Tag: Abhijit Dipke

  • Abhijit Dipke: সিজেপিতে অন্তর্কলহ! অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্ব নিয়ে ‘ককরোচ’দের মধ্যে বাড়ছে বিক্ষোভ!

    Abhijit Dipke: সিজেপিতে অন্তর্কলহ! অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্ব নিয়ে ‘ককরোচ’দের মধ্যে বাড়ছে বিক্ষোভ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হল ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের (Abhijit Dipke) নেতৃত্ব ও দলের কার্যপদ্ধতির বিরুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসা দুই যুবক। সোমবার, ১০ অগাস্ট শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে তাঁদের চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানালে পুলিশ অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। অসুস্থ হয়ে পড়া দুই আন্দোলনকারী হলেন মণীশ ব্রহ্মভট্ট ও রাহুল পাণ্ড্য। দু’জনেই আহমেদাবাদের বাসিন্দা এবং ককরোচ জনতা পার্টির সদস্য। গত ৬ অগাস্ট থেকে তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের দফতর চত্বরে অনশন শুরু করেছিলেন। দলের নেতৃত্ব এবং মূল কমিটি গঠনের পদ্ধতি নিয়েও তাঁরা আপত্তি জানিয়েছিলেন।

    দলের মূল কমিটি গঠন নিয়ে ক্ষোভ (Abhijit Dipke)

    মণীশ ও রাহুলের অভিযোগ, অভিজিৎ নিজের ইচ্ছামতো দলের মূল কমিটি গঠন করেছেন। তাঁদের দাবি, এই সংগঠন কোনও এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেনি, বরং এটি একটি বৃহত্তর জাতীয় আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই বিভিন্ন রাজ্য থেকে আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব থাকা প্রয়োজন। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, দীপকের গঠিত মূল কমিটিতে প্রতিটি রাজ্য থেকে পাঁচজন করে সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তাঁদের বক্তব্য, দলের নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও, তাঁদের দাবির বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এরপরই ৬ অগাস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। প্রথমে অভিজিতের বাসভবনের কাছে বসেই তাঁরা অনশন শুরু করেছিলেন। পুলিশ তাঁদের জানায়, তাঁর বাসভবনের কাছে অনশন চালিয়ে যাওয়া যাবে না। পরে পুলিশ আধিকারিকদের পরামর্শে তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের দফতর চত্বরে গিয়ে অনশন শুরু করেন।

    চতুর্থ দিনেই শারীরিক অবস্থার অবনতি

    সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ চিকিৎসাকর্মীরা দুই আন্দোলনকারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা শেষে তাঁরা পুলিশকে জানান, দু’জনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে এবং তাঁদের চিকিৎসার প্রয়োজন। এরপর পুলিশ অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যায় (CJP)। দুই মূল অনশনকারী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় অনশন আদৌ বন্ধ হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যদিও আন্দোলন থামেনি বলেই খবর। অনশন চালিয়ে যেতে শৃঙ্খল অনশনের পথ নেওয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের তরফে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুই যুবকের পরিবর্তে আরও তিন যুবক শৃঙ্খল অনশনে যোগ দিয়েছেন বলে খবর। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের আয়ান খান, জলনার ফারুক খান এবং আহমেদাবাদের সুনীল দেশাই। ফলে মূল দুই অনশনকারী হাসপাতালে ভর্তি হলেও অভিজিতের নেতৃত্ব এবং ককরোচ জনতা পার্টির মূল কমিটি গঠন নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

    এবার দীপকের বিরুদ্ধে পুলিশকর্মীদের সংগঠনের বিক্ষোভ

    এমন আবহেই অভিজিতের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে সরব হয়েছে পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের জেলাশাসকের দফতরের বাইরে সংগঠনের সদস্যরা মৌন বিক্ষোভ দেখান (Abhijit Dipke)।সংগঠনের দাবি, অভিজিৎকে দেওয়া পুলিশি নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। গত ৭ আগস্ট নিজের বাসভবনের বাইরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের আচরণ নিয়ে অভিজিৎ অভিযোগ তোলেন। তার পরেই সূত্রপাত হয় এই বিরোধের।

    কী নিয়ে পুলিশের সঙ্গে অভিজিতের বিরোধ?

    অভিজিতের অভিযোগ ছিল, তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসা লোকজনের সঙ্গে তাঁর বাসভবনের বাইরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা দুর্ব্যবহার করেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিজিৎ বলেছিলেন, কার সঙ্গে তিনি দেখা করবেন তা ঠিক করার জন্য পুলিশের প্রয়োজন নেই। তিনি এক পুলিশ আধিকারিককে সেখান থেকে চলে যেতে বলেছিলেন বলেও অভিযোগ। অজিজিতের এহেন মন্তব্যের পরেই পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশন প্রতিবাদে নামে। সংগঠনের অভিযোগ, তিনি পুলিশ- প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর আচরণকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে সংগঠনটি পুলিশকর্মী ও তাঁদের পরিবারের অধিকার লঙ্ঘনেরও অভিযোগ তুলেছে (CJP)।

    পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি

    পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, অভিজিতকে দেওয়া পুলিশি নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। সংগঠনের বক্তব্য, নাগরিকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কোনও পুলিশকর্মীকে প্রকাশ্যে অপমান করা শুধু একজন আধিকারিককে অপমান করা নয়, এটি গোটা পুলিশবাহিনী এবং আইনের শাসনের প্রতি অসম্মান (Abhijit Dipke)। জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর আপাতত বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে নেয় সংগঠনটি। তবে অভিজিতের “দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে”র বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    গোটা পুলিশবাহিনীর প্রতি অপমান”

    পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, প্রশাসনের কাছে আগে দেওয়া স্মারকলিপির ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় মৌন বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের বহু পদাধিকারী ও কর্মী এতে অংশ নেন। তাঁদের বক্তব্য, এই বিক্ষোভ পুলিশকর্মী এবং তাঁদের পরিবারের মর্যাদা ও আত্মসম্মান রক্ষার দাবিতে করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, অভিজিতের পুলিশি নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত। কোনও অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপও করতে হবে (CJP)। এই আন্দোলনের ফলে ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে অভিজিতকে ঘিরে এখন দু’টি পৃথক বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে। একদিকে দলের কার্যপদ্ধতি ও মূল কমিটি গঠন নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যদের আন্দোলন, অন্যদিকে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তাঁর আচরণ নিয়ে পুলিশ বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিবাদ—দুই ক্ষেত্রেই চাপের মুখে পড়েছেন ‘আরশোলা পার্টি’ সুপ্রিমো স্বয়ং (Abhijit Dipke)।

     

  • Sonam Wangchuk: ২০ দিনের অনশন ভাঙল হাসপাতালে, ভোররাতে সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে সরাল দিল্লি পুলিশ

    Sonam Wangchuk: ২০ দিনের অনশন ভাঙল হাসপাতালে, ভোররাতে সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে সরাল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনির্দিষ্টকালের অনশনে ইতি। টানা ২০ দিনের অনশনের পর জলবায়ু আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে শনিবার ভোররাতে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে গেল দিল্লি পুলিশ। দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ, এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা উল্লেখ করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার ভোরের দিকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবেই এই অভিযান চালানো হয়। এর ফলে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন কেন্দ্র যন্তর মন্তরে ওয়াংচুকের দীর্ঘ অনশন কর্মসূচির ইতি ঘটল। দিল্লি পুলিশের দাবি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতামতের ভিত্তিতেই শুধুমাত্র চিকিৎসাজনিত কারণেই তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)

    দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ওয়াংচুক বর্তমানে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দীর্ঘদিন অনশন ও শরীরে জলশূন্যতার কারণে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তবে আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, “সোনম ওয়াংচুককে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন অনশন ও শরীরে জলশূন্যতার কারণে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হলেও শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে তাঁকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার মধ্যে রাখতে হবে।” পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। নয়াদিল্লির উপ-পুলিশ কমিশনার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, “মাননীয় দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।”

    শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল

    পুলিশ আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে যন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থল খালি করার আবেদনও জানিয়েছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ অনশন সত্ত্বেও ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। চিকিৎসকদের রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর জীবনরক্ষাকারী শারীরিক সূচকগুলি স্বাভাবিক ছিল। রক্তচাপ এবং শরীরে জলের মাত্রাও গ্রহণযোগ্য অবস্থায় ছিল। তবে রক্তে শর্করার মাত্রা সামান্য কম পাওয়া যায়। তিনি হালকা ডায়রিয়ার অভিযোগও জানান। দীর্ঘদিন অনশন ও জলশূন্যতার কারণে দুর্বল হয়ে পড়ায় তাঁকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা বা হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য ওয়াংচুক সম্মতি দিতে চাননি। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশের শীর্ষ সূত্রের দাবি, নয়াদিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার দায়িত্ব নেওয়ার পর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই অভিযানের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়। ইচ্ছাকৃতভাবেই ভোরের সময়টি বেছে নেওয়া হয়, কারণ সেই সময় যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

    ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়

    পুলিশের আরও দাবি, ওয়াংচুকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অভিজিৎ দিপকে সাময়িকভাবে মঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার সময়টিকেও কৌশলগত সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সেই সময় মঞ্চে আন্দোলনের মূল সমন্বয়কারী উপস্থিত ছিলেন না। এদিন ৩০ থেকে ৩৫ জন সাদা পোশাকের পুলিশকর্মী নয়াদিল্লি জেলার বিশেষ শাখা এবং স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যারিকেড ঘেরা আন্দোলনস্থলে প্রবেশ করেন। সূত্রের দাবি, পুরো অভিযানটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে পরিচালিত হয়। হাতে গোনা কয়েকজন ঊর্ধ্বতন আধিকারিকই সম্পূর্ণ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন। ফিল্ড লেভেলের পুলিশকর্মীদের শুধু ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে অভিযান চালানো হয়। প্রথমে সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীরা মঞ্চ ঘিরে ফেলেন এবং পরে ওয়াংচুকের শয্যার চারপাশে অবস্থান নেন। এরপর বড় সাদা চাদর দিয়ে চারদিক ঢেকে তাঁকে সেখান থেকে বের করে আনা হয়, যাতে ভিড় জমায়েত বা সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি না হয়। দ্বিতীয় স্তরে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী এবং ক্যুইক রেসপন্স টিমের সদস্যরা ব্যারিকেডের বাইরে আন্দোলনকারীদের আটকে, এবং পরিস্থিতির অবনতি রুখে দেন।

    দিল্লি পুলিশের বক্তব্য

    তৃতীয় স্তরে দিল্লি পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা অ্যাম্বুল্যান্স এবং পুলিশের গাড়ির কাছে তৈরি নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র থেকে গোটা অভিযান তদারকি করেন। ওয়াংচুককে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলার পর সফদরজং হাসপাতালে দ্রুত পৌঁছে দিতে যান চলাচলের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। অভিযান শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর অভিজিৎ দিপকে আন্দোলনস্থলে ফিরে এসে অভিযোগ করেন, তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে ওয়াংচুককে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন, ওয়াংচুক হাসপাতালে ভর্তি হলেও, আন্দোলন থামবে না। তিনি নিজেই অনশন শুরু করে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এদিকে, দিল্লি পুলিশের দাবি, আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার সময় কিছু আন্দোলনকারী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পুলিশ সর্বোচ্চ সংযম দেখিয়ে নিরাপদভাবেই পুরো অভিযান সম্পন্ন করেছে। উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, “মাননীয় দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করার সময় কিছু আন্দোলনকারী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এতে সামান্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও, পুলিশ সর্বোচ্চ সংযম বজায় রেখে নিরাপদভাবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।”

     

  • Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) সংক্রান্ত বিতর্ককে কেন্দ্র করে ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল (Osman Faizan Ali)। এই বিক্ষোভকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলির ভূমিকা নিয়ে।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Osman Faizan Ali)

    প্রতিবাদ কর্মসূচিটি হয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) উদ্যোগে। আন্দোলনটিকে ছাত্র-যুবদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরা হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিভিন্ন পোস্টার ও প্রচারসামগ্রীতে ওসমান ফয়জান আলির ছবি দেখা গিয়েছে। বেশ কয়েকটি প্ল্যাকার্ডে তাঁর পরিচয় হিসেবে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ান ওসমান ফয়জান আলি – ফ্রম ইউএসএ’। বিক্ষোভকারীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, তাঁদের অনেকেই পোস্টারে থাকা ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কয়েকজন আবার জানান, সংগঠকদের কাছ থেকে তাঁরা পোস্টার পেয়েছেন এবং ছবিতে থাকা ব্যক্তির সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই।

    কে এই ওসমান ফয়জান আলি?

    জানা গিয়েছে, ওসমান মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘@bbm_india_’-এ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ও নিট ইস্যু নিয়ে একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব কনটেন্টে আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি প্রশাসনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ইঙ্গিতও উঠে এসেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। ১ জুন ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দিল্লি পুলিশের উদ্দেশে মন্তব্য করতে গিয়ে ওসমান বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবেগ ও উত্তেজনা উসকে দিতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ভিডিওতে সরাসরি কোনও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ডাক দেওয়া হয়নি (Osman Faizan Ali)। সম্প্রতি প্রকাশিত আরও একটি ভিডিওতে তিনি দিল্লি পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানান। তবে সেই ভিডিওতেও আন্দোলন আটকে দিলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘Button Ballot Movement by Osman Faizan Ali’-এর পুরনো কিছু কনটেন্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি হায়দরাবাদ ও সেকেন্দ্রাবাদের ভোটারদের এআইএমআইএম (AIMIM) এবং কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থন করার ডাক দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যে বিজেপিকে পরাজিত করার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ককরোচ জনতা পার্টি-সমর্থন এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বিজেপি-বিরোধী অবস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে অবশ্য ওসমানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি (CJP)।

    বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমার যুগে দ্রুত বদলাচ্ছে রাজনৈতিক আন্দোলনের চরিত্র। এখন দেশের বাইরে অবস্থান করেও কোনও ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে আন্দোলনের বয়ান গঠন, জনমত প্রভাবিত করা এবং প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রচার করার সুযোগ পাচ্ছেন (Osman Faizan Ali)। যন্তর মন্তরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কতটা, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা প্রচারসামগ্রীর উৎস সম্পর্কে কতটা সচেতন, এবং সর্বোপরি, বিদেশে থেকে অনলাইন সক্রিয়তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনায় অনলাইন প্রচার, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং জনআন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে (CJP) আরও বিস্তৃত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Osman Faizan Ali)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

LinkedIn
Share