Viral Infection: আবহাওয়ার পরিবর্তনে জ্বর-সর্দি-কাশিতে কাহিল সবাই, এই ভাইরালের প্রতিকার কী?

1635870781_fever

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে ব্যপকহারে বাড়ছে সংক্রমণ। পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডিনোভাইরাস বাড়বাড়ন্ত হয়েছে (Viral Infection)। বহু মায়ের কোল ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। এবাদেও ইনফ্লুয়েঞ্জা, প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জা তো রয়েইছে। এই ভাইরাসগুলির প্রভাবে জ্বর, সর্দি, কাশি হয়।  

আসলে ভাইরাল রোগগুলি খুব দ্রুত সংক্রমিত হয়। কোভিডের মতো এই রোগগুলিও (Viral Infection) একে অপরের সংস্পর্শে এলে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে কোভিডের আর দাপট নেই। এই সুযোগে বাড়ছে অন্যান্য ভাইরাস। তাই সচেতন হওয়া ছাড়া কোনও গতি নেই।

আরও পড়ুন: বনিকে ফের তলব ইডির! সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে কোন নথি? 

ভাইরাল ইনফেকশন অনেক ধরনের হয়। এই মুহূর্তে মূলত ইনফ্লুয়েঞ্জা, অ্যাডিনো নিয়েই সবার চিন্তা। এই রোগগুলির উপসর্গ কী? 

১. জ্বর
২. সর্দি
৩. কাশি
৪. মাথা ব্যথা
৫. শরীরে ব্যথা
৬. বমি, পায়খানা
৭. ক্লান্তি ইত্যাদি।

কীভাবে এই রোগগুলি থেকে দূরে থাকবেন? 

১. হাত ধুয়ে খাবার খান 

এপিআইসি.ওআরজি তরফে জানানো হয়েছে, এই সংক্রমণগুলি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে নিজের হাত দুটি সবসময় পরিষ্কার (Viral Infection) রাখুন। কারণ হাতের থেকে মুখ হয়ে বেশিরভাগ ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। তাই খাবার খাওয়ার আগে সবসময় হাত ধুয়ে রাখুন। কোভিডের সময় যে নিয়মগুলি মানতেন, সেই নিয়ম মেনে চলুন। ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত কছলে ধুয়ে নিন। ছোটদেরও এই শিক্ষা দিন। তবেই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন সহজে।

২. একে অপরের জিনিস ব্যবহার করবেন না 

বাড়িতে কেউ সংক্রমিত থাকলে তার ব্রাশ, টাওয়েল ব্যবহার করবেন না। হয়তো শরীরে ভাইরাস থাকার পরও কোনও লক্ষণ আপনার দেখা দেয়নি। আপনি অ্যাসিম্পটোমেটিক। কিন্তু  অন্যরা আপনার জিনিস ব্যবহার করলে আদতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাঁদের শরীরেও ঢুকে যেতে পারে ভাইরাস। বিশেষত, ছোটদেরকে আরও সাবধানে রাখতে হবে। তবেই এই রোগকে আটকানো যাবে।

৩. মাস্ক ব্যবহার করুন

হাঁচি, কাশির মাধ্যমে বেরিয়ে আসে ড্রপলেট। এই ড্রপলেটে থাকে অসংখ্য ভাইরাস (Viral Infection)। এই ভাইরাস শরীরে গেলেই রোগ হয়। তাই চেষ্টা করুন হাঁচি-কাশির সময় নাকে-মুখে হাত দিয়ে রাখার। মাস্ক পরুন। সাধারণ সার্জিকাল মাস্ক ব্যবহার করলে একবার ব্যবহার করেই ফেলে দিন।

৪. ভিটামিন সি যুক্ত খাবার

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা বাড়ান। ভিটামিন সি যুক্ত খাবার বেশি করে খান (Viral Infection)। প্রচুর ফল, শাক, সবজি খান। বিশেষত, লেবু খান। যে কোনও ধরনের লেবু মুখে তুলে নিতে পারেন। জুস নয়, শুধু মুখে খান। শুধু মুখে খেলে লেবুর উপকার বেশি পাওয়া যায়। পাশাপাশি প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলেও ইমিউনিটি বৃদ্ধি পায়।

৫. টিকা নিন

ছোটেদের ও বয়স্কদের টিকা নিতে হবে। এক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের টিকা নেওয়া উচিত। টিকা নিলে রোগ ভয়ঙ্কর দিকে যায় না। পরিবারে কারও হাঁচি, কাশি, জ্বর হলে তাঁকে অবশ্যই আলাদা রাখার চেষ্টা করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না।  

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share