Tag: Aam Aadmi Party

Aam Aadmi Party

  • Delhi Election: প্রাথমিক গণনায় ম্যাজিক ফিগার পার, দিল্লিতে বিপুল জয়ের পথে বিজেপি, ধরাশায়ী আপ

    Delhi Election: প্রাথমিক গণনায় ম্যাজিক ফিগার পার, দিল্লিতে বিপুল জয়ের পথে বিজেপি, ধরাশায়ী আপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ বছর পরে দিল্লি বিধানসভা (Delhi Election) দখলের পথে বিজেপি (BJP), গেরুয়া ঝড়ে বেসামাল আম আদমি পার্টি। ২০২৫ সালের বিধানসভা ভোটের প্রাথমিক ফলাফল যা দেখা যাচ্ছে তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন ফলাফলের জন্য নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের বিপুল কর্মযজ্ঞ যেমন ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে, একইভাবে আম আদমি পার্টির দুর্নীতি সমান ভাবে দায়ী। প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতিতে জেলে যেতে হয় আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল এবং উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়াকে। সেই প্রতিফলনই ইভিএমে পড়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল।

    বিজেপি এগিয়ে ৪৪ আসনে, পিছিয়ে আপের মুখ্যমন্ত্রী

    সকাল দশটা পর্যন্ত যে প্রাথমিক ফলাফল দেখা যাচ্ছে, সেখানে স্পষ্ট ছবি উঠে আসছে যে ৭০ আসন বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভায় (Delhi Election) বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৪৪ আসনে, আম আদমি পার্টি এগিয়ে রয়েছে ২৬ আসনে। কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত কোথাও খাতা খুলতে পারেনি। এই প্রাথমিক ফলাফল আম আদমি পার্টির জন্য একটি বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, দিল্লি বিধানসভায় (Delhi Election) পিছিয়ে রয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তথা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের স্ত্রী অতিশী মারলেনা।

    ৫০.৪২ লক্ষ পুরুষ এবং ৪৪.০৮ লক্ষ মহিলা ভোট দান করেছেন দিল্লিতে

    দিল্লি বিধানসভার (Delhi Election) ভোট গণনা চলছে ১৯টি কেন্দ্রে। গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর পরবর্তীকালে সামনে আসে জনমত সমীক্ষা। প্রত্যেকটি জনমত সমীক্ষাতে বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। সেই জনমত সমীক্ষারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে গণনার দিনে। প্রসঙ্গত, পাঁচ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা ভোটে ভোট দান করেছিলেন ৬০.৫৪ শতাংশ ভোটার। ২০২০ সালে তুলনায় যা ছিল ২.৫ শতাংশ কম। ভারতের নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয় দিল্লি বিধানসভার (Delhi Election) ভোটে ভোট দিয়েছেন ৫০.৪২ লক্ষ পুরুষ এবং ৪৪.০৮ লক্ষ মহিলা।

  • Delhi Assembly Election: ৫০,০০০ ড্রয়িং রুম সভা, ৪ লাখ অংশগ্রহণ! দিল্লি নির্বাচনে বিজেপির হয়ে আরএসএসের নিভৃত প্রচার

    Delhi Assembly Election: ৫০,০০০ ড্রয়িং রুম সভা, ৪ লাখ অংশগ্রহণ! দিল্লি নির্বাচনে বিজেপির হয়ে আরএসএসের নিভৃত প্রচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরাবরই লোকসভা তথা বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের চাবিকাঠি থাকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের হাতে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনও তার ব্যতিক্রম নয়। গোটা রাজ্যে গত কয়েকমাস ধরে নিঃশব্দে কাজ করে গিয়েছেন আরএসএস নেতা-কর্মীরা।

    দিল্লি দখলের স্ট্র্যাটেজি

    দিল্লিতে কোন স্ট্র্যাটেজিতে খেললে সাফল্য আসতে পারে, তা ভালোই জানেন আরএসএস নেতারা। ‘জন সম্পর্ক’ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয় আরএসএসের ওপরতলা থেকে। বিজেপির দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনী প্রচার অভিযান শেষ হয়েছে  সোমবার।  এই প্রচার অভিযানে দলটির প্রধান আধ্যাত্মিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গত কয়েকটি নির্বাচনে যেমন হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে বিজেপির সাফল্যের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে আরএসএসের। তেমনি দিল্লিতেও বিজেপির প্রচারে একধাপ এগিয়ে গিয়েছে সংগঠন।

    গ্রামীণ অঞ্চলে আরএসএস-এর বার্তা

    বিজেপি প্রায় তিন দশক ধরে দিল্লিতে ক্ষমতার বাইরে। রাজধানীতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল-নেতৃত্বাধীন আাম আদি পার্টির (AAP) সঙ্গে বিজেপির ধারাবাহিক সংঘর্ষের শুরু, আন্না হজারের আন্দোলন থেকে। চলতি বছর দিল্লির নির্বাচন বিজেপির জন্য এক মর্যাদার লড়াই। আরএসএস, একটি সামাজিক সংগঠন যা সাধারণত রাজনৈতিক কার্যকলাপ থেকে কিছুটা দূরে থাকে, তবে বিজেপির পক্ষে এর প্রচারণা একেবারে সহজাত। সাধারণত এটি ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে বিজেপির হিন্দুত্ব এবং জাতীয়তাবাদী বার্তা প্রচার করে।

    আরএসএসের ড্রয়িং রুম সভা

    দিল্লিতে নির্বাচনের আগে, আরএসএস তার প্রচার শুরু করে দেয়। সংগঠনটির কাজ আটটি বিভাগে (জোন) ভাগ করা হয়েছে, যা ৩০টি জেলা এবং ১৭৩টি নগরে কার্যক্রম পরিচালনা করে। নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগে থেকেই, প্রত্যেকটি জোনকে “ড্রয়িং রুম সভা” আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই সভাগুলি ছোট ছোট গ্রুপে আয়োজন করা হতো, যেগুলি স্থানীয় এলাকাগুলির অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শপিং সেন্টার, স্কুল-কলেজসহ অন্যান্য স্থানে অনুষ্ঠিত হত। এখানে মূলত বিজেপির লক্ষ্য, উন্নততর ভারত গঠনের চেষ্টাকেই গুরুত্ব দেওয়া হত। বলা হত, অমৃতকালের কথা।

    জাতীয় স্বার্থে কাজ করে বিজেপি

    আরএসএসের লক্ষ্য ছিল ৬০,০০০টি সভার আয়োজন করা। এ জন্য আরএসএস প্রচারকরা রাজধানীতে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেন। দলীয় সূত্রে খবর, মোট ৫০,০০০ ড্রয়িং রুম সভা আয়োজিত হয়েছে, যেখানে প্রায় ৪ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। পশ্চিম দিল্লির এক আরএসএস কর্মী জানান, “আমাদের কাজ ছিল ভোটারদের শেখানো, যাতে তারা বুথে গিয়ে জাতীয় স্বার্থে ভোট দেন। তবে হ্যাঁ, আমরা বিজেপিকে ভোট দিতে বলছিলাম, কারণ তারা জাতীয় স্বার্থে কাজ করছে।”

    মহিলাদের যোগদান

    এছাড়া, প্রতি স্তরে (ভিভাগ, জেলা, নগর) নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হত। যাতে ড্রয়িং রুম সভাগুলোর প্রতিক্রিয়া নেওয়া যায়। প্রায় ২,০০০টি ড্রয়িং রুম সভা আরএসএস কর্মীরা পরিচালনা করেছেন, আর ৪,৫৫০টি সভা অন্যান্য আনুষঙ্গিক সংগঠনগুলি যেমন ভারতীয় শ্রমিক সংঘ (BMS), সেবা ভারতী, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ আয়োজন করেছে। এই সভাগুলিতে প্রায় ৫৩,০০০ জন অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে একটি বড় অংশ ছিল মহিলা। দেশে নারী শক্তির জাগরণে মোদি সরকারের সক্রিয় ভূমিকার কথা তুলে ধরেছে আরএসএস। এর ফলে মহিলা কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

  • Gopal Rai: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    Gopal Rai: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪এর লোকসভা ভোটের ফলাফল। আর লোকসভা ভোট মিটতেই এবার বড় ঘোষণা করলেন আপ নেতা গোপাল রাই (Gopal Rai)। পরবর্তী বিধানসভায় কংগ্রেসের (Congress) সঙ্গে জোট নয়, বরং একাই লড়বে আপ (Aam Aadmi Party), বৃহস্পতিবার একথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন গোপাল রাই।  

    আপ নেতার মন্তব্য

    এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে দলীয় বিধায়ক ও প্রবীণ নেতাদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গোপাল রাই (Gopal Rai) বলেন, ,”এটা শুরু থেকেই পরিষ্কার যে লোকসভা নির্বাচনের জন্য ইন্ডি জোট (INDIA) গঠিত হয়েছিল। আমরা একসঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে লড়েছি। কিন্তু দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কোনোও জোট নেই। আমরা দিল্লির জনগণের সঙ্গে একসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন লড়ব।” 
    তিনি (Gopal Rai) আরও বলেন, “আমরা সবচেয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নির্বাচনে লড়েছি। আমাদের শীর্ষ নেতারা জেলে। সব আসনেই জয়ের ব্যবধান কমেছে। কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর দলের কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও কঠিন পরিস্থিতিতেও দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং ‘একনায়কতন্ত্রের’ বিরুদ্ধে ভাল লড়াই করেছে। অন্যদিকে জোটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল দিল্লিতে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধান কমেছে।”

    আরও পড়ুন: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    এছাড়াও এদিন আপ নেতা জানান, আগামী ৮ জুন তাদের  কাউন্সিলরদের সঙ্গে একটি বৈঠক হওয়ার কথা আছে এবং ১৩ জুন দিল্লির সমস্ত দলীয় কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক হবে। বর্তমানে কেজরিওয়াল যেহেতু জেলে রয়েছেন, তাই তাদের লড়াই চলবে। অন্যদিকে নির্বাচনের পরে আদর্শ আচরণবিধি উঠে যাওয়ায় উন্নয়নের কাজে গতি আনতে শনি ও রবিবার কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দলের সব বিধায়ক।  
    উল্লেখ্য, দিল্লির লোকসভা ভোটে এবারে কংগ্রেস (Congress) জোট শূন্য ড্র করেছে, অন্যদিকে বিজেপি তৃতীয়বারের জন্য সাতটি সংসদীয় আসনে ক্লিন সুইপ করেছে। আর এরই মধ্যে এবার পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে জোট ছাড়া একাই লড়ার কথা জানিয়ে দিল আপ নেতা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: এবার ইডির নতুন মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ

    Arvind Kejriwal: এবার ইডির নতুন মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ইডি নতুন মামলা দায়ের করার পরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) আদালতে তলব করা হয়েছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি ইডি দ্বারা জারি করা মোট ৮টি নোটিশ এড়িয়ে গেছেন। আজ দিল্লির একটি আদালত আম আদমি পার্টি-র এই নেতাকে আগামী ১৬ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর (Arvind Kejriwal)?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আজ দিল্লির একটি আদালতে স্পষ্ট করে বলে যে আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal)  জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তাঁরা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আর্থিক দুর্নীতির মামলার অধীনে জারি করা একাধিক নোটিশকে এড়িয়ে যাওয়ার পরে আজ নতুন ফের নোটিশ পাঠানো হয়। কেজরিওয়াল অবশ্য ইতিপূর্বে ইডি দ্বারা জারি করা ৮টি নোটিশকে এড়িয়ে গেছেন। তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, মামলায় অভিযুক্তরা দিল্লির আবগারি নীতি তৈরির সময় মুখ্যমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। তাই ইডি-র দায়ের করা চার্জশিটে কেজরিওয়ালের নাম একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে।

    ৪ মার্চ হাজিরা দেননি কেজরিওয়াল (Arvind Kekriwal)

    অপর দিকে আপ নেতা কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal), নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী নেতাদের টার্গেট করতে ইডি-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন। ইডি শেষ নোটিশ গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে জারি করেছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদের তারিখ ৪ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আপ নেতা এই নোটিশকে “অবৈধ” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, “ভিডিও-কনফারেন্সিং মাধ্যমে সংস্থার সামনে হাজির হতে প্রস্তুত ছিলাম।” কিন্তু কেন্দ্রীয় সংস্থা অবশ্য শারীরিক ভাবে উপস্থিতির উপর জোর দিয়েছিল। ভিডিও কনফারেন্সিং মাধ্যমে প্রশ্ন করার কোনও বিধান নেই। ইডি এর আগে দিল্লির এখন বাতিল করা আবগারি নীতি সংক্রান্ত অর্থ পাচারের মামলায় দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া এবং রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং, দুই শীর্ষ আপ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা এখন জেলে রয়েছেন।

    কেজরিওয়ালের বক্তব্য (Arvind Kekriwal)

    আজ নতুন মামলায় ইডির নোটিশ সম্পর্কে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিতে অস্বীকার করে তাঁদেরকেই জেলে পাঠানো হয়। সত্যেন্দ্র জৈন, মনীশ সিসোদিয়া এবং সঞ্জয় সিং আজ বিজেপিতে যোগ দিলে কাল জামিন পাবেন। এমনকী আমি এখন বিজেপিতে যোগ দিলে ইডি-র নোটিশ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বেশ কয়েকটি আদালতের রায়ে বলা হয়েছে যে ইডিকে অবশ্যই জানাতে হবে যে কেন কোন ব্যক্তিকে তলব করা হচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত কেন্দ্র সরকার আদালতের আদেশ মানতে অস্বীকার করে। নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • AAP Minister Resign: হিন্দু দেবতাদের না মানার নিদান দিয়ে চাপে পড়ে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা মন্ত্রী রাজেন্দ্র পালের

    AAP Minister Resign: হিন্দু দেবতাদের না মানার নিদান দিয়ে চাপে পড়ে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা মন্ত্রী রাজেন্দ্র পালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু দেবদেবীর আর পুজো নয়, আম আদমি পার্টি (AAP)-এর এই শপথের এই ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়েছিল। গত বুধবার নয়াদিল্লির আম্বেডকর ভবনে এক সংগঠনের ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন AAP মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতম (Rajendra Pal Gautam)। সেখানেই তিনি শপথবাক্য পাঠ করেন। এরপরেই বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতমকে বলতে শোনা যায়, “আমার ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরের উপর কোনও আস্থা নেই। আমি এই দেবতাদের পুজো করি না। রাম বা কৃষ্ণের উপরেও আমার কোনও আস্থা নেই। তাঁদের অবতার বলে চালানো হচ্ছে। এঁদের পুজো আমি করি না।এছাড়াও ওই ধর্মান্তকরণ সভায় মন্ত্রীকে ১০০ এরও বেশি মানুষকে হিন্দু ধর্ম থেকে বৌদ্ধ ধর্মে রূপান্তরিত করার জন্য শপথ পাঠ করাতে দেখা যায়। এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই বিপাকে পড়েন কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী। এই ঘটনার পর থেকেই সুর চড়াতে শুরু করে বিজেপি।

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির(BJP)তরফ থেকে বলা হয়, এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ-দুই ধর্মেরই অপমান করেছেন রাজেন্দ্র। সেই সঙ্গে হিন্দু বিদ্বেষ উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।এর প্রত্যুতরে মন্ত্রী বলেন, আমি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। সেই নিয়ে কারওর অসুবিধা হচ্ছে কেন? সংবিধানে সমস্ত ধর্মপালন করার স্বাধীনতা রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    সরকারি ভাবে এই ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি আম আদমি পার্টি। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এই গোটা ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ। তবে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিকেই দুষেছেন রাজেন্দ্র। তিনি বলেছেন, দেশের কয়েক কোটি মানুষ এই শপথ নেন। কিন্তু এই নিয়ে বিজেপি অযথা অশান্তি তৈরি করছে। আমাকে ও আমার দলকে অপমান করার চেষ্টা করছে। প্রাক্তণ মন্ত্রী টুইটারে তিনি লেখেন, আজকের দিনে মহর্ষি হিসেবে বাল্মকীর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল আর আজকের দিনেই মান্যবর কাশীরাম সাহেবের মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের এই পুণ্যতিথিতে আমি অনেক বন্ধন থেকে মুক্ত হলাম। আজ আমার নবজন্ম হল। এখন থেকে আমি শুধুমাত্র সমাজের হিতের জন্য কাজ করব

    [tw]


    [/tw]

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Delhi Ordinance Bill: বিজেপির পাশে বিজেডি! হতাশ বিরোধীরা, বিনা বাধাতেই পাশ হবে দিল্লি অধ্যাদেশ বিল?

    Delhi Ordinance Bill: বিজেপির পাশে বিজেডি! হতাশ বিরোধীরা, বিনা বাধাতেই পাশ হবে দিল্লি অধ্যাদেশ বিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্র প্রদেশের শাসক দল ওয়াইএসআর কংগ্রেসের (YSRCP) পর ওড়িশার (Odisha) শাসক দল বিজু জনতা দলও (BJD) দিল্লি অধ্যাদেশ বিল (Delhi Ordinance Bill) নিয়ে কেন্দ্রকেই সমর্থন করতে চলেছে। এছাড়া বিরোধী দলের অনাস্থা প্রস্তাবের বিরোধিতা করবে বলেও জানিয়েছে নবীন পট্টনায়েকের (Naveen Patnaik) দল। এটা আম আদমি পার্টি, কংগ্রেস এবং বিরোধী জোটের জন্য একটা ধাক্কা বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    বিজেডির সমর্থন 

    রাজ্যসভায় বিজেডির নেতা সস্মিত পাত্র বলেছেন, তার দল দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল সরকার (সংশোধনী) বিল, ২০২৩ বিলটিকে সমর্থন করবে। তিনি এও জানিয়েছেন যে, তাঁরা অনাস্থা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেবে। বিজু জনতা দল (BJD) লোকসভা এবং রাজ্যসভা উভয়েই তাদের সাংসদের জন্য তিন লাইনের হুইপ জারি করেছে। রাজ্যসভায় বিজেডির নয় জন সাংসদ রয়েছে। উচ্চকক্ষে ওয়াইএসআর কংগ্রেসেরও নয় জন সাংসদ রয়েছে। উভয় দলের মোট ১৮ জন সাংসদের সমর্থনে বিলটি হাউসে পাস হওয়া প্রায় নিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ না হলেও রাজ্যসভায় বিজেপি সহজেই সাফল্য পাবে।

    বিনা বাধায় বিল পাশ!  

    মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই লোকসভায় দিল্লি অধ্যাদেশ বিল পেশ করেন। এই বিল নিয়ে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ। আজ, বুধবার সেই বিল নিয়ে আলোচনা ও পাশ করানো হবে। প্রথম থেকেই এই বিলের বিরোধিতা করে এসেছে দিল্লির শাসক দল আম আদমি পার্টি। তাদের অভিযোগ, এই বিল পাশ করিয়ে কেন্দ্র রাজ্য সরকারের ক্ষমতা নিজের হাতে রাখার চেষ্টা করছে। বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-ও আম আদমি পার্টির পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ বিরোধীরা একজোট হয়ে দিল্লি অধ্যাদেশ বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন।

    আরও পড়ুন: ২ হাজার টাকার নোটের ৮৮ শতাংশই ব্যাঙ্কে ফেরত এসেছে, জানাল আরবিআই

    কোন অঙ্কে বিল পাশ

    প্রসঙ্গত, রাজ্যসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৪৫। তবে ৭টি আসন ফাঁকা থাকায়, ২৩৮টি আসন সংখ্যার হিসাব করা হয়। কোনও বিল পাশ করার জন্য কমপক্ষে ১২০টি ভোটের প্রয়োজন কেন্দ্রের। লোকসভায় পর্যাপ্ত সংখ্যা থাকলেও, রাজ্যসভায় বিজেপি শাসিত এনডিএ জোটের পর্যাপ্ত আসন সংখ্যা নেই। সেই কারণেই অন্যান্য দলের সমর্থনের প্রয়োজন। বিজেডি ও ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সমর্থন পেয়ে এক্ষেত্রে আর বিল পাশ করতে কোনও সমস্যা রইল না। অন্যদিকে, লোকসভায় বিজেপির নিজস্ব ৩০৫ সদস্য রয়েছে, তাই বিল বা অনাস্থা প্রস্তাবে বিরোধীরা সরকারের জন্য কোনও সমস্যা তৈরি করতে পারবে না।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Agnipath scheme: প্রধানমন্ত্রীর অগ্নিপথ প্রকল্পে মোদির পাশেই কেজরীর আম আদমি পার্টি

    Agnipath scheme: প্রধানমন্ত্রীর অগ্নিপথ প্রকল্পে মোদির পাশেই কেজরীর আম আদমি পার্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে বিরোধিতা করলেও এখন কেন্দ্র সরকারের অগ্নিপথ প্রকল্পকে একযোগে এগিয়ে নিয়ে যাতে চায়, আম আদমি পার্টি। আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীবাল বলেন, অতীতে অগ্নিপথের বিরোধিতা করেছে আপ। কিন্তু এখন যখন এই প্রকল্প চালু হয়েছে, তখন পিছনে ফিরে তাকানোর প্রয়োজন নেই। এই প্রকল্পে নিয়োগের ক্ষেত্রে  সবরকম সহযোগিতা করবে আপ।

    প্রসঙ্গত, অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগ নিয়ে বিহার এবং পাঞ্জাবে সবথেকে বেশি প্রতিবাদের ঝড় বয়েছিল। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও প্রতিবাদে সামিল হন। এখন তিনি এই বিষয়ে বেশ কিছুটা নমনীয় হয়েছেন। আসলে সেনা মান সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিল যে, রাজ্য সরকার এই প্রকল্পে নিয়োগের জন্য সহযোগিতা করছে না। বলে দেওয়া হয় যে সরকার সাহায্য না করলে এই নিয়োগ সেখান থেকে সরিয়ে অন্য কোথাও করা হবে। এরপরেই মান তাঁর সম্পূর্ণ সহায়তার কথা বলেছেন।

    আরও পড়ুন: পার্থ ‘ঘনিষ্ঠ’ মোনালিসার দাদার নামে বিপুল জমির হদিশ! বেনামে মালিক প্রাক্তন মন্ত্রী-ই?

    মুখ্যমন্ত্রী মান এক ট্যুইট বার্তায় সকল জেলার জেলা শাসককে সতর্ক থাকতে বলেছেন। নিয়োগ অভিযানের জন্য সেনা কর্মকর্তাদের সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার আদেশ দেন। মান  ট্যুইট বার্তায় লেখেন, “যে কোনও ধরণের সাহায্যকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।” রাজ্য থেকে অগ্নিপথ প্রকল্পে সর্বোচ্চ সংখ্যায় চাকরির বিষয়েও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রদেশ সভাপতিদের বাছবেন সনিয়া! দল কি গান্ধী-পরিবারের প্রভাবমুক্ত হবে? গুঞ্জন কংগ্রেসেই

    উল্লেখ্য, কেন্দ্র এই বছরের জুন মাসে অগ্নিপথ নিয়োগের সূচনা করেছিল। এই প্রকল্পের অধীনে, চার বছরের জন্য সৈন্য নিয়োগ করা হবে। চার বছর পর বাহিনীতে রাখা হবে প্রায় ২৫ শতাংশ জওয়ানকে। এই প্রকল্পের প্রবর্তনে দেশজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। প্রশ্ন উঠেছিল যে চার বছরের জন্য বাহিনীতে থাকার পরে অগ্নিবীরদের কী হবে। সমালোচকরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে চার বছরের মেয়াদ সৈন্যদের ঝুঁকি-প্রতিরোধ করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Satyendar Jain: আরও বিপাকে সত্যেন্দ্র জৈন, বিপুল নগদ-সোনা উদ্ধার ইডির

    Satyendar Jain: আরও বিপাকে সত্যেন্দ্র জৈন, বিপুল নগদ-সোনা উদ্ধার ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দুর্নীতির মামলায় জড়িত দিল্লির মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২.৮৫ কোটি টাকা নগদ এবং ১৩৩টি সোনার কয়েন উদ্ধার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)।

    ইডির (ED) তরফে জানানো হয়েছে— বৈভব জৈন, অঙ্কুশ জৈন, নবীন জৈন এবং রামপ্রকাশ জুয়েলার্সের মালিকরা আর্থিক তছরুপে সত্যেন্দ্রকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, রাম প্রকাশ জুয়েলার্সের কাছ থেকে ২.২৩ কোটি টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছে, বৈভব জৈনের কাছ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা এবং ১৩৩টি সোনার কয়েন সহ ৪১.৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  

    বিষয়টির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একটি ট্যুইট করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি লেখেন, “আপ-এর পেছনে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় রাজধানী এবং পঞ্জাবে বিজেপি সরকারে নেই। মিথ্যা, মিথ্যা এবং আরও মিথ্যা। সমস্ত সংস্থার ক্ষমতা আপনার হাতে, কিন্তু ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।”   

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র পাল্টা ট্যুইটে লিখেছেন, “সত্যেন্দ্র জৈনের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা, সোনার কয়েন বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। সাহস থাকে তো সত্যেন্দ্রকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করুন। কিন্তু, আপনি পারবেন না, কারণ, আপনার হাটে হাঁড়ি ভেঙে যাবে।” 

    [tw]


    [/tw]

    কপিল যোগ করেন, “কেজরিওয়ালের মতে, তিনি একজন সৎ মানুষ। সত্যেন্দ্র জৈনের দুর্নীতি শুধুমাত্র একটা ঝলক মাত্র। আসল মাস্টারমাইন্ড হলেন কেজরিওয়াল, কেজরিওয়ালের দুর্নীতিতে গোটা বিশ্ব অবাক হবে।”

    সত্যেন্দ্র জৈন গত ১ জুন থেকে ইডির হেফাজতে রয়েছেন। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, “সত্যেন্দ্র জৈনের বাস ভবনে এবং কিছু অন্যান্য স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। সত্যেন্দ্র জৈন আগামী ৯ জুন পর্যন্ত ইডির হেফাজতেই থাকবেন।” 

    চলতি বছরেই এপ্রিলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কলকাতার একটি কোম্পানির সঙ্গে সম্পর্কিত ৪.৮১ কোটি টাকার তছরুপের মামলায় সত্যেন্দ্র জৈনের যোগ খুঁজে পায়। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রীকে। সিবিআইয়ের দায়ের করা একটি এফআইআরের ভিত্তিতে আপ ওই নেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করা হয়। 

    অভিযোগ, সত্যেন্দ্র জৈন চারটি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার হওয়া সত্ত্বেও, কোম্পানিগুলির তহবিলের টাকার উৎস কী, তার জবাব দিতে পারেননি। তদন্ত সংস্থার দাবি, সত্যেন্দ্র জৈনের দিল্লিতে বেশ কয়েকটি কোম্পানি রয়েছে এবং তাদের মাধ্যমেই ১৬.৩৯ কোটি কালো টাকা পাচার করেছেন মন্ত্রী। 

      

  • Satyendar Jain: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Satyendar Jain: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার এক কোম্পানির সঙ্গে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে দিল্লির (Delhi) স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) নেতা সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendar Jain) গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি।

    সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে আর্থিক তছরুপের (Money laundering) অভিযোগে সত্যেন্দ্রর বাড়ি এবং দফতরে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি (ED)। তাঁর স্ত্রী ইন্দু এবং কয়েক জন আত্মীয়ের নামে থাকা ৪ কোটি ৮১ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

    দিল্লিতে আম আদামি পার্টির (AAP) সরকারের ক্যাবিনেটে গুরুত্বপূর্ণ পোর্টফোলিও রয়েছে সত্যেন্দ্র জৈনের নামে। একাধারে স্বাস্থ্য ছাড়াও বিদ্যুৎ, গৃহ, পিডব্লিউডি, শিল্প, নগরোন্নয়ন, বন্যা, সেচ ও জল মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন জৈন। ইডি সূত্রের খবর, ৫৭ বছর বয়সী জৈন সোমবার ইডির জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। এরপরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সত্যেন্দ্রর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তাঁকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে।

    ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ঘুষকাণ্ডে ধৃত পাঞ্জাবের বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ইতিমধ্যেই জৈনের গ্রেফতারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আপ বিধায়ক সোমনাথ ভারতী। তাঁর অভিযোগ, এজেন্সির “অপব্যবহার” করছে বিজেপি (BJP)। ভারতী বলেন, “ইডি কোনও দেবতা নয়। আমাদের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ার ফলেই এই কাজ করানো হচ্ছে। আমি নিশ্চিত যে উনি এর থেকে বেরিয়ে আসবেন।” এই নিয়ে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sidodia)। ট্যুইটারে তিনি বলেন, ”হিমাচল প্রদেশে দলের নির্বাচনের দায়িত্ব রয়েছে জৈনের হাতে। এখনও নির্বাচন বাকি। তাই এই ধরনের কাজ করানো হচ্ছে।”

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) সাফ জানিয়ে দেন, তিনি সতৈন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে আনা মামলা ভাল করে খতিয়ে দেখেছেন। পুরো মামলাটই ভুয়ো বলে অভিযোগ কেজরির। এরপর কেজরি বলেন, “আমরা দুর্নীতি সহ্য করব না, দুর্নীতি করবও না। আমাদের সরকার সততার ওপর দাঁড়িয়ে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে আমাদের টার্গেট করা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে।”

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে বদ্ধপরিকর ধামি! রূপরেখা তৈরিতে গঠিত বিশেষ কমিটি

    দিল্লি বিজেপি’র প্রধান আদেশ গুপ্তা (Adesh Gupta) ইডির এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কেজরিওয়াল সরকার মুখে দুর্নীতি দূর করার কথা বললেও আদতে চুপ থাকে। নিজেদের দলের নেতা-মন্ত্রীদের দোষ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে আম আদমি পার্টি।” সত্যেন্দ্র জৈনকে আরও আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল বলে দাবি করেন আদেশ।

LinkedIn
Share