Tag: Abhijit Ganguly

Abhijit Ganguly

  • Abhijit Ganguly: “মত্ত অবস্থায় গাড়ি আটকে গালিগালাজ, মারধর করেছেন বাবুল”, আদালতে যাচ্ছেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “মত্ত অবস্থায় গাড়ি আটকে গালিগালাজ, মারধর করেছেন বাবুল”, আদালতে যাচ্ছেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতেই দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র (Babul Supriyo) অভব্য আচরণ দেখে হতবাক পথ চলতি সাধারণ মানুষ। গাড়ির গতি বেশি থাকার অভিযোগ তুলে বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) সঙ্গে আচমকাই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এবার ওই ঘটনায় বাবুলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ তথা কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Abhijit Ganguly)

    শুক্রবার রাতে ঘড়িতে তখন রাত ন’টা। এমন সময় বিজেপি সাংসদ (Abhijit Ganguly) এবং রাজ্যের মন্ত্রীর এই ঝামেলার জেরে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে (বিদ্যাসাগর সেতু) ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। দুটি গাড়িই হাওড়ার দিকে যাচ্ছিল। অভিজিৎবাবু হর্ন বাজানোয় মাঝ রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে দাদাগিরি দেখাতে শুরু করেন বাবুল। গাড়ি আটকে নিজের ক্ষমতা জাহির করতে থাকেন বলে বিজেপি সাংসদের অভিযোগ। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে অভিজিৎবাবুকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করছেন বাবুল সুপ্রিয়। যদিও অভিজিৎবাবু গাড়ি থেকে নামেননি। আর বাবুল সুপ্রিয় জানিয়ে দেন ক্ষমা না চাইলে তিনি তাঁর গাড়ি যেতে দেবেন না।

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    বাবুলের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    বাবুলের বিরুদ্ধে বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “বাবুল মত্ত অবস্থায় আমার গাড়ি থামিয়ে হামলার চেষ্টা করেন। তর্কাতর্কির সময় গাড়ির জানলা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দেন বাবুল। তাতে আমার মোবাইল পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকী ‘চাকরি খেয়েছেন’ বলেও বাবুল আমাকে কটু মন্তব্য করেছেন। আমার গাড়ি ভাঙচুর করারও চেষ্টা করা হয়। শুধু তাই নয়, আমাকে ‘বুড়ো ভাম’-এর মতো অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করা হয়।” অন্যদিকে, বাবুল সুপ্রিয়র অভিযোগ তমলুকের সাংসদ ট্রাফিক নিয়ম ভেঙে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি ছোটাচ্ছিলেন। তারই প্রতিবাদ জানাতে তিনি বিজেপি সাংসদের গাড়ির ওপর চড়াও হন। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য, তাঁর গাড়ির চালক যদি কোনও ভুল করত তাহলে পুলিশ ধরত। কেস দিতেই পারত। কিন্তু এমন কিছুই হয়নি। তাঁর দাবি, গাড়ির সামনে  ‘এমপি তমলুক’ লেখাটি দেখতে পেয়েই বাবুল ইচ্ছাকৃত এসব করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ‘‘ইউনূসের নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া উচিত’’, বাংলাদেশ ইস্যুতে বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: ‘‘ইউনূসের নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া উচিত’’, বাংলাদেশ ইস্যুতে বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে অশান্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ভারতেও বিক্ষোভ আন্দোলন হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। সোমবার সীমান্ত অবরুদ্ধ করার ডাক দিয়েছে বিজেপি। এই আবহের মধ্যে মহম্মদ ইউনূসকে কড়া বার্তা দিলেন প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)।

    ইউনূসের নোবেল ফিরিয়ে নেওয়া উচিত (Abhijit Ganguly)

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, ‘‘অত্যন্ত অন্যায় হয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ সরকার এই নিয়ে বিশেষ কিছু করছে বলে মনে হচ্ছে না। এই ইউনূস, যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন, আমার মনে হয়, এই ইউনূস যেভাবে গত ৯০ দিন ধরে চালাচ্ছেন, একটা বেআইনি সরকার চলছে, কারণ তাঁদের প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেননি এখনও। যেভাবে অন্য ধর্মের ওপর, বিশেষত হিন্দু ধর্মের ওপর যে আক্রমণ চলছে, তাতে আমি মনে করি নোবেল কমিটির এই মুহূর্তে তাঁর নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। আপনারা হয়ত আমায় জিজ্ঞেস করতে পারেন, নোবেল কমিটির এই রুল আছে কিনা? আমি বলতে পারব না। কিন্তু একটা সাধারণ নিয়ম আছে, কোনও কর্তৃপক্ষ, যদি কোনও একটা কাজ করতে চান, অর্থাৎ কোনও একটা কাজ করানোর ক্ষমতা থাকে, তাহলে তার সেই কাজ নাকচ করানোরও ক্ষমতা থাকে।’’

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ ভারতে ধেয়ে আসছে ‘ফেনজল’, ল্যান্ডফল বিকেলেই, কলকাতায় মেঘলা আকাশ

    ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আবেদন খারিজ

    ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আবেদন খারিজ করেছে সেদেশের হাইকোর্ট। সরকারের কোর্টে বল ঠেলে বিচারপতিরা বলেন, ‘‘দেশের জনগণের প্রাণ ও সম্পত্তি, কারও যেন কোনও ক্ষতি না হয়, এটা সবারই চিন্তা।’’ এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি হিন্দুদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে কলকাতায় মিছিল করে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারিতে তা চরম আকার নিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। ঢাকাকে বার্তা দিয়েছে দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Meeting: কল্যাণের ‘নাটক’! ওয়াকফ সংশোধনী বিল বিতর্কে নিজেই কাচের বোতল ভেঙে রক্তাক্ত

    Waqf Meeting: কল্যাণের ‘নাটক’! ওয়াকফ সংশোধনী বিল বিতর্কে নিজেই কাচের বোতল ভেঙে রক্তাক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ বিল (Waqf Meeting) নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটি থেকে বরখাস্ত করা হল তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ওয়াকফ কমিটির বৈঠকে কাচের বোতল ভেঙে নিজেই আহত হন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। তার আগে কল্যাণ (Kalyan Banerjee) বিজেপি সাংসদ তথা কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিতর্কে জড়ান। কমিটির চেয়ারপার্সন, বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পালের সম্পর্কে অসংসদীয় শব্দ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে কল্যাণের বিরুদ্ধে। 

    কল্যাণের কু-কথা

    গত ৮ অগাস্ট লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Meeting) পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। বিরোধীরা বিলটির বিরোধিতা করলে ঐক্যমতের লক্ষ্যে বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। সূত্রর খবর, মঙ্গলবার জগদম্বিকা পালের সভাপতিত্বে, ওয়াকফ বিল সম্পর্কে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এবং আইনজীবীদের মতামত শুনছিল কমিটি। ওড়িশার কটকের ‘জাস্টিস ইন রিয়েলিটি’ এবং ‘ওড়িশা বাণী মণ্ডলী’র উপস্থাপনা চলাকালীন, চেয়ারপার্সনের অনুমতি না নিয়েই নিজের মতামত প্রকাশ করতে যান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। তারও আগে অনুমতি না নিয়ে তিনবার কথা বলেছিলেন কল্যাণ। বারবার তিনি এইভাবে উপস্থাপনায় বাধা দেওয়ায়, আপত্তি তোলেন বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কল্যাণের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এতেই উত্তেজিত হয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কটু ভাষা ব্যবহার করেন তৃণমূল সাংসদ। 

    আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি বিজেপির, সদস্য সংখ্যা পৌঁছল ১০ কোটির ঘরে, এবার লক্ষ্য ১১ কোটি

    বোতল ভেঙে নিজেই আহত

    এর আগে যখন অভিজিৎ ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিত, তখন আইনজীবী কল্যাণের সঙ্গে আদালত কক্ষে একাধিক বার বিতণ্ডা হয়েছে। দু’জন দু’জনের উদ্দেশে কটাক্ষ ছুড়ে দিতেন। মঙ্গলবার সংসদের যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে পুরনো ‘বিতণ্ডা’ নতুন করে ফিরে আসে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকস্থলে রাখা একটি কাচের জলের বোতল হাতে তুলে নিয়ে টেবিলে ছুড়ে মারেন। বোতলটি ভেঙে চুরচুর হয়ে যায়। বোতল ভাঙা কাচে তিনি নিজেই আহত হন। তাঁর ডানহাতের বুড়ো আঙুল ও তর্জনিতে আঘাত লাগে। বিজেপি সদস্যদের অভিযোগ, এরপর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) ভাঙা বোতলটি চেয়ারম্যান জগদম্বিকা পালের দিকে ছুড়ে দেন। এই ঘটনার জেরে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে কল্যাণকে কমিটি (Waqf Meeting) থেক বরখাস্ত করার প্রস্তাব দেন। ৯ জন সাংসদ কল্যাণকে বরখাস্ত করার পক্ষে ভোট দেন, ৮ জন বিপক্ষে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    Abhijit Ganguly: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে হারলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। হাফ ছেড়ে বাঁচলেন তমলুকের বাসিন্দারাও। তাঁরাও মনে প্রাণে চাইছিলেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) জয়। তমলুক লোকসভার ফলাফলই সেকথা বলছে। কারণ, এই লোকসভার সাতটি বিধানসভার কোথাও দাঁত ফোটাতে পারেননি তৃণমূল প্রার্থী।

    সাতটি বিধানসভাতেই জয় বিজেপির (Abhijit Ganguly)

    চাকরি চুরি মামলায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) তৃণমূলের স্বরূপ প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। ফলে, হাজার অপপ্রচারের পরেও তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে জিততে পারল না তৃণমূল। এখানকার সাতটি বিধানসভাতেই জয়ী হয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত বিধানসভা ভোটের নিরিখে নন্দীগ্রাম, ময়না এবং হলদিয়া বিধানসভা ছিল বিজেপির দখলে। বাকি তমলুক , পাঁশকুড়া পূর্ব, নন্দকুমার এবং মহিষাদল ছিল তৃণমূলের দখলে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন ময়না কেন্দ্রে। তিনি এই কেন্দ্রে ১, ১০, ৯০১টি ভোট পেয়েছেন। এখানে তিনি ৯,৫৪৮টি ভোট বেশি পেয়েছেন তৃণমূলের চেয়ে। তবে, সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন হলদিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে। হলদিয়া কেন্দ্রে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পেয়েছেন মোট ১,১০,৭৭২টি ভোট। সেখানে ৮৯,৪৭১ ভোট পেয়েছে তৃণমূল।  

    আরও পড়ুন: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    তমলুক পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে ধরাশায়ী তৃণমূল

    তমলুক বিধানসভায় বিজেপি লিড পেয়েছে  ১৮, ২১৭টি ভোট। এই কেন্দ্রে রয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র। এখানে ১,১০,৮৯৫টি ভোট পেয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। এই তমলুক কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে তৃণমূল পরিচালিত তাম্রলিপ্ত পুরসভা। এখানকার ২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি আসনেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। জেলা শহরেই তৃণমূলের ভরাডুবি ঘটেছে বলা যায়। নন্দকুমার এবং পাঁশকুড়া পূর্বে লিড পেয়েছে বিজেপি। এছাড়া মহিষাদল বিধানসভায় তৃণমূলের থেকে ৯৬৩১টি ভোট বেশি পেয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    নন্দীগ্রামে জয়ের মার্জিন বাড়িয়েছে বিজেপি

    প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মানুষজন এবার ঢেলে ভোট দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এখানে গত বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেখানে বিজেপির জয়ের মার্জিন বেড়ে হয়েছে ৭২৯৮টি। এবার এখানে বিজেপি পেয়েছে ১,০৯,১৫৪টি ভোট। তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছেন ১,০১,৮৫৬টি ভোট।  এছাড়া পোস্টাল ব্যালটের ভোটেও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তৃণমূলের চেয়ে ১৭৭৮টি ভোট বেশি পেয়েছেন। তাঁর জেতায় তমলুকের মানুষজন খুশি। জেলার তমলুক-সহ প্রতিটি বিধানসভা ও পুরসভায় তৃণমূল মুখ থুবড়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: “স্ট্রংরুমে ঢুকে ইভিএমে কারচুপি করার চেষ্টা করেছিল আইপ্যাক”, বিস্ফোরক অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “স্ট্রংরুমে ঢুকে ইভিএমে কারচুপি করার চেষ্টা করেছিল আইপ্যাক”, বিস্ফোরক অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের কয়েকটি নজরকাড়া কেন্দ্রের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে তমলুক। ষষ্ঠ দফায় এই কেন্দ্রে ভোট হয়ে গিয়েছে। সমস্ত ইভিএম রয়েছে এখন স্ট্রংরুমে। সেই স্ট্রংরুমে ঢুকে ইভিএমে কারচুপি করার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল এবং আইপ্যাকের  বিরুদ্ধে। যদিও স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মীদের তৎপরতায় তা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ঘটনাস্থলে গিয়ে সরব হন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Abhijit Ganguly)

    তমলুক কেন্দ্রের জন্য কোলাঘাট কেটিপিপি হাইস্কুলে স্ট্রংরুম করা হয়েছে। সেই স্কুলের পিছনের এলাকায় থাকা বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাতে গাড়িতে করে কয়েকজন দুষ্কৃতী হাতে ওয়াকি টকি নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। তারপরেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ওই গাড়িতে থাকা মানুষজনকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। সেই খবর যায় স্থানীয় থানায়। এরপর কোলাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পরে, গাড়িতে করে ঘুরতে থাকা মানুষজন এলাকা ছেড়ে চলে যায়। বিজেপির অভিযোগ, সেই গাড়িতে আইপ্যাকের লোকজন ছিল। তারা স্ট্রং রুমে ঢুকে ইভিএম বদলে দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিল। তাই সেখানে স্কুলের পিছন দিকের এলাকায় ঘুরঘুর করছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সেই অভিযুক্তদের সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। এই সব ঘটনার মাঝেই সেখানে পৌঁছে যান তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

     স্ট্রংরুমে ঢুকে ইভিএমে কারচুপি করার চেষ্টা করেছিল আইপ্যাক!

    বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “আইপ্যাকের লোকেরাই সেখানে এসেছিল অশান্তি করতে। ইভিএমে কারচুপি করার চেষ্টা করেছিল তারা। সঙ্গে তৃণমূলও ছিল।” এদিকে এই ঘটনার জেরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ, হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়, বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংও আইপ্যাকের বিরুদ্ধে ইভিএম বদলের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছিলেন। এদিকে আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, একুশের বিধানসভা ভোটে গণনা কেন্দ্রে আইপ্যাকের লোক ঢুকে পড়েছিল। এভাবে বাংলায় ৪০ থেকে ৫০টি বিধানসভা আসন কারচুপি করে তৃণমূলকে জেতানো হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভোটের মধ্যেই প্রতিবাদ ধর্নায় বসলেন তমলুক বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। গতকাল শনিবার ছিল রাজ্যে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। এই পর্বে ছিল তমলুক, কাঁথি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর কেন্দ্র। একাধিক কেন্দ্রে পুলিশ সরাসরি তৃণমূলের হয়ে ভোট করিয়েছে বলে অভিযোগ করে ধর্নায় বসলেন এই প্রাক্তন বিচারপতি। তিনি স্পষ্ট ভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “পুলিশ তৃণমূলকে জয়ী করতে জুলুমবাজি করেছে।” সেই সঙ্গে একাধিক জায়গায় তাঁকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল। উল্লেখ্য এই বিচারপতির রায়ে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় একাধিক তৃণমূল নেতা-বিধায়ক-মন্ত্রী জেলে গিয়েছেন। একই ভাবে রেশন দুর্নীতি, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একাধিক বিষয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়ে ছিলেন তিনি।

    কী বললেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)?

    ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দার সেক্রেটারির বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালায়। এরপর সেখানে প্রতিবাদ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ধর্নায় বসেন। তিনি ধর্নায় বসে বলেন, “ময়নার পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা গৌতম গুরু নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। তাঁকে অপহরণ করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার রাত থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি তাঁর স্ত্রীর কাছে অভিযোগ পেয়ে বাড়িতে যাই। এখন গৌতমের বাড়িতে বসেই ধর্না বিক্ষোভ করব।”

    আরও পড়ুনঃ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    মূল অভিযোগ কী?

    ময়নার এই অঞ্চলটি তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়েছে। পুলিশ, অশোক দিন্দার সেক্রেটারির বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) অর্ডার দেখতে চান। পুলিশ সেরকম কোনও তথ্য দিতে পারেনি। ফলে তাঁর দাবি, এই ঘটনা পুলিশের অত্যাচার, ক্ষমতার অপব্যবাহার এবং জুলুমের সমতুল্য। এরপর পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ধর্নায় বসেন এই বিজেপি প্রার্থী। ভোটের মধ্যে এই ধর্না রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ইতি মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নন্দীগ্রামের পর মহিষাদলে খুন আরও ১, ভোটের দিনেও উত্তেজনা রাজ্যে

    Lok Sabha Election 2024: নন্দীগ্রামের পর মহিষাদলে খুন আরও ১, ভোটের দিনেও উত্তেজনা রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট গ্রহণের দিনেও অশান্ত তমলুক লোকসভা (Lok Sabha Election 2024)। খুন আরও এক ব্যক্তি। ষষ্ঠ দফা লোকসভা নির্বাচনের মাত্র একদিন আগেই নন্দীগ্রামে খুন হয়েছিলেন বিজেপি মহিলা কর্মী। ক্ষোভের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গোটা এলাকা। ভোটের দিন মহিষাদলের বেতকুণ্ডুতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের দাবি মৃত ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী ছিলেন। লোকসভার ভোটে রক্তাক্ত হয়েছে তমলুক লোকসভা। গণতান্ত্রিক উৎসবে শাসক দলের বিরুদ্ধে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

    ভোটে কেন খুন (Lok Sabha Election 2024)?

    জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম শেখ মইবুল। তাঁকে গতকাল শুক্রবার কুপিয়ে খুন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। তবে তৃণমূলের তির বিজেপির দিকে। প্রথমে বচসা হয় এরপর দুই পক্ষের সঙ্গে হাতাহাতি হন। এরপর বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। অপরে ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, রাজ্যের সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেছে তৃণমূল। এই তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে পরিকল্পনা করে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। মানুষের মনে ভয় তৈরি করে নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) পরিবেশকে ভয়ভীতিপূর্ণ পরিবেশ করা হচ্ছে। গত বিধানসভা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক খুনের ঘটনা রাজ্যে ব্যাপক ভাবে হয়েছে। সব ক্ষেত্রে আঙ্গুল ছিল তৃণমূলের দিকেই। 

    আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অভিজিৎ

    এই ষষ্ঠ দফা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে রাজনৈতিক হিংসার কথা বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন এই মৃত মহিলার ছেলে। ভোটের আগে থেকে রাতভর সন্ত্রাস চালায় দুষ্কৃতীরা। এই বিজেপি প্রার্থী বলেন, “পুলিশ সন্ত্রাস করছে। পুলিশের গায়ে উর্দি আছে তাই সন্ত্রাস করার অনুমতি পেয়ে গিয়েছে। মমতা-অভিষেক পরিকল্পনা করে এই সব করাচ্ছেন। ভোট শান্তিপূর্ণ না করার চক্রান্ত চলেছে রাজ্যে।”

    আরও পড়ুনঃ অনুব্রত অনুগামীদের পার্টি অফিস থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করা হল, অভিযুক্ত তৃণমূল

    এই তমলুক কেন্দ্র প্রথম থেকেই সকলের নজরে রয়েছে। এক দিকে বিজেপির প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, যিনি এসএসসি সহ একাধিক দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূল সরকারের বিপক্ষে রায় দিয়েছিলেন। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক জেলে গিয়েছেন। আবার এই লোকসভা কেন্দ্রের একটি বিধানসভা নন্দীগ্রাম বিধানসভা। এই কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে শুভেন্দুর কাছে ভোটে হেরেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে লোকসভার ভোটের জয়-পরাজয়ের একটি বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই লোকসভা কেন্দ্র।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: “ভোটের দিন পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মীরা ঘরছাড়া!” সরব অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “ভোটের দিন পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মীরা ঘরছাড়া!” সরব অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দুদিন আগে বিজেপি নেতার মাকে কুপিয়ে খুন হওয়ার ঘটনা থেকে অগ্নিগর্ভ নন্দীগ্রাম। সেই নন্দীগ্রামে ভোটের আগের রাতে পুলিশি সন্ত্রাস নিয়ে সরব হলেন তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তৃণমূলের হয়ে পুলিশ প্রকাশ্যে কাজ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। আর শনিবার ষষ্ঠদফা ভোটের দিন ভোর থেকেই রীতিমতো নিজের একাধিক কেন্দ্র চষে বেড়ালেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

     ভোটের দিন পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মীরা ঘরছাড়া! (Abhijit Ganguly)

    এদিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে প্রস্তুতি হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন তমলুকের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। এবারই প্রথমবার নির্বাচনে লড়ছেন তিনি। আর এদিন সকাল থেকেই তাঁকে দেখা গেল একেবারে অ্যাকশন মোডে। সাত সকালেই ছুটলেন হলদিয়া। অভিযোগ তুললেন, পুলিশি সন্ত্রাসের। এদিন সকালে বেরিয়েই তিনি অভিযোগ তোলেন, নন্দীগ্রামে ব্যাপক সন্ত্রাস চালাচ্ছে পুলিশ। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। অভিজিৎ বলেন, “গভীর রাতে ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছে পুলিশ। ৩-৪ হাজার পুলিশ গাড়ি নিয়ে ঢুকেছিল এলাকায়। অবজারভারের কাছে জানানোর অনেক পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মী ও সমর্থকেরা বাড়ি থেকে পালিয়ে মাঠে-ঘাটে লুকিয়েছিলেন। যেখানে জানানোর সেখানে আভযোগ জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: বাংলার শাহবাজের বলে বিদায় রাজস্থানের, আইপিএল ফাইনালে কলকাতার সামনে হায়দরাবাদ

    বিজেপি এজেন্টকে বসতে বাধা

    এদিন সকালে হলদিয়ার ২০৮ নম্বর বুথে গিয়ে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী (Abhijit Ganguly) বলেন, “এজেন্ট বসতে দিচ্ছে না। তাই আমাকে আসতে হয়েছে। বিজেপির মহিলা এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। আমি গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলেছি। এরপর বসতে দেওয়া হয় তাঁকে। কী করছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী এই প্রশ্ন শুনে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী বাঁশি বাজাচ্ছিল, শ্যামের বাঁশি।” হলদিয়ার একটি বুথে তৃণমূলীরা বিজেপি প্রার্থীকে বিক্ষোভ দেখান। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: কমিশনের সেন্সরে ক্ষুব্ধ অভিজিৎ কোর্টে যাবেন, বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে রামচন্দ্র

    Abhijit Ganguly: কমিশনের সেন্সরে ক্ষুব্ধ অভিজিৎ কোর্টে যাবেন, বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে রামচন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে মন্তব্যের জেরে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ বা গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ২৪ ঘণ্টা প্রচার করতে পারবেন না বলে মঙ্গলবার জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিজিৎ। কমিশনের এই নির্দেশে তাঁর মানহানি হয়েছে বলে মনে করছেন তমলুকের বিজেপি প্রার্থী। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন তিনি।

    প্রচারে নিষেধাজ্ঞায় কমিশনের নির্দেশে মানহানি হয়েছে (Abhijit Ganguly)

     মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের কাছে অভিজিৎ (Abhijit Ganguly) বলেন, ‘আমি কমিশনকে জবাব দিতে গিয়ে বলেছিলাম, যদি কোনও পদক্ষেপ করা হয় তার আগে যেন অতিরিক্ত জবাব দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু, কোনও সুযোগ না দিয়ে কমিশন এই নির্দেশ দিয়েছে। অন্য লোকের মান আছে, রেখা পাত্রের মান নেই, আমার মান নেই, তা তো হতে পারে না। প্রচারে নিষেধাজ্ঞায় কমিশনের নির্দেশে আমার মানহানি হয়েছে। এরপর তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু  বলব না। তবে, বলব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো উচিত। সন্দেশখালির মা-বোনদের উদ্দেশে ভাইপো বলেছে, রেট কত? বিভিন্ন সভা-সমিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সন্দেশখালির মা-বোনদের নিয়ে যা বলেছেন, সেটাও তো ইলেকশন কমিশন দেখতে পাচ্ছে। সাধুসন্তদের নিয়ে বিভিন্ন ভাষায় যেভাবে কথা বলা হচ্ছে, তার জন্য আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখটা সেলাই করে দেওয়া উচিত।’ শাসকদলকে নিশানা করে অভিজিৎ আরও বলেন, ‘এভাবে বিজেপিকে ভয় দেখাতে পারবে না তৃণমূল। এতে বিজেপির লাভ হবে। ২৫ মে মানুষ কাকে ভোট দেবেন, সেটা তাঁরা ঠিক করে ফেলেছেন।’ পাশাপাশি নাম না করে তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যকে শান্তিতে ঘুমোনোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে রামচন্দ্র!

    প্রাক্তন বিচারপতির অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) সমর্থনে বিরুলিয়া বাজার থেকে আমদাবাদ কলেজ পর্যন্ত রোড শো করলেন স্বয়ং শ্রীরাম চন্দ্র। ছবি দেখে এতক্ষণে নিশ্চয় ধরে ফেলেছেন অনেকেই। হ্যাঁ, কথা হচ্ছে বিখ্যাত অভিনেতা অরুণ গোভিলকে নিয়ে। ১৯৯০ সালের বিখ্যাত রামায়ণ সিরিয়ালের রামচন্দ্রের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন শ্রী অরুণ গোভিল। অরুণ গোভিলকে দেখতে এদিন সন্ধ্যায় তমলুকে ভিড় ছিল একেবারে দেখার মতো। পদ্ম প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে স্বয়ং রাম চন্দ্রকে দেখে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে দেখার মতো। এদিন তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী সহ জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্বরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হিন্দু-মুসলিম সকলের ভোটে জয়ী হবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হিন্দু-মুসলিম সকলের ভোটে জয়ী হবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ২৫ মে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার। এই জেলার তমলুক কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এই তৃণমূল শাসনের শিক্ষক দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি নিয়ে যুগান্তকারী রায় দিয়েছিলেন। তাঁর নির্দেশে একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক গ্রেফতার হয়েছেন। বিজেপিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রার্থী করে বিরাট চমক দিয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সমর্থনে নন্দীগ্রামে সভা করেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি চাইব কেবলমাত্র সনাতন হিন্দুদের সমর্থনে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, নন্দীগ্রাম থেকে লিড পাবেন তা নয়, সবার ভোট পাবেন।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামে এদিন লোকসভার প্রচার অভিযানে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভুল বুঝিয়েছিল বলে আমি আপনাদের ভোট পাইনি। বুথগুলি আমি হিসেব করেছিলাম, ২০২১ সালে ৪০০–র মত রাষ্ট্রবাদী মুসলমান পেয়েছিলাম। বাম প্রার্থী পেয়েছিলেন ১২০০ ভোট। আর এলাকায় ভয়, সন্ত্রাস দেখিয়ে গায়ের জোরে এবং মিথ্যা কথা বলে বাকিটা পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে অবশ্য মমতার মিথ্যা কথাগুলি ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। মোদি জি বাংলাকে রামরাজ্য করতে চাইছেন। রামরাজ্য মনে মাথার উপর ছাদ। এই রাজ্যে ৪০ লক্ষ বাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ সুফিয়ানের বড় বড় বাড়ি থাকলেও, সাধারণ মানুষের বাড়ি নেই। কেন্দ্র সরকার ফ্রিতে মানুষকে রেশন দিচ্ছে। এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে ৩০০০ করে টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হবে। বগটুই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হবে। ভোটের জন্য সংখ্যা লঘুদের ব্যবহার করেন মমতা।”

    আরও পড়ুনঃ কমিশনে মমতাকে নিয়ে মন্তব্যের শোকজের জবাব দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    সিএএ নিয়ে মিথ্যা প্রচার

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), মমতাকে এদিন প্রচার সভা থেকে তোপ দেগে বলেন, “নন্দীগ্রামে অপপ্রচার করে ভোট পেয়ছেন মমতা। মমতা সর্বত্র মিথ্যা কথা বলে ভুল প্রচার করেছিলেন। বিজেপির শাসিত রাজ্যগুলিতে মানুষের ধর্মা চরণে বাধা নেই। তৃণমূল সরকার অসত্য কথা বলে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। চুরির লাইসেন্স পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সিএএ-এনআরসি নিয়ে অপপ্রচার করছে তৃণমূল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share