Tag: 2047

  • PM Modi: ২০৪৭-এর মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সংকল্প, ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রায় মোদি বললেন, “আমরা করবই”

    PM Modi: ২০৪৭-এর মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সংকল্প, ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রায় মোদি বললেন, “আমরা করবই”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে তাঁর অঙ্গীকার ফের স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার প্রশাসনের প্রধান হিসেবে তাঁর টানা ২৫ বছরের যাত্রা স্মরণ করে তিনি বলেন, “আমরা অবশ্যই তা অর্জন করব। আমরা করবই, আমরা করবই, আমরা করবই।” জাতীয় রাজধানীর ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘সেবা জ্যোতি’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জীবনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মোদি। তিনি বলেন, “আজ যখন পিছন ফিরে তাকাই, তখন শুধু কৃতজ্ঞতার অনুভূতিই জাগে। প্রত্যেক ব্যক্তি এবং প্রত্যেক ঘটনা (Viksit Bharat) আমাকে কিছু না কিছু শিখিয়েছে। আমি তাঁদের প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞ।”

    অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষার কথা (PM Modi)

    নিজের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “যে আমাকে জয় এনে দিয়েছে, সে আমাকে বিনয়ী হতে শিখিয়েছে; যে আমাকে ফেলে দিয়েছে, সে আবার উঠে দাঁড়াতে শিখিয়েছে। শুভাকাঙ্ক্ষীরা আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন, আর সমালোচকরা নিজের ভিতরে আরও গভীরভাবে তাকাতে শিখিয়েছেন। যাঁরা আমাকে সমর্থন করেছেন, তাঁরা বিশ্বাসের শক্তি দেখিয়েছেন, আর যাঁরা বিরোধিতা করেছেন, তাঁরা গণতন্ত্রের শক্তি বুঝতে সাহায্য করেছেন।”

    নিজেকে কখনও একা মনে হয়নি বলেও জানান মোদি। তিনি বলেন, “আমি কখনও অনুভব করিনি যে আমি একা। অসংখ্য স্বয়ংসেবক রয়েছেন, যাঁরা ভারতের সাংস্কৃতিক আত্মার রক্ষক। তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য ভারতসেবা। তাঁরা এই চেতনা নিয়েই বাঁচেন এবং প্রতি মুহূর্তে নিজেদের মনে করিয়ে দেন—‘আমরা সেবক। আমরা মানবতার সেবক।’” দেশের প্রতি নিষ্ঠা ও কর্তব্যে অবিচল থাকা প্রত্যেক স্বয়ংসেবক ও কর্মীকে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

    ভূমিকম্প, চন্দ্রযান থেকে করোনা—অভিজ্ঞতাই দিয়েছে শিক্ষা

    নিজের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উল্লেখ করে মোদি জানান, ২০০১ সালের ভুজ ভূমিকম্প তাঁকে পুনর্গঠনের কাজে দৃঢ় থাকার শিক্ষা দিয়েছে। চন্দ্রযান অভিযান তাঁকে ব্যর্থতা থেকে উঠে দাঁড়াতে শিখিয়েছে। করোনা মহামারি তাঁকে দেশের সম্মিলিত চেতনার গুরুত্ব উপলব্ধি করিয়েছে। সুখ-দুঃখ মেশানো অভিজ্ঞতার মধ্যেও এগিয়ে যেতে তাঁকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

    ভারতের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও নিজের শক্তির উৎস হিসেবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “বেদ থেকে বিবেকানন্দ পর্যন্ত যে দেশ মহান চিন্তাকে ধারাবাহিকভাবে ধারণ করেছে, যে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হাজার হাজার বছর ধরে বিস্তৃত, যে দেশ মানবতার প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করেছে—এমন একটি দেশের সেবা করার সময় আমি কখনও নিজেকে (Viksit Bharat) একা মনে করিনি।”

    তিনি বলেন, ৭ অক্টোবরের দিনটি শুধু অতীতের স্মৃতিচারণের দিন নয়, ভবিষ্যতের জন্য নতুন করে সংকল্প নেওয়ার দিনও। তাঁর কথায়, “এই দিন সেই প্রতিশ্রুতি আবারও স্মরণ করার দিন। এই দিন সেই সংকল্প প্রকাশ করার দিন, যা বলে—‘আমরা অবশ্যই তা অর্জন করব।’ আমরা অর্জন করব, আমরা করবই (PM Modi), আমরা করবই, আমরা করবই।”

    পুষ্পবৃষ্টিতে মোদিকে স্বাগত

    ‘সেবা সংকল্প অভিযানে’র অংশ হিসেবে বিজেপি আয়োজিত ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’য় যোগ দিতে পৌঁছনোর সময় মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান দলের কর্মী-সমর্থকেরা। ফুল ছিটিয়ে, বিজেপির পতাকা হাতে এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘স্বাগত হ্যায়, ভাই স্বাগত হ্যায়; মোদি জি কা স্বাগত হ্যায়’ স্লোগান দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। মোদির আগমনের মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে বহু মানুষকে মোবাইল ফোন বের করতেও দেখা যায়।

    সভায় বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন প্রধানমন্ত্রীকে প্রশাসনের প্রধান হিসেবে ২৫ বছর পূর্ণ করার জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “মানুষ আপনাকে আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, যাতে আপনি আগের মতোই একই নিষ্ঠার সঙ্গে দেশসেবা চালিয়ে যেতে পারেন।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা আপনাকে ধারাবাহিকভাবে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং সাফল্য কামনা করছি, যাতে আপনি বিকশিত ভারতের সংকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।”

    নিতিন নবীনের দাবি, গত ২৫ বছর ধরে মোদি নিজের জীবনকে প্রদীপের মতো জ্বালিয়ে ১৪০ কোটি ভারতীয়ের জীবনে উন্নয়ন, আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। তিনি বলেন, “আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে আপনার দীর্ঘ ও সফল জনজীবনের জন্য আমি কৃতজ্ঞতা এবং শুভেচ্ছা জানাই।”

    সংগ্রাম থেকে প্রশাসনের শীর্ষে

    বিজেপির জাতীয় সভাপতি বলেন, “আজ সমস্ত ভারতীয় এবং বিজেপির সমস্ত কর্মীর কাছে একটি অবিস্মরণীয় দিন। আজ এমন এক ব্যক্তিত্বের ২৫ বছরের যাত্রার সাক্ষী থাকার দিন, যাঁর পথচলা সংগ্রামের মধ্যে শুরু হয়েছিল (PM Modi) এবং যিনি প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে এগিয়ে গিয়েছেন।”

    নবীনের বক্তব্য, তপস্যা, নিষ্ঠা (Viksit Bharat) ও সংকল্পের মাধ্যমে মোদি জনসেবাকেই জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাঁর কথায়, “তাঁর কাছে জনসেবা হয়ে উঠেছিল দেশসেবার পথ। সেই সংকল্প নিয়ে রাজনীতি ও ক্ষমতাকে সেবার মাধ্যম করে তিনি দেশসেবার পথে এগিয়ে গিয়েছেন।”

    প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্যের উল্লেখ করে নবীন দাবি করেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশের সামনে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হওয়া ভারতের ইতিহাসে মোদিই প্রথম ব্যক্তি, এবং পরে জনগণ বিজেপিকে বিপুল জনাদেশ দিয়ে তাঁকে নেতা হিসেবে গ্রহণ করে (PM Modi)।

    ২০০১-এ গুজরাট, ২০১৪-তে দিল্লি

    নরেন্দ্র মোদি ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শপথ নেন। সেই সময় গুজরাট ভয়াবহ ভুজ ভূমিকম্পের ধাক্কা সামলাচ্ছিল। পাশাপাশি রাজ্যটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ছিল।

    ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর জাতীয় রাজনীতিতে আসেন মোদি। তারপর তিন দফায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর প্রশাসনের প্রধান হিসেবে তাঁর টানা ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক প্রস্তাবেও উল্লেখ করা হয়েছে (Viksit Bharat)। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়ে ভারতের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসরও সম্প্রসারিত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথে ভারতের ভূমিকা আরও দৃশ্যমান করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে তাঁর (PM Modi) সরকার।

     

  • PM Modi: ‘অর্ধেক জল, অর্ধেক বাতাস—গ্লাস পুরো ভরা’, ১৩ বছর পরে এসআরসিসিতে নিজের পুরনো বার্তা স্মরণ মোদির

    PM Modi: ‘অর্ধেক জল, অর্ধেক বাতাস—গ্লাস পুরো ভরা’, ১৩ বছর পরে এসআরসিসিতে নিজের পুরনো বার্তা স্মরণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছর পর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সে (SRCC) ফিরে নিজের পুরনো ‘অর্ধেক ভরা গ্লাসে’র উদাহরণ স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার সন্ধ্যায় এসআরসিসির শতবর্ষ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ২০১৩ সালের সেই বক্তৃতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি বরাবর সম্ভাবনার দিকটি দেখেছেন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ওই কলেজে বক্তৃতা দিয়েছিলেন মোদি। হাতে এক গ্লাস জল তুলে তিনি বলেছিলেন, আশাবাদীরা সেটিকে অর্ধেক ভরা এবং হতাশাবাদীরা অর্ধেক খালি বলবেন। কিন্তু তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল আলাদা—গ্লাসটি অর্ধেক জলে এবং অর্ধেক বাতাসে পূর্ণ। শনিবার সেই প্রসঙ্গ ফের তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি গ্লাসটিকে পুরো ভরা হিসেবে দেখি—অর্ধেক জল এবং অর্ধেক বাতাস।’’ তাঁর দাবি, ২০১৩ সালের সেই বক্তব্যের প্রভাব এখনও অনুভব করা যায়। সেই সময় বিজেপি বিরোধী আসনে ছিল এবং কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। তা সত্ত্বেও তিনি ওই কলেজের মঞ্চকে রাজনৈতিক সমালোচনার জন্য ব্যবহার করেননি বলেও জানান। তাঁর কথায়, যা বলেছিলেন, তা বিশ্বাস থেকেই বলেছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে সেই পথেই এগিয়েছেন।

    ‘উন্নয়নের গতি এখন অনেক বেশি’ (PM Modi)

    শনিবারের বক্তৃতার বড় অংশ জুড়ে ছিল ২০১৩ সালের ভারত এবং বর্তমান ভারতের তুলনা। পাশাপাশি ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্ণ করবে ভারত।

    ২০১৩ সালের পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় সংবাদপত্রের শিরোনামে থাকত সীমান্তে সেনা নিহত হওয়া, ১০ শতাংশের কাছাকাছি মূল্যবৃদ্ধি এবং দুর্নীতির মতো বিষয়। দেশের সর্বত্র ‘পলিসি প্যারালাইসিসে’র আলোচনা ছিল এবং ভারতকে বিশ্বের ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভ’ অর্থনীতির তালিকায় রাখা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    এর বিপরীতে বর্তমান ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘কয়েক দিন আগেই প্রথম ত্রৈমাসিকের জিডিপির পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ব যখন সংকটের মধ্যে রয়েছে, সেই সময় এই পরিসংখ্যান ভারতের শক্তি স্পষ্ট করে।’’

    তাঁর দাবি, যারা ভারতকে ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভে’র মধ্যে দেখতে চেয়েছিলেন, তাঁরা বর্তমান পরিসংখ্যান মেনে নিতে পারছেন না। গাড়ি বিক্রি, নির্মাণ, উৎপাদন এবং শিল্পক্ষেত্রের কার্যকলাপ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরেন তিনি। মোদির বক্তব্য, ভারত শুধু বাড়ছে না, দ্রুত গতিতেও এগিয়ে চলেছে।

    তবে প্রথম ত্রৈমাসিকে ৭.৮ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির পরিসংখ্যান নিয়ে ইতিমধ্যেই কয়েকজন অর্থনীতিবিদ এবং বিরোধী নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের সরাসরি নাম না করে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের ‘নাখোশ ফুফাজি’ বা সবকিছুর মধ্যে নেতিবাচক দিক দেখতে অভ্যস্ত মানুষ হিসেবে কটাক্ষ করেন (PM Modi)।

    সন্ত্রাসবাদ নিয়েও বার্তা

    দেশের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এখন সন্ত্রাসবাদ শেষ পর্যায়ে। তারা যদি সাহস দেখায়, তাহলে সেনাবাহিনী ভিতরে ঢুকে তাদের শেষ করে দেয়।’’ সীমান্তের ওপারে সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    মোদির বক্তব্য নিয়ে কংগ্রেসের তরফেও তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। কংগ্রেস সাংসদ তথা মুখপাত্র পবন খেরা এক্স-এ লেখেন, বক্তৃতাটি এতটাই বিরক্তিকর ছিল যে ‘‘পেঁয়াজও কেঁদে ফেলত’’।

    কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া কুমারের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় শুধু ২০১৩ এবং ২০৪৭ সালের কথা বলেছেন। কিন্তু ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের বর্তমান সমস্যাগুলি নিয়ে কথা বলেননি।

    ১৩ বছর পর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এসআরসিসিতে মোদি

    ২০১৩ সালে এসআরসিসিতে মোদি এসেছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। তখন গুজরাটে তাঁর চতুর্থ দফার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কয়েক সপ্তাহ কেটেছে এবং জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। সেই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ১২ বছর পূর্ণ হয়েছিল।

    ১৩ বছর পর শনিবার তিনি সেই এসআরসিসিতে ফিরলেন টানা তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন তিনি। আগামী মাসে গুজরাট ও কেন্দ্র—দুই পর্যায়ের দায়িত্ব মিলিয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর ২৫ বছর পূর্ণ হবে (PM Modi)।

    ২০১৩ সালের এসআরসিসি বক্তৃতার বিষয় ছিল ‘এমার্জিং বিজনেস মডেলস ইন দ্য গ্লোবাল সিনারিও (Emerging Business Models in the Global Scenario)’। তবে সেই বক্তৃতা শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে সেটি কার্যত একটি শাসন-ভাবনার ঘোষণাপত্র হয়ে উঠেছিল।

    তখন মোদি বলেছিলেন, সমাজের একটি অংশ, বিশেষ করে রাজনৈতিক মহলের অনেকে দেশের যুবসমাজকে শুধু ‘নতুন প্রজন্মের ভোটার’ হিসেবে দেখেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ভারতকে বোঝানো যে দেশের যুবসমাজ আসলে ‘নতুন যুগের শক্তি’।

    ঘটনাচক্রে শনিবার ছিল শিক্ষক দিবস। এদিনই ওই কলেজে বক্তৃতা দেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৩ সালে গুজরাটের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেছিলেন, কোনও ব্যবসায়ী বিদেশে পণ্য রফতানি করতে গেলে ডলার ও পাউন্ড নিয়ে আসেন। কিন্তু একজন শিক্ষক বিদেশে গেলে তিনি একটি গোটা প্রজন্মকে গড়ে তোলেন।

    এর আগে (SRCC) এপ্রিল মাসে নিজের বাসভবনে এসআরসিসির পরিচালন পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শতবর্ষ উপলক্ষে (PM Modi) একটি স্মারক ডাকটিকিটও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

     

LinkedIn
Share