Tag: 100 days work

100 days work

  • MGNREGA Wages: একশো দিনের কাজের মজুরি বাড়াল কেন্দ্র, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে, কত হল জানেন?

    MGNREGA Wages: একশো দিনের কাজের মজুরি বাড়াল কেন্দ্র, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজ প্রকল্পে মজুরি (MGNREGA Wages) বাড়াল কেন্দ্র। ২৭ মার্চ এ বিষয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্টে যেসব অদক্ষ শ্রমিক কাজ করবেন, তাঁদেরই দেওয়া হবে নয়া হারে এই মজুরি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেই মিলবে নয়া হারে মজুরি। এপ্রিলের প্রথম দিন থেকেই এই হারে মজুরি মিলবে বলে নোটিশ জারি করে জানিয়ে দিয়েছে রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রক।

    কোন রাজ্যে কত মজুরি? (MGNREGA Wages)

    একশো দিনের কাজের (MGNREGA Wages) এই প্রকল্পে বিভিন্ন রাজ্যে আলাদা আলাদা হারে মজুরি দেওয়া হয়। উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে দিন প্রতি দেওয়া হয় ২৩০ থেকে ২৩৭ টাকা। নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল প্রদেশে মেলে প্রতিদিন ২৩৪ টাকা করে। সব চেয়ে বেশি মজুরি দেয় হরিয়ানা। সেখানে প্রতিদিন মেলে ৩৭৪ টাকা করে। গোয়ায় আবার প্রতিদিন ৩৫৬ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে চলতি অর্থবর্ষ থেকেই। নয়া ব্যবস্থায় এই প্রকল্পে কর্নাটকে মিলবে প্রতিদিন ৩৪৯ টাকা করে। আগে দেওয়া হত ৩১৬ টাকা করে। এখানে মজুরি বেড়েছে ১০.৪৪ শতাংশ। 

    বৃদ্ধির হার (শতাংশে)  

    অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গনায় মজুরি হিসেবে মিলবে দৈনিক ৩০০ করে টাকা। আগে এখানে দেওয়া হত ২৭২ টাকা করে। বৃদ্ধির হার ১০.২৯ শতাংশ। মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে মজুরি বাড়ানো হয়েছে ১০ শতাংশ করে। ২২১ টাকা থেকে দৈনিক মজুরি বেড়ে হয়েছে ২৪৩ টাকা। একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ৫ শতাংশের নীচে মজুরি বেড়েছে হরিয়ানা, অসম, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান, কেরল এবং লাক্ষাদ্বীপে। নোটিশ থেকে জানা গিয়েছে, গোটা দেশে মজুরি বাড়ানো হয়েছে গড়ে ৭ শতাংশ। এতদিন যেখানে মিলত দিন প্রতি গড়ে ২৬৭.৩২ টাকা, সেখানে এখন মিলবে ২৮৫.৪৭ টাকা করে (MGNREGA Wages)।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ন্যূনতম মজুরির বদলে কেন্দ্র লিভিং ওয়েজ চালু করতে চলেছে বলে খবর প্রকাশিত মাধ্যমে। ২০২৫ সালের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে লিভিং ওয়েজ। তার আগেই একশো দিনের কাজ প্রকল্পে এক ধাক্কায় অনেকটাই মজুরি বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। যেহেতু লোকসভা ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, ফলত এই নোটিশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হয়েছে কেন্দ্রকে। মজুরি বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মূল্যসূচক এবং সে রাজ্যে মুদ্রাস্ফীতির হারের কথা।

    আরও পড়ুুন: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Malda: ১০০ দিনের বকেয়া টাকা পেতেও তৃণমূলের দাদাদের দিতে হচ্ছে কাটমানি! জেলাজুড়ে শোরগোল

    Malda: ১০০ দিনের বকেয়া টাকা পেতেও তৃণমূলের দাদাদের দিতে হচ্ছে কাটমানি! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির কারণে ১০০ দিনের প্রকল্পের বকেয়া টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকার। আর এই অবস্থায় বকেয়া টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। এবার সেই ১০০ দিনের প্রকল্পের প্রাপ্য বকেয়া থেকেও ‘কাটমানি’ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করলেন মালদার (Malda) প্রকল্পের উপভোক্তাদের একাংশ। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের দিতে হচ্ছে কাটমানি! (Malda)

    মালদার (Malda) কালিয়াচকের গয়েশবাড়ি গ্রামের রুবিনা খাতুনের (নাম পরিবর্তিত) মোবাইলে বকেয়া টাকার ঢোকার বার্তা আসে। তিনি বলেন,”মোবাইলের এসএমএসের মাধ্যমে জানতে পারি, ১০০ দিনের প্রকল্পের বকেয়া ১,৮০০ টাকা ঢুকেছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে বাড়িতে হাজির হন তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা। গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গিয়ে টাকা তুলে তৃণমূল দাদাদের হাতে অর্ধেকের বেশি টাকা দিয়ে দিতে হয়েছে।” শুধু তাঁরই নয়, প্রকল্পের বকেয়া টাকা ঢুকতেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে দিতে হচ্ছে বলে দাবি কালিয়াচক, সুজাপুর- বৈষ্ণবনগর, মোথাবাড়ির বহু উপভোক্তার। কারণ, গ্রামের ‘প্রভাবশালীদের’ কাছে অধিকাংশের জব-কার্ড রয়েছে। ফলে, টাকা না দিয়ে উপায় নেই। মানিকচকের বাসিন্দা আজমিরা বিবি বলেন, “১০০ দিনের বকেয়া থেকে এক থেকে দেড় হাজার করে টাকা দিতে হচ্ছে। গ্রামসভায় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে সে কথা জানানো হয়েছে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মানিকচক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূলের তপতী মজুমদার বলেন, “এ রকম শুনেছি। লিখিত অভিযোগ নেই। উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকলে, কাউকে টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ টাকা নিলে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করতে হবে।” মন্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, “কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রাজ্যের সঙ্গে বঞ্চনা করেছে। রাজ্য সরকার সে টাকার ব্যবস্থা করেছে। সেখানে দুর্নীতির অভিযোগ হলে, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।” বিজেপির দক্ষিণ মালদার (Malda) সভাপতি পার্থসারথি ঘোষ বলেন, “এঁদের অনেকেই প্রকল্পে কাজ করেননি। দুর্নীতির কারণে ১০০ দিনের প্রকল্পের বরাদ্দ কেন্দ্রের সরকার বন্ধ করেছে। ভোটের মুখে তৃণমূল সন্দেশখালির শাহজাহানের মতো দলের সম্পদদের সুবিধা দিতেই ঘুরিয়ে এ ভাবে প্রকল্পের টাকা তোলাচ্ছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি! রাজ্যের চার জেলায় সাত সকালেই হানা ইডি-র

    ED: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি! রাজ্যের চার জেলায় সাত সকালেই হানা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন কাণ্ডের পর এবার ১০০ দিনের দুর্নীতি নিয়ে সক্রিয় ইডি (ED)। এই দুর্নীতির তদন্তে এবার রাজ্যের চার জেলায় হানা দিল ইডি। মঙ্গলবার সাত সকালেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ইডি আধিকারিকরা হানা দেন। ঝাড়গ্রামের এক সরকারি আধিকারিকের কোয়ার্টারে, হুগলির চুঁচুড়ায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এবং মুর্শিদাবাদের একটি জায়গায় তল্লাশি চলছে। তল্লাশি চলছে সল্টলেকের একটি আবাসনেও। সকাল থেকেই চলছে তল্লাশি পর্ব।

    মুর্শিদাবাদে ইডি (ED)

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদে বহরমপুর শহরের বিষ্ণুপুর রোডে বাড়ি রথীন দে নামে প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মীর বাড়িতে ইডি (ED) হানা দেয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে বাড়ি। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নওদা পঞ্চায়েতে কর্মরত ছিলেন। নওদা পঞ্চায়েতে নির্মাণ সহায়ক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, ১০০ দিনের কাজের প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নিজের এবং তাঁর বোনের অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করে। এছাড়াও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় চাকরি যায় তাঁর।

    ঝাড়গ্রামেও হানা দেয় ইডি

    মঙ্গলবার সকালে ইডির (ED) ছ’জন আধিকারিকের একটি দল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হানা দেন ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবার একটি সরকারি আবাসনে। জেলার সংখ্যালঘু দফতরের এক প্রশাসনিক আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ খবর পেয়ে এলাকায় যান। কিন্তু, পুলিশ আধিকারিকদের আবাসনের ভিতর ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ইডি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, রাজ্যে ১০০ দিনের কাজে জাতিগত শংসাপত্র নিয়ে ‘দুর্নীতি’র বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে তারা।

    হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনায় হানা ইডি-র

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ইডি (ED) হানা দেয় হুগলির চুঁচুড়ার ময়নাডাঙায় সন্দীপ সাধুখাঁ নামে এক নির্মাণ সহায়কের বাড়িতে। সেই বাড়িতে চলছে তল্লাশি। যদিও তিনি বাড়িতে ছিলেন না। পাশাপাশি সল্টলেকের একটি আবাসনে চলছে তল্লাশি। সেই আবাসনে  ধনেখালির প্রাক্তন বিডিও এসকে পান থাকেন। প্রসঙ্গত, ১০০ দিনের দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে তারা আগেই তদন্ত শুরু করেছিল। তদন্তে দেখা যায়, ১০০ দিনের কাজে যে কোটি কোটি টাকার কেন্দ্রীয় বরাদ্দ এসেছিল, তা নয়ছয় কর হয়েছে। টাকা নয়ছয় করতে ভুয়ো জব কার্ড তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারী সংস্থাটি সূত্রে খবর। এবার সেই দুর্নীতির তদন্তে জেলায় জেলায় হানা দিল ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Asansol: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের ন-বছরের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরে এক সাংবাদিক বৈঠক (Asansol) করলেন পঞ্চায়েতের রাষ্ট্রমন্ত্রী কপিল মরেশ্বর পাটিল। বুধবার আসানসোলের এক বেসরকারি হোটেলে তিনি ওই সাংবাদিক বৈঠক করেন। এদিন মন্ত্রী বলেন, বিগত ৯ বছরে মোদিজির নেতৃত্বে আবাস যোজনায় ঘর পেয়েছে সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি উজ্জ্বলা যোজনায় কয়েক লক্ষ গরিব মানুষকে গ্যাসের কানেকশন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে। সেই সব প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা ক্ষেত্রে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে প্রচুর সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। তবে আবাস যোজনায় কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। এছাড়া ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রেও তিনি বলেন, হিসাব না দেওয়ার কারণেই ১০০ দিনের কাজের টাকা বাকি রয়েছে।

    পরিদর্শন করলেন ইএসআই হাসপাতাল (Asansol)

    ন বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে যে সব উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেই উপলক্ষে আজ আসানসোলে (Asansol) এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রথমে তিনি একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। পরে আসানসোলের ইএসআই হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। এছাড়া ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, জেলা সভাপতি দিলীপ দে। এখানে যে হসপিটাল বিল্ডিং তৈরির পর পড়ে আছে, সেটা তিনি পরিদর্শন করেন। এখানে ৩৮ একর জায়গা পড়ে আছে। সেই জায়গাতে জেলার একটি মেডিক্যাল কলেজ বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেবেন বলে জানান। এছাড়া এখানে আরও ৫০ বেড বাড়িয়ে ৩২ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু কেন ২৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, কেন এই কাজ পড়ে রয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি খোঁজখবর নেন। ভুপেন্দ্র কুমারজির সঙ্গে কথা বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    কী বললেন আসানসোল পুর নিগমের চেয়ারম্যান (Asansol)?

    অপরদিকে সাংবাদিক বৈঠকে করা মন্তব্যকে কটাক্ষ করেছেন আসানসোল (Asansol) পুর নিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। পাল্টা তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য পুরস্কার পাচ্ছে রাজ্য সরকার। বর্তমান কেন্দ্রের সরকার কর্মসংস্থানের জন্য কোনও বড় প্রজেক্ট তৈরি করতে পারেনি। উল্টে কয়েকটি বেসরকারি সংস্থাকে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fake Job Card: মনরেগা প্রকল্পে দুর্নীতির খোঁজ! ভুয়ো জব কার্ড ধরতে কমিটি গঠন হাইকোর্টের

    Fake Job Card: মনরেগা প্রকল্পে দুর্নীতির খোঁজ! ভুয়ো জব কার্ড ধরতে কমিটি গঠন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনরেগা প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্তে এবার তিন সদস্যের কমিটি গঠন করল কলকাতা হাইকোর্ট। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় কাজ করছেন তাঁদের সকলের জব কার্ড (Fake Job Card) বৈধ কি না তা খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি। বৃহস্পতিবার জব কার্ড সংক্রান্ত মামলায় এই কমিটি তৈরি করেছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ওই কমিটিতে থাকবেন রাজ্য, কেন্দ্র, ক্যাগ বা কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অফ ইন্ডিয়া এবং অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের এক জন করে প্রতিনিধি।

    কিসের ভিত্তিতে কমিটি

    ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে দু’টি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। এর মধ্যে একটি করেছিল শ্রমিকদের একটি সংগঠন। অন্যটি করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ক্ষেত মজদুর সংগঠনের দাবি ছিল, তাঁরা ১০০ দিনের কাজ করেছেন। অথচ কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে এই নিয়ে টানাপড়েনের জন্য প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। অন্যদিকে, শুভেন্দু আদালতকে বলেছিলেন, ১০০ দিনের কাজের নামে বিপুল দুর্নীতি (Fake Job Card) হয়েছে বাংলায়। বৃহস্পতিবার এই দু’টি মামলারই শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। বেঞ্চ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করেছে।

    আরও পড়ুন: কালীঘাটে গেরুয়া শিবিরের রাম পুজোতে পুলিশের ‘না’, হাইকোর্ট দিল অনুমতি

    কী বলল আদালত

    এদিন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম জানতে চান, বর্তমান পরিস্থিতি ঠিক কী? প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “দুর্নীতি যতই থাক, যাঁরা প্রকৃত দরিদ্র, তাঁদের জন্য কী করা হয়েছে? কাউকে তো দায়িত্ব নিতে হবে।” কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আদালতে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই হলফনামা দিয়ে দুর্নীতির কথা স্বীকার করে নিয়েছে। সিবিআই-এর তরফে আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, বিপুল দুর্নীতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুরুলিয়ায় এই দুর্নীতির সন্ধান পাওয়া যায়। আদালত যদি সিবিআইকে নির্দেশ দেয় তাহলে সিবিআই তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে পারে। আদালত জানিয়েছে, অভিযোগের গভীরে পৌঁছতে হলে আগে দেখতে হবে যাঁরা প্রাপ্য অর্থের দাবি করছেন, তাঁদের জব কার্ড (Fake Job Card) বৈধ কি না। তাই ভুয়ো জব কার্ড ধরতে বা সঠিক জব কার্ড যাচাই করতেই বৃহস্পতিবার ওই কমিটি তৈরি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sadvhi Niranjan Jyoti: ‘‘কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোবে’’! বকেয়া ইস্যুতে মমতাকে নিশানা সাধ্বী নিরঞ্জনের

    Sadvhi Niranjan Jyoti: ‘‘কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোবে’’! বকেয়া ইস্যুতে মমতাকে নিশানা সাধ্বী নিরঞ্জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পা পড়েছে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির (Sadvhi Niranjan Jyoti)। মঙ্গলবারই ১০০ দিনের কাজের টাকা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘আমরা আজও বলছি, যাঁরা মনরেগাতে দুর্নীতি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করুন, আমরা দিতে প্রস্তুত। কিন্তু জানি না কেন মমতাদি করতে চাইছেন না। ক্ষতি এখানকার মানুষের হচ্ছে। হতে পারে যেখানে দুর্নীতি হয়েছে, সেখানে হয়ত তাঁর কেউ নিজের লোক রয়েছেন।’’

    তৃণমূলকে তোপ মন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, আজ বুধবার কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Sadvhi Niranjan Jyoti) এবং সেখানেই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা টাকা আটকাইনি। আমরা কারও টাকা বন্ধ করিনি। যদি টাকা বন্ধ করাই লক্ষ্য হত, তাহলে অন্যান্য প্রকল্পের সব টাকা বন্ধ করে দেওয়া হত। যে বিষয়টি আছে, সেটা আগে বসে সমাধান করুন। আমাদের ২ জন আধিকারক রয়েছেন, আর উনি ২ জন আধিকারিককে দিয়েছেন। যেখানে যেখানে গণ্ডগোল রয়েছে সেগুলি আগে বসে দেখা হবে।’’ এর সঙ্গেই মন্ত্রীর তোপ, হয়ত কেঁচো খুড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়তে পারে বলেই রাজ্য আলোচনায় বসতে চাইছে না। সাধ্বী নিরঞ্জন বলেন, ‘‘কেন্দ্র প্রস্তুত থাকলেও কিন্তু উনি এখনও কেন এই সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন না আমি জানি না। হয়ত কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়বে বলেই আলোচনায় বসতে চাইছেন না।’’

    গত বছরের অগাস্ট মাসে অভিষেকের ধর্না নিয়ে কী বললেন? 

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অগাস্ট মাসেই অভিষেক ও তাঁর দলবল দিল্লিতে গিয়ে নাটক শুরু করে। বাংলা বঞ্চিত এই বলে। পরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অফিসেই ধর্নায় বসে। এ নিয়ে এদিন মন্ত্রী (Sadvhi Niranjan Jyoti) বলেন, ‘‘ওরা প্রথমে বলেছিল, ৫ জন দেখা করবে, তারপর বলল ১০ জন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যাবেন বলেছিলেন, আমি রাজিও হয়েছিলাম দেখা করতে। তারপর ওরা বলল, প্রতিনিধি নয়, জনতার সঙ্গে দেখা করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলার মানুষের ভালো করা নয়, ধর্না দেওয়াই তৃণমূলের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।’’

    আরও পড়ুন: পাখির চোখ লোকসভা ভোট! উত্তরবঙ্গ জুড়ে ম্যারাথন কর্মসূচি সুকান্তর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ১০০ দিনের কাজে ভুট্টাখেতকে পুকুর খনন দেখানো হয়েছে! তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের, কোথায়?

    TMC: ১০০ দিনের কাজে ভুট্টাখেতকে পুকুর খনন দেখানো হয়েছে! তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের, কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের আলোতে পুকুর চুরির অভিযোগ তৃণমূল (TMC) পরিচালিত পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। উত্তর দিনাজপুর জেলায় এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জেলার জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি জমিতে চলছে সবুজ ভুট্টার চাষ। স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই ভুট্টাখেতকে পুকুর খনন দেখানো হয়েছে ১০০ দিনের কাজে। এবং এই দুর্নীতিতে তৃণমূল (TMC) নেতারা লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। পুকুর চুরির এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় জেলায়। ১০০ দিনের কাজের এই দুর্নীতিতে উচ্চ আদালত আজকে উত্তর দিনাজপুরের জেলা শাসকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী দুমাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট। ১০০ দিনের কাজে এই দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত বছরই মামলা করেন উত্তর দিনাজপুর জেলার এক ব্যক্তি। সেই মর্মে গত বছরের ৩১ অক্টোবর জেলাশাসককে তদন্ত করতে নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু, তদন্ত সন্তোষজনক না হওয়ায় ফের আদালতের দ্বারস্থ হন মামলাকারী। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজকে এই পর্যবেক্ষণ দিল। 
    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটের আগে ১০০ দিনের কাজের ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নবজোয়ার সভাতে ১০০ দিনের কাজে কেন্দ্র টাকা দিচ্ছেনা বলে বারংবার অভিযোগ তুলছেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দুদিন আগেই সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ১০০ দিনের কাজে চুরি বন্ধ করলে তবেই কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে মিলবে টাকা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে বিজেপি, তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে গ্রাম পঞ্চায়েতগুলোতে চুরির যে অভিযোগ করে আসছে, এদিনের পুকুরচুরির ঘটনা বিজেপির অভিযোগকেই কার্যত সিলমোহর দিল।

    কী বলল হাইকোর্ট

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে তার তদন্ত করবেন জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। তদন্তের ওপর নজরদারি চালাবেন পঞ্চায়েত সচিব। তদন্তের রিপোর্ট প্রতি সপ্তাহে পঞ্চায়েত সচিবকে দেবেন জেলাশাসক। ২ মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে এই তদন্ত। আদালতের আরও পর্যবেক্ষন, তদন্তে দুর্নীতি প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত প্রধানদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতিতে এমনিতেই আদালতে একের পর এক ধাক্কা খাচ্ছে শাসক দল। এবার ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতিতে উচ্চ আদালতের এই নির্দেশ রাজ্যের ওপর চাপ বাড়াল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    Giriraj Singh: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বরাদ্দ টাকা সঠিক খাতে খরচ না করে খয়রাতির কাজে খরচ করা হচ্ছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার প্রায় একই অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের টাকার অপব্যবহার করছে রাজ্য সরকার। বেআইনিভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।

    গিরিরাজের দাবি…

    গিরিরাজের দাবি, আবাস যোজনা থেকে ১০০ দিনের কাজ, সর্বত্র দুর্নীতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি ৮ লক্ষ বাড়ি তৈরিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্বচ্ছতা না থাকলে টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। অভিযোগ এলে তদন্ত করতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দিয়েছে বাংলার সরকার, যা আইনত অন্যায়। মন্ত্রী (Giriraj Singh) বলেন, যাঁর তিনতলা বাড়ি রয়েছে, তাঁকেও আবাস যোজনায় টাকা দেওয়া হয়েছে। ১০০ দিনের কাজের টাকা যেভাবে লুঠ হয়েছে, তা সীমাহীন। তিনি বলেন, মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে।

    কেন্দ্র প্রাপ্য বঞ্চনা থেকে বঞ্চিত করছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁরও জবাব দিলেন বেগুসরাইয়ের সাংসদ গিরিরাজ। তিনি বলেন, আমি শুধু স্বচ্ছতা চাই। এখনও পর্যন্ত বাংলার সরকারকে ৮ লক্ষ বাড়ি তৈরির জন্য অর্থ মঞ্জুর করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্রের উদ্দেশ্য যদি খারাপই হয়ে থাকে, তা হলে টাকা কেন দেবে? রাজ্যে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। সে প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, অভিযোগ এলে তদন্ত করতে হয়। বাংলার মন্ত্রীরা এসে ভাল কথা বলে গেলেন। অথচ রাজ্যে গিয়ে তাঁদের পরিবর্তন হয়ে যায়। ফের লুঠ শুরু হয়। তিনি বলেন, ১০০ দিনের কাজের টাকা লুঠের জন্য নয়, গরিবের জন্য।

    আরও পড়ুুন: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    গিরিরাজ (Giriraj Singh) বলেন, আপনাদের বলছি, গরিবের টাকা দিতে চাই। কিন্তু বাংলার লুঠের সরকারকে কাজ দেখাতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, দেশের মধ্যে কয়েকটি রাজ্য রয়েছে তার মধ্যে মমতাজির রাজ্য অন্যতম যেখানে কেন্দ্রের টাকার অপব্যবহার হয়েছে। উনি শুরু থেকেই বেআইনিভাবে ভারত সরকারের সব প্রকল্পের নাম বদলে দিয়েছেন। ১০০ দিনের কাজ থেকে আবাস যোজনার অর্থ নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। গিরিরাজ বলেন, দুর্নীতি সব ক্ষেত্রেই সীমা পেরিয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • MGNREGA: একশো দিনের কাজে ‘পুকুর চুরি’! মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে মজুরি!

    MGNREGA: একশো দিনের কাজে ‘পুকুর চুরি’! মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে মজুরি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ মারা গিয়েছেন ১০ বছর আগে। কেউ বা ৮। তবে তাঁদের জবকার্ড (Job Card) রয়েছে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নিয়মিত মজুরিও ঢুকেছে। এভাবেই লুঠ হয়েছে একশো দিনের কাজের (MGNREGA) টাকা। নদিয়া জেলার কল্যাণীর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। একটা, দুটো নয়, এরকম ১ হাজার ৫০০ জাল একশো দিনের কাজের জবকার্ডের হদিশ মিলেছে। শুধু ২০১৯ এবং ’২০ সালের মধ্যেই এভাবে লুঠ হয়েছে অন্তত ৫ কোটি টাকা। যিনি এই অভিযোগ করেছেন তিনি একাধারে স্থানীয় বাসিন্দা, অন্য দিকে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

    একশো দিনের কাজ…

    তিনি নারায়ণ হালদার। গত ডিসেম্বরে তিনিই বিষয়টি নিয়ে দ্বারস্থ হয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের। দায়ের করেছেন পিটিশন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, আবেদনকারী যে অভিযোগ করেছেন, তা প্রমাণ করতে পারবে নদিয়া জেলা প্রশাসন। এই নির্দেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে তদন্তের কাজ শেষ করতে হবে তাদের। হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পর তদন্তের কাজ কতদূর এগোল, তা জানতে নদিয়ার জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলতে যান এক সাংবাদিক। আমি এখন ব্যস্ত আছি বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    অভিযোগকারী নারায়ণবাবু জানান, ভুয়ো জবকার্ডের (MGNREGA) খোঁজ পেতে তিনি ময়দানে নামেন ২০২০ সালে অতিমারিতে লকডাউনের সময়। তিনি দেখেন, ওই সময় কোনও কাজ না হলেও, তাঁর এলাকার অনেক জবকার্ড হোল্ডারই নিয়মিত মজুরি পাচ্ছেন। নারায়ণবাবু বলেন, স্থানীয়দের অনেকেই আমাকে বলেছেন, তাঁদের নাম একশো দিনের কাজ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের অনুমতি ছাড়াই খোলা হয়েছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক বলেন, যখন আমি ফের এ ব্যাপারে তদন্ত করতে যাই, তখন আমি এমন বেশ কয়েকটি জবকার্ড দেখেছি, যাঁরা অনেক আগেই প্রয়াত হয়েছেন। তবে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়নি। মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে (MGNREGA) মজুরি ঢুকেছে নিয়মিত। ২০১৪ সালে মারা গিয়েছেন সমরকুমার দে। ২০২০ সালেও তিনি একশো দিনের প্রকল্পে পুকুর খোঁড়ার কাজ করছেন!এরকম উদাহরণ রয়েছে আরও। নারায়ণবাবুর হয়ে আদালতে সওয়াল করছেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তিনি বলেন, যাঁদের প্রকৃত কাজ পাওয়ার দরকার, তাঁরা পাননি। অথচ গরিবের টাকা লুঠ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Nabanna: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, জবকার্ডে আধার সংযোগ হয়নি, কেন্দ্রের বরাদ্দ আটকানোর ভয়ে নবান্ন?

    Nabanna: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, জবকার্ডে আধার সংযোগ হয়নি, কেন্দ্রের বরাদ্দ আটকানোর ভয়ে নবান্ন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা বার বার নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ১০০ দিনের কাজে গোটা দেশের মধ্যে সবথেকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলা। এখনও বহু প্রাপকের জব কার্ডের সঙ্গে আধার লিঙ্ক করা হয়নি। আর এতেই ভয়ে কাঁপছে নবান্ন (Nabanna)। যেকোনও মুহূর্তে আটকে যেতে পারে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের টাকা, এই আশঙ্কায়।

    কেন এই ততপরতা? 

    বরাদ্দ আটকে যাওয়ার এই আশঙ্কায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা রাখতে জেলাগুলিকে সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পে উপভোক্তাদের (Nabanna) নামের সঙ্গে দ্রুত আধার সংযোগ করার নির্দেশ দিল নবান্ন। এ ব্যাপারে কড়াকড়ি এতটাই যে, জাতীয় সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার প্রাপকদের ছাড় দিতেও চাইছে না সরকার। 

    প্রকল্পগুলিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই উপভোক্তাদের নামের সঙ্গে আধার সংযোগ ও আধার বেস পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে কেন্দ্র (Nabanna)। সেই পথেই এখন বাধ্য হয়ে হাঁটতে হচ্ছে এই রাজ্যকে। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যসচিব জেলা প্রশাসনগুলির সঙ্গে বৈঠকে বারবার এ ব্যাপারে সচেতন করে দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্য পঞ্চায়েত দফতরের তরফ থেকেও এনিয়ে জেলাগুলিকে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কারণ, বেশিরভাগ সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের কাজ রূপায়ণের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত দফতরেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কিন্তু এখনও গুরুত্ব দিচ্ছে না জেলাগুলি।

    আরও পড়ুন: শিয়রে পঞ্চায়েত ভোট, তার আগে বার বার বিস্ফোরণে কাঁপছে রাজ্য, কী অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা? 

    এই মুহূর্তে রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় সামাজিক প্রকল্পে ১৪ লক্ষ ৪১ হাজার ৪৬০ জন তিন ধরনের ভাতা পেয়ে থাকেন (Nabanna)। এগুলি হল বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা। এর মধ্যে মাত্র ৯ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬০০ ভাতা প্রাপক অর্থাৎ ৬৮ শতাংশ তাদের আধার সংযোগ করা হয়েছে। গত এক মাসে চাপে পড়ে জেলাগুলি বেশিরভাগ কাজটা করেছে। মহারাষ্ট্রে যেখানে ৯১.১ শতাংশ প্রাপকের আধার সংযোগ রয়েছে।

    নবান্ন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত জব কার্ড হোল্ডারদের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরণ হয়েছে ৭৮.৬%। যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই কম। এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের অধীনে নজির স্থাপন করেছে মিজোরাম (Nabanna)। এই রাজ্যে ৯৭.৮% জব কার্ড হোল্ডারই আধার সংযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তামিলনাড়ু-সহ একাধিক রাজ্য আধার কার্ড সংযোগের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে। তুলনামূলকভাবে এ রাজ্যে আধার কার্ড সংযোগের সঙ্গে জব কার্ড হোল্ডারদের সংযুক্তিকরণ না হওয়ায় জেলাগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দিল নবান্ন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

LinkedIn
Share