Tag: abhijit gangopadhyay

abhijit gangopadhyay

  • Abhijit Gangopadhyay: “মমতা না পারলে আমি দেখে নেব”, অবৈধ নির্মাণ ভাঙা নিয়ে তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Gangopadhyay: “মমতা না পারলে আমি দেখে নেব”, অবৈধ নির্মাণ ভাঙা নিয়ে তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকের রাধামণি মিনি মার্কেটের স্টল বিলি নিয়ে অস্বচ্ছতা হয়েছে বলে এলাকার মানুষ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় স্টল পরিদর্শনে যান বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন, “আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গিয়ে বলব, সরকারি জায়গার উপর ঘর-বাড়ি ভাঙার কথা। আর মমতা না পারলে আমি দেখে নেব।”

    কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)?

    রাধামণি মিনি মার্কেট পরিদর্শন করে প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন, “বেশ কিছু দুর্নীতি হয়েছে। যাঁরা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁরা সবাধান হয়ে যান। না হলে সব স্টল ভাঙা পড়বে। মুখ্যমন্ত্রী তো ঘোষণা করেছিলেন যে সরকারি জায়গায় কোনও অবৈধ নির্মাণ হলে তা ভাঙা হবে। আমি নিজে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) বলব, আপনি যা ঘোষণা করেছেন তা করুন। যদি না করেন তার পরের ব্যবস্থা আমি দেখবো।” এদিন এলাকার বঞ্চিত মানুষদের পাশে থেকে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন এই বিজেপির সাংসদ।

    আরও পড়ুনঃ ‘গদ্দারদের জন্য হেরেছি, এটা দলের পরাজয়, আমার নয়”, বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    এক একজন ছয় থেকে দশটি স্টলের মালিক!

    একই ভাবে এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এক একটি স্টল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এক একজন ছয় থেকে দশটি স্টলের মালিক বলেই অভিযোগ। অথচ যাঁরা ওই জায়গায় স্টল হওয়ার আগে ব্যবসা করতেন, তাঁদের আশ্বাস দিলেও কাউকেই স্টল দেওয়া হয়নি। মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চনা করে টাকার বিনিময়ে সব বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের একাংশ এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।”

    উল্লেখ্য অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay), রাজ্যে তৃণমূল শাসকের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, পুর দুর্নীতি সহ একাধিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন। তাঁর রায়ে রাজ্যের দুর্নীতির নানান বিস্ফোরক তথ্য সাধারণ মানুষের সমানে উঠে এসেছে। এই মুহূর্তে একাধিক দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক জেলে রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ফোন পেয়ে দিল্লি পৌঁছেছেন শান্তনু-অভিজিৎ, মোদির মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জোর জল্পনা

    BJP: ফোন পেয়ে দিল্লি পৌঁছেছেন শান্তনু-অভিজিৎ, মোদির মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জোর জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রবীণ বিজেপি (BJP) নেতা নরেন্দ্র মোদি। আজ সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে শপথ নেবেন। শপথ বাক্য পাঠ করাবেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ঠিক তার আগেই ফোন পেয়ে দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং তমলুকের বিজেপি সাংসদ প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মোদির মন্ত্রীসভায় দুই জনেই মন্ত্রী হতে চলেছেন বলে জোর জল্পনা।

    শান্তনু কী পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন (BJP)?

    রবিবার সকলে দিল্লিতে মোদির বাসভবনে চা-চক্রের বিশেষ আমন্ত্রণ পেয়েছেন শান্তনু ঠাকর। সেখানে আরও বেশ কিছু সাংসদ আমন্ত্রণ পেয়েছেন। অবশ্য শনিবার রাতেই তাঁকে ফোন করা হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল যাঁদেরে এই চা—চক্রে ডাকা হয়েছে তাঁদের সকলকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে হবে। সূত্রের খবর, কেউ কেউ মোদির সঙ্গে শপথও নেবেন। আর তাই বৈঠকে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শান্তনু ঠাকুর পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন বলে এমনটা অনুমান করা হচ্ছে। তবে তিনি পূর্ণমন্ত্রী হলে বাংলা থেকে মোদির মন্ত্রীসভায় তিনিই হবেন প্রথম পূর্ণমন্ত্রী। মতুয়া সমাজের মধ্যে বিজেপি (BJP) নেতা শান্তনুর যথেষ্ট জনপ্রিয়তা আছে। আগেও তিনি কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। রাজ্যে সিএএ কার্যকর নিয়ে তাঁর ভূমিকা অতিসক্রিয় ছিল।

    আরও পড়ুনঃ লোকসভার ফলাফলে তৃণমূলের ৮ মন্ত্রী নিজেদের বিধানসভাতেই ধরাশায়ী, এগিয়ে বিজেপি

    মন্ত্রী হতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থেকে বিজেপি (BJP) সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনিও আজ প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। উল্লেখ্য আগের বার বাংলা থেকে চারজন প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। এই চার মন্ত্রীর মধ্যে নিশীথ প্রামাণিক, সুভাষ সরকার ভোটে হেরেছেন। জন বার্লাকে টিকিট দেয়নি দল, কেবল জয়ী হয়েছেন শান্তনু। অপর দিকে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি মামলায় বড় রায় দিয়ে শাসক দলকে বিরাট চাপে ফেলে দিয়েছেন তিনি। তাই মোদির মন্ত্রীসভায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও জায়গা করে নিতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। অপর দিকে বাংলা থেকে বিষ্ণুপুর সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, আলিপুর দুয়ারের মনোজ টিগ্গার নামও উঠে আসছে বলে জানা গিয়েছে। শপথ গ্রহণের সময় সবটা স্পষ্ট হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    Abhijit Gangopadhyay: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (NDA 3.0)। তবে বদল হয়েছে শপথ নেওয়ার দিন। আগে শনিবারে এই অনুষ্ঠানের দিন ধার্য করা হলেও পরে সেই দিনের বদল ঘটেছে। জানা গিয়েছে, রবিবার ৯ জুন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মোদি। কিন্তু শপথ গ্রহণের আগে শুক্রবার দিল্লিতে নব নির্বাচিত সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসছে বিজেপির (NDA 3.0) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, শুক্রবার বৈঠক হবে। সাংসদদের নিয়ে ডাকা বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন বাংলা থেকে নির্বাচিত সাংসদরা। শুক্রবারের সভায় উপস্থিত থাকবেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, এবারও সাংসদের মধ্যে কয়েকজনকে নিয়ে আলাদা বৈঠক করতে পারেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    বাংলা থেকে কারা পেতে পারেন মন্ত্রিত্ব?   

    তবে এবার বাংলা থেকে মন্ত্রিসভায় কারা থাকবে তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। এর মধ্যে তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) নাম নিয়ে চর্চা চলছে। সূত্রের খবর, বাংলা থেকে এবার মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন ২ জন। জানা যাচ্ছে এই নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন অমিত শাহ। সেখানেই বাংলা থেকে ২ জনকে মন্ত্রী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ থেকে মনোজ টিগ্গা ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Abhijit Gangopadhyay) মন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বঙ্গ বিজেপির অন্দরে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রের আইন প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন অভিজিৎবাবু। অন্যদিকে আবার এও শোনা যাচ্ছে, দ্বিতীয়বারের জন্য মন্ত্রী সভায় স্থান পেতে চলেছেন শান্তনু ঠাকুর।  

    এছাড়াও মালদা উত্তর কেন্দ্রের দুবারের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর নাম নিয়ে চলছে আলোচনা। আলোচনায় রয়েছেন জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়ও। আরও একটি নাম নিয়ে চর্চা চলছে। শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে আবার রাজ্য বিজেপির (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদারেরও মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। তবে সবই রয়েছে জল্পনার মধ্যে। কারণ, দিন শেষে সব সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ফলে সিদ্ধান্তে যে কোনও রদবদল যে কোনও সময় আসতেই পারে তা বলাই বাহুল্য। 

    আরও পড়ুন: সাংসদ কঙ্গনাকে চড় মারায় নিন্দার ঝড়, অভিযুক্ত জওয়ানকে সাসপেন্ড

    তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে মোদি (NDA 3.0) 

    প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের ফল বেরতেই এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বিজেপির ঝুলিতে ছিল ২৪০ আসন যা ম্যাজিক ফিগারের অনেক নীচে। তবে এনডিএ-এর ঝুলিতে রয়েছে ২৯২ আসন। ফলে সরকার গড়তে বিজেপি এখন শরিক নির্ভর। তাই লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর বুধবারই বৈঠকে বসে এনডিএ শিবির। এনডিএ বৈঠকে (NDA 3.0) নরেন্দ্র মোদি সর্বসম্মতিক্রমে নেতা নির্বাচিত হন। তাই শরিকদের সমর্থন পেতেই তৃতীয়বারের জন্য মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে আর কোনও বাধা রইল না। 

    তবে চন্দ্রবাবু নায়ডুর টিডিপি এবং নীতীশ কুমারের জেডিইউ উভয়েই লোকসভার স্পিকার পদের দাবিদার। পাশাপাশি, মন্ত্রিসভায় নিজের দলের কমপক্ষে ৪ জনকে দেখতে চেয়েছেন চন্দ্রবাবু নায়ডু। ওদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিয়ে জেডিইউ-র মোট ৫ জনকে রাখার দাবি জানিয়েছেন নীতীশ কুমারও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: শুভেন্দু-গড় তমলুক-কাঁথিতে ফুটল পদ্ম, জিতলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সৌমেন্দু অধিকারী

    Election Result 2024: শুভেন্দু-গড় তমলুক-কাঁথিতে ফুটল পদ্ম, জিতলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সৌমেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে তমলুক কেন্দ্রে ৬২ হাজার ভোটে জয়ী (Election Result 2024) হয়েছেন বিজেপির চমকপ্রদ প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সকাল থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে একবারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। ওপর দিকে কাঁথি কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী জয়ী সৌমেন্দু অধিকারী। তিনি প্রায় ২৪ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    অভিজিৎকে জয়ী করেছেন তমলুকবাসী (Election Result 2024)

    এমনিতেই পূর্ব মেদিনীপুর ‘অধিকারী গড়’ বলে পরিচিত ছিল। এই কেন্দ্রে হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Election Result 2024) প্রার্থী করে বিরাট নজর কেড়ে নিয়েছিল বিজেপি। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ রায়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতির বিরাট পর্দা ফাঁস হয়েছিল। তাঁর দেওয়া নির্দেশে তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্থ একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা জেলে ঢুকেছেন। দুর্নীতি বিষয়ে সরব হয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। দুর্নীতির বিষয়ে সংগ্রাম আরও কঠোর করতে নিজের বিচারপতির পদ থেকে পদত্যাগ করে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যোগদান করেন। তমলুকবাসীর ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। ওপর দিকে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। 

    আরও পড়ুনঃবনগাঁয় জয় নিশ্চিত হতেই শান্তনুকে ঘিরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    কাঁথিতে জয়ী সৌমেন্দু

    কাঁথি লোকসভায় ২০১৯ সালের জয়ী প্রার্থী ছিলেন শিশির অধিকারী। কিন্তু শুভেন্দু ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। তারপর থেকে সমীকরণ বদলে যায়। শিশির অধিকারী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ইস্যুতে তোপ দেগেছেন। এই বার লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী করা হয় শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে। ভোটের আগে এই কেন্দ্রের একাধিক জায়গায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল বিজেপি কর্মীদের। কিন্তু শত চেষ্টা করেও জয় আটকানো গেল না। একই ভাবে আজ সাংবাদিক সম্মেলন করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নন্দীগ্রামে আরও একবার তৃণমূলকে কয়েক হাজার ভোটে হারিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: জয়ের পথে অভিজিৎ, গণনাকেন্দ্রে সন্দেহজনক গাড়ি নজরে আসতেই শোরগোল

    Election Result 2024: জয়ের পথে অভিজিৎ, গণনাকেন্দ্রে সন্দেহজনক গাড়ি নজরে আসতেই শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে ইভিএম কারচুপির কথা আগেই ঘোষণা করেছিল বিজেপি। বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ফলাফলের যা গতি-প্রকৃতি ছিল তাতে বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জয়ের পথে। কিন্তু ইতিমধ্যে গণনাকেন্দ্রের (Election Result 2024) বাইরে দুটি সন্দেহজনক গাড়ি নজরে আসতেই কোলাঘাটের কেটিপিপি হাইস্কুলের গণনাকেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপির অভিযোগ গণনাকে প্রভাবিত করতে চাইছে তৃণমূল।

    বিজেপির অভিযোগ (Election Result 2024)

    তমলুক লোকসভার গণনাকেন্দ্রে (Election Result 2024) বিকেল সাড়ে তিনটের পর ব্যাপক চাঞ্চাল্য ছড়িয়েছে। গণনা কেন্দ্রের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্টিকার মারা একটি গাড়ি এবং অন্য আরেকটি পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ি দেখে বিজেপি কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন। এরপর ঘটনাস্থলে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মীরা। বিজেপির দাবি, এই গাড়িতে করে ব্যাপক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ইভিএম লুট করতে এসেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। দুই গাড়ির মধ্যে থাকা লোকজনকে জিজ্ঞাসা করলে কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি তারা। এরপর গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ চলে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ময়নার বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা। তিনি বলেন, “তৃণমূল চক্রান্ত করে কারসাজি করতে চেয়েছিল। গণনাকে চুরি করতেই তৃণমূল এই কাজ করেছে।”

    আরও পড়ুনঃ কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে একাধিক ব্যালট ইউনিটে সই নেই এজেন্টদের, বদল হয়েছে ইভিএম! বিস্ফোরক বিজেপি

    আকর্ষণীয় কেন্দ্র তমলুক

    লোকসভা কেন্দ্রের (Election Result 2024) মধ্যে আকর্ষণীয় কেন্দ্র হল তমলুক কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি হিসাবে তিনি তৃণমূল সরকারের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের বিশেষ নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর রায়ে একাধিক তৃণমূলের মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতাকে জেলে যেতে হয়েছে। বিচারপতির পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। তাঁর রাজনীতিতে যোগদান এবং বিজেপির প্রার্থী হওয়া এই লোকসভার ভোটে ব্যাপক চমক ছিল। গণনায় তিনি এবার জয়ের পথে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে স্বস্তি, ভোট পর্যন্ত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্তে স্থগিতাদেশ

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে স্বস্তি, ভোট পর্যন্ত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্তে স্থগিতাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হয়েছিল প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) বিরুদ্ধে। এফআইআর খারিজের আবেদন নিয়ে  কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সেই মামলার (Calcutta High Court) শুনানিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ভোটের মধ্যে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে না রাজ্য সরকার। 

    কী বলল হাইকোর্ট

    এদিন মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী ২১ জুন এফআইআর-এর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে কিনা তার বিচার হবে। তার আগে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। ভোট না মেটা পর্যন্ত অভিজিৎকে বিরক্ত করা যাবে না। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তও করতে পারবে না পুলিশ। তবে ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া তারা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। অভিজিতের সঙ্গে এফআইআর খারিজের আবেদন করেছিলেন বিজেপি নেতা প্রশান্ত দাসও। বৃহস্পতিবার তাঁকেও রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। উল্লেখ্য, তমলুকে ষষ্ঠ দফায় আগামী ২৫ মে ভোটগ্রহণ রয়েছে।

    তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ 

    গত ৪ মে মনোনয়ন জমা দিতে যান তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ। সে দিন তমলুকের হাসপাতাল মোড়ে কিছু গোলমাল হয়েছিল। সেই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। যা খারিজের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) যান প্রাক্তন বিচারপতি। বিচারপতি জানিয়েছেন, যে হেতু মামলাকারী নির্বাচনের প্রার্থী, তাই তাঁর বিরুদ্ধে ১৪ জুন পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্তও করা যাবে না। তদন্ত প্রক্রিয়াতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: কোনও বাপের বেটা সিএএ রুখতে পারবে না! হুঁশিয়ারি মোদির

    কেন স্থগিতাদেশ ব্যাখ্যা 

    অভিজিতের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের বিরোধিতা করেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। এ প্রসঙ্গে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জামিনের উল্লেখ করে বিচারপতি ঘোষের বক্তব্য, ”আপনি জানেন কয়েকদিন আগেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জামিন হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের মধ্যে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে কোনও হয়রানি করবেন না।” মামলার পরবর্তী শুনানির দিন, অর্থাৎ ১২ জুন পুলিশকে আদালতে কেস ডায়েরি জমা করতে হবে। এছাড়া, ১৪ জুনের মধ্যে দু’পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে বলেছে আদালত। প্রাক্তন বিচারপতির হয়ে আদালতে এই মামলার সওয়াল করেন আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

    Calcutta High Court: ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তমলুক কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। 
    এর আগে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। সেই ইস্যুতে পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিচারপতি। আপাতত মামলা চলে গেছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। পরবর্তী বিচারপতি নির্ধারণ করবে সেই বেঞ্চ। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিচারপতি, এমনটাই জানা গেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Calcutta High Court) 

    উল্লেখ্য গত ৪ মে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) মনোনয়ন জমা দেন। তমলুকের রাজবাড়ি ময়দান থেকে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা বের হয়। নেতৃত্বে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে ওইদিন হাসপাতাল মোড়ে মিছিল পৌঁছতেই ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। কারণ সেখানেই চাকরিহারাদের নিয়ে তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের অবস্থান বিক্ষোভ করছিল। অভিযোগ, অনশনরত শিক্ষক–শিক্ষিকাদের উপর হামলা করা হয়। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) ও শুভেন্দু অধিকারীর মদতেই বিজেপির দুষ্কৃতীরা হামলা করে বলে অভিযোগ।
    অন্যদিকে আবার গত ৫ মে তমলুকে অভিজিতের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, হামলা ও ভাঙচুর-সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। অস্ত্র আইনেও মামলা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনাচক্রে, প্রাক্তন বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন এসএসসি মামলার রায়ে চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। সেই ইস্যুতে পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আসছে বর্ষা! সুখবর জানাল আবহাওয়া দফতর

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিজিৎ 

    নির্বাচনী প্রচারে সমস্যা হচ্ছে। এই যুক্তি দিয়ে হাই কোর্টে (Calcutta High Court) তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজ করার আর্জি জানান অভিজিৎ। মঙ্গলবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুনানির আগেই এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: যে আদালতে ছিলেন ধর্মাবতার, এখন সেখানেই বিচারপ্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Gangopadhyay: যে আদালতে ছিলেন ধর্মাবতার, এখন সেখানেই বিচারপ্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগেও তিনি ছিলেন বিচারক। এখন তিনিই বিচারপ্রার্থী। ভোটের আবহে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশের তরফে দেওয়া হয়েছে কঠিন কঠিন ধারা। দ্রুত এফআইআর খারিজের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। এতদিন যেখানে ধর্মাবতার ছিলেন তিনি, সেখানে মামলাকারী হয়ে হাজির হলেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) ।

    কেন মামলা হয় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে

    বিচারকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) । যেদিন তিনি মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছিলেন সেদিন তাদের পথে পড়ে যায় তৃণমূল সমর্থিত প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি। পাশ দিয়ে ভাল ভাবেই যাচ্ছিলেন তাঁরা। হঠাৎ তাঁকে এবং শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) দেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু হয় মঞ্চ থেকে। পাল্টা তেড়ে যান বিজেপি সমর্থকরা। সেই সময় দুই পক্ষের কথা কাটাকাটি এবং ধস্তাধস্তি হয়। বেশ কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মী সমর্থক আহত হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) নামে তমলুক (Tamluk) থানায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির তরফ থেকে এফআইআর করেন মইদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধ, আসানসোলে শাসক দলের দাপাদাপি

    উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দাবি বিজেপির (Abhijit Gangopadhyay)

    প্রসঙ্গত কোন রুটে মনোনয়ন দিতে যাবেন তা আগে থেকেই জানানো ছিল পুলিশকে। বিজেপির দাবি পুলিশ চাইলে অশান্তি এড়াতে পারত। পুলিশ জেনেও প্রাথমিক শিক্ষকদের (Primary Teachers) ওই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে অনুমতি দিয়েছিল। নির্ধারিত রুটের পাশে আরেকটি কর্মসূচিকে জায়গা দেওয়ার কারণে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে গোলমাল পাকানো হয় বলে অভিযোগ বিজেপির।  প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, হামলা ও ভাঙচুর সহ একাধিক ধারা দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। ৫ মে মইদুল ইসলামের দায়ের করা এফআইআর এর ভিত্তিতে অস্ত্র আইনেও মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) অভিযোগ প্রচারে বাধা দেওয়ার জন্যই এই এফআইআর করা হয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শাসক দল তাকে মামলা দিয়ে তদন্তের নামে প্রচার থেকে আটকে রাখতে চায়। তার আরও অভিযোগ শাসকদলের আঙ্গুলেহেলনেই বাড়তি ধারা দেওয়া হয়েছে। আদালতে ফের প্রমাণিত হবে পুলিশ যে ধারা গুলি দিয়েছে তা উপযুক্ত নয়। সূত্রের খবর বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে মঙ্গলবার মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court Judgement: “নিয়োগ দুর্নীতির প্রথম সুবিধাভোগী মমতা”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Supreme Court Judgement: “নিয়োগ দুর্নীতির প্রথম সুবিধাভোগী মমতা”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High court) ডিভিশন বেঞ্চের প্যানেল বাতিলের রায়কে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court Judgement) চ্যালেঞ্জ করে ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দেয়নি বরং শুনানি পিছিয়ে দিয়েছে জুন মাস পর্যন্ত। এরই মাঝে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং বর্তমানে তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Supreme Court Judgement)?

    রাজ্য সরকারের সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court Judgement) যাওয়া এবং কোর্টের রাজ্য সরকারকে কোনও বাড়তি সুবিধে না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “কেন অযোগ্যদের চাকরি হল। এর উত্তর আগে দিক ওরা। কেন ওএমআরের তথ্য নষ্ট করে দেওয়া হল এর উত্তর পাওয়া যায়নি। অতিরিক্ত প্যানেল সৃষ্টি করে যাদের বাড়তি নেওয়া হল তাঁরা কেন চাকরি করবেন। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে কারা সুবিধাভোগী তা পুনরায় খুঁজে দেখার বিষয় উঠছে। এ বিষয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের জবাব, “প্রথম সুবিধাভোগীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো। তাঁদের এখনই সিবিআইইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী থাকার কোন অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।”

    আর কী বললেন অভিজিৎ?

    হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে চাকরি বাতিলের নির্দেশের পর ক্রুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দল থেকে বিচারব্যবস্থা কাউকে রেয়াত করেননি। যারা দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছে তাদেরও আশ্বস্ত করেছিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “যারা এত গরীব। যারা যোগ্য। কেউ এমএ পাস করেছে, কেউ বিএড করেছে তাঁদের সিস্টেম অনুযায়ী চাকরি দেওয়া হয়েছে। এক দুটো ভুল হয়ে থাকলে আমরা শুধরে নেব। তাই বলে তুমি চাকরি খেয়ে নেবে। আমরা ২ লক্ষ চাকরির রেডি রাখছি। লজ্জা করে না। তোর ভাই বোনের যদি চাকরি চলে যেত তুই তাহলে কি করতিস। তোর টাকা আছে। নিজের টাকা বাঁচাতে ভাজপা মেশিনে গেছিস।”সেদিন বিচারব্যবস্থা থেকে শুরু করে বিরোধী দলকে আক্রমণ করার সময় শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পাল্টা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, “ওনারা তো বলেছিলেন হাইকোর্ট নাকি বিজেপির কোর্ট। তাহলে সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court Judgement) কী বলবেন। সুপ্রিম কোর্ট ও কি বিজেপির কোর্ট। যে প্রশ্নগুলি তুলেছে আদালত তাঁর উত্তর কোথায়।”

    আরও পড়ুনঃ “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    রাজ্য সরকার মোটেও স্বস্তিতে নেই

    অতিরিক্ত পদ তৈরি সিদ্ধান্ত যারা নিয়েছিলেন তাঁদের উপর সিবিআইয়ের কড়া পদক্ষেপের বিষয়ে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত । এ প্রসঙ্গে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের যুক্তি, “সেক্ষেত্রে পুরো মন্ত্রিসভা সিবিআই হেফাজতে চলে যেত। এই ডিভিশন বেঞ্চ পরিষ্কার করে দিয়েছিল যারা অতিরিক্ত পদ সৃষ্টি করেছিল তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court Judgement) যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে তাতে রাজ্য সরকার মোটেও স্বস্তির জায়গাতে নেই। এমনকি প্যানেলে না থাকা চাকরি প্রাপকদের নিয়ে তাঁদের পর্যবক্ষণে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।” নিয়োগ দুর্নীতিকে ভয়ংকর দুর্নীতি আখ্যা দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: “ডিসেম্বরেই ভেঙে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস”, ভোট প্রচারে বললেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “ডিসেম্বরেই ভেঙে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস”, ভোট প্রচারে বললেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার সভা থেকে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, “তৃণমূল (TMC) এবছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই ভেঙে যাবে।” এপ্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের জয়ী করুন। তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস নিজে থেকেই ভেঙে যাবে। ডিসেম্বর পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের মেয়াদ আমি দেখছি না।” বিজেপির তমলুকের প্রার্থীর এই বক্তব্যে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)।

    ঠিক কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়(Abhijit Ganguly)?

    তমলুকের বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎবাবু (Abhijit Ganguly) বলেন, “প্রসঙ্গত তৃণমূল ভেঙে যাওয়ার যে ডেডলাইন, তা হল হল সম্ভাব্য ডেডলাইন। আর যদি কোনও কারণে সময় অতিক্রম করে যায় তাহলে আগামী বিধানসভার নির্বাচনের আগেই এই তৃণমূল দলটাই উঠে যাবে। তবে এ বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত না মিললেও দেড় বছর পর ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ভোটের কথাও বলে রাখলাম। এই তৃণমূল দুর্বৃত্তদের আর একদিনও ক্ষমতায় রাখা যাবে না। ওরা পশ্চিমবঙ্গকে শেষ করে দিচ্ছে।”

    এনআইএ-র ওপর হামলা কাণ্ডে ফের তদন্তকারী আধিকারিক বদল, কে দায়িত্ব পেলেন?

    শুভেন্দুও বলেছিলেন

    ২০২২ সালে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গলাতেও শোনা গিয়েছিল ডিসেম্বরের তত্ত্ব। সে বছর বেশ কয়েকটি তারিখের উপর জোর দিয়েছিলেন তিনিও। ওই বছরের ১২, ১৪ ও ২১ ডিসেম্বরের উপর জোর দিয়েছিলেন তিনি। পরে শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বলেছিলেন, “ডেড লাইনের বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের ব্যাখ্যা। তিনি কোনও ডেডলাইন দেননি। এই দিনগুলি রাজনীতি ও সরকারি প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দিন ছিল।” এখন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সারা দেশেই বিজেপির বিরাট আসনের ব্যবধানে সরকার গড়তে চলেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। অপরে তৃণমূল বিরাট দুর্নীতির কারণে অত্যন্ত বেক ফুটে রয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের উপর এখন সবটা নির্ভর করছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে। ফলে অভিজিৎবাবুর (Abhijit Ganguly) বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share