Category: জীবিকা

Get updated Profession related and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Job Vacancy: কর্মী নিয়োগ করবে বিদেশমন্ত্রক, জানুন বিস্তারিত

    Job Vacancy: কর্মী নিয়োগ করবে বিদেশমন্ত্রক, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। বিদেশমন্ত্রকের (MINISTRY OF EXTERNAL AFFAIRS) দিল্লির অফিসের জন্যে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক কর্মী নেওয়া হবে।  

    অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে দেওয়া হবে পারিশ্রমিক। সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক দেওয়া হবে বছরে ১০ লক্ষ টাকা। শূন্যপদের সংখ্যা ১। শুধুমাত্র মহিলা প্রার্থীরাই এই পদের জন্যে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার শেষ তারিখ ৩ অগাস্ট।  

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ে নিয়োগ, পদ সংখ্যা চার, পারিশ্রমিক ৪০ হাজার

    পদের নাম: কনস্যালটান্ট

    পদের সংখ্যা:

    বয়স সীমা: আবেদনকারীর বয়স ৫০ বছরের বেশি হওয়া যাবে না।

    যোগ্যতা:

    • আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় হতে হবে। 
    • আবেদনকারীর এমএসসি, এমটেক অথবা তার বেশি ডিগ্রী থাকতে হবে।
    • সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে আবেদনকারীকে। 
    • বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিভাগে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। 
    • চিনা ভাষা জানা আবশ্যক না হলেও, চিনা ভাষা জানেন যারা তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বড় কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা সংস্থায় কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন। 
    • বড় কোনও জার্নালে লেখার অভিজ্ঞতা থাকলে বা পাবলিক রিলেশনের অভিজ্ঞতা আছে যাদের তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    বেতন: সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ১০ লক্ষ টাকা। কাজের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে দেওয়া হবে পারিশ্রমিক।

    আরও পড়ুন: ৪৮১ শূন্যপদে নিয়োগ কোল ইন্ডিয়ায়, জানুন বিস্তারিত

    চুক্তির সময়: এক বছরের জন্যে চুক্তি ভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা হবে। পরে চুক্তির সময়সীমা বাড়ানোও হতে পারে। কোনও রকম অনিয়মের অভিযোগে উঠলে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হতে পারে। তার জন্যে ১ মাস আগে নোটিস দেওয়া হবে।

    কী করে আবেদন করবেন? 

    • যোগ্য প্রার্থীরা কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে সরাসরি বিদেশমন্ত্রকের অফিসে আবেদন করতে পারেন।
    • আবেদন পত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র, বয়সের প্রমাণপত্র, পরিচয়পত্র অ্যাটাচ করে জমা দিতে হবে।
    • আবেদন পত্রের খামের মাথায় বড় বড় করে লিখতে হবে “Application for the position of Consultant in CCCS Division of Ministry of External Affairs”। 
    • Under Secretary (PF&PG), Ministry of External Affairs, Room No. 4071, Jawaharlal Nehru Bhawan, 23-D, Janpath, New Delhi-110011 – এই ঠিকানায় পাঠিয়ে দিন আবেদনপত্রটি। 
  • Coal India Recruitment: ৪৮১ শূন্যপদে নিয়োগ কোল ইন্ডিয়ায়, জানুন বিস্তারিত

    Coal India Recruitment: ৪৮১ শূন্যপদে নিয়োগ কোল ইন্ডিয়ায়, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে রাষ্ট্রায়াত্ত সংস্থাগুলিতে ব্যাপকহারে নিয়োগ চলছে। এবার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল কোল ইন্ডিয়া (Coal India Recruitment 2022)। মোট শূন্য পদের সংখ্যা ৪৮১। ৮ জুলাই সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রক্রিয়াটি চলবে ৭ অগাস্ট রাত ১১:৫৯ অবধি। বেশ কয়েকটি পদে লোক নেবে কোল ইন্ডিয়া। ইচ্ছুক প্রার্থীরা এখনই আবেদন করতে পারেন। তার আগে বিষদে জেনে নিন এই চাকরির বিষয়ে। 

    পার্সোনেল এবং এইচআর (Personnel & HR): 

    শূন্যপদ: মোট ১৩৮ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক হওয়ার পাশাপাশি ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কমপক্ষে দু’ বছরের স্নাতকোত্তর বা পিজি ডিপ্লোমা থাকতে হবে।

    পরিবেশ (Environment): 

    মোট শূন্যপদ: ৬৮ টি পদে নিয়োগ করা হবে। 

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: পরিবেশ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি কোর্সে ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। 

    মেটেরিয়ালস ম্যানেজমেন্ট (Materials Management):   

    মোট শূন্যপদ: ১১৫ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় ইলেট্রিক্য়াল বা মেক্যানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হতে হবে। এর পাশাপাশি এমবিএ বা পিজি ডিপ্লোমা করতে হবে। এবং কমপক্ষে ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

    মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস (Marketing & Sales): 

    মোট শূন্যপদ: ১৭ টি পদে নিয়োগ করা হবে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৬০ শতাংশ নম্বরসহ মার্কেটিংয়ে দুবছরের এমবিএ বা পিজি ডিপ্লোমা থাকতে হবে।

    আরও পড়ুন: বিপুল সংখ্যক ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি নিয়োগ করতে চলেছে কোল ইন্ডিয়া, কীভাবে আবেদন করবেন?  

    কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (Community Development): 

    মোট শূন্যপদ: ৭৯ টি পদে নিয়োগ করা হবে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট বা রুরাল ডেভেলপমেন্ট বা কমিউনিটি অর্গানাইজেশনে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ নম্বরসহ স্নাতকোত্তর বা দুবছরের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ডিগ্রী থাকতে হবে। 

    এছাড়াও লিগ্যাল, পাবলিক রিলেশন, কোম্পানি সেক্রেটারির একাধিক শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। 

    বয়সসীমা :

    ৩১ মে অনুযায়ী আবেদনকারীর বয়স ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারে নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষিত প্রার্থীরা বয়সে ছাড় পাবেন।

    আবেদন ফি:

    জিএসটি চার্জ নিয়ে ১১৮০ টাকা আবেদন ফি জমা দিতে হবে প্রার্থীদের। তবে এসসি/এসটি/বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের আবেদন করতে কোনও টাকা লাগবে না।  

    আবেদনের শেষ তারিখ:

    ৭ অগাস্ট অবধি আবেদন করা যাবে। 

    আরও পড়ুন: জুনিয়র রিসার্চ ফেলো নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ডিআরডিওর, জানুন বিস্তারিত

    বেতন:

    মাসিক ৫০০০০ থেকে ১৬০০০০ টাকা অবধি বেতন পাবেন কর্মীরা। 

    কী করে আবেদন করবেন?

    • www.coalindia.in -এই লিঙ্কে গিয়ে আবেদন করতে হবে চাকরি প্রার্থীদের। 
    • ‘Career’ – এই লিঙ্কে যান। 
    • সেখান থেকে  ‘CIL >>>> Jobs’ – এই লিঙ্কে। 
    • অনলাইনে আবেদন করার সময় আবেদনকারীকে বেশ কিছু তথ্যের স্ক্যানড কপি জমা দিতে হবে। 
    • রঙিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি, কালো কালিতে সই, মাধ্যমিকে সার্টিফিকেট এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রীর প্রমাণপত্র স্ক্যান করে জমা দিতে হবে। 

     

     

  • Tax After Retirement : অবসরের পর কর কমাবেন কীভাবে?

    Tax After Retirement : অবসরের পর কর কমাবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেকের জীবনেই আসে অবসর(retirement)। সেই অবসর সময়ে আয় কমে গেলে সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় যে কোনও মানুষকেই। তাই অবসরের পর কর-দক্ষ আর্থিক পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। তা না হলে সঞ্চয়ের টাকা কর(Tax) দিতে দিতেই শেষ হয়ে যাবে।

    একটি বেসরকারি আর্থিক সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, যদিও এই ট্যাক্সগুলির বেশিরভাগই অনিবার্য, তবে একজনের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের(deposit) ওপর তাঁদের সামগ্রিক প্রভাব প্রশমিত করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন : আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন

    সঞ্চয়ের ভাঁড়ারে যাতে টান না পড়ে, সেজন্য কর-দক্ষ পদ্ধতিতে আর্থিক পরিকল্পনা করতে হয়। তাঁর মতে, আগাম পরিকল্পনা কোনও ব্যক্তির কর কমাতে সাহায্য করতে পারে। অবসর গ্রহণের জন্য ওই ব্যক্তির সঞ্চয়ের যথেষ্ট পরিমাণ ধরে রাখতেও সাহায্য করবে এই পরিকল্পনা।

    আরও পড়ুন :বিধাননগরে সম্পত্তি কর এক লাফে তিনগুণ! জেনে নিন নতুন হার

    তিনি বলেন, বর্তমান নিয়মের অধীনে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য মৌলিক ছাড়ের সীমা হল ৩ লক্ষ টাকা। আয়কর আইনের ধারা ৮৭ এ-র অধীনে ছাড়ের কারণে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করযোগ্য আয়ের জন্য একজনের কর দায় শূন্য হতেই পারে। তিনি বলেন, করযোগ্য আয়ের জন্য ৫ লক্ষ টাকা। এটি নির্দিষ্ট ধরণের কর-সঞ্চয় বিনিয়োগের পাশাপাশি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা যেতে পারে যার ওপর আয়কর আইনের ধারা ৮০ সি-এর অধীনে করছাড় দাবি করা যেতে পারে। এর মধ্যে একটি জীবন বীমা পলিসি, সিনিয়র সিটিজেন ফিক্সড ডিপোজিট, সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম ইত্যাদির অধীনে প্রিমিয়াম পেমেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ এই বিভাগের অধীনে উপলব্ধ করছাড়ে সর্বোচ্চ সীমা হল দেড় লক্ষ টাকা৷

    আরও পড়ুন : ছড়াচ্ছে নয়া ভাইরাস! সতর্কতা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, জরুরি বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যক্তি এমন বিনিয়োগে সঞ্চয় বিনিয়োগ করে অ-করযোগ্য আয় বাড়াতে পারে যা কর-দক্ষ রিটার্ন তৈরি করে এবং যার ওপর একজন ব্যক্তি করছাড় দাবি করতে পারে। ওই আধিকারিক বলেন, কোনও ব্যক্তি কর-সঞ্চয় অবসর পরিকল্পনায় সঞ্চয় বিনিয়োগ করে করমুক্ত আয়কে সর্বাধিক করতে পারে যা ইইই কর সুবিধা প্রদান করে এক লক্ষ টাকার লাভের ওপর ১০ শতাংশ কর সাপেক্ষে। অবশ্য এই ধরনের বিনিয়োগ তিনটি করছাড়ের জন্য যোগ্য, এক, বিনিয়োগ করা পরিমাণ করযোগ্য আয় থেকে বাদ দেওয়ার জন্য যোগ্য, দুই, চক্রবৃদ্ধি পর্বের সময় সঞ্চয় করপাসের ওপর অর্জিত সুদ কর-মুক্ত এবং তিন, বিনিয়োগ থেকে অর্জিত পরিপক্কতা মূল্যও প্রত্যাহারের সময় কর-মুক্ত।ইইই সুবিধা মূলত দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের উপকরণগুলির জন্য প্রযোজ্য। জীবন বীমা পরিকল্পনা, ইপিএফ এবং পিপিএফইক্যুইটি-লিঙ্কড সেভিংস স্কিম। তিনি বলেন, আমরা যদি দক্ষতার সঙ্গে পরিকল্পনা করি, তাহলে আমরা আমাদের উপার্জনের জন্য করের ক্ষতি না করেই আমাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি। 

  • Recruitment in Assam: একদিনে প্রায় ২৩ হাজার নিয়োগপত্র বিলি আসাম সরকারের 

    Recruitment in Assam: একদিনে প্রায় ২৩ হাজার নিয়োগপত্র বিলি আসাম সরকারের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিনে ২২,৯৫৮ যুবক-যুবতীকে চাকরির নিয়োগপত্র দিল বিজেপি (BJP) শাসিত আসাম (Assam) সরকার। গুয়াহাটির খানা পাড়ায় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) যুবক-যুবতীদের হাতে নিয়োগোপত্র (Appointment Letter) তুলে দেন। 

    আসাম বিধানসভা ভোটের (Assam Assembly election) আগে বিজেপি ক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্যে ১ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই লক্ষ্যেই ১১টি সরকারি দফতরে ২২,৯৫৮টি পদে নিয়োগ করা হল। খানাপাড়ার ভেটেরিনারি কলেজ প্রাঙ্গণে নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    [tw]


    [/tw]

    ৮,৮৬৭ জন চাকরি পেলেন আসাম পুলিশে, ১১,০৬৩ জন শিক্ষা দফতরে, ২,৪১৯ স্বাস্থ্য দফতরে, ৩৩০ জন জনস্বাস্থ্য এবং ইঞ্জিনিয়ারিং দফতরে। ১০৫ জন চাকরি পেলেন জলসম্পদ বিভাগে, ৬৯ জন জনকল্যাণ বিভাগে, ৫৫ জন কৃষি দফতর, ২৩ জন বন দফতর, ১৭ জন শ্রমিক কল্যাণ দফতরে বিমা স্বাস্থ্য আধিকারিক পদে, ৮ জন জনস্বাস্থ্য এবং কারিগরি দফতরে এবং ২ জন চাকরি পেলেন খনি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে।

    এর ফলে ভোটের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রায় ২৫%- পূরণেই সক্ষম হল আসাম সরকার। এই সপ্তাহেই ক্ষমতায় আসার এক বছর পূর্ণ করেছে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার।  এর আগেও ১২০০ চাকরি দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি আরও প্রায় ২৩,০০০ চাকরি দেওয়া হল। 

    [tw]


    [/tw]

    মার্চ মাসেই আরও ২৬,৪৪১ শূন্য পদের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। ১৩,১৪১ গ্রেড ৩ পদে এবং ১৩,৩০০ গ্রেড ৪ পদের জন্যে আবেদনপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে চাকরি প্রার্থীদের। আবেদন করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। 

    মার্চে অর্থমন্ত্রী অজন্তা নিয়োগ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, সরকার ইতিমধ্যেই ১,১৫৭ জনকে নিয়োগ করেছে। আরও ৮৪,২৪৪ শূন্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। 

    নিয়োগে কেন দেরি হল? সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “করোনা পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে সরকারের প্রায় ৫ মাস নষ্ট হয়েছে। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে আরও ৭০০০-৮০০০ পদে নিয়োগ করা হবে। জুলাইয়ের শেষে মোট ২৬,০০০ শূন্য পদে চাকরি দেওয়া হবে।”   

    চাকরি পেয়ে খুশি সবাই। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, চাকরি পেতে তাঁদের এক টাকাও ঘুষ দিতে হয়নি। স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে নিয়োগের প্রক্রিয়া। প্রসঙ্গত, প্রাক্তন কংগ্রেস সরকারের আমলে চাকরি পেতে বহু টাকা ঘুষ দিতে হত বলে অভিযোগ ছিল।

    গ্রেড ৩ এবং ৪ পদে নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দুটি পৃথক কমিশন গঠন করেছে আসাম সরকার। আগে বিভিন্ন দফতরের এই পদগুলিতে পৃথক পৃথকভাবে নিয়োগ করা হত। কিন্তু এখন সবটাই হবে কমিশনের নজরদারিতে।  

     

  • SSC: ক্যান্সার আক্রান্তকে চাকরির প্রস্তাব কলকাতা হাইকোর্টের

    SSC: ক্যান্সার আক্রান্তকে চাকরির প্রস্তাব কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার আক্রান্ত একজন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীকে কাজে নিয়োগ করা যায় কি না তা দেখার জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান এবং রাজ্য শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।  বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এ নিয়ে নিজে মামলা রুজু করেন।

    বিচারপতি ক্যান্সার আক্রান্ত ওই চাকরিপ্রার্থীকে জানান তাঁর নাম ওয়েটিং লিস্টে আছেন। ওয়েটিং লিস্টে নাম থাকা ব্যক্তি আদৌ চাকরি পাবে কি না, কেউ জানে না। আপনি এখনও অপেক্ষা করছেন কেন? অন্য কোনও পরীক্ষা দিয়ে চাকরির চেষ্টা করছেন না কেন?

    তিনি জানান, তাঁর চিকিসার জন্য ১২ লাখ টাকা প্রয়োজন। তাঁর থেকে অনেক অযোগ্য ব্যাক্তি চাকরি পেলেও তিনি এসএসসিতে চাকরি পাননি। তিনি অন্যত্র চাকরি করবেন না। 

    এরপরই বিচারপতি রাজ্য শিক্ষা দফতরকে ওই নির্দেশ দেন।

  • IT Return: আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন

    IT Return: আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়মতো আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) জমা করছেন না? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। একবছর পর থেকেই বেশি হরে কর (TDS) দিতে হবে আপনাকে। ১ এপ্রিল থেকে এই নিয়ম লাগু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন অর্থ আইন বিভিন্ন উৎস থেকে সঠিক আয়ের হিসেব রাখতে কর আদায়ের নিয়মে বদল এনেছে। অর্থ আইন ২০২১ অনুসারে, যদি কোনও করদাতার উৎসমূলে কাটা কর (TDS) বছরে ৫০ হাজার টাকার চেয়ে বেশি হয় ও গত ২ বছর তিনি টিডিএস না জমা দিয়ে থাকেন তবে ১ জুলাই থেকে আয়কর রিটার্ন জমা করার সময় তাঁকে বেশি হারে টিডিএস জমা করতে হত। এই হার সর্বোচ্চ দ্বিগুণ পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু এই অর্থবর্ষে নিয়মে দুবছরের সময় কমিয়ে এক বছর করেছে সরকার। 

    ১৯৬১ সালের আয়কর আইনের ২০৬ এবি ধারার অধীনে নতুন টিডিএস-এর হার হবে-আয়কর আইনের প্রাসঙ্গিক বিধানে থাকা নির্দিষ্ট হারের দ্বিগুণ বা বর্তমান হারের দ্বিগুণ বা পাঁচ শতাংশ হারে। টিসিএস-র ক্ষেত্রে আয়কর আইনের ২০৬ সিসিএ ধারার অধীনে থাকা হারের চেয়ে দ্বিগুণ বা ৫ শতাংশ হারে দিতে হবে কর।

    তবে বছরে ৫০০০০ টাকার কম যারা কর দেন তাঁদের ওপর প্রযোজ্য হবে না এই নিয়ম। প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তোলা বা বেতনের ক্ষেত্রে নতুন বিধি প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়াও লটারি, খেলা থেকে প্রাপ্ত অর্থও নতুন বিধির আওতায় আসবে না। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩১ ডিসেম্বর।

     

  • IAF Agnipath Recruitment: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    IAF Agnipath Recruitment: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারের অর্থাৎ ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের (Agnipath Scheme) আবেদন জমা করার তিন দিনের মধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) অফিসে জমা পড়ল ৫৬ হাজার ৯৬০টি আবেদন। রবিবার এই বিষয়টি বায়ুসেনার তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়। ট্যুইটে লেখা আছে ‘৫৬,৯৬০! অগ্নিপথ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতের ‘অগ্নিবীর’দের (Agniveer) তরফে এতগুলো আবেদন পাওয়া গেছে।‘

    [tw]


    [/tw]

    গত ১৪ জুন অগ্নিপথ প্রকল্পের ঘোষণা করে কেন্দ্র। এর পরেই একাধিক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় কেন্দ্র সরকারকে। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখায় যুবকরা। তার মধ্যেই ২৪ জুন থেকে অগ্নিপথ প্রকল্পের অধীনে ভারতীয় বায়ুসেনায় অগ্নিবীর নিয়োগের জন্য প্রথম প্রক্রিয়া শুরু হয় অনলাইনে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়সীমা ৫ জুলাই পর্যন্ত। রবিবার পর্যন্ত অগ্নিপথ নিয়োগ প্রকল্পের অধীনে ৫৬,৯৬০টি আবেদন জমা পড়েছে। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ভারতীয় সেনার, নিয়োগের প্রক্রিয়া কী?

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) এই অগ্নিপথ প্রকল্পের ঘোষণা করেন এবং এর অধীনে সমস্ত সেনাদের অগ্নিবীর (Agniveer) বলা হবে জানিয়েছেন তিনি। ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের অধীনে  স্থলসেনা, নৌসেনা ও বায়ুসেনা— এই তিন বিভাগেই আবেদন করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু তাঁদের সাড়ে ১৭ থেকে ২১ বছর বয়সিদের চার বছরের জন্য সেনায় নিয়োগ করা হবে। চার বছর পর তাঁদের মাত্র ২৫ শতাংশকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য সেনায় চাকরিতে নিয়োগ করা হবে। এই ঘোষণায় বিক্ষোভ শুরু হতেই বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ২১ থেকে ২৩ করে দেয় কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীর বায়ুর রেজিস্ট্রেশন শুরু, কীভাবে করবেন আবেদন?

    অগ্নিবীরদের বায়ুসেনাতে ভর্তি হতে হলে বিভিন্ন যোগ্যতার সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ। আগ্রহী অগ্নিবীরদের দশম শ্রেণীর ও দ্বাদশ শ্রেণীর সার্টিফিকেট দরকার ও সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমার ফাইনাল বছরের সার্টিফিকেটও লাগবে।

    বায়ুসেনাতে যোগদান করতে প্রথমে অনলাইন টেস্ট, অ্যাডাপটিবিলিটি টেস্ট দিতে হবে, এছাড়াও ফিজিক্যাল ফিটনেস দেখা হবে। এছাড়াও সরকার থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, অগ্নিবীরদের চাকরির মেয়াদ শেষ হলে তাঁদের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় আধা সামরক বাহিনী ও নিরাপত্তার বিভিন্ন বিভাগের চাকরিতে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলো তাঁদের পুলিশে চাকরির ক্ষেত্রেও বিশেষ সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন।

  • Life Insurance: মেয়াদী জীবনবিমা নাকি আজীবনবিমা কোনটা আপনার জন্যে বেশি লাভজনক?  

    Life Insurance: মেয়াদী জীবনবিমা নাকি আজীবনবিমা কোনটা আপনার জন্যে বেশি লাভজনক?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জীবনের যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে সুরক্ষা দেয় জীবনবিমা। বর্তমানে প্রায় প্রত্যেকেই জীবনবিমা করার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন। এক বা একাধিক জীবনবিমায় টাকা রেখে আমরা সবাই নিশ্চিন্ত হতে চাই। যেকোনও জীবনবিমায় টাকা রাখলেই তো হবে না, পরিশ্রমে অর্জিত টাকা রাখতে হবে ভেবেচিন্তে। জানতে হবে কোন জীবনবিমায় টাকা রাখলে আপনি সব থেকে বেশি লাভের টাকা ঘরে তুলতে পারবেন। 

    বাজারে বিভিন্ন রকমের জীবনবিমা রয়েছে। অনেক সময়ই আমরা বুঝতে পারি না কোথায় বিনিয়োগ করব। মেয়াদী জীবনবিমা, আজীবনবিমা, মানিব্যাক, এনডাওমেন্ট, শিশুদের জন্য বিমা, অবসরকালীন সময়ের জন্য বিমা — এরকম আরও বহু বিমার কথা আমরা অহরহ শুনতে পাই।   

    মেয়াদী বিমায় (Term Life Insurance) পলিসিহোল্ডারের মৃত্যুতে নমিনি একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পান। কিন্তু পলিসিহোল্ডার বিমার মেয়াদ পেরনো অবধি জীবিত থাকলে তিনি কোনও টাকা পাবেন না। এই সমস্যার সমাধান করতে বহু বিমা কোম্পানি এই বিমার সঙ্গে টাকা ফেরত পাওয়ার সুবিধা যুক্ত করেছে। তাতে কিছু বাড়তি টাকা গুনতে হবে পলিসিহোল্ডারকে। 

    এনডওমেন্ট বিমায় (Endowment Insurance) পলিসিহোল্ডার মৃত্যুর পর টাকা তো পাওয়াই যাবে, উপরন্তু সঞ্চয়ের সুযোগও করে দেয় এই বিমা। বিমার মেয়াদের শেষে মোটা অঙ্কের একটি টাকা পান পলিসিহোল্ডার। বিশেষজ্ঞদের মতে যাদের খরচার হাত বেশি এবং একদম সঞ্চয় করতে পারেন না তাদের জন্যে আদর্শ এই বিমা।  

    আজীবনবিমায় (Whole Life Insurance) ১০০ বছরের কভারেজ পান পলিসিহোল্ডার। নির্দিষ্ট সময় অবধি প্রিমিয়াম জমা দিতে হয়। তারপরে আজীবনের জন্যে সুরক্ষিত পলিসিহোল্ডার। ধরুন, কেউ যদি প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা করে প্রিমিয়াম দিয়ে একটি ১৫ লক্ষ টাকার বিমা করেন। তাহলে তার প্রথম দিন থেকেই ১৫ লক্ষ টাকা সঞ্চয় নিশ্চিত। তারপরে বছর বছর সেই টাকার অঙ্ক বাড়তে থাকে। 

    প্রতিটি বিমারই কিছু সুবিধে কিছু অসুবিধে রয়েছে। তাই আপনার কী প্রয়োজন সেটা আপনাকেই বুঝতে হবে আর সেইমতো বিমা নির্বাচন করতে হবে।  

     

  • H1B Visa: এইচওয়ানবি ভিসা হোল্ডারদের স্ত্রীদের ‘কাজের অধিকার’ নিয়ে বিল পেশ আমেরিকায়

    H1B Visa: এইচওয়ানবি ভিসা হোল্ডারদের স্ত্রীদের ‘কাজের অধিকার’ নিয়ে বিল পেশ আমেরিকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিসা নীতি সরলীকরণ করতে চলেছে আমেরিকা। এইচওয়ানবি ভিসা হোল্ডারদের স্ত্রীদের ‘কাজের অধিকার’ নিয়ে মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টিভস (House of Representatives)-এ পেশ হয়েছে নতুন এক বিল। যেখানে বলা হয়েছে, এইচ ফোর (H-4) ভিসা হোল্ডারদের কাজের অধিকারের কথা। এই ভিসা হোল্ডাররা এইচওয়ান বি (H-1B visa), এইচ টু এ (H-2A), এইচ টু বি (H-2B), এইচ থ্রি (H-3 visa) ভিসা হোল্ডারদের ওপর নির্ভর করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পা রাখেন। অর্থাৎ ভিন দেশ থেকে আসা এই ভিসা হোল্ডারদের (visa holder)সন্তান ও স্ত্রীরা যাতে মার্কিন মুলুকে গিয়ে কাজের অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তার পক্ষে সওয়াল করেছে এই বিল।
    মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টিভে এই বিল পেশ করেছেন দুই কংগ্রেসের প্রতিনিধি মহিলা। উল্লেখ্য, বর্তমানে  এইচওয়ান ফোর ভিসা হোল্ডারদের মধ্যে কয়েকটি ক্যাটোগোরির ভিসা প্রাপকরাই কেবল এম্প্লয়মেন্ট অথরাইজেশন ডক্যুমেন্ট পেতে পারেন। H-4 Work Authorization Act নামাঙ্কিত এই বিল বর্তমান নিয়মকে কিছুটা পাল্টে দেওয়ার কথা বলেছে। যাতে এইচওয়ান বি ভিসার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের স্ত্রী বা স্বামীরা এইচফোর ভিসা পেয়ে মার্কিন মুলুকে চাকরি করার ‘স্বয়ংক্রিয়’ অধিকার পেয়ে যান, তার পক্ষে সওয়াল করছে এই নতুন আইনের প্রস্তাব। এই প্রস্তাব পাশ হলে, Form I-765 এর জন্য আবেদন এইচওয়ান বি ভিসা হোল্ডারদের স্ত্রী বা স্বামীকে না করলেও চলবে।

     

  • Open Classroom at Ganga Ghat: গঙ্গার ঘাটে মুক্ত পাঠশালা, বিনামূল্যে প্রস্তুতি চলছে চাকরির জন্য  

    Open Classroom at Ganga Ghat: গঙ্গার ঘাটে মুক্ত পাঠশালা, বিনামূল্যে প্রস্তুতি চলছে চাকরির জন্য  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে, বিহারের (Bihar) রাজধানী পাটনায় (Patna) গঙ্গার ঘাটে (Ganga Ghat) কয়েক মাস ধরে শনি ও রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সমাগম ঘটছে পড়ুয়াদের। ঘাটের সিঁড়িতে একরকম ঠাসাঠাসি করে বসেই চলছে ক্লাস (Open classroom)। কারুর কোলে খাতা তো কারুর  চাতালের উপর।  একটানা লিখে যাচ্ছে শয়ে শয়ে ছেলে-মেয়ে।

    গঙ্গার ঘাটে পড়ুয়াদের এই সমাগমের নেপথ্যে রয়েছেন শিক্ষক এস কে ঝা (S K Jha)। নিজের অর্জিত শিক্ষাই অকাতরে বিলিয়ে চলেছেন ৩০ বছরের এই যুবক। আর শুধু নিজে নন, সমমনস্ক জনা তিরিশের একটি দলও জুটিয়ে ফেলেছেন তিনি। সকলে মিলে গঙ্গার ঘাটেই খুলে বসেছেন পাঠশালা।

    অনলাইন শিক্ষার যুগে সেই পাঠশালায় ভিড়ও করছেন শয়ে শয়ে ছেলেমেয়ে। শুধু পাটনা বা বিহার নয়, সীমান্ত লাগোয়া উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড তো বটেই, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ এমনকি রাজস্থান থেকেও সেই পাঠশালায় নাম লিখিয়েছেন অনেকে। ক্লাস শুরু হয় সকাল ৬টা নাগাদ। কিন্তু ভোর ৪ টেতেও পৌঁছে যান অনেকে। গোল হয়ে বসে চলে গ্রুপ স্টাডি। স্কুল বা কলেজের পড়াশোনা নয়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় (Competitive Exams) পাশ করে চাকরি জোটানোর পড়াশোনাই (study for govt jobs) করে তারা। পরস্পরকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করার তাগিদ রয়েছে এই পড়ুয়াদের মধ্যে।

    দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা ছেলেমেয়েদেরই এই পাঠশালার কৃতিত্ব দিচ্ছেন শিক্ষক এস কে ঝা। তিনি জানিয়েছেন, ক্লাস করতে যাঁরা আসেন, অধিকাংশই হয় রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড (RRB) অথবা স্টাফ সিলেকশন কমিশনে (SSC) চাকরি প্রার্থী (job aspirants)। নন টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরি (NTPC) পরীক্ষায় প্রথম ধাপ উতরে গিয়েছেন। পরের ধাপের পরীক্ষার কোনও হাল-হদিশ নেই। তাই বলে প্রস্তুতিতেও ফাঁক রাখা যায় না। কিন্তু পয়সা খরচ করে কোচিং নেওয়ার সাধ্য নেই কারও। তাই দূরে হলেও, বিনে পয়সার পাঠশালাতেই ভিড় করেন সকলে।

    শনি-রবি, সপ্তাহে এই দু’দিন ক্লাস বসে। ৩০-৩৫ জনের একটি দল রয়েছে। সপ্তাহভর পরিশ্রম করে প্রশ্নপত্র তৈরি করেন তাঁরা। ৯০ মিনিটের পরীক্ষা। ১২০টি প্রশ্ন। তা লিখতেই সপ্তাহে দু’দিন ১২০০-১৪০০ ছেলেমেয়ে ভিড় করেন। তাতে পরীক্ষার প্রস্তুতিও যেমন সারা হয়, আবার কোথাও আটকে গেলে জেনে নেওয়া হয় সমাধানও। 

     

LinkedIn
Share