Tag: AAP scam

AAP scam

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের তিহাড় যাত্রা! ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের তিহাড় যাত্রা! ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) ইডি হফাজতের মেয়াদ শেষ হয়। এদিন তাঁকে আদালতে হাজির করানো হয়। সোমবার নতুন করে ইডি কেজরিওয়ালকে নিজেদের হেফাজতে চায়নি। জেল হেফাজতের আর্জিই জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে এদিন। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    জেলে বই নিয়ে যেতে আর্জি 

    অন্যদিকে, কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) জেলে বই নিয়ে যেতে চেয়ে আদালতের কাছে অনুমতি চান তাঁর আইনজীবী মারফত। তিনটি বই তিনি চেয়েছেন। ভগবত গীতা, রামায়ণ এবং সাংবাদিক নীরজা চৌধুরির লেখা প্রধানমন্ত্রীদের সম্পর্কে একটি বই। প্রসঙ্গত, দু’দফায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। আইনজীবী এসভি রাজু এদিন আদালতে ইডির হয়ে সওয়াল করেন। সোমবার আদালতে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) হাজিরার সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুনীতা। এছাড়া দিল্লির দুই মন্ত্রী অতিশী মারলেনা এবং সৌরভ ভরদ্বাজও এদিন হাজির ছিলেন আদালতে।

    তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেজরিওয়াল

    আদালতে ইডির তরফে সোমবার অভিযোগ জানানো হয়, তদন্তে কোনওভাবে সহযোগিতা করছেন না কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। অনেক প্রশ্নের উত্তর ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। এমনকি, তদন্তের স্বার্থে নিজের মোবাইলের পাসওয়ার্ড দিতেও অস্বীকার করছেন তিনি। সেই সঙ্গে ইডি আরও জানিয়েছে কেজরিওয়ালের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধও তাঁকে দেওয়া হচ্ছে। দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব এদিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘দিল্লিকে কে লুট করেছে, আশা করি মানুষ এবার দেখতে পাবে।’’ প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতি মামলায় গত ২১ মার্চ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। টানা ৮ বার সমন এড়িয়ে যান তিনি। নবম বার সমন পাঠায় ইডি। কিন্তু সেসময় রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে যান কেজরিওয়াল। আদালতে তাঁর আর্জি খারিজ হয়। ২১ মার্চ রাতেই নিজের বাড়িতে ইডির হাতে গ্রেফতার হন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • AAP Scam: কেজরিওয়ালের উচিত মোদিজিকে অনুসরণ করা, কেন একথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি

    AAP Scam: কেজরিওয়ালের উচিত মোদিজিকে অনুসরণ করা, কেন একথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি ও জল বোর্ডের দুর্নীতি (AAP Scam) ইস্যুতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে মীনাক্ষী লেখি টেনে আনেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদাহরণও। এবং তিনি বলেন যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর উচিত প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করা। প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গায় তৎকালীন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সিবিআই তলব করে। সেসময় ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ঘটনা টেনে মীনাক্ষী লেখি বলেন যে তিনি (নরেন্দ্র মোদি) যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, আবগারি দুর্নীতি ইস্যুতে (AAP Scam) ইতিমধ্যে পাঁচবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে সমন পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি কিন্তু প্রতিবারই তিনি গরহাজির থেকেছেন। শেষবারের মতো আম আদমি পার্টির সুপ্রিমোর কাছে নোটিশ পৌঁছায় গত ২ ফেব্রুয়ারি।

    কেজরিওয়ালকে খোঁচা 

    এদিন অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে খোঁচা দিয়ে মীনাক্ষী লেখি বলেন যে তিনি কিভাবে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হবেন? কারণ তাহলে তো তাঁর নাটক এবং দুর্নীতি দুটোই ধরা পড়ে যাবে। প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতি মামলায় ক্রমশই চাপ বাড়ছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ওপর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবার খোঁজ চালাচ্ছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ব্যক্তিগত সচিব বিভাব কুমারের। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মোট ১০ টি জায়গায় এই তল্লাশি অভিযান চলছে। 

    দুর্নীতির অভিযোগে আপ পার্টির একাধিক শীর্ষ নেতা জেলে

    এদিন মীনাক্ষী লিখে আরও বলেন যে দুর্নীতি এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে দিল্লির জল বোর্ডের বিরুদ্ধেও। সেখানে একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন ঠিকাদারকে গত সপ্তাহেই (AAP Scam) গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লির আম আদমি পার্টির কিছু শীর্ষ নেতাও এই দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যন্দ্র জৈন। এবং রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং। মীনাক্ষী লেখির মতে, ‘‘দিল্লির সরকার শুধুমাত্র প্রচারে থাকতে চায় সব সময় এবং তারা যে কোনও মূল্যে ক্ষমতায় থাকতে চায়। এই সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohalla Clinic: রক্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ হাজার রোগীর, যাদের কোনও অস্তিত্বই নেই, নয়া দুর্নীতি আপ সরকারের

    Mohalla Clinic: রক্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ হাজার রোগীর, যাদের কোনও অস্তিত্বই নেই, নয়া দুর্নীতি আপ সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দফতরের দুর্নীতি নিয়ে এমনিতেই বেসামাল দিল্লির আপ সরকার (Mohalla Clinic)! নিত্যদিন খোঁজ মিলছে নতুন নতুন দুর্নীতির। এবার চিকিৎসা ক্ষেত্রেও মিলল দুর্নীতির খোঁজ। দিল্লি সরকার পরিচালিত মহল্লা ক্লিনিকের আর্থিক হিসাবেই ব্যাপক গরমিল। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ১১ মাসে মহল্লা ক্লিনিকের অধীনে বিভিন্ন প্রাইভেট ল্যাবরেটরি থেকে রক্ত পরীক্ষা করিয়েছেন ৬৫ হাজার রোগী, যাদের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই (Mohalla Clinic)। এই ভূত রোগীদের মাধ্যমেই বিপুল আর্থিক তছরুপ হয়েছে। শনিবারই অ্যান্টি-কোরাপশন ব্রাঞ্চের প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা নিয়ে সরগরম দিল্লির রাজনীতি।

    আগেই সরব হয়েছিলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর

    এমন দুর্নীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনা। তিনি মহাল্লা ক্লিনিকে রক্ত পরীক্ষায় বেনিয়মের তদন্ত করার জন্য সিবিআই তদন্তের সুপারিশও করেছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এরপরই অ্যান্টি-কোরাপশন ব্রাঞ্চকে তদন্তভার দেওয়া হয়। শনিবার এসিবির তরফে প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, একাধিক বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে (Mohalla Clinic) ‘ভূত’দের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে, যারা আদতে কোনওদিন মহল্লা ক্লিনিকে যান-ই নি। ল্যাব ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম, যেখানে রোগীদের নাম ও মোবাইল নম্বর থাকত, তাতেও তথ্য বিকৃত করা হয়েছে। মনগড়া নাম ও ফোন নম্বর বসিয়ে নানা পরীক্ষার নামে সরকারের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছে প্রাইভেট ল্যাবগুলি।

    দুর্নীতির খুঁটিনাটি

    প্রসঙ্গত, দিল্লির আপ সরকারের তরফে কম খরচে চিকিৎসার জন্য মহল্লা ক্লিনিক তৈরি করা হয়েছিল। চিকিৎসার পাশাপাশি নানা শারীরিক পরীক্ষাও হয় সেখানে। মাত্র ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যেই সমস্ত পরীক্ষার খরচ, যা বাইরের ল্যাব থেকে করাতে ১-২ হাজার টাকা খরচ হয়। এসিবির রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১২,৪৫৭টি রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের ফোন নম্বর নেই। ২৫,৭৩২টি পরীক্ষায় মোবাইল নম্বর শূন্য বসানো রয়েছে। ৯১৩টি পরীক্ষার ক্ষেত্রে ভুয়ো ফোন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও ল্যাবগুলির দাবি, তারা কেবল রক্তের নমুনা সংগ্রহ করত এবং পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দিত। মহল্লা ক্লিনিকের টেকনিশিয়ানদের দায়িত্ব ছিল রোগীর নাম ও অন্যান্য় তথ্য নথিভুক্ত করা। গোটা ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share