Tag: AAP

AAP

  • AAP Gujarat: ‘হীরাবেনকে আক্রমণ করা হয়েছে, কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রীর মা…’

    AAP Gujarat: ‘হীরাবেনকে আক্রমণ করা হয়েছে, কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রীর মা…’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শতবর্ষীয়া মাকে কটাক্ষ করা হয়েছিল আম আদমি পার্টির (AAP) তরফে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সেই ভিডিও। এর পরেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলকে একহাত নিল বিজেপি (BJP)। সাফ জানাল, তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর মায়ের) একমাত্র অপরাধ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্ম দিয়েছিলেন।

    আপের গুজরাট (AAP Gujarat) শাখার প্রধান গোপাল ইটালিয়া প্রধানমন্ত্রীর মা হীরাবেন মোদিকে কটাক্ষ করেছিলেন। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। কটাক্ষ করার পাশাপাশি তাঁকে অভিসম্পাত দিতেও দেখা গিয়েছে। তার পরেই ফুঁসে উঠেছে কেন্দ্রের শাসক দল। বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিশানা করে বলেন, আপনারা যদি মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর মাকে কটু কথা বলে আপনারা গুজরাটে রাজনৈতিক লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন, তাহলে আপনারা ভুল করছেন। আসন্ন নির্বাচনে এজন্য আপনাদের মূল্য চোকাতে হবে। গুজরাট এবং গুজরাটিরাই তা দেবেন। তাঁর মতে, আপের গুজরাট শাখার (AAP Gujarat) প্রধান ইটালিয়ার মন্তব্য হিন্দু সমাজকে এবং হিন্দু মহিলা যাঁরা মন্দিরে যান তাঁদের পক্ষেও অপমানজনক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, আপ নেতাদের এই মন্তব্য নিদারুনভাবে ক্ষমার অযোগ্য। কারণ তাঁরা অপমান করেছেন শতবর্ষীয়া এক মহিলাকে, যাঁর সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্কই নেই। এর পরেই স্মৃতি ইরানি বলেন, তাঁর এক মাত্র অপরাধ যে তিনি রাজনীতিতে নেই, তিনি জন্ম দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদির। যিনি আপনার (কেজরিওয়াল) রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিচ্ছেন।

    ইটালিয়ার দাবি, তিনি পতিদার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বলে বিজেপি তাঁকে টার্গেট করছে। এ প্রসঙ্গে স্মৃতি ইরানি বলেন, তিনি নয়া অজুহাত খুঁজে বের করছেন। এ থেকে বোঝা যায়, আসন্ন নির্বাচনে আপ সম্প্রদায়িক ও জেন্ডার কার্ডকে হাতিয়ার করবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, তারা বুঝতে পারছে না, গুজরাটিরা মাকে কত সম্মান করেন! এদিকে, অন্য একটি ভিডিওতে ইটালিয়াকে বলতে শোনা যায়, মহিলারা যেন মন্দিরে না যান, সেখানে মহিলাদের হেনস্থা করা হয়। একে হাতিয়ার করে স্মৃতি ইরানি বলেন, রাজনৈতিক দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এসব বলছেন উনি। বিজেপি নেতা অমিত মালব্যও বলেন, আপের গুজরাট প্রেসিডেন্ট গোপাল ইটালিয়া যিনি কেজরিওয়ালের খুব কাছের, তিনি মহিলাদের অবমাননা করেছেন, লিঙ্গ বৈষম্য করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘সত্যি বিস্ময়’, মোদি সরকারের সরাসরি ব্যাংকে নগদ হস্তান্তর প্রকল্পের প্রশংসা আইএমএফের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amrinder Singh: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সঙ্গে আর কে কে জানেন?

    Amrinder Singh: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সঙ্গে আর কে কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছেন পাঞ্জাবের (Punjab) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং (Amarinder Singh)। পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস (Congress) থেকে বেরিয়ে অমরিন্দর গড়েছিলেন নয়া দল। নাম দিয়েছিলেন পাঞ্জাব লোক কংগ্রেস (Punjab Lok Congress)। সেই দলও মিশে যাচ্ছে গেরুয়া শিবিরে। তাঁর এই দলবদলের অনুষ্ঠান হবে ১৯ সেপ্টেম্বর, সোমবার।

    পাঞ্জাব লোক কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রীতপাল সিং বালিয়াওয়াল বলেন, পার্টি নেতাদের কারা কারা দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন অমরিন্দর সহ তাঁদের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সোমবার তাঁরা হাতে তুলে নেবেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা। অমরিন্দরের পদ্ম শিবিরে যোগ দেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয় বলেই দাবি বিজেপির। বিজেপির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ সদস্য হরজিৎ গ্রুওয়াল বলেন, অমরিন্দর আমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। তিনি বহিরাগত নন।

    পাঞ্জাবে বর্তমানে চলছে আম আদমি পার্টির শাসন। তাদের অভিযোগ, অপারেশন লোটাসের মাধ্যমে পাঞ্জাবেও সরকার ফেলার ছক কষছে বিজেপি। আপের এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন অমরিন্দর। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আপের ৯২ জন বিধায়ক রয়েছে। বিজেপি যদি তার থেকে ১২ জনকে কিনেও নেয়, তাতে কিছুই হবে না। কারণ সরকার ফেলতে  প্রয়োজন ৫০ শতাংশের বেশি বিধায়কের সমর্থন। জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই অযথা হইচই করছে তারা।

    আরও পড়ুন : বিজেপি বিরোধী জোট সুযোগ সন্ধানীদের, নীতীশকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের

    কংগ্রেসের এই প্রাক্তনী বলেন, পাঞ্জাবের আপ সরকার চলছে দিল্লির অঙ্গুলি হেলনে। দিল্লিতে রয়েছে আপ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পাঞ্জাবের গুরুত্বপূর্ণ যা কিছু কাজ অনুমোদনের জন্য পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কেজরিওয়াল। তারা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী (ভগবন্ত মান)কে কোনও কাজই করতে দিচ্ছে না।  

    চলতি বছর হয় পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচন। এই ভোটে ফের জিততে গত বছরের শেষের দিকে অমরিন্দরকে সরিয়ে কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী পদে বসায় চরণজিৎ সিং চান্নিকে। ক্ষোভে কংগ্রেস ছেড়ে নয়া দল গড়েন অমরিন্দর। নির্বাচনে বিশেষ ছাপ ফেলতে পারেনি অমরিন্দরের দল। শেষমেশ সেই দলই মিশে যাচ্ছে বিজেপির সঙ্গে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • VK Saxena: আপের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে চলেছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর, কেন জানেন?

    VK Saxena: আপের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে চলেছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আম আদমি পার্টির (AAP) দিল্লির সরকারের (Delhi Govt) সঙ্গে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার (VK Saxena) লড়াই গড়াতে চলেছে আদালত পর্যন্ত। আম আদমি পার্টির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে মানহানির (Defamation) মামলা দায়ের করতে চলেছেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর। 

    সূত্রের খবর, আপ বিধায়ক অতিশি, সৌরভ ভরদ্বাজ, দুর্গেশ পাঠক, দিল্লির ডায়লগ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন শাহের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন তিনি। ২০১৬ সালে খাদি ও গ্রামীণ ইন্ড্রাস্ট্রিজ কমিশনের চেয়ারম্যান থাকাকালীন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের বিরুদ্ধে। ‘মিথ্যে’, ‘কল্পনাপ্রসূত’ এই অভিযোগ তুলেছিলেন ওই চারজন। তাঁদের বিরুদ্ধেই মানহানির মামলা দায়ের করতে চলেছেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর।

    সম্প্রতি আম আদমি পার্টির নেতা ও পার্টি সদস্যদের অভিযোগ, খাদি ও গ্রামীণ ইন্ড্রাস্ট্রিজ কমিশনের চেয়ারম্যান থাকাকালীন সাক্সেনা ওই কমিশনের কর্মীদের বাধ্য করেছিলেন ১৪০০ কোটি টাকার বাতিল নোট বদলাতে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সিবিআই অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে। নয়াদিল্লির রাউজ অ্যাভেনিউ কোর্টে ওই মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। জানা গিয়েছে, যাঁদের কথার ভিত্তিতে অভিযোগ তির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের দিকে প্রাথমিকভাবে দেখা গিয়েছে, তাঁরা নোটবন্দির সময় দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন।

    আরও পড়ুন :তিন মাসেই পাঞ্জাবে আপ-সরকারের বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ!

    সিবিআইয়ের প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে এই তথ্য। অথচ আপ নেতারা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের বিরুদ্ধে মিথ্যে, কল্পনাপ্রসূত ১৪০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না। আপ নেতারা যা খুশি বলে পার পেয়ে যাবেন, তা হবে না। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন সাক্সেনা। সূত্রের খবর, তাঁর বিরুদ্ধে তোলা যাবতীয় অভিযোগ মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত বলে দাবি করেছেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর। তাই চলছে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Supreme Court on Freebies: খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court on Freebies: খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসতে ফি নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে থাকে নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi)। এবার বিষয়টিকে ‘গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশের শীর্ষ আদালতে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমানার (NV Ramana ) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, জনকল্যাণ কর্মসূচি আর বিনামূল্যে দেওয়া (Freebies) এক বিষয় নয়।

    বিজেপি ঘনিষ্ঠ জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, যাঁরা বিনামূল্যে পাচ্ছেন, তাঁরা তা পেতে চান। আবার অনেকে বলেন, তাঁদের করের টাকা প্রকৃত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যবহার করতে হবে। তাই দু পক্ষের বক্তব্যই শোনা প্রয়োজন। এদিকে, পলিটিক্যাল ফ্রিবিজ নিয়ে নিয়ম নির্ধারণ করতে আদালতকে অনুরোধ করল কেন্দ্র। তার প্রেক্ষিতে সরকারি কোষাগারের খয়রাতি বন্ধের বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করার কথা বলেছে ওই বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন : মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে তামাম ভারত!

    দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, ভারতের মতো দেশে এখনও দারিদ্র রয়েছে। তাই ক্ষুধার্তদের খাদ্য দেওয়ার মতো কর্মসূচি প্রয়োজন। কিন্তু বিনামূল্যে পাইয়ে দেওয়ার প্রবণতা যাতে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। দরকার খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ করা। আদালতের তরফে এও বলা হয়, সুবিধাবঞ্চিতদের আর্থ-সামজিক কল্যাণমূলক পরিকল্পনাগুলিকে বিনামূল্যের পরিষেবা বলা যায় না। সমাজের কিছু মানুষকে নিখরচায় বিদ্যুৎ, জল এবং পরিবহণের সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ অগাস্ট।

    আরও পড়ুন : ভোটারদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্থনীতি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    দোরগোড়ায় গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন। গত মাসেই আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গুজরাতে গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আপ ক্ষমতায় এলে তাঁরা বিনামূল্যে ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ দেবেন। বকেয়া বিলে ছাড় দেওয়ার পাশাপাশি গোটা রাজ্যে দেওয়া হবে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পরিষেবা। একই প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাঞ্জাবের ক্ষমতা দখল করেছে অরবিন্দের পার্টি।

     

  • Rajya Sabha: অসংসদীয় আচরণ, সাসপেন্ড করা হল রাজ্যসভার আরও ৩ সাংসদকে

    Rajya Sabha: অসংসদীয় আচরণ, সাসপেন্ড করা হল রাজ্যসভার আরও ৩ সাংসদকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সাসপেন্ড (Suspend) করা হল রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আরও তিন সাংসদকে (MPs)। এঁদের মধ্যে দুজন আম আদমি পার্টির (AAP), অন্যজন নির্দল। এই সপ্তাহের বাকি দিনগুলির জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে রাজ্যসভার ওই তিন সাংসদকে।

    অসংসদীয় আচরণের জন্য আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছে রাজ্যসভার কুড়িজন সাংসদকে। ওই একই কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে লোকসভার চারজনকেও। সাসপেনশনের প্রতিবাদে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে টানা পঞ্চাশ ঘণ্টার জন্য অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন সাসপেন্ডেড সাংসদরা। তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দল। অবস্থান চলাকালীন সময়ে চলছে ভূরিভোজও।

    বৃহস্পতিবার যে তিনজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন আম আদমি পার্টির সাংসদ সুশীল কুমার গুপ্ত এবং সন্দীপ কুমার পাঠক। নির্দল সাংসদ অজিত কুমার ভুঁইয়াকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে এদিন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত রাজ্যসভার মোট ২৩ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হল। একসঙ্গে এতজন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়নি আগের কোনও অধিবেশনে।

    আরও পড়ুন : ৫০ ঘণ্টার ধর্নায় সাসপেন্ডেড সাংসদরা, বিরোধী বৈঠকে গরহাজির আপ, তৃণমূল

    এদিন যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁদের সাসপেনশনের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। তিনি বলেন, সাসপেন্ডেড এই তিন সাংসদ অধিবেশন চলাকালীন হাউসের ওয়েলে নেমে আসেন। চিৎকার করে স্লোগানও দিতে থাকেন। প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভও দেখাচ্ছিলেন। সতর্ক করা সত্ত্বেও তা বন্ধ না করায় তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    আম আদমি পার্টির সাংসদ সঞ্জয় সিংকে রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বুধবার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, মঙ্গলবার সভা চলাকালীন চেয়ারম্যানের চেয়ার লক্ষ্য করে কাগজ ছুড়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সাসপেন্ড করা হল ওই দলেরই দুই সাংসদকে।  প্রসঙ্গত, গত বছর বিরোধীদের ১২ জন সাংসদকে পুরো শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। চলতি বাদল অধিবেশনে যে কয়েকজনকে সাসপেন্ড করা  হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের সুস্মিতা দেব, মৌসম বেনজির নুর, শান্তা ছেত্রী, দোলা সেন, সান্ত্বনু সেন, আবিররঞ্জন বিশ্বাস এবং মহম্মদ নাদিমূল হক।   

    আরও পড়ুন : ধর্নায় বসে সাসপেন্ডেড সাংসদরা খাচ্ছেন ইডলি-সাম্বার, চিকেন-তন্দুরি!

     

  • Vijay Singla: ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ঘুষকাণ্ডে ধৃত পাঞ্জাবের বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Vijay Singla: ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ঘুষকাণ্ডে ধৃত পাঞ্জাবের বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার গঠনের মাত্র দু’মাস কেটেছে। তার মধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত হয়েছেন পাঞ্জাবের (Punjab) আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলা (Vijay Singla)। এবার তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। নিজের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান (Bhagwant Mann)। বরখাস্ত করার পরেই এদিন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন ভগবন্ত। তার পরেই মঙ্গলবার বিজয় সিংলাকে গ্রেফতার করে পাঞ্জাব পুলিশ।    

    মামলাটি মোহালি আদালতে উঠলে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। বিজয় সিংলার বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পে কাজের বিনিময়ে ঠিকাদারদের থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার পাঞ্জাবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলা, বরখাস্ত মন্ত্রিসভা থেকেও

    এবিষয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রতিটি টেন্ডার পিছু এক শতাংশ করে কমিশন চাইছিলেন অভিযুক্ত মন্ত্রী৷ বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতি হলেও এই সরকার দুর্নীতি বরদাস্ত করবে না বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, তিনি জানতে পারেন যে, মন্ত্রিসভার একজন সদস্য টেন্ডার প্রতি এক শতাংশ করে কমিশন চাইছেন। বিষয়টি জানতেই দ্রুত পদক্ষেপ নেন তিনি। 

    বিজয় সিংলার স্পেশ্যাল ডিউটি অফিসার প্রদীপ কুমারের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁকেও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবারই পুলিশ গ্রেফতার করে বিজয় সিংলা এবং প্রদীপ কুমারকে। বিপুল ভোটে জিতে মার্চে পাঞ্জাবে ক্ষমতায় আসে আপ (AAP)। প্রতিশ্রুতি ছিল রাজ্যে দুর্নীতি দমন করা। মাত্র দুমাস যেতে না যেতেই সেই দলের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় অস্বস্থিতে আম আদমি পার্টি।

    মুখ্যমন্ত্রীর শপথের দিন দুয়েক পরে আম আদমি পার্টির ১০ বিধায়ক ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দাঁতের ডাক্তার বিজয় সিংলা। পাঞ্জাবের মনসা কেন্দ্র থেকে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। তাঁর হাতেই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, বিজয় সিংলা নিজের অন্যায়ের কথা স্বীকার করেছেন।

     

     

  • Satyendar Jain: আরও বিপাকে সত্যেন্দ্র জৈন, বিপুল নগদ-সোনা উদ্ধার ইডির

    Satyendar Jain: আরও বিপাকে সত্যেন্দ্র জৈন, বিপুল নগদ-সোনা উদ্ধার ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দুর্নীতির মামলায় জড়িত দিল্লির মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২.৮৫ কোটি টাকা নগদ এবং ১৩৩টি সোনার কয়েন উদ্ধার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)।

    ইডির (ED) তরফে জানানো হয়েছে— বৈভব জৈন, অঙ্কুশ জৈন, নবীন জৈন এবং রামপ্রকাশ জুয়েলার্সের মালিকরা আর্থিক তছরুপে সত্যেন্দ্রকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, রাম প্রকাশ জুয়েলার্সের কাছ থেকে ২.২৩ কোটি টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছে, বৈভব জৈনের কাছ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা এবং ১৩৩টি সোনার কয়েন সহ ৪১.৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  

    বিষয়টির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একটি ট্যুইট করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি লেখেন, “আপ-এর পেছনে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় রাজধানী এবং পঞ্জাবে বিজেপি সরকারে নেই। মিথ্যা, মিথ্যা এবং আরও মিথ্যা। সমস্ত সংস্থার ক্ষমতা আপনার হাতে, কিন্তু ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।”   

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র পাল্টা ট্যুইটে লিখেছেন, “সত্যেন্দ্র জৈনের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা, সোনার কয়েন বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। সাহস থাকে তো সত্যেন্দ্রকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করুন। কিন্তু, আপনি পারবেন না, কারণ, আপনার হাটে হাঁড়ি ভেঙে যাবে।” 

    [tw]


    [/tw]

    কপিল যোগ করেন, “কেজরিওয়ালের মতে, তিনি একজন সৎ মানুষ। সত্যেন্দ্র জৈনের দুর্নীতি শুধুমাত্র একটা ঝলক মাত্র। আসল মাস্টারমাইন্ড হলেন কেজরিওয়াল, কেজরিওয়ালের দুর্নীতিতে গোটা বিশ্ব অবাক হবে।”

    সত্যেন্দ্র জৈন গত ১ জুন থেকে ইডির হেফাজতে রয়েছেন। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, “সত্যেন্দ্র জৈনের বাস ভবনে এবং কিছু অন্যান্য স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। সত্যেন্দ্র জৈন আগামী ৯ জুন পর্যন্ত ইডির হেফাজতেই থাকবেন।” 

    চলতি বছরেই এপ্রিলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কলকাতার একটি কোম্পানির সঙ্গে সম্পর্কিত ৪.৮১ কোটি টাকার তছরুপের মামলায় সত্যেন্দ্র জৈনের যোগ খুঁজে পায়। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রীকে। সিবিআইয়ের দায়ের করা একটি এফআইআরের ভিত্তিতে আপ ওই নেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করা হয়। 

    অভিযোগ, সত্যেন্দ্র জৈন চারটি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার হওয়া সত্ত্বেও, কোম্পানিগুলির তহবিলের টাকার উৎস কী, তার জবাব দিতে পারেননি। তদন্ত সংস্থার দাবি, সত্যেন্দ্র জৈনের দিল্লিতে বেশ কয়েকটি কোম্পানি রয়েছে এবং তাদের মাধ্যমেই ১৬.৩৯ কোটি কালো টাকা পাচার করেছেন মন্ত্রী। 

      

  • Satyendar Jain: হাওয়ালা লেনদেন! ৯ জুন পর্যন্ত ইডি হেফাজতে সত্যেন্দ্র জৈন

    Satyendar Jain: হাওয়ালা লেনদেন! ৯ জুন পর্যন্ত ইডি হেফাজতে সত্যেন্দ্র জৈন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি (Delhi) সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendra Jain) ৯ জুন পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) হেফাজতে পাঠাল আদালত। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের (money laundering) অভিযোগে সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি (ED)।

    মঙ্গলবার আদালতে পেশ করা হয় সত্যেন্দ্রকে। ইডি-র তরফে আদালতে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta)। তিনি বলেন, “কী ভাবে টাকা হাওয়ালায় (Hawala) লগ্নি করা হয়েছিল, অন্যত্র পাঠানো হয়েছিল, সে সব তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতের ১৪ দিনের হেফাজত চাইছে ইডি।” 

    মেহতা জানান, ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন প্রায় ১.৬৭ কোটি টাকার সম্পত্তি করেছিলেন সত্যেন্দ্র। তদন্তে উঠে এসেছে, সেই দুর্নীতির টাকা তিনি কলকাতার ভুয়ো সংস্থার খাতায় পাঠিয়েছিলেন। কলকাতারই দুই ব্যক্তি ওই কাগুজে সংস্থাগুলি তৈরি করেছিলেন। একশো টাকায় ১৫-২০ পয়সা কমিশনের ভিত্তিতে কাজ করার কথা তাঁরা স্বীকারও করেছেন। ইডি-র দাবি, আসলে সত্যেন্দ্রই ওই সংস্থাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতেন।

    আরও পড়ুন: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সূত্রের খবর, রাজনীতিতে আসার আগে সত্যেন্দ্র প্রথমে কেন্দ্রীয় পূর্ত দফতরে চাকরি করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে নির্মাণ সংক্রান্ত একটি পরামর্শদাতা সংস্থা খোলেন। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কাজকর্মের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ইডি ইতিমধ্যেই জৈন পরিবার ও তাঁদের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থাগুলির ৪.৮১ কোটি টাকার সম্পত্তি সাময়িক ভাবে বাজেয়াপ্ত করেছে।

    আদালতে ইডি জানায়, এই মামলায় প্রথমে সত্যেন্দ্রকে গ্রেফতার না করেই তদন্ত চালাতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু মন্ত্রী উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। সত্যেন্দ্রর আইনজীবী বলেন, ‘‘২০১৮ সালে এই মামলা দায়ের হয়েছিল। এখন ২০২২। এর মধ্যে অন্তত ছ’বার মন্ত্রীকে ডাকা হয়েছে এবং প্রত্যেক বারই তিনি সহযোগিতা করেছেন। তদন্তকারী সংস্থা শুধু বড় বড় কথা বলছে। মন্ত্রীর সঙ্গে কালো টাকার যোগের প্রমাণ কোথায়?’’

    পাঞ্জাবের আপ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলার (Vijay Singla) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় সপ্তাহখানেক আগেই তাঁকে বরখাস্ত করে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান (Bhagwant Mann)। সত্যেন্দ্রর ক্ষেত্রে কেজরিওয়ালও (Kejriwal) কেন একই পথে হাঁটছেন না, বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া আজ সেই প্রশ্ন তুলেছেন।

    কেজরিওআলের দাবি, ‘‘পাঞ্জাবের মন্ত্রীর একটি অডিয়ো রেকর্ডিং পাওয়া গিয়েছিল, যার কথা কোনও তদন্তকারী সংস্থা বা বিরোধীরা জানতই না। চাইলে আমরা সেটা ধামাচাপা দিয়ে দিতেই পারতাম। কিন্তু আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি, তাঁকে গ্রেফতার করিয়েছি। কিন্তু সত্যেন্দ্র নির্দোষ। মামলাটি পুরোপুরি জাল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বিচার ব্যবস্থায় আমাদের আস্থা আছে। সত্যেন্দ্র জৈন সত্যের পথে হেঁটেই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবেন।’’

    এদিকে, সত্যেন্দ্রকে সমর্থন করার জন্য কেজরিওয়ালের দিকে প্রশ্ন তোলেন বিজেপি (BJP) নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। সত্যেন্দ্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ তকমা দিয়ে স্মৃতি বলেন, সত্যেন্দ্র দেশের সম্পদ লুঠ করেছেন তাঁকে শাস্তি না দিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়াচ্ছেন আপ (AAP) নেতা।

  • Rajya sabha election: আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    Rajya sabha election: আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জারি হয়েছে রাজ্যসভা নির্বাচনের (Rajya sabha election) বিজ্ঞপ্তি। ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে হবে নির্বাচন। ভোট ১০ জুন। রাজ্যসভার এই নির্বাচনে শক্তিবৃদ্ধি হবে কেন্দ্রের ক্ষমতাশীন দল বিজেপির (bjp)। আর শক্তিহীন হয়ে পড়বে কংগ্রেস (congress)। আগামী লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha elections 2024) আগে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির পক্ষে যা অশনি সংকেত। রাজ্যসভায় শক্তি বৃদ্ধি হলে জুন-জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও অ্যাডভান্টেজ পাবে গেরুয়া শিবির।

    পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, দিল্লি, পাঞ্জাব এবং তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলি শাসন করে বিভিন্ন আঞ্চলিক দল। এই পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শেষ তিনটি রাজ্যে রয়েছে জোট সরকার। রাজ্যসভার নির্বাচনে সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party)। দিল্লি ও পাঞ্জাবের ক্ষমতায় রয়েছে তারা। তারা জয়ী হবে পাঁচটি আসনে। স্বভাবতই শক্তিবৃদ্ধি হবে আঞ্চলিক দলগুলির।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য চব্বিশের নির্বাচন, বুথ-স্তরে নীল-নকশা তৈরির পথে বিজেপি, গঠিত বিশেষ কমিটি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) প্রথম মেয়াদে রাজ্যসভায় শক্তিশালী ছিল কংগ্রেস। শক্তিক্ষয় হওয়ায় এবার এক ধাক্কায় তাদের আসন সংখ্যা কমবে বেশ খানিকটা। আর ২০১২ সালে রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৭। বর্তমানে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে তারা। সংখ্যাতত্ত্বের জেরে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ সহ বিভিন্ন হার্ডল বিজেপি পেরিয়েছে অনায়াসে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    যাঁরা রাজ্যসভা থেকে অবসর নিচ্ছেন, তাঁদের সংখ্যা ৫৯। এর মধ্যে ২৫ জন গেরুয়া শিবিরের। এই ৫৯ জনের মধ্যে এনডিএ-র (NDA) আসন ৩১টি। আসন্ন নির্বাচনে তারা হারাতে পারে ৭ থেকে ৯টি আসন।

    অন্ধ্রপ্রদেশে চারটি আসনের মধ্যে বিজেপি হারাবে তিনটি আসন। চারটি আসনেই জয়লাভ করবে ওয়াইএসআরসিপি (YSR Congress)। দুটি আসনে জিতবে তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (TRS)। বিজেডি ধরে রাখবে তিনটি আসনই। আসন বাড়বে আরজেডির। এক থেকে রাজ্যসভায় তারা বেড়ে হবে দুই।

    অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস আরও সংকুচিত হতে পারে। চোদ্দ ও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পর্যুদস্ত হওয়ার পর তারা হেরেছে একের পর এক রাজ্যে। যার জেরে রাজ্যসভায় তাদের ব্যাপক শক্তিক্ষয় হবে। কংগ্রেস অন্ধ্রপ্রদেশে একটিও আসন পাবে না। রাজস্থানে পাবে দুটি, আগে ছিল চারটি। ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তিশগড়েও একটি করে আসন হারাবে তারা। এখন থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাজ্যসভার ৬৫টি আসনে নির্বাচন হবে। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষীণতর হবে কংগ্রেস।

    উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে (Chintan Shivir) কংগ্রেস পাশ করা প্রস্তাব অনুযায়ী, তরুণদের ৫০ শতাংশ আসনে মনোনয়ন দেবে কংগ্রেস। সেই কারণেও বেশ কিছু বর্ষীয়ান নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলেই কংগ্রেস সূত্রে খবর। পি চিদাম্বরম, কপিল সিবাল, জয়রাম রমেশ এবং অম্বিকা সোনির মতো বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাদের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। মেয়াদ শেষ হতে চলেছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি সহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরও। এঁরা প্রত্যেকেই রাজ্যসভা থেকে অবসর নেবেন। রাজ্যসভায় ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে এঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই।

    কংগ্রেসকে হারিয়ে একের পর এক রাজ্যের রশি হাতে নিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের অস্তিত্ব রয়েছে কেবল রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে। মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে জোট সরকারে শামিল হয়েছে তারা। ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল থেকে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের হয়ে গলা ফাটানোর এবার আর কেউ থাকবে না।

     

  • Satyendar Jain: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Satyendar Jain: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার এক কোম্পানির সঙ্গে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে দিল্লির (Delhi) স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) নেতা সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendar Jain) গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি।

    সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে আর্থিক তছরুপের (Money laundering) অভিযোগে সত্যেন্দ্রর বাড়ি এবং দফতরে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি (ED)। তাঁর স্ত্রী ইন্দু এবং কয়েক জন আত্মীয়ের নামে থাকা ৪ কোটি ৮১ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

    দিল্লিতে আম আদামি পার্টির (AAP) সরকারের ক্যাবিনেটে গুরুত্বপূর্ণ পোর্টফোলিও রয়েছে সত্যেন্দ্র জৈনের নামে। একাধারে স্বাস্থ্য ছাড়াও বিদ্যুৎ, গৃহ, পিডব্লিউডি, শিল্প, নগরোন্নয়ন, বন্যা, সেচ ও জল মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন জৈন। ইডি সূত্রের খবর, ৫৭ বছর বয়সী জৈন সোমবার ইডির জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। এরপরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সত্যেন্দ্রর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তাঁকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে।

    ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ঘুষকাণ্ডে ধৃত পাঞ্জাবের বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ইতিমধ্যেই জৈনের গ্রেফতারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আপ বিধায়ক সোমনাথ ভারতী। তাঁর অভিযোগ, এজেন্সির “অপব্যবহার” করছে বিজেপি (BJP)। ভারতী বলেন, “ইডি কোনও দেবতা নয়। আমাদের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ার ফলেই এই কাজ করানো হচ্ছে। আমি নিশ্চিত যে উনি এর থেকে বেরিয়ে আসবেন।” এই নিয়ে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sidodia)। ট্যুইটারে তিনি বলেন, ”হিমাচল প্রদেশে দলের নির্বাচনের দায়িত্ব রয়েছে জৈনের হাতে। এখনও নির্বাচন বাকি। তাই এই ধরনের কাজ করানো হচ্ছে।”

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) সাফ জানিয়ে দেন, তিনি সতৈন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে আনা মামলা ভাল করে খতিয়ে দেখেছেন। পুরো মামলাটই ভুয়ো বলে অভিযোগ কেজরির। এরপর কেজরি বলেন, “আমরা দুর্নীতি সহ্য করব না, দুর্নীতি করবও না। আমাদের সরকার সততার ওপর দাঁড়িয়ে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে আমাদের টার্গেট করা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে।”

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে বদ্ধপরিকর ধামি! রূপরেখা তৈরিতে গঠিত বিশেষ কমিটি

    দিল্লি বিজেপি’র প্রধান আদেশ গুপ্তা (Adesh Gupta) ইডির এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কেজরিওয়াল সরকার মুখে দুর্নীতি দূর করার কথা বললেও আদতে চুপ থাকে। নিজেদের দলের নেতা-মন্ত্রীদের দোষ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে আম আদমি পার্টি।” সত্যেন্দ্র জৈনকে আরও আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল বলে দাবি করেন আদেশ।

LinkedIn
Share