Category: জীবিকা

Get updated Profession related and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • 7th Pay Commission: সর্বাধিক ৩% বাড়তে পারে HRA, TA! জোড়া ভাতা বৃদ্ধিতে হাসি ফুটবে সরকারি কর্মীদের মুখে

    7th Pay Commission: সর্বাধিক ৩% বাড়তে পারে HRA, TA! জোড়া ভাতা বৃদ্ধিতে হাসি ফুটবে সরকারি কর্মীদের মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মুখে হাসি ফুটিয়ে ৩ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বাড়ানো হয়। সূত্রের খবর, এবার অন্যান্য ভাতাও বাড়াতে পারে কেন্দ্র। 
    সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ডিআর (DR) বাড়ানো হয়েছে তিন শতাংশ। যা ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। আর এবার শীঘ্রই হাউজ রেন্ট অ্যালাওয়েন্স (HRA)বাড়ানো হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের হাউজ রেন্ট অ্যালাউন্সে সংশোধন করা হয় মহার্ঘ ভাতার ভিত্তিতে। গতবছর জুলাইতে মহার্ঘ ভাতার পাশাপাশি বেড়েছিল এইচআরএ। বর্তমানে ২৭, ১৮, ৯ শতাংশ হারে এইচআরএ পান সরকারি কর্মচারীরা। সর্বাধিক এইচআরএ হার ২৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হতে পারে। যাদের ভাতা ১৮ শতাংশ তারা ২০ শতাংশ হারে এইচআরএ পাবেন। এবং যাদের এইচআরএ ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে দশ শতাংশ করে হবে।উল্লেখ্য, এইচআর-এর ক্ষেত্রে তিনটি ভাগে শহরগুলিকে ভাগ করা হয়েছে। এই ক্যাটেগোরির নিরিখে এইচআরএ দেওয়া হয়।  X ক্যাটাগরির শহরের বাসিন্দা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২৭ শতাংশ এইচআরএ, Y ক্যাটাগরির জন্য ১৮ শতাংশ ও Z ক্যাটেগরির জন্য ৯ শতাংশ এইচআরএ দেওয়া হয়ে থাকে। এদিকে যাতায়াত ভাতা বা ট্রানসপোর্ট অ্যালাওয়েন্সও বাড়তে পারে সরকারি কর্মীদের।  বেতন ম্যাট্রিক্স স্তরের ভিত্তিতে ভ্রমণ ভাতা তিনটি বিভাগে বিভক্ত। শহরের ক্ষেত্রে দুটি ভাগ রয়েছে। শহরের জনসংখ্যার ভিত্তিতে এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। মহার্ঘ ভাতা ৩৪ শতাংশ হলে ভ্রমণ ভাতা বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার। বর্তমানে TPTA শহরগুলিতে, TPTA লেভেল ১ থেকে ২-এর জন্য ১৩৫০ টাকা, লেভেল ৩ থেকে ৮ কর্মীদের জন্য ৩৬০০ টাকা এবং লেভেল ৯ কর্মীদের জন্য ৭২০০ টাকা দেওয়া হয়৷ 

  • Jobs: ভারতে এপ্রিলেই কাজে যোগ ৮৮ লক্ষ মানুষের!

    Jobs: ভারতে এপ্রিলেই কাজে যোগ ৮৮ লক্ষ মানুষের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল এপ্রিল মাসেই ভারতে কাজে যোগ দিয়েছেন প্রায় ৮৮ লক্ষ (India adds 88 lakh jobs)। অতিমারী-পর্ব কাটিয়ে ওঠার পর এক মাসে একসঙ্গে এত মানুষ কাজে ফিরেছেন। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র (centre for monitoring Indian Economy) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্যের উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও কাজের চাহিদা অনুযায়ী এটা পর্যাপ্ত নয় বলেও দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।  

    কোভিড (covid)অতিমারীর আকার নেওয়ার পর দেশে দেশে শুরু হয় লকডাউন (Lockdown)। করোনার বাড়বাড়ন্ত রুখতে ভারতেও হয় লকডাউন। লকডাউন পর্বে কাজ হারান বহু মানুষ। জীবিকা নির্বাহ করতে বেছে নেন অন্য কোনও পেশা। সম্প্রতি মারণ ভাইরাস করোনার আগ্রাসন রুখে দিতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। তার জেরে অতিমারী পর্ব কাটিয়ে ক্রমেই ছন্দে ফিরছে ভারত (India)। প্রত্যাশিতভাবেই খুলেছে কাজের বাজারও। পুরানো কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন বহু মানুষ। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও মহেশ ব্যাস বলেন, ভারতের শ্রমশক্তি এপ্রিল মাসে ৮.৮ মিলিয়ন বেড়ে ৪৩৭.২ মিলিয়ন হয়েছে, যা অতিমারী শুরুর পর থেকে সব চেয়ে বড় মাসিক বৃদ্ধির মধ্যে একটি।

    আরও পড়ুন : মেয়াদী জীবনবিমা নাকি আজীবনবিমা কোনটা আপনার জন্যে বেশি লাভজনক?

    সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৮০ লক্ষ কর্মীর মতো বড় সংযোজন তখনই সম্ভব কারণ অতিমারীর ফলে একাংশ মানুষ যাঁদের কর্মে সাময়িক বিরতি পড়েছিল, এপ্রিল মাসে তাঁরা ফের নিজ কর্মে ফিরে এসেছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে,  কর্মসংস্থানের সংখ্যা প্রতি মাসে দু লাখের বেশি বাড়তে পারে না। তাই কর্মসংস্থানের আকস্মিক বৃদ্ধি বোঝায় যে যাঁদের চাকরিতে ছেদ পড়েছিলতাঁরা কর্মস্থলে ফিরে এসেছেন।

    লক্ষ্যণীয় যে, এপ্রিল মাসে ৮৮ লক্ষ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পূর্ববর্তী তিন মাসে ১২ লক্ষ হ্রাসের পরে আসে বলেও দাবি করা হয়েছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি-র রিপোর্টে। কোন কোন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বেড়েছে? রিপোর্টে মিলেছে তারও তথ্য। এপ্রিল মাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে শিল্প ও সেবা খাতে। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, শিল্পে ৫৫ লক্ষ চাকরি এবং পরিষেবা খাতে যোগ হয়েছে ৬৭ লক্ষ চাকরি। শিল্পের মধ্যে আবার উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ৩০ লক্ষ। নির্মাণ শিল্পে কাজের সুযোগ হয়েছে ৪ কোটির। কৃষিক্ষেত্রে ৫২ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

     

  • Sukanya Samriddhi Yojana: সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় বড় বদল, বিনিয়োগ করার আগে দেখে নিন

    Sukanya Samriddhi Yojana: সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় বড় বদল, বিনিয়োগ করার আগে দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় (Sukanya Samriddhi Yojana) বিনিয়োগ করা সবচেয়ে ভাল বিকল্প মনে করা হয় ৷ মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা,বিয়ে ইত্যাদির জন্য এই যোজনায় ইনভেস্ট করে বড় টাকার ফান্ড জমিয়ে ফেলতে পারেন ৷ এই যোজনায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে যুক্ত করার তাগিদে মোদি সরকারের তরফে বেশ কিছু বদল করা হয়েছে ৷
    এই যোজনায় আপনার মেয়ে ২১ বছর হতেই লক্ষপতি হতে পারে ৷ এখানে বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই নতুন যে বদলগুলি করা হয়েছে সেগুলি জেনে নিন ৷

    কী কী বদল করা হয়েছে –

    ১. সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় ইনভেস্ট করা বাবা-মায়েরা প্রথম দুই মেয়ের ক্ষেত্রে কর ছাড়ের সুবিধা পাবেন ৷ এবার এতে বদল করে জানানো হয়েছে যে তৃতীয় মেয়ের ক্ষেত্রেও এই সুবিধা মিলবে ৷
    ২. আগের নিয়ম অনুযায়ী, ১০ বছর হতেই মেয়েরা তাদের অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারত ৷ তবে এবার ১৮ বছরের বয়স হওয়ার পরই এই সুবিধা মিলবে ৷ মেয়ের ১৮ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত বাবা-মা বা অভিভাবকেরা অ্যাকাউন্ট অপারেট করতে পারবেন ৷
    ৩. আগের নিয়ম অনুযায়ী, কমপক্ষে ২৫০ টাকা প্রতি বছর এই অ্যাকাউন্টে জমা না করলে অ্যাকাউন্ট ডিফল্ট হয়ে যাবে ৷ কিন্তু এখন আর তা হবে না ৷ ম্যাচিউরিটি পর্যন্ত যত টাকা জমা থাকবে তার উপরেই সুদ দেওয়া হবে ৷
    ৪. ম্যাচিউরিটির আগে মেয়ের মৃত্যু হলে বা ঠিকানা বদলালে এই যোজনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে ৷ অভিভাবকের মৃত্যুর ক্ষেত্রেও অ্যাকাউন্ট আগে বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে ৷
    সুকন্য সমৃদ্ধি যোজনায় এখন পর্যন্ত ৭.৬ শতাংশ বার্ষিক সুদ পাওয়া যায় ৷ পোস্ট অফিস বা ব্যাঙ্কে গিয়ে এই যোজনায় অ্যাকাউন্ট খোলা যেতে পারে ৷ এখানে বিনিয়োগকারীরা বছরে ১.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড় পেয়ে থাকেন ৷

  • Atal Pension Yojana (APY): অসংগঠিত ক্ষেত্রে চাকরি করলে নিশ্চিত করুন অবসরকালীন পেনশন

    Atal Pension Yojana (APY): অসংগঠিত ক্ষেত্রে চাকরি করলে নিশ্চিত করুন অবসরকালীন পেনশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে এবং স্বেচ্ছায় তাঁদের অবসরের জন্য সঞ্চয় করতে ‘অটল পেনশন যোজনা’ চালু করা হয়।
    বার্ধক্যকালীন রোজগার বা অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের অবসরকালীন অবস্থায় নিরাপত্তা নিয়ে ভারত সরকার বরাবরই উদ্বিগ্ন। সেই কারণে বার বার বাজেটে উঠে এসেছে একাধিক প্রকল্পের কথা। যে প্রকল্পগুলি অবসরকালীন অবস্থায় দেশের নাগরিকদের আর্থিক দিক থেকে নিরাপত্তা প্রদান করতে পারবে। এই লক্ষ্যেই সব ভারতীয়, বিশেষ করে অসংগঠিত ক্ষেত্রের নাগরিকদের বীমা এবং পেনশনের দিকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৫-১৬ সালের বাজেটে তৎকালীন সরকার ‘অটল পেনশন যোজনা’ সংক্ষেপে এপিওয়াই (APY) চালু করার কথা ঘোষণা করে।
    এই পেনশন প্রকল্পটি ২০১৫ সালে আগের ‘স্বাবলম্বন’ প্রকল্পের বদলে চালু করা হয়। মাসিক অবদানের ভিত্তিতে অর্থ জমা দিলে কোনও নাগরিক ৬০ বছর বয়সে পৌঁছনোর পরে তাঁকে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের নিশ্চয়তা দেয় এই প্রকল্প। বলা যেতে পারে, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে এবং স্বেচ্ছায় তাঁদের অবসরের জন্য সঞ্চয় করতে ‘এপিওয়াই’ যোজনা চালু করা হয়। অটল পেনশন যোজনা পেনশন তহবিল নিয়ন্ত্রক এবং উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (পিএফআরডিএ) দ্বারা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত।

  • JIS group: দুধের ব্যবসায় ১৫০ কোটি বিনিয়োগ রাজ্যের সংস্থার, কাজ ৫৫০ জনের 

    JIS group: দুধের ব্যবসায় ১৫০ কোটি বিনিয়োগ রাজ্যের সংস্থার, কাজ ৫৫০ জনের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের (Milk and Milk Product) খুচরো ব্যবসায় পা রাখল রাজ্যের জেআইএস গোষ্ঠী (JIS Group)। সংস্থার দাবি, এর জন্য প্রথম পর্যায়ে ১৫০ কোটি টাকা লগ্নি করছে তারা। তাদের ওই প্রকল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মিলিয়ে প্রায় ৫৫০ জনের কর্মসংস্থান হবে। সরাসরি চাকরি পাবেন ১৫০ জন। গত ১৫ এপ্রিল তাদের ব্র্যান্ডের দুধ বাজারে এসেছে। জেআইএস গোষ্ঠী শিক্ষা পরিষেবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হিসেবে পরিচিত হলেও, ১৯৫৩ সাল থেকেই দুধের ব্যবসায় রয়েছে তারা। তবে এত দিন তারা খুচরো ব্যবসা সংস্থাগুলিকে দুধ সরবরাহ করত। এ বার নিজেরাই দুধের খুচরো ব্যবসা শুরু করল। শীঘ্রই পনির,দই-সহ বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য বাজারে আসবে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।
    সংস্থার ডিরেক্টর আনমোল সিংহ নেরুলার দাবি, ‘‘আমাদের গোষ্ঠীর আওতায় শিক্ষা পরিষেবা, টেলি যোগাযোগ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, পণ্য পরিবহণ, পরিকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ইত্যাদি ব্যবসা রয়েছে। কিন্তু আমার পূর্ব পুরুষেরা পঞ্জাবের লুধিয়ানায় দুধের ব্যবসা দিয়েই ব্যবসার জগতে পা রেখেছিলেন। পরে তা হরিয়ানা এবং পশ্চিমবঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে।’’ তিনি আরও জানান, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের ব্যবসার জন্য হাওড়ায় একটি কারখানা তৈরি করেছেন তাঁরা। সেখান থেকেই বোতলবন্দি করে বাজারে দুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।
    জেআইএস কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, তাঁদের ডানকুনির প্রকল্পে দিনে ৫০০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। তা এত দিন বিভিন্ন সংস্থাকে সরবরাহ করা হত। এ বার নিজেদের ব্র্যান্ডের নামে তা সরাসরি বাজারে বিক্রি করছেন তাঁরা। সংস্থার বিপণন বিভাগের দুই কর্তা চিরন্ময় চট্টোপাধ্যায় এবং সুমিত দেব বলেন, ‘‘আপাতত কলকাতার মধ্যেই ব্যবসা সীমাবদ্ধ রাখা হবে। শহরের ৩৬০০টি দোকানে আমাদের পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে রাজ্যের অন্য জেলাগুলিতে ব্যবসা ছড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’’

  • Job Notification: ১৩০ শূন্যপদে চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের, কীভাবে আবেদন করবেন? 

    Job Notification: ১৩০ শূন্যপদে চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের, কীভাবে আবেদন করবেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩০ শূন্যপদে  চ্যুক্তিভিত্তিক চাকরির (Contractual Job) বিজ্ঞপ্তি জারি করল কেন্দ্রীয় শ্রম এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রক (Ministry of Labour and Employment)। শুরুতে ২ বছরের চ্যুক্তিতে চাকরিতে নিয়োগ করা হবে, পরবর্তীতে ৫ বছর অবধি চাকরির সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।   

    যোগ্য প্রার্থীরা শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া লিঙ্কে www.ncs.gov.in ক্লিক করে আবেদন করতে পারেন। গুগল থেকেই এই লিঙ্কে গিয়ে আবেদন করতে হবে, এমনটাই বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।  

    আবেদন জমা করার শেষ দিন ২২ জুন, ২০২২। 

    শূন্য পদের সংখ্যা: ১৩০ 

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: আবেদনকারীকে স্নাতক পাশ হতে হবে এবং চার বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে (বিএ, বিই, বিটেক, বিএড)। অথবা স্নাতকোত্তর পাশ (এমবিএ, বা ইকোনমিক্স, সাইকোলজি, সোসিওলজি, অপারেশন রিসার্চ, স্ট্যাটিস্টিক্স, সোশ্যাল ওয়ার্ক, ম্যানেজমেন্ট, ফিন্যান্স, কমার্স, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন স্নাতকোত্তর পাশ হতে হবে)  এবং ২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে আইন মেনে হচ্ছে না ১০০ দিনের কাজ 

    বয়সসীমা: এই শূন্যপদগুলিতে আবেদন করার জন্যে ০৮/০৬/২০২২- এর মধ্যে সর্বনিম্ন বয়স ২৪ এবং সর্বোচ্চ বয়স ৪০ হতে হবে। কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী বয়সে ছাড় থাকবে। 

    বেতন: প্রতি মাসে বেতন সমস্ত কর যোগ করে ৫০,০০০ টাকা।

    পোস্টিং: গোটা দেশে যেকোনও জায়গাতেই হতে পারে পোস্টিং। এছাড়া প্রার্থীর পছন্দের জায়গাকেও গুরুত্ব দেবে এনআইসিএস, ডিজিই। 

    দেশে বছর বছর কর্মসংস্থানের হার ৪০% করে বেড়েছে। এমনটাই জানা গেছে কর্মসংস্থান সাইট নকরি ডটকমের ইনডেক্সে। করোনার কারণে ২০২১-এ কর্মসংস্থান যেভাবে হ্রাস পেয়েছিল, সেই অবস্থা অনেকটাই উন্নীত হয়েছে ২০২২ সালে। বিশেষ করে পর্যটন, হোটেল, রিটেল, রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায় বেকারত্বের হার অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। 

    পর্যটনে কর্মসংস্থান ৩৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। রিটেল এবং রিয়েল এস্টেটে যথাক্রমে ১৭৫ এবং ১৪১ শতাংশ। বিমা সংস্থাগুলিতেও ১২৬ শতাংশ কর্মসংস্থান বেড়েছে। ব্যাঙ্কে ১০৪ শতাংশ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ৮৬ শতাংশ বেড়েছে কর্মসংস্থানের (Employment) হার।  

     

     

     

  • Jobless: হতাশ হয়ে চাকরি খোঁজাই ছেড়ে দিচ্ছেন অর্ধেক ভারতীয়

    Jobless: হতাশ হয়ে চাকরি খোঁজাই ছেড়ে দিচ্ছেন অর্ধেক ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পছন্দের বা নিজের জীবনযাপন পদ্ধতির জন্য উপযুক্ত চাকরি না পাওয়ায় ক্রমেই হতাশ হয়ে পড়ছেন ভারতীয়েরা। গত কয়েক বছরের মধ্যে লাখ লাখ ভারতীয় এই কারণে কাজের জগত থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছেন। বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে এই প্রবণতা আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়েছে। মুম্বাইয়ের বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি প্রাইভেট লিমিটেডের (সিএমআইই) গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে। বহু মানুষ আর কাজ খুঁজছেন না।

    অথচ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত সম্প্রসারণশীল অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ভারত। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধির চাকা চালু রাখতে ভারত তরুণ কর্মীদের ওপরই বাজি ধরেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান সেই সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ভুল বার্তা দিচ্ছে। 

    মুম্বাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির গবেষণায় উঠে এসেছে, ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে সামগ্রিকভাবে কাজে অংশগ্রহণের হার ৪৬ শতাংশ থেকে কমে ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে। এই সময়ের মধ্যে কাজের জগত থেকে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ কর্মী হারিয়ে গেছে! কর্মক্ষম জনশক্তির মাত্র ৯ শতাংশ এখন কাজে নিযুক্ত বা আরও ভালো চাকরির সন্ধানে আছেন। 

    সিএমআইইর হিসাবে, ভারতের আইন অনুযায়ী যাদের কর্মক্ষম ধরা হয় সেই জনসংখ্যা এখন ৯০ কোটি। এই সংখ্যাটি কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া মিলিয়ে মোট জনসংখ্যার সমান। এর অর্ধেক মানুষ আর চাকরি খুঁজছেন না। 

    বেঙ্গালুরুতে সোসাইট জেনারেল জিএসসি প্রাইভেট লিমিটেডের অর্থনীতিবিদ কুনাল কুন্ডু বলেন, “নিরুৎসাহিত কর্মীদের সংখ্যা বেশ বড়।” কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভারতের  প্রতিকূলতা স্পষ্ট এবং ভালোভাবে নথিভুক্ত। জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সের মধ্যে। অদক্ষ শ্রমিকের বাইরে প্রতিযোগিতা মারাত্মক। সরকারে স্থিতিশীল পদগুলোতে নিয়োগের জন্য নিয়মিত লাখ লাখ আবেদন পড়ে। শীর্ষ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলগুলোতে প্রবেশের পথ কার্যত অত্যন্ত অনিশ্চিত। 

    ম্যাককিনসে গ্লোবাল ইনস্টিটিউট ২০২০ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদন অনুসারে, যুবসমাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য ভারতকে ২০৩০ সালের মধ্যে অ-কৃষি খাতে কমপক্ষে ৯ কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। 

    চাকরি ছেড়ে দিয়ে বেকার হয়ে যাওয়ার তরুণদের মধ্যে একজন শিবানী ঠাকুর (২৫)। সম্প্রতি হোটেলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন কারণ, সেখানে কর্মঘণ্টার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। শিবানী বলেন, ‘আমি এখন প্রতিটি পয়সার জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল।’ 

    যদিও অর্থনীতি উদারীকরণের দিক থেকে দারুণ অগ্রগতি করেছে ভারত। অ্যাপল, আমাজন-এর মতো জায়ান্টদের আকর্ষণ করতে পেরেছে। এখন এই পরিস্থিতিতে ভারতের নির্ভরতা অনুপাত (পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ও সদস্য সংখ্যার অনুপাত) শীঘ্রই বাড়তে হবে। 

    অবশ্য কর্মশক্তির এই অংশগ্রহণ প্রত্যাহারের একাধিক ব্যাখ্যা থাকতে পারে। বেকার ভারতীয়রা মূলত শিক্ষার্থী বা গৃহিণী। তাদের অনেকেই ভাড়া থেকে আয়, পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের পেনশন বা সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতার পেছনের কারণগুলো নিরাপত্তা বা পরিবারে তাদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতা সম্পর্কিত। 

LinkedIn
Share