Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • ICC World cup 2023: রোহিত অধিনায়ক, হার্দিক সহকারী! বিশ্বকাপের জন্য ১৫ জনের দল ঘোষণা ভারতের

    ICC World cup 2023: রোহিত অধিনায়ক, হার্দিক সহকারী! বিশ্বকাপের জন্য ১৫ জনের দল ঘোষণা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেই কোনও চমক। আসন্ন একদিনের বিশ্বকাপের (ICC ODI World Cup 2023) জন্য ১৫ জন সদস্যের দল (India Squard) ঘোষণা করল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এশিয়া কাপের ১৭ জনের দল থেকে দু’জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এশিয়া কাপের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তিলক বর্মা এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে। জায়গা হয়নি রিজার্ভ সদস্য হিসাবে শ্রীলঙ্কায় এশিয়া কাপ খেলতে যাওয়া সঞ্জু স্যামসনেরও। ভারতের মাটিতে আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ। ২০১১ সালের পর ফের একবার ভারতে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    কাদের নিয়ে আলোচনা

    এদিন দুপুরে শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডি শহরে সাংবাদিক বৈঠক করে দল ঘোষণা করেন রোহিত শর্মা ও নির্বাচক কমিটির প্রধান অজিত আগারকার। দল ঘোষণার আগে অজিত বলেন, সবদিক বিবেচনা করেই দল বাছা হয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পর অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে বিশ্বকাপের দল নিয়ে আলোচনা করেছিলেন প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার। গত শনিবার মধ্যরাতের আলোচনায় যে ১৫ জনের নাম চূড়ান্ত হয়েছিল, তাঁরাই জায়গা পেয়েছেন বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে। জাতীয় নির্বাচকদের বৈঠকে বিভিন্ন ক্রিকেটারের বিভিন্ন নাম নয়ে আলোচনা হলেও বিশ্বকাপ দলে তেমন বড় কোনও পরিবর্তন করল না বিসিসিআই। সবথেকে বেশি আলোচনায় ছিল কেএল রাহুল, যুজবেন্দ্র চাহল ও রবিচন্দ্র অশ্বিনকে নিয়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, শুধু রাহুলই সুযোগ পেলেন। রাহুলকে দলে রাখা হয়েছে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসাবে।

    আরও পড়ুন: রবিবার ফের ভারত-পাক মহারণ! নেপালকে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রোহিতরা

    দলে রইলেন কারা

     ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করতে হবে অংশগ্রহণকারী দেশগুলিকে। সেই মতো দল ঘোষণা করল ভারত। ঘোষিত ১৫ জনের দলে অবশ্য প্রয়োজনে পরিবর্তন করা যাবে। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করতে হবে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। ১৫ জনের দলে রয়েছেন পাঁচ জন ব্যাটার, দু’জন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার, চার জন অলরাউন্ডার, তিন জন জোরে বোলার এবং এক জন স্পিনার। দলকে নেতৃত্ব দেবেন রোহিত শর্মা। সহ অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। দল ঘোষণার পর রোহিত বলেন, ‘ব্যাটিং, বোলিং সব বিভাগের সেরা বেছে নেওয়া হয়েছে।’ 

    ভারতের ১৫ জনের দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমন গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, ঈশান কিশান, কেএল রাহুল, হার্দিক পান্ডিয়া (সহ অধিনায়ক), সূর্যকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাডেজা, অক্ষর প্যাটেল, শার্দূল ঠাকুর, জশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ ও কুলদীপ যাদব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup 2023: রবিবার ফের ভারত-পাক মহারণ! নেপালকে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রোহিতরা 

    Asia Cup 2023: রবিবার ফের ভারত-পাক মহারণ! নেপালকে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রোহিতরা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালকে ১০ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে উঠল ভারত। সুপার ফোরে ভারতের প্রথম খেলা ১০ সেপ্টেম্বর। আগামী রবিবার, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন রোহিতেরা। আবারও বাইশ গজে চির প্রতিদ্বন্দ্বি দুই দেশের লড়াই দেখার আশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।

    ভারত-পাক ক্রিকেট যুদ্ধ

    এবারের এশিয়া কাপে তিনবার ভারত-পাকিস্তানের লড়াই দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবারের গ্রুপ ম্যাচ বৃষ্টিতে মাঝপথেই ভেস্তে যায়। তবে গ্রুপ লিগের খেলা শেষ হওয়া মাত্রই এটা নিশ্চিত হয়ে যায় যে, সুপার ফোর রাউন্ডে ফের দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। পাকিস্তান ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সুপার ফোরের টিকিট আগেই নিশ্চিত করেছিল। সোমবার নেপালকে টপকে সুপার ফোর রাউন্ডে প্রবেশ করে টিম ইন্ডিয়া। আগামী রবিবারের ভারত-পাক ম্যাচটি খেলা হওয়ার কথা কলম্বোর আর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে।

    রোহিতদের অন্য ম্যাচ

    রোহিতদের পরের খেলা ১২ সেপ্টেম্বর। প্রতিপক্ষ গ্রুপ বি-র শীর্ষে থাকা দল। গ্রুপ বি থেকে কোন দুই দল সুপার ফোরে যাবে তা এখনও ঠিক হয়নি। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান ম্যাচের পরেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে এখন যা পরিস্থিতি তাতে সুপার ফোরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের। শ্রীলঙ্কা যদি আফগানিস্তানকে হারায় তা হলে তারা হবে গ্রুপ বি-র শীর্ষে থাকা দল। অর্থাৎ, ১২ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলবে ভারত।সুপার ফোরে ভারতের শেষ ম্যাচ ১৫ সেপ্টেম্বর। সেই ম্যাচে গ্রুপ বি-র দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। সুপার ফোরে চারটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে ১টি করে ম্যাচ খেলবে। লিগ টেবিলের প্রথম দুইয়ে থাকা ২টি দল পরস্পরের বিরুদ্ধে খেতাবি লড়াইয়ে মাঠে নামবে। সুতরাং, সুপার ফোর রাউন্ডের বাধা টপকে ভারত-পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফের দেখা যেতে পারে ভারত-পাক মহারণ। 

    আরও পড়ুন: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    নেপালের বিরুদ্ধে সহজ জয়

    বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে নেপালকে ১০ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে জায়গা করে নিল ভারত। কাট-অফ সময়ের ৫ মিনিট আগে খেলা শুরু করতে পারেন আম্পায়ারেরা। প্রথমে ভারতের সামনে লক্ষ্য ছিল ৫০ ওভারে ২৩১ রান। বৃষ্টির কারণে লক্ষ্য কমে দাঁড়ায় ২৩ ওভারে ১৪৫ রান। সহজেই সেই রান তুলে নেন রোহিত শর্মারা।  ৩৯ বলে অর্ধশতরান করেন রোহিত। ১৪ ওভারের মধ্যে ১০০ রানে জুটি গড়েন তাঁরা। দ্রুত খেলা শেষ করার চেষ্টা করছিলেন ভারতের দুই ওপেনার। শুভমনও নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ বল বাকি থাকতে ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় ভারত। রোহিত ৭৪ ও শুভমন ৬৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • R Praggnanandhaa: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    R Praggnanandhaa: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৮ বছর। এর মধ্যেই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছেন। বিশ্বনাথন আনন্দের পর তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি এই কৃতিত্ব গড়লেন। যদিও জিততে পারেননি। কিন্তু ভারতীয়দের মধ্যে দাবা নিয়ে আগ্রহ তৈরি করার কাজটা করে ফেলেছেন রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। সোমবার সকালে বাইপাসের ধারে একটি পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তামিল তরুণ দাবাড়ু। সেখানেই বিশ্বকাপের শিক্ষা থেকে প্রিয় ক্রিকেটার একাধিক বিষয়ে নিজের মতামত জানালেন প্রজ্ঞানন্দ।

    মন ভাল করে সিনেমা

    দাবা ছাড়াও তাঁর পছন্দের বিষয় হল সিনেমা। দাবা থেকে বিরতি নিয়ে মন ভাল রাখার জন্য সব রকমের সিনেমা দেখেন বলে জানালেন প্রজ্ঞা। এছাড়া ক্রিকেটও দেখেন। ৩৬ মিনিটের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রজ্ঞানন্দ বললেন, “আমি ক্রিকেট দেখি। ভারতীয় দলের খেলা দেখতে ভাল লাগে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন আমার প্রিয় খেলোয়াড় কারণ ও দাবা খেলতে পছন্দ করে।”

    মা মানসিক জোর

    তিলোত্তমায় বসেছে দাবার সর্বভারতীয় আসর। বিগত কয়েকবছর ধরে এই প্রতিযোগিতার অন্যতম মুখ ছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ। কিন্তু চলতি বছরে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের থেকেও আর্কষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। বিশ্বকাপের সময় দেখা গিয়েছে, প্রজ্ঞার মা নাগালক্ষ্মী সব সময় তাঁর পাশে রয়েছেন। প্রজ্ঞা মনে করেন দাবা খেলতে গেলে, পরিবারের পাশে থাকাটা খুব প্রয়োজন। প্রজ্ঞানন্দ বললেন, “প্রতিপক্ষ হয়তো আমার মুখ দেখে বুঝতে পারে না, আমি চাপে আছি কি না। কিন্তু মা পারে। আমার মুখ দেখে মা বলে দিতে পারে ম্যাচের কোন সময় আমি একটু চিন্তিত। মায়ের পাশে থাকাটা আমার কাছে খুবই বড় একটা মানসিক জোর। প্রতিযোগিতা যখন চলে, সেই সময় আমার মাথায় দাবা ছাড়া আর কিছু থাকে না। মা সব কিছু সামলে নেয়। বাইরে খেলতে গিয়ে আমি যাতে ঘরের খাবার খেতে পারি, সেই ব্যবস্থাও করে মা। ভারতীয় খাবার খেতেই পছন্দ করি আমি।”

    আরও পড়ুন: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    এই তো সবে শুরু

    বিগত কয়েক বছরে উল্কার গতিতে উত্থান হয়েছে তাঁর। প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে সামনের সারিতে উঠে এসেছেন প্রজ্ঞা। তবে আত্মতুষ্টিকে নিজের মধ্যে জায়গা দিতে নারাজ তামিল তরুণ। তাঁর কথায়, ‘আমি মনে করি অনেক অনেক দূর যেতে হবে। এই তো সবে শুরু। আমি এসব নিয়ে ভাবছি না। কঠিন পরিশ্রম করছি। খেলার প্রতি ফোকাস করছি।’ একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘মানসিকভাবে ঠিক থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক দিক থেকে ভালো থাকতে হয়। একইসঙ্গে শারীরিক সুস্থতা প্রয়োজন । আক্রমণ এবং রক্ষণ দুটোই খেলার অঙ্গ। কিছু কিছু সময় বদল করতে হয় রণকৌশল।’ বিশ্ব ক্রমতালিকায় ১৯ নম্বরে উঠে এসেছেন প্রজ্ঞানন্দ। ভারতীয়দের মধ্যে তাঁর সামনে ডি গুকেশ (অষ্টম) এবং বিশ্বনাথন আনন্দ (নবম)। প্রজ্ঞানন্দ জানালেন তাঁর দাবা শেখার পিছনে বিরাট কৃতিত্ব রয়েছে আনন্দের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup 2023: বুমরাহীন টিম ইন্ডিয়া! আজ এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি রোহিতরা

    Asia Cup 2023: বুমরাহীন টিম ইন্ডিয়া! আজ এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি রোহিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত পাকিস্তান মহারণ ভেস্তে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। দুই দলের ঝুলিতে জমা পড়েছিল এক পয়েন্ট করে। সেই সুবাদে বাবর আজামরা এশিয়া কাপের সুপার ফোরে জায়গা পাকা করে ফেলেছে। কারণ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান বড় ব্যাবধানে হারিয়েছিল নেপালকে। এক পয়েন্ট নিয়ে আপাতত দ্বিতীয় স্থানে টিম ইন্ডিয়া। এই পরিস্থিতিতে নেপালের মুখোমুখি হওয়ার আগে দেশে ফিরলেন দলের এক নম্বর বোলার যশপ্রীত বুমরাহ। বাবা হলেন তিনি। সোমবার সকালে সোশ্যাল সাইটে এই খবর শেয়ার করেন তিনি।

    আজ, সোমবার নেপালকে হারাতে পারলেই রোহিত বাহিনীও সুপার ফোরে পৌঁছে যাবে। রোহিতরা সুপার ফোরে পৌঁছলে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বুমরাহ। তবে হেরে গেলেই বিপদ। সেক্ষেত্রে খালি হাতে দেশে ফিরতে হবে রাহুল দ্রাবিড়ের দলকে। যা বিশ্বকাপের আগে মোটেও ভালো বিজ্ঞাপন হবে না। আর বৃষ্টিতে যদি ম্যাচ ভেস্তে যায়, তাহলে সুবিধা পাবে ভারত।

    টপ অর্ডার নিয়ে চিন্তা

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের টপ অর্ডার ব্যাট্যাররা ব্যর্থ হয়েছিলেন। শাহিন আফ্রিদির আগুনে বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেননি রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, শুভমান গিল। তাই সুপার ফোর লড়াইয়ে নামার আগে রোহিত, কোহলিরা অবশ্যই চাইবেন রানে ফিরতে। কারণ এর পর লড়াই আরও কঠিন। ফের মুখোমুখি হবে ভারত পাকিস্তান। তাই দুর্বল নেপালের বিরুদ্ধে ভারতীয় টপ অর্ডার কেমন পারফর্ম করেন, সেদিকে নজর থাকবে। চার নম্বর নিয়ে ভারতীয় দলের মাথাব্যাথা নতুন নয়। অনেকেই আশা করেছিলন, শ্রেয়স আইয়ার ফিট হয়ে দলে ফেরায় তিনি সমস্যার সমাধানে সফল হবেন। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরুটা ভালো করেও হঠাৎ উইকেট ছুড়ে দেন তিনি। সেদিন যদি ঈশান কিষান ও হার্দিক পান্ডিয়া হাল না ধরতেন তাহলে সমস্যায় পড়ত ভারত। কিন্তু ঈশানের ৮২ ও হার্দিক এর ৮৭ টিম ইন্ডিয়াকে স্বস্তি দিয়েছিল।

    বাবা হলেন বুমরাহ

    এই ম্যাচে আবার পাওয়া যাবে না বুমরাহকে। আচমকা তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। প্রথম বার বাবা হয়েছেন ভারতের তারকা পেসার। আর সেই কারণেই নাকি মাঝে ক’টা দিন ছুটি নিয়ে মুম্বইয়ে স্ত্রী এবং পরিবারের কাছে রয়েছন তিনি। খুশির খবর পুত্র সন্তান হয়েছে। নাম রাখা হয়েছে অঙ্গদ। নিজেই সোশ্যাল সাইটে এই খবর জানিয়েছেন তিনি। ভারতীয় দল সুপার ফোরে কোয়ালিফাই করলেই, তিনি দলের সঙ্গে আবার যোগ দেবেন বলে খবর। তাই খেলতে পারেন মহম্মদ শামি। বাকি দুই পেসার হতে পারেন সিরাজ ও শার্দুল ঠাকুর। স্পিনার হিসাবে জাদেজার সঙ্গী হবেন কুলদীপ যাদব। নেপালের হারানোর কিছু নেই। ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামা তাদের কাছে বড় অভিজ্ঞাতা সঞ্চয়ের সুযোগ।

  • Mohun Bagan vs East Bengal: ডার্বি হেরে মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের! জবাব ফেরান্দোর

    Mohun Bagan vs East Bengal: ডার্বি হেরে মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের! জবাব ফেরান্দোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডার্বি এবং ডুরান্ড কাপ জিতেও চুপচাপ মোহনবাগানের (Mohun Bagan Super Giant) কোচ জুয়ান ফেরান্দো। শুধুই ঠোঁটের কোণে  হালকা হাসির রেখা।  বাকি সময় শান্ত। এটাই কি সেরা ডার্বি জয়? ফেরান্দোর উত্তর, “এটা বলা যাবে না। কারণ গোটা প্রতিযোগিতাতেই অনেক কঠিন দলের বিরুদ্ধে খেলেছি আমরা। মুম্বই সিটি, এফসি গোয়া, আজ ইস্টবেঙ্গল— কারও বিরুদ্ধেই জেতা সহজ হয়নি। নিজেদের বার বার কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে আগেও বলেছি এটা প্রাক মরসুম প্রস্তুতি। খেলোয়াড়েরা চাপের মুখে নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। এখনও উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে।”

    কী বললেন কুয়াদ্রাত

    অন্যদিকে, ট্রফি জিততে না পারলেও ক্রমশ হারতে থাকা একটা দলকে সাফল্যের পথ দেখাতে পেরে খুশি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত। ফাইনালে ওঠার জন্য দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব দিলেন তিনি। কুয়াদ্রাতের কথায়, “আমার মনে হয় শেষ বার ইস্টবেঙ্গল কোনও ট্রফি জিতেছে ২০১৯ সালে। তার আগে জাতীয় পর্যায়ের কোনও প্রতিযোগিতায় জিতেছে ২০১২ সালে। তা হলে এত দিন পরে যে একটা প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে পেরেছি আমরা এটাই গর্বের ব্যাপার নয় কি?”এর পরেই পড়শি ক্লাবের উদাহরণ টেনে এনেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। বলেছেন, “যে কোনও প্রোজেক্ট সফল ভাবে দাঁড় করাতে সময় লাগবে। আমরা গত তিন বছর আইএসএল খেলছি। মোহনবাগানও তিন বছর আগে আইএসএলে এসেছে। প্রথম বার ওরা রানার্স হয়েছিল। বেশির ভাগ প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনাল বা ফাইনালে গিয়েই দৌড় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। এত দিন পর ট্রফি জিতেছে। আইএসএলের পর ডুরান্ড কাপ। ওদের কাছে আর্থিক শক্তিও বেশি ছিল। তাতেও ওদের সময় লেগেছে। তাই এই পদক জিতে আমি গর্বিত। অনেকের কঠোর পরিশ্রম জড়িয়ে আছে এই ফলের পিছনে। এখনও অনেক কাজ করতে হবে আমাদের।”

    গোটা দলকে কৃতিত্ব দিলেন ফেরান্দো

    ডুরান্ড কাপে (Durand Cup 2023) ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত (Carles Cuadrat) হয়ে উঠেছিলেন স্বপ্নের সওদাগর। কিন্তু ফাইনাল ল্যাপটা আর পার করাতে পারলেন না তিনি। জ্বলন্ত লাল-হলুদ মশাল নিভিয়ে দিল সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। জুয়ান ফেরান্দোর (Juan Ferando) আইএসএল চ্যাম্পিয়ন টিম জিতল ১৭ নম্বর ডুরান্ড কাপ। গঙ্গাপাড়ের শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের লকাররুমে ঐতিহ্যবাহী ট্রফিটি এনে দিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস (Dimitri Petratos)। তাঁর একমাত্র গোলই মোহনবাগানকে চ্যাম্পিয়ন করে দিল। দশ জনে হয়ে যাওয়ার পরে কোনও দল ডার্বির মতো এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিতেছে, এমন উদাহরণ খুব বেশি নেই। কয়েক জন ফুটবলারকে বদলেই বাজিমাত করে গেলেন ফেরান্দো। কী বলেছিলেন ফুটবলারদের? স্প্যানিশ কোচের উত্তর, “দলকে একটা কথা সব সময়েই বলি, কঠিন সময়েই নিজেদের সেরাটা বের করে আনতে হবে। রোজ বলার কারণে এ রকম মুহূর্তে কী করতে হবে সেটা ওরা বুঝে গিয়েছে। তাই আমার কাজ ছিল স্রেফ কৌশলের ব্যাপারটা ঠিক রাখা। বাকিটা ফুটবলারেরাই জানত যে কাকে কী করতে হবে। ও রকম পরিস্থিতিতে থেকেও ম্যাচ বের করার জন্য গোটা কৃতিত্ব দলের।”

    আরও পড়ুন: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    লাল কার্ডটাই টার্নিং পয়েন্ট

    ডার্বির একমাত্র গোল যাঁর পা থেকে এসেছে, সেই দিমিত্রি পেত্রাতোস ম্যাচের পর আবেগপ্রবণ হয়ে বললেন, “আসলে তখন এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম যে কী করছি নিজেই জানতাম না। মনে হয়েছিল নিজের দলের সমর্থকদের সঙ্গে এই সেলিব্রেশন করা দরকার। তাই ওই দিকে ছুটে গিয়েছি।” ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের মতে, অনিরুদ্ধ থাপার লাল কার্ডটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। বলেছেন, “ওদের কাছে প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। একজন ফুটবলার কমে যাওয়ায় ওদের হারানোর কিছু ছিল না। তাই আক্রমণ করা ছাড়া ওদের কাছে উপায় ছিল না। সেটাই করেছে। আমাদের সেই সময় নিজেদের আরও নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার ছিল। সেটা আমরা পারিনি। তবে এর থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষা নিতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    Durand Cup: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) জয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। ১-০ গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে কাপ জিতে নিল মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথমার্ধ গোল শূন্যই থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে একমাত্র গোলটি করেন দিমিত্রি প্রেত্রাতোস। খেলার ৭১ মিনিটের মাথায় গোলটি করেন মোহনবাগানের ফরওয়ার্ড। খেলা শুরুর চার মিনিটের মাথায় প্রথম কর্নার পায় মোহনবাগান। যদিও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন বাগানি সেনারা। ১৫ মিনিটের মাথায় ফের কর্নারের সুযোগ পেলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় সবুজ মেরুন। খেলার ৩০ মিনিটের মাথায় মোহনবাগানের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। যদিও তা আটকে দেয় সবুজ মেরুনের রক্ষণ।

    ইস্টবেঙ্গল ব্যাকের চোট

    এদিকে, ম্যাচের (Durand Cup) প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল ব্যাক এলসে চোট পান। তাঁর বদলে নামানো হয় পার্দোকে। তবে তাতে অবশ্য কাজ হয়নি। প্রথমার্ধ গোলশূন্যই থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলের সুযোগ পায় লাল হলুদ। ৪৭ মিনিটের মাথায় আনোয়ার আলির ব্যাক পাস আর একটু হলেই পেয়ে যাচ্ছিলেন সিভেরিয়ো। তবে বিশাল কাইথ বল বের করে দেওয়ায় গোল আর হয়নি। এদিনের ম্যাচে দু’ বার হলুদ কার্ড দেখানো হয়। একবার দেখানো হয় ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতকে।

    অনিরুদ্ধকে লালকার্ড

    দ্বিতীয়বার দেখানো হয় অনিরুদ্ধ থাপাকে। তাঁকে লালকার্ডও দেখানো হয়। এর পরেই মাঠে লড়াইয়ের দায়িত্ব চলে আসে বাগানের ১০ জনের ঘাড়ে। এর পরেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সবুজ মেরুন। তার সুফলও ফলে অচিরেই। ৭১ মিনিটের মাথায় গোল করে মোহনবাগান। ১-০ গোলে শেষ হয় ম্যাচ। যদিও বাগানি সেনারা গোল করার পরে পরেই সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেন নন্দকুমার। মহেশের ক্রসে বক্সের ভিতরে ফাঁকা জায়গা থেকে হেড করেন তিনি। যদিও বল সরাসরি লাগে বিশালের হাতে।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত ভারতে দুর্নীতি, জাতিভেদ প্রথা এবং সাম্প্রদায়িকতাবাদ থাকবে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, উনিশ বছর পর আজ, রবিবার ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। এদিন বাড়তি জয় গেল সবুজ-মেরুন ঝুলিতে। স্বাধীনতার পর থেকে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোট ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। পাঁচবার জিতেছে বাগান। দুবার ম্যাচ ছিল অমীমাংসীত, যুগ্ম বিজয়ী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Asia Cup 2023: বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল ভারত-পাক মহারণ! এশিয়া কাপের সুপার ফোরে পাকিস্তান

    Asia Cup 2023: বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল ভারত-পাক মহারণ! এশিয়া কাপের সুপার ফোরে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সেটাই সত্যি হল শনিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে। বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেল খেলা। পয়েন্ট ভাগ করে দেওয়া হল দুই দলের মধ্যে। এক পয়েন্ট করে পেল ভারত এবং পাকিস্তান। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই নেপালকে হারিয়ে দু’পয়েন্ট পেয়েছে। মোট তিন পয়েন্ট নিয়ে সুপার ফোরে চলে গেল পাকিস্তান। ভারত এক পয়েন্ট পেল তাতে নেপালের বিরুদ্ধে ৪ সেপ্টেম্বর জিততেই হবে রোহিতদের। তবেই সুপার ফোরে উঠতে পারবেন তাঁরা। 

    ব্যাটিংয়ে ভরাডুবি

    ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে ভারতের ব্যাটিংয়ের চিরকালীন দুর্বলতা আবারও প্রকট হল। পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপ অভিযান করতে নেমে প্ৰথম ম্যাচেই ভারতের ভরাডুবি। পুরো ৫০ ওভার-ও ব্যাটিং করতে পারল না টিম ইন্ডিয়া। ৪৮.৫ ওভারে ২৬৬ রানে অলআউট ভারত। হাফসেঞ্চুরির মুখ দেখলেন ঈশান কিষান এবং হার্দিক পান্ডিয়া। বাকিরা সেই ব্যর্থ। বড় ম্যাচই নাকি চিনিয়ে দেয় কে বড় খেলোয়াড়। তাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে নজর থাকে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, বাবর আজমদের মতো ক্রিকেটারদের দিকে। কিন্তু শনিবার ক্যান্ডিতে রোহিত বা বিরাট নায়ক হতে পারলেন না। তরুণ ঈশান কিশন এবং হার্দিক পান্ডিয়া ভারতের হয়ে ইনিংস গড়ার কাজটি করলেন। ৪৮.৫ ওভার ব্যাট করে ভারত তুলল ২৬৬ রান।

    আরও পড়ুন: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে

    সাইনিং শাহিন

    এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার মাটিতে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তান। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত। পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসারের বিরুদ্ধে ভারত অধিনায়ক বার বার ধাক্কা খেয়েছেন। তাই এই ম্যাচে কী হবে, সেই দিকে নজর ছিল। শনিবারের লড়াইয়ে আবার জিতলেন আফ্রিদি। পর পর দু’টি বল আউট সুইং করার পর একটি ইনসুইং করলেন। তাতেই শেষ রোহিত (১১)। প্রথম উইকেট হারায় ভারত। দলের রান তখন ১৫। রোহিত আউট হতেই ক্যান্ডির মাঠে নামতে দেখা গেল বিরাটকে। তাঁর মারা একটি কভার ড্রাইভ দেখে হাসি ফিরেছিল ভারতীয় সমর্থকদের মুখে। কিন্তু তা ছিল ক্ষণিকের জন্য। আফ্রিদি অফ স্টাম্পের বাইরে বল ভিতরে টেনে এনে আউট হলেন বিরাট। ব্যর্থ শুভমন, শ্রেয়সও। সেখান থেকেই ভারতকে ম্যাচে ফেরান ঈশান কিষান। ঋষভ পন্থ খেললে হয়ত যাঁর খেলাই হত না। কঠিন সময় থেকেই হাফসেঞ্চুরি করে দলকে ম্যাচে ফেরালেন তিনি। সেখান থেকে ভারত ম্যাচে ফেরে ঈশান-হার্দিক পান্ডিয়ার ১৩৮ রানের পার্টনারশিপে ভর করে। ঈশান কিষানকে শেষ পর্যন্ত ফেরান হ্যারিস রউফ। ৮১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে নয় বাউন্ডারি, জোড়া ওভার বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। হার্দিক পান্ডিয়া ৯০ বলে ৮৭ করেন। হ্যারিস রউফ এবং নাসিম শাহ তিনটে করে উইকেট নেন। শাহিন শাহ আফ্রিদি চার উইকেট দখল করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে

    Kolkata Derby: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহান্তে ক্রীড়াপ্রেমী বাঙালির মন মজেছে ক্রিকেট-ফুটবলে। শনিবারের সন্ধ্যায় এশিয়া কাপে ক্রিকেটের বাইশ গজে ভারত-পাকিস্তান মহারণ। আর রবিবাসরীয় বিকেলে ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। ময়দানে টিকিট নিয়ে হাহাকার। বৃহস্পতিবার মোহনবাগান জেতার পর থেকেই সমর্থকদের মধ্যে টিকিট কাটা নিয়ে উন্মাদনা শুরু হয়ে যায়।

    সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা

    দীর্ঘ ১৯ বছর বাদে ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। এত দিন এই ম্যাচে মোহনবাগানের আধিপত্য ছিল। ফলে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ কমে গিয়েছিল। কিন্তু নতুন কোচের অধীনে ইস্টবেঙ্গল যথেষ্টই ভাল খেলছে। ডুরান্ডের গ্রুপ লিগের ম্যাচেও জয় পেয়েছে লাল-হলুদ শিবির। ফলে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আশা জেগেছে। সেই কারণেই দুই প্রধানই টিকিট নিয়ে আগে থেকেও বেশি আগ্রহী বলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    কী ভাবছে সবুজ-মেরুন

    চলতি মরসুমের দ্বিতীয় ডার্বি আয়েজিত হতে চলেছে সল্টলেক স্টেডিয়ামে। এবার বদলা নেওয়ার পালা সবুজ-মেরুনের। শেষবার ২০০৪ সালের ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান দ্বৈরথ দেখা গিয়েছিল। সেবার ২-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় লাল হলুদ বাহিনী। যদিও বদলার বিষয়টি নিয়ে ফেরান্দো অবশ্য বলেছেন, ‘না। এটা প্রাক মরশুম একটা টু্র্নামেন্ট। এখানে এই বদলার কোনও বিষয় আমাদের মাথাতে নেই। এখানে বিভিন্ন পজিশনে বিভিন্ন ফুটবলারকে খেলিয়ে খেলিয়ে তৈরি করাটাই আসল লক্ষ্য।’ 

    কী ভাবছে লাল-হলুদ

    ডুরান্ড ফাইনালে আরও একটি ডার্বির আগে ইস্টবেঙ্গলের স্পেনের কোচ কুয়াদ্রাত অবশ্য মেনে নিয়েছেন, এ বারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা।  কুয়াদ্রাতের কথায়, “ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচে যে মোহনবাগানকে দেখেছিলাম এই দল তার থেকে আলাদা। ওই ম্যাচের পর ওরা অনেক ম্যাচ খেলেছে। ডুরান্ড, এএফসি কাপের ম্যাচ খেলেছে। বাংলাদেশ, নেপালের চ্যাম্পিয়ন দলকে হারিয়েছে। এখানে দেশের সেরা মুম্বই সিটিকে হারিয়েছে। দলের কৌশলও অনেক বদলে গিয়েছে। ওদের কোচ দলের মানসিকতা বদলে দিতে চাইছে। শারীরিক ভাবেও বেশ ফিট ওরা। তবে অনেক ম্যাচেই ওরা খুব কম ব্যবধানে জিতেছে। কখনও একটা পেনাল্টি থেকে খেলার মোড় ঘুরে গিয়েছে। তবে ওদের খেলা ভোঁতা করার জন্যে আমাদের হাতেও অস্ত্র রয়েছে।”

     

  • India vs Pakistan: শাহিন-সাইন! বৃষ্টি-বিঘ্নিত ভারত পাকিস্তান ম্যাচে আফ্রিদির দাপটে চাপে রোহিতরা

    India vs Pakistan: শাহিন-সাইন! বৃষ্টি-বিঘ্নিত ভারত পাকিস্তান ম্যাচে আফ্রিদির দাপটে চাপে রোহিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইনিং শাহিন! পর পর দু’ওভারে ফিরিয়ে দিলেন ভারতের অন্যতম দুই সেরা ব্যাটারকে। রোহিত-বিরাট ফিরতেই চাপে ভারত। বৃষ্টির আশঙ্কা উড়িয়ে নির্ধারিত সময়ে টস করতে নামলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও পাকিস্তান ক্যাপটেন বাবর আজম। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিলেন রোহিত। কারণ বৃষ্টিতে ম্যাচে বিঘ্ন ঘটতে পারে পরের দিকে। তাই বড় রান তুলে রাখলে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে সুবিধা পাবে টিম ইন্ডিয়া। এশিয়া কাপে ভারতের এটা প্রথম ম্যাচ। পাকিস্তান (India vs Pakistan) জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে। বাবরের সেঞ্চুরিতে ভর করে নেপালকে বশ মানিয়েছিল তারা।

    চাপে ভারত

    তবে ম্যাচ শুরু হতেই চার ওভারের মাথায় বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল। আশঙ্কা করা হয়েছিল যে, বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হতে পারে। সেটাই হল। মাত্র ৪.২ ওভার খেলা হওয়ার পরেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। ভারত তখন বিনা উইকেটে ১৫ রান তোলে। বৃষ্টি থামতেই তাল কাটে ভারতের ব্যাটিংয়ে। শাহিনের বলে বোল্ড হন রোহিত। খেলা শুরু হতেই আউট হয়ে যান ভারত অধিনায়ক। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতে পর পর দুটো বলে আউট সুইং করিয়েছিলেন শাহিন আফ্রিদি। পরের বলটি ইনসুইং করেন। তাতে বোল্ড হলেন রোহিত। এরপর স্টাম্পের বাইরে থেকে বল উইকেটে টেনে আনলেন বিরাট। শাহিন পর পর দু’ওভারে ফিরিয়ে দিলেন রোহিত আর কোহলিকে। হ্যারিস রউফের বলে পুল করতে গিয়ে আউট হলেন শ্রেয়স আয়ার। 

    বিশ্বকাপের মহড়া

    এশিয়া কাপ (Asia Cup 2023) মূলত বিশ্বকাপের মহড়া। এই টুর্নামেন্টে অনেকেই দল গুছিয়ে নিতে চাইছে। চার নম্বর ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে ভারতীয় (India vs Pakistan) টিম ম্যানেজমেন্টের মাথা ব্যাথা নতুন নয়। বিশেষ করে চার নম্বর নিয়ে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ম্যাচে বিরাট কোহলির উপর চার নম্বরের দায়িত্ব দিল দল। যা বেশ বড় চমক। রোহিতের সঙ্গে ওপেন করলেন শুভমান গিল। সিনিয়র দলের হয়ে এটাই তাঁর প্রথম পাক ম্যাচ। তিন নম্বরে নামবেন ঈশান কিষান। পাঁচে নামবেন শ্রেয়স আইয়ার। অল রাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া আছেন দলে।

    বোলিংয়ে আছে চমক। ব্যাটিং শক্তিশালী করতে সামির বদলে শারদুলকে খেলানো হয়েছে বুমরাহ ও সিরাজের সঙ্গে। স্পিনার কুলদীপ যাদব। টসে জিতে রোহিত বলেন, ‘‘বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু সেটা নিয়ে বেশি ভাবতে চাই না। ভাল ক্রিকেট খেলতে চাই। নিজেদের চ্যালেঞ্জ জানাতে চাই। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দলের ছেলেদের ফেলতে চাই।’’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে তাঁদের প্রস্তুতি ভাল হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। রোহিত বলেন, ‘‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ খেলেছি। তার পরে বেঙ্গালুরুতে শিবির হয়েছে আমাদের। সেখানে প্রস্ততি ভাল হয়েছে। দলের ক্রিকেটারেরা মাঠে নামার জন্য তৈরি। নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছে ওরা।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Pakistan: পাক পেস আক্রমণকে সমীহ কোহলির! কোন ছকে জয়ের খোঁজে রোহিত?

    India vs Pakistan: পাক পেস আক্রমণকে সমীহ কোহলির! কোন ছকে জয়ের খোঁজে রোহিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত- পাকিস্তান ম্যাচ মানেই আলাদা উত্তেজনা। নাছোড় মনোভাব নিয়ে মাঠে নামে দুই দলই। বিনা যুদ্ধে কেউ কাউকে বাইশ গজের এক ইঞ্চিও ছাড়তে রাজি থাকে না। ম্যাচের আগে তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিপক্ষ বোলারদের সমীহ করলেও তাঁদের বিরুদ্ধে নিজের সেরাটা দিতে বদ্ধ পরিকর সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলিও। 

    পাক দলকে সমীহ

    ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের সঙ্গে মোট ১৪ বারের সাক্ষাতে ৭বার ভারত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। পাকিস্তান পাঁচবার জিতেছে। শেষ পাঁচবারের সাক্ষাতেও ভারত চারবার জিতেছে। এই পরিস্থিতিতে আজকের ম্যাচে খাতায় কলমে এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় দল। তবে উল্টোদিকে যখন পাকিস্তান, তখন তো কোনওভাবেই হাল্কাভাবে নেওয়া উচিত নয়। অভিমত রোহিতের। ভারত অধিনায়ক বলছেন, ”দেখুন, নেটে তো আর শাহিন, নাসিম বা রউফকে খেলতে পারব না। যারা আছে তাদের নিয়ে অনুশীলন করি। তবে প্রত্যেকেই ভাল মানের বোলার। তাই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই ওদের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততে চাই।”

    প্রতিপক্ষ শিবিরকে সমীহ করে রোহিত বলছেন, ”সাম্প্রতিক কালে এক দিনের ক্রিকেট এবং টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান ভাল খেলছে। বিশ্বের এক নম্বর দল হওয়া কঠিন ব্যাপার। তাই নিজেদের কাল একটা পরীক্ষার মধ্যে ফেলতে পারব। তবে উল্টো দিকে কোন দল রয়েছে তা ভাবতে চাই না। মাঠে নেমে সব কাজ ঠিকঠাক করতে চাই। এশিয়া কাপে ছ’টা দলই কঠিন। যে কোনও দিন যে কোনও দল জিততে পারে।” নিজের ব্যাটিং প্রসঙ্গে রোহিত বলেন, ”দল যাতে ভালো শুরু করতে পারে, সেটা টপ-অর্ডার ব্যাটার হিসেবে আমার কর্তব্য। আমি বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকার চেষ্টা করব। ১৬ বছরে যে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটা ব্যবহার করেই খেলতে চাই।”

    বোলাররাই আসল শক্তি

    ভারতীয় ব্যাটিং তারকা বিরাট কোহলিও এশিয়া কাপ অভিযান শুরুর আগে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ নিয়ে মুখ খুলেছেন। ডানহাতি তারকা ব্যাটসম্যানের মতে, বোলিংই পাকিস্তানের আসল শক্তি। তারকা ব্যাটার বলেছেন, ‘আমি মনে করি, বোলিং পাকিস্তানের শক্তি। এবং ওদের কিছু সত্যিই প্রভাবশালী বোলার রয়েছে, যারা তাদের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে যে কোনও সময়ে খেলার গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। তাই তাদের মোকাবিলা করার জন্য আপনাকে সেরাটা দিতে হবে।’ কোহলি নিঃসন্দেহে পাকিস্তান বোলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। আসলে ৩৪ বছরের তারকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওডিআইতে একটি দুর্দান্ত রেকর্ড রয়েছে। ১৩ ম্যাচে ৪৮.৭৩ গড়ে ৫৩৬ রান করেছেন। কোহলির ওডিআই-এ সেরা স্কোর ১৮৩ রান করেছিলেন ২০১২ সালের এশিয়া কাপের সময়ে। তাও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: সম্মুখসমরে ভারত-পাকিস্তান! বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটা?

    রেকর্ড ভারতের পক্ষে

    পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে ওয়ান ডে-তে ভারতের রেকর্ড অবশ্য দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের উৎসাহিত করে তোলার মতোই। কারণ, এই মাঠে ওয়ান ডে-তে এখনও পর্যন্ত অপরাজিত ভারতীয় দল। পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে এখনও পর্যন্ত ৩টি ওয়ান ডে ম্যাচ খেলেছে ভারত। ৩টি ম্যাচেই জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে দুটি ম্যাচ জিতেছে ভারত। তিন ম্যাচেই ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share