Category: স্বাস্থ্য

Get updates on Health News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Cold and cough: সর্দি-কাশিতে নাজেহাল! খামখেয়ালি আবহাওয়ার জেরে ভুগছে আট থেকে আশি!

    Cold and cough: সর্দি-কাশিতে নাজেহাল! খামখেয়ালি আবহাওয়ার জেরে ভুগছে আট থেকে আশি!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দুর্গাপুজোর রেশ কেটে গিয়েছে। কিন্তু উৎসবের মরশুম এখনও রয়েছে। দিন কয়েক পরেই আলোর উৎসব। দীপাবলি উদযাপনে মাতবেন আট থেকে আশি! কিন্তু আনন্দের এই সময়ে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে সর্দি-কাশি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সময়ে সর্দি-কাশি (Cold and cough) ও একাধিক ভাইরাসঘটিত ফুসফুস সংক্রমণের সমস্যা বাড়ছে। এর জেরে ভোগান্তিও বাড়ছে। ফলে, বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এখন থেকেই সতর্কতা না বাড়ালে সমস্যা বাড়বে। শীতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

    কেন ভোগান্তি বাড়াচ্ছে সর্দি-কাশি? (Cold and cough)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনের জেরেই সমস্যা বেড়েছে। তাপমাত্রার রকমফেরের জেরে বাতাসে ভাইরাস আরও বেশি সক্রিয় হয়ে গিয়েছে। আর তার জেরেই সর্দি-কাশির মতো সমস্যা বাড়ছে। ভোর কিংবা রাতের দিকে তাপমাত্রার পারদ অনেকটাই কমে যায়। আবার দিনে রোদ উঠলে গরম লাগে। অস্বস্তি বাড়ে। লাগাতার তাপমাত্রার এই ওঠানামার জেরে সমস্যা বাড়ছে। ভাইরাস ঘটিত রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, বছরের এই সময়ে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। এর জেরে ফুসফুসঘটিত নানান রোগের প্রকোপ দেখা দেয়।

    কীভাবে ভোগান্তি কমাবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তবেই সর্দি-কাশির (Cold and cough) ভোগান্তি কমবে। এই সময়ে রাতভর ফ্যান চালিয়ে ঘুমানো‌ একেবারেই উচিত নয়। বরং পাতলা চাদরে গা ঢেকে ঘুমানো উচিত। তাহলে হঠাৎ ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা কমবে। 
    ঠান্ডা পানীয়, আইসক্রিম এই সময়ে না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, খুব ঠান্ডা জাতীয় জিনিস খেলে গলা কিংবা শ্বাসনালীতে দ্রুত সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ফলে কাশি, জ্বরের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এই  ধরনের খাবার আপাতত এড়িয়ে চলা ভালো। 
    সর্দি-কাশি এড়াতে নিয়মিত রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদান রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। তাই নিয়মিত অন্তত এক কোয়া রসুন খেলে সর্দি-কাশির মোকাবিলা সহজ হবে‌। 
    ফুসফুস সুস্থ থাকলে সহজেই সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমানো যায়। তাই ফুসফুস সুস্থ রাখতে নিয়মিত একটা এলাচ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, যে কোনও রান্নায় এলাচ দিয়েও খাওয়া যেতে পারে। এলাচ ফুসফুসের কার্যকারিতা ভালো রাখে। এর জেরে কাশি জাতীয় সমস্যা (Cold and cough) মোকাবিলা সহজ হয়। 
    নিয়মিত এক চামচ মধু মিশিয়ে লেবুর রস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, লেবুর রসে থাকে ভিটামিন‌ সি। এই উপাদান সর্দি-কাশি মোকাবিলা করে। মধুতেও রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে ওঠে। যে কোনও সংক্রমণ ঠেকাতেও সাহায্য করে। তাই এই সময়ে (Weather change) নিয়মিত মধু মেশানো লেবুর রস খেলে ভোগান্তি কমবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arthritis Pain: তিরিশের চৌকাঠে পৌঁছনোর আগেই বহু মহিলা হাঁটু, পিঠ ও কোমরের যন্ত্রণায় কাবু!

    Arthritis Pain: তিরিশের চৌকাঠে পৌঁছনোর আগেই বহু মহিলা হাঁটু, পিঠ ও কোমরের যন্ত্রণায় কাবু!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে হাড়ের রোগ। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে (Young Women) এই সমস‌্যা আরও বেশি। অনেকের হাড়ের শক্তি কমে যাওয়ার জেরে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। তাই মহিলাদের মধ্যে হাড়ের রোগের এই বাড়বাড়ন্ত যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন মহিলাদের বাতের সমস্যা বাড়ছে? (Arthritis Pain)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশ জুড়ে একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অধিকাংশ ভারতীয় মহিলা অস্ট্রিয় পোরেসিস সহ একাধিক হাড়ের রোগে আক্রান্ত। এর মূল কারণ ভিটামিন ডি -র অভাব। অধিকাংশ মহিলার দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকছে না। অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা বংশানুক্রমিক হচ্ছে। তবে জীবনযাপনের ধরন বাতের সমস্যা কিংবা যে কোনও হাড়ের রোগকে আরও জটিল করে তুলছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মহিলাদের খাদ্যাভ্যাস অস্বাস্থ্যকর। অনেক সময়েই তাঁরা দীর্ঘ ব্যবধানে খাবার খান।‌ আবার পরিমাণও ঠিকমতো থাকে না।‌ অর্থাৎ, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিনের মধ্যে ঠিকমতো ভারসাম্য থাকে না। ফলে হাড়ের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বাতের সমস্যাও কাবু করে। পাশপাশি ঘরের কাজ অধিকাংশ সময়েই মহিলারা বেশি করেন। এর জেরে সিঁড়ি দিয়ে বারবার ওঠানামা করা, ভারী জিনিস তোলার মতো কাজ লাগাতার করার জেরে হাড়ের শক্তি ক্ষয় হয়। তাছাড়া মা হওয়ার পরে শরীরে মারাত্মক ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে মহিলাদের এই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ও ওষুধ পাওয়া যায় না। এর জেরেই দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তি বাড়ে। এবার দেখা যাক, কোন পাঁচ অভ্যাস মহিলাদের বাতের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখবে?

    সময় মতো ব্যালেন্স খাবার জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলাদের নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস জরুরি। পাশপাশি কী খাচ্ছেন, কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। পেট ভরানোর জন্য শুধু ভাত কিংবা রুটি খেলেই শরীর সুস্থ থাকবে না। হাড় মজবুত করতে (Arthritis Pain) জরুরি নিয়মিত পরিমিত প্রোটিন ও ভিটামিন জাতীয় খাবার। তাই ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে নিয়মিত সবুজ সব্জি, ডিম, মাছ, মাংস খেতে হবে। এতে হাড়ের শক্তি বাড়বে। নিয়মিত দুধ জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। পনির কিংবা দই নিয়মিত খেলে হাড় প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম সহজেই পাবে‌। এই ধরনের খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হলে বাতের সমস্যার মোকাবিলা সহজ‌ হবে।

    স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ জরুরি (Arthritis Pain)

    মহিলাদের আরেকটি বড় শারীরিক সমস্যা হল অতিরিক্ত ওজন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই স্থূলতার সমস্যায় কাবু হন। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এই রোগ আরও বাড়িয়ে তোলে। দেহের ওজন বেড়ে গেলে হাঁটু ও কোমরে মারাত্মক চাপ পড়ে। অনেক সময়েই সেই ওজনের জেরে বাতের‌ সমস্যা বাড়ে। তাই দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। তাতে একাধিক রোগ মোকাবিলা সহজ‌ হয়।

    নিয়মিত শারীরিক কসরত জরুরি

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলারা ঘরে-বাইরে পরিশ্রম করেন। কিন্তু শারীরিক কসরত অনেক সময়েই নিয়মিত করেন না। এর ফলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টের কাজ ঠিকমতো হয় না। বাতের ব্যথার মতো একাধিক রোগকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিয়মিত শারীরিক কসরত জরুরি। এতে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে (Arthritis Pain)। বিভিন্ন পেশি সক্রিয় থাকে।‌ আবার জয়েন্টগুলো সচল থাকে।

    পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি

    মহিলাদের ঘুমের জন্য বরাদ্দ সময় যথেষ্ট নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মহিলার দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম হয় না।‌ এর প্রভাব স্নায়ু, পেশি এবং হাড়ের উপরে মারাত্মক ভাবে পড়ে। শরীরের বিশ্রাম জরুরি।‌ তবেই শরীর শক্তি সঞ্চয় করে আবার কাজ করতে পারবে। তাই নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমনো দরকার।‌ তবেই হাড়ের শক্তি বাড়বে।

    ঘরের কাজের সময়ে সাবধানতা জরুরি (Arthritis Pain)

    মহিলারাই অধিকাংশ সময়ে বাড়ির বিভিন্ন কাজ করেন। এই কাজের জন্য তাঁদের বারবার ওঠাবসা করতে হয়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামাও হয় একাধিকবার। এর জেরে অস্থিসন্ধি অর্থাৎ কোমর, হাঁটুর বিভিন্ন জয়েন্টের কাজ বাড়ে। বারবার এই ধরনের কাজ করার ফলে এই অস্থিসন্ধি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন ব্যথা বাড়ে। তাই এই ঘরোয়া কাজ করার সময় খেয়াল রাখা জরুরি। প্রয়োজন মাফিক বিশ্রাম জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dry skin: শীতের শিরশিরানি শুরু! ত্বকের শুষ্কতা কাটাতে কোন ঘরোয়া উপাদানে করতে পারেন বাজিমাত?

    Dry skin: শীতের শিরশিরানি শুরু! ত্বকের শুষ্কতা কাটাতে কোন ঘরোয়া উপাদানে করতে পারেন বাজিমাত?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাতাসে ঠান্ডার আমেজ শুরু হয়ে গিয়েছে। একটানা ফ্যানের হাওয়া এখন আর আরাম দিচ্ছে না। বরং একটা শিরশিরানি ভাব হচ্ছে। সন্ধ্যার পরে বেশ আরাম দেওয়া আবহাওয়া। সব মিলিয়ে পরিবেশ জানান দিচ্ছে, শীতের শুরু হবে শিগগিরই! কয়েক বছর ধরেই বাঙালির হেমন্ত ঋতু চোখের নিমিষেই মিলিয়ে যায়। বর্ষার পরে একেবারে শীতের দাপট। তবে এ বছরে দুর্গাপুজোর পরে আবহাওয়ায় হেমন্তের টের পাওয়া যাচ্ছে। দীপাবলির এখনও দিন কয়েক বাকি। কিন্তু তার আগেই পরিবেশে বেশ শীতের আমেজ। কিন্তু বছরের এই সময় থেকেই ত্বকের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। শীতকাল শুষ্ক। তাই ত্বকেও শুষ্কতা (Dry skin) দেখা যায়। বিশেষত, যাদের ত্বক অতিরিক্ত সেনসেটিভ, তাদের এই সময় থেকেই বিশেষ যত্ন না নিলে শীতে ত্বকের নানান রোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে‌। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বিশেষত, শিশুদের ত্বক অতিরিক্ত সেনসেটিভ হয়। তাই শিশুত্বকের বিশেষ‌ যত্ন নেওয়া জরুরি। তবে অতিরিক্ত কৃত্রিম জিনিস নয়, বরং ঘরোয়া কিছু উপাদান করবে বাজিমাত। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত কিছু ঘরোয়া উপাদান (Household ingredients) ব্যবহার করলেই শীতের শুষ্কতা সহ একাধিক ত্বকের সমস্যাকে কাবু করা যাবে‌। এবার দেখা যাক, কোন ঘরোয়া উপাদান মুশকিল আসান করবে?

    নিয়মিত লেবুর ব্যবহার (Dry skin)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ থাকলেই ত্বক ভালো থাকবে। শরীরে ভিটামিন সি-র জোগান ঠিকমতো থাকলে ত্বক মসৃণ এবং ময়েশ্চারাইজার পর্যাপ্ত থাকবে। তাই শীতের শুরু থেকেই দরকার নিয়মিত লেবু খাওয়া। যে কোনও লেবু জাতীয় ফল নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন‌ সি পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। তাই ত্বক ভালো থাকে।

    জল পর্যাপ্ত খাওয়া জরুরি

    ত্বকের শুষ্কতা (Dry skin) হোক কিংবা ব্রণ, যে কোনও রোগের মোকাবিলা সহজেই করে জল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই শীতে জল খুব কম পরিমাণে খান। আর এর জেরেই নানান ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়। প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়মিত পাঁচ থেকে ছয় লিটার জল খাওয়া দরকার। শিশুদের প্রয়োজন অন্তত দেড় থেকে দু লিটার জল। তবেই ত্বক ভালো থাকবে। ত্বকের একাধিক সমস্যা কমবে।

    প্রতি সপ্তাহে মধু ত্বকে লাগালে শুষ্কতা কমবে (Dry skin)

    শীতের সবচেয়ে বড় সমস্যা ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখা। অনেকের ত্বকের শুষ্কতা মারাত্মক বেড়ে যায়। এর ফলে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সপ্তাহে অন্তত একদিন ত্বকে মধু লাগালো দরকার। মধু প্রাকৃতিকভাবেই ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে টক দইয়ের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মাখলে বাড়তি গুণ পাওয়া যায়। এতে ত্বকের একাধিক সমস্যা কমে।

    এক টুকরো কাঁচা হলুদ

    শীতে ত্বকে নানান ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দেখা যায়। ত্বকের সংক্রমণ রুখতে নিয়মিত কাঁচা হলুদ (Household ingredients) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন হলুদ অ্যান্টিসেপটিক। নিয়মিত সকালে এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেলে শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।‌ এতে ত্বক ভালো থাকে।

    অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবারে রাশ

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বক ভালো রাখার জন্য অন্ত্র ভালো রাখা জরুরি। হজমের গোলমাল ত্বকের সমস্যাও বাড়িয়ে দেয়। উৎসবের মরশুমে অনেকেই খাবারে রাশ টানেন না। অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার নিয়মিত খান। যা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। এতে ত্বকের নানান সমস্যা (Dry skin) বাড়তে পারে। তাই স্বাস্থ‌্যকর খাবার নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Eye Infections: বহু শিশুই চোখে সংক্রমণ, ঝাপসা দেখার মতো সমস্যায় ভুগছে! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    Eye Infections: বহু শিশুই চোখে সংক্রমণ, ঝাপসা দেখার মতো সমস্যায় ভুগছে! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কম বয়স থেকেই বাড়ছে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা। স্কুলের চৌকাঠে প্রবেশ করার আগেই অনেক শিশুর একাধিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের চোখের সমস্যা বাড়তি উদ্বেগজনক। শিশুদের অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি শেখানোর মতো প্রথম থেকেই চোখের যত্নের (Eye Infections) বিষয়ে সজাগ করা জরুরি। কীভাবে চোখ ভালো থাকবে, দৃষ্টিশক্তি বজায় থাকবে, এসব নিয়ে সচেতনতা জরুরি। অক্টোবর মাসে ‘ওয়ার্ল্ড সাইট অ্যাওয়ারনেস’ পালন করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্ব জুড়ে চোখের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষত শিশুদের দৃষ্টিশক্তি বাড়তি উদ্বেগজনক। তাই অন্ধত্ব,‌ দৃষ্টি ক্ষীণ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা নিয়ে আরও বেশি সতর্কতা জরুরি।

    কেন শিশুদের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা বাড়তি উদ্বেগজনক? (Eye Infections)

    সাম্প্রতিক এক সর্বভারতীয় রিপোর্ট দেশ জুড়ে শিশুদের চোখ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রতি বছর ৩০ হাজার শিশু নতুন করে চোখের দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুরা একাধিকবার চোখের নানান সংক্রমণের শিকার হচ্ছে। যা তাদের কর্নিয়ায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশেষত বারবার চোখের কনজাংটিভাইটিস জাতীয় সংক্রমণ একদিকে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে, আরেকদিকে চোখের ক্ষতি করছে। এর নিরিখে ভারতে চোখের নিয়মিত পরীক্ষা করার সচেতনতা খুবই কম। দেশ জুড়ে মাত্র ৪৬ শতাংশ শিশুর নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা হয়। স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও ড্রাই আই জাতীয় রোগের প্রকোপ বাড়ছে। যার ফলে চোখের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, অধিকাংশ শিশুর চোখের মারাত্মক সমস্যা হওয়ার আগে কিছু বোঝাই যায় না। ফলে দৃষ্টিশক্তির বড় ক্ষতি আটকানো আরও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই শিশুদের চোখের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।

    সন্তানের চোখের বাড়তি যত্ন নেবেন কীভাবে?

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, শিশুর চোখ ভালো রাখার প্রথম ও প্রধান শর্ত ‘স্ক্রিন টাইম’-এ রাশ টানা। খুব কম বয়স থেকেই এখন সকলে মোবাইল, ট্যাবলেট, ল্যাপটপে অভ্যস্ত। কিন্তু এই অভ্যাস চোখের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। তাই শিশু কতক্ষণ মোবাইল কিংবা ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে থাকবে, সে নিয়ে সচেতনতা জরুরি। ছোট থেকে শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য মোবাইল দেওয়া একেবারেই উচিত নয়। এতে একাধিক শারীরিক সমস্যা (Eye Infections) তৈরি হয়। বিশেষত শিশুদের চোখে ড্রাই আই সহ নানান সংক্রমণ হতে পারে‌‌।
    দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে (Blurred vision) সবুজ সব্জি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন,‌ দিনে অন্তত একটা লেবু এবং বেরি জাতীয় ফল খাওয়া জরুরি।‌ পাশাপাশি কমলালেবু, অ্যাপ্রিকট, স্ট্রবেরি কিংবা মাল্টা, যে কোনও একটা ফল নিয়মিত খাওয়া উচিত। তাহলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। তবে এর পাশপাশি পালং শাক, ঝিঙে, পটলের মতো সবুজ সব্জি নিয়মিত খাওয়া জরুরি।‌ কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে। এগুলো চোখের জন্য খুবই উপকারী। 
    পাশপাশি কম বয়সি শিশুরা এখন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুদের ডায়াবেটিস চোখের উপরে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে (Eye Infections)। ভারতীয় শিশুদের চোখের সমস্যার অন্যতম কারণ ডায়াবেটিস। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই ছোট থেকেই খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। যাতে শিশু ডায়াবেটিসের‌ মতো রোগে আক্রান্ত না‌ হয়। শিশু যাতে অতিরিক্তি মিষ্টি খাওয়া এবং বাইরের চটজলদি খাবারে অভ্যস্ত না হয় সেদিকেও‌ খেয়াল‌ রাখা জরুরি। তবেই চোখের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার মোকাবিলা করা সহজ‌ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cow Milk: গরুর দুগ্ধে কী কী গুণ আছে, স্বাস্থ্যের উপকারিতায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    Cow Milk: গরুর দুগ্ধে কী কী গুণ আছে, স্বাস্থ্যের উপকারিতায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুর দুধ (Cow Milk) অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টিকর খাবার। দুধ উৎস গুণে একটি সমৃদ্ধকারী খাবার। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যকর (Health Benefits) খাদ্যের তালিকায় একটি নির্ভরযোগ্য খবার হল গরুর দুধ। ভারতের মতো দেশে মাতৃদুগ্ধের ঠিক পরেই খাবার হিসেব বিবেচিত হয় গরুর দুধকে। সেই জন্য গরুকে গোমাতা হিসেব পুজো করা হয়। তাঁকে দেওয়া হয়েছে দেবতার স্থান। এই খাবারে বিভিন্ন সুবিধাজনক দিক রয়েছে। যেমন-হাড়ের স্বাস্থ্য থেকে পেশী পুনরুদ্ধার পর্যন্ত সবকিছুকে সতেজ রাখার জন্য প্রথম সারির খাবর হল গরুর দুধ।

    গরুর দুধ দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃতির অন্যতম পুষ্টিকর পানীয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং এর ব্যবহারে বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে এই প্রোটিন যুক্ত খাবারে। বিভিন্ন রন্ধনসম্পদের মূল উপাদান থেকে শুরু করে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পুষ্টির প্রাথমিক উৎস হিসাবে পরিবেশন করা হয় গরুর দুধকে। সুস্বাস্থের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং চিত্তাকর্ষক পানীয় খাবার দুধ। গরুর দুধ উপকারিতা আসুন জেনে নিই।

    পুষ্টিসমৃদ্ধতা (Cow Milk)

    গরুর দুধ (Cow Milk) অত্যাবশ্যক পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার। পুষ্টির (Health Benefits) একটি চমৎকার উপাদান রয়েছে দুধে। এক কাপ সম্পূর্ণ গরুর দুধে সাধারণত নিম্নলিখিত উপাদান থাকে। যেমন-ক্যালসিয়াম- শরীরের হাড়কে স্বাস্থ্যকর  এবং শক্ত সবল করে। সেই সঙ্গে দাঁতের জন্য অপরিহার্য। প্রোটিন-পেশীর শক্তি বৃদ্ধি এবং মেরামতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুধ। একই ভাবে থাকে ভিটামিন-ভিটামিন এ, ডি, এবং বি ১২। এসবের গুণে বিভিন্ন শারীরিক ক্রিয়াকলাপকে সতেজ রাখে। খনিজের মধ্যে থাকে যেমন-পটাসিয়াম এবং ফসফরাস, যা হার্টের স্বাস্থ্য এবং শক্তি উৎপাদনের জন্য অত্যাবশ্যক। দেহে পুষ্টির ক্ষেত্রে গরুর দুধ, বড় থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষের জন্য একটি অপরিহার্য খাবার।

    হাড়ের সুস্বাস্থ্য

    গরুর দুধের (Cow Milk) অন্যতম উল্লেখযোগ্য উপকারিতা হল মজবুত হাড় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উচ্চ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি কন্টেন্ট হাড়ের ঘনত্বকে মজবুত করে। একই ভাবে বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। গরুর দুধের নিয়মিত সেবনে মজবুত হাড় বজায় রাখে এবং ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি কমায়।

    পেশীর উন্নয়ন এবং পুনরুদ্ধার

    ক্রীড়াবিদ এবং কর্মঠ ব্যক্তিদের জন্য গরুর দুধ একটি চমৎকার খাবার। কারণ কাজের পর অর্থাৎ পোস্ট ওয়ার্কআউট পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যাবশ্যক পানীয়। দুধের প্রোটিন পেশী মেরামত এবং বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই ভাবে কার্বোহাইড্রেট শক্তি সঞ্চয়গুলি পূরণ করতে সহায়তা করে। দুধে (Cow Milk) প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য বজায় থাকে শরীরে।

    হার্টের স্বাস্থ্য

    গরুর দুধে ব্যাপক পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে। যা খাদ্যে সোডিয়ামের প্রভাবকে ভারসাম্য বজায় রেখে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে গরুর দুধ সহ দুগ্ধজাত দ্রব্য খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। শরীরে মেদ বা চর্বির উপস্থিতি থাকলে, দুধ পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হলে কার্ডিওভাসকুলারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

    হজম বৃদ্ধি করে

    সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে গেলে পাচক বা হজমের কার্যকারিতা একান্ত প্রয়োজন। গরুর দুধ (Cow Milk) হল প্রোবায়োটিকের উৎস। দুধ থেকে উৎপন্ন দই বা বাটার মিল্ক হজমের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। দইয়ে ল্যাকটোজ থাকে, যা পেট ঠাণ্ডা এবং খাবারকে পাচিত করতে সাহায্য করে। এই উপকারী (Health Benefits) ব্যাকটেরিয়া একটি সুষম মাইক্রোবায়োম প্রচার করে অন্ত্রের স্বাস্থ্যকেও সতেজ এবং সুস্থ্য রাখে।

    হাইড্রেশন

    গরমে দুধ (Cow Milk) সামগ্রি দিয়ে তৈরি ঘোল ভীষণ ভাবে উপকারী। শরীরে হাইড্রেশনের মাত্রা ঠিক রাখে। এটি তৃষ্ণা নিবারণের জন্য একটি চমৎকার পছন্দ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহকারী খাবার। এটি একটি বিকল্প সতেজ পানীয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    ত্বকের স্বাস্থ্য

    গরুর দুধের পুষ্টিগুণ ত্বকের জন্যও ভীষণ ভাবে উপকারী।দুধে পাওয়া ল্যাকটিক অ্যাসিড প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েন্ট হিসেবে কাজ করে ত্বকে। মৃত কোষ অপসারণ করে এবং স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে দুধ। অনেকে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টে দুধকে এর ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্যের জন্য অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য একটি মূল্যবান উপাদান হল দুধ।

    পুষ্টির পাওয়ার হাউস হল দুধ

    গরুর দুধ (Cow Milk) হল একটি পুষ্টির পাওয়ার হাউস, যা বিস্তৃত পরিসরের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে থাকে নানা ভাবে। হাড়ের স্বাস্থ্যকে থেকে শুরু করে পেশী পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা এবং হজম (Health Benefits) সহ-একাধিক সুবিধাগুলি পাওয়া যায়। আবার দৈনন্দিন খাবারের রুটিনে গরুর দুধ অন্তর্ভুক্ত করলে সামগ্রিক ভাবে সুস্থতাকে বৃদ্ধি করা যায়। দুধ থেকে তৈরি মাখন, ঘি, ছানা, পনির, মিষ্টি, সন্দেশ, পায়েস ইত্যাদি বেশ পুষ্টিকর খবার হিসেব ব্যবহার হয়। তাই দুধের গুণ অপরিহার্য।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: উৎসবের মরশুমে বাড়তে পারে ডেঙ্গি! কেন বাড়ছে উদ্বেগ? কীভাবে সতর্ক থাকবেন? 

    Dengue: উৎসবের মরশুমে বাড়তে পারে ডেঙ্গি! কেন বাড়ছে উদ্বেগ? কীভাবে সতর্ক থাকবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দুর্গাপুজো শেষ। শেষ লক্ষ্মীপুজো। সামনেই কালীপুজো ও দীপাবলি। উৎসব চলছে। কিন্তু এই মরশুমে নতুন উদ্বেগ রাজ্য জুড়ে! একদিকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বন্যার জেরে জীবন বিপর্যস্ত। দেখা দিচ্ছে নানান স্বাস্থ্য সমস্যা। ডায়ারিয়া থেকে জ্বর, রোগের কবলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আরেকদিকে নতুন রোগের ভ্রুকুটি দেখছেন চিকিৎসক মহল। তাঁদের আশঙ্কা, উৎসবের মরশুমে নতুন ভাবে বিপদ (Dengue) জাঁকিয়ে বসতে পারে। তাই আগাম সতর্কতা জরুরি।

    কোন বিপদ নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য জুড়ে ফের বাড়তে পারে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। তাঁদের আশঙ্কা, উৎসবের মরশুমে এই রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। বিশেষত, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাগুলিতে এই মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সেপ্টেম্বর মাস থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হচ্ছে। অক্টোবরে সেই সংক্রমণ কয়েকগুণ বাড়তে পারে বলেই তাঁদের আশঙ্কা।

    কেন উৎসবের মরশুমে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়তে পারে? (Dengue)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ছিল। কিন্তু গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে রাজ্য জুড়ে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। যার জেরে মশাবাহিত রোগের দাপট কিছুটা কমে। তাঁরা জানাচ্ছেন, লাগাতার বৃষ্টি পড়লে মশা কম জন্মায়। তার জেরেই ডেঙ্গির মতো রোগের প্রকোপ কিছুটা কমে। তবে, অক্টোবরে (Festive season ডেঙ্গির দাপট বৃদ্ধির প্রধান কারণ জমা জল হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন‌ বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, আপাতত বৃষ্টি একনাগাড়ে হচ্ছে না। কিন্তু রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে। নিকাশি ব্যবস্থা অধিকাংশ জায়গায় খুব খারাপ। আর এই জমা জল মশাবাহিত রোগের মূল কারণ। তাই উৎসবের মরশুমে মশার দাপট বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে‌ বাড়তে পারে ডেঙ্গি। বছরের এই মরশুমে ডেঙ্গি সংক্রমণ বেশি হয়।

    বাড়তি বিপদ কেন? (Festive season)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, উৎসবের মরশুমে একাধিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ঠিকমতো কাজ হয় না। অধিকাংশ পুরকর্মী ছুটিতে থাকেন। এর ফলে জ্বর হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ‌ মতো সময়ের মধ্যে ডেঙ্গি (Dengue) পরীক্ষা হয় না। এর জেরে রোগ নির্ণয়ে অনেক সময়েই দেরি হয়ে যায়। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কাও বাড়তে থাকে। আবার পরিস্থিতি জটিল হলে হাসপাতালে ভর্তি এবং চিকিৎসা চালানো নিয়ে নানান‌ সঙ্কট তৈরি হয়। প্রত্যেক বছর রক্তের আকালের একাধিক অভিযোগ ওঠে। ব্লাড ব্যাঙ্কেও উৎসবের মরশুমে প্লেটলেটের জোগান পাওয়া যায় না। সব মিলিয়ে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরিজনদের হয়রানিও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা একাংশের।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Dengue)

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, পরিবেশ-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এলাকায় জল জমলে, অপরিচ্ছন্ন‌ বাগান‌ কিংবা পার্ক থাকলে সংশ্লিষ্ট পুর কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। মশার বংশবিস্তার রুখতে পারলেই বিপদ কিছুটা আটকানো যাবে। তবে জ্বর, কাশি, মাথাব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। প্রথম থেকেই রোগীকে মশারি টাঙিয়ে, তার ভিতরে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। পাশাপাশি জ্বর হলেই বেশি পরিমাণে জল খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ শরীরের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমলে‌ ডেঙ্গির বড় বিপদ আটকানো‌ সহজ হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Global Handwashing Day: হাত ধুলেই মুশকিল আসান! হাত পরিষ্কার করলে কোন রোগ থেকে মিলবে রেহাই?

    Global Handwashing Day: হাত ধুলেই মুশকিল আসান! হাত পরিষ্কার করলে কোন রোগ থেকে মিলবে রেহাই?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    খেতে বসার আগে কিংবা বাইরে থেকে বাড়িতে ফেরার পরেই প্রথম কাজ হতে হবে হাত পরিষ্কার করা। বছর কয়েক আগে করোনা আবহে হাত পরিষ্কার নিয়ে বাড়তি সতর্কতা তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, করোনা রুখতে সব চেয়ে বড় হাতিয়ার হাত পরিষ্কার করা। কারণ হাত থেকেই করোনা ভাইরাস নাকের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে‌। তাই সাবান দিয়ে বারবার হাত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুধু মহামারি রুখতেই নয়, একাধিক রোগ রুখতে পারে পরিষ্কার হাত। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। গ্লোবাল হ্যান্ড ওয়াশিং ডে (Global Handwashing Day) উপলক্ষে তাই বিশেষজ্ঞেরা একাধিক কর্মশালারও আয়োজন করেছেন‌। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঠিকমতো নিয়মিত হাত পরিষ্কার করলে একাধিক রোগ ঠেকানো সহজ হয়। সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল নিয়মিত হাত পরিষ্কার করা।

    কোন রোগ ঠেকাতে বিশেষ সাহায্য করে? (Clean hands)

    পেটের অসুখ কমাতে সব চেয়ে বড় হাতিয়ার হাত পরিষ্কার করা। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়ারিয়া, কলেরার মতো অসুখ রুখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। স্বাস্থ্যবিধির প্রথম শর্ত হাত পরিষ্কার রাখা। খাওয়ার আগে নিয়মিত সাবান দিয়ে পরিশ্রুত জলে হাত পরিষ্কার করলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। এর ফলে পেটের অসুখের ঝুঁকিও কমে। কলেরা, ডায়ারিয়ার মতো রোগের প্রকোপ সামলানোও সহজ হয়।

    ভাইরাস ঘটিত অসুখের প্রকোপ কমাতেও সাহায্য করে পরিষ্কার হাত (Global Handwashing Day)। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, বাইরে থেকে বাড়িতে ফেরার পরে হাত পরিষ্কার করা জরুরি। বাতাসে নানান ভাইরাস সক্রিয় থাকে। বাইরে দূষণের জেরে ভাইরাসের দাপট বেশি। হাত থেকেই শরীরের ভিতরে একাধিক ভাইরাস প্রবেশ করে। তাই প্রথমেই বাড়ি ফেরার পরে হাত পরিষ্কার করা দরকার। এতে যে কোনও ভাইরাস ঘটিত রোগের প্রকোপ কমবে।

    শিশুদের একাধিক রোগ সংক্রমণ রুখতে পরিষ্কার হাত বিশেষ সাহায্য করে। এমনই জানাচ্ছে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের বিভিন্ন সময়ে আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে শিশুরা নানান ভাইরাস ঘটিত অসুখে কাবু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় স্কুল থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এমনকী হ্যান্ড-ফুট-মাউথের মতো রোগের সংক্রমণও ছড়ায়। এগুলি রুখতে পরিষ্কার হাত বিশেষ সাহায্য করে। স্কুলের টিফিন খাওয়ার আগে কিংবা ক্লাসের পরে নির্দিষ্ট সময় অন্তর হাত ধোয়ায় অভ্যস্ত থাকলে এই ধরনের ভাইরাসের দাপট আটকানো সহজ হয়‌।

    কীভাবে হাত পরিষ্কার করা দরকার? (Global Handwashing Day) 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, হাত সাবান দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। দুই হাতের মাঝে সাবান নিয়ে অন্তত ৭ থেকে ১০ সেকেন্ড ঘষতে হবে। তারপরে পরিশ্রুত জলে হাত ধুয়ে নিতে হবে। তবেই জীবাণু ধ্বংস হবে।

    সমস্যা কোথায়?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, পরিশ্রুত জল আর সাবানের ব্যবস্থা সব জায়গায় নেই। এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। করোনা কালেও ইউনিসেফের তরফে জানানো হয়েছিল, রাজ্যের সমস্ত স্কুলে হাত পরিষ্কার করার মতো পরিশ্রুত জলের অভাব রয়েছে। গত কয়েক বছরেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি বলেই জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, স্কুলস্তর থেকেই হাত পরিষ্কারের মতো স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব পাঠ করানো জরুরি। পাশাপাশি হাত পরিষ্কার করার অভ্যাস (Global Handwashing Day) তৈরি করাও জরুরি। তার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির দিকে দ্রুত নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: পুজোয় চাই টানটান উজ্বল ত্বক! এই পাঁচ ঘরোয়া উপকরণেই রয়েছে সমাধান

    Durga Puja 2024: পুজোয় চাই টানটান উজ্বল ত্বক! এই পাঁচ ঘরোয়া উপকরণেই রয়েছে সমাধান

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আর মাত্র কয়েকদিন! তার পরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শুরু! দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2024) সময়ে বাঙালি যেমন খাবারে নতুনত্ব চায়, তেমনি পোশাক আর সাজসজ্জাতেও থাকে বিশেষ নজর। কিন্তু দূষণের জেরে এখন অনেকেই ত্বকের নানান সমস্যায় ভুগছেন। খুব কম বয়স থেকেই ব্রণ, কালো ছোপ দাগ-এমন নানান ত্বকের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাজার চলতি নানান রাসায়নিক ক্রিম ত্বকের ক্ষতি করে। এমন একাধিক ক্রিম নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। অভিযোগ, বহু ক্রিম মাত্রাতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার করে। এর ফলে ত্বকে সাংঘাতিক ক্ষতি হয়। তাই দ্রুত ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করতে এবং ত্বকের সমস্যা মেটাতে ঘরোয়া উপকরণেই আস্থা রাখছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। আসুন, দেখে নিই, কোন পাঁচ ঘরোয়া উপাদানে মসৃণ ত্বক সম্ভব?

    চিনির সঙ্গে পাতিলেবুর মিশ্রণ (Durga Puja 2024)

    ত্বক বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, লেবু ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। নিয়মিত যে কোনও ধরনের লেবু খেলে ত্বকের অধিকাংশ সমস্যা কমে যায়। ত্বকে পাতিলেবুর রস ব্লিচের মতো কাজ করে। সমস্ত কালো ছোপ সহজেই বেরিয়ে যায়। তবে সরাসরি ত্বকের উপরে পাতিলেবু লাগাতে বারণ করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের পরামর্শ, চিনির সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে বৃত্তাকারে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে মুখ পরিষ্কার জলে ধুয়ে ফেললে কালো ছোপ সহজেই মুছে যাবে।

    শশার রস বাড়াবে ত্বকের উজ্জ্বলতা

    বায়ুদূষণের জেরে অনেকেই ত্বকের উজ্জ্বলতা হারান। বিশেষত যাদের নিয়মিত বাড়ির বাইরে যেতে হয়, তাদের এই ধরনের সমস্যা আরও বেশি হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, শশা তাদের জন্য বিশেষ উপকারী। শশার রসে সহজেই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়তে পারে। তাঁদের পরামর্শ, একটা গোটা শশা বেটে নিয়ে, তার সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। দিনে একাধিকবার সেই মিশ্রণ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে দ্রুত ত্বক মসৃণ হবে এবং উজ্জ্বলতা বাড়বে (Durga Puja 2024)।

    ব্রণ-র জীবাণু রুখতে সাহায্য করবে মধু

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মধু ত্বকের (Bright skin) জন্য খুবই উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, মধু ত্বক কোমল করে, উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে, আবার ব্রণ-র জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তেও সাহায্য করে। তাই মধু ত্বকে লাগালে ত্বকের একাধিক উপকার পাওয়া যায়। তাঁদের পরামর্শ, সরাসরি ত্বকের উপরে মধু ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। তবে দ্রুত উজ্জ্বলতা পাওয়ার জন্য দই কিংবা শশার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগালে দ্রুত উজ্জ্বলতা বাড়ে‌। আবার ব্রণ-র সমস্যাও কমে।

    ত্বক মসৃণ করবে কলা (Durga Puja 2024)

    ত্বক মসৃণ করতে কলা খুবই উপকারী বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলা ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। কলা খুব মিহি করে মেখে, তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে ত্বকে লাগালে খসখসে ভাব সহজেই চলে যায়। ত্বক মস‌ৃণ হয়ে ওঠে।

    মুসুর ডাল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার

    আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে অনেকেই ত্বকের ভিজে ভাব হারাচ্ছেন‌। খুব কম বয়সিদের মধ্যেও তাই ত্বকের শুষ্কতার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, মুসুর ডাল ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, মসুর ডাল বেটে ভালো ভাবে ত্বকে লাগিয়ে রাখতে হবে। কিছু সময় পরে ত্বকে সেগুলো শুকিয়ে গেলে ভালোভাবে পরিষ্কার জলে ত্বক ধুয়ে ফেলতে হবে। তাহলেই ত্বকের স্বাভাবিক ময়েশ্চারাইজার ফিরে আসবে। ত্বকের শুষ্কতার সমস্যা কমবে (Durga Puja 2024)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: নবমী মানেই বাঙালির হেঁশেলে মটন চাই! খেয়াল রাখবেন শরীরটারও

    Durga Puja 2024: নবমী মানেই বাঙালির হেঁশেলে মটন চাই! খেয়াল রাখবেন শরীরটারও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবমী মানেই বাতাসে বিদায়ের সুর। আর তো একটা দিন, তার পর আবার এক বছরের অপেক্ষা। তাই মন খারাপের অনুভূতি। তবে এর থেকে ভুলতে ভুরিভোজেই (Durga Puja 2024) মেতে ওঠে বাঙালি। নবমী মানে বাঙালি ঘরে মটন চাই। কচি পাঁঠার ঝোল বা কষা খাসির মাংস-দুটোই সমান জনপ্রিয়। তবে যে যে বাড়িতে পুজো হয় বা যাঁরা নবরাত্রি পালন করেন তাঁরা নবমীর (Navami) মটনটা অন্যদিন চেখে নেন। তবে একথাও ভুলে গেলে চলবে না যে, নবমীতে জমিয়ে ভুরিভোজ করার পর ফেঁপে যেতে পারে পেট। শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই খাওয়ার আগে একটু সচেতন হলেই হল।

    কারা সতর্ক হবেন

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মটনের যে কোনও পদ সহজপাচ্য হয় না। এটি চর্বিযুক্ত মাংস। তাই কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। হৃদরোগীদের মটন খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ, মটনে থাকে অতিরিক্ত ফ্যাট আর এই প্রাণীজ প্রোটিন, যা হজম করাও বেশ কঠিন। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি যাদের কোলেস্টেরল আছে, তাদের ক্ষেত্রেও মটন খাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকছে (Durga Puja Food)। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মটন খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আরও তৈরি হয়। তাই মটনে না হোক, হাই কোলেস্টেরলে আক্রান্তদের সতর্ক হতেই হবে। রক্তচাপ যাদের বেশি তাদের একেবারেই মটন খাওয়া যাবে না বলে সাফ জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।  মটনের অতিরিক্ত চর্বি রক্তচাপ বাড়ায়।

    আরও পড়ুন: এবার দেবী দুর্গার আগমন দোলায়, গমন গজে, এর ফল কী হতে পারে জানেন?

    খেতে হলে অল্প খান

    বছরের বিশেষ দিনে (Durga Puja 2024) অনেক সময়ই নিয়মের বাইরে খাওয়া চলে। নবমীর (Navami) দিন একেবারেই মটন মেনু থেকে বাদ দেওয়াও হয়তো কঠিন। কিন্তু কিছু সতর্কতা অবশ্যই মেনে চলতে হবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।  হৃদরোগ কিংবা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তরা কখনই দুই পিসের বেশি মটন খাবেন না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পরিমিত খাবার খুব জরুরি। তাই খুব সামান্য পরিমাণে খেলে অনেক ক্ষেত্রে বিপদের আশঙ্কা কমে। নবমীতে ভারী খাবার খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে পুজোর অন্য দিনগুলোতে সহজপাচ্য, কম ফ্যাট জাতীয় খাবারের পরিকল্পনা করা জরুরি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Sweets: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দশমীর ‘স্পেশাল’ মিষ্টি’ কতখানি বিপজ্জনক? 

    Durga Puja Sweets: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দশমীর ‘স্পেশাল’ মিষ্টি’ কতখানি বিপজ্জনক? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দশমী মানেই মিষ্টিমুখ। বাঙালির দুর্গোৎসবের এই শেষ দিনে একদিকে মাকে বিদায় জানানোর পালা, আরেকদিকে মিষ্টিমুখ করে পাশের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্য-সম্পর্ক আরও মজবুত করাই রেওয়াজ (Durga Puja Sweets)। মিষ্টি বাঙালির উৎসবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে। আনন্দে, বিষাদে, উদযাপনে মিষ্টি ছাড়া চলে না। কিন্তু মিষ্টি যে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বড়ই বিপজ্জনক। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের দশমীর দিন উদযাপনে অনেক সময়েই মিষ্টি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু অনেক সময়েই ডায়বেটিস রোগীরা নিজেরাই বিকল্প খুঁজে নেন। দশমীতে অনেক জায়গাতেই পাওয়া যায়, ‘ডায়বেটিস স্পেশাল’ মিষ্টি। আর এই মিষ্টিগুলো বেশিরভাগ তৈরি হয় কৃত্রিম চিনিতে। কিন্তু এই কৃত্রিম চিনি আরও বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই দশমীর দিনে কৃত্রিম চিনিতে একেবারেই মিষ্টিমুখ করা যাবে না বলেই সাফ জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন কৃত্রিম চিনি ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বিপজ্জনক? (Durga Puja Sweets)

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম চিনি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। এক নির্দেশিকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়, কৃত্রিম চিনিতে কোনও পুষ্টিগুণ নেই। বরং এর কিছু উপাদান শরীরের জন্য বিপজ্জনক। তাই কৃত্রিম চিনিকে কখনই প্রাকৃতিক মিষ্টির তুলনায় ভালো উপকরণ মনে করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কৃত্রিম চিনিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে সুক্রোজ, অ্যাসপার্টেম, স্যাকারিন, স্টিভিয়ার মতো একাধিক উপকরণ। রাসায়নিক একাধিক উপকরণে তৈরি এই কৃত্রিম চিনি তাই শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরের শর্করা নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম চিনির কোনও ভূমিকাই নেই। বরং এই ধরনের রাসায়নিক কিডনির উপরে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

    কিডনি রোগের ঝুঁকি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনির রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। তার উপরে কৃত্রিম চিনির (Artificial sugar) তৈরি খাবার খেলে সেই ঝুঁকি আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এছাড়াও কৃত্রিম চিনির রাসায়নিক স্নায়ুর উপরেও চাপ বাড়ায়। তাই স্নায়ু ঘটিত অসুখের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মাইগ্রেনের মতো সমস্যাও বাড়াতে পারে কৃত্রিম চিনি। এমনকী কৃত্রিম চিনির রাসায়নিক পদার্থ ক্যান্সারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কৃত্রিম চিনির তৈরি মিষ্টি খাওয়ার তুলনায় প্রাকৃতিক চিনিতে তৈরি মিষ্টি শরীরের জন্য কম ক্ষতিকারক। তবে ডায়বেটিস আক্রান্তদের মিষ্টি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (Durga Puja Sweets)। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share