Tag: ককরোচ জনতা পার্টি

  • CJP Leaders Tihar Jail: শান্তির বন্ডের শর্ত ভাঙায় ৫ দিনের জন্য তিহাড় জেলে দুই ‘আরশোলা’ সৌরভ, আশুতোষ

    CJP Leaders Tihar Jail: শান্তির বন্ডের শর্ত ভাঙায় ৫ দিনের জন্য তিহাড় জেলে দুই ‘আরশোলা’ সৌরভ, আশুতোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জন্তর মন্তরে অনুপ্রবেশ, নিষেধাজ্ঞা অমান্য এবং শান্তির বন্ডের শর্ত ভাঙার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের জন্য তিহাড় জেলে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের সহযোগী অজিঙ্ক শিন্ডে অবশ্য শান্তির বন্ডে স্বাক্ষর করে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার তিনজনকেই স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের (SEM) সামনে পেশ করা হয়।

    দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, তিনজনের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ, নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ অমান্য, শান্তির বন্ড ভঙ্গ এবং সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা দেওয়ার মতো ধারায় মামলা করা হয়েছে। এর আগে শনিবার বিক্ষোভের সময় আটক হওয়ার পর সৌরভ ও আশুতোষ এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার বন্ডে স্বাক্ষর করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

    তবে সিজেপি-র আইনি দলের প্রধান রত্না সিংহের অভিযোগ, তিনজনকে রাত ৩টের সময় একটি বেসরকারি ভ্যানে করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং গভীর রাত পর্যন্ত আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, কর্তৃপক্ষ বেআইনিভাবে তাঁদের আটকে রেখেছিল। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীন সমর্থন পাওয়া যায়নি।

    কেন বিতর্কের কেন্দ্রে জন্তর মন্তর?

    গত ১১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমার একটি নির্দেশ জারি করে রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং সিবিডি গ্রাউন্ডকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে চিহ্নিত করেন। এর ফলে জন্তর মন্তর নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে বাদ পড়ে।

    এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে সিজেপি। দলের দাবি, রাজধানীর রাজনৈতিক কেন্দ্র থেকে বিক্ষোভ সরিয়ে দিলে প্রতিবাদের দৃশ্যমানতা কমবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে আন্দোলনের বার্তা পৌঁছনো কঠিন হবে।

    ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)-এ কথিত অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও সিজেপি-সহ একাধিক সংগঠন প্রতিবাদ করছে। তবে SIR-এ অনিয়মের অভিযোগের বিস্তারিত প্রমাণ এই মুহূর্তে সামনে নেই।

    সব মিলিয়ে, দুই নেতার গ্রেফতারি ও বিচারবিভাগীয় হেফাজতকে ঘিরে দিল্লিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একদিকে পুলিশের আইনশৃঙ্খলা ও বিধিনিষেধ কার্যকর করার যুক্তি, অন্যদিকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে বজায় থাকবে, এখন সেই প্রশ্নই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

LinkedIn
Share