Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India vs Australia: মেলবোর্নও মাতাতে পারল না ভারতীয় ব্যাটাররা, ব্যাতিক্রম যশস্বী

    India vs Australia: মেলবোর্নও মাতাতে পারল না ভারতীয় ব্যাটাররা, ব্যাতিক্রম যশস্বী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পথ ক্রমশ কঠিন করে তুলছে ভারত। অ্যাডিলেড, ব্রিসবেনের পর মেলবোর্নেও (Melbourne Test) সেভাবে পারফর্ম করতে পারল না ভারতীয় দলের টপ অর্ডার। দ্বিতীয় দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার ৪৭৪ রানের জবাবে ভারতের স্কোর ১৬৪ রানে ৫ উইকেট। এখনও ভারত (India vs Australia) পিছিয়ে ৩১০ রানে। তৃতীয় দিনে ভারতের প্রথম টার্গেট হলো ফলোঅন সেভ করা।

    অনবদ্য অস্ট্রেলিয়া

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা পাকা করতে শেষ দুটি টেস্টে জিততেই হবে ভারতীয় দলকে। কিন্তু, বক্সিং ডে টেস্টে সেই সম্ভাবনা খুবই কম। প্রথম দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৩১১ রানে ৬ উইকেট। সেখান থেকে দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়া ৪৭৪ রানে পৌছে যায়। সৌজন্যে স্টিভ স্মিথের অনবদ্য শতরান ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের লড়াকু ৪৯ রানের ইনিংস। বোলিংয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ। এছাড়া রবীন্দ্র জাদেজা ৩টি, আকাশ দীপ ২টি ও ওয়াশিংটন সুন্দর একটি উইকেট শিকার করেন।

    ব্যার্থ ভারতীয় ব্যাটাররা

    রান তাড়া করতে নেমে ধাক্কা খায় ভারত। মেলবোর্নে মিডল অর্ডার থেকে উঠে ওপেনিংয়ে ফেরেন রোহিত শর্মা। কিন্তু তিনি ফের ব্যর্থ হন। ৩ রান করে আউট হন ভারত অধিনায়ক। এরপর যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুল দলকে টানার চেষ্টা করলেও তা বেশিক্ষণ পারেননি। ২৪ রান করে আউট হন কেএল রাহুল। এরপর বিরাট কোহলি ও যশস্বী জয়সওয়ালের পার্টনারশিপ ভারতীয় দলকে ম্যাচে ফেরায়। যশস্বী অর্ধশতরান পূরণ করেন। অন্যদিকে বিরাটও ক্রমশ জমাট হয়ে রান করতে থাকেন। দুই জনে ১০০ রানের পার্টনারশিপও তৈরি করেন। যশস্বী ক্রমেই শতরানের দিকে এগিয়ে চলছিলেন, ঠিক তখনই ঘটল বিরাট ছন্দ পতন। বিরাট কোহলির সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হলেন যশস্বী। যশস্বীর আউকে বিরাট ভুল বললেও কম বলা হবে। ভারতীয় ওপেনার শট মেরে রান নিতে দৌড়ান। কিন্ত কোহলি দৌড় শুরু করে থেমে যান। কিন্ত দ্রুতবেগে তখন উইকেটের অন্য প্রান্ত চলে গিয়েছেন। কামিন্স বল নিয়ে উইকেটরক্ষককে থ্রো করলেই সহজেই যশস্বীকে আউট করে দেন ক্যারি। ফলে ১১৮ বলে ৮২ রানে আউট হলেন তরুণ ওপেনার। তাঁর ইনিংসে ছিল ১১টি চার এবং একটি ছক্কা।

    যশস্বী আউট হতে নামানো হয় নাইট ওয়াচম্যান আকাশ দীপকে। তাঁর দায়িত্ব ছিল দিনের বাকি সময় টুকু ক্রিজে টিকে থাকা। কিন্তু আকাশের আগেই আউট হলেন কোহলি। ৩৬ রান করে বোল্যান্ডের বলে আউট হলেন কোহলি। সেই বাইরের বলেই আউট হলেন কোহলি। এরপরই ভারতীয় শিবিরে শুরু হয়ে যায় উদ্বেগ। গাব্বায় ব্যাট হাতে ফলো-অন বাঁচালেও মেলবোর্নে ব্যর্থ হলেন আকাশ। ১৩ বলে ০ রান করে বোল্যান্ডের বলেই আউট হলেন আকাশ। ২য় দিনের শেষে ক্রিজে আছেন জাদেজা(৪) এবং পন্থ(৬)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Boxing Day Test: কোহলি-কনস্টাস বিতর্ক, মেলবোর্নে প্রথম দিনে চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া

    Boxing Day Test: কোহলি-কনস্টাস বিতর্ক, মেলবোর্নে প্রথম দিনে চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্সিং ডে টেস্টে লাল বলের ক্রিকেট দেখতে ঐতিহাসিক মেলবোর্নে ভিড় জমাল ৯০ হাজার দর্শক। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার টানটান লড়াইয়ে অন্য মাত্রা দিল কোহলি-কনস্টাসের ‘ধাক্কা’ বিতর্ক। তবে বর্ডার গাওস্কর সিরিজের চতুর্থ টেস্টের প্রথম দিনে আগ্রাসী ব্যাটিং করে অ্য়াডভান্টেজ অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দিনের শেষে অজিদের স্কোর ৩১১ রানে ৬ উইকেট। দিনের শেষে ক্রিজে আছেন স্টিভ স্মিথ (৬৮) ও প্যাট কামিন্স (৮)।

    আগ্রাসী ব্যাটিং অস্ট্রেলিয়ার

    মেলবোর্নে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। পিচে ঘাস থাকায় অস্ট্রেলিয়া তার ফায়দা নিতে চেয়েছিল। সেই লক্ষ্যে সফলও হয় তাঁরা। ওপেনিং জুটিতে দুরন্ত শুরু করেন উসমান খোয়াজা ও অভিষেককারী স্যাম কনস্টাস। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করেন কনস্টাস। জসপ্রীত বুমরাকে এক ওভারে ৩টি স্কুপ মেরে নজরও কাড়েন। অভিষেক টেস্টে অর্ধশতরান করেন কনস্টাস। এরপর দলের হয়ে ভালো ব্যাট করেন উসমান খোয়াজা ও মার্নাস লাবুশেন। প্রথম উইকেটে ৮৯ রান তোলার পর দ্বিতীয় উইকেটে ওঠে ৬৫ রান। এই সময় যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ভারত (India)। সেই সময়েই ভারতকে অক্সিজেন দেন জসপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah)। তিনিই ৫৭ রানে আউট করেন খোয়াজাকে। এরপর লাবুশেনকে আউট করে ওয়াশিংটন সুন্দর। ৭২ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। এরপর ভারতকে স্বস্তি দিয়ে বিপজ্জনক ট্রাভিস হেডকে ফেরান বুমরা। ৭ বল খেলে শূন্য রানে আউট হন তিনি। আকাশদীপের বলে ৩১ রানে আউট হন অ্যালেক্স ক্যারি। পরপর বেশকিছু উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচে ফিরে আসে ভারত। আগামীকাল বড় রান করতে স্মিথের ব্যাটের উপর ভরসা করতে পারে অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষে ভারতীয় দলের সফল বোলার বুমরা। তিনি ৩ টি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছে রবীন্দ্র জাদেজা, আকাশ দীপ ও ওয়াশিংটন সুন্দর।


    কোহলি-কনস্টাস ধাক্কা বিতর্ক

    ম্যাচের দশম ওভার শেষে দিক পরিবর্তনের সময় স্যাম কনস্টাস ও বিরাট কোহলির মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। ধাক্কা লাগার পরই কনস্টাস গিয়ে কোহলিকে কিছু উত্তপ্ত কথা বলেন। পাল্টা দিতে দেরি করেননি বিরাট কোহলি। সেই সয়ম অস্ট্রেলিয়ার অপর ওপেনার উসমান খোয়াজা ও আম্পায়ার এসে পরিস্থিতি ঠান্ডা করে। তবে কোহলি-কনস্টাসের মধ্যে বেশ কিছু উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এই ঘটনার জন্য দিনের খেলা শেষ হতে না হতেই শাস্তিও পান ভারতীয় তারকা। কোহলির ম্যাচ থেকে প্রাপ্ত বেতনের ২০ শতাংশ কাটা যায়, পাশাপাশি তাঁকে এক ডিমেরিট পয়েন্টও দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসি, এমনটাই একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Manchester United: ইঁদুরের তাণ্ডবে বিরাট অবনতির মুখে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রেটিং কমে পাঁচ থেকে দু’য়ে

    Manchester United: ইঁদুরের তাণ্ডবে বিরাট অবনতির মুখে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রেটিং কমে পাঁচ থেকে দু’য়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (Manchester United) মাঠের বাইরে একটি নতুন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। পরিকাঠামো এবং সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেখাকার আইকনিক ওল্ড ট্র্যাফোর্ড স্টেডিয়ামে ইঁদুরের (Rat Race) উপদ্রব ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়ছে এবং এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাশাপাশি মাঠের দুর্বল পারফরম্যান্স এবং স্টেডিয়াম রক্ষণাবেক্ষণের সমস্যাও মারাত্মক আকার নিয়েছে। এই খবর সেখানকার ডেইলি মেইলের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে। বর্তমানে স্টেডিয়ামের খাদ্য স্বাস্থ্যবিধি রেটিং পাঁচটির মধ্যে দুই তারাতে নেমে এসেছে।

    প্রশ্ন উঠেছে স্বাস্থ্য বিধি নিয়ে (Manchester United)!

    ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে আরও জানা গিয়েছে, সংক্রমণ দ্বারা খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধির রেটিং দারুণ ভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এখানে সমস্যার মূলে রয়েছে ইঁদুর (Rat Race)। স্টেডিয়ামের (Manchester United) খাদ্য স্বাস্থ্যবিধির মান উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ম্যাচ-এর পর সাংবাদিক সম্মেলনের সময় মিডিয়া কক্ষের ছাদে একটি ফুটো দেখা গিয়েছে। ক্লাবের এই দুর্দশাকে স্পষ্ট ভাবে প্রকাশ করেছে একটি ভিডিও। ক্লাব অবশ্য কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় প্রচেষ্টার বিষয়কে তুলে ধরে জনগণকে আশ্বস্ত করেছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একজন মুখপাত্র ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বলেন, “আমরা কীটপতঙ্গকে নিয়ন্ত্রণ করতে শক্তিশালী ব্যবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। সমস্ত ক্যাটারিং এলাকায় সাপ্তাহে একাধিকবার পরীক্ষার কাজ করা হচ্ছে। যেখানে খাবার সংরক্ষণ করা হয় বা প্রস্তুত করা হয় বা পরিবেশন করা হয় সেখানেও স্বাস্থ্যবিধি এবং পরিচ্ছন্নতার মাত্রা যাতে বেশি থাকে, তা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ মেলবোর্নে মহারণ! শুরু ভারত অস্ট্রেলিয়া বক্সিং ডে টেস্ট, জানেন কেন এই নাম?

    দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস

    ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাথে উন্নতিতে কাজ করে ট্র্যাফোর্ড কাউন্সিলের এমন একজন মুখপাত্র বলেন, “ক্লাবকে (Manchester United) নিয়মিত পরিদর্শন করার পর এখন দু’তারার রেটিং দেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিবেশগত স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা একটি নিয়মিত পরিদর্শনের পরে দুটি খাদ্য স্বাস্থ্যবিধি রেটিং দিয়েছেন। আমরা এখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছি যাতে রেটিং-এর মান বিচার করে প্রয়োজনীয় সব রকম সুরক্ষা এবং উন্নয়ন করা যায়।”

    ক্লাব বর্তমানে সিদ্ধান্ত নিয়ছে যে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের সংস্কার বা একটি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। রবিবার বোর্নমাউথের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হারের পর দলটি প্রিমিয়ার লিগে বর্তমানে ১৩তম স্থানে অবস্থান করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Boxing Day Test: মেলবোর্নে মহারণ! শুরু ভারত অস্ট্রেলিয়া বক্সিং ডে টেস্ট, জানেন কেন এই নাম?

    Boxing Day Test: মেলবোর্নে মহারণ! শুরু ভারত অস্ট্রেলিয়া বক্সিং ডে টেস্ট, জানেন কেন এই নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের পরের দিন অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট ম্যাচ শুরু হলেই তাকে ‘বক্সিং ডে’ টেস্ট (Boxing Day Test) বলে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) থেকে মেলবোর্নে শুরু হবে সেই ম্যাচ। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে ভারতের (India vs Australia)। বর্ডার-গাওস্কর সিরিজের চতুর্থ টেস্ট এটি। এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার জন্য ভারতকে এই ম্যাচ জিততেই হবে। আবার এই ম্যাচ জিতলে এক দশক পর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের দিকে এক কদম এগিয়ে যেতে পারবেন ব্যাগি গ্রিনরা। সিরিজ এখন ১-১। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আশায় দুই দল। ৯০ হাজারের মেলবোর্নে বৃহস্পতিবার একটিও আসন খালি থাকবে না বলেই অনুমান এমসিজি ক্রিকেট কর্তাদের। ইতিমধ্যেই ৮৬ হাজার টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। 

    বক্সিং ডে কাকে বলে?

    বড়দিনের পরের দিন এই টেস্টের (Boxing Day Test) এই নামকরণের পিছনে দু’টি তত্ত্ব আছে। অনেকে মনে করেন, বড়দিন, অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর যে সব উপহার পাওয়া যায়, সেগুলি আর সেই দিন দেখার সময় পাওয়া যায় না। তাই উপহারের বাক্স (বক্স) খোলা হয় পরের দিন, অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর। বক্স খোলা হয় বলে এর নাম হয়েছে ‘বক্সিং ডে’। দ্বিতীয়টি হল, ২৫ ডিসেম্বর অনেকে খেটে কাজ করেন, বিশেষ করে পরিচারকেরা। সেই কাজের জন্য তাঁদের পরের দিন ২৬ ডিসেম্বর পুরস্কারের বাক্স দেওয়া হয়। সেই কারণে এর নাম ‘বক্সিং ডে’।

    বক্সিং ডে টেস্টের শুরু

    অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউ জিল্যান্ডের মতো দেশগুলিতে ২৬ ডিসেম্বর দিনটি ‘বক্সিং ডে’ (Boxing Day Test) নামে পরিচিত। ক্রিকেটে ‘বক্সিং ডে’-র জন্ম অস্ট্রেলিয়ায়। ‘বক্সিং ডে’-র প্রথম হদিস পাওয়া যায় ১৮৬৫ সালে। তবে তখন এই নামকরণ হয়নি। শেফিল্ড শিল্ডে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) ভিক্টোরিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের মধ্যে ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচ যদিও ‘বক্সিং ডে’, অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল না। ম্যাচের মাঝে একটি দিন পড়েছিল ২৬ ডিসেম্বর। কিন্তু পরিবারের সঙ্গে বড়দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন না বলে নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রিকেটারেরা মনখারাপ করে বসে থাকেন। তাঁদের দাবি মেনে সেই ম্যাচ বড়দিনের পরের দিন শুরু হয়েছিল। সেই ম্যাচ শেষ হয়ে গিয়েছিল তিন দিনে। ভিক্টোরিয়া ইনিংস ও ২০ রানে জিতে যায়।

    আধুনিক ক্রিকেটে বক্সিং ডে

    ১৯৭৪-৭৫ অ্যাশেজ সিরিজে ছ’টি টেস্ট ছিল। সব ক’টি ম্যাচ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতে শেষ করা যায়, সেই কারণে মেলবোর্নে তৃতীয় টেস্ট দেওয়া হয়েছিল ২৬ ডিসেম্বর থেকে। আধুনিক ‘বক্সিং ডে’ টেস্টের সেটিই শুরু। তবে ১৯৮০ সালে ‘বক্সিং ডে’ টেস্ট (Boxing Day Test) নিয়ে মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাবের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি হয়। তার পর থেকে প্রতি বছর নিয়ম করে এমসিজি-তে ২৬ ডিসেম্বর থেকে টেস্ট শুরু হয়। ধারাবাহিকতায় এক বারই ছেদ পড়ে। ১৯৮৯ সালে ‘বক্সিং ডে’-তে টেস্ট ম্যাচের বদলে অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে একটি এক দিনের ম্যাচ খেলা হয়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানায়, পরের বছর, অর্থাৎ ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ‘বক্সিং ডে’ টেস্টের সেরাকে তাদের দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার জনি মুল্লাঘের নামে মুল্লাঘ পদক দেওয়া হবে।

    বক্সিং ডে টেস্টের নানা ঘটনা

    অনেক স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী ‘বক্সিং ডে’ টেস্ট (Boxing Day Test)। ১৯৮৫ সালের অ্যাশেজে ‘বক্সিং ডে’ টেস্টেই অভিষেক হয়েছিল স্টিভ ওয়ের। ১৯৮৮ সালে ম্যালকম মার্শাল ৩০০ টেস্ট উইকেট নিয়েছিলেন। ১৯৯৪ সালে শেন ওয়ার্ন অ্যাশেজে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। ১৯৯৫ সালে এই টেস্টেই অস্ট্রেলিয়ার আম্পায়ার ড্যারেল হেয়ার শ্রীলঙ্কার স্পিনার মুথাইয়া মুরলীধরনকে বল ছোড়ার অভিযোগে বার বার ‘নো বল’ ডাকেন। সেই নিয়ে তোলপাড় হয় ক্রিকেটবিশ্ব। ২০০৬ সালে ‘বক্সিং ডে’ টেস্টেই শেন ওয়ার্ন ৭০০ টেস্ট উইকেট নেন। 

    আরও পড়ুন: হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    চলতি বছর বক্সিং ডে টেস্টের গুরুত্ব

    বর্ডার-গাওস্কর ট্রফির পাঁচ টেস্টের সিরিজ আপাতত দাঁড়িয়ে ১-১-এ (India vs Australia)। দুই দলেরই লক্ষ্য থাকবে এই টেস্ট জেতা। বিশেষ করে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে ভারতকে জিততে হবে মেলবোর্ন ও সিডনিতে। মেলবোর্ন টেস্ট জিতলেই সিরিজ হারার সম্ভাবনা থাকবে না ভারতের। সেক্ষেত্রে রোহিত শর্মারা দখলে রাখতে পারবেন বর্ডার-গাওস্কর ট্রফি। অস্ট্রেলিয়া যদি জেতে তাহলে এক দশক পর ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ জেতার সম্ভাবনা বাড়বে অস্ট্রেলিয়ার। একই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গত দুই বারের ফাইনালিস্ট ভারত ছিটকে যাবে ২০২৬-এর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল থেকে।

    কখন শুরু খেলা: ভারতীয় সময় ভোর ৫টা থেকে খেলা শুরু হবে। টস হবে ভোর সাড়ে চারটেয়।

    ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: যশস্বী জয়সওয়াল, লোকেশ রাহুল, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), রবীন্দ্র জাদেজা, নীতীশ কুমার রেড্ডি বা ওয়াশিংটন সুন্দর, আকাশ দীপ, জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ। 

    অস্ট্রেলিয়ার সম্ভাব্য একাদশ: উসমান খোয়াজা, স্যাম কনস্টাস, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটকিপার), প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লিয়ঁ, স্কট বোল্যান্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Vinod Kambli: শারীরিক অবস্থার অবনতি, হাসপাতালে ভর্তি বিনোদ কাম্বলি

    Vinod Kambli: শারীরিক অবস্থার অবনতি, হাসপাতালে ভর্তি বিনোদ কাম্বলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার (Indian Cricketer) বিনোদ কাম্বলির শারীরিক অবস্থার আচমকা অবনতি হয়েছে। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) গভীর রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তাঁর শরীরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করানো হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল হলেও, আশঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি বলেই খবর। তবে কাম্বলির (Vinod Kambli) ঠিক কী হয়েছে, তা জানানো হয়নি।

    অসুস্থ কাম্বলি

    সাম্প্রতিক সময়ে কাম্বলির (Vinod Kambli) অসুস্থতা নিয়ে বারবার উদ্বেগ বেড়েছে। অগাস্ট মাসে ছড়িয়ে পড়ে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায় রীতিমতো টলছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার (Indian Cricketer)। স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় পড়েন ক্রিকেটভক্তরা। এর মধ্যে ভাইরাল হয় আর একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, কোচ রমাকান্ত আচরেকরের স্মৃতিসৌধ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে বন্ধু শচীন তেণ্ডুলকরের হাত ধরে টানছেন কাম্বলি। যা দেখে তাঁর অসুস্থতা নিয়ে আশঙ্কা আরও দৃঢ় হয়। এক মাস আগেও হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল কাম্বলিকে। কাম্বলির আর্থিক অবস্থাও ভাল নয়। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যেরা। কপিল দেব ও সুনীল গাওস্কর জানিয়েছেন, তাঁরা কাম্বলিকে সুস্থ দেখতে চান। তার জন্য আর্থিক সাহায্য করতেও প্রস্তুত। তবে একটি শর্ত দিয়েছেন তাঁরা। কাম্বলিকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য রিহ্যাবিলিটেশন কেন্দ্রে ভর্তি হতে হবে। যদি কাম্বলি রাজি থাকেন, তবেই সাহায্য করবেন তাঁরা।

    কাম্বলির ক্রিকেট কেরিয়ার 

    ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে বিনোদ কাম্বলি (Vinod Kambli) ১৭টি টেস্ট ম্যাচে মোট ১,০৮৪ রান করেন। টেস্ট কেরিয়ারে তিনি চারটে শতরান এবং তিনটে হাফসেঞ্চুরি করেছেন। এর পাশাপাশি একদিনের ক্রিকেটে তিনি ১০৪টি ম্যাচে মোট ২,৪৭৭ রান করেন। ওয়ান-ডে ক্রিকেটে তিনি জোড়া শতরানের পাশাপাশি ১৪ হাফসেঞ্চুরি করেছেন। কিন্তু, ধারাবাহিক খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে তাঁকে শেষপর্যন্ত টিম ইন্ডিয়া থেকে বের করে দেওয়া হয়। ২০০০ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে শেষ ওয়ান-ডে ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tania Sachdev: সোনা জিতেও মেলেনি সম্মান! দিল্লি সরকারের ভূমিকায় হতাশ ভারতীয় দাবাড়ু

    Tania Sachdev: সোনা জিতেও মেলেনি সম্মান! দিল্লি সরকারের ভূমিকায় হতাশ ভারতীয় দাবাড়ু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের দরবারে ভারতীয় দাবাড়ুদের এখন আধিপত্য। একের পর এক খেতাব অর্জন করে দেশের গৌরব বৃদ্ধি করছেন গুকেশ ডোম্মারাজু,প্রজ্ঞানন্দ রমেশবাবু, বৈশালী, তানিয়ারা। কিন্তু দিল্লি সরকার এই সমস্ত ক্রীড়াবিদদের পুরস্কৃত করার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ করছে না বলে এবার অভিযোগ করলেন ভারতের মহিলা দাবাড়ু তানিয়া সচদেব (Tania Sachdev)। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্য সরকারের (Delhi) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।

    তানিয়ার ক্ষোভ

    ভারতীয় দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বাধিক সাফল্য পেয়েছেন তামিলনাড়ুর দাবাড়ুরা। দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্য থেকে একাধিক দাবাড়ু উঠে এলেও দিল্লি থেকে তেমন ভাবে দাবাড়ুরা উঠে আসছেন না। যার জন্য অবশ্য দিল্লি সরকারকেই দুষছেন তানিয়া সচদেব (Tania Sachdev)। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তানিয়া লেখেন, “২০০৮ সাল থেকে ভারতের হয়ে দাবা খেলছি। দাবাতে কৃতিত্বের জন্য দিল্লি সরকারের কাছ থেকে স্বীকৃতির অভাব দেখে আমি হতাশ। যে রাজ্যগুলি তাদের চ্যাম্পিয়নদের সমর্থন করে এবং তাদের জয় উদযাপন করে ওই রাজ্যগুলিই সরাসরি শ্রেষ্ঠত্বকে অনুপ্রাণিত করে এবং প্রতিভাকে তুলে ধরতে সক্ষম। দুঃখের বিষয়, দিল্লি এখনও এই পদক্ষেপ নিতে পারেনি।”

    তিনি আরও লেখেন, “২০২২ সালে চেস অলিম্পিয়াডে আমি ব্যক্তিগত এবং দলগত বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিলাম। তারপর ২০২৪ সালের দাবা অলিম্পিকে সোনা জিতেছিলাম। ওই দিন থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনও সম্মান জানানো হয়নি। দিল্লি এবং ভারতকে গর্বের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করে এমন একজন হিসেবে আমি আশা করি আম আদমি পার্টি, অতিশী ম্যাম এবং অরবিন্দ কেজরিওয়াল স্যার তাঁদের দাবাড়ুদের গুরুত্ব দেবেন এবং সমর্থন করবেন”। উল্লেখ্য, অতিশী বর্তমানে দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • 2025: ২০২৫ সালের ১২ মাসে ৯টি লম্বা সপ্তাহান্তে ছুটি, নতুন বছরের কেমন হবে ক্যালেন্ডার

    2025: ২০২৫ সালের ১২ মাসে ৯টি লম্বা সপ্তাহান্তে ছুটি, নতুন বছরের কেমন হবে ক্যালেন্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যায় বছরের থেকে যেন আসছে নতুন বছরটা আরও ভালো কাটে সেই কামনা করেন সকলেই। আসছে বছর, নতুন বছর যেন আনন্দ এবং খুশিতে কাটে, এই ভাবনা নিয়ে করা হয় উচ্ছ্বাসের বর্ষবরণ। আর মাত্র হাতে কয়েকটা দিন, এরপর আসবে ২০২৫ (2025) সালের ইংরেজি বর্ষ। ১২ মাসের মধ্যে বর্ষার মরসুম বাদ দিলে কীভাবে কখন ঘুরতে যাবেন একবার জেনে নেওয়া প্রয়োজন। ওই বছরে ছুটি (Weekend Holiday) কেমন থাকবে এবং আনন্দ কীভাবে করবেন একবার ক্যালেন্ডার দেখে নিতে পারেন।

    সপ্তাহান্তে থাকছে তিন দিনের ছুটি (2025)

    ২০২৫ সালের নতুন বছরে বর্ষার মাস জুন-জুলাইকে বাদ দিলে বাকি ১০ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই থাকছে সপ্তাহান্তে তিন দিনের ছুটি। এই সময়ের মধ্যে ঘুরতে যেতে পারেন যে কোনও জায়গায়। একই ভাবে থাকবে বোনাস ৫ দিনের দুর্গাপুজোর ছুটি (Weekend Holiday)। ষষ্ঠী পড়েছে রবিবার। কাজের ব্যস্ততা এবং অবসরের সুযোগ পেতে নতুন বছরের ক্যালেন্ডারদের দিকে আসুন একবার নজর দিই।

    জানুয়ারি

    জানুয়ারিতে চার দিনের ছুটি নিতে পারেন। ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি। কিন্তু একদিন আগেই ১১ এবং ১২ তারিখ হল শনিবার, রবিবার। আপনার জন্য ১৩ তারিখ ছুটি নিলে একটা ভালো ছুটি (Weekend Holiday) কাটাতে পারবেন।

    ফেব্রুয়ারি

    এই মাসে মোট ৫ দিন ছুটি পেতে পারেন। ২২-২৩ ফেব্রুয়ারি তারিখ হল শনি, রবি এবং ২৬ তারিখ শিবরাত্রি। মাঝে ২৪-২৫ ফেব্রুয়ারি ছুটি নিলেই লম্বা ছুটি হয়ে যাবে।

    মার্চ

    মার্চ মাসে ৩ দিনের ছুটি। দোল ১৪ মার্চ শুক্রবার। ফলে তারপর শনি, রবি ১৫, ১৬ ছুটি। বসন্ত উৎসব ভালোই কাটবে।

    এপ্রিল

    ১৮ এপ্রিল শুক্রবার গুড ফ্রাইডে। এরপর শনি-রবি ছুটি।

    মে

    ১ মে, বৃহস্পতিবার শ্রমিক দিবস। এরপর শুক্রবার ছুটি নিলে পরপর চারদিন ছুটি হয়ে যাবে।

    অগাস্ট

    এই মাসে ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস। ক্যালেন্ডারে শুক্রবার, শনি-রবি মিলিয়ে দেখলে তিন দিনের ছুটি (Weekend Holiday) মিলে যাবে।

    সেপ্টেম্বর-অক্টোবর

    পুজোর ছুটি ৪ দিন সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী এবং দশমী থাকে। এবার ২৮সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পড়ছে রবিবার। ১ অক্টোবর নবমী, ২ অক্টোবর দশমী। এরপর ৩ অক্টোবর শুক্রবার ছুটি নিতে পারলে শনি-রবি ছুটি পাওয়া যাবে। তারপর আবার সোমবার ৬ অক্টোবর লক্ষ্মী পুজো। সব মিলিয়ে পুজোতে হবে ৯ দিন ছুটি।

    আরও পড়ুনঃ‘জ্যোতিপ্রিয় রেশন কেলেঙ্কারির রিং মাস্টার, দুর্নীতির গঙ্গাসাগার’, আদালতে দাবি ইডির

    নভেম্বর

    গুরুনানকের জন্মজয়ন্তী ৫ নভেম্বর, বুধবার। সোম ও মঙ্গলবার ছুটি নিলে ৪ দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।

    ডিসেম্বর

    ২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার। চার দিনের ছুটি (Weekend Holiday) পাওয়া যেতে পারে। কারণ ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পড়েছে বৃহস্পতি বার। মাঝে ২৬ ডিসেম্বর ছুটি পেলে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বছরের শেষ ছুটি পাওয়া যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Phula Soren: শৈশবে মাকে হারিয়েছেন জন্মান্ধ ফুলা সোরেন, এখন ক্রিকেটের অধিনায়িকা, জানুন সাফল্যের কথা

    Phula Soren: শৈশবে মাকে হারিয়েছেন জন্মান্ধ ফুলা সোরেন, এখন ক্রিকেটের অধিনায়িকা, জানুন সাফল্যের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মান্ধ তরুণী, ছোট্ট বেলা থেকেই মাকে হারিয়েছেন। সকল প্রতিবন্ধকতাকে (Blind Cricketer) উপেক্ষা করে ক্রিকেট খেলাই ফুলা সরেনকে জীবনের সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছে। শারীরিক বাধা মনের জোরকে কোনও দিন থামিয়ে রাখতে পারেনি। আজ তিনি ভারতের অন্ধ ক্রিকেট দলের সহ-অধিনায়িকা। একজন নারী হয়ে কীভাবে জীবনকে সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছেন, আসুন জেনে নিই সেই ফুলা সোরেনের (Phula Soren) গল্প কথা।

    খুব অল্প বয়সেই নিজের মাকে হারিয়েছিলেন (Phula Soren)!

    ফুলা সোরেনের (Phula Soren) দৃষ্টিশক্তি ছোট বেলা থেকেই হারিয়ে গিয়েছিল। তাঁর বয়স তখন মাত্র ১৭। ওড়িশার সালাবানি শান্ত গ্রামে একটি অল্পবয়সী মেয়ে ধূলাময় মাঠে দাঁড়িয়ে প্রথমবারের জন্য ক্রিকেট ব্যাট (Blind Cricketer) ধরেছিলেন। বলের ভিতরের শব্দে তাঁর গতিবিধি পরিচালিত হচ্ছিল। নিজের ইন্দ্রিয় দিয়ে সেই সজাগ দৃষ্টিকে নিরীক্ষণ করে খেলাকে করায়ত্ত করেছিলেন তিনি। তাঁর শৈশব জীবন কেটেছিল আরও কষ্টে, খুব অল্প বয়সেই নিজের মাকে হারিয়েছিলেন। কিন্তু তবুই ক্রিকেটের আনন্দ এবং সাফল্য তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। একটি খেলা যে তাঁকে এত বড় সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে তা কল্পনাতীত ছিল। জীবনের চেহারা একে বারে বদলে দিয়েছে।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by The Better India (@thebetterindia)

    মাঠে ঘন্টার পর ঘন্টা অনুশীলন করতেন

    ক্রিকেট খেলা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের (Blind Cricketer) জন্য এক প্রকার চ্যালেঞ্জ স্বরূপ হয়ে থাকে। এই খেলাকে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা হিসেবে গ্রহণ করেন ফুলা (Phula Soren)। এই ক্রিকেট খেলা ব্যাটের সুইং, বলের শব্দ, স্পর্শ ইত্যাদি নানা মাত্রার উপর নির্ভর করে খেলা হয়ে থাকে। তবে দৃষ্টিহীনরা এই খেলাকে বেশ কয়েকটি ধাপে ধাপে শিক্ষণ করে থাকেন। মাঠে ঘন্টার পর ঘন্টা অনুশীলন করে পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন ফুলা। এরপর সর্ব ভারতীয় অন্ধ মহিলা টিমে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভাষা নিয়ে আরও সংযত হোন’’, মানচিত্র বিতর্কে বাংলাদেশকে সতর্ক করল দিল্লি

    দেশের জন্য স্বর্ণপদক নিয়ে এসে ছিলেন

    ফুলা (Blind Cricketer) গৌরবের সঙ্গে দলের সহ-অধিনায়িকার দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৩ সালে, তিনি বার্মিংহামে আইবিএসএ ওয়ার্ল্ড গেমসে ঐতিহাসিক স্বর্ণপদক নিয়ে এসেছিলেন। যেখানে তাঁরা ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করেছিলেন। এটি ছিল অত্যন্ত গর্বের একটি মুহূর্ত, কারণ ভারত এই ইভেন্টে প্রথমবারের মতো মহিলাদের অন্ধ ক্রিকেটে সোনা জিতেছিল৷ ফুলার অবদান ছিল মুখ্য, তাঁর দক্ষতা এবং নেতৃত্ব ছিল অসামান্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India: ১৮ বলেই ৫০! বিশ্বরেকর্ড বাংলার রিচার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজ জয় ভারতের

    India: ১৮ বলেই ৫০! বিশ্বরেকর্ড বাংলার রিচার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজ জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সহজ জয় পেল ভারতের মহিলা দল (India)। এই জয়ের ফলে সিরিজ নিজের নামে করল তারা। ভারতের হয়ে এই ম্যাচেও অধিনায়কত্ব করেন স্মৃতি মান্ধানা। এদিন ব্যাট করতে নেমে পাঁচটি নজির গড়েছেন স্মৃতি। একইসঙ্গে বিশ্বরেকর্ডের কৃতিত্ব অর্জন করেন বাংলার মেয়ে রিচা। ২১ বলে ৫৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন রিচা ঘোষ। মাত্র ১৮ বলেই তিনি হাফ সেঞ্চুরি করেন। এটি মহিলাদের আন্তর্জাতিক টি২০-তে দ্রুততম। প্রসঙ্গত, এর আগে সোফি ডিভাইন ও ফোবে লিচফিল্ডও ১৮ বলে অর্ধশতরান করেছিলেন। সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন বাংলার রিচা ঘোষ। ৩টি বাউন্ডারি ও ৫টি ছক্কা হাঁকান বঙ্গকন্যা। মূলত এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে ভর করে ২১৭ রান করে ভারত।

    স্মৃতির রেকর্ড

    তৃতীয় ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ২১৭ রান করে ভারত (India)। ওপেন করতে নেমে অধিনায়ক স্মৃতি ৪৭ বলে ৭৭ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস খেলেন। এই সিরিজে ১৯৩ রান করেছেন মান্ধানা, যা দ্বিপাক্ষিক সিরিজে কোনও ভারতীয় মহিলা (India) ক্রিকেটার হিসেবে সর্বাধিক রান। ৬৪.৩৩ গড় রয়েছে তাঁর। ২০২৪ সালে আটটি অর্ধশতরান করেছেন স্মৃতি, যা সর্বাধিক। এর আগে ২০১৮ সালে এর আগে ২০১৮ সালে সাতটি অর্ধশতরান করেছিলেন মিতালি রাজ।

    ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (West Indies) ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান করে। প্রথম থেকেই রান তোলার গতি অনেক কম ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এর ফলে বেশ বোঝা যাচ্ছিল, লড়াইয়ে তারা খুব বেশি নেই। শেষ পর্যন্ত ৬০ রানে হারতে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ভারতের (India) বোলারদের মধ্যে দূর্দান্ত বল করেন রাধা যাদব। ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ১টি করে উইকেট নেন রেণুকা, সাজানা, তিতাস ও দীপ্তি। চিনেল্লে হেনরি ১৬ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে। নিজের ইনিংসে তিনটি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এছাড়া কোনও ব্যাটারই আর সেভাবে রান পাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ravichandran Ashwin: এক যুগের অবসান, সজল চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন অশ্বিন

    Ravichandran Ashwin: এক যুগের অবসান, সজল চোখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন অশ্বিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে এটাই আমার শেষ দিন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের (Cricket) সব ফরম্যাটেই।” বুধবার সজল চোখে কথাগুলো বললেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (Ravichandran Ashwin)। তিনি বলেন, “যদিও আমি মনে করি, আমার মধ্যে এখনও কিছুটা ক্রিকেট বাকি রয়েছে। সেটা ক্লাব স্তরের ক্রিকেটেই প্রকাশ করব। দেশের হয়ে এটাই শেষ।”

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় (Ravichandran Ashwin)

    অস্ট্রেলিয়ার চলছে টেস্ট সিরিজ। তা শেষ হওয়ার আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন তিনি। অবসর নেওয়ার সময় সাজঘরে বিরাট কোহলির পাশে বসে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। তার পরেই ঘোষণা করলেন বিদায়ের কথা। ব্রিসবেনে খেলা শেষে অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে যান অশ্বিন। বলেন, “আমার এখানে আসার কথা ছিল না। কিন্তু একটা কথা সবাইকে জানানোর জন্য এসেছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটাই আমার শেষ দিন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি।”

    জড়িয়ে ধরলেন কোহলিকে

    এদিন ব্রিসবেনে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হওয়ার পরেই বৃষ্টি নামে। তাই বন্ধ হয়ে যায় খেলা। সাজঘরে ফিরে যায় দুই টিমের খেলোয়াড়রাই। সেখানেই দেখা যায় কোহলির পাশে বসে রয়েছেন অশ্বিন। তাঁর চোখে জল। অশ্বিনকে জড়িয়ে ধরেন কোহলি। কোহলি উঠে যাওয়ার পরেই কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গেও কথা বলতে দেখা যায় অশ্বিনকে। ভারতের হয়ে অশ্বিন (Ravichandran Ashwin) খেলেছেন ১০৫টি টেস্ট ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন ৫৩৭টি। এক ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন ৩৭ বার। করেছেন ৩ হাজার ৪৭৪ রান। অশ্বিনের ঝুলিতে রয়েছে ৬টি শতরান এবং ১৪টি অর্ধশতরান। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও সর্বাধিক উইকেট রয়েছে তাঁর দখলে।

    আরও পড়ুন: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    এদিন সতীর্থদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি অশ্বিন। বলেন, সবার আগে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ভারতীয় বোর্ডকে। অনেক সতীর্থ সম্পর্কেই বলতে ইচ্ছে করছে। তবে কয়েকটা নাম না বললেই নয়। রোহিত, বিরাট, পূজারা আমার এই সফরে অনবদ্য কিছু ক্যাচ নিয়েছে। ওদের জন্যও অনেক উইকেট পেয়েছি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট (Cricket) বোর্ডকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অশ্বিন (Ravichandran Ashwin)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share