Tag: সুখোই-৩০ এমকেআই

  • R-37M Missile: গতি ম্যাক ৬, পাল্লা ৪০০ কিমি! রাশিয়ার থেকে ৩০০টি আর-৩৭এম ‘অ্যাওয়াক্স-কিলার’ কিনছে ভারত?

    R-37M Missile: গতি ম্যাক ৬, পাল্লা ৪০০ কিমি! রাশিয়ার থেকে ৩০০টি আর-৩৭এম ‘অ্যাওয়াক্স-কিলার’ কিনছে ভারত?

    সুশান্ত দাস

    ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি আরও বাড়াতে রুশ আর-৩৭এম ভেরি-লং-রেঞ্জ এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল কেনার বিষয়ে ভারত এগোচ্ছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। প্রায় ৩০০টি আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্র কেনার সম্ভাবনার কথা সামনে এসেছে। চুক্তিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। মূলত সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমানে এই ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ন্যাটো নামকরণ ‘এএ-১৩ অ্যাক্সহেড’

    ন্যাটো নামকরণ অনুযায়ী, আর-৩৭এম মিসাইলকে ‘এএ-১৩ অ্যাক্সহেড’ বলা হয়। এই ক্ষেপণাস্ত্র সুখোই-৩০ এমকেআই-তে যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনা হাতে থাকা প্রচলিত আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় আরও অনেক বেশি দূরপাল্লার একটি অস্ত্র পাবে। তবে সর্বোচ্চ ঘোষিত পাল্লা এবং বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর পাল্লা এক বিষয় নয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি কোন উচ্চতা থেকে ছোড়া হচ্ছে, উৎক্ষেপণের সময় বিমানের গতি কত, লক্ষ্যবস্তু কত দূরে এবং লক্ষ্য কীভাবে গতিপথ পরিবর্তন করছে—এসব বিষয়ের উপর প্রকৃত কার্যকর পাল্লা নির্ভর করে।

    কেন এত শক্তিশালী আর-৩৭এম?

    আর-৩৭এম মূলত কাছাকাছি দূরত্বের বিমানযুদ্ধ বা ডগফাইটের জন্য তৈরি নয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ আকাশযানকে অনেক দূর থেকেই আক্রমণ করা।

    এই তালিকায় রয়েছে—

    • ● এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (অ্যাওয়াক্স) বিমান
    • ● আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কার বিমান
    • ● ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার প্ল্যাটফর্ম
    • ● আকাশে থাকা কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল প্ল্যাটফর্ম

    এই ধরনের বিমান সরাসরি শত্রু যুদ্ধবিমানের মতো আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালন না করলেও আধুনিক বিমানযুদ্ধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    অ্যাওয়াক্স বিমানগুলি বিশাল এলাকার আকাশ পর্যবেক্ষণ করে শত্রু বিমান শনাক্ত ও অনুসরণ করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে ট্যাঙ্কার বিমান যুদ্ধবিমানগুলিকে দীর্ঘসময় আকাশে থাকার সুযোগ দেয়। ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার প্ল্যাটফর্মগুলি শত্রুর রেডার, যোগাযোগ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে এই সহায়ক বিমানগুলিকে দূরপাল্লা থেকে সরিয়ে দিতে পারলে গোটা শত্রু বিমান অভিযানের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।

    আর-৩৭এমকে কেন ‘অ্যাওয়াক্স কিলার’ বলা হয়?

    আর-৩৭এম এমন লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যেগুলি সাধারণত যুদ্ধবিমানের তুলনায় অনেক পিছনে অবস্থান করে। একটি অ্যাওয়াক্স বিমান সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রের সামনের সারিতে থাকে না। নিরাপদ দূরত্বে থেকে সেটি বিশাল এলাকার আকাশ পর্যবেক্ষণ করে এবং নিজেদের যুদ্ধবিমানকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে। দূরপাল্লার আর-৩৭এম-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র সেই তুলনামূলক নিরাপদ দূরত্বকেই চ্যালেঞ্জ করতে পারে। একইভাবে আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কার কিংবা ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমানও শত্রুর বিমানবাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্ল্যাটফর্মগুলির উপর দূর থেকে হামলার আশঙ্কা তৈরি হলে শত্রুকে তার যুদ্ধবিমান ও সহায়ক বিমানগুলিকে আরও পিছনে সরিয়ে রাখতে হতে পারে। এই কারণেই আর-৩৭এম-কে অনেক সময় ‘অ্যাওয়াক্স কিলার’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

    আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্রের মারণ ক্ষমতা কত দূর?

    আর-৩৭এম-এর পাল্লা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন ভিন্ন পরিসংখ্যান পাওয়া যায়। কিছু রিপোর্টে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত সর্বোচ্চ পাল্লার কথা বলা হয়েছে। তবে বাস্তবে কার্যকর পাল্লা পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল। উৎক্ষেপণের উচ্চতা, যুদ্ধবিমানের গতি, লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব এবং লক্ষ্যবস্তুর গতিবিধি—সবকিছুই ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। আর-৩৭এম-এর সর্বোচ্চ গতি প্রায় ম্যাক ৬ পর্যন্ত বলে উল্লেখ করা হয়। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.০৬ মিটার, ওজন প্রায় ৫১০ কিলোগ্রাম এবং এতে প্রায় ৬০ কেজির ফ্র্যাগমেন্টেড ওয়ারহেড রয়েছে। অর্থাৎ আকার ও ওজন—দুই দিক থেকেই এটি অত্যন্ত বড় আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র।

    কীভাবে লক্ষ্য খুঁজে নেয় আর-৩৭এম?

    আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এর উন্নত নির্দেশনা ব্যবস্থা। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি ইনারশিয়াল ন্যাভিগেশন সিস্টেম ব্যবহার করে এগোতে পারে। উড়ানের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী বাইরে থেকে লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান সম্পর্কে নতুন তথ্যও পাওয়া যায়। এরপর লক্ষ্যবস্তুর কাছে পৌঁছলে ক্ষেপণাস্ত্রের নিজস্ব রেডার সিকার সক্রিয় হয়ে লক্ষ্যকে অনুসরণ করতে পারে। অর্থাৎ উৎক্ষেপণকারী সুখোই-৩০ এমকেআই-কে পুরো উড়ানজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে একইভাবে লক্ষ্যবস্তুর দিকে নির্দেশ করে যেতে হয় না। শেষ পর্যায়ে ক্ষেপণাস্ত্রের নিজস্ব রেডার ব্যবস্থা লক্ষ্য শনাক্ত করে আঘাত হানতে পারে।

    সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানের সঙ্গে আর-৩৭এম-এর সমন্বয় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    ভারতের কাছে বিপুল সংখ্যায় থাকা সুখোই-৩০ এমকেআই ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম প্রধান যুদ্ধবিমান। বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশি অস্ত্র বহনে সক্ষম এই যুদ্ধবিমানের সঙ্গে আর-৩৭এম যুক্ত হলে ভারতের দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধের ক্ষমতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে বড় আকারের সুখোই-৩০ এমকেআই-এর শক্তিশালী রেডার, দীর্ঘসময় আকাশে থাকার ক্ষমতা এবং বড় অস্ত্র বহনের সক্ষমতার সঙ্গে অত্যন্ত দীর্ঘপাল্লার আর-৩৭এম-এর সমন্বয় একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষমতা তৈরি করতে পারে। এর ফলে শুধু শত্রু যুদ্ধবিমান নয়, শত্রুর পিছনের সারিতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ আকাশযানকেও লক্ষ্য করার সুযোগ বাড়বে।

    চিন ও পাকিস্তানের মোকাবিলায় কেন দরকার দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র?

    আধুনিক আকাশযুদ্ধে বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ বা বিআরআর যুদ্ধের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। অর্থাৎ যুদ্ধবিমানগুলি একে অপরের খুব কাছে গিয়ে লড়াই করার পরিবর্তে অনেক দূর থেকেই প্রতিপক্ষকে শনাক্ত ও আঘাত করার চেষ্টা করছে। চিনের পিএল-১৫-এর মতো দীর্ঘপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এই প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করেছে। পাকিস্তানও আধুনিক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দিকে এগিয়েছে। ভারত নিজস্ব দীর্ঘপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র, বিশেষ করে অস্ত্র পরিবারের উন্নত সংস্করণ নিয়েও কাজ করছে। কিন্তু দেশীয় এই প্রকল্পগুলির উন্নয়ন ও পরীক্ষা চলতে থাকায় আর-৩৭এম-এর মতো ইতিমধ্যে তৈরি ও ব্যবহৃত একটি অস্ত্র দ্রুত দীর্ঘপাল্লার আকাশযুদ্ধের সক্ষমতা দিতে পারে।

    ‘সুপার সুখোই’-এর সঙ্গে ভয়ঙ্কর সমন্বয়

    ভারত ইতিমধ্যেই সুখোই-৩০ এমকেআই-কে আরও আধুনিক করে তোলার জন্য ‘সুপার সুখোই’ আধুনিকীকরণ কর্মসূচি নিয়ে এগোচ্ছে। এই আধুনিকীকরণের আওতায় বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    এর মধ্যে রয়েছে—

    • ● উন্নত এইএসএ রেডার
    • ● অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা
    • ● উন্নত অ্যাভিওনিক্স
    • ● নতুন সেন্সর ও মিশন ব্যবস্থা
    • ● দেশীয় ও বিদেশি দীর্ঘপাল্লার অস্ত্রের সংযুক্তি
    • ● দেশীয় অ্যাস্ট্রা ক্ষপণাস্ত্র পরিবারের বিভিন্ন সংস্করণের সংযুক্তি
    • ● ব্রহ্মোস-এর দীর্ঘপাল্লার সংস্করণের মতো অস্ত্রের সংযুক্তি
    • ● আর-৩৭এম-এর মতো অতিদূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য সংযুক্তি

    ফলে সুখোই-৩০ এমকেআই আগামী বহু বছর ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম প্রধান যুদ্ধবিমান হিসেবে কার্যকর থাকার সুযোগ পাবে।

    সুখোই-৩০ এমকেআই-তে আর-৩৭এম যুক্ত হলে ভারতের কী লাভ?

    আর-৩৭এম সংযুক্তির সম্ভাব্য গুরুত্ব শুধু নতুন একটি ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি ভারতীয় বায়ুসেনার আকাশযুদ্ধের কৌশলেও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।

    এর মাধ্যমে—

    • ● প্রথমত, ভারতীয় যুদ্ধবিমান আরও দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ পাবে।
    • ● দ্বিতীয়ত, শত্রুর অ্যাওয়াক্স, ট্যাঙ্কার এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বিমানের মতো গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক প্ল্যাটফর্মের উপর চাপ তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।
    • ● তৃতীয়ত, শত্রুর বিমানবাহিনীকে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিমান আরও পিছনে সরিয়ে রাখতে বাধ্য করা যেতে পারে।
    • ● চতুর্থত, স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকায় ভারতের আকাশ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হতে পারে।
    • ● পঞ্চমত, উন্নত রেডার, সেন্সর এবং নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধব্যবস্থার সঙ্গে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার সমন্বিত আকাশ অভিযান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

    ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহৃত হয়েছে আর-৩৭এম

    আর-৩৭এম ইতিমধ্যেই রুশ যুদ্ধবিমানগুলির সঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার মিগ-৩১ এবং বিভিন্ন সুখোই যুদ্ধবিমান। ইউক্রেন যুদ্ধে আর-৩৭এম ব্যবহারের বিভিন্ন রিপোর্টও সামনে এসেছে। সেই অভিজ্ঞতা আধুনিক বিমানযুদ্ধে অত্যন্ত দীর্ঘপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের উপস্থিতি শত্রু যুদ্ধবিমানকে নিজেদের অবস্থান, গতি এবং পরিচালন এলাকার বিষয়ে আরও সতর্ক হতে বাধ্য করতে পারে।

    বদলে যেতে পারে আঞ্চলিক আকাশযুদ্ধের সমীকরণ

    ভারতের সুখোই-৩০ এমকেআই বহরে আর-৩৭এম যুক্ত হওয়ার খবর সত্যি হলে তা শুধু ভারতীয় বায়ুসেনার অস্ত্রভাণ্ডারেই নতুন সংযোজন হবে না, বরং দক্ষিণ এশিয়ার আকাশশক্তির ভারসাম্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। আধুনিক বিমানযুদ্ধে শুধু কতগুলি যুদ্ধবিমান রয়েছে, সেটাই এখন মূল বিষয় নয়। কোন বিমান কত দূর থেকে লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে, কত দূরের লক্ষ্যকে আঘাত করতে পারে এবং কত দ্রুত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রের তথ্য পেতে পারে—এসব বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কোনও পক্ষই চুক্তি নিয়ে খোলসা করেনি

    এই জায়গাতেই আর-৩৭এম এবং ‘সুপার সুখোই’-এর সম্ভাব্য সমন্বয় তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠছে। তবে প্রায় ৩০০টি আর-৩৭এম কেনার ১.২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি এবং নির্দিষ্ট সরবরাহের সময়সীমা নিয়ে প্রকাশ্য সরকারি বিবৃতি না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টিকে রিপোর্টভিত্তিক সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তি হিসেবেই দেখা উচিত। চূড়ান্ত চুক্তি, অস্ত্রের সংখ্যা, সংযুক্তিকরণের সময়সূচি এবং বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য সামনে এলে ভারতের দীর্ঘপাল্লার আকাশযুদ্ধের প্রকৃত সক্ষমতা আরও স্পষ্ট হবে।

LinkedIn
Share