Tag: Aadhaar

Aadhaar

  • Voter ID for Panchayat: পঞ্চায়েতের কল্যাণমূলক প্রকল্পে আধার নয়, এবার ভোটার কার্ড! সুবিধা পেতে বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক যাচাই

    Voter ID for Panchayat: পঞ্চায়েতের কল্যাণমূলক প্রকল্পে আধার নয়, এবার ভোটার কার্ড! সুবিধা পেতে বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক যাচাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামীণ এলাকার কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং। এবার থেকে আধার কার্ডের পরিবর্তে ভোটার পরিচয়পত্র বা EPIC-কে উপভোক্তাদের পরিচয় যাচাইয়ের প্রধান নথি হিসেবে ব্যবহার করার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে শুধু ভোটার কার্ড (Voter ID for Panchayat) থাকলেই হবে না, আর্থিক সুবিধা ও সরকারি অনুদান পেতে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বায়োমেট্রিক যাচাইও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকের অধীন বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে উপভোক্তাদের ভোটার পরিচয়পত্রের নম্বর এবং বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ প্রয়োজন হবে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টনে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং ভুয়ো উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতেই এই দ্বৈত যাচাইকরণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ।

    আধারের পরিবর্তে ভোটার কার্ড কেন?

    নতুন ব্যবস্থার পিছনে পরিচয় যাচাইয়ের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্র। দ্রুত নথি তৈরি বা পরিচয় সংক্রান্ত অনিয়মের সম্ভাবনা রুখতে আরও শক্তিশালী যাচাইকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে। ভোটার কার্ডের তথ্যের সঙ্গে শারীরিক বায়োমেট্রিক যাচাই যুক্ত হলে উপভোক্তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন দেশজুড়ে নতুন করে চালু হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী বিকশিত গ্রাম স্বরাজ যোজনা (PM VGSY)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া এই প্রকল্পটি রাষ্ট্রীয় গ্রাম স্বরাজ অভিযানকে প্রতিস্থাপন করবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    গ্রামীণ উন্নয়নে একাধিক প্রকল্পে জোর

    পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রক সরাসরি কৃষি বা আবাসন প্রকল্পের মতো নগদ আর্থিক অনুদান প্রদানকারী মন্ত্রক না হলেও গ্রামীণ প্রশাসন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রধানমন্ত্রী বিকশিত গ্রাম স্বরাজ যোজনা এবং স্বামিত্ব (SVAMITVA) প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার পরিকাঠামো ও পরিষেবা উন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। স্বামিত্ব প্রকল্পের আওতায় ড্রোন প্রযুক্তির সাহায্যে গ্রামের বসতবাড়ি ও জমির মানচিত্র তৈরি করে বাসিন্দাদের সম্পত্তির মালিকানা সংক্রান্ত কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে জমি সংক্রান্ত বিবাদ কমার পাশাপাশি নিজেদের সম্পত্তির ভিত্তিতে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাওয়ার সুযোগও তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, গ্রাম পঞ্চায়েত উন্নয়ন পরিকল্পনা বা জিপিডিপি-র মাধ্যমে পানীয় জল, নিকাশি, পরিচ্ছন্নতা, রাস্তার আলো-সহ বিভিন্ন স্থানীয় পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি eGramSwaraj এবং PANCHAM-এর মতো ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি কাজকর্মের স্বচ্ছতা ও সাধারণ মানুষের পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    স্বচ্ছতা বাড়ানোই লক্ষ্য, কবে থেকে কার্যকর?

    কেন্দ্রের দাবি, ভোটার পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ যুক্ত হলে গ্রামীণ এলাকার উপভোক্তাদের তথ্যভাণ্ডার আরও নির্ভুল ও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং অনিয়ম কমানো সম্ভব হবে। nএদিকে, গ্রামীণ উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে নিজেদের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়ানোর উপরেও জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। তবে নতুন পরিচয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা ঠিক কবে থেকে কার্যকর হবে এবং বর্তমানে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া উপভোক্তাদের ক্ষেত্রে কী নিয়ম প্রযোজ্য হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা এখনও প্রকাশের অপেক্ষায়। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যগুলির জন্য এই সংক্রান্ত বাস্তবায়ন নির্দেশিকা প্রকাশ করা হতে পারে।

  • UIDAI: বন্ধ হচ্ছে ‘এম আধার’ অ্যাপ, ডেটা সুরক্ষায় নতুন ‘আধার’ অ্যাপ আনছে ইউআইডিএআই

    UIDAI: বন্ধ হচ্ছে ‘এম আধার’ অ্যাপ, ডেটা সুরক্ষায় নতুন ‘আধার’ অ্যাপ আনছে ইউআইডিএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি যদি স্মার্টফোনে নিয়মিত ‘এম আধার’ অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন, তবে এই খবরটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় আধার পরিচয় কর্তৃপক্ষ বা ইউআইডিএআই (UIDAI) জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই বন্ধ হতে চলেছে বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এম আধার’ অ্যাপটি। এর পরিবর্তে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আরও নিরাপদ এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত একটি নতুন ‘আধার’ অ্যাপ চালু করা হচ্ছে।

    কেন এই পরিবর্তন (UIDAI)?

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর মতে, বর্তমান ‘এম আধার’ অ্যাপটি কার্যকর হলেও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। বিশেষ করে হোটেল, হাসপাতাল বা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরে পরিচয়পত্র হিসেবে এটি দেখানোর সময় অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর সম্পূর্ণ আধার তথ্য প্রকাশ পেয়ে যেতো, যা সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। এই ত্রুটি দূর করতেই নতুন অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে, যা দেশের ‘ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন’ (DPDP) আইনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য শেয়ার করার সুযোগ পাবেন। যেমন, কোথাও শুধু বয়স যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে, সম্পূর্ণ আধার (Aadhaar) নম্বর বা ঠিকানা গোপন রেখে কেবল বয়সটুকুই প্রদর্শন করা সম্ভব হবে।

    নতুন ‘আধার’ অ্যাপের মূল বৈশিষ্ট্য ও উন্নত ফিচারসমূহ:

    ডিজিটাল পরিচয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সুরক্ষিত করতে নতুন অ্যাপটিতে (Aadhaar) বেশ কিছু আধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে:

    ফেস অথেন্টিকেশন (Face Authentication)

    পাসওয়ার্ড বা ওটিপি (OTP)-এর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে, কেবল ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে মুখমণ্ডল স্ক্যান করেই পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে।

    সুরক্ষিত কিউআর কোড (QR Code Identification)

    কোনও প্রকার সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান না করেই, কেবল কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আধার তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে।

    তথ্য শেয়ারিংয়ে নিয়ন্ত্রণ (Selective Information Sharing)

     ব্যবহারকারী ঠিক কোন তথ্যটি শেয়ার করতে চান, তা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। পুরো আধার কার্ডের পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী শুধু বয়স কিংবা ঠিকানা আলাদাভাবে প্রদর্শন করা যাবে।

    বহুস্তরীয় বায়োমেট্রিক লক (Biometric Locking System)

    ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস লক এবং আইরিস (চোখের মণি) লকের মতো ত্রিমাত্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থাকবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

    অতিরিক্ত সুবিধা

    নতুন এই অ্যাপে একক ডিভাইসের মাধ্যমেই পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্যের আধার প্রোফাইল যুক্ত এবং পরিচালনা করা যাবে।

    অ্যাপ ডাউনলোড ও প্রোফাইল সক্রিয় করার নির্দেশিকা

    প্রতারণা এড়াতে ইউআইডিএআই (UIDAI) ব্যবহারকারীদের শুধুমাত্র অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড (Aadhaar) করার পরামর্শ দিয়েছে।

    • ১>ডাউনলোড: গুগল প্লে স্টোর (Google Play Store) বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে (Apple App Store) গিয়ে “Aadhaar” লিখে সার্চ করতে হবে। ডাউনলোডের আগে অ্যাপটিতে UIDAI-এর অফিশিয়াল ‘Pehchaan’ লোগোটি অবশ্যই যাচাই করে নিন।
    • ২>ভাষা নির্বাচন: অ্যাপটি চালু করার পর লভ্য ১৩টি ভাষার মধ্য থেকে পছন্দের ভাষাটি বেছে নিতে হবে।
    • ৩>ওটিপি যাচাইকরণ: আধারের সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরটি প্রদান করার পর একটি ওটিপি (OTP) আসবে, যা দিয়ে অ্যাকাউন্ট যাচাই করতে হবে। সুরক্ষার স্বার্থে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর ফেস স্ক্যানও চাইতে পারে।
    • ৪>পিন ও আধার যুক্তকরণ: নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি পিন (PIN) নম্বর সেট করতে হবে এবং এরপর নিজের ১২ সংখ্যার আধার নম্বরটি যুক্ত করলেই প্রোফাইলটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে।

    গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য

    পুরনো ‘mAadhaar’ অ্যাপের কোনও ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন অ্যাপে স্থানান্তরিত হবে না। ফলত, পূর্বে সংরক্ষিত আধারের পিডিএফ (PDF), কিউআর কোড কিংবা পরিবারের সদস্যদের প্রোফাইলগুলো ব্যবহারকারীকে নতুন অ্যাপে পুনরায় নতুন করে যুক্ত করতে হবে। প্রশাসন ও সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন আধার (Aadhaar) অ্যাপটি দেশের নাগরিকদের ডিজিটাল পরিচয় সুরক্ষিত রাখতে এবং আধুনিক সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ।

  • Reliance: ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে ১০ লাখ কোটি টাকা লগ্নি করবে রিলায়েন্স

    Reliance: ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে ১০ লাখ কোটি টাকা লগ্নি করবে রিলায়েন্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার এক বিরাট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) উদ্যোগর ঘোষণা করলেন বিলিয়নিয়ার শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। তিনি জানান, রিলায়েন্স (Reliance) ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জিও আগামী সাত বছরে ১০ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা (AI Infrastructure) গড়ে তুলতে এবং দেশকে বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্বের পথে দ্রুত এগিয়ে নিতে।

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (Reliance)

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান বলেন, “এই বিনিয়োগ কোনও জল্পনাভিত্তিক পদক্ষেপ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অঙ্গীকার।” তাঁর দাবি, জনসংখ্যাগত শক্তি, ডিজিটাল পরিকাঠামো, বিপুল তথ্য উৎপাদন এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারতের তুলনাহীন সুবিধা রয়েছে। আগামী কয়েক দশকে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান এআই শক্তি হয়ে উঠতে প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আম্বানি জানান, জিও ইন্টেলিজেন্সের অধীনে শক্তিশালী দেশীয় কম্পিউট পরিকাঠামো গড়ে তুলতে তিনটি প্রধান স্তম্ভ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এআই-প্রস্তুত ডেটা সেন্টার নির্মাণ

    প্রথমত, বহু-গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এআই-প্রস্তুত ডেটা সেন্টার নির্মাণ, যার মধ্যে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে জামনগরে ১২০ মেগাওয়াটেরও বেশি সক্ষমতা চালু হওয়ার কথা। এটি বৃহৎ পরিসরে এআই প্রশিক্ষণ ও ইনফারেন্স সক্ষমতার ভিত্তি গড়ে তুলবে।
    দ্বিতীয়ত, রিলায়েন্সের নবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা কাজে লাগানো, কচ্ছ ও অন্ধ্রপ্রদেশে সৌর প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ গিগাওয়াট পর্যন্ত অতিরিক্ত সবুজ বিদ্যুৎ এআই পরিকাঠামোকে শক্তি জোগাবে। তৃতীয়ত, জিওর টেলিকম নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত দেশব্যাপী এজ কম্পিউট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, যা ব্যবহারকারীদের কাছাকাছি কম বিলম্বে ও সাশ্রয়ী মূল্যে এআই পরিষেবা পৌঁছে দেবে (Reliance)।

    ভারতের ডিজিটাল পরিসর

    ভারতের ডিজিটাল পরিসরের কথা উল্লেখ করে আম্বানি বলেন, “দেশে প্রায় ১০০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে এবং বিশ্বের অন্যতম কম ডেটা খরচ এখানে। পাশাপাশি ১ লাখেরও বেশি স্টার্টআপ ও ১০০-র বেশি ইউনিকর্ন নিয়ে একটি শক্তিশালী উদ্যোক্তা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আধার এবং ইউপিআইয়ের মতো ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো দ্রুত এআই গ্রহণের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে। জিওর ৫০ কোটিরও বেশি গ্রাহকভিত্তি বুদ্ধিমান পরিষেবাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সহায়ক হবে বলেও জানান (AI Infrastructure) তিনি। আম্বানি বলেন, “কম্পিউটিং শক্তির খরচ কমানোই ভারতের এআই স্বপ্ন পূরণের কেন্দ্রীয় শর্ত। ভারত বুদ্ধিমত্তা ভাড়া করে নিতে পারে না।” টেলিকম খাতে যেমন জিও ডেটার মূল্য কমিয়ে বাজারে পরিবর্তন এনেছিল, তেমনভাবেই এআই ব্যবহারের খরচ কমানোই তাদের লক্ষ্য।

    এআই রূপান্তরমূলক শক্তি

    এআইকে তিনি এক রূপান্তরমূলক শক্তি হিসেবে বর্ণনা করে পৌরাণিক ‘অক্ষয় পাত্রে’র সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর মতে, এটি জ্ঞান, দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতায় সীমাহীন উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দেন, বিশ্ব এআই পরিসর এখনও উন্নত অর্থনীতিতে কেন্দ্রীভূত কম্পিউট ক্ষমতা ও বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক প্রবেশাধিকারের প্রয়োজনের মধ্যে বিভক্ত (Reliance)। ভারতের পথ হওয়া উচিত নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে এআইকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবার নাগালের মধ্যে রাখা—যাতে প্রযুক্তিগত রূপান্তরের যুগে ভারত গ্লোবাল সাউথের উদ্ভাবনের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে (AI Infrastructure)।

     

  • UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউআইডিএআই (UIDAI) মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) বাতিল অভিযানে বিরাট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখনও পর্যন্ত আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের ব্যক্তি পরিচয় কর্তৃপক্ষ (UIDAI) একটি বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আড়াই কোটিরও বেশি মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করার পদক্ষেপ করেছে, যা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সংসদে জানিয়েছে, ডেটাবেসের নির্ভুলতা এবং অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে।

    দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া (UIDAI)

    পিআইবি-র এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং রাজ্য-স্তরের নাগরিক নিবন্ধন ডেটাবেস (UIDAI) দ্বারা প্রদত্ত যাচাইকৃত মৃত্যুর রেকর্ড ব্যবহার করে এই নিষ্ক্রিয়করণ করা হয়েছে। সম্প্রতি গত কয়েক মাসে এটি দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। ২০২৫ সালের শেষ থেকে এখনও পর্যন্ত মোট আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার (AADHAAR) নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

    পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে অভিযান

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর আধার ডেটাবেস হল বিশ্বের বৃহত্তম বায়োমেট্রিক পরিচয় ব্যবস্থা, যেখানে ১৩৪ কোটিরও বেশি সক্রিয় আধারধারী রয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে সংযুক্ত নম্বরগুলি সরিয়ে, কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে বিশেষ ভাবে সচেষ্ট। ভুয়ো আধারে যাতে সরকারি সুবিধা না পান তাই স্বচ্ছতা অবশ্যই প্রয়োজন। সরকারি প্রকল্পের বণ্টন ব্যবস্থাকে আরও সঠিক এবং কার্যকর করতে ইউআইডিএআই-র পদক্ষেপ ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ইউআইডিএআই (UIDAI) বায়োমেট্রিক লকিং, লাইভনেস ডিটেকশন সহ ফেস অথেনটিকেশন, অফলাইন কিউআর (QR) কোড যাচাইকরণ এবং অনুমোদনহীন অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন প্রক্রিয়া সহ শক্তিশালী সুরক্ষা বৈশিষ্ট্যগুলিও তুলে ধরেছে। মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) নম্বরের নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন এবং ডিঅ্যাক্টিভেশনের মতো কাজ ইউআইডিএআই-এর কাছে ডেটাবেস স্যানিটাইজেশন অনুশীলনের একটি অংশ মাত্র। এটা একটি সাধারণ প্রক্রিয়া যা সময়ে সময়ে আপডেট বা সংস্করণ হয়ে থাকে।

  • Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের (Nabanna) আবেদন খারিজ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন অফিসারকে ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়েছে। প্রত্যেক আধিকারিককেই নির্ধারিত সময়সূচি মেনে ব্রিফিং বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্রিফিং বৈঠক ঘিরে কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই মোতাবেক রাজ্যের ২৪ আইএএস-আইপিএস অফিসারকে দিল্লি যেতে হল।

    বৈঠকে অংশগ্রহণ করতেই হচ্ছে (Nabanna)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ব্রিফিং বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে আগে জমা পড়া ছাড়ের আবেদন বিবেচনার পর তা বাতিল করা হয়েছে। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছিল তাঁদের নির্ধারিত দিন ও সময়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে হবে।

    ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক

    পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের ২৫ জন সিনিয়র অফিসারকে কেন্দ্রীয় অবজারভার হিসেবে নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। ওই তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনা সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক। এই সিদ্ধান্তকে পুর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছ নবান্ন কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল। এই আবেদনকে খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আইপিএস হৃষীকেশ মীনাকে বৈঠক ও প্রশিক্ষণপর্বে যোগ দিতে হবে না। ফলে, ২৫ জনের মধ্যে ২৪ জনকেই দিল্লি যেতে হচ্ছে।

    রাজ্যের আবেদন মানা সম্ভব নয়

    রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল, ভোটের মুখে প্রথম সারির প্রশাসনিক (Nabanna) আধিকারিকদের বৈঠকে পাঠানো হলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই বিকল্প ১৭ জন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে হয়েছিল। কমিশন বুধবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও আবেদন মানা সম্ভব নয়। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছে তাঁদের নির্ধারিত দিন এবং সময়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করতেই হবে। কমিশনের নির্দেশ সকল আধিকারিকদের নজরে আসতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের মধ্যে যাতে কোনও বিভ্রান্তি না থাকে সেই জন্য এই নির্দেশিকা দ্রুত কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

  • Aadhaar: চলছে সুরক্ষা অভিযান, ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করল ইউআইডিএআই

    Aadhaar: চলছে সুরক্ষা অভিযান, ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করল ইউআইডিএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করেছে আধার সংস্থা। আধার (Aadhaar) কর্তৃপক্ষ ইউআইডিএআই-এর (UIDAI) তরফে এমনটাই পরিসংখ্যান পেশ করে জানিয়েছে। বিহারের পর বাংলায় ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন চলাকালীন ২ কোটির বেশি আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করেছে। তবে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, দেশ জুড়ে স্বচ্ছতা এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। আধারের তথ্যকে নিরাপদ রাখতেই এই পদক্ষেপ।

    গ্রাহকের মৃত্যু হলে আধার নিষ্ক্রিয় করা জরুরি (Aadhaar)

    কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া, রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির কাছ থেকে মৃত মানুষ সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে ইউআইডিএআই। যদি কোনও গ্রাহকের মৃত্যু হয়, তাহলে সেই নম্বর অপর কোনও ব্যক্তিকে আধার (Aadhaar) নম্বর দেওয়া হয় না। গ্রাহকের মৃত্যু হলে আধার নিষ্ক্রিয় করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ফলে যে কোনও রকমের জালিয়াতি বন্ধ করা যাবে। একজনের ব্যক্তিগত তথ্য অপর আরেকজন ব্যবহার করতে পারবে না। তাই পরিবারের কেউ মারা গেলে আধার নম্বর বাতিল করা উচিত। ইউআইডিএআই নাগরিকদের তাই এই ক্ষেত্রে আধার নিষ্ক্রিয় করার বার্তা দিয়েছে। মাই আধার পোর্টালে (UIDAI)  গিয়ে এই কাজ খুব সহজেই করা যাবে। মৃত গ্রাহকের ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যু শংসাপত্র জমা দিতে হবে।

    জালিয়াতি রুখতে পদক্ষেপ

    মৃত গ্রাহকের (Aadhaar) আধার নম্বর বাতিল করতে চলতি বছরের শুরুতেই ইউআইডিএআই মাই আধার পোর্টালে ডেথ অফ এ ফ্যামেলি মেম্বার পরিষেবা শুরু করেছে। দেশের ২৫ টি রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে এই পরিষেবা রয়েছে। প্রশাসনের দেওয়া মৃত্যুর শংসাপত্র দিলে তবেই আবেদন করা যাবে আধার নিষ্ক্রিয় করার কাজ। আধারে মোট ১২টি সংখ্যার বিশেষ ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (UIDAI) থাকে। প্রত্যেকের আধার নম্বর আলাদা আলাদা হয়। সেই সঙ্গে গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ছবিও থাকে আধারে। ডিজিটাল যুগের কাজের সুবিধায় আধার নম্বর সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। আবার অপর দিকে প্রচুর পরিমাণে জালিয়াতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে। অন্যের তথ্য হাতিয়ে প্রতারণার অনেক অভিযোগের খবরও উঠে আসছে।

    মৃত সদস্যের আধার কীভাবে নিষ্ক্রিয় করবেন

    • প্রথমে মৃত ব্যক্তির ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন।
    • এর পর myAadhaar Portal-এ যেতে হবে।
    • আধার নম্বর দিয়ে প্রথমে মোবাইলে OTP নিতে হবে। এর পর, সেই OTP দিয়ে লগ ইন করুন।
    • Report Death of a Family Member অপশনটি বেছে নিন।
    • সেখানে মৃত ব্যক্তির তথ্য ভরুন। আধার নম্বর, ডেথ রেজিস্ট্রেশন নম্বর, এলাকার তথ্য লিখতে হবে।
    • ডেথ সার্টিফিকেটটি আপলোড করতে হবে এর পর।
    • সব শূন্যস্থান পূরণ করে, তথ্য একবার যাচাই করে নিয়ে রিকোয়েস্ট সাবমিট করে দিন।
    • UIDAI সেই অনুরোধ খতিয়ে দেখবে, খতিয়ে দেখবে যাবতীয় তথ্য। সেই মতো মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে।
  • AADHAAR: পথ দেখিয়েছে ভারত, নয়াদিল্লি ঘুরে গিয়ে আধারকার্ডের ধাঁচে পরিচয়পত্র চালু করতে চলেছেন স্টার্মার?

    AADHAAR: পথ দেখিয়েছে ভারত, নয়াদিল্লি ঘুরে গিয়ে আধারকার্ডের ধাঁচে পরিচয়পত্র চালু করতে চলেছেন স্টার্মার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে এসে ব্রিটেনে নিয়ে গিয়েছেন আধারকার্ডের (AADHAAR) কনসেপ্ট। সেই ধাঁচেই নয়া পরিচয়পত্র ব্রিটেনে চালু করতে চাইছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। নাম হবে ‘ব্রিট কার্ড’। তবে আধারের মতো বায়েমেট্রিক তথ্য ব্যবহৃত হবে না এই কার্ডে। ব্রিটেনে অনুপ্রবেশকারীদের রুখতেই এই কার্ড চালু করতে চাইছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

    স্টার্মারের মুখে আধার-স্তুতি (AADHAAR)

    সম্প্রতি ভারত সফরে এসেছিলেন স্টার্মার। তখনই তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল আধার-স্তুতি। পরে তিনি সাক্ষাৎ করেন ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান নন্দন নিলেকানির সঙ্গে। তাঁর কাছ থেকে জেনে নিয়েছিলেন আধার কার্ড এবং সেই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যও। ব্রিটেনের সরকারি মুখপাত্র জানান, এই কার্ড চালুর ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতার সাহায্য নেবে ব্রিটেন। যদিও তা আদতে আধার কার্ডের মতো হবে না। এর নকশা হবে আলাদা। এই কার্ডে ব্যবহার করা হবে না বায়োমেট্রিক তথ্যও। আধারের ভূয়শী প্রশাংসা করেছে ব্রিটেনের বিভিন্ন গণমাধ্যম। তাদের মতে, প্রশাসনিক ব্যয় এবং দুর্নীতি কমাতে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে আধার।

    অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের দাবি

    প্রসঙ্গত, অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের দাবিতে সম্প্রতি ব্রিটেনে বেশ কয়েকটি মিছিল এবং জমায়েত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অবৈধভাবে ব্রিটেনে থাকা শ্রমিকদের চিহ্নিত করতে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নয়া সচিত্র পরিচয়পত্র তৈরি করতে চলেছে ব্রিটেনের স্টার্মার সরকার।মনমোহন সিংয়ের জমানায় ১৫ বছর আগে ভারতে চালু হয়েছিল আধার কার্ড (AADHAAR)। ব্যাংক, পোস্ট অফিসের বিভিন্ন জরুরি কাজে আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতেও কাজে লাগে এই কার্ড। বর্তমানে ভারতের ১৪০ কোটি নাগরিকের কাছেই রয়েছে এই কার্ড।

    ব্রিটেনের লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের এক মুখপাত্র জানান, ভারতের আধার কার্ড সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা শিক্ষা নিচ্ছেন ঠিকই, তবে ব্রিট কার্ডের ধরন একটু আলাদা হবে। জানা গিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করতে কেবল (Keir Starmer) ব্রিটেনের চাকরিজীবীদের জন্যই বাধ্যতামূলক করা হবে এই কার্ড (AADHAAR)।

LinkedIn
Share