Category: জীবিকা

Get updated Profession related and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sunderbans Mangrove Forests: ৫ লাখেরও বেশি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ! সুন্দরবনের রক্ষক দৃষ্টিহীন আকুল

    Sunderbans Mangrove Forests: ৫ লাখেরও বেশি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ! সুন্দরবনের রক্ষক দৃষ্টিহীন আকুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে (Sunderbans Mangrove Forests) বাঁচাতে ১৯ বছর ধরে উদ্যোগী আকুল বিশ্বাস। তিনি একজন অন্ধ মানুষ। ২০০৫ সাল থেকে রোপণ করেছেন ৫ লাখেরও বেশি ম্যানগ্রোভের চারা। গড়ে তুলেছেন ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’। যেখানে ২০০-রও বেশি মহিলা নিয়োজিত রয়েছেন ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে বাঁচাতে। সারা পৃথিবীতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিশ্ব উষ্ণায়নের সমস্যা। এরপরে ব্যাপকভাবে বনাঞ্চল নিকেশের কাজও পরিবেশের ভারসাম্যকে নষ্ট করছে। ঠিক এই আবহে সুন্দরবনের মানুষদের এমন পরিবেশ আন্দোলন সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র অন্যতম সদস্য কল্পনা সর্দারের মতে, ‘‘অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে চারা গাছ রোপন করা হয়। প্রতিটি সদস্য প্রায় দু’ঘণ্টা করে সময় দেন এবং ২০০ থেকে ২৫০টি চারা রোপন করা হয়।’’ কল্পনা সর্দার নিজেও ২০২১ সাল থেকে ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র সদস্য। তিনি নিজের হাতে কয়েক হাজার ম্যানগ্রোভ চারা রোপন করেছেন বলে জানিয়েছেন।

    ২৩ গ্রামে শাখা রয়েছে ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র  

    ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’ ২৩টি গ্রাম জুড়ে তাদের শাখা বিস্তার করেছে। সংস্থার প্রধান আকুল বিশ্বাসের মতে, ‘‘এমন বনাঞ্চল বৃদ্ধির কাজের ফলে বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড় অনেকটাই প্রতিরোধ করতে পেরেছি আমরা।’’ প্রসঙ্গত, ম্যানগ্রোভ অরণ্য ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রাকৃতিক বাঁধ হিসেবে কাজ করে। নদীর বাঁধগুলিকে সুরক্ষিত রাখে (Sunderbans Mangrove Forests)। কারণ তাদের শিকড় একেবারে মাটির নিচে থাকে। ভূমিধসকে প্রতিরোধ করে।

    প্রথমে বাচ্চাদের নিয়ে কাজ শুরু করেন আকুল বিশ্বাস

    প্রসঙ্গত, সুন্দরবনের এই অঞ্চলে বেশিরভাগ মানুষই তফশিলি সম্প্রদায়ের এবং তাঁরা ১৯৫৭ সাল থেকে এখানে উদ্বাস্তু হয়ে বসতি গড়েছেন। আকুল বিশ্বাস বলেন, ‘‘আমাদের পূর্বপুরুষরা ১৯৫২ সালেই খুলনা থেকে ভিটেমাটি ছাড়া হয়েছিলেন এবং বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে ঘোরার পরে ১৯৫৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর বিধান চন্দ্র রায় আমাদের এখানে বসতি গড়তে দিয়েছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, ম্যানগ্রোভ অরণ্যের চারা রোপনের এমন কাজ আকুল বিশ্বাসরা ২০০৫ সাল থেকেই করছেন অর্থাৎ ১৯ বছর ধরে তাদের এই কাজ চলছে। সে সময়ে কয়েকজন বাচ্চাকে নিয়ে বিদ্যাধরী নদীর ধারে তিনি এই কাজ শুরু করেন এরপরে ধাপে ধাপে তাঁর সংস্থার সদস্য সংখ্যা বাড়তে থাকে।

    স্থানীয় এক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রঞ্জন মন্ডল কী জানালেন 

    ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র প্রচেষ্টাতে ২০২১ সালে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বিপর্যয় অনেকটাই হালকা হয়েছে। কারণ ম্যানগ্রোভ চারা রোপনের ফলে কোনও রকমের বাঁধ ভাঙেনি এবং উপকূলীয় গ্রাম প্লাবিত হয়নি স্থানীয় অঞ্চলটির। স্থানীয় এক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রঞ্জন মন্ডল জানিয়েছেন, ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র প্রচেষ্টায় ১০০ হেক্টর জায়গা জুড়ে ৫ লাখেরও বেশি ম্যানগ্রোভ চারা (Sunderbans Mangrove Forests) রোপন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সুন্দরবনের এই বনাঞ্চল পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের বিস্তৃত রয়েছে ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে। এর মধ্যে ভারতে রয়েছে ২,১০৭ বর্গ কিলোমিটার। 

    আয়ারল্যান্ডের একটি এনজিও-এর সঙ্গে চুক্তি

    কলকাতা থেকে ১০৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুন্দরবনে প্রবেশ খুব সহজে করা যায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা যথেষ্ট অনুন্নত। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের একটি এনজিও ‘টাইগার উইডোস অর্গানাইজেশনে’র চুক্তি হয়েছে। এ নিয়ে আকুল বিশ্বাস জানিয়েছেন, তাঁরা যদি স্থানীয় মহিলাদের কিছু জীবিকার সহায়তা দিতে পারেন, তাহলে আরও বেশি পরিবেশ রক্ষার কাজ করতে মহিলারা উৎসাহিত হবেন এবং এর ফলে সুন্দরবনও বাঁচবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: ৭৯ বার প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর সাফল্য! র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবনের আজানা কাহিনী

    Success Story: ৭৯ বার প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর সাফল্য! র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবনের আজানা কাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্য কখনই সহজে আসে না। বহু প্রতীক্ষা আর একনিষ্ঠ চেষ্টার পরেই সাফল্য আসে। তবে সফলতার পথে প্রত্যাখ্যান তো আসবেই। কিন্তু প্রথম প্রত্যাখ্যানেই ভেঙে পড়লে সফলতার শিখরে কখনওই পৌঁছনো যাবে না। বরং প্রত্যাখ্যান থেকেই শিক্ষা নিয়ে লক্ষ্য স্থির রেখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। অনেক প্রত্যাখ্যানের পর সফলতা পেয়েছে এমন উদাহরণ আমাদের সমাজে অনেকই আছে। তবে আজ জানাব আইআইটি স্নাতক পবন গুন্টুপল্লির জীবন কাহিনী (Success Story), যা শুনে অনুপ্রাণিত হবেন আপনিও। 

    কে এই পবন গুন্টুপল্লি? (Pavan Guntupalli) 

    তেলঙ্গানার বাসিন্দা পবন গুন্টুপল্লি হলেন একজন তরুণ ভারতীয় উদ্যোক্তা এবং ভারতীয় বাইক-ট্যাক্সি কোম্পানি র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। বেঙ্গালুরু থেকে পবন তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তারপর তিনি খড়গপুর আইআইটি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে পরবর্তীকালে আইআইএম ব্যাঙ্গালোর থেকে এমবিএ করেছেন। আসলে ট্রেডিং এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর প্রতি তার গভীর আগ্রহ রয়েছে ছোটবেলা থেকেই। 

    কর্মক্ষেত্রে নানান প্রতিকূলতা পেড়িয়ে অবশেষে সফলতা (Success Story)

    তবে তাঁর (Pavan Guntupalli) কর্মজীবনের শুরুটা খুব মসৃণ ছিল না। বহু প্রতিকূলতা ও প্রত্যাখ্যান পেরিয়ে অবশেষে তিনি শহরবাসীর জন্য একটি সুবিধাজনক সাশ্রয়ী মূল্যের এবং ২৪X৭ পরিবহণ মাধ্যম আনার চিন্তাভাবনা করেছিলেন। যার ফলে পরবর্তীকালে অনেক তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ প্রশস্ত হয়েছে। যদিও এই চিন্তা তাঁর মাথায় একদিনে আসেনি। জানা গিয়েছে, স্নাতক হওয়ার পর তিনি স্যামসাঙের সঙ্গে কাজ করেন এবং সেখান থেকে শিল্প অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর তিনি তার বন্ধু অরবিন্দ সাঙ্কার সঙ্গে ‘দ্যা ক্যারিয়ার’ নামে একটি ব্যবসা শুরু করেন। এই স্টার্ট-আপের ভালো-মন্দ থেকে শিক্ষা নিয়ে, পবন এরপর ২০১৪ সালে র‍্যাপিডো নামে একটি বাইক ট্যাক্সি পরিষেবা চালু করেন।   

    তবে শুরু করব বললেই তো আর সবকিছু এত মসৃণ হয় না। কারণ ব্যবসা শুরু করতে গেলে প্রয়োজন প্রচুর মূলধন। তবে বিনিয়োগকারীরা প্রথমে এই ব্যবসায় টাকা বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে চাননি। উবার-ওলার ভিড়ে এই র‍্যাপিডো আদৌ তার জায়গা গুছিয়ে নিতে পারবে কিনা সেই ধন্দে পবন (Pavan Guntupalli) প্রায় ৭৯ জন বিনিয়োগকারীর থেকে সেসময় প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন। তবে থেমে থাকার পাত্র নন তিনি। নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে একমনে চালিয়ে গিয়েছেন চেষ্টা। প্রথম দিকে বেস ভাড়া ১৫ টাকার সঙ্গে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ৩ টাকা রেখেছিলেন পবন। তাই স্বাভাবিকভাবেই র‌্যাপিডোর ব্যবসা প্রথম দিকের বছরগুলিতে খুব একটা অগ্রগতি আনতে পারেনি। তবে পবন তাঁর স্বপ্ন পূরণে অবিচল ছিলেন। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    তাঁর প্রথম সাফল্য (Success Story) আসে দুই বছর পর ২০১৬ সালে। যখন হিরো মোটোকর্পের (Hero MotoCorp) চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর পবন মুঞ্জাল র‌্যাপিডোতে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেন। মুঞ্জালের যোগদানের ফলে, র‌্যাপিডো শুধুমাত্র উপভোক্তাদের আস্থা অর্জন করেছিল তাই নয়, বিনিয়োগকারীদেরও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম  হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে কোম্পানি ১০০টিরও বেশি শহরে সফলভাবে প্রসারিত হয়েছে। যেহেতু র‌্যাপিডো বাইক-রাইডিং ভিত্তিক ব্যবসা, তাই এটি রুক্ষ পাহাড়ি এলাকায় আরও জনপ্রিয়তা অর্জন (Success Story) করেছে এবং সফল হয়েছে। বর্তমানে, র‌্যাপিডোর ৭ লাখের বেশি ব্যবহারকারী এবং ৫০,০০০ রাইডার রয়েছে। বর্তমানে, র‌্যাপিডো সংস্থার বাজারদর ৬,৭০০ কোটি টাকা! সুতরাং, পবনের এই জীবনকাহিনী আরও একবার প্রমান করল যে, কোনও কাজে প্রত্যাখ্যান এলে থেমে যেতে নেই, বরং নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে এগিয়ে যেতে হয়। সঠিক সময় হলে সফলতা এমনিতেই আসবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: সুপার মডেল থেকে আইএফএস, জানুন ঐশ্বর্য শেওরানের চমকপ্রদ কাহিনি

    Success Story: সুপার মডেল থেকে আইএফএস, জানুন ঐশ্বর্য শেওরানের চমকপ্রদ কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএসসি দেশের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলির মধ্যে অন্যতম। এই পরীক্ষা পাস করার জন্য পরীক্ষার্থীদের ১৪ থেকে ১৫ ঘন্টা কঠিন পরিশ্রম করতে হয়। আবার কিছু মেধাবী পরীক্ষার্থী চাকরি করার সঙ্গে সঙ্গে ইউপিএসসির চেষ্টা করে থাকে। অনেকে আছে যারা পরীক্ষার জন্য চাকরি ছেড়ে দেয়। এরই মাঝে এমন এক পরীক্ষার্থীর খবর সামনে এসেছে যে নিজের মায়ের স্বপ্ন পূরণ করার প্রথমে মডেলিং কেরিয়ার বেছে নিলেও পরে নিজের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য মডেলিং ছেড়ে প্রথম চেষ্টাতেই (Success Story) ইউপিএসসি পরীক্ষা পাস করে। তবে মডেলিং ছেড়ে দিলেও সে এখনও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। তাঁর ইস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যা দু লক্ষের বেশি।

    প্রথম চেষ্টাতেই ইউপিএসসি পাস (Success Story)

    ২০১৮ সালে প্রথম চেষ্টাতেই ইউপিএসসি পাস করে আইএএস হন ঐশ্বর্য শেওরান। তিনি এর আগে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ফাইনালিস্ট হয়েছিলেন। দিল্লি শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্স থেকে গ্র্যাজুয়েশন করার পর নিজের মায়ের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য মডেলিংয়ে কেরিয়ার তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। ছোটবেলায় পড়াশোনায় খুব ভালো ছিলেন ঐশ্বর্য।

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ, জেনে নিন সূচি

    দিল্লির চাণক্যপুরী সংস্কৃতি স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৯৭.৫ শতাংশ নম্বর সহ স্কুলের টপার হয়েছিলেন তিনি। ২০১৪ সাল থেকেই মডেলিংয়ের দুনিয়ায় ঐশ্বর্যর প্রবেশ। সে বছর দিল্লিতে ক্লিন এন্ড ক্লিয়ার ফ্রেশ ফেস হয়েছিলেন। এরপর ২০১৬ সালের ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় ফাইনালিস্ট ছিলেন। ২০১৮ সালে মডেলিংয়ের কেরিয়ার ছেড়ে ইউপিএসসির জন্য চেষ্টা শুরু করেন ঐশ্বর্য। কলেজ ছাড়ার পর ক্যাট পরীক্ষাও দিয়েছিলেন সেখানে তিনি। সিলেক্ট হন। কিন্তু তা সত্বেও অ্যাডমিশন নেন নি।

    ঐশ্বর্যর ইউপিএসি র‍্যাংক ছিল ৯৩

    ঐশ্বর্য শেরন বলেন, “আমার মা বলিউডের অভিনেত্রী ঐশ্বর্যর নামেই আমার নাম রেখেছিলেন। মা চাইতেন ছোটবেলা থেকেই অভিনয় করি। ঐশ্বর্যর মত বলিউডে এবং মডেলিংয়ে নাম করি। এর জন্য মডেলিংয়ে এসেছিলাম। কাজ করেছি চুটিয়ে। কিন্তু মনে হল দেশের জন্য কিছু করা দরকার। মডেলিং ছেড়ে ইউপিএসসি এর জন্য ১০ মাস বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করি। কোনও কোচিং ছাড়াই শুধুমাত্র নিজের চেষ্টাতেই প্রথমবারেই ইউপিএসসি পরীক্ষা পাশ করেছি। আমার সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক ছিল ৯৩। এখনও আমি (Success Story) ইন্সটা স্টার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ethical Hacker: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    Ethical Hacker: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফটওয়্যার ডেভেলপার নয়, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে সব চেয়ে বেশি চাহিদা হ্যাকারদের। কিন্তু এই হ্যাকারদের অপরাধী নয়, বরং গোয়েন্দা বলা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যাকিং শব্দটির সঙ্গে সাইবার অপরাধীরা ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। কিন্তু হ্যাকারদের শায়েস্তা করতেও হ্যাকিং জানতে হয়। সেই কৌশলকে বলে ‘এথিক্যাল হ্যাকিং’ (Ethical Hacker) অর্থাৎ যেখানে নৈতিকতা থাকে। আর এই এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দুনিয়ায় নয়া পালক যোগ করল দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার জুঙ্গালপোরা গ্রামের বাসিন্দা মুনীব আমিন।

    কে এই মুনীব?  

    মুনীব হলেন একজন কাশ্মীরি প্রযুক্তিবিদ, যিনি সম্প্রতি এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দুনিয়ায় তার কাজের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছে। একজন এথিক্যাল হ্যাকার হিসেবে ’ (Ethical Hacker) কাজের ক্ষেত্রে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ২০২৩ সালের অগস্ট মাসে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA)-এর ‘হল অফ ফেম’-এ বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। মুনীবের কৃতিত্ব সাইবার নিরাপত্তা জগতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং আজকের ডিজিটাল ল্যান্ডস্কেপে সংবেদনশীল তথ্য রক্ষায় তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে তিনি ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) থেকে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতক (BCA) ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করছেন। 
    আসলে বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে ভাবে তথ্য চুরি ও সাইবার হানা বাড়ছে তা ঠেকাতেও এই এথিক্যাল হ্যাকারদের ’ (Ethical Hacker)  প্রয়োজন। তাই সাইবার জগতে মুনীবের এই কৃতিত্ব একটি অনুপ্রেরণা হিসাবে রয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে মুনীব বলেছিল, “আজকের ডিজিটাল যুগে, কিছুই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। একটি সংস্থা যত বড়ই হোক না কেন, যদি এটি কোনও নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে তবে এটি হ্যাক হওয়ার সম্ভবনা থেকেই যায়।”  

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    এথিক্যাল হ্যাকিং এর ভবিষ্যৎ ’ (Ethical Hacker)  

    আর ঠিক এই কারণেই সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity Expert) এবং এথিক্যাল হ্যাকিং বর্তমান সময়ে একটি ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্র হিসেবে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে ভারত এবং বিদেশে এই কাজের জন্য একাধিক চাকরির পরিসর রয়েছে। আর এই এথিক্যাল হ্যাকিং দুনিয়ায় প্রবেশ করতে সাধারন ডিগ্রির চেয়েও বেশি প্রয়োজন হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম এবং নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে স্ব-শিক্ষা এবং জ্ঞান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vertical Vegetable Garden: ছাদে এবং বারান্দায় পিভিসি পাইপের মাধ্যমে কীভাবে ভার্টিক্যাল সবজি বাগান বানাবেন?

    Vertical Vegetable Garden: ছাদে এবং বারান্দায় পিভিসি পাইপের মাধ্যমে কীভাবে ভার্টিক্যাল সবজি বাগান বানাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেট্রো শহরে ছাদে বাগান করার শখ অনেকেরই থাকে। কিন্তু বাধ সাধে জায়গার অভাব। জায়গার অভাবের সমাধান সূত্র নিয়ে এসেছেন উত্তরপ্রদেশের মিথিলেশ সিং এবং বিহারের বাসিন্দা সুনিতা প্রসাদ। গার্ডেনিং ব্যাগ এবং পিভিসি পাইপে (Vertical Vegetable Garden) তাঁরা ছাদে ভার্টিক্যাল বাগানে দেদার চাষ করছেন টমেটো, লঙ্কা, ধনেপাতা, বেগুন, মটর, উচ্ছে জাতীয় সবজি।

    ছাদ বাগানে কী কী চাষ করা যায়?

    ছাদের অল্প পরিসরে পাঁচিলের ওপরে টব তৈরি করে বাগান আগেই বানিয়েছেন অনেকে। এবার মোটা পিভিসি পাইপের মধ্যে ছোট ছোট ফুটো করে তাতে (Vertical Vegetable Garden) সবজি চাষ করার অভিনব পন্থা বের করে নিয়ে এসেছেন মিথিলেশ প্রসাদ সিং। পিভিসি পাইপে মাটি ভরে তাতে নির্দিষ্ট দুরত্বে ফুটো করে সেখানে বীজ বা চারা রোপন করে সফলভাবে চাষ করছেন মিথিলেশ এবং সুনীতা। পিভিসি পাইপকে দেয়ালের সাহায্যে লম্বা করে দাঁড় করিয়ে বা স্ক্রুর সাহায্যে ঝুলিয়ে তাঁর মধ্যে বেগুন, ভিন্ডি, লঙ্কা, উচ্ছে, টমেটো সহজেই চাষ করা যায়। তবে কীভাবে পিভিসি পাইভেটকে চাষযোগ্য করা যায় এর উপায় জানাচ্ছেন মিথিলেশ। প্রথমে পাঁচ ফুট করে পিভিসি পাইপকে কেটে নিতে হবে। এরপর তার মধ্যে মাটি এবং গোবর সার মিশিয়ে পাইপে ভরে দিতে হবে। ১৮ ইঞ্চি অন্তর পাইপে ফুটো করে নিতে হবে। সেখানে বীজ কিংবা গাছের চারাগাছ লাগিয়ে দিতে হবে। গ্রীষ্মকালে দিনে দুবার এবং শীতকালে দুদিন অন্তর কিংবা দিনে একবার আবহাওয়া বুঝে জল দিতে হবে। মাত্র এটুকু কাজ করলেই সময় মত ফলন হবে গাছে।

    ছাদে পিভিসি পাইপের অভিনব বাগান (Vertical Vegetable Garden)

    পিভিসি পাইপ ছাড়াও চারাগাছ লাগানোর টব ও ব্যাগ পাওয়া যায়। ব্যাগ এবং টবেও ছাদের সবজি চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া যায়। একইসঙ্গে টব এবং ব্যাগ ঠিকঠাক ভাবে রাখা সম্ভব হলে ছাদ বাগান থেকে ভাল পরিমাণে সবজি কিংবা ফল পাওয়া সম্ভব। তবে পিভিসি পাইপের মাধ্যমে জায়গা কম হলেও ভার্টিক্যাল গার্ডেন (Vertical Vegetable Garden) তৈরি করে অল্প জায়গায় অতিরিক্ত চাষ করা সহজেই সম্ভব। প্রায়শই মেট্রোপলিটন শহরে বসবাসকারীরা জায়গার অভাবে বাড়িতে বাগান করতে দ্বিধাবোধ করেন।

    আরও পড়ুন: তাইল্যান্ডের পিঙ্ক কাঁঠালের চাষ করে আয়ের দিশা দেখাচ্ছেন মাজদিয়ার প্রশান্ত

    মিথিলেশ সিং এবং বিহারের সুনিতা প্রসাদ তাঁদের কমপ্যাক্ট বাগানে (Vertical Vegetable Garden) লংকা, ধনে, টমেটো, বেগুন, ওকড়া, মটর এবং করলা সহ বিভিন্ন ধরণের ফসল সফলভাবে চাষ করেছেন। দুজনেই সপ্তাহে অন্তত পাঁচ কেজি সব্জির ফলন পাচ্ছেন। মিথিলেশ বলেন, “পিভিসি পাইপ ব্যবহার করলে জায়গার পাশাপাশি টাকাও বাঁচে। “সাধারণভাবে, পিভিসি পাইপগুলি সস্তা, খুঁজে পাওয়া সহজ এবং অনেক জায়গা বাঁচাতে পারে। তদুপরি, এটির জন্য একটি জটিল সেটআপের প্রয়োজন নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tata Technologies: আত্মনির্ভর হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে ভারত, আই ফোনের অংশ তৈরি করবে টাটা

    Tata Technologies: আত্মনির্ভর হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে ভারত, আই ফোনের অংশ তৈরি করবে টাটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইলের সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রে চিন (China) নির্ভরতা কমিয়ে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে ভারত (India)। টাটা ইলেকট্রনিক্স (Tata Electronics) সম্প্রতি জানিয়েছে তারা অ্যাপেল সংস্থার আইফোনের (iphone) খোল তৈরি করার মেশিন বানাতে চলেছে। এর জন্য তারা দেশীয় দুটি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এই মেশিন তৈরি করে শুধু ভারতে নয় টাটা (Tata Technologies) বিদেশেও রফতানি করতে চায়।

    ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সরঞ্জাম বিদেশে রফতানি (Tata Technologies)

    সারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন মোবাইল ফোনের পার্টনার সংস্থাকে ওই মেশিন পরবর্তীকালে বিক্রি করা হবে। জানা গিয়েছে ভারত সরকার ২০২৫ সালের শেষে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সরঞ্জাম বিদেশে রফতানি করার টার্গেট নিয়েছে। টাটা ইলেকট্রনিক্সের (Tata Technologies) এই নয়া মেশিন সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে সহযোগিতা করবে বলে জানা গিয়েছে। সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন টাটা গ্রুপের এই মেশিনগুলি তৈরি হওয়ার পথে রয়েছে। তাদের হোসুর কমপ্লেক্সে এই মেশিন গুলি তৈরি করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য ঘরোয়া ক্ষমতাকে আরো বৃদ্ধি করা। একইসঙ্গে ভারতে মোবাইলের প্রত্যেক পার্টস তৈরি করার একটা ইকো-সিস্টেম তৈরি করা।

    আরও পড়ুন:লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট! ৩০টি চওড়া এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমান কিনছে ইন্ডিগো

    মোবাইল ফোন জগতে বড় বিপ্লব

    টাটা ইলেকট্রনিক্সের (Tata Technologies) একটা পদক্ষেপ মোবাইল ফোন জগতে অনেক বড় বিপ্লব আনতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এহেন ছোট্ট ছোট্ট পদক্ষেপ গোটা দেশে মোবাইল ফোনের পার্টস তৈরির ক্ষেত্রে একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করবে। চিন এভাবেই তাদের দেশে ৯০ এর দশক থেকে একটা ইকো সিস্টেম গড়ে তুলেছে। যার ফসল আজ তারা পাচ্ছে। সারা বিশ্বে মোবাইলের খোলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি সংস্থা মোবাইলের খোল তৈরি করতে সক্ষম। বর্তমানে যে ধরনের মোবাইল তৈরি হচ্ছে তাতে ডিসপ্লে এবং খোলের মোবাইল বিক্রির পরেও চাহিদা রয়েছে। টাটা গ্রুপ এ বিষয়টি ভালোভাবেই জানে। এর জন্যই তারা এই ধরনের মেশিন বানাতে চাইছে। তাঁরা এই বিভাগে সক্ষম হলে পরবর্তীকালে অন্য মোবাইলের জন্য খোল তৈরি করতে সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে। বর্তমানে এই খোল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তৈরি হয় চিনে। বেশিরভাগ মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা তাদের পার্টস ভারতে এনে অ্যাসেম্বল এসেম্বল করে। কিন্তু মোদি সরকার চাইছে আর অ্যাসেম্বল নয়। ভারতেই তৈরি হবে মোবাইলের সমস্ত পার্টস। এর জন্য গোটা দেশে ইকো-সিস্টেম তৈরি করার ভাবনা রয়েছে সরকারের। সরকারের সেই ভাবনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে চাইছে টাটা গোষ্ঠী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPSC Exam 2025: প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ, জেনে নিন সূচি

    UPSC Exam 2025: প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ, জেনে নিন সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএসসির (UPSC Exam 2025) জন্য যাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁদের জন্য বড় খবর। প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ। ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (UPSC ) আওতায় আগামী বছর কোন কোন তারিখে (exams schedule) গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলি হতে চলেছে, তার তথ্য ইউপিএসসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট upsc.gov.in-এ প্রকাশিত হয়েছে।

    পরীক্ষাগুলির তারিখ (UPSC Exam 2025)

    ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার (UPSC Exam 2025) প্রিলিমিনারি আয়োজিত হবে ২৫ মে ২০২৫। পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেসের বিষয়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৯ ফব্রুয়ারি ২০২৫ হবে। আর কম্বাইন্ড জিও সায়ান্টিস্ট পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষাও হবে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা (মেইন) হতে পারে ২২ আগস্ট থেকে। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার নোটিফিকেশন ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।

    আবার সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স, স্টেনোগ্রাফার (গ্রেড বি ও ডি), স্টাফ সিলেকশন কমিশনের নিয়োগের পরীক্ষা ইউপিএসসির আওতায় হয়। আইএফএস পরীক্ষা হবে ২৫ মে, ও আর্মড পুলিস ফোর্সের পরীক্ষা হবে ৩ আগস্ট ২০২৫। সেই সঙ্গে ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেস (IAS), ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিসেস (IPS) এবং বাকি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার জন্য বিশদে জানতে ইউপিএসসির ওয়েবসাইট (official website) নজরে রাখুন। যে সমস্ত পরীক্ষার্থীরা আইএএস, আইপিএসকে পাখির চোখ করে রেখেছেন, তাঁদের এই পরীক্ষাই লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার রাস্তা তৈরি করে দেবে।

    আরও পড়ুন: ইভিএমের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাট যাচাইয়ের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    কবে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে

    উল্লেখ্য, সিভিল সার্ভিস (UPSC Exam 2025) প্রিলিমিনারি ২০২৫ সালের পরীক্ষার জন্য অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি ২২ জানুয়ারী, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হবে। আবেদনকারীদের পরীক্ষায় বসার জন্য ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ এর মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের সরকারি চাকরি পাওয়ার মূলসূত্র গেঁথে রয়েছে ইউপিএসসি (Union Public Service Commission) পরীক্ষায়। এই পরীক্ষায় দেশের সেরার সেরারা সুযোগ পান। তবে শুধু যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করতে হয়, তা নয়। এরপর থাকে মেইনস, ইন্টারভিউয়ের মতো বড় ধাপ। আর সেই সব ধাপ পেরোতে পারলেই লক্ষ্যে পৌঁছনো যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: মোদির কল্যাণে গঙ্গার নীচে দিয়ে ছুটছে মেট্রো, হাওড়ায় অটোর দৌরাত্ম্য শেষ

    Kolkata Metro: মোদির কল্যাণে গঙ্গার নীচে দিয়ে ছুটছে মেট্রো, হাওড়ায় অটোর দৌরাত্ম্য শেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো রেল পরিষেবা চালু হওয়ার পরে এক পক্ষও কাটেনি, এরই মধ্যে দ্রুত যাত্রাপথ বদল হয়েছে হাওড়া শহরের বড় অংশের বাসিন্দাদের। হাওড়া ময়দান থেকেই তাঁরা মেট্রো রেলে চড়ে কলকাতায় (Kolkata Metro) চলে যাচ্ছেন। এর ফলে হাওড়া ময়দানের পরে আর বিশেষ যাত্রী পাচ্ছেন না অটোরিকশার চালকরা। হাওড়া থেকেও ফিরতি পথে যাত্রী মিলছে না অনেক রুটেরই। শিবপুর হোক বা শালকিয়া, যাত্রীরা হাওড়া এড়িয়ে সরাসরি হাওড়া ময়দানে চলে আসছেন। তাই রোজগার এক ধাক্কায় অনেকটা কমে গেছে অটোচালকদের।
    হাওড়ার দিকে যাওয়ার পথে অধিকাংশ অটোই হাওড়া ময়দানে খালি হয়ে যাচ্ছে। রুট বজায় রাখতে ফাঁকা অটো নিয়ে হাওড়ায় যেতে হচ্ছে। কিন্তু বেশি বিপত্তি ফেরার পথে। হাওড়া ময়দানের অটো ও টোটোয় সব সময়ই যাত্রী মিলছে, কিন্তু হাওড়া স্টেশনে যাত্রীর প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে ট্রিপের সংখ্যা কমে অর্ধেক হয়ে গেছে অনেক অটোর। রাত নটায় মেট্রো বন্ধ, তার পরে হাওড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী মিলছে আগের মতোই। কিন্তু দিনের বাকি চোদ্দো ঘণ্টা এক রকম মাছি তাড়াতে হচ্ছে অটোচালকদের।

    “আরামে ধর্মতলায় চলে যাচ্ছি” (Kolkata Metro)

    হাওড়া ময়দান পর্যন্ত বাসে এসে সময় বাঁচাতে অনেকেই অটো ধরে হাওড়া স্টেশনে চলে গিয়ে সেখান থেকে বাস ধরতেন। এমনই এক যাত্রী শেখর প্রামাণিক বলেন, মেট্রো হয়ে যাওয়ায় এখন ময়দান থেকে আর অটো ধরে হাওড়ায় যাই না। বাসগুলো ময়দানে দাঁড়িয়ে থাকে অনেকক্ষণ, তাই বাধ্য হয়ে অটো ধরতে হত। হাওড়ায় যেতে সাত টাকা ভাড়া দিতে হত। ইদানিং দশ টাকা তো ন্যূনতম ভাড়া হয়ে গেছে। কিন্তু দশ টাকায় এখন এসি মেট্রোয় বারো মিনিটে ধর্মতলা (Kolkata Metro)। মানে গুঁতোগুঁতি করে যতক্ষণে হাওড়ায় পৌঁছতাম ততক্ষণে আরামে ধর্মতলায় চলে যাচ্ছি। ট্রেনের সময় জেনে গেছি। তাই তেমন অপেক্ষাও আর করতে হচ্ছে না। অটোওয়ালাদের যা মেজাজ, তার থেকে বেঁচেছি। বাসের কন্ডাক্টররা তো এখান থেকে গাড়ি এগোতেই চাইতেন না। এখন ওঁরা বুঝছেন।

    যাত্রী কমে যাওয়ায় ধাক্কা (Kolkata Metro)

    হাওড়ার বাসের গতি নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাই টোটো বা ই রিকশা চালু হওয়ার পরে অনেকেই বাড়তি ভাড়া দিয়ে আরামে ও তাড়াতাড়ি যাওয়ার পন্থা বেছে নিতে শুরু করেন। বিদ্যাসাগর সেতু চালু হওয়ার পঁচিশ বছর পরেও আমতলা ওপি-শ্যামবাজার, চ্যাটার্জিহাট-ধর্মতলা, রামরাজাতলা-রাজাবাজারের মতো রুট টিঁকে ছিল। কিন্তু টোটোর দাপটে দ্রুত সঙ্কটে পড়ে চ্যাটার্জিহাটের বাস উঠে যায়। রুট ছোট করেও অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারেনি আমতলা ওপি রুটের বাস। এখন মেট্রোর ধাক্কায় (Kolkata Metro) চালু থাকা রুটগুলো নতুন করে ধাক্কা খাচ্ছে, বিশেষ করে হাওড়া ময়দান হয়ে হাওড়া স্টেশনগামী অটোর রুট। এতদিন ধীরে ধীরে অটোর সংখ্যা বাড়লেও এবার সমস্যায় পড়ছে তারা। কারণ বিদ্যাসাগর সেতুর সুবিধা সেভাবে পান না শালকিয়া-বালির দিকের বাসিন্দা, কিন্তু মেট্রোর সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন। শালকিয়ার দিয়ে আগে অটোর রমরমাই সবচেয়ে বেশি ছিল। বছর সাত-আট এর সঙ্গে যোগ হয়েছে টোটো। এখন হাওড়া ময়দান থেকে অটোর সমস্যা না হলেও হাওড়া স্টেশনের অটোর পক্ষে দিনের বেলায় যাত্রী কমে যাওয়ার ধাক্কা সামলানো মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: সেনাবাহিনীতে ‘অগ্নিবীর’ সুমন, প্রত্যন্ত গ্রামে প্রথম সরকারি চাকরিতে খুশির হাওয়া

    Birbhum: সেনাবাহিনীতে ‘অগ্নিবীর’ সুমন, প্রত্যন্ত গ্রামে প্রথম সরকারি চাকরিতে খুশির হাওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতারাতি সেলিব্রিটি বীরভূমের (Birbhum) গ্রামের ছেলে। না, কোনও সিনেমায় অভিনয় বা অন্য কোনও কাজ করে নয়, সরকারি চাকরি পেয়ে সেলিব্রিটি তিনি। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনছেন, গ্রামের প্রথম সরকারি চাকরি বলে কথা। বীরভূমের সিউড়ির নগরী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বড়গ্রামের এক সামান্য দিনমজুরের ছেলে সুমন। ছোট থেকেই পড়াশোনাতে অনেক সুনাম। তারই প্রতিফলন সেনাবাহিনীতে অগ্নিবীর হিসেবে সাফল্য পাওয়া। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামের মানুষজন শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করছেন সুমনের ছোট্ট মাটির কুঁড়ে ঘরে।

    সংসারের হাল ধরতে পড়াশোনা শেষের আগেই চাকরির সিদ্ধান্ত (Birbhum)

    নগরী গ্রামের সুধাংশু বদনি শিক্ষানিকেতন স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর বিশ্বভারতীতে বিএসসি অনার্স নিয়ে পড়াশোনা সুমনের। ইচ্ছে ছিল নেট-সেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পিএইচডি করে অধ্যাপক হওয়ার। কিন্তু বিএসসি পঞ্চম সেমেস্টার সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই সেনাবাহিনী থেকে ডাক পড়ে সুমনের। অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে দিন যেত সুমনের। বাবা রাজমিস্ত্রির শ্রমিক, কোনও দিন হাতে কাজ থাকত, আবার কোনও দিন তাও থাকত না। তাই সুমনের মা সিউড়িতে বাড়ির পরিচারিকার কাজ করতেন। সেই থেকেই সুমনের পড়াশোনার খরচ চলত বলে জানিয়েছে পরিবার। কিন্তু সুমন থেমে থাকেননি, এত কষ্টের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছেন। সংসারের হাল ধরতেই সেনাবাহিনীর জন্য আবেদন করেন সুমন, আর প্রথমবারেই সাফল্য। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামে খুশির জোয়ার। কারণ বড়গ্রামের বাউড়িপাড়া অঞ্চলে প্রথম সরকারি চাকরি পেয়েছেন সুমন। আগামী ২২ এপ্রিল থেকেই সেনাবাহিনীর কর্মী হিসেবে নিযুক্ত হবেন তিনি (Birbhum)।

    সুমন নিজে কী জানিয়েছেন?

    সুমনের এই সাফল্যের পর খুশি গোটা গ্রামবাসী থেকে তাঁর পরিবার। এই বিষয়ে সুমন বলেন, “যেহেতু আমি একটি গরিব ঘরের ছাত্র, আমার বাবা দিনমজুর এবং মা পরিচারিকার কাজ করে, তাই সংসার খুব কষ্ট করেই চলত আমাদের। এতে আমার পড়াশোনার খরচও চালাতে হত। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিই সেনাবাহিনীতে আবেদন করার। প্রথমবারই আমি সাফল্য পেয়েছি। আর গ্রামে প্রথম সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে নিজেকে আজ প্রতিষ্ঠা করেছি। তাই গ্রামবাসীও খুব খুশি।” সুমনের মা বলেন, “ছেলের পড়াশোনা করার খুবই ইচ্ছে ছিল। তাই খুব কষ্ট করে পড়াশোনা করাচ্ছিলাম। ও সরকারি চাকরি পাওয়ায় আমরা খুবই খুশি। এবার পরিবারের (Birbhum) অভাব কিছুটা হলেও মিটবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Success Story: এক সময় রিকশও চালিয়েছেন, আজ অ্যাপ-নির্ভর ক্যাব সংস্থার মালিক

    Success Story: এক সময় রিকশও চালিয়েছেন, আজ অ্যাপ-নির্ভর ক্যাব সংস্থার মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইচ্ছাশক্তি ও চেষ্টা মানুষকে যে জিরো থেকে হিরো বানাতে পারে, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ দিলখুশ কুমার (Success Story)। বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম, রোজ দারিদ্রতার সাথে লড়াই, অভাব-অনটন এতটাই ছিল যে এক সময় রিকশও চালিয়েছেন। কিন্তু এত কষ্টের মাঝেও নিজের ইচ্ছাশক্তিকে বিসর্জন দেননি তিনি।  আর এই সবকিছুকে কাটিয়ে তিনি আজ এক কোম্পানির সিইও। আজ এই প্রতিবেদনে আমরা জানব সেই দিলখুশ কুমারের সম্বন্ধে, যাঁর গল্প বড় সিনেমাকেও হার মানাবে।

    দিলখুশের সংগ্রামের দিনগুলি (Success Story)

    বিহারের সহরসা জেলার বনগাঁও নামের একটি ছোট্ট গ্রামে জন্ম দিলখুশ কুমারের। এই গ্রাম থেকেই তিনি হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন। কিন্তু অভাব-অনটনের কারণে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারেননি দিলখুশ। তাঁর বাবা ছিলেন ট্রাক ড্রাইভার। পরিবারে উপার্জনের একমাত্র মানুষ ছিলেন তিনিই। তাই দিলখুশ নিজের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কাজের খোঁজ নিতে থাকেন। কিন্তু অনেক ইন্টারভিউ দেওয়ার পরেও ভালো ফলাফল পাননি তিনি। তাই সিদ্ধান্ত নেন রিকশ চালানোর। তাই লোকালয়ে প্রথমে রিকশ চালানো শুরু করেন। কিন্তু এতে শারীরিক অনেক পরিশ্রমের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন দিলখুশ (Success Story)। এর পরেই তিনি আবার কর্মজীবনে ফিরে আসেন। এবার তিনি বাজারে সব্জি বিক্রি করতে শুরু করেন। কিন্তু এই সবকিছুর মধ্যেই তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনে খামতি থেকে যাচ্ছিল। যদিও তাঁর প্রথম থেকেই ইচ্ছা ছিল ব্যবসা করার। তাই তিনি যেমন করেই হোক ব্যবসার প্রতি মনোনিবেশ করতে চেয়েছিলেন সারাটা জীবন।

    তৈরি করলেন নিজের ক্যাব সংস্থা (Success Story)

    তিনি কয়েক বছর ওলা, উবর-এর মতো কিছু ক্যাব সংস্থাতেও গাড়ি চালানোর কাজ করেন। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন নিজস্ব একটি অ্যাপ নির্ভর ক্যাব সংস্থা গড়ে তোলার। যেমন ভাবা তেমনই কাজ, তৈরি করে ফেললেন তাঁর প্রথম স্টার্ট আপ, নিজের প্রতিষ্ঠিত অ্যাপনির্ভর ক্যাব সংস্থা “রোডবেজ”। তবে ওলা কিংবা উবরের মতো যাত্রীদের গাড়ি সরবরাহ করে না তাঁর সংস্থা। দিলখুশের গ্রাহক পেশাদার গাড়ি চালকেরা। তাঁদেরকে নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে গাড়ি ভাড়া দেয় রোডবেজ। দিলখুশের (Success Story) প্রতিষ্ঠিত সংস্থা রোডবেজের বার্ষিক লেনদেন বেশ কয়েক কোটির কাছাকাছি। তিনি নিজেই ওই সংস্থার সিইও হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সারা বিহার জুড়ে দিলখুশের পরিবহণ সংস্থা এক নতুন মাত্রা পেয়েছে, যেখানে তিনি বহু ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র, এমনকী আইআইটি ও এনআইটির ইঞ্জিনিয়ারদের নিজের কোম্পানিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share