ উপকারী। অতিরিক্ত ওজন কমাতে পরিমাণমতো লবণ খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবণ শুধুমাত্র ওজন কমানোর ক্ষেত্রেই নয় এটি রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং শরীরে জল ধরে রাখার পক্ষেও সহায়ক। হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক থাকলে অনেকক্ষণ এনার্জিও ধরে রাখা যায়। ক্লান্তি আসে না সহজে। ফলে অনেক সময় ধরে ব্যায়াম করা যেতে পারে ।

    তবে এখন প্রশ্ন হলো– কতটুকু লবণ খাবেন বা কখন খাবেন? বিশেষজ্ঞদের মতে,  ব্যায়াম করার আগে একচিমটে লবণ বা লবণ মিশ্রিত জল খেলে তা বেশী কার্যকর। ব্যায়াম করার আগে লবণ খাওয়ার কয়েকটি প্রধান কারণ হল-

    আরও পড়ুন: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    ১) যেহেতু লবণ শরীরে লবণ ধরে রাখতে পারে তার জন্য ব্যায়াম করার সময়ে ঘাম ঝড়লেও শরীরে জলের শূন্যতা হয় না।

    ২) লবণ শরীরে রক্ত সঞ্চালন নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে। ফলে ব্যায়াম করার সময়ে হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

    ৩) ব্যায়াম করার সময়ে পেশীতে ব্যথা হওয়ার প্রবণতাকে কমিয়ে দেয়।

    ৪) লবণ শরীরে এনার্জি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে এনার্জি থাকার ফলে অনেক সময় ধরে ব্যায়াম করা যায়। 

    ৫) লবণ যেহেতু রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং শরীরে জল ধরে রাখার পক্ষেও সহায়ক, সেই কারণে দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

    ৬) ব্যায়াম করার সময়ে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রন রাখতে সাহায্য করে লবণ ফলে ব্যায়াম করার সময়ে এনার্জির কমতি হয় না।

    ৭) রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকায় হৃদযন্ত্রও সুস্থ থাকে। ব্যায়াম করার সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

    ৮) লবণ খাওয়ার ফলে ব্যায়াম করার সময় ক্লান্তি কম হয়, তাই দেহের ধৈর্যশক্তিও বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেকক্ষণ ধরে ব্যায়াম করা যায় ও ওজনও কমানো যায়।

    আরও পড়ুন: গ্রীষ্মের এই ৫ ফল যা খেলে কমতে পারে ওজন, দেখুন

     

LinkedIn
Share