Tag: 4th Wave

4th Wave

  • Covid-19 in India: দেশে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনাগ্রাফ, চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    Covid-19 in India: দেশে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনাগ্রাফ, চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দেশজুড়ে বিষ নিঃশ্বাস ছড়াচ্ছে করোনা (Covid-19)। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজারের গণ্ডিও পেরিয়ে গেল। বুধবার দেশে নতুন করে মোট ৭,২৪০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গত মার্চের পর থেকে যা একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। একদিনে মৃত্যু হয়েছে আট জনের। বৃহস্পতিবার দৈনিক সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ২ শতাংশের বেশি।

    করোনা সবচেয়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রে। এতদিন এরকমই খবর ছিল। কিন্তু আচমকা কেরলেও খুব দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার কোটি। এই মুহূর্তে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৮,৮৫৭। মহারাষ্ট্রে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২০০০ জন। এছাড়াও করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ লক্ষ্য করা যাচ্ছে কেরলসহ কর্নাটক, তেলেঙ্গানা এবং তামিলনাড়ুতে। 

    আরও পড়ুন: দেশজুড়ে করোনার বাড়বাড়ন্ত, বিমানে ফের বাধ্যতামূলক মাস্ক

    চতূর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    বিশেষজ্ঞদের মতে চতূর্থ ঢেউ (4th Wave) আসছে এখনই এরকমটা ভাবার কোনও কারণ নেই। এই মুহূর্তে কোভিডের যে ভ্যারিয়েন্টটি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তা হল ওমিক্রন। বছরের শুরুতেই এই ভ্যারিয়েন্টটি নিজের দাপট দেখিয়েছে। দ্বিতীয়বার এই একই ভ্যারিয়েন্টের দাপট দেখানোর সম্ভবনা খুব কম। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, “সংক্রমণের থেকেও সবচেয়ে বেশি ভয় থাকে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে। সেদিক থেকে এখনও ভয়ঙ্কর কোনও পরিস্থিতি দেখা যায়নি। এই ধরনের ভাইরাস খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায় না। বহুদিন অবধি এরা টিকে থাকবে এবং সংক্রমণ ছড়াবে। কিন্তু আমরা ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে এগোচ্ছি। এই মুহূর্তে আমাদের দেশের পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো।”

    আরও পড়ুন: মাথা চাড়া দিচ্ছে করোনা, মহারাষ্ট্রে ফের বাধ্যতামূলক মাস্ক!

    কীভাবে বুঝবেন আক্রান্ত হয়েছেন কি না?

    হাঁচি, কাশি, জ্বর, ক্লান্তি, মাথা ব্যথা, বমি, ঘুম-ঘুম ভাব, গা ব্যথা এই লক্ষণগুলি ২-৩ দিনের বেশি থাকলে অবশ্যই পরীক্ষা করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। খাবারে অনীহা, মনযোগের অভাব, খিটখিটে মেজাজ, ঘুমে ঘাটতি, বুকে ব্যথা, র‍্যাশ, হাতে-পায়ে ব্যথা মূলত এগুলিই করোনার লক্ষণ।  

    কেউ করোনা পজিটিভ হলে, তার সংস্পর্শে আসা সকলকে বিষয়টি জানানো উচিত এবং তাদেরও পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত এবং কোভিডবিধি মেনে নিভৃতবাসে যাওয়া উচিত।

     

     

     

     

  • Covid Update: করোনার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার

    Covid Update: করোনার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমাগত বেড়ে চলেছে করোনা (Covid 19) সংক্রমণ। দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ ছুঁতে চলেছে ১৩ হাজারের গণ্ডি। রাজ্যগুলিকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। সংক্রমণের  নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে আছে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, কেরল ও কর্নাটক। দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি চিন্তায় ফেলেছে প্রশাসনকে। সংক্রমণ বেড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। সার্বিকভাবে গোটা দেশেই করোনার গ্রাফ (Corona Graph) ঊর্ধ্বমুখী।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে ১২ হাজার ৮৪৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গতকালের থেকে এই সংখ্যা সামান্য বেশি। দেশে এই অবধি মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪ কোটি ৩২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৭৭ জন।

    আরও পড়ুন: শরীরের এই জায়গায় ব্যথা হলেই সাবধান হয়ে যান, হতে পারে করোনা

    সবথেকে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। শুধু মহারাষ্ট্রেই সংক্রমণ চার হাজারের বেশি। দিল্লির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সংক্রমণ বেড়েছে কেরল ও কর্নাটকের মতো দক্ষিণের রাজ্যগুলিতেও। কেরলে একদিনে ৩ হাজার ৪১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দৈনিক সংক্রমণে তারপরেই রয়েছে দিল্লি। দিল্লিতে ১৩২৩ জন নতুন আক্রান্ত হয়েছেন। আর কর্নাটকে ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩৩ জন। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ১৯৮ জন। 

    আরও পড়ুন: কোভিডের ডেল্টা, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপর কার্যকর কোভ্যাক্সিন বুস্টার ডোজ!

    বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬৩ হাজার ৬৩ জন। এই সংখ্যা দৈনিক বৃদ্ধি পাচ্ছে। একদিনে দেশে করোনায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় পাঁচ হাজার। গতকালের থেকে আজ ৪ হাজার ৮৪৮ জন সক্রিয় রোগী বৃদ্ধি হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের দৈনিক সংক্রমণের হার বেড়ে গিয়েছে আড়াই শতাংশের কাছাকাছি।   

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Social Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। এই অবধি দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৮১৭ জন। করোনা থেকে একদিনে সেরে উঠেছে ৭ হাজার ৯৮৫ জন। এযাবৎ দেশে মোট করোনামুক্ত হয়েছেন ৪ কোটি ২৬ লক্ষ ৮২ হাজার জন। সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৮.৬৪ শতাংশ।

    করোনাকে রুখতে টিকাকরণেই বেশি জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। এখন পর্যন্ত দেশে ১৯৫ কোটি ৮৪ লক্ষ ডোজের বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে। গতকাল টিকা পেয়েছেন ১৫ লক্ষের বেশি মানুষ। 

     

  • Covishield: দেশে চতুর্থ ঢেউয়ের ভ্রুকুটির মধ্যেই কোভিশিল্ড তৈরি বন্ধ করল সেরাম!

    Covishield: দেশে চতুর্থ ঢেউয়ের ভ্রুকুটির মধ্যেই কোভিশিল্ড তৈরি বন্ধ করল সেরাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকেই তাঁর সংস্থা করোনার টিকা (Covid Vaccine) উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একথা জানান সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (Serum Institute of India)-র কর্ণধার আদর পুনাওয়ালা (Adar Poonawalla)। তাঁর বক্তব্য, টিকা (কোভিশিল্ড) যাতে কোনওভাবেই নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, শুধুমাত্র টাকার জন্য তাঁর সংস্থা টিকা তৈরি করে না।

    এই অনুষ্ঠানেই টিকা সংক্রান্ত বেশ কিছু সমালোচনার জবাব দেন পুনাওয়ালা। তিনি বলেন, করোনার টিকাকরণ (vaccination) নিয়ে বাণিজ্যিক মানসিকতা থাকলে চলবে না। এটা ঠিক যে অতিমারি (pandemic) আর আমাদের পিছনে তাড়া করে বেড়াচ্ছে না। কিন্তু, তা বলে “একজন নাগরিকের জীবনের জন্য কোনও দাম ধার্য করা যায় না।”

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই টিকাকরণের মাঝের দূরত্ব কমানোর পক্ষে সওয়াল করতে শুরু করেছেন আদর পুনাওয়ালা। বর্তমান নিয়ম অনুসারে, টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার নয় মাস পর বুস্টার ডোজ নিতে হয়। কিন্তু, আদর এই ব্যবধান কমিয়ে ছয় মাস করতে চাইছেন। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই অভিযোগ, শুধু ব্যবসায়িক লাভের জন্যই এমনটা করছেন আদর পুনাওয়ালা।

    এদিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ একেবারেই নস্যাৎ করে দিয়েছেন আদর। তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেন, শুধুমাত্র আর্থিক লাভের আশায় তাঁর সংস্থা করোনার টিকা তৈরি করেনি। তাঁর মতে, প্রথম ও বিশেষ করে অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় ভারতবাসীকে যে ভয়াবহতার সাক্ষী হতে হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি যাতে আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই দ্বিতীয় ডোজের সঙ্গে বুস্টার ডোজের ব্যবধান কমানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। যদিও কোভিশিল্ড তৈরি এবং বিক্রি করে তাঁর সংস্থা যে অনেক টাকা রোজগার করেছে, এ নিয়ে কোনও দ্বিমত থাকতে পারে না।

    তারপরও আদর পুনাওয়ালার বক্তব্য, “অপচয়ের পথ পুরোপুরি বন্ধ করতে আমি বিনামূল্যেও টিকা দেওয়ার কথা বলেছি। আমার লক্ষ্য যদি শুধুই টাকা রোজগার করা হত, তাহলে কখনই এমনটা করতাম না। আমি বলতে চাই, দেশের কোনও নাগরিকের জীবনের মূল্য টাকা দিয়ে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তা তিনি কোনও প্রাপ্তবয়স্ক হন, কিংবা কোনও নাবালক। তাই এই বিষয়ে আমাদের সময় থাকতেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বুস্টার ডোজ (booster dose) দেওয়ার ক্ষেত্রেই হোক, কিংবা নাবালকদের টিকাকরণ (child vaccination), আমাদের সঠিক সময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

    সেরামের (SII) কর্ণধারের অভিযোগ, নাগরিকদের জীবন বাঁচাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পদক্ষেপ করা দরকার। কিন্তু, যাঁদের উপর সেই দায়িত্ব রয়েছে, তাঁরা অযথা সময় নষ্ট করছেন বলেও অভিযোগ করেন আদর পুনাওয়ালা।

     

LinkedIn
Share