Tag: 9 years of modi government

9 years of modi government

  • PM Modi: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    PM Modi: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) প্রায়ই বলেন, ‘‘আমাদের দুটি অপরিসীম শক্তি আছে। একটি হল জনসংখ্যা এবং অপরটি গণতন্ত্র। পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে বেশি যুবক এখন রয়েছেন ভারতে। সরকার সম্পূর্ণভাবে এই শক্তিকে কাজে লাগাতে চায়।’’ জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ রূপায়ণের ফলে দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার খোলনলচে বদলে গেছে। জাতীয় শিক্ষানীতিকে তৈরি করা হয়েছে ভারতীয় সভ্যতার ভিত্তির ওপর এবং বেশি জোর দেওয়া হয়েছে ছাত্রদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর। পরিসংখ্যান বলছে, গত ৯ বছরে রেকর্ড সংখ্যায় আইআইটি, আইআইএম, মেডিক্যাল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সারা দেশ জুড়ে স্থাপিত হয়েছে। অন্যদিকে এখনও অবধি ১ কোটি ৩৭ লক্ষ যুবক স্কিল ইন্ডিয়ার বিভিন্ন ট্রেনিং নিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কৌশল বিকাশ যোজনার মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই রোজগার মেলার আয়োজন করেছে। ১০ লক্ষেরও বেশি প্রার্থীকে বিভিন্ন দফতরের নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। দেশের যুবসমাজকে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদানে উৎসাহ দিতে আনা হয়েছে অগ্নিপথ প্রকল্প। কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি খুব স্পষ্ট। কর্মসংস্থান তৈরির বদলে ছোট বড় উদ্যোগপতি নির্মাণ করতে চায় কেন্দ্র। যাতে বর্তমান যুবসমাজ চাকরিমুখী হওয়ার থেকে চাকরিদাতা হতে পারে। এই উদ্দেশ্যে স্টার্ট আপ প্রজেক্ট কেন্দ্রীয় সরকার শুরু করে ২০১৬ সাল থেকে।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক, যুব সমাজের জন্য মোদি সরকারের (PM Modi) প্রয়াস  

    ১) দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে যুব অ্যাথলেটিকদের তুলে আনা হচ্ছে খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রচেষ্টার ফল ভারত দেখেছে টোকিও অলিম্পিকে, ২০২১ সালে। এর ফলে অলিম্পিকে ৭টি মেডেল পায় ভারত।

    ২) প্রায় ৪০ বছর পরে জাতীয় শিক্ষানীতিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হল। শিক্ষাকে সময়োপযোগী এবং কর্মমুখী করে তোলার এক অনবদ্য প্রয়াস মোদি সরকারের।

    ৩) যুব উদ্যোগপতি বানাতে স্টার্ট আপ প্রজেক্ট  চালু করা হয়েছে ২০১৬ সাল থেকেই।

    ৪) ১ কোটি ৩৭ লক্ষ যুবককে প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনার অধীনে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে।

    ৫) গত ৯ বছরে নতুন সাতটি আইআইএম চালু করা হয়েছে।

    ৬) প্রধানমন্ত্রী শ্রী যোজনার আওতায় ১৪,৫০০ স্কুলকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো হয়েছে।

    ৭) ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ২৩ লক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ চাকরি তৈরি করা গেছে, স্টার্ট আপ প্রজেক্টের মাধ্যমে।

    ৮) অধিক সংখ্যায় AIIMS তৈরি হয়েছে। বর্তমানে দেশে যার সংখ্যা ২৩টি।

    ৯) ৭ টি নতুন আইআইটি তৈরি হয়েছে। সারা দেশে আইআইটির সংখ্যা এখন ২৩। প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে দেশে স্থাপিত হয়েছিল ১৬ টি আইআইটি। অন্যদিকে ২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে স্থাপিত হয়েছে ৭ টি আইআইটি।

    ১০) পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মেডিক্যালে আসন সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৪৬৬। অন্যদিকে বিগত ৯ বছরে মেডিক্যালে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে ৬৯ হাজার ৬২৩। বর্তমানে মোট আসন সংখ্যা ১ লক্ষ ৫২ হাজার ১৩৯।

    ১১) পরিসংখ্যান বলছে, সারা দেশে ১৯৪৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৬৪১ টি মেডিক্যাল কলেজ ছিল। ৯ বছরের মোদি সরকারের জমানায় কলেজের বাড়ানো হয়েছে ৭০০টি। বর্তমানে দেশে মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা ১,৩৪১।

    ১২) সারা দেশে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৭২৩ টি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। মোদি জমানায় গত ৯ বছরে আরও ৩৯০ টি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১,১১৩।

    ১৩) ক্রীড়া ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে দেশের কমনওয়েলথ গেমসে (২০২২) ৬১টি মেডেল এনেছেন আমাদের যুব ক্রীড়াবিদরা।

     

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Parliament Building: নতুন সংসদ ভবন ১৪০ কোটি মানুষের আকাঙ্খার প্রতীক, বললেন মোদি

    New Parliament Building: নতুন সংসদ ভবন ১৪০ কোটি মানুষের আকাঙ্খার প্রতীক, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেন নয়া সংসদ ভবনের (New Parliament Building)। উদ্বোধনের পর এদিন প্রধানমন্ত্রী শাসক এবং বিরোধীদলের সমস্ত সাংসদদের অভিবাদন জানান। তাঁর বক্তব্যে নয় বছরে কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্যগুলিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। স্মারক হিসাবে এদিন তিনি উদ্বোধন করেন ৭৫ টাকার কয়েনেরও।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এদিনের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘নতুন সংসদ ভবন আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিষেবায় পরিপূর্ণ। এই সংসদ ভবন ৬০ হাজারেরও বেশি শ্রমিকের কর্মসংস্থান করেছে। তাদের এই কঠোর পরিশ্রমকে সম্মান জানাতে আমরা ডিজিটাল গ্যালারি তৈরি করেছি।’’ তাঁর বক্তব্যে শোনা যায় ন’ বছরের কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্যগাথাও।

    তিনি বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভবন থেকে সংসদ ভবন (New Parliament Building) আমাদের অনুপ্রেরণা হল দেশ ও সমাজের উন্নয়ন। ৯ বছরে আমরা চার কোটি মানুষের মাথার উপরে ছাদ এবং ১১ কোটি শৌচালয় বানাতে পেরেছি, এটা আমাদের অপরিসীম তৃপ্তি দেয়।’’ নতুন সংসদ ভবন নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘পুরনো সংসদ ভবনে সকলের কাজ করতে অনেক সমস্যা হচ্ছিল। প্রযুক্তিগত সমস্যাও ছিল। বিগত দেড়, দুই দশক ধরে আলোচনা হচ্ছিল নতুন সংসদ ভবনের। সময় চাহিদাতেই নতুন সংসদ ভবন তৈরি হল। আমার বলতে গর্ব হচ্ছে আধুনিক মানের প্রযুক্তিরও সুবিধা রয়েছে এখানে।’’ নতুন সংসদ ভবনকে এদিন তিনি ১৪০ কোটি মানুষের আকাঙ্খার প্রতীকও বলেন।

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের অন্দরসজ্জা কেমন? ভিডিও শেয়ার করে ঝলক দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

    নতুন সংসদ ভবনের (New Parliament Building) স্মারক হিসাবে ৭৫ টাকার কয়েনেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন ৭৫ টাকার কয়েনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নতুন সংসদ ভবনের লোকসভা চেম্বারে। অর্থ মন্ত্রক জানিয়েছে যে কয়েনটির ওজন ৩৪.৬৫ থেকে ৩৫.৩৫ গ্রামের মধ্যে। কয়েনের একদিকে রয়েছে অশোক স্তম্ভের ছবি। দেবনাগরী অক্ষরের লেখা রয়েছে ভারত, এবং ইংরেজিতে লেখা ইন্ডিয়া। টাকার সিম্বলও সেখানে দেওয়া রয়েছে। কয়েনের উল্টোদিকে রয়েছে নতুন পার্লামেন্ট ভবনের ছবি এবং তাতে লেখা রয়েছে ২০২৩ সাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    PM Modi: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষজ্ঞদের মতে, বিগত ৯ বছরে নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে ভারতের বিদেশনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সফল মোদি সরকার। মোদি জমানায় (PM Modi) বিদেশনীতির প্রাথমিক ভিত্তি হল ‘Act East’, ‘Think West’ and ‘Connect Central Asia’। প্যাসিফিক রিজিয়নে শুরু করা হয়েছে সাগর প্রকল্প ‘সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ইন দ্য রিজিয়ন’। এই নীতির উদ্দেশ্য হল সমগ্র ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের সমমনস্ক সহযোগী দেশগুলিকে নিয়ে শান্তির পরিবেশ তৈরি করা। Solar Alliance (ISA), Coalition for Disaster Resilient Infrastructure (CDRI), Lifestyle for Environment (LiFE), এবং International Big Cat Alliance (IBCA) এই সব নীতির ফলেই বিশ্বের নানা দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করার জন্য বিশ্বের প্রতিটি দেশেই ভারতের পদচিহ্ন দেখা যাচ্ছে।

    ভারতে অনুষ্ঠিত জি ২০ সম্মেলনের থিম হল বসুধৈব কুটুম্বকম। যার অর্থ হল এক পৃথিবী এক পরিবার। এখনও পর্যন্ত ভারতে একশোর উপর জি ২০-র মিটিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এপ্রিল ২০২৩ পর্যন্ত পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১১০ টি দেশ থেকে এখনও পর্যন্ত ১২ হাজার ৩০০ প্রতিনিধি এসেছেন। আমন্ত্রিত দেশের সদস্যরাও এসেছেন জি ২০ সম্মেলনে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যরাও পা রেখেছেন ভারতে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে সংকটের মুহূর্তে ভারতই একমাত্র দেশ, যার সক্রিয়তা সবার আগে দেখা যায়। যেমন সাম্প্রতিক তুরস্কের ভূমিকম্পে অপারেশন দোস্ত (২০২৩), অপারেশন গঙ্গা (২০২২), অপারেশন দেবী শক্তি (২০২১), মিশন সাগর (২০২১) সমেত আরও অনেকগুলি অপারেশনে ভারতের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। এর পাশাপাশি জাতীয় সুরক্ষাও সব থেকে বেশি অগ্রাধিকার পেয়েছে মোদি সরকারের কাছে। দেখা গেছে, ভারতের বাইরেও অপারেশন সংগঠিত করেছে মোদি সরকার। বালাকোটের এয়ার স্ট্রাইক তার জীবন্ত প্রমাণ। গত ৯ বছরে দেশের ভিতরে উগ্র বামপন্থী মাওবাদীদের রমরমাও কমেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন, উন্নয়ন এবং জাতীয় সুরক্ষাকে পাশাপাশি চলতে হবে আত্মনির্ভর ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে। ভারতের প্রথম নিজস্ব তৈরি এয়ারক্রাফট হল আইএনএস বিক্রান্ত। হিসাব বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারত প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সরঞ্জাম বিক্রি করেছে ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি। সুসংগঠিত এই বিদেশনীতি এবং জাতীয় সুরক্ষানীতি নতুন ভারত গঠন করেছে।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, জাতীয় সুরক্ষা এবং বিদেশনীতিতে মোদি সরকারের উল্লেখযোগ্য কাজগুলি

    ১) গৃহযুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান থেকে অপারেশন কাবেরির মাধ্যমে তিন হাজারেরও বেশি ভারতীয়কে ফিরিয়েছে মোদি (PM Modi) সরকার।

    ২) ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা এবং আর্টিকল ৩৫ (এ) বিলোপ করা হয়েছে ভারতীয় সংবিধান থেকে।

    ৩) গত ৫ বছরে যুদ্ধ সরঞ্জাম বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে ৩৩৪ শতাংশ।

    ৪) ২ কোটি ৯৭ লক্ষেরও বেশি যাত্রীকে বন্দে ভারত ফ্লাইট-এর আওতায় আনা হয়েছে।

    ৫) প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে চার হাজার একশোর বেশি জিনিস ভারতের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

    ৬) রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয়কে ইউক্রেন থেকে উদ্ধার করেছে মোদি সরকার (PM Modi)।

    ৭) ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কে অপারেশন দোস্তের মাধ্যমে ৫,৯৪৫ টন আপৎকালীন ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে ভারত সরকার।

    ৮) ২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ পর্যন্ত ৫০০ কোটিরও বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে।

    ৯) অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডগুলিকে বদলানো হয়েছে সাতটি প্রতিরক্ষা পিএসইউতে।

    ১০) ২৯.২ কোটি কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনকে ৬১ রও বেশি দেশে পৌঁছানো হয়েছে ভ্যাকসিন মৈত্রী প্রকল্পের মাধ্যমে।

    ১১) ২০১৪ সালের পর থেকে দেশে সেভাবে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলা ঘটেনি।

    ১২) ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ২০১৯ সালের এয়ার স্ট্রাইকের মাধ্যমে কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদকে।

     

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    আরও পড়ুন: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    PM Modi: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত ন-বছর ধরে মোদি সরকারের আমলে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে নারীর সর্বাঙ্গীন উন্নয়নকে। নারী কল্যাণে একাধিক কর্মসূচি ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার (PM Modi)। সামাজিকভাবে নারী সুরক্ষা আনতে চালু হয়েছে বিভিন্ন আইন। যেমন আইন করে বন্ধ করা গেছে তিন তালাক প্রথা। মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য মোদি সরকার গ্রহণ করেছে ‘মিশন পোষণ’। এটা এক ধরনের পুষ্টির প্রোগ্রাম, গর্ভবতী মহিলা এবং সদ্যোজাতদের জন্য। এই প্রকল্পে এখনও অবধি ১.৮১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার।

    নারী সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নের প্রকল্প

    অন্যদিকে সরকারি সূত্রেই জানা যাচ্ছে, ‘মিশন শক্তি’ প্রকল্পে দুটি স্কিম রয়েছে। একটি হল ‘সম্বল’ এবং অপরটি ‘সামর্থ্য’। নারী সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নের জন্যই এই প্রকল্পগুলি নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্প, বিপদগ্রস্ত মহিলাদের জন্য হেল্পলাইন ১৮১। নারীঘটিত যে কোনও অপরাধের দ্রুত বিচারের জন্য তৈরি করা হয়েছে মহিলা আদালত। অন্যদিকে ‘সম্বল’ স্কিমের আবার দুটি ভাগ রয়েছে। একটি হল ‘প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা’ এবং ‘শক্তি সাধন’। মাতৃ বন্দনা যোজনার মধ্যে পড়ছে উজ্জ্বলা যোজনা। যেখানে মোদি সরকার ৯ কোটির বেশি গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণ করেছে। কর্মরত মহিলাদের জন্য মোদি সরকারের প্রকল্প হল সখী নিবাস। যা একধরনের মহিলা হস্টেল। লিঙ্গ অনুপাত প্রথমবারের জন্য বেড়েছে। প্রতি ১০০০ জন পুরুষে মহিলা হল ১০২০। মহিলাদের ওপর সাংসারিক নির্যাতনও কমেছে। কন্যা ভ্রুণ হত্যাও কম।

    নানা ক্ষেত্রে মহিলাদের সক্রিয় উপস্থিতি

    মোদি সরকারের ঘোষিত প্রাথমিক নীতি হল, প্রতিটি নারী যেন মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারে। একটা সময় ছিল, যখন ভারতের বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলে শৌচকর্ম সারতে মহিলাদের মাঠে যেতে হত। কিন্তু স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে প্রতি বাড়িতেই এখন টয়লেট স্থাপন করতে পেরেছে মোদি সরকার। এই সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি। ভারতবর্ষের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কুয়ো থেকে পানীয় জল আনতে মহিলাদের অনেক দূরে যেতে হত। এখন সেটাও মোদি সরকারের সৌজন্যে বন্ধ হয়েছে এবং তার বদলে বাড়ি বাড়ি জলের পাইপ লাইন পৌঁছেছে। জল জীবন মিশনের আওতায় এই প্রকল্প গড়ে উঠেছে। প্রায় ১২ কোটি বাড়িতে জলের পাইপলাইন পৌঁছেছে। পরিসংখ্যান বলছে, মুদ্রা যোজনায় ৬৮ শতাংশ লোনই মহিলারা পেয়েছেন, যা সংখ্যায় কয়েক কোটি। এখন ঘরের জন্যও মহিলাদের চিন্তা করতে হয় না। কারণ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা সেই সমস্যা দূর করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত ন-বছর ধরে মোদি জমানায় নারী শক্তির বিকাশ উল্লেখযোগ্য হয়েছে। ভারতীয় মহিলাদের সাফল্যের হারও চোখে পড়ার মতো। মহিলা পুলিশের সংখ্যাও বেড়েছে মোদি জমানায় (PM Modi)। একই কথা সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রেও। মহিলা ক্রীড়াবিদের সংখ্যাও বাড়ছে। টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান প্রভৃতি নানা ক্ষেত্রে মহিলাদের সক্রিয় উপস্থিতি বেড়েছে।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ন’ বছরে নারী উন্নয়নে মোদি সরকার (PM Modi) কী কী কাজ করেছে

    ১) প্রথমবারের জন্য ভারতবর্ষে বেড়েছে মহিলা লিঙ্গ অনুপাত। প্রতি ১০০০ পুরুষে মহিলা এখন ১০২০।

    ২) কর্মরত মহিলাদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২ সপ্তাহ থেকে বেড়ে ২৬ সপ্তাহ হয়েছে।

    ৩) ৩.০৩ কোটি মহিলাকে প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনার আওতায় আনা হয়েছে।

    ৪) জন ঔষধি কেন্দ্রে ২৭ কোটিরও বেশি স্যানিটারি ন্যাপকিন ১ টাকা মূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।

    ৫) সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় ৩.১৮ কোটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।

    ৬) ৯.৬ কোটি ধোঁয়ামুক্ত কিচেন তৈরি করা গেছে।

    ৭) প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ৬৮.৯ শতাংশ ঘরই মহিলারা পেয়েছেন, যা সংখ্যায় আড়াই কোটি।

    ৮) ২৭ কোটিরও বেশি মুদ্রা লোনের সুবিধা পাচ্ছেন মহিলারা।

    ৯) সশস্ত্র বাহিনীতে মহিলাদের জন্য স্থায়ী কমিশন চালু করা হয়েছে।

    ১০) প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে মহিলাদের বিবাহের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করার জন্য, যাতে তাঁরা শিক্ষা এবং কর্মজীবনে প্রবেশের সুযোগ পান।

    ১১) তিন তালাক প্রথার বিরুদ্ধে আইন আনা হয়েছে, মুসলিম মহিলাদের দেওয়া হয়েছে অধিকার।

    ১২) পিছিয়ে পড়া মহিলাদের অর্থনৈতিক সুবিধা দানের জন্য ৪৫ ছাত্রীকে স্কলারশিপের সুবিধা দিয়েছে মোদি সরকার।

    ১৩) ছাত্রীদের জন্য আলাদাভাবে ৯.৫২ লক্ষ টয়লেট স্কুলগুলিতে স্থাপন করা গেছে।

     

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    PM Modi: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-২

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ভারতের অন্যতম ভিত্তি। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ভাষায়, ‘‘৯ বছরে কৃষকদের রোজগার অনেকটাই বেড়েছে। পাশাপাশি চাষের খরচও কমানো গেছে। আধুনিক উন্নত মানের সুবিধা কৃষকদের প্রদান করা হয়েছে। বীজ বপন থেকে ফসলকে বাজারে রফতানি করা পর্যন্ত সরকার সব সময় কৃষকদের পাশে রয়েছে।’’ বিগত ৯ বছরের মোদি সরকারের আমলে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে কৃষি ক্ষেত্রে। জনপ্রিয় হয়েছে ‘‘বীজ সে বাজার তক’’ স্লোগান। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে মোদি সরকার বিগত ইউপিএ সরকারের থেকে অনেক বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। এই প্রকল্পে কৃষকরা আগের থেকে বেশি টাকা পাচ্ছেন। তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি বছর ৬,০০০ টাকা করে পাঠানো হয়ে থাকে এই প্রকল্পে। এছাড়াও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে ক্ষতির হাত থেকে কৃষিকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার মতো বিমাও চালু করেছে সরকার। খরা, বন্যা, অতি বৃষ্টি এসবই এর মধ্যে পড়ছে। পাশাপাশি, জল সেচের জন্যও আগের থেকে বেশি অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। এর ফলাফল আমাদের সকলের চোখের সামনে। লকডাউনের সময় ২০২১-২২ অর্থবর্ষে খাদ্য উৎপাদনে রেকর্ড তৈরি হয়েছে দেশে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য যা ভাবা হয়েছিল, তার চেয়েও বেশি খাদ্য উৎপাদন করতে সমর্থ হয়েছে দেশের কৃষি ক্ষেত্র। শুধুমাত্র খাদ্য উৎপাদন ক্ষেত্রেই নয়, মৎস্য চাষ থেকে শুরু করে ফরেস্টি, হর্টিকালচার সব ক্ষেত্রেই কৃষকদের রোজগার বেড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দুগ্ধ উৎপাদন ক্ষেত্রেও রোজগার অনেকটাই বৃদ্ধি হয়েছে। সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৮ কোটিরও বেশি মানুষ এই পেশার সঙ্গে।

    সারা বিশ্বে দুগ্ধ উৎপাদনে প্রথম ভারতবর্ষ, মাছ-ডিমে তৃতীয়  

    ভারতবর্ষ সারা বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করেছে দুধ উৎপাদনে। তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে ডিম উৎপাদনে। মাছ উৎপাদনে তৃতীয় এবং মাংস উৎপাদনে অষ্টম স্থান অধিকার করে। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘ ঘোষণা করেছে ২০২৩ সাল হল আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ। জোয়ার, ভুট্টা জাতীয় খাদ্যশস্যগুলিকে মিলেট জাতীয় শস্য বলে। এই শস্য যে কোনও প্রতিকূল পরিবেশেও চাষ করা যায় এবং অনুর্বর জমিতেও স্বাচ্ছন্দ্যে হয়। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলছেন, ‘‘মিলেট ক্রেতাদের জন্যও ভালো। চাষ করতেও সুবিধাজনক। আবার যে কোনও জলবায়ুতেও চাষ করা যায়।’’ কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্ব দেওয়াতে, মিলেট জাতীয় খাদ্যশস্যর উৎপাদনও বেড়েছে দেশে।

    জৈব চাষে গুরুত্ব

    অন্যদিকে দেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, তাঁরা যেন জৈব চাষ করেন। প্রাকৃতিক চাষের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সারা দেশের পঞ্চায়েতগুলির সহযোগিতায় জৈব চাষকে বাস্তবায়িত করা হবে। এনিয়ে নির্দেশিকাও জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যেহেতু কোনও কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না, তাই এই চাষ অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। বিনিয়োগও এখানে কম হয়, যার ফলে লভ্যাংশের পরিমাণটাও বেশি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত নয় বছরে ভারতবর্ষের কৃষিক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত দিক থেকে ব্যাপক উন্নয়নের জোয়ার এসেছে এবং বিজ্ঞানসম্মত ও আধুনিকভাবে চাষাবাদ করার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে, ভারতীয় কৃষকরা শুধুমাত্র দেশের জন্যই খাদ্যশস্য উৎপাদন করেন না, বরং উৎপাদিত পণ্য সারা বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হয়।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ৯ বছরে কৃষি ক্ষেত্রে কী কী উন্নয়ন হয়েছে?

    ১) ইউপিএ জমানার সাপেক্ষে পাঁচ থেকে সাত গুণ বেশি বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে কৃষিক্ষেত্রে। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে যেখানে ২১,৯৩৩ কোটি টাকার কৃষি বাজেট হত, সেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে মোদি সরকারের জমানায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৩৬ কোটি টাকার কৃষি বাজেট মঞ্জুর করা হয়েছে।

    ২) কৃষিক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

    ৩) পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে ১১ কোটি মানুষ প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার উপভোক্তা।

    ৪) Soil Health Card বিতরণ করা হয়েছে প্রায় ২৩ কোটি।

    ৫) পরিসংখ্যান বলছে, বাসমতি চাল ছাড়া অন্যান্য যে চালগুলি বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হত, ইউপিএ জমানার থেকে তার বিক্রি বেড়েছে ১০৯.৭ শতাংশ।

    ৬) ২০ লক্ষ কোটি টাকা কৃষি ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে 

    ৭) ২০২১-২২ অর্থবর্ষ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সারের ক্ষেত্রে ভর্তুকি বাড়ানো হয়েছে প্রায় ৫০০ শতাংশ। 

    ৮) ফসল বিমা যোজনায় বরাদ্দ করা হয়েছে ১.৩৩ লক্ষ কোটি টাকা।

    ৯) ২০২১ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত জল সেচ প্রকল্পে ৯৩ হাজার ৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার।

    ১০) গমের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ২০০৬ থেকে ২০১৪ অবধি যেখানে দেওয়া হয়েছে ২.৩৯ লক্ষ কোটি টাকা, সেখানে ২০১৪ থেকে ২০২২ পর্যন্ত এর পরিমাণ ৪.৫২ লক্ষ কোটি টাকা।

    ১১) ধানের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ২০০৬ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সহায়ক মূল্য প্রদান করা হয়েছিল ৩.০৯ লক্ষ কোটি টাকা, সেখানে ২০১৪ থেকে ২০২২ পর্যন্ত এর পরিমাণ ১০.৬৪ লক্ষ কোটি টাকা।

    ১২) কৃষকের জমিতে সোলার প্যানেল বসানোর কাজও শুরু হয়েছে। যাতে তাঁদের রোজকার বাড়তে পারে বিভিন্নভাবে। গত ন’ বছরে দ্বিগুণ মধু বিদেশে রফতানি করা গেছে।

     

     

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    PM Modi: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রথমবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয়বারের জন্য তিনি জিতে আসেন ২০১৯ সালে। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ক্ষমতায় আসার পরপরই দারিদ্রতা দূরীকরণে একাধিক প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেখা গেছে দেশজুড়ে। একসময় ‘গরিবি হঠাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে নির্বাচনে বাজিমাত করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। কিন্তু কংগ্রেসের জমানায় সেই স্লোগান নিছকই ফাঁকা আওয়াজ ছিল। তাই তো রাজীব গান্ধীকে পর্যন্ত বলতে হয়েছিল, ‘‘আমি ১ টাকা পাঠালে মানুষের কাছে পৌঁছায় ১৫ পয়সা।’’ অর্থাৎ কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের দুর্নীতির কথা তখন তাদের প্রধানমন্ত্রীকেও স্বীকার করতে হয়েছিল।

    চিত্র বদলাতে থাকে ২০১৪ সাল থেকে। অনেকেই মনে করেন, আজ দারিদ্রতা দূরীকরণের একাধিক কর্মসূচির বাস্তবায়নের সাক্ষী ভারতবাসী। ২০২৩ সালে ৯ বছর সম্পূর্ণ করল মোদি সরকার (PM Modi)। বিগত ৯ বছরে একাধিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হয়েছে দারিদ্র দূরীকরণের জন্য। যেমন মুদ্রা যোজনা, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া এসবই সারা দেশে বেকারদের মধ্যে কর্মসংস্থানের স্রোত তৈরি করতে পেরেছে, এমনটাই বলছেন অর্থনীতিকরা। জানা গিয়েছে, এখনও অবধি মুদ্রা যোজনার আওতায় ৪০ কোটি টাকারও বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে পিছিয়ে পড়া তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং ওবিসি উদ্যোক্তাদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে তুলে আনার জন্য এটি মোদি সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে বিপদ সঙ্কুল নর্দমা এবং সেফটি ট্যাংকগুলি পরিষ্কারের ক্ষেত্রেও বিজ্ঞানকে কাজে লাগানো হয়েছে, যাতে মানুষের জীবনের ঝুঁকি কমে এবং সাফাই কর্মীরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারেন। জনজাতি সমাজকে সম্মান জানাতে নভেম্বরের ১৫ তারিখ ভগবান বীরসা মুন্ডার জয়ন্তীকে জনজাতি গৌরব দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে মোদি (PM Modi) সরকার। ‘ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডিং’-এর একটি সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, মোদি সরকার দেশের চরম দারিদ্রতাকে মেটাতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি ‘মাল্টি ডাইমেনশনাল প্রভার্টি ইনডেক্স’ যা প্রকাশ করে ‘ইউনাইটেড নেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ তাদের মতে, মোদি সরকার দারিদ্রতা দূরীকরণের দশটি ধাপই পার করতে সক্ষম হয়েছে। মোদি সরকারের অন্যতম নীতি হল ‘অন্ত্যোদয়’, যার অর্থ সমাজের সব থেকে পিছনে থাকা ব্যক্তিটির কাছে যতক্ষণ না পর্যন্ত উন্নয়ন পৌঁছাতে পারছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিকাশকে সম্পূর্ণ বলা যাবে না।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক গত ৯ বছরে দারিদ্রতা দূরীকরণে মোদি সরকারের কিছু সাফল্য

    ১) ৮০ কোটি মানুষ করোনার সময় থেকে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার মাধ্যমে বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী পাচ্ছেন।

    ২) ১১.৮৮ কোটি মানুষের ঘরে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছে মোদি সরকার।

    ৩) প্রায় ৪ কোটি গরিব মানুষকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে।

    ৪) ১১.৭২ কোটি মানুষের গৃহে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে শৌচালয় স্থাপন করা গেছে।

    ৫) ৩৪.৪৫ লক্ষ ফুটপাথ ব্যবসায়ীকে ঋণ দেওয়া সম্ভব হয়েছে PM SVANidhi যোজনার মাধ্যমে।

    ৬) ৩৯.৬৫ কোটি টাকার ঋণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।

    ৭) পিছিয়ে পড়া জনজাতি সমাজের জাতীয় কমিশনগুলিকে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

    ৮) লকডাউনের সময় ২০ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছানো হয়েছে।

    ৯) ৭,৩৫১ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে তফশিলি জাতি এবং তফশিলি উপজাতি সমাজের মানুষকে, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে।

    ১০) কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমানে ৬০ শতাংশ মন্ত্রীই হলেন তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং ওবিসি সমাজভুক্ত।

    ১১) দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে একলব্য আবাসিক বিদ্যালয় আগের চেয়ে পাঁচগুণ স্থাপন করা হয়েছে সারা দেশে।

    ১২) ৪৮.২৭ কোটি ভারতীয়র জনধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।

    ১৩) ২৯.৭৫ কোটি মানুষকে প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনার আওতায় আনা হয়েছে।

    ১৪) ১৩.৫৩ কোটি মানুষকে প্রধানমন্ত্রী জীবনজ্যোতি বিমার আওতায় আনা হয়েছে।

    ১৫) ৩৭ কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    ১৬) ২.৮৬ কোটি মানুষের বাড়িতে সৌভাগ্য যোজনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছানো হয়েছে।

    ১৭) ৯.৬ কোটি মানুষকে উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে এলপিজি গ্যাস কানেকশন দেওয়া হয়েছে।

    ১৮) ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের জন্য ‘দ্য ট্রান্সজেন্ডার পার্সন অ্যাক্ট ২০১৯’ পাশ করা হয়েছে।

    ১৯) ড্রাগের ছায়া থেকে সমাজকে বাঁচাতে, নেশামুক্ত ভারত অভিযান করা হয়েছে।

    ২০) ২৮.৮৫ কোটি অসংগঠিত শ্রমিকদের পোর্টালের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

    ২১) প্রধানমন্ত্রীর শ্রমযোগী মানধন পেনশন যোজনার মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রে ৪৯ .২৯ লক্ষ শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। যাঁরা তাঁদের ৬০ বছর বয়স হলে তিন হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন।

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share