Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • ICC Women World Cup 2025: “দিন-রাত খেটেছি, একটা দল হয়ে খেলেছি”, বিশ্বকাপটা জিততেই হতো! আর কী বললেন হরমনপ্রীত

    ICC Women World Cup 2025: “দিন-রাত খেটেছি, একটা দল হয়ে খেলেছি”, বিশ্বকাপটা জিততেই হতো! আর কী বললেন হরমনপ্রীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে শাপমুক্তি! আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কেরিয়ারের সায়াহ্নে এসে তাঁর হাতে উঠল বিশ্বকাপ ট্রফি (ICC Women World Cup 2025)। কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনি, রোহিত শর্মার পর চতুর্থ ভারতীয় ও প্রথম মহিলা ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন হিসেবে বিশ্বখেতাব জয়ের নজির গড়লেন হরমনপ্রীত কৌর। ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসলেন শেফালি বর্মা, দীপ্তি শর্মা, রিচা, স্মৃতি, জেমাইমারা। মাঠেই শুরু হয়ে গেল উৎসব। চোখের জল যেন বাঁধ মানছিল না কারও। এ তো শেষ নয়, এ সবে শুরু। এবার এটা অভ্যেসে পরিণত হবে। বললেন বিশ্বজয়ী হরমনপ্রীত।

    বেড়াটা ভাঙতেই হত

    ভারতের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে মহিলাদের বিশ্বকাপ জিতেছেন হরমনপ্রীত কৌর। এর আগে দু’বার ফাইনালে গিয়ে হারতে হয়েছিল। এ বার সেই বেড়া ভেঙেছেন হরমনপ্রীতেরা। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে “বেড়াটা ভাঙতে চেয়েছিলাম। এই জয় দরকার ছিল। সবে শুরু। এ বার জেতা অভ্যাসে পরিণত করতে চাই। এই মুহূর্তের অপেক্ষা করছিলাম। আমরা আরও উন্নতি করতে চাই। এটাই শেষ নয়। এ তো সবে শুরু।” ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করতে পারেননি হরমনপ্রীত। প্রতিযোগিতার মাঝে পর পর তিনটি ম্যাচ হেরেছিল ভারত। তার পরেও নিজেদের উপর বিশ্বাস ছিল তাঁদের। হরমনপ্রীত বলেন, “আমরা পর পর তিনটে ম্যাচে হেরেছিলাম। কিন্তু তার পরেও নিজেদের উপর বিশ্বাস ছিল। জানতাম, ঠিক কিছু একটা ভাল হবে। দলের সকলে আত্মবিশ্বাসী ছিল। দিন-রাত খেটেছি। একটা দল হয়ে খেলেছি।”

    শেফালিই এদিন সেরার সেরা

    দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস চলাকালীন ফাটকা খেলেন হরমনপ্রীত। শেফালি বর্মার হাতে বল তুলে দেন তিনি। সেই ফাটকা কাজে লাগে। শেফালি জোড়া উইকেট তুলে দলকে খেলায় ফেরান। অধিনায়ক বলেন, “লরা ও সুনে ভাল খেলছিল। হঠাৎ শেফালির দিকে আমার নজর গেল। দেখলাম, ও দাঁড়িয়ে আছে। মনে হল, একটা ফাটকা খেলি। ওকে খালি একটা ওভার দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভাবিনি ও খেলাটাই বদলে দেবে। এত ভাল বল করছিল যে ওকে আরও কয়েকটা ওভার দিই। যে ভাবে ও বল করেছে, তার পুরো কৃতিত্ব শেফালির।” বিশ্বকাপের চৌহদ্দির ১০০ কিলোমিটারের মধ্যেও ছিলেন না শেফালি বর্মা। ভারতের বিশ্বকাপের দলে জায়গা না পেয়ে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা খেলছিলেন। ফর্মে থাকা প্রতিকা রাওয়াল চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ায় বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে দলে সুযোগ পেয়েছিলেন শেফালি। ফাইনালে সেই শেফালিই ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করলেন। ব্যাটে-বলে দাপট দেখালেন তিনি। প্রত্যাবর্তনের কাহিনি লিখলেন ভারতের এই ক্রিকেটার।

    শচিন স্যারকে দেখে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়

    শেফালি বললেন, “এই ম্যাচে আমার একটাই লক্ষ্য ছিল। রান করতে হবে। দলের সকলে আমাকে বলেছিল, স্বাভাবিক খেলা থেকে না বেরাতে। আমি নিজের স্বাভাবিক খেলাই খেলেছি। বড় শট মেরেছি। শতরান করতে পারতাম। কিন্তু আমার কাছে দলের রান বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দলের জয়ে আমার যোগদান রয়েছে। এর থেকে ভাল কিছু হতে পারে না।” শেফালি ভক্ত শচিন তেন্ডুলকরের। এই ম্যাচ শচিন গ্যালারিতে বসে তাঁর ব্যাটিং দেখেছেন। এর থেকে অনুপ্রেরণার আর কিছু হতে পারে না শেফালির কাছে। তিনি বললেন, “শচিন স্যারকে দেখে আমার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গিয়েছিল। ওঁর সঙ্গে আমার কথা হয়। উনি সবসময় আমাকে আত্মবিশ্বাস জোগান। উনি কিংবদন্তি। ওঁর কাছে শেখার অনেক কিছু রয়েছে। চেষ্টা করি শেখার। খুব ভাল লাগছে যে উনি আমার খেলা দেখলেন।”

    নজির গড়লেন হরমনপ্রীত

    ফাইনাল জেতার জন্য গোটা দলের প্রশংসা শোনা গিয়েছে হরমনপ্রীতের গলায়। পাশাপাশি কোচের দায়িত্ব পাওয়ার পর গত দু’বছরে অমল মুজুমদার যে পরিশ্রম করেছেন তারও প্রশংসা শোনা গিয়েছেন অধিনায়কের গলায়। তাঁদের সব রকমের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকেও ধন্যবাদ দিয়েছেন হরমনপ্রীত। পরিসংখ্যান বলছে, মহিলাদের ক্রিকেট সবচেয়ে বয়স্ক ক্যাপ্টেন হিসেবে বিশ্বকাপ জেতার নজির গড়লেন হরমনপ্রীত। এছাড়াও আইসিসি টুর্নামেন্টের নক আউট পর্বে সর্বাধিক রান করা ক্রিকেটার হিসেবে টেক্কা দিলেন অস্ট্রেলিয়ার বেলিন্ডা ক্লার্ককে। তিনিই এতদিন শীর্ষে ছিলেন। আইসিসি নকআউট ম্যাচে হরমনপ্রীতের মোট রান এখন ৩৩১, গড় ১১০.৩৩। রয়েছে একটি সেঞ্চুরি ও দু’টি হাফ-সেঞ্চুরি। এই তালিকায় এতদিন শীর্ষে ছিলেন বেলিন্ডা ক্লার্ক, যাঁর রান ছিল ৩৩০। চারটি হাফ-সেঞ্চুরি ছিল তাঁর ঝুলিতে, সর্বোচ্চ স্কোর ৯১।

    ৪৫ দিন ঘুমোইনি বিশ্বকাপের জন্য

    তৃতীয় বারের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বিশ্ব জয়ের স্বাদ পেয়েছেন ভারতের মেয়েরা। ঘরের মাঠে লিখে ফেলেছেন ইতিহাস। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে আবেগ প্রবণ স্মৃতি মান্ধানা বললেন, ‘এটা আমার জন্য আবেগপ্রবণ এক স্মৃতি। আমি জানি না, কী করতে হবে। এখনও ঘোরের মধ্যে আছি। আমি মাঠে আবেগপ্রবণ হই না। কিন্তু দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ, ভাবতে পারছি না। আমাদের ঘাড়ে অনেক বড় দায়িত্ব ছিল বিশ্বকাপ জেতার। আমি জানি না শেষ ৪০ দিন কী ভাবে কাটিয়েছি। ৪৫ দিন ঘুমোইনি বিশ্বকাপের জন্য। শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল কোয়ালিফাই করতে পারেনি নকআউটে। গ্রুপ পর্বেই ছিটকে গিয়েছিলাম। আমাদের সবার কাছে কঠিন লড়াই ছিল। আমাদের ফোকাস ছিল ফিটনেস নিয়ে কাজ করা। আমাদের শক্তি হচ্ছে কেউ ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলে না। সবাই এগিয়ে যেতে চায়। আমরা সবাই একে অন্যের সাফল্য উপভোগ করি।’ কোচ অমোল মজ়ুমদারও আনন্দে আত্মহারা। কোচ হিসেবে তাঁর লড়াইও এ দিন স্বার্থক হলো। আবেগে ভাসলেন কোচ অমল মজুমদার বলেন, ‘কোনও সন্দেহ নেই, দারুণ জয়। এই জয় দলের মেয়েদের প্রাপ্য ছিল। ওদের পরিশ্রম সামনে থেকে দেখেছি। আমি হারকে হার হিসেবে দেখিনি। দেখেছি কোথায় খামতি ছিল। যেই ম্যাচে দাপট দেখিয়েছি সেগুলিকে কাজে লাগিয়েছি। আমরা কিছু ভুল করলে, তার থেকে শিক্ষা নিয়েছি। যার ফল এই বিশ্বকাপ জয়। শেফালি বর্মা, ম্যাজিকাল। সেমি ফাইনালে এসে কোনও চাপ ছাড়া খেলেছে। বল হাতে উইকেট তুলল। শেষ দুই বছরে আমরা ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছি। আমি এর থেকে বেশি কিছু চাইতে পারি না।’

  • ICC Women World Cup 2025: ঐতিহাসিক বিশ্বজয়, এক নতুন ভোর! ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা হরমনপ্রীতরা, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    ICC Women World Cup 2025: ঐতিহাসিক বিশ্বজয়, এক নতুন ভোর! ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা হরমনপ্রীতরা, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীশক্তির জয়। আবার ভারতে এল বিশ্বকাপ। বিশ্ব জয় করল ভারতের মেয়েরা। আইসিসি ওমেন্স ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ (ICC Women Cricket World Cup) জিতল হরমনপ্রীত-শেফালি-দীপ্তিরা। এই প্রথম মহিলা বিশ্বকাপ জিতল ভারত। মেয়েদের এই সাফল্যে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi), রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু থেকে শুরু করে ক্রীড়া, বিনোদন, রাজনৈতিক জগতের তাবড় ব্যাক্তিত্বরা। রাত ১২টার পর মেয়েরা যখন হাতে বিশ্বকাপ তুলল, প্রধানমন্ত্রী লিখলেন, “ঐতিহাসিক এই জয় ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়নদের খেলতে অনুপ্রাণিত করবে”।

    ঐতিহাসিক জয়, অনুপ্রেরণা

    ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় করল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট টিম। তাঁদের এই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, “আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপের ফাইনালে অসাধারণ জয় ভারতীয় টিমের। ফাইনালে তাদের পারফরম্যান্স অসাধারণ দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসকেই ফুটিয়ে তুলেছে। টুর্নামেন্ট জুড়ে টিম অতুলনীয় টিমওয়ার্ক ও লড়াকু মনোভাব দেখিয়েছে। আমাদের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন। এই ঐতিহাসিক জয় ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়নদের খেলা বেছে নিতে অনুপ্রাণিত করবে।”

    প্রতিজ্ঞা করেই নেমেছিলেন ভারতের মেয়েরা

    অস্ট্রেলিয়াকে সেমিফাইনালে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা ভারতই ফেভারিট ছিল। কিন্তু লরা উলভার্টের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকাকে কঠিনতম প্রতিপক্ষই ধরা হচ্ছিল। টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিং করতে পাঠিয়ে প্রোটিয়া ক্যাপ্টেন চেয়েছিলেন শিশির কাজে লাগাবেন। ভারতীয় বোলারদের মুশকিলে ফেলবেন। দুটোর কোনওটাই হল না। শেফালি আর স্মৃতি মান্ধানা মিলে ভারতকে ওপেনিং জুটিতে ১০০র বেশি রান দিয়েছিলেন। স্মৃতি সেমিতে রান পাননি। ফাইনালে বড় রানের হাতছানি ছিল। কিন্তু ৪৫ করে ফেরেন। শেফালি ৭৮ বলে ৮৭ করেন। ৭টা চার ও ২টো বিশাল ছয় দিয়ে সাজিয়েছেন ইনিংস। জেমাইমা রড্রিগস সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি করে হারিয়েছিলেন অজিদের। কিন্তু ফাইনালে ২৪ করেন। হরমনপ্রীত কৌরও ২০তে থামেন। এখান থেকেই আবার খেলা ধরেন দীপ্তি শর্মা। সিনিয়র, নির্ভরশীল, অলরাউন্ডার, ঠান্ডা মাথার— চার স্কিলেই হাফসেঞ্চুরি করে গেলেন দীপ্তি। শেষ দিকে ভারতকে দ্রুত ২৯৮এ নিয়ে গেলেন বাংলার রিচা ঘোষ। মুম্বইয়ে হ্যারি, স্মৃতি, শেফালিদের সামনে ছিলেন লরা উলভার্ট। একদিকে ভাঙন, অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যাপ্টেন। আসা-যাওয়ার মাঝে যেন একার মুঠোয় স্বপ্ন বহন করলেন লরা। সেমিফাইনালে করেছিলেন ১৬৯। ফাইনালেও তাঁর ব্যাটে দুরন্ত সেঞ্চুরি। কিন্তু ১০১ করে ফিরলেন উলভার্ট। যখন বল গ্রিপ করতে সমস্যা হচ্ছে শিশিরের জন্য, তখনই ভারতকে দীপ্তি দিলেন অফস্পিনার। তাঁর নবম ওভারটা ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। পর পর উলভার্ট সহ নিলেন আরও একটা উইকেট। চাপের ম্যাচে প্রোটিয়ারা বরাবরই হাল ছেড়ে দেন। ১১ ভারতীয় কন্যা যে প্রতিপক্ষকে মাথা তুলতে দেবেন না, প্রতিজ্ঞা করেই নেমেছিলেন। ঠিক করে নিয়েছিলেন, যাই হোক না কেন ইতিহাসের দরজা খুলবেনই! দীপ্তি নিলেন ৫ উইকেট। দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ ২৪৬ রানে। ৫২ রানে জয় ভারতের।

    দেশের গর্ব আকাশ ছুঁল

    শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও জয়ের পরই শুভেচ্ছা জানান। ভারতীয় মহিলা টিমের এই জয় দেশের মাথায় মুকুট ওঠার মুহূর্ত বলেই বর্ণনা করেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “হ্যাটস অফ বিশ্বজয়ী টিম ইন্ডিয়া। এটা দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত, আমাদের টিম আইসিসি ওমেন্স ওয়ার্ল্ড কাপ তুলল, দেশের গর্বকে আকাশ ছুঁল। তোমাদের অসাধারণ দক্ষতা লক্ষ লক্ষ মেয়েদের কাছে অনুপ্রেরণার পথ তৈরি করে দিল। গোটা টিমকে শুভেচ্ছা।” লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও টিম ইন্ডিয়াকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপ ২০২৫ জয়ের জন্য টিম ইন্ডিয়াকে অভিনন্দন। তোমরা শুধু ট্রফি জিতে আসো না, সমগ্র জাতির হৃদয় জয় করেছো। সাহস, দক্ষতা ও বিশ্বাসের এক দুর্দান্ত প্রদর্শনী দেখিয়েছো। প্রত্যেক ভারতীয় তোমাদের নিয়ে গর্বিত।”

    মহিলা ক্রিকেটকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এক্সে ভারতীয় মহিলা দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, “ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রতিটি সদস্যকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই ২০২৫ সালের আইসিসি মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ের জন্য! ইতিহাস সৃষ্টি করেছে তারা—এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করল ভারতীয় মহিলা দল। তারা দীর্ঘদিন ধরেই দুর্দান্ত খেলছে, আর আজ তাদের প্রতিভা ও পারফরম্যান্সের উপযুক্ত ফল তারা পেয়েছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত মহিলা ক্রিকেটকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আমি গভীরভাবে শুভেচ্ছা জানাই ভারতকে গর্বিত করার জন্য।” বাস্তবিকই, তিরাশিতে কপিল’স ডেভিলস বিশ্বজয়ী হওয়ার পর যেমন দেশের পুরুষ ক্রিকেটের ‘বিশ্বায়ন’ হয়েছিল। হরমনদের এই জয়, ভারতের মহিলা ক্রিকেটের অবিকল বদল ঘটাবে। ২০১৭-সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠে, ঝুলনরা বুঝিয়েছিলেন ভারতের মেয়েরা ক্রিকেট খেলতে পারে। বদল এসেছিল সমর্থকদের মনেও। এবার চ্যাম্পিয়ন। এই জয় শুধু ট্রফি নয়, এ এক যুগবদলের সূচনা। যেমন ২৫ জুন, ১৯৮৩ সালে (Kapil Dev) কপিলের দল লর্ডসে (Lord’s) ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেটের চেহারা পাল্টে দিয়েছিল, তেমনই ২০২৫ সালের এই নভেম্বরের রবিবার মহিলাদের ক্রিকেটের নতুন ভোর।

  • ICC Women’s World Cup: নয়া চ্যাম্পিয়নের অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব! ফাইনালে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা কঠিন লড়াই

    ICC Women’s World Cup: নয়া চ্যাম্পিয়নের অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব! ফাইনালে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা কঠিন লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাপ আর ঠোঁটের মধ্যে রয়েছে একটু ফারাক। অপেক্ষা আর কয়েক ঘণ্টার। সেমিফাইনালে কঠিন প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা (India vs South Africa)। ফাইনালে (ICC Women’s World Cup) যে দলই জিতুক মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপে এবার দেখা যাবে নতুন চ্যাম্পিয়ন। মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে রবিবার নবি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পটেল স্টেডিয়ামের বাইশ গজ পরীক্ষা নেবে দু’দলের। প্রথম বার ফাইনালে উঠেছেন লরা উলভার্টেরা। প্রথম বার ট্রফি জয়ে মরিয়া হরমনপ্রীত কৌরেরাও। শক্তির বিচারে তুল্যমূল্য লড়াই হতে পারে দু’দলের।

    ঘরের মাঠে এগিয়ে ভারত

    ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান মোটেই মধুর ছিল না। দারুণ শুরু করেও পরপর ৩টি ম্যাচ হেরে গিয়েছিল ভারত। তবে সেই দুর্দশা কাটিয়ে পারফরম্যান্সের উপর ভর করেই সেমিফাইনালে ওঠে ভারত। সেখানে তাদের মুখোমুখি হয় অস্ট্রেলিয়া। আর সেই ম্যাচ রুদ্ধশ্বাসভাবে জিতে নেয় ভারতের মেয়েরা। সেমিফাইনালে জেমাইমা দারুণ পারফর্ম করেন। তিনি ১২৭ রানে ছিলেন অপরাজিত। তার ব্যাটের উপর ভর করেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতে ভারত। পৌঁছে যায় ফাইনালে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে এগিয়ে রয়েছে ভারত। কারণ, প্রথমত দেশের মাটিতে হচ্ছে খেলা। ফলে দর্শকরা সাপোর্টে থাকবে। পিচও চেনা। শুধু তাই নয়, অস্ট্রেলিয়াকে দারুণ হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে হরমনপ্রীত ব্রিগেড। তার ফলে আত্মবিশ্বাস থাকবে বেশি। সেটাও ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    অতীত রেকর্ডে কে এগিয়ে

    ওডিআইতে এর আগে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়েরা ৩৪ বার মুখোমুখি হয়েছে। তাতে ভারতের মেয়েরা জিতেছে ২০ বার। আর প্রোটিয়াদের জয় ১৩ বার। এক ম্যাচ অমীমাংসিত। এ বার দেখার রবি-রাতে কোন দল করে বাজিমাত। বিশ্বকাপে যে টিমই জিতবে, সেটি তাদের প্রথম খেতাব। ওডিআই ফর্ম্যাটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এগিয়ে থাকলেও, এবারের ওডিআই বিশ্বকাপে লিগ পর্যায়ের ম্যাচে হেরে গিয়েছে ভারতীয় দল। বিশাখাপত্তনমে (Visakhapatnam) সেই ম্যাচে তিন উইকেটে জয় পায় প্রোটিয়ারা। টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ৪৯.৫ ওভারে ২৫১ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতীয় দল। ৪৮.৫ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ২৫২ রান তুলে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই ম্যাচে ৭৭ বলে ৯৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন রিচা ঘোষ (Richa Ghosh)। রবিবারও তিনি ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে ভারতীয় দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে তৈরি।

    ভারতের মূল শক্তি ব্যাটিং

    হরমনপ্রীতের দলের মূল শক্তি ব্যাটিং। মহিলাদের এক দিনের ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার স্মৃতি মন্ধানা। বিশ্বকাপে ফর্মে আছেন ওপেনার। আটটি ম্যাচে করেছেন ৩৮৯ রান। একটি শতরান এবং দু’টি অর্ধশতরান করেছেন। তাঁর সঙ্গে ইনিংস শুরু করবেন শেফালি বর্মা। এক বছর পর এক দিনের ক্রিকেটে সুযোগ পেয়েছেন। ছন্দে রয়েছেন। অনুশীলনে বড় শট নিচ্ছেন আত্মবিশ্বাসী শেফালি। মন্ধানা-শেফালি ওপেনিং জুটি জমে গেলে পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের রাশ নিয়ে নিতে পারে ভারত। শুধু ওপেনিং নয়, ভারতীয় দলের মিডল অর্ডারও বিশ্বের অন্যতম সেরা। জেমাইমা, হরমনপ্রীত ফর্মে ফিরেছেন। দীপ্তি শর্মা, রিচা ঘোষের মতো আগ্রাসী ব্যাটার নামেন পাঁচ থেকে সাত নম্বরের মধ্যে। রয়েছেন আমনজ্যোৎ কৌরের মতো ব্যাটিং অলরাউন্ডার। হরলিন দেওলের মতো ব্যাটারকে সেমিফাইনালে খেলায়নি ভারত। মুম্বইয়ের চেনা পিচে এই ব্যাটিং লাইন আপের পক্ষে বড় রান তোলা অসম্ভব নয়। এ বারের বিশ্বকাপেই তিনটি ম্যাচে ভারত ৩৩০ বা তার বেশি রান তুলেছে। ব্যাটিং নিঃসন্দেহে ভারতীয় দলের প্রধান শক্তি।

    দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংও বেশ শক্তিশালী

    ভারতীয় দলের আর এক শক্তির জায়গা স্পিন বোলিং। রাধা যাদব, দীপ্তি, স্নেহ রানা এবং শ্রী চরণির মতো স্পিনার রয়েছেন। বিশ্বকাপে ভাল ফর্মে রয়েছেন তিন জনই। দীপ্তি ১৭ উইকেট নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় যুগ্ম সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। চরণি ১৩টি উইকেট নিয়েছেন। চার স্পিনার মিলে আট ম্যাচে নিয়েছেন ৪১টি উইকেট। ভারতীয় বোলারেরা নিয়েছেন ৬৯টি উইকেট। অর্থাৎ, ৫৯.৪২ শতাংশ উইকেট নিয়েছেন স্পিনারেরাই। মুম্বইয়ের ২২ গজে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট নেওয়া তাঁদের পক্ষে কঠিন নয়। বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের পারফরম্যান্স অনেকটাই নির্ভর করবে স্পিনারদের উপর। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংও বেশ শক্তিশালী। উলভার্টদের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হল, প্রথম থেকেই দ্রুতগতিতে রান তুলতে পারেন প্রোটিয়া ব্যাটারেরা। জন্টি রোডসের দেশের মহিলা দলের ফিল্ডিংও বেশ ভাল। দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তির আর একটি জায়গা হল জোরে বোলিং।

    ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের খুঁটিনাটি

    ম্যাচটি কখন শুরু হবে: ভারতীয় সময় অনুসারে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়েদের ওয়ান ডে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৩টে নাগাদ। ম্যাচের আগে ২.৩০মিনিটে টস হবে।

    কোথায় দেখা যাবে: ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়েদের ওয়ান ডে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটির লাইভ টেলিকাস্ট দেখা যাবে টিভিতে স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্কে। এখানে ইংরেজি, হিন্দি এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় খেলা দেখতে পারবেন। মোবাইলে এই ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে জিওহটস্টার অ্যাপ্লিকেশনে। পাশাপাশি জিও হটস্টার ওয়েবসাইটে।

  • ICC Women’s World Cup: ওয়ান্ডার উওম্যান! অস্ট্রেলিয়ার দর্প চূর্ণ, জেমাইমা-হরমনের ব্যাটে বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত

    ICC Women’s World Cup: ওয়ান্ডার উওম্যান! অস্ট্রেলিয়ার দর্প চূর্ণ, জেমাইমা-হরমনের ব্যাটে বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাত মুঠো করে বসে রয়েছে মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, কলকাতা। বদলার এমন সুযোগ, বারবার মেলে না। কিন্তু প্রতিপক্ষ যে অস্ট্রেলিয়া। সাত বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন (ICC Women’s World Cup)। স্কোর বোর্ড বলছে, শুধু কঠিন নয়, তীব্র চাপেরও। নার্ভ একবার ফেল করলে হুড়মুড়িয়ে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। ৩৩৯ রানের পাহাড়প্রমাণ টার্গেট। কিন্তু হার না মানা মনোভাব নিয়েই যেন এদিন মাঠে নেমেছিলেন ২৫ বছরের মেয়ে জেমাইমা রড্রিগস (Jemimah Rodrigues)। দ্বিতীয় ওভারে ব্যাট করতে নামা ২৫ বছরের মেয়ে অবলীলায় সেঞ্চুরি করে গেলেন। প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে যখন হার, সেখান থেকে টিমকে তুলে দিলেন সরাসরি ফাইনালে। নট আউট ১২৭ রানের আশ্চর্য ইনিংস খেলে। নবি মুম্বইয়ের মাঠে প্রথমে ব্যাট করে ৩৩৮ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়া। জেমাইমা ১২৭ ও অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরের ৮৯ রানে ভর করে সেই রান তাড়া করে জিতল ভারত।

    হিলিদের জয়রথ থামালেন হরমনপ্রীতেরা

    ২০১৭ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে এই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ভারত। হরমনপ্রীত কৌর সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেই ইনিংসকেও ছাপিয়ে গেলেন জেমি। অবশ্য এই ম্যাচেও হ্যারি ৮৮ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলে গিয়েছেন। জেমাইমার সঙ্গে হরমনপ্রীতের ১৫৬ বলে ১৬৭ রানের পার্টনারশিপটা না থাকলে কিন্তু জয়ের আনন্দ চোখের জলে বদলে যেত। ২০১৭ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শেষ বার হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। এই ভারতের কাছেই। তার পর থেকে আর এক দিনের বিশ্বকাপে হারেনি তারা। আট বছর পর সেই ভারতের কাছেই হারল অস্ট্রেলিয়া। হিলিদের জয়রথ থামালেন হরমনপ্রীতেরা।

    স্বপ্ন দেখছিলেন জেমি

    নবি মুম্বইয়ে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অ্যালিসা হিলি। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক চেয়েছিলেন, বড় রান বোর্ডে তুলতে। সেই মতোই ভারতীয় বোলিংকে নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ফোব লিচফিল্ড একাই প্রায় ম্যাচটা কেড়ে নিয়েছিলেন। ওপেন করতে নেমে মাত্র ৯৩ বলে ১১৯ রানের ইনিংস খেলেন। চার-ছক্কায় দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলেন দীপ্তি শর্মা, রাধা যাদবরা। তিনটে লাগাতার রান আউট আর দিপ্তীর দুটো উইকেট শেষ পর্বে না থাকলে সেমিফাইনালের গল্প অন্যভাবে লিখতে হত। এলিস প্যারি ৭৭ করেন। অ্যাশলি গার্ডনার ৬৩ করেন। ৩৩৯ রানের টার্গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখা কঠিন! ভারত দেখেছিল। নিভে যেতে যেতে সেই স্বপ্নকে মুঠোতেও ধরল ওই জেমাইমা রড্রিগস আর হরমনপ্রীত কৌরের জন্য। সারা টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে থাকলেও সেমিতে রান পাননি স্মৃতি মান্ধানা। মাত্র ২৪ করে ফেরেন। তাঁর আগে ফিরে গিয়েছেন প্রতীকা রাওয়ালের বদলে ওপেন করতে নামা শেফালি ভার্মা (১০)। শুরুতেই ধাক্কা। বাকি ম্যাচ সামলে দেওয়া যাবে, এমন স্বপ্ন হয়তো অনেকেই দেখছিলেন না। জেমি দেখেছিলেন।

    চোখের জল সামলাতে পারছিলেন না জেমি

    ২০০৩ বিশ্বকাপের সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারত অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনালে ৩৬০ রান তাড়া করে জিততে পারেনি ৷ ২০২৫-এ ভারতের মেয়েরা রেকর্ড ৩৩৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ম্যাচ জিততে তাঁরা সফল। ম্যাচ শেষে তখন কথা বলবেন কী, চোখের জলই সামলাতে পারছিলেন না। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে কাঁদতে কাঁদতেই কোনও মতে মাইক্রোফোনটা হাতে নিয়ে জেমাইমা রড্রিগেজ নিজের মনের সব কথা এদিন ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে বললেন ৷ জেমাইমা বলেন, ‘‘স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। স্বপ্নটা এখনও শেষ হয়নি। সত্যিই গত এক মাসের কাজটা কঠিন ছিল। একা এটা করতে পারিনি। মা, বাবা, কোচ এবং আমার উপর যাঁরা বিশ্বাস রেখেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’’

    জানতাম জ্বলে উঠতে হবে

    ১৩৪ বলে অপরাজিত ১২৭ রানের এরকম দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলবেন, ভাবেননি। জেমাইমা বললেন, ‘‘আমি জানতাম না যে, তিন নম্বরে ব্যাট করতে হবে। মাঠে নামার পাঁচ মিনিট আগে, আমাকে বলা হয়েছিল যে আমি তিন নম্বরে ব্যাট করছি। আজ আমার হাফ-সেঞ্চুরি বা সেঞ্চুরিটা বিষয় নয়। ভারতকে জিতিয়ে আনাই লক্ষ্য ছিল। জেমাইমা আরও বলেন, ‘‘আগে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো আমরা হেরেছি। গত বছর আমাকে এই বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। কোনও কিছুই নিজের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। এই সফরে আমি প্রায় প্রতিদিনই কেঁদেছি। মানসিক ভাবে ভাল জায়গায় ছিলাম না। একটা উদ্বেগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। জানতাম আমাকে জ্বলে উঠতে হবে।’’

    অসাধ্যসাধন করল ভারত

    জ্বলে উঠলেন জেমাইমা। অসাধ্যসাধন করল ভারত। সাত বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে মহিলাদের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেন হরমনপ্রীত কৌরেরা। এক দিনের ক্রিকেটে এটি ভারতের সর্বাধিক রান তাড়া করে জয়। আমানজ্যোত কৌরের ব্যাটে ফাইনাল বাউন্ডারি আসতেই এদিন মাঠে আবেগের বাঁধ ভেঙে যায়। আজ বিশ্ব ক্রিকেট দেখল এক নতুন সূর্যোদয়। মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপের ময়দানে দাপট দেখানো ‘মহা-শক্তিশালী’ অস্ট্রেলিয়া অবশেষে তাদের সিংহাসনচ্যুত হল। রবিবার ফাইনালে ভারতের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। অর্থাৎ, এক দিনের বিশ্বকাপে এবার পাওয়া যাবে এক নতুন চ্যাম্পিয়ন।

     

     

     

     

  • India vs Australia: ভারতের ছন্দে বাধ সাধল বৃষ্টি, ক্যানবেরায় পরিত্যক্ত প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ

    India vs Australia: ভারতের ছন্দে বাধ সাধল বৃষ্টি, ক্যানবেরায় পরিত্যক্ত প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিই শেষ হাসি হাসল। ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৯ ওভার খেলার পর আর খেলা শুরুই করা গেল না। ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন সূর্যকুমার যাদব ও শুভমন গিল। দুজনেই মারমুখি মেজাজে খেলছিলেন। প্রথম ৯ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে ৮২ রান তুলে নেয় ভারত। এদিন ক্যানবেরায় ফের টস হারেন সূর্য। টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ভারতের খেলার পাঁচ ওভার পরেই বৃষ্টি নামে। বৃষ্টি থামলে ফের খেলা শুরু হলেও আবার ঝেঁপে বৃষ্টি। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন ম্যাচ রেফারি। ৯.৪ ওভারে ভারতের রান তখন৯৭। ভালো ছন্দে ব্যাট করছিলেন সূর্যকুমার যাদব ও শুভমন গিল। কিন্তু বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়াল।

    ওয়ান-ডে এর বদলা টি-টোয়েন্টি!

    অস্ট্রেলিয়ার কাছে এক দিনের সিরিজ হারতে হয়েছে শুভমন গিলদের। সূর্যকুমার যাদবেরা কিন্তু টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয় ছাড়া কিছু ভাবছেন না। এশিয়া কাপজয়ী দলকেই মূলত পাঠানো হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সফরে। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজকে আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসাবে দেখছে ভারতীয় শিবির। এই সিরিজ থেকেই বিশ্ব খেতাব ধরে রাখার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে দেবেন কোচ গৌতম গম্ভীর। অন্যদিকে, জসপ্রীত বুমরাহের প্রত্যাবর্তনে টিম ইন্ডিয়ার বোলিং আক্রমণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। ইতিপূর্বে, ওয়ানডে সিরিজে টিম ইন্ডিয়া ১-২ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিল। এই বদলা তারা টি-২০ সিরিজে নিতে চাইবে। তবে ক্যাঙারুদের দেশে এই টি-২০ সিরিজ জয় টিম ইন্ডিয়ার পক্ষে অতটাও সহজ হবে না। তারই মধ্যে বাধা বৃষ্টি।

    সুস্থ হচ্ছেন শ্রেয়স

    প্লীহার ক্ষত সারিয়ে ইতিমধ্যেই অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন শ্রেয়স আয়ার। তাঁর অস্ত্রোপচারও হয়েছে। চিকিৎসকেরা যেমন ভেবেছিলেন তার থেকেও আগে সুস্থ হয়ে উঠছেন ভারতীয় ক্রিকেটার। দাদার পাশে থাকতে সিডনি উড়ে যাচ্ছেন বোন শ্রেষ্ঠা। ভারতীয় বোর্ডই যাবতীয় ব্যবস্থা করে দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বুধবারই তিনি সিডনির উদ্দেশে রওনা দেবেন। শ্রেয়স যত দিন না দেশে ফিরছেন তত দিন তিনি সঙ্গে থাকবেন। এ দিকে, শ্রেয়সের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ছটপুজোয় প্রার্থনা করতে দেখা গিয়েছে সূর্যকুমার যাদবের মা-কে। সিডনির হাসপাতালে অস্ত্রোপচার হয়েছে শ্রেয়সের। দু’দিন আগেই তাঁকে আইসিইউ থেকে বার করা হয়েছে। এখন সাধারণ বেডে রয়েছেন। সেখানেই কর্তব্যরত নার্সদের সঙ্গে হাসিঠাট্টা, মজা করছেন বলে জানা গিয়েছে। বোঝা গিয়েছে, তিনি এখন অনেকটাই স্থিতিশীল।

  • Shreyas Iyer: ড্রেসিংরুমে জ্ঞান হারিয়েছিলেন, এখন কেমন আছেন শ্রেয়স? ফোনে কথা বলছেন, জানালেন সূর্য

    Shreyas Iyer: ড্রেসিংরুমে জ্ঞান হারিয়েছিলেন, এখন কেমন আছেন শ্রেয়স? ফোনে কথা বলছেন, জানালেন সূর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভালো আছেন দেশের তারকা ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)। আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিনি। ফোনে কথা বলছেন, মেসেজের উত্তরও দিচ্ছেন। এমনটাই জানালেন ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav)। তবে শ্রেয়সকে নিয়ে খুবই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি হয়েছিল ভারতের ড্রেসিংরুমে। জানা গিয়েছে, সাজঘরে অজ্ঞানও হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে, আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন শ্রেয়স। কবে শ্রেয়সকে নিয়ে ভারতে ফিরতে চান তাঁরা, সে কথা জানিয়েছেন সূর্য।

    অনেকটা সুস্থ শ্রেয়স

    বুধবার থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু ভারতের। তার আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে শ্রেয়সের শারীরিক অবস্থা কেমন, সেই প্রশ্ন করা হয়েছিল সূর্যকে। জবাবে ভারতের টি২০ অধিনায়ক বলেন, “আমার কথা হয়েছে ওর সঙ্গে। ওর চোটের কথা জানতে পেরেই ফোন করেছিলাম। কিন্তু পরে বুঝলাম ওর ফোন তো সঙ্গে থাকবে না। তাই ফিজিয়ো কমলেশ জৈনকে ফোন করি। উনি বলেন, শ্রেয়স স্থিতিশীল রয়েছে। তবে গত দু’দিন ধরে শ্রেয়সের সঙ্গে কথা হচ্ছে। যখন ও কথা বলতে পারছে, মেসেজের জবাব দিতে পারছে, তার মানে ও এখন অনেকটাই সুস্থ।”

    চিকিৎসকেরা নজরে রেখেছেন

    সূর্য (Suryakumar Yadav) জানিয়েছেন, চিকিৎসকেরা শ্রেয়সের (Shreyas Iyer) দিকে নজর রেখেছেন। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ভারতের টি২০ অধিনায়ক বলেন, “চিকিৎসকেরা ওর সঙ্গে রয়েছে। সব কিছু ঠিক রয়েছে। কিন্তু ওকে কয়েক দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। আমরাও যোগাযোগ রাখছি।” সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে পাঁজরে চোট পেয়েছিলেন শ্রেয়স। দ্রুত তাঁকে ড্রেসিংরুমে নিয়ে আসা হয়। পরে বোঝা যায়, শ্রেয়সের চোট অত্যন্ত গুরুতর। সূত্রের মতে, ড্রেসিংরুমে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আচমকাই রক্তচাপ অনেকটা নেমে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শ্রেয়সকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। এখন অবশ্য তাঁকে আইসিইউ থেকে বের করা হয়েছে। সর্বক্ষণ শ্রেয়সের পাশে থাকার জন্য বোর্ডের তরফে চিকিৎসক রিজওয়ান খানকে রেখে দেওয়া হয়েছে। বাকি দল ক্যানবেরায় চলে গিয়েছে।

    সিডনিতে যাচ্ছে শ্রেয়সের পরিবার

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে, “সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় ওয়ানডেতে ফিল্ডিং করার সময় শ্রেয়স আইয়ারের বাঁদিকের পাঁজরের নীচের অংশে আঘাত লাগে। স্ক্যানে প্লীহায় আঘাতের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।” প্লীহায় আঘাতের কারণেই শুরু হয় রক্তক্ষরণ। জানা গিয়েছে, শ্রেয়সের পরিবারকে দ্রুত সিডনিতে পাঠানো হচ্ছে। চিকিৎসকদের অনুমান, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে তারকা ব্যাটারের অন্তত তিনমাস সময় লাগবে। রিকভারির সময়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে শ্রেয়সকে।

  • Shreyas Iyer: ক্যাচ ধরতে গিয়ে চোট, পাঁজরের ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ, আইসিইউতে ভর্তি শ্রেয়স

    Shreyas Iyer: ক্যাচ ধরতে গিয়ে চোট, পাঁজরের ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ, আইসিইউতে ভর্তি শ্রেয়স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিডনিতে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্স ক্যারের ক্যাচ ধরতে গিয়ে পাঁজরে গুরুতর চোট পান শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)। ক্যাচ ধরলেও ভুল ল্যান্ডিংয়ের ফলে তাঁর বাঁদিকে পাঁজরে চোট লাগে। ব্যথায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ফিজিও এসে তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেন। এর পর তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে চেকআপের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে ভর্তি করা হয় সেখানকার একটি হাসপাতালে। বোর্ড সূত্রে খবর, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষণের জন্য ভারতীয় ওয়ানডে দলের সহ-অধিনায়ককে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। আপাতত দুই থেকে সাত দিন পর্যন্ত শ্রেয়সকে আইসিইউতে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

    দুই থেকে সাতদিন পর্যবেক্ষণে শ্রেয়স

    বোর্ড সূত্রে খবর, ভারতীয় দল অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরলেও শ্রেয়স ফেরেননি। তাঁকে চিকিৎসার জন্য সিডনিতেই রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিসিআই। শ্রেয়স (Shreyas Iyer) গত কয়েকদিন ধরেই হাসপাতালে রয়েছেন। রিপোর্টে এসেছে, তাঁর অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাঁকে দুই থেকে সাতদিন ধরে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। চেষ্টা করা হচ্ছে রক্তক্ষণের ফলে যাতে ওর ইনফেকশন না হয়। বোর্ড এবং মেডিক্যাল টিম কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।

    দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে অনিশ্চিত শ্রেয়স

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শ্রেয়সের (Shreyas Iyer) পাঁজরে কোনও ফ্র্যাকচার না থাকলেও সম্পূর্ণ সেরে উঠতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। ফলে সিডনির হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত তিনি ভারতে ফিরবেন না। তাঁর এই ইনজুরির কারণে অন্তত ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে বলে চিকিৎসকদের অনুমান। চিকিৎসকদের কথায়, ‘আপাতত দুই থেকে সাত দিন পর্যন্ত শ্রেয়সকে আইসিইউতে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। তাঁর সেরে ওঠার গতি অনুযায়ী এই সময়কাল নির্ধারণ করা হবে। রক্তক্ষরণের ফলে কোনওভাবেই যাতে সংক্রমণ না ঘটে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।’ ফলে তাঁর দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে অংশগ্রহণ এখন কার্যত অনিশ্চিত। অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে এরই মধ্যে বিরাট কোহলি লন্ডনে ফিরে গিয়েছেন, রোহিত শর্মা ও কেএল রাহুল দেশে ফিরেছেন।

  • Australian Women’s Team: অস্ট্রেলিয়ার দুই মহিলা ক্রিকেটারকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার ১

    Australian Women’s Team: অস্ট্রেলিয়ার দুই মহিলা ক্রিকেটারকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার ১

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: অস্ট্রেলিয়ার দুই মহিলা ক্রিকেটারের (Australian Women’s Team) পিছু ধাওয়া করে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার এক। ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে (Madhya Pradesh)। যদিও ঘটনার একদিন আগে বুধবার ইন্দোরে হলোকার স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছিল। ভারত যেখানে মহিলা বিশ্বকাপের আয়োজন করেছে, সেখানে এই রকম অপ্রীতিকর ঘটনা অত্যন্ত সংবেদনশীল। তবে মোহন যাদবের সরকার অত্যন্ত তৎপর হয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    ক্যাফেতে হেঁটে যাওয়ার সময় ঘটে (Australian women’s team)

    এক বিবৃতিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) জানিয়েছেন, “ইন্দোরের (Madhya Pradesh) একটি ক্যাফেতে হেঁটে যাওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়ান মহিলা দলের (Australian Women’s Team)  দুই সদস্যকে একজন মোটরসাইকেল আরোহী অশ্লীল ইঙ্গিত করে। তাঁদের সংবেদনশীল জায়গায় স্পর্শ করে অভিযুক্ত। দলের নিরাপত্তারক্ষীরা বিষয়টি স্থানীয় পুলিশকে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছেন অফিসাররা।”

    বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সইকিয়া এই ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেছেন। তিনি বলেন, “ভারত তার আতিথেয়তা এবং যত্নের জন্য পরিচিত। এই ধরনের ঘটনার প্রতি আমাদের কোনও রকম সংবেদনশীলতা নেই। অপরাধীকে গ্রেফতারের জন্য রাজ্য পুলিশ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমরা তাদের প্রশংসা করি। নিরাপত্তা আরও জোরদার করার জন্য প্রয়োজন হলে আমরা আমাদের সুরক্ষার প্রোটোকলকে আরও সক্রিয় থাকার বার্তা দেব।”

    অভিযুক্তের নাম আকিল খান

    ইন্দোরের (Madhya Pradesh) অতিরিক্ত ডিসিপি ক্রাইম ব্রাঞ্চ রাজেশ দন্ডোটিয়া বলেন, “অস্ট্রেলিয়া মহিলা দলের (Australian Women’s Team) নিরাপত্তারক্ষীদের কাছ থেকে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। দুই খেলোয়াড় তাঁদের হোটেলে ফেরার সময় খাজরানা রোড এলাকায় অশালীন আচরণের সম্মুখীন হয়েছেন। এরপর ওইদিন রাতে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তের নাম আকিল খান। সাদা শার্ট, কালোটুপি এবং হেলমেট ছাড়াই কালো মোটর সাইকেলে ঘুরছিল এলাকায়। তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। তদন্ত করে আমরা রেকর্ড খতিয়ে দেখছি।”

    তবে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিমানী মিশ্র পরে দুই খেলোয়াড়ের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের বক্তব্য রেকর্ড করেন। এরপর, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৭৪ এবং ৭৮ ধারায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়।

  • India Beats Australia: ফের উঠল বিশ্বকাপের দাবি! রো-কো জুটির দাপটে অস্ট্রেলিয়ায় সান্ত্বনা জয় ভারতের

    India Beats Australia: ফের উঠল বিশ্বকাপের দাবি! রো-কো জুটির দাপটে অস্ট্রেলিয়ায় সান্ত্বনা জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রো-কো জুটির দাপটে সিডনিতে সান্ত্বনা জয় পেল শুভমনের ভারত। রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির ১৬৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি জয় এনে দিল দলকে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচে সম্মানের লড়াইয়ে জিতে লজ্জা এড়াল ভারত। এক দিনের ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসাবে প্রথম জয় পেলেন শুভমন গিল। শনিবার সিডনিতে ভারত জিতল ৯ উইকেটে। অস্ট্রেলিয়ার ২৩৬ রানের জবাবে ভারত ৩৮.৩ ওভারে ১ উইকেটে করল ২৩৭ রান। বহু দিন পর রো-কো জুটির দাপট দেখলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। ২২ গজে পরস্পরকে পেয়ে সাবলীল ব্যাটিং করলেন। বুঝিয়ে দিলেন, বয়স তাঁদের ৩৬-৩৮ যাই হোক, মিচেল স্টার্ক-জশ হেজলউডদের মতো বোলারদের শাসন করার মতো ক্ষমতা এখনও রয়েছে। বুঝিয়ে দিলেন, ঠিকঠাক শট মারলে বল বাউন্ডারি লাইনে গিয়েই থামে।

    ক্যাচ ধরেও রেকর্ড কোহলির

    প্রথম দু’ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন কোহলি। সিডনিতে প্রবল চাপে ছিলেন। মনে হচ্ছিল ফের যেন প্রথম ম্যাচ খেলার পরীক্ষা দিতে হচ্ছে বিরাটকে। কিন্তু তিনি কিং কোহলি। দিনটা যেন ছিল তাঁরই। প্রথমে দুরন্ত ক্যাচ। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচে নজর কাড়লেন ফিল্ডার বিরাট কোহলি। ০.৬৭ সেকেন্ড সময়ে ম্যাথু শর্টের ক্যাচ ধরেছেন ৩৬ বছরের ক্রিকেটার। শুধু তাই নয়, শনিবার সিডনিতে ফিল্ডার হিসাবে একটি নজির গড়েছেন কোহলি। ফিল্ডার হিসাবে মাইলফলক স্পর্শ করেছেন রোহিত শর্মাও। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ২৩তম ওভারে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে জোরালো সুইপ মেরেছিলেন শর্ট। কোহলির কাছে সময় কম ছিল। তা-ও অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে ক্যাচ ধরেন তিনি। পরে হর্ষিত রানার বলে কুপার কোনোলির ক্যাচও ধরেছেন কোহলি। এ দিনের জোড়া ক্যাচে গড়েছেন একটি নজির। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনও একটি দেশের বিরুদ্ধে সাধারণ ফিল্ডার হিসাবে (উইকেটরক্ষক নয়) সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরার বিশ্বরেকর্ড করলেন কোহলি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে কোহলির ক্যাচের সংখ্যা হল ৭৭। তিনি টপকে গেলেন অস্ট্রেলিয়ারই স্টিভ স্মিথকে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৭৬টি ক্যাচ ধরেছেন স্মিথ। শনিবার সিডনিতে দু’টি ক্যাচ নিয়েছেন রোহিতও। সাধারণ ফিল্ডার হিসাবে (উইকেটরক্ষক নয়) এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি ক্যাচ ধরার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন প্রাক্তন অধিনায়ক।

    রোহিতের সঙ্গে ভাল জুটি বাঁধেন কোহলির

    সিডনিতে ১১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে শুভমন গিলকে আউট করেন জশ হেজলউড। শুভমন সাজঘরে ফেরার পর কোহলি যখন নামছেন তখন শব্দের ডেসিবল বাড়ছে। কিন্তু কোহলি চুপচাপ ছিলেন। বোঝা যাচ্ছিল, আগের দুই ম্যাচের ব্যর্থতায় চাপে রয়েছেন তিনি। হেজলউডের প্রথম বল মিড অনে মেরেই অপর প্রান্তে ছোটেন কোহলি। এক রান পূর্ণ করার পরেই গোটা মাঠ জুড়ে উল্লাস। ভারতীয় সমর্থকেরা উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দেন। কোহলিকেও দেখা যায়, রোহিতের দিকে তাকিয়ে ‘ফিস্টপাম্প’ করছেন। ভাবখানা এমন, শতরান করেছেন। কোহলির মুখের হাসি দেখে বোঝা যায়, কতটা স্বস্তি পেয়েছেন তিনি। সেই এক রানের পর কোহলিকে বেশ সাবলীল দেখায়। কয়েকটি চার মারেন। পাশাপাশি দৌড়ে রান করেন। রোহিতের সঙ্গে ভালো জুটি বাঁধেন কোহলি।

    রোহিতের ঝকঝকে শতরান

    ১০৫ বলে এক দিনের ক্রিকেটে নিজের ৩৩তম শতরান করলেন রোহিত। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ১২৫ বলে ১২১ রানের ইনিংস খেলে। তাঁর ব্যাট থেকে এল ১৩টি চার এবং ৩টি ছয়। ২২ গজের অন্য প্রান্তে কোহলি অপরাজিত থাকলেন ৮১ বলে ৭৪ রান করে। মারলেন ৭টি চার। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তাঁরা। রো-কো জুটি দেখিয়ে দিল ব্যাটিং করা কত সহজ। সাত মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন দু’জনেই। প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন সাড়ে চার মাস। রো-কো দু’ম্যাচে প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেননি। তাতেই গেল গেল রব উঠে গিয়েছিল। তাঁদের ক্রিকেট ভবিষ্যৎকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল অনিশ্চয়তার কানা গলিতে। ভারতীয় দলের দুই সিনিয়র ব্যাটার জুটি বেঁধে খোলস ছাড়তেই ঝকঝকে দেখাল শুভমনের দলকে।

    নজির বিরাট-রোহিতের

    একদিন ও আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে মোট রানের নিরিখে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্য সবার আগে কিং কোহলি। ১৮হাজার ৪৩৭ রান রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এরপরে রয়েছেন সচিন তেন্ডুলকার (১৮,৪৩৬ রান)। একদিনের ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ১৫০ রানের অতিরিক্ত পার্টনারশিপ ১২ বার করেছেন রো-কো জুটি। তাঁরা সচিন ও সৌরভের সঙ্গে একই সারিতে রয়েছে। এদিন শতরান করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০তম শতরান করলেন রোহিত শর্মা। টেস্টে ১২টি, একদিনের ম্যাচে ৩৩টি ও ৫টি শতরান রয়েছে টি-টোয়েন্টিতে।

    ২০২৭ বিশ্বকাপের দাবি

    ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে অনেক সময় রয়েছে। রো-কো’র কাছে ধারাবাহিকতা চাইবেন গম্ভীর। প্রতি ম্যাচে পরীক্ষায় বসতে হবে দুই সিনিয়র ক্রিকেটারকে। তরুণ প্রতিভাবান ব্যাটারেরা লাইন দিয়ে অপেক্ষা করছেন। এই চাপ নিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবনের শেষটুকু টিকিয়ে রাখতে হবে রোহিত এবং কোহলিকে। সূচি অনুযায়ী, আগামী বিশ্বকাপের আগে আরও ২১টি এক দিনের ম্যাচ খেলবে ভারত। ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের সিরিজ রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড (দু’টি), আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে রয়েছে তিনটি অ্যাওয়ে ম্যাচ। ‘ফর্ম টেম্পোরারি। ক্লাস পার্মানেন্ট।’ ক্রিকেটের বহু ক্লিশে হয়ে যাওয়া প্রবাদ, বিশ্বকাপের আগে এভাবে বারবার প্রমাণ করতে হবে রোহিতদের। আসলে পুরনো হয়ে যাওয়া মানেই তো সবকিছুকে বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া যায় না। যেমনটা ফেলে দেওয়া যায় না রোহিত শর্মা বা বিরাট কোহলিদের মতো ‘বুড়ো’ ব্যাটারদের। অন্তত ওয়ানডে ফরম্যাটে যে তাঁরা এখনও অপ্রতিরোধ্য এবং অতুলনীয়, সেটা অজিদের বিরুদ্ধে সিডনিতে আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন দুই মহারথী।

  • Neeraj Chopra: ‘গোল্ডেন বয়’-এর মুকুটে নয়া পালক, নীরজ চোপড়া হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল

    Neeraj Chopra: ‘গোল্ডেন বয়’-এর মুকুটে নয়া পালক, নীরজ চোপড়া হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গোল্ডেন বয়’ নীরজ চোপড়ার Neeraj Chopra) মুকুটে নয়া পালক। অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে টেরিটোরিয়াল আর্মিতে সাম্মানিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত করা হল। নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় আয়োজিত এই “পিপিং সেরিমনি” নীরজ চোপড়ার জীবনের আর একটি গৌরবময় মাইলফলক হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে রইল। নীরজ হলেন সেই ক্রীড়াবিদ, যিনি বিশ্বমঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন একাধিকবার। অনুষ্ঠান চলার সময়ই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) নীরজ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

    কী বললেন রাজনাথ? (Neeraj Chopra)

    এই জ্যাভলিন চ্যাম্পিয়নের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “নীরজ অধ্যবসায়, দেশপ্রেম এবং শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের ভারতীয় চেতনার জীবন্ত প্রতীক।” রাজনাথ নীরজের প্রেরণাদায়ী যাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করেন। হরিয়ানার একটি ছোট্ট গ্রাম থেকে শুরু করে তিনি কীভাবে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের শীর্ষে পৌঁছলেন, তাঁর সেই অসামান্য সাফল্য এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “লেফটেন্যান্ট কর্নেল (সাম্মানিক) নীরজ চোপড়া শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা এবং জাতীয় গৌরবের সর্বোচ্চ আদর্শের প্রতীক। তিনি ক্রীড়া জগতের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন (Neeraj Chopra) সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, ভারতীয় সেনা ও টেরিটোরিয়াল আর্মির প্রবীণ আধিকারিকরা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    নীরজের পথ চলা

    ২০১৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন নীরজ। সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রাচীন ও সর্বাধিক সম্মানিত পদাতিক রেজিমেন্ট রাজপুতানা রাইফেলসে যোগ দেন। নীরজ ইতিহাসে নিজের নাম অমর করে তুলেছেন ২০২০ সালে, টোকিও অলিম্পিক্সে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে ভারতের প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী অ্যাথলিট হয়ে। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিক্সে রৌপ্যপদক জয় এবং ২০২৩ সালে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতে নীরজ প্রমাণ করেছেন, তিনি বিশ্বের অন্যতম ধারাবাহিক জ্যাভলিন থ্রোয়ার।

    এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস এবং ডায়মন্ড লিগ প্রতিযোগিতায়ও একাধিক স্বর্ণপদক জয় করেছেন নীরজ। এভাবে বিশ্বমঞ্চে নীরজ উজ্জ্বল করেছেন ভারতের নাম (Rajnath Singh)। নীরজের ব্যক্তিগত সেরা থ্রো ৯০.২৩ মিটার (২০২৫) ভারতীয় ক্রীড়া ইতিহাসে এক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি (Neeraj Chopra) শুধু শারীরিক দক্ষতার নয়, বরং জাতীয় গৌরব ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।

LinkedIn
Share