Tag: AAP

AAP

  • Sidhu Moosewala: তিন মাসেই পাঞ্জাবে আপ-সরকারের বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ!

    Sidhu Moosewala: তিন মাসেই পাঞ্জাবে আপ-সরকারের বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত জনপ্রিয়তা কমছে পঞ্জাবের আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) সরকারের। কংগ্রেসকে হারিয়ে তিন মাসেরও কম সময়ে পঞ্জাবের (Punjab) ক্ষমতায় এসেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দল। তার পরেই নানা কারণে দলের বিরুদ্ধে ধূমায়িত হচ্ছে ক্ষোভের আগুন। পঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala) খুনের পর যা বিশাল আকার ধারণ করেছে।

    দিনকয়েক আগে খুন হন সিধু। তদন্তে নেমে পুলিশ উত্তরাখণ্ড থেকে গ্রেফতার করে মনপ্রীত সিং নামে একজনকে। মাদক পাচারকারী মনপ্রীতের বিরুদ্ধে অস্ত্র পাচার, খুনের চেষ্টার অভিযোগ, গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুন :আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মনপ্রীতকে গ্রেফতার করা হলেও জনতার ক্ষোভের আঁচ নেভেনি একটুও। তার কারণ ভগবান মানের (Bhagwan Mann)  সরকার। মাস তিনেক আগে কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করে পঞ্জাবের কুর্সিতে বসে আম আদমি পার্টি। বিপুল জনাদেশ নিয়ে দিল্লির বাইরে প্রথম পঞ্জাবে পা রাখে তারা। সরকার হয় ভগবান মানের নেতৃত্বে।

    কুর্সিতে বসেই ভিআইপিদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেন মান। তাঁর যুক্তি ছিল, এতে লাভ হবে দু’দিক থেকে। এক, ভিআইপিদের নিরাপত্তায় অকারণে টাকা খরচ করতে হবে না। দুই, ওই পুলিশ কর্মীদের লাগানো যাবে প্রশাসনিক কাজে। ভিআইপি নয়, পুলিশ সেবা করবে আম আদমির। সেই মতো সিধু সহ ৪২৪ জন ভিআইপির নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে মান সরকার। সিদ্ধান্তের ২৪-ঘণ্টার মধ্যেই খুন হন সিধু। তার পরেই ক্ষোভের আগুন জ্বলতে থাকে পঞ্জাবজুড়ে। সরকারের ওপর ব্যাপক ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তরুণরা। সাধারণ মানুষেরও বক্তব্য, পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে মান সরকার।

    পঞ্জাবে বিশেষত তরুণ সমাজের কাছে সিধুর জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। তাই আপ বিধায়ক, কর্মী এবং সরকারি কর্মীরা যাতে সিধুর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ না দেন, সে ব্যাপারে তাঁদের সতর্ক করে দিয়েছেন গোয়েন্দারা। কারণ তাঁরা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

    আরও পড়ুন : সংসদের বাদল অধিবেশনেই পেশ হচ্ছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল?

    এদিকে সিধু খুনে এনআইএ (NIA) কিংবা সিবিআই (CBI) তদন্ত দাবি করেছে কংগ্রেস। বুধবার পঞ্জাব কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্যপাল বনোয়ারিলাল পুরোহিতের সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানায়।প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং। মান যে সরকার চালাতে ব্যর্থ, এদিন তা দাবি করেছেন কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও। তাঁরা বলেন, ভগবন্ত মান কেবল অযোগ্যই নন, পঞ্জাবে কি ঘটছে, সে সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণাই নেই। তিনি কাজ করছেন দিল্লির নির্দেশে।

     

     

  • Presidencial election: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে বিজেপির বাজি কে?

    Presidencial election: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে বিজেপির বাজি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাইসিনা হিলসে এবার আদিবাসী কোনও মহিলাকে বসিয়ে চমক দিতে পারে বিজেপি। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার ফের কোনও মহিলা রাষ্ট্রপতি পেতে পারে দেশ।

    ২৫ জুলাই রাষ্ট্রপতি পদে মেয়াদ শেষ হবে রামনাথ কোবিন্দের। তাই শাসক তো বটেই বিরোধী শিবিরেও শুরু হয়ে গিয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তৎপরতা। রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপিকে সূচ্যগ্র মেদিনী ছাড়তে রাজি নয় বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই বিরোধী শিবিরে শুরু হয়ে গিয়েছে সলতে পাকানোর কাজ। সম্প্রতি দিল্লি গিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে উজিয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আইআইটির প্রাক্তনী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীরা সম্মিলতিভাবে যাতে প্রার্থী দেয়, সেই জন্যই ওই তৎপরতা।

    বিরোধীরা যে ঘুঁটি সাজাচ্ছে, তা টের পেয়েছে দেশের শাসক দলও। হাত গুটিয়ে বসে নেই তারাও। একটি সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যাপারে বেশ কয়েকদফা আলোচনা শেষে সম্ভাব্য দুই প্রার্থীর নামের একটি তালিকাও তৈরি করে ফেলেছে গেরুয়া শিবির। এই তালিকার সবার ওপরে রয়েছে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। তিনি ওড়িষার বিজেপি নেত্রী। এক সময় ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে এক ঢিলে একাধিক পাখি মারার চেষ্টা করছেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    দ্রৌপদীকে প্রার্থী করা হলে তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করা বিরোধীদের পক্ষে সম্ভব হবে না। কারণ সেক্ষেত্রে বিরোধীদের আদিবাসী-বিরূপতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দেবে বিজেপি। তাছাড়া, চলতি বছরেই রয়েছে গুজরাত সহ আরও কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। দ্রৌপদীকে রাইসিনা হিলসে পাঠানো গেলে ওই রাজ্যগুলির আদিবাসী ভোট এসে পড়বে গেরুয়া ঝুলিতে। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে যার সুফলও ফলবে বলে দাবি শাসক শিবিরের।

    দ্রৌপদী ছাড়া আরও একজন রয়েছেন রাইসিনা হিলসের দৌড়ে। তিনি গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আনন্দী বেন প্যাটেল। বর্তমানে তিনি যোগীরাজ্যের রাজ্যপাল পদে রয়েছেন। তবে চব্বিশের মহারণের আগে দ্রৌপদীকেই রাইসিনা হিলসে পাঠিয়ে বিরোধীদের মাত দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল।

     

  • Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হনুমান জয়ন্তীর দিন উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনায় কংগ্রেস জমানার তোষণের নীতিকেই মূল কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করল বিজেপি। দলের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে গত ৭০ বছরের তোষণের নীতি। 

    জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘর্ষের ঘটনায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি সহ ১৩টি বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার নিন্দা করে একটি যৌথ বিবৃতি পেশ করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায়, কংগ্রেস সহ বিরোধীদের একহাত নেয় বিজেপি। দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র স্পষ্ট জানান, বিরোধীদের এই ‘পক্ষপাত রাজনীতি’ দেশের ক্ষতি করে চলেছে। তাঁর মতে, এই ঘটনার তদন্ত হচ্ছে এবং তাতে কী বের হচ্ছে, তার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। 

    একইসঙ্গে, যৌথ বিবৃতি পেশ করার জন্য কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন সম্বিত। বলেন, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতানেত্রীর এহেন পক্ষপাতমূলক রাজনীতি দেশের জন্য উপযুক্ত নয়। এতে দেশের আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে। সম্বিতের প্রশ্ন, আজ সোনিয়া গান্ধি মতাদর্শের কথা বলছেন। প্রশ্ন হল, কোন মতাদর্শ আজকের এই ঘটনার জন্য দায়ী? বিজেপি মুখপাত্র বলেন, এর জন্য দায়ী একটাই মতাদর্শ যা, গত ৭০ বছর ধরে চলে আসছে। তা হল, তোষণের মতাদর্শ। তোষণের এই নীতি ও রাজনীতি ভীষণই দুর্ভাগ্যজনক।

    আবার দিল্লি বিজেপির সভাপতি আদেশ গুপ্তর মতে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী এবং রোহিঙ্গারাই জাহাঙ্গীরপুরির হিংসার জন্য দায়ী। এই নেতার অভিযোগ, আম আদমি পার্টি এদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, রেশন দেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সুরক্ষাও প্রদান করছে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি খণ্ডন করেছে আম আদমি পার্টি।

    এদিকে, জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘাত কড়া হাতে দমনের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা আশ্বাস দেন, কোনও রকম প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই নেই। একেবারে নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে। ১৪টি টিম ঘটনার তদন্ত করছে। তিনি জানিয়েছেন, জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যাঁরা অশান্তি পাকিয়েছে তাঁদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। কোনও রকম রেয়াত করা হবে না।

     

  • Byelection results: উপনির্বাচনে যোগীরাজ্যে গেরুয়া ঝড়, ত্রিপুরায় কুপোকাত তৃণমূল

    Byelection results: উপনির্বাচনে যোগীরাজ্যে গেরুয়া ঝড়, ত্রিপুরায় কুপোকাত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুন উপনির্বাচন (Byelection) হয় দেশের ছয় রাজ্যের তিন লোকসভা ও সাতটি বিধানসভা আসনে। এর মধ্যে ত্রিপুরার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রও ছিল। তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে দুটির রাশ এসেছে বিজেপির (BJP) হাতে। আর পাঞ্জাবে আপকে হারিয়ে জয়ী হয়েছে অকালি দল।

    যোগী গড়ে ফের মুখ থুবড়ে পড়ল অখিলেশ সিং যাদবের সমাজবাদী পার্টি। এক সময় উত্তর প্রদেশের রামপুর ও আজমগড় দুটিই সমাজবাদী পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। মুসলিম অধ্যুষিত এই দুই কেন্দ্রে মুসলিম-যাদব তাস খেলে বহু বছর রাশ ধরে রেখেছিল সমাজবাদী পার্টি। উপনির্বাচনে এসে অখিলেশের দলের সেই জয়রথ ভেঙে পড়ল তাসের ঘরের মতো। দুই কেন্দ্রেই জয়ী হল বিজেপি।রামপুরে জয়ী হয়েছে বিজেপির ঘনশ্যাম লোধি। আজমগড়ে জয়ী হয়েছেন বিজেপির দীনেশলাল যাদব।

    আরও পড়ুন : বছর শেষেই ভোট ভূস্বর্গে? কাশ্মীরে নির্বাচন নিয়ে বড় মন্তব্য রাজনাথের

    মাত্র কয়েক মাস আগেই পাঞ্জাবে ক্ষমতায় আসে আপ। এই কয়েক মাসেই ভাটা পড়েছে আপের জনপ্রিয়তায়। পাঞ্জাবের সাংরুর লোকসভা কেন্দ্রে আপের গুরমেল সিংকে হারিয়েছেন অকালির সিমরন সিং মান। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ছিল এটি। এর আগে এই আসনেই জয়ী হয়েছিলেন ভগবন্ত মান।

    এদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় কারিকুরিও  উড়ে গেল কর্পূরের মতো। ত্রিপুরায় পায়ের নীচে মাটি পেতে পুরসভা নির্বাচনের মতো এবারও ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তৃণমূল। শেষমেশ ফিরতে হল খালি হাতেই। ত্রিপুরার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের ফল বের হয় এদিন। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই চারটির মধ্যে তিনটির রাশ ছিল বিজেপির হাতে। বড়দোয়ালি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির মানিক সাহা।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?

    ত্রিপুরাকে পাখির চোখ করেছিল তৃণমূল। চারটি আসনের কোনওটিতেই হালে পানি পায়নি তৃণমূলের পানশি। চার কেন্দ্রেই তৃণমূল ভোট পেয়েছে গড়ে তিন শতাংশ। জব্দ জমানত। প্রত্যাশিতভাবেই অভিষেকের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠল ফের একবার।   

  • Sidhu Moosewala: ক্ষোভের চাপ! ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা ফেরাল পাঞ্জাবের আপ সরকার

    Sidhu Moosewala: ক্ষোভের চাপ! ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা ফেরাল পাঞ্জাবের আপ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাবে (Punjab) গায়ক তথা কংগ্রেস নেতা সিধু মুসেওয়ালা হত্যাকাণ্ডের (Sidhu Moosewala Murder) পর থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে ভগবন্ত সিং মানের আপ সরকার (AAP Government)। প্রশ্ন উঠেছে, উপযুক্ত নিরাপত্তা না থাকার কারণেই কি এমন মর্মান্তিক পরিণতি হল মুসেওয়ালার। যেদিন সিধুর হত্যা হয় তার ঠিক একদিন আগেই পাঞ্জাব সরকার রাজ্যের ৪২৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তা কাটছাঁট করেছিল। কিন্তু এই ঘটনার পর থেকেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। যার জেরেই নিরাপত্তা নিয়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হল ভগবন্ত সিং মানের (Bhagwant Singh Man) সরকার। বাকি ৪২৩ জন বিশিষ্টকে আগের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত ২৯ মে দুই বন্ধু গুরবিন্দর এবং গুরপ্রীতকে নিয়ে বারনালাতে অসুস্থ এক আত্মীয়কে দেখতে যাচ্ছিলেন পাঞ্জাবের কংগ্রেস নেতা তথা জনপ্রিয় গায়ক সিধু মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala)। তখনই রাস্তায় মানসার কাছে তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়। তাঁর দেহে ২০টি বুলেটের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল। এই ঘটনার ঠিক একদিন আগেই মুসেওয়ালার নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নিয়েছিল ভগবন্ত মানের নেতৃত্বাধীন পঞ্জাব সরকার। তার পরই এই ঘটনা ঘটায়, আপ সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিল বিরোধীরা। শুধু মুসেওয়ালাই নন। গত শনিবারই পাঞ্জাব সরকার খরচ কমাতে ৪২৪ জন ‘ভিআইপি’র নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছে। এই ব্যাপারে মান সরকারের বক্তব্য ছিল, তাঁরা ভিআইপি সংস্কৃতির অবসান চান, তাই এই সিদ্ধান্ত। যদিও পাঞ্জাব প্রদেশের ডিজিপি জানিয়েছিলেন, রাজ্যের বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য অতিরিক্ত বাহিনীর প্রয়োজন ছিল তাই নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: তিন মাসেই পাঞ্জাবে আপ-সরকারের বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ!

    অবশেষে জনসাধারণের চাপে, বৃহস্পতিবার আপ সরকারের তরফে একটি মুখবন্ধ খামে করে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী ৭ জুন থেকে যাঁদের নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ওপি সিং হাইকোর্টে এই নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যুতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলার শুনানিতেই রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

     

  • Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হনুমান জয়ন্তীর দিন উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনায় কংগ্রেস জমানার তোষণের নীতিকেই মূল কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করল বিজেপি। দলের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে গত ৭০ বছরের তোষণের নীতি। 

    জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘর্ষের ঘটনায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি সহ ১৩টি বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার নিন্দা করে একটি যৌথ বিবৃতি পেশ করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায়, কংগ্রেস সহ বিরোধীদের একহাত নেয় বিজেপি। দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র স্পষ্ট জানান, বিরোধীদের এই ‘পক্ষপাত রাজনীতি’ দেশের ক্ষতি করে চলেছে। তাঁর মতে, এই ঘটনার তদন্ত হচ্ছে এবং তাতে কী বের হচ্ছে, তার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। 

    একইসঙ্গে, যৌথ বিবৃতি পেশ করার জন্য কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন সম্বিত। বলেন, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতানেত্রীর এহেন পক্ষপাতমূলক রাজনীতি দেশের জন্য উপযুক্ত নয়। এতে দেশের আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে। সম্বিতের প্রশ্ন, আজ সোনিয়া গান্ধি মতাদর্শের কথা বলছেন। প্রশ্ন হল, কোন মতাদর্শ আজকের এই ঘটনার জন্য দায়ী? বিজেপি মুখপাত্র বলেন, এর জন্য দায়ী একটাই মতাদর্শ যা, গত ৭০ বছর ধরে চলে আসছে। তা হল, তোষণের মতাদর্শ। তোষণের এই নীতি ও রাজনীতি ভীষণই দুর্ভাগ্যজনক।

    আবার দিল্লি বিজেপির সভাপতি আদেশ গুপ্তর মতে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী এবং রোহিঙ্গারাই জাহাঙ্গিরপুরীর হিংসার জন্য দায়ী। এই নেতার অভিযোগ, আম আদমি পার্টি এদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, রেশন দেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সুরক্ষাও প্রদান করছে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি খণ্ডন করেছে আম আদমি পার্টি।

    এদিকে, জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘাত কড়া হাতে দমনের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা আশ্বাস দেন, কোনও রকম প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই নেই। একেবারে নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে। ১৪টি টিম ঘটনার তদন্ত করছে। তিনি জানিয়েছেন, জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যাঁরা অশান্তি পাকিয়েছে তাঁদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। কোনও রকম রেয়াত করা হবে না।

  • Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হনুমান জয়ন্তীর দিন উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনায় কংগ্রেস জমানার তোষণের নীতিকেই মূল কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করল বিজেপি। দলের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে গত ৭০ বছরের তোষণের নীতি। 

    জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘর্ষের ঘটনায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি সহ ১৩টি বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার নিন্দা করে একটি যৌথ বিবৃতি পেশ করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায়, কংগ্রেস সহ বিরোধীদের একহাত নেয় বিজেপি। দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র স্পষ্ট জানান, বিরোধীদের এই ‘পক্ষপাত রাজনীতি’ দেশের ক্ষতি করে চলেছে। তাঁর মতে, এই ঘটনার তদন্ত হচ্ছে এবং তাতে কী বের হচ্ছে, তার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। 

    একইসঙ্গে, যৌথ বিবৃতি পেশ করার জন্য কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন সম্বিত। বলেন, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতানেত্রীর এহেন পক্ষপাতমূলক রাজনীতি দেশের জন্য উপযুক্ত নয়। এতে দেশের আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে। সম্বিতের প্রশ্ন, আজ সোনিয়া গান্ধি মতাদর্শের কথা বলছেন। প্রশ্ন হল, কোন মতাদর্শ আজকের এই ঘটনার জন্য দায়ী? বিজেপি মুখপাত্র বলেন, এর জন্য দায়ী একটাই মতাদর্শ যা, গত ৭০ বছর ধরে চলে আসছে। তা হল, তোষণের মতাদর্শ। তোষণের এই নীতি ও রাজনীতি ভীষণই দুর্ভাগ্যজনক।

    আবার দিল্লি বিজেপির সভাপতি আদেশ গুপ্তর মতে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী এবং রোহিঙ্গারাই জাহাঙ্গিরপুরীর হিংসার জন্য দায়ী। এই নেতার অভিযোগ, আম আদমি পার্টি এদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, রেশন দেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সুরক্ষাও প্রদান করছে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি খণ্ডন করেছে আম আদমি পার্টি।

    এদিকে, জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘাত কড়া হাতে দমনের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা আশ্বাস দেন, কোনও রকম প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই নেই। একেবারে নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে। ১৪টি টিম ঘটনার তদন্ত করছে। তিনি জানিয়েছেন, জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যাঁরা অশান্তি পাকিয়েছে তাঁদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। কোনও রকম রেয়াত করা হবে না।

LinkedIn
Share