Holi: দোল উৎসবকে কেন বলা হয় বসন্ত মহোৎসব, জানেন?

index

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলকে রঙের উৎসব বলা হয়, যা ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে উদযাপিত হয়। এই বছর দোল ৭ মার্চ। দোল হল অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির জয়। হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন পৌরাণিক আখ্যান তাই বলছে। কিন্তু আপনি কি জানেন দোল বা হোলির ইতিহাস কী এবং কেন একে বসন্ত মহোৎসব বা কাম মহোৎসবও বলা হয়।

দোল (Holi) বা হোলির ইতিহাস

প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে হোলি বা দোলের উল্লেখ পাওয়া যায়। জৈমিনীর পূর্ব মীমাংসা সূত্র এবং কথা গড়্য-সূত্র, নারদ পুরাণ, ভবিষ্য পুরাণ এবং বহু গ্রন্থে এর বর্ণনা পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক দিক থেকেও হোলির গুরুত্ব কম কিছু নয়। সম্রাট হর্ষবর্ধন রচিত রত্নাবলী নাটকে এর উল্লেখ মেলে। আবার রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন নামটির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন ভারতের হোলি খেলা। দোল একটি প্রাচীন উত্সব হিসাবে বিবেচিত হয়।

পৌরাণিক আখ্যান

পুরাণ মতে, বিষ্ণুর ভক্ত প্রহ্লাদকে হত্যা করতে হিরণ্যকশিপুর পরামর্শ মতো তার বোন হোলিকা অগ্নিকুণ্ডে বসেন। হোলিকার শরীর ছিল ব্রহ্মার বরে প্রাপ্ত চাদর দিয়ে ঢাকা। এই রক্ষাকবচের ফলে হোলিকা অগ্নিদগ্ধ হবেনা কিন্তু প্রহ্লাদ জ্বলে যাবে এই ছিল পরিকল্পনা। কিন্তু শেষে ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় চাদর উড়ে গিয়ে পড়ে প্রহ্লাদের গায়ে এবং অগ্নিদগ্ধ হন হোলিকা। তাই দোলের আগেরদিন অশুভ শক্তির পরাজয়ের প্রতীক হিসেবে হোলিকা দহনের রীতি সারা ভারতজুড়ে দেখা যায়।

কেন দোল (Holi) পূর্ণিমাকে বসন্ত মহোৎসব বলা হয় 

দোল উৎসব বসন্ত কালে পালিত হয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে বসন্তে পালিত হওয়ার কারণে এটিকে বসন্ত মহোৎসব এবং কাম মহোৎসব বলা হয়েছে। কামদেব সম্পর্কিত কাহিনী অনুসারে, সত্যযুগে এই দিনে, ভগবান শিব কামদেবকে ধ্বংস করার পর, রতিকে শ্রীকৃষ্ণের স্থানে কামদেব রূপে জন্মগ্রহণ করার বর দিয়েছিলেন। তাই দোলকে ‘বসন্ত মহোৎসব’ বা ‘কাম মহোৎসব’ও বলা হয়।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share