Tag: 9 years of modi government

9 years of modi government

  • PM Modi: পরিবেশ রক্ষায় সাফল্য মোদির! ৯ বছরে সৌরশক্তির ব্যবহার অভূতপূর্ব

    PM Modi: পরিবেশ রক্ষায় সাফল্য মোদির! ৯ বছরে সৌরশক্তির ব্যবহার অভূতপূর্ব

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অথর্ববেদ বলে, ‘‘পৃথিবী হল আমাদের ধরিত্রী মাতা এবং আমরা তার সন্তান।’’ ভারতীয় দর্শন এবং জীবনশৈলী সর্বদাই বলে প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানের কথা। বিগত ৯ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Pm Modi) নেতৃত্বে ভারত বিশ্বগুরু হয়েছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় যথেষ্ট সফলতা মিলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শপথ নেন ২০১৪ সালে। তখন থেকেই পরিবেশ নীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় গ্লাসগোতে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করতে প্রথম ব্যবস্থা ব্যক্তিগত স্তরে নিতে হবে।’’

    দেশে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বনাঞ্চলের সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে সারা পৃথিবীর ৭৫ শতাংশ বাঘের বাসস্থান আমাদের ভারতবর্ষে। আমাদের দেশে ওয়াইল্ডলাইফ ডাইভারসিটি নতুন মাত্রা পেয়েছে মোদির আমলে আফ্রিকান চিতার আগমনে। চলতি বছরেই আফ্রিকা থেকে আনা হয় বেশ কয়েকটি চিতার শাবক। যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশ তাদের জলবায়ু সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে পারছে না, সেখানে ভারতে পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপক সাফল্য মিলেছে। বিগত ৯ বছর ধরে মোদি সরকারের নমামি গঙ্গে প্রকল্প নদী দূষণের মাত্রাকে কমিয়েছে। নদীপাড়ের শহরগুলির সৌন্দার্যায়ন এবং মানুষের জীবন জীবিকারও উন্নতি হয়েছে এই প্রকল্পের মধ্য দিয়ে। বিগত ৯ বছর ধরে আমাদের দেশ সাক্ষী থেকেছে পুনর্নবীকরণ শক্তির ব্যাপক ব্যবহারের। অসংখ্য উদ্যোগ এক্ষেত্রে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। যেখানে কম খরচে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা যাচ্ছে পুনর্নবীকরণ শক্তির সাহায্যে। মোদি সরকারের অন্যতম সাফল্য হল, উজ্জ্বালা যোজনা। যেখানে কয়েক কোটি মানুষকে গ্যাস প্রদান করা হয়েছে এবং এর ফলে কার্বন ডাই অক্সাইডের দূষণের মাত্রা কমেছে। কারণ তাঁরা আজ আর উনুনে রান্না করেন না। সারা দেশে কমানো গেছে প্লাস্টিকের ব্যবহার।

    এক নজরে আমরা দেখে নেব, বিগত ৯ বছরে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মোদি সরকারের (Pm Modi) সাফল্য 

    ১) ২০২২ সালের পরিসংখ্যান বলছে, ভারতে রেকর্ড সংখ্যায় রয়েছে বাঘ। বর্তমানে দেশে বাঘের সংখ্যা হল ৩,১৬৭, যা সারা বিশ্বের ৭৫ শতাংশ। 

    ২) নমামি গঙ্গে প্রকল্পে ৩৫ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

    ৩) ২০১৪ সালের পরে দেশে পুনর্নবীকরণ শক্তির ব্যবহার বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

    ৪) ২০১৪ সালে সৌরশক্তির ব্যবহার দেশে বেড়েছে ২,৩০০ গুণ। ৩৫ লক্ষ কৃষি পাম্প বসানো হয়েছে সৌরশক্তির সাহায্যে।

    ৫) উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে প্রায় ৩৭ কোটি এলইডি বাল্ব। 

    ৬) ভারতের বারোটি সমুদ্র সৈকত পেয়েছে ব্লু ফ্লাক্স সার্টিফিকেশন।

    ৭) জম্মু-কাশ্মীরের পালি দেশে প্রথম কার্বন মুক্ত পঞ্চায়েত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

    ৮) রাজস্থানে পৃথিবীর বৃহত্তম সৌর পার্ক স্থাপন হয়েছে।

    ৯) গোবর্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে বায়োগ্যাস তৈরিতে দেশে উল্লেখযোগ্য সাফল্য মিলেছে।

     

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় নির্মাণ হচ্ছে রাম মন্দির! প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য নতুন উচ্চতায়

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    আরও পড়ুন: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    আরও পড়ুন: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

  • PM Modi: মোদি জমানায় নির্মাণ হচ্ছে রাম মন্দির! প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য নতুন উচ্চতায়

    PM Modi: মোদি জমানায় নির্মাণ হচ্ছে রাম মন্দির! প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য নতুন উচ্চতায়

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতা, পাঁচ হাজার বছরের পুরনো সংস্কৃতিকে পুনরায় বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার কাজ বিগত ৯ বছর ধরে করে চলেছে মোদি সরকার (PM Modi)। স্বাধীনতা পরবর্তী ৭০ বছরে ভারতবর্ষের সভ্যতা, সংস্কৃতি, প্রাচীন ঐতিহ্য এবং পরম্পরাকে অবহেলা করা হত কংগ্রেস জমানায়। অভিযোগ, শুধুমাত্র অবহেলা নয়, ভারতবর্ষের প্রাচীন গৌরবকে লুকিয়েও রাখা হত তোষণের কারণে। প্রচার করা হত শুধুমাত্র মধ্যযুগীয় ইসলামি শাসনকে। কিন্তু মোদি জমানায় সে সব কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। সনাতন সংস্কৃতির প্রচার এখন বিশ্বজুড়ে। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের করিডর নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নানা রকমের প্রকল্পের দ্বারা বারাণসী নগরীর ধাঁচ বদলে দেওয়া হয়েছে। নতুন এই বারাণসী নগরকে দেখলে যেন চেনাই যায় না। রাস্তাঘাট, অলিগলি সব কিছুরই খোলনলচে বদলানো হয়েছে।

    একই কথা প্রযোজ্য মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নীর ক্ষেত্রেও। সেখানে নেওয়া হয়েছে মহাকাল লোক প্রকল্প। অসমের মা কামাখ্যা মন্দিরের করিডর একই ভাবে নতুন ভাবে সেজে উঠেছে। সেখানে আগত ভক্তদের জন্য বিশ্বমানের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যা পর্যটন শিল্পেরও উন্নতি সাধন ঘটিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিরও বিকাশ ঘটেছে। ৯০০ কিলোমিটার চারধাম সড়ক যোজনার নির্মাণ কাজ চলছে, যা যে কোনও বিরূপ আবহাওয়াতেও অক্ষত থাকবে। এই প্রকল্পে জুড়বে চারটি ধাম। প্রধানমন্ত্রী মোদি ব্যক্তিগতভাবে কেদারনাথ মন্দিরের পুনর্গঠন দেখাশোনা করছেন। মন্দির সংলগ্ন স্থানে স্থাপিত হয়েছে ভগবান আদি শংকরাচার্যের মূর্তি, যা ভারতের শাশ্বত সংস্কৃতির প্রতীক।

    ২০২০ সালের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করেন। আধুনিক ভারতের ইতিহাসে যা এক স্মরণীয় ঘটনা। ঔপনিবেশিক পরাধীনতার প্রতীককে দেশ থেকে মুছে দিতে প্রধানমন্ত্রী রাজপথের নামকরণ করেন কর্তব্যপথ, যা ভারতীয় জনগণের ক্ষমতায়নের প্রতীক। দেশের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে পুনরায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কাজ মোদি সরকারের আমলে পরিলক্ষিত হচ্ছে। ভারত থেকে চুরি যাওয়া তথা পাচার হওয়া নানা রকমের মূর্তি পুনরায় আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে মোদি সরকার। এ নিয়ে বিশ্বের নানা দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি গত ৯ বছরে অমূল্য অনেক কিছুই দেশে ফেরত এসেছে।

    মোদি সরকারের প্রাথমিক নীতিগুলির মধ্যে অন্যতম হল জাতির পুনর্গঠন। গুজরাটে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি তৈরি হয়েছে মোদির আমলে, যা পরিচিত স্ট্যাচু অফ ইউনিটি নামে। এটি বিশ্বের সব থেকে উঁচু স্ট্যাচু। বিগত ৯ বছরে মোদি সরকার দেশের সমস্ত বীরদের সম্মান এবং মর্যাদা দিয়েছে। কংগ্রেস জমানায় গান্ধী-নেহরু পরিবারকেই শুধুমাত্র দেশের হিরো বানানো হয়েছিল। কিন্তু নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি ইন্ডিয়া গেটে স্থাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহালয়ে দেশের বীরদের অবদান এবং কৃতিত্বের ইতিহাসকে সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেন জাতীয় যুদ্ধ মেমোরিয়াল। দেশের জন্য চরম আত্মত্যাগ করেছেন যাঁরা, তাঁদের জীবনী সংরক্ষিত রয়েছে এখানে।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক, দেশের প্রাচীন গৌরবকে তুলে ধরতে মোদি সরকারের গত ৯ বছরের প্রয়াসগুলি

    ১) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির এবং উজ্জয়নীর মহাকাল প্রকল্পকে বিশ্বমানের করে তোলা হয়েছে, যা তীর্থযাত্রীদের কাছে নতুন আকর্ষণ।

    ২) প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করেন ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে রাম মন্দিরের উদ্বোধন হওয়ার কথা।

    ৩) ২৩১ টি চুরি যাওয়া এবং বিদেশে পাচার হওয়া মূল্যবান জিনিস দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বিগত ৯ বছরে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত মাত্র ১৩টি জিনিস ফিরিয়ে আনতে পেরেছিল ইউপিএ সরকার।

    ৪) কেদারনাথ মন্দিরকে নতুন ভাবে গড়ে তোলার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২০৭.৩০ কোটি টাকা।

    ৫) চারধাম যাত্রা সংযোগকারী সড়ক যোজনা নেওয়া হয়েছে।

    ৬) গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরকে নতুনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। খরচ হয়েছে ৩.৫ কোটি টাকা। 

    ৭) ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল তৈরি করা হয়েছে।

    ৮) বারোটি ঐতিহ্যগত হেরিটেজ সাইটের উন্নয়ন করা হয়েছে।

    ৯) হৃদয় প্রকল্পের মাধ্যমে তফশিলি জাতি এবং উপজাতি যোদ্ধাদের জন্য দশটি মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে। খরচ হয়েছে ১৫৮৬ কোটি টাকা।
     
    ১০) শিখ তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে কর্তারপুর সাহিব করিডর।

     

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    আরও পড়ুন: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    আরও পড়ুন: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

  • PM Modi: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    PM Modi: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১২

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের সঙ্গে বঞ্চনা করে এসেছে কংগ্রেস সরকার, অভিযোগ এমনটাই। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জমানায় উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভূত উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে বিগত ৯ বছরে। মোদি সরকারের উত্তর-পূর্ব ভারতের নীতির ফলে সেখানকার দুর্গম অঞ্চলেও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেছে। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ট্রেন ব্যবস্থা চালু করা গেছে। আর্থিকভাবে উন্নতি সাধন করা সম্ভব হয়েছে উত্তর পূর্ব ভারতের। স্থানীয় সংস্কৃতিকে দেশ জুড়ে তুলে ধরা হয়েছে মোদি জমানায়। বিগত নয় বছর ধরে দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রতিটি মানুষের দরজায় পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যরা বার বার পৌঁছেছেন সেখানে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মানুষদের সঙ্গে মিশে তাঁদের সংস্কৃতিকে আপন করে নিয়েছেন। তাঁদের মতো করে পোশাক পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেই যেন উত্তর-পূর্ব ভারতের ব্রান্ড-অ্যাম্বাসাডর হয়ে উঠতে পেরেছেন।

    বিগত ৯ বছর ধরে উত্তর-পূর্ব ভারতের আর্থিক উন্নতি উল্লেখযোগ্য ভাবে হয়েছে। ৩,৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে মোট ১৫৫টি প্রকল্পে। নর্থ ইস্ট স্পেশাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্টস-এর অধীনে ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই বরাদ্দ হয়েছে। অন্যদিকে ১,৩৫০ টি বিভিন্ন প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত বরাদ্দ করা হয়েছে ১৫,৮৬৭ কোটি টাকা। এই হিসাব ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের ফলে বাজেটেরও অনেকখানি অংশ বরাদ্দ হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নে। উত্তর-পূর্ব ভারতে বোগিবেল ব্রিজ প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উদ্বোধন করেন ২০১৮ সালে। উদ্বোধনের ষোলো বছর আগে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ি। উত্তর-পূর্ব ভারতের রেলপথ সম্প্রসারণের কাজও চোখে পড়ার মতো হয়েছে। সেখানে ৭টি নতুন এয়ারপোর্ট স্থাপন করা গেছে। নতুন মেডিক্যাল কলেজও হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম এইমস স্থাপন করা গেছে অসমে। সেখানে দিনের পর দিন বেড়ে চলা পর্যটকদের ভিড় প্রমাণ করে এই উন্নতির কথা। উত্তর-পূর্ব ভারত বিভিন্ন সময়ে সাক্ষী থেকেছে নানা অভ্যন্তরীণ সংকটের। এই সমস্যার সমাধানের জন্য মোদি সরকার বেশ কতগুলি শান্তি চুক্তিও করেছে। ক্ষুদ্র শিল্পের উন্নতির জন্য নেওয়া হয়েছে জাতীয় বাম্বু মিশন প্রকল্প। বাঁশ উৎপাদন এবং তা থেকে ঘর সাজানোর উপকরণের সামগ্রী সেখানে ভালই তৈরি হচ্ছে। জৈব চাষেও মিলেছে নজরকাড়া সাফল্য। দেশের সিকিম রাজ্য হয়ে উঠেছে বিশ্বের মধ্যে প্রথম ১০০ শতাংশ প্রাকৃতিক চাষের রাজ্য। মোদি সরকারের এই সাফল্য দেখে মনে হয় যে ভারতবর্ষের উন্নয়নের ইঞ্জিন হতে চলেছে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল।

    বিগত ৯ বছরে উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে মোদি সরকারের (PM Modi) সাফল্য এক নজরে 

     ১) ১৬ বছর পর সম্পূর্ণ হয়েছে বোগিবেল ব্রিজ।

    ২) ২০২২ সালে সম্পন্ন হয়েছে আদিবাসী অসম শান্তি চুক্তি, সেখানকার স্থানীয় বোরো, নাগা, এনএলএফটিদের মধ্যে শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে।

    ৩) উত্তর-পূর্ব ভারতে বিগত ৯ বছরে স্থাপিত হয়েছে সাতটি বিমানবন্দর। ২০১৪ সালের আগে সেখানে ছিল ৯টি বিমানবন্দর।

    ৪) ব্রডগেজ রেলওয়ে ব্যবস্থার মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রত্যেকটি রাজ্যের রাজধানীকে সংযুক্ত করা গেছে। 

    ৫) জৈব চাষের জন্য সেখানকার ১.৫৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ চলছে মোদি সরকারের উদ্যোগে।

    ৬) বর্তমানে চলছে ৪,০১৬ কিলোমিটার সড়ক পথ নির্মাণের কাজ। 

    ৭) ২০০০ এরও বেশি প্রকল্পের বরাদ্দ হয়েছে ২২,০০০ কোটি টাকা।

    ৮) সেখানকার বাঁশের শিল্পের উন্নতির জন্য বিশেষ নজর দিয়েছে মোদি সরকার।

    ৯) অসমে ১২টি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করা গেছে।

    ১০) স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে মণিপুরে ২০২২ সালে এবং মেঘালয়ে ২০২৩ সালে পণ্য ট্রেন চালু করা গেছে। 

    ১১) সাতটি ক্যান্সার হাসপাতাল চালু হয়েছে ডিব্রুগড়, কোকরাঝোড়, তেজপুর, লক্ষীপুর এবং জোড়হাটে।

    ১২) উত্তর-পূর্ব ভারতের মহান বীর লাচিত বরফুকনের ৪০০ তম জন্মজয়ন্তী দেশজুড়ে পালন করেছে মোদি সরকার।

     

    আরও পড়ুন: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    আরও পড়ুন: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

  • PM Modi: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    PM Modi: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হলে অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ ঘটে, এমন কথাই শোনা যায় বিশেষজ্ঞদের মুখে। বিগত ৯ বছরে ভারতবর্ষ বিশ্বের অর্থনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তার কারণ নরেন্দ্র মোদি সরকার (PM Modi) পরিকাঠামোগত উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েছে। বিগত ইউপিএ সরকারের আমলে দেখা যেত, পরিকাঠামোগত উন্নয়নের প্রশ্নে দীর্ঘসূত্রিতা কাজ করত। প্রকল্পের শিলান্যাস হত, কিন্তু বাস্তবায়ন হত না। বিগত ৯ বছরে কোনও রকমের দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই একের পর এক প্রকল্পের শিলান্যাস ও বাস্তবায়ন হয়েছে। সড়কপথ নির্মাণে রেকর্ড তৈরি করেছে সরকার। প্রতিদিন হাইওয়ে নির্মাণে সর্বোচ্চ রেকর্ড দেখা গিয়েছে বিগত ৯ বছরে। গ্রামীণ সড়কপথ নির্মাণও অত্যন্ত দ্রুতগতিতে হয়েছে মোদি জমানায় (PM Modi)।

    শুধু তাই নয়, দেশের লাইফ লাইন বলে পরিচিত রেলওয়ে ট্র্যাক সম্প্রসারণের কাজও নজরকাড়া সাফল্য পেয়েছে।। ইতিমধ্যে অজস্র বন্দে ভারত ট্রেন চালু করা গেছে, মেক ইন ইন্ডিয়া প্রজেক্টের মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, উড়ানপথেও জোয়ার এসেছে মোদি জমানায়। ৭৪টি নতুন অপারেশনাল এয়ারপোর্ট তৈরি করা গেছে। ২০১৪ এর আগে পর্যন্ত মেট্রো রেল দেশের কয়েকটি শহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বিগত ৯ বছরে কুড়িটিরও বেশি শহর মেট্রো রেলের সুবিধা পেয়েছে। শহর এবং শহরতলির যোগাযোগ ব্যবস্থা এর মাধ্যমে উন্নত হয়েছে। নিত্যযাত্রীদের সুবিধা হয়েছে। দেশের পরিকাঠামোগত এই উন্নয়নে ব্যাপক বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার। যার ফলেই মিলেছে সাফল্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শিতাতেই সম্ভব হয়েছে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, যা দেশকে জিডিপি ক্ষেত্রে বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছে। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জনসাধারণের জীবনমানেরও উন্নতি ঘটেছে। দেশের নানা প্রান্তে তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থান।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদি সরকারের আমলে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন

    ১) ২০১৪ সালের পরবর্তীকাল থেকে হাইওয়ে নির্মাণের বাজেট পাঁচশো শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    ২) ৪০০ র উপর বিশ্বমানের বন্দে ভারত ট্রেন তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ১৭টি ট্রেন বর্তমানে চলছে।

    ৩) প্রতিদিন ৩৭ কিলোমিটার করে নতুন সড়কপথ সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

    ৪) গ্রামীণ সড়ক যোজনায় ৯৯% কাজ হয়েছে।

    ৫) ২০১৪ সালে দেশে মেট্রো রেলপথ যেখানে মাত্র ২৪৮ কিলোমিটার ছিল, সেখানে ২০২৩ সালে তা দাঁড়িয়েছে ৮৬০ কিলোমিটার।

    ৬) ৭৪ টি নতুন অপারেশনাল বিমানবন্দর তৈরি হয়েছে ২০১৪ সাল থেকে।

    ৭) পরিকাঠামগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে অমৃত যোজনায় ৪,৮৩২টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।

    ৮) ৩.২৮ লক্ষ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি হয়েছে ২০১৪ সাল থেকে।

    ৯) ১১১ টি নতুন জলপথ তৈরি হয়েছে ন্যাশনাল ওয়েটার ওয়ে প্রকল্পে।

    ১০) উত্তরপ্রদেশের সরজু নাহার জলসেচ প্রকল্প, যা শিলান্যাস হয়েছিল ১৯৭৮ সালে, মোদি জমানায় তা সম্পূর্ণতা পেয়েছে।

    ১১) বিহারের কোশিরেল মহাসেতু, যার শিলান্যাস হয়েছিল ২০০৩-০৪ সালে, দু দশক পরে মোদি জমানায় তা বাস্তবায়িত হয়েছে।

    ১২) কেরলের কল্লাম বাইপাস প্রজেক্ট, যা শিলান্যাস হয়েছিল ১৯৭৫ সালে, ৫০ বছর পরে তা বাস্তবায়িত হল মোদি জমানায়।

    ১৩) বোগিবেল রেল কাম রোড ব্রিজ, ব্রহ্মপুত্র নদীর উপরে এই প্রকল্পের শিলান্যাস হয় ১৯৯৭ সালে। ২ দশক পরে তা বাস্তবায়িত হয়েছে মোদি জমানায়।

    ১৪) দেশের দীর্ঘতম অটল টানেলের (১০,০০০ ফুট) শিলান্যাস হয় ২০০০ সালে। সম্পূর্ণ হল মোদি জমানায়।

    ১৫) বিশ্বের বৃহত্তম উচ্চ রেল ব্রিজ কাশ্মীরের চেনাব ব্রিজ তৈরি হয়েছে মোদি জমানায়।

     

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

     
  • PM Modi: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    PM Modi: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৯

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা বিশ্ব আজ তাকিয়ে আছে ভারতের দিকে। বিশ্বমানের আধুনিক কোম্পানিগুলি এদেশে বিনিয়োগ করতে চায়, যা সম্ভব হয়েছে মোদি সরকারের (PM Modi) নীতির কারণে। বিগত ৯ বছর ধরে অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আর্থিক নীতিই বিদেশি বিনিয়োগ টেনে আনছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৪ সালের আগে যেখানে স্টার্ট আপের সংখ্যা এদেশে ছিল ৩৫০ টি, এখন তা বেড়েছে ২৬০ গুণ। শুধু তাই নয়, ইউনিকর্নের (১০০ কোটি ব্যবসার কোম্পানি, যা শেয়ার মার্কেটে নথিভুক্ত নয়) সংখ্যা বর্তমানে দেশে ১০০ ছাড়িয়েছে। ২০১৪ সালের পর থেকেই উদ্যোগপতিদের কাছে সরকার কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি, বরং পরামর্শদাতা রূপে পাশে থেকেছে। এই কারণেই শিল্পপতিরা আজ এ দেশে ব্যবসা করার অনুকূল পরিবেশ পেয়েছেন।

    রেট্রোস্পেকটিভ ট্যাক্স কমার ফলে বিনিয়োগে বিপুল পরিমাণে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে শিল্পপতিদের মধ্যে। এছাড়া গত ৯ বছরে যথেষ্ট পরিমাণে কমানো হয়েছে কর্পোরেট ট্যাক্সও। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) একটি বড় নীতি হল, দেশের মানুষের উপর বিশ্বাস স্থাপন। তিনি মনে করেন, এর ফলেই একটি শক্তিশালী দেশ তৈরি হতে পারে। তাঁর এই নীতির কারণেই আজ করদাতাদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং রেকর্ড পরিমাণে ট্যাক্স সংগ্রহ হয়েছে বিগত বছরগুলিতে। ভারতের লক্ষ্য হল বিশ্বমানের ব্যবসার মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করা। যত সময় গড়িয়েছে, বিগত ৯ বছর ধরে এখানে যথেষ্ট উন্নতি করতে পেরেছে দেশ। একটি রিপোর্ট বলছে, ২০১৪ সালের আগে বিশ্বের নিরিখে ব্যবসা করার আদর্শ পরিবেশ হিসেবে ভারতবর্ষের স্থান ছিল ১৪২, ২০১৯ সালে তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩। বিশ্বব্যাঙ্কের লজিস্টিক পারফরম্যান্সের ইনডেক্সে ৬ ধাপ এগিয়েছে ভারত এবং বর্তমানে তার স্থান ১৪৯ টি দেশের মধ্যে ৩৮ তম। এই সমস্ত রিপোর্ট এবং পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে, কীভাবে গত ৯ বছর ধরে মোদি সরকারের নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ। এই সমস্ত সংস্কার এবং মোদি সরকারের নীতির কারণেই গত ৯ বছর ধরে পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে দেশে। পূর্ববর্তী সরকারের কাছে শিল্পপতিরা যেন ছিল শুধুই অর্থভাণ্ডার বা ধনকুবের। কিন্তু তাঁদের সরকারের সহযোগী করে তুলে দেশের উন্নয়নের কাজে লাগাতে পেরেছেন নরেন্দ্র মোদি।

     বিনিয়োগ করার মতো আদর্শ পরিবেশ কীভাবে গড়ে উঠল ভারতে?

    ১) ব্যবসা করার আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে ভারতের স্থান ২০১৪ সাল থেকে ৭৯ ধাপ এগিয়েছে গোটা বিশ্বের নিরিখে।

    ২) ১.৬৭ লাখ নতুন কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে গত এক বছরে, যা একটি সর্বকালীন রেকর্ড।

    ৩) শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে চারটি নতুন লেবার কোড আনা হয়েছে।

    ৪) রেট্রোস্পেকটিভ ট্যাক্স কমানো হয়েছে।

    ৫) কর্পোরেট ট্যাক্সের পরিমাণও কমেছে।

    ৬) গত সাত বছরে পেটেন্ট রেজিস্ট্রেশন ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

    ৭) করের হার এখন আর ব্যবসার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে উঠছে না। নতুন ডোমেস্টিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিগুলির জন্য সর্বনিম্ন কর্পোরেট ট্যাক্স ১৫ শতাংশ।

    ৮) বর্তমানের কোম্পানিগুলির জন্য সরকার কর্পোরেট ট্যাক্স ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২ শতাংশ করেছে।

    ৯) বিগত কয়েক বছরে এফডিআই তার পূর্ববর্তী সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

    ১০) ব্যবসার জন্য সমস্ত রকমের সরকারি প্রক্রিয়াও এখন সহজ হয়েছে এবং কোম্পানির অ্যাপ্রুভালের জন্য ১৪ টি নয়, এখন তিনটি ধাপ পেরোতে হয়।

    ১১) ২০১৪ সাল থেকে দেড় হাজারেরও বেশি কেন্দ্রীয় আইনকে সংশোধন করা হয়েছে।

    ১২) আমেরিকা এবং চিনের পরেই বিশ্বের অর্থনীতিতে ভারত এখন তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্ট আপ ইকোসিস্টেম গড়তে পেরেছে।

     

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    আরও পড়ুন: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    PM Modi: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতির পর সারা বিশ্ব জুড়েই বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। এই আবহে ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড ঘোষণা করেছে, ভারতের অর্থনীতি সারা বিশ্বের মধ্যে অত্যন্ত গতিশীল। ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ডের এই ঘোষণা আসলে ৯ বছরের মোদি সরকারের (PM Modi) আমলে দেশের আর্থিক উন্নতিতে সিলমোহর দিল বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ। জিএসটি চালু হওয়ার পর বিগত বছরগুলিতে দেখা গেছে, বিপুল পরিমাণে সেখান থেকে লাভ হয়েছে সরকারের। রেকর্ড পরিমাণে রফতানি বেড়েছে গত ৯ বছরে। এই কারণগুলির জন্যই করোনা কালে বিশ্বের অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিলেও ভারতে তা প্রভাব ফেলতে পারেনি বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই কাজ সম্পূর্ণভাবে সম্ভব হয়েছে ২০১৪ সাল থেকে মোদি সরকারের শক্তিশালী অর্থনৈতিক নীতির জন্য, পরিকাঠামোগত সংস্কারের জন্য।

    ভারতের অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং দেশের মধ্যে উৎপাদন বাড়াতে মোদি সরকার বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছে। আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে এই প্রকল্পগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মেক-ইন-ইন্ডিয়া। এই ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি দেখা গিয়েছে বিগত ৯ বছরে। বিগত বছরগুলিতে কয়েক লাখ যুবকের কর্মসংস্থানও হয়েছে এই স্কিমগুলির দৌলতে। বিশ্বের অর্থনীতিতে ভারত হল এখন মোবাইল তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ হাব। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৪-১৫ সালে যেখানে মোবাইল তৈরি হত দেশে ৬ কোটি, সেখানে ২০২১-২২ সালে তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি। বিশ্বের মধ্যে ভারতবর্ষকে এখন বিনিয়োগ করার জন্য বেছে নিচ্ছেন শিল্পপতিরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)  নেতৃত্ব এবং তাঁর স্পষ্ট অর্থনৈতিক নীতির কারণেই এগুলি সম্ভব হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে এফডিআই এসেছে ভারতে ৮,৩০০ কোটি টাকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই নীতির ফলে ভারতের রফতানি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের রফতানি ৪২ লক্ষ কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রতে এই বিপুল সংস্কার এবং উন্নয়নের প্রভাব ভারতবর্ষের জনসাধারণের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে এবং তাঁরা পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি স্বচ্ছন্দের জীবনযাপন করতে পারছেন। তাঁদের পরিবারের সন্তানরা ভালো মানের শিক্ষা পাচ্ছেন।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গত ৯ বছরের উন্নয়ন

    ১) ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড ঘোষণা করেছে, অর্থনীতিতে দ্রুত এগিয়ে চলা দেশগুলির মধ্য়ে ভারত অন্যতম।

    ২) করোনাকালীন সময়ে ২৭.১ লক্ষ কোটি টাকার আত্মনির্ভর ভারতের প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ৩) প্রতি মাসেই জিএসটি সংগ্রহ রেকর্ড স্পর্শ করছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ এর এপ্রিলে জিএসটি সংগ্রহ হয়েছে ১.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা।

    ৪) ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে বিদেশে রফতানি হয়েছে ৭৭ হাজার কোটি টাকার সামগ্রী এবং অন্যান্য জিনিসপত্র।

    ৫) আগামী পাঁচ বছরে ষাট লাখ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

    ৬) বিদেশে ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র রফতানি ৫০ শতাংশ বেড়েছে এবং ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তা ২,৩০০ কোটি টাকা স্পর্শ করেছে।

    ৭) ৬.৬০ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ উদ্ধার করা গেছে।

    ৮) ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ভারতে এফডিআই এসেছে ৮,৪০০ কোটি টাকার।

    ৯) জাতীয় সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ২০১৪ সালে ছিল ৯১ হাজার ২৮৭ কিমি। সেখানে ২০২২-২৩ সালে তা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৫৫ কিমি।

     

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    আরও পড়ুন: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal BJP: মহা-জনসম্পর্ক অভিযানের অংশ, রাজ্যে এক হাজার জনসভা করবে বিজেপি!

    Bengal BJP: মহা-জনসম্পর্ক অভিযানের অংশ, রাজ্যে এক হাজার জনসভা করবে বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলা মহা-জনসম্পর্ক কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজ্যের এক হাজার স্থানে সভা করবে বিজেপি (Bengal BJP)। বর্তমানে এরাজ্যে দলের ৭০ জন বিধায়ক এবং ১৬ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। মূলত তাঁরাই এই সভায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় নেতা-মন্ত্রীরাও থাকবেন। মোদি সরকারের ৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই কর্মসূচি পঞ্চায়েত ভোটের আগে এরাজ্যে বিজেপিকে ভালো মাইলেজ দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রাজ্য বিজেপির (Bengal BJP) মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘‘এক হাজার জনসভাই হবে। আমাদের দলের ৭০ জন বিধায়ক রয়েছেন। ১৬ জন সাংসদ। তাছাড়া রাজ্য পদাধিকারীরাও জনপ্রিয়। কোনও সমস্যা হবে না।’’

    এমনিতেই ব্যাকফুটে শাসক দল

    বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট। এমনিতেই একাধিক দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যথেষ্ট ব্যাকফুটে রয়েছে রাজ্যের শাসক দল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির এই মহা জনসম্পর্ক অভিযান সফল হবে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি শহরকে ঘিরে তাদের সাংগঠনিক নগর মণ্ডল তৈরি হয়। শহর আয়তনে বড় হলে তার মধ্যে দুটি নগর মণ্ডলও থাকে। এছাড়াও প্রতিটি জেলা পরিষদ আসনকে ধরে বিজেপির গ্রামীণ মণ্ডলের সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে। কমবেশি সব মণ্ডলেই এই সভা হবে বলে জানা গেছে।

    আরও পড়ুন: ‘যেখানে ভূতের ভয়’! রুজিরা-ইস্যুতে মমতা-অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    দেশজুড়ে মহা-জনসম্পর্ক অভিযানে বিজেপি (Bengal BJP)

    নরেন্দ্র মোদি সরকারের ন’ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে মহা-জনসম্পর্ক অভিযান শুরু করেছে বিজেপি। এই কর্মসূচির আহ্বায়ক তরুণ চুঘ জানিয়েছেন, দলের ১৪০০ র ওপর বিধায়ক এবং তিনশোর বেশি সাংসদ এই কর্মসূচিতে থাকবেন। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৯ বছরে মোদি সরকার কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করেছে, তা দেশের প্রতিটি বুথেই পৌঁছে দেবেন বিজেপির কার্যকর্তারা। জানা গেছে, নাগরিক সেমিনারও যেমন হবে, তেমনি সমাজের বিশিষ্টদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন বিজেপি নেতারা। পাশাপাশি নজর দেওয়া হয়েছে পিছিয়ে পড়া বর্গের মানুষদের দিকেও। যাঁরা নরেন্দ্র মোদি সরকারের নয় বছরের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও কথা বলবেন বিজেপি নেতারা। ইতিমধ্যেই জানা গেছে, সারা দেশ জুড়ে জনসভা করবেন বিজেপি নেতারা। বেশ কয়েকটি বড় জনসভাও হবে। যেখানে উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডার মতো প্রথম সারি নেতারা। এ রাজ্যে এমন তিনটি জনসভা হবে বলে শোনা যাচ্ছে বিজেপি সূত্রে। উপস্থিত থাকবেন মোদি-শাহ-নাড্ডা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: ‘‘মোদি জমানায় সাড়ে ৩ লাখ চাকরি হয়েছে রেলে’’, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Indian Railways: ‘‘মোদি জমানায় সাড়ে ৩ লাখ চাকরি হয়েছে রেলে’’, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান থেকে দারিদ্র দূরীকরণ। মোদি সরকারের নানা সাফল্য নিয়েই চলছে বিজেপির মহা জনসম্পর্ক কর্মসূচি। বিগত ৯ বছর ধরে মোদি সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির লক্ষ্য। দেশের সংসদ ভবনেও মোদি জমানায় উন্নয়নের কথা তুলে ধরছেন সরকারের মন্ত্রীরা। বিগত ৯ বছরে রেলে (Indian Railway) কত চাকরি হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে এদিন রাজ্যসভায় অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘২০১৪ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৩ লাখ ৫০ হাজার ২০৪ জনের চাকরি হয়েছে ভারতীয় রেলে (Indian Railway)। এখনও অবধি চাকরির প্রক্রিয়া চলছে ১ লাখ ৪০ হাজার প্রার্থীর। এঁদের নিয়োগ শীঘ্রই সম্পূর্ণ হবে’’। চলতি বছরে জুন মাস অবধি ১৮ হাজার প্রার্থীর চাকরি হয়েছে বলেও জানান রেলমন্ত্রী। এদিন রাজ্যসভায় অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদিজি ঘোষণা করেছেন ১০ লাখ চাকরির কথা। তাতে সব থেকে বড় ভূমিকা রয়েছে ভারতীয় রেলের (Indian Railway)।”

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    রাজ্যসভায় লিখিত বিবৃতি পেশ রেলমন্ত্রীর

    রাজ্যসভায় এদিন লিখিত বিবৃতিতে রেলমন্ত্রী জানান, ভারতীয় রেল হচ্ছে দেশের সব থেকে বড় সংস্থা। কাজে ইস্তফা, কর্মচারীদের অবসর, রেল কর্মচারীদের মৃত্যুর মতো একাধিক কারণে প্রতিনিয়ত শূন্যপদ বাড়ছে ভারতীয় রেলে। শূন্যপদ যেমন বাড়ছে, তেমনি সেগুলো রেলবোর্ডের ভর্তির পরীক্ষার মাধ্যমে পূরণ করাও হচ্ছে সময় মতো। কানপুর আইআইটির প্রাক্তনী অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও বলেন, ‘‘১০ হাজার কিংবা ২০ হাজার নিয়োগপত্র দেওয়ার পরেও কতজন বড়াই করে প্রচার করে যে, বড় নিয়োগ হয়েছে! কিন্তু এখানে আমরা ভারতীয় রেলে (Indian Railway) অনেক বেশি কর্মসংস্থান দিতে পেরেছি। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শূন্য পদ যেমন বাড়ছে, তেমন নিয়োগও হচ্ছে। ’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    PM Modi: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৬

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৯ বছরে ভারতবর্ষের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার (PM Modi)। ১৪০ কোটি মানুষের দেশে করোনা মোকাবিলা করা ছিল যথেষ্টই চ্যালেঞ্জের কাজ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেখানে সম্পূর্ণভাবে সফল হয়েছে মোদি সরকার। রিপোর্ট বলছে, এখনও অবধি ২২০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ পৌঁছেছে সাধারণ মানুষের কাছে। ২০১৮ সালে মোদি সরকার চালু করে আয়ুষ্মান ভারত। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জন আরোগ্য যোজনা হল পৃথিবীর বৃহত্তম স্বাস্থ্য বিমা স্কিম। এর আওতায় ২২ কোটি মানুষ সুবিধা পাবেন বলে জানা গেছে। সরকার চালু করেছে ই-সঞ্জীবনী প্রকল্প, যা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখিয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ কোটি মানুষ তাঁদের বাড়ির দরজায় স্বাস্থ্য পরিষেবা পাচ্ছেন।

    মোদি সরকারের জমানায় সারা দেশে চালু হয়েছে ৯,০০০ জন ঔষধি কেন্দ্র, যা দেশের ৭০০ জেলাতে রমরমিয়ে চলছে। এই কেন্দ্রগুলি থেকে ৫০ শতাংশ ছাড়ে ওষুধ পাচ্ছেন মানুষজন। মোদি সরকারের জমানায় চালু হয়েছে ইন্দ্রধনুস প্রকল্প, যেখানে প্রায় সাড়ে চার কোটি শিশু এবং দেড় কোটি গর্ভবতী মহিলাকে বারোটি রোগ প্রতিরোধের ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। ডাক্তারি পড়াশোনার ক্ষেত্রেও নতুন মোড়ের সন্ধান মিলেছে মোদি জমানায়। বহু সরকারি কলেজ স্থাপন যেমন হয়েছে, তেমনই বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলির উচ্চ ফি এবং আসন ভর্তিতে দুর্নীতি কমানো গেছে গত ৯ বছরে। মোদি জমানায় গত ৯ বছরে অনেক রাজ্যে তৈরি হয়েছে এইমস এবং পাশাপাশি নতুন মেডিক্যাল কলেজ। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে অসমে প্রথম স্থাপিত হয়েছে এইমস।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদি (PM Modi) জমানায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কী কী নতুন বদল এসেছে

    ১) আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় সারা দেশে হাসপাতালগুলিতে আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় সাড়ে চার কোটি।

    ২) আয়ুষ্মান ভারতের ১.৫৯ লক্ষ সেন্টার তৈরি হয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

    ৩) ৯,৩০৪ টি জন ঔষধি কেন্দ্র চলছে দেশের ৭০০ রও বেশি জেলায়। যেখানে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ ছাড়ে ওষুধ পাচ্ছেন মানুষজন।

    ৪) মিশন ইন্দ্রধনুস প্রকল্পে ৫.৬৫ কোটি গর্ভবতী মা এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

    ৫) বিগত ৯ বছরে দেশে স্থাপিত হয়েছে ১৫টি নতুন এইমস এবং ২২৫টি মেডিক্যাল কলেজ।

    ৬) করোনা মোকাবিলায় ২২০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ সম্পন্ন হয়েছে সারা দেশ জুড়ে।

    ৭) ৩৭ কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় আনা হয়েছে।

    ৮) সাধারণ মানুষের ২৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি লাভ হয়েছে জন ঔষধি কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে। যেখানে জনগণ অনেক কম মূল্যে জীবনদায়ী ওষুধ পেয়েছেন।

    ৯) ২০১৪ সালের পর থেকে সারা দেশে মেডিক্যালে আসন বাড়ানো হয়েছে ৬৯ হাজার ৬৬৩টি।

    ১০) করোনাকালীন সময়ে ২০২০ মার্চ পর্যন্ত ১৪ টি ল্যাবরেটরি ছিল করোনা পরীক্ষার জন্য, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩,৩৯০ টি।

    ১১) করোনার সময় প্রতিদিন ২০ লক্ষ করে পিপিই কিট তৈরি করতে পেরেছে সরকার।

    ১২) মার্চ ২০২০ অবধি সারা দেশে আইসিইউ বেড ছিল ২,১৬৮টি, বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার।

     

    আরও পড়ুন: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    PM Modi: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত ৯ বছরে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মাথার উপর ছাদ, রান্নার গ্যাস, শৌচালয়, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট পরিষেবা, বিমা, কর ছাড়-এ সবই মধ্যবিত্ত জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। বাস্তবায়িত হয়েছে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আচ্ছে দিনের সংকল্প। মধ্যবিত্তরা যাতে নিজেদের প্রথম বাড়ি বানাতে সমস্যায় না পড়েন, সেজন্য সুদের হারে অনেকটাই ছাড় দিয়েছে মোদি সরকার। এই ছাড়কে যুক্ত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সঙ্গেও। রোজগারের ওপর বিপুল কর ছাড়ের ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণি এখন অনেকটাই সঞ্চয় করতে পারছে, এমনটাই বলছে রিপোর্ট। ২০১৪ সালে বিমানে চড়ার কথা শুধু ধনীরাই ভাবতে পারত। কিন্তু পরবর্তীকালে মোদি সরকারের ‘উড়ান’ প্রকল্পের দৌলতে সাধারণ মানুষও বিমানে যাতায়াত করতে পারছেন। অফিস টাইমে দেশের প্রতিটি শহরেই নিত্যযাত্রীদের ভিড়ে ট্রেনগুলি উপচে পড়ত। এই সমস্যা সমাধানের জন্য কমবেশি প্রতিটি শহরের সঙ্গে শহরতলিকে জোড়ার জন্য ট্রেন এবং মেট্রো রেলের বিভিন্ন প্রজেক্টকে বাস্তবায়িত করেছে মোদি সরকার। যার ফলে অফিস যাত্রীদের সময় যেমন বাঁচছে, তেমনি প্রাইভেট যানবাহনে তাঁদের চড়তে হচ্ছে না। ইন্টারনেট পরিষেবাও ব্যাপক উন্নত এখন। নরেন্দ্র মোদি সরকার সম্প্রতি ৫জি সার্ভিসও চালু করেছে। গত ন’ বছর ধরে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবহণ, স্মার্ট সিটি, শিল্প- এই সমস্ত ক্ষেত্রেই নতুন জোয়ার এসেছে। সরকার গত ন’ বছর ধরে সাধারণ মানুষের জীবনের মানের উন্নতি করার জন্য সদা সচেষ্ট থেকেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’, ‘সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস’ গত ৯ বছরে সফল, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    মধ্যবিত্ত শ্রেণির জীবনযাপন অনেক সহজ হয়েছে মোদি (PM Modi) জমানায়

    ১) ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক রোজগারের কোনও কর দিতে হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণির সঞ্চয় আরও বেড়েছে।

    ২) যাদের বার্ষিক আয় ১৫ লক্ষ টাকা, তাদের কার্যকরী করের হার ২০১৩ সালে ছিল ১৯.২২ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে হয়েছে ১০.৪ শতাংশ।

    ৩) স্মার্ট ফোনের যুগে ২১,৮০১টি সরকারি পরিষেবাকে হাতের মুঠোয় তুলে দিয়েছে মোদি সরকার,  Umang app এর মাধ্যমে।

    ৪) এক লক্ষেরও বেশি মামলা ‘রিয়েল এস্টেট রেগুলেটরি অথরিটি’র মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা গেছে।

    ৫) ৩ কোটির বেশি শহুরে এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়া গেছে।

    ৬) ২০১৪ সালের আগে পর্যন্ত ভারতবর্ষে মাত্র ৫ টি শহরে মেট্রো চলত। ২০২৩ সালে ২০ টি শহরে চলছে।

    ৭) ১ কোটি ১৬ লক্ষ মানুষ উড়ানের সুবিধা পাচ্ছেন, যার ফলে তাঁদের বিমানযাত্রা সুলভ হয়েছে।

    ৮) ইন্টারনেট ডেটার দাম কমেছে ৯৭ শতাংশ।

    ৯) ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করা এখন অনেক বেশি সহজ হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করেছিলেন ৩ কোটি ৯১ লক্ষ মানুষ। সেখানে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে দেখা যাচ্ছে ট্যাক্স ফাইল করেছেন ৭ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ। অর্থাৎ ইনকাম ট্যাক্সের আওতায় গত ১০ বছরে এসেছেন প্রায় দ্বিগুণ মানুষ। এতেই বোঝা যাচ্ছে মোদি সরকারের উপর সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা কত বাড়ছে।

    ১০) মোদি (PM Modi) জমানায় অনেকটাই কমেছে গৃহ নির্মাণের ঋণ, যার ফলে উপকৃত হয়েছেন প্রায় ছয় লক্ষ মধ্যবিত্ত।

    ১১) ২০১৪ সাল থেকে কমেছে গাড়ি কেনার ঋণের পরিমাণও।

    ১২) ৪০ শতাংশ ভারতবাসীকে আনা হয়েছে আয়ুষ্মান যোজনা প্রকল্পের আওতায়। এতে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা বিনামূল্যে করা যাবে।

    ১৩) গত ৯ বছরে দেশে ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির হার ২৩১ শতাংশ।

    ১৪) পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে কম দামের স্যানিটারি প্যাড পাওয়া যায় ভারতে। মোদি (PM Modi) সরকারের জমানায় নির্মিত জনঔষধি কেন্দ্রগুলিতে এগুলি মেলে।

    ১৫) পরিবহণের ক্ষেত্রে গত ৯ বছরে চালু করা হয়েছে ২,৪৩৫টি ইলেকট্রিক বাস। যা পরিবেশবান্ধব।

    ১৬) ১.৯৩ লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েতকে যুক্ত করা হয়েছে ভারত নেটের অপটিক ফাইবারের সঙ্গে।

    ১৭) প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রগুলিতে ৫০ শতাংশ ছাড়ে ওষুধ বিক্রি চলছে।

    ১৮) মধ্যবিত্তদের ইলেকট্রিক বিলও কম আসছে, উজ্জ্বলা এলইডি লাইটের জন্য।

     

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share