Tag: Abhishek Banerjee

Abhishek Banerjee

  • Abhishek Banerjee: আদালতের নির্দেশে রক্ষাকবচ রইল না অভিষেক-শ্যালিকার, পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি?

    Abhishek Banerjee: আদালতের নির্দেশে রক্ষাকবচ রইল না অভিষেক-শ্যালিকার, পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ষাকবচ রইল না তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরের (Maneka Gambhir)। মেনকার মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর জেরে মেনকার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির (ED) আর কোনও বাধা রইল না। মেনকার রক্ষাকবচ খারিজের দাবিতে চলতি সপ্তাহেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। আদালত মেনকার রক্ষাকবচ তুলে নেওয়ায় বিপাকে অভিষেক ও তাঁর শ্যালিকা।

    গরু পাচার মামলা…

    এর আগে গরু পাচার মামলায় মেনকাকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল ইডি। তখন ইডির আবেদনে সাড়া দেয়নি আদালত। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী মামলাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই রায় অনুযায়ী শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ মেনকার মামলা খারিজ করে দেয়। তবে আগামিদিনে ইডির বিরুদ্ধে নতুন করে আদালতে মেনকা যাতে আবেদন করতে পারেন, সেই স্বাধীনতাও তাঁকে দিয়েছে উচ্চ আদালত। প্রসঙ্গত, আদালতের এই নির্দেশের ফলে মেনকার বিরুদ্ধে এখন যে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি। আবার সেই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ফের আদালতের দ্বারস্থও হতে পারবেন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূলে থেকে মানুষের চোখের জল…’, নদিয়ায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন ২০০ তৃণমূল নেতা-কর্মী

    গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের শ্যালিকাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে তলব করেছিল ইডি। ইডির এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেনকা। মেনকাকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং দিল্লির পরিবর্তে কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে ইডিকে। অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়ে এমনই জানিয়েছিলেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। আদালতের এই নির্দেশ মতো ইডির সমন কার্যকর করেন অভিষেক-শ্যালিকা। পরে বিদেশ যেতে চেয়ে ফের আদালতের শরণ নেন মেনকা। পরে অবশ্য সেই আবেদনও প্রত্যাহার করে নেন তিনি। তাই আটকে গিয়েছিল তাঁর বিদেশ যাত্রাও। এদিন আদালতে ইডির তরফে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল বলেন, মেনকার দু দেশের নাগরিকত্ব রয়েছে। এটা থাকতে পারে না। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে কোনও পর্যবেক্ষণ বা নির্দেশ দেয়নি আদালত।

    আরও পড়ুুন: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Menaka Gambhir: রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ অভিষেকের শ্যালিকা মেনকার, হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    Menaka Gambhir: রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ অভিষেকের শ্যালিকা মেনকার, হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরের (Menaka Gambhir) বিদেশ যাওয়ার আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর এই আর্জি খারিজ করে দেয়। সুতরাং সিঙ্গল বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল, সেটাই বহাল রাখল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেনকা গম্ভীর। কারণ তাঁর মা অসুস্থ। আর এই কারণ দেখিয়ে ব্যাংকক যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: হঠাৎ মধ্যরাতে আইনজীবীকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির মেনকা গম্ভীর! কেন?

    রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ মেনকার

    কয়লা পাচার মামলায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের তালিকায় রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা মেনকা (Menaka Gambhir)। মেনকা গম্ভীরকেও ইডি কয়লা পাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিল দিল্লিতে। ইডির নির্দেশ পাওয়া মাত্রই মেনকা গম্ভীর দারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। এবং সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের সিঙ্গেল বেঞ্চের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইডির আঞ্চলিক অফিস কলকাতাতেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে মেনকা গম্ভীরকে। পাশাপাশি মেনকার বিরুদ্ধে কোনরকম কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাঁর স্বস্তি ছিল। কিন্তু আজকের দিনে মেনকা গম্ভীরের কোনও রক্ষাকবচ নেই।

    হাইকোর্টের দেওয়া রক্ষাকবচের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। সিঙ্গল বেঞ্চের নোটিশের ওপর ভিত্তি করেই এদিন হাইকোর্টে বিদেশযাত্রার আবেদন করেন অভিষেকের শ্যালিকা (Menaka Gambhir)। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায় প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চেও। মেনকা ভারতীয় নাগরিক না হয়েও নিজেকে ভারতীয় নাগরিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এছাড়াও ইডির আবেদনে আপাতত হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। উল্লেখ্য, সেই রক্ষাকবচ খারিজের দাবিতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। তবে জানা গিয়েছে, মেনকা নতুন করে সিঙ্গল বেঞ্চেই আবেদন করতে পারবেন এবং সেখানেই মামলাটি খারিজ করতে হবে। ফলে আদালত না খোলা পর্যন্ত স্বস্তি পেল মেনকা (Menaka Gambhir)।

  • Bengal Violence: অভিষেকের সভার আগে কাঁথিতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ, হত ৩

    Bengal Violence: অভিষেকের সভার আগে কাঁথিতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ, হত ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য রাজনীতিতে আবারও হিংসার ছবি স্পষ্ট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভার ঠিক আগেই কাঁথিতে গভীর রাতে বিস্ফোরণ তৃণমূল নেতার বাড়িতে। এক তৃণমূল নেতা সহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। গুরুতর জখম দু’জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    কাঁথিতে বিস্ফোরণ

    শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ কাঁথির ভগবানপুর-২ ব্লকের ভূপতিনগর থানার অর্জুননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাড়য়াবিলা গ্রামে এই বিস্ফোরণটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই বিস্ফোরণে নিহত তৃণমূল নেতার নাম রাজকুমার মান্না। এলাকার তৃণমূলের বুথ সভাপতি হিসেবে রাজকুমার পরিচিত। এই ঘটনায় নিহত বাকি দু’জন দেবকুমার মান্না ও বিশ্বজিৎ গায়েন। রাজকুমার এবং দেবকুমার সম্পর্কে দুই ভাই। আহতদের উদ্ধার করে পশ্চিম মেদিনীপুরে একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে থমথমে রয়েছে এলাকা।

    বিজেপির অভিযোগ

    এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ, ভূপতিনগর থানার অর্জুননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাড়ুয়াবিলা গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। তখনই অতর্কিতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের মাত্রা এতটাই ছিল যে বাড়িটি উড়ে যায়। মর্মান্তিক মৃত্যু হয় তৃণমূল নেতা রাজকুমার মান্না সহ তিনজনের। গুরুত্বর জখম হয় আরও বেশ কয়েকজন। কাঁথি সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার দোলুই বলেন, “তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিপত্তি হয়। তৃণমূল নেতা সহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি আরও আমরা খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।” ভগবানপুরে বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “রাতের অন্ধকারে বোমা বাঁধতে গিয়েই এমন ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের উপস্থিতিতে মৃতদেহ গায়েব করার চক্রান্ত চলছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি না করে পশ্চিম মেদিনীপুরে নিয়ে যাচ্ছে। দু’জনের মৃত্যু নয় মৃতের সংখ্যা আরও বেশি বলে মনে করছি। পুলিশ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।” 

    এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তিনি বলেন, “যেখানেই তাকাই হয়, তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ। অথবা বিস্ফোরণের ঘটনায় তৃণমূল নেতার নাম। তারাই প্রধান, তারাই পঞ্চায়েত, তারাই বিধায়ক। তারাই সমাজবিরোধী। এদের থেকে এর বেশি কিছু আশা করা যায় না।” 

    আরও পড়ুন: মানতে হবে একগুচ্ছ শর্ত, শুভেন্দু-গড়ে অভিষেকের সভাকে অনুমতি আদালতের

    কাঁথিতেই অভিষেকের সভা

    আজ, শনিবার কাঁথিতেই সভা করতে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ঠিক আগেই এই বিস্ফোরণ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিষেক যেখানে সভা করছেন, সেখান থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি খুব কাছে। তাই সভার আগে পুরো এলাকা পুলিশি নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলা হয়েছে। ঘিরে ফেলা হয়েছে শুভেন্দুর বাড়ি শান্তিকুঞ্জও। তার আগেই এই বিস্ফোরণ কী ইঙ্গিত দিচ্ছে? প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মধ্যে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Abhishek Banerjee: দুবাইয়ে চোখের ভাল চিকিৎসা হয় না, তবু আপত্তি করিনি! কেন বললেন বিচারপতি?

    Abhishek Banerjee: দুবাইয়ে চোখের ভাল চিকিৎসা হয় না, তবু আপত্তি করিনি! কেন বললেন বিচারপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অভিষেকের নাম মুখে না আনলেও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি (High Court Judge) বিবেক চৌধুরী বলেন, “দুবাইতে চোখের ভাল চিকিৎসা হয় না। তা জেনেও একজনকে অনুমতি দিয়েছিলাম। চিকিৎসার জন্য মামলাকারীর পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।” সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন এই রাজ্যে বিচারাধীন এক মামলায় অভিযুক্ত মুম্বইয়ের এক ব্যবসায়ী। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন এই কথা বলেন বিচারপতি।  

    আরও পড়ুন: ২১ হাজার নিয়োগে দুর্নীতি, কারচুপি ৯ হাজার ওএমআর শিটে, হাইকোর্টে সিট

    আদালতের সওয়াল

    দক্ষিণ মুম্বইয়ের (Mumbai) নামী এক পানশালার মালিক জিতেন্দ্র চান্দেরলাল নভলানি চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাইয়ে যেতে চেয়ে অনুমতি চান। পুলিশ তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়। এর পর ওই ব্যবসায়ী কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে ওই মামলার শুনানির সময়ে রাজ্যের আইনজীবী তাঁর সওয়ালে বলেন, এসএসকেএম হাসপাতালেই ভাল চিকিৎসা সম্ভব। এ জন্য কারও বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তা শুনে বিচারপতি বিবেক চৌধুরী তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, চিকিৎসার জন্য মামলাকারীর যা পছন্দ তাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কিছুদিন আগে একজন আবেদন করেছিলেন যে তিনি দুবাইয়ে চোখের চিকিৎসা করাবেন। এমনিতে চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাইয়ের কোনও খ্যাতি নেই। তাও আদালত সেই আবেদন বাতিল করেনি। বিচারপতির কথায়, “আমরা জানি যে দুবাইয়ে ভাল চোখের চিকিৎসা হয় না। তবু আমরা আপত্তি করিনি।”

    আরও পড়ুন: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চাকরি প্রার্থী এবং প্রাপককে তলব সিবিআই- এর

    প্রসঙ্গত,  তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চিকিৎসার জন্য বিদেশ সফরে যেতে চাইলে তাতে আপত্তি করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী আদালতে সওয়ালে বলেছিলেন, উনি বিদেশে গেলে আর ফিরবেন না। সুপ্রিম কোর্ট সেই যুক্তি শোনেনি। অভিষেক চিকিৎসার পর কলকাতায় ফিরে এসেছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Abhishek Banerjee: ‘শান্তিকুঞ্জে’র অদূরে অভিষেকের সভা, কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী

    Abhishek Banerjee: ‘শান্তিকুঞ্জে’র অদূরে অভিষেকের সভা, কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির রণাঙ্গনে হাইভোল্টেজ শনিবার! এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে সভা করবেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এই কাঁথি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) খাসতালুক। আবার এদিনই অভিষেকের সাংসদ এলাকা ডায়মন্ড হারবারে জনসভা করবেন শুভেন্দু। এদিন কাঁথিতে অভিষেক যে সভা করবেন, সেই সভাস্থল থেকে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ‘শান্তিকুঞ্জ’ একশো মিটার দূরে।

    কলকাতা হাইকোর্ট…

    অভিষেকের সভা ঘিরে শান্তিকুঞ্জে যাতে অশান্তির আঁচ না লাগে সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার কে. অমরনাথ জানান, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা চলাকালীন কাঁথির শান্তিকুঞ্জে জোরদার নিরাপত্তা বজায় থাকবে। অভিষেকের সভা হবে কাঁথির প্রভাত কুমার কলেজ মাঠে। সভার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শুক্রবার ওই মাঠে আসেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, হাইকোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী সুরক্ষার পাশাপাশি শান্তিকুঞ্জের শব্দবিধির বিষয়টিও নজরে রাখা হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যুব নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে অভিষেক কী বার্তা দেন, তা জানতেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের সভার আগে কাঁথিতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ, হত ৩

    শান্তিকুঞ্জের অদূরে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা নিয়ে দিন দুই আগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য ছিল, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শান্তিকুঞ্জ থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে সভা করছে তৃণমূল। এই শান্তিকুঞ্জেই বাস করেন শুভেন্দুর অশীতিপর বাবা-মা। সভাস্থল থেকে মহিলারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শান্তিকুঞ্জে ঢুকে পড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এর পরেই আদালত নির্দেশ দেয়, শনিবার সভা চলাকালীন কেউ যেন শান্তিকুঞ্জে ঢুকে পড়তে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। শিশির অধিকারীর অনুমতি ছাড়া বাইরের কেউ যেন বাড়িতে ঢুকে না পড়ে, তাও দেখতে বলা হয়েছে পুলিশকে। শব্দবিধি মেনে যাতে সভা হয়, সেই দিকটিও নজরে রাখতে বলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সভামঞ্চে প্রবেশের ক্ষেত্রে থাকছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার বেষ্টনী। প্রথম স্তরে থাকবে রাজ্য পুলিশ। তার পর থাকবে ডিআইবি। শেষ স্তরে থাকবেন নিরাপত্তা রক্ষীরা। এছাড়াও থাকছেন সাদা পোশাকের পুলিশ কর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মানতে হবে একগুচ্ছ শর্ত, শুভেন্দু-গড়ে অভিষেকের সভাকে অনুমতি আদালতের

    Suvendu Adhikari: মানতে হবে একগুচ্ছ শর্ত, শুভেন্দু-গড়ে অভিষেকের সভাকে অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সভা করতে পারবেন তবে মানতে হবে একগুচ্ছ শর্ত। কাঁথিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা নিয়ে এমনই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। কাঁথিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সভা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর করা মামলায় তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    কী বলল আদালত

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্থা করার উদ্দেশ্যেই আগামী শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বাড়ির ১০০ মিটারের মধ্যে কাঁথি প্রভাতকুমার কলেজের মাঠে সভা করছে তৃণমূল। এ বিষয়ে স্থানীয় থানা এবং পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি বলে আদালতে অভিযোগ করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। কিন্তু অভিষেকের সভায় নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি মান্থা। তিনি জানান, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সভা আটকানো যায় না। তবে সভা বা সমাবেশের নামে কারও ব্যক্তি স্বাধীনতা যাতে খর্ব না হয় তা-ও নজরে রাখা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “আইন মেনে করতে হবে সভা। বাড়ির সামনে কোনও জটলা নয়। শব্দবিধি মেনে মাইকের ব্যবহার। সভায় যাওয়ার পথে কোনও অবাঞ্ছিত জমায়েত বাড়িতে ঢুকতে পারবে না। শুভেন্দু এবং তাঁর বাবা শিশির অধিকারীর অনুমতি ছাড়া কেউ শান্তিকুঞ্জের বাড়িতে প্রবেশ করতে না পারেন তা সুনিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। নির্দেশ মানা হয়েছে কি না স্থানীয় থানা এবং জেলার পুলিশ সুপারকে আগামী মঙ্গলবার পরবর্তী শুনানি দিন আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে।”

    আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮৩ ভুয়ো নিয়োগের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    এদিন আদালতে শুভেন্দুর আইনজীবী সৌম্য মজুমদার জানান, তৃণমূলের মহিলা বাহিনী বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগের একটি কর্মসূচি নিয়েছে। তাঁরা বাড়িতে গিয়ে দেখা করতে পারেন।রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, শিশির অধিকারী এখনও তৃণমূলের সাংসদ। ফলে দলের কোনও কর্মসূচি নিয়ে কেউ কি বাড়িতে যেতে পারে না? জবাবে বিচারপতি জানান, সে ক্ষেত্রে শান্তিকুঞ্জে প্রবেশের জন্য শিশির অধিকারীর অনুমতি প্রয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকই ‘কয়লা ভাইপো’? মেনে নিচ্ছে তৃণমূল?

    Abhishek Banerjee: অভিষেকই ‘কয়লা ভাইপো’? মেনে নিচ্ছে তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) একটি ট্যুইট নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।

    বিষয়টা ঠিক কী? রবিবার বিকেলে ট্যুইটারে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘বিরাট নিরাপত্তা বলয়ে তাজ বেঙ্গলে “কয়লা ভাইপোর” ছেলের জন্মদিন পালন হবে। সেই উপলক্ষে নিরাপত্তা আঁটোসাটো করা হয়েছে। ৫০০-র বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড। বসেছে মেটাল ডিটেক্টর।’

    নন্দীগ্রামের বিধায়কের কটাক্ষ, ‘এই নিরাপত্তার আয়োজনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও নির্দেশ জারি করা হয়নি। ‘মমতা পুলিশের’ এক অফিসার জামালকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থার আয়োজন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। লেডি কিম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা উত্তর কোরিয়ার আসল কিম জং উনের পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন। আভিজাত্য ও বিলাসে অনেক সময় তাকে ছাপিয়েও যাচ্ছেন।’

    ট্যুইটে কোথাও কোনও ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। শুধুমাত্র কোনও এক তথাকথিত “কয়লা ভাইপোর” ছেলের জন্মদিন পালন হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। অথচ, বিরোধী দলনেতার ট্যুইটের পরই, তৃণমূল যুব ও তৃণমূল ছাত্র শাখা সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি নেওয়া হয়, সোমবার (আজ) থেকে শুভেন্দু অধিকারীর মানসিক সুস্থতা কামনা করে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাবে তারা। থাকবে গোলাপ ফুল, গ্রিটিংস কার্ডও। পাশাপাশি থাকবে একটা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) ছবি। আর সেই কার্ডেই লেখা থাকবে ‘গেট ওয়েল সুন’ বার্তা। 

    এখন তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস কী করে ধরে নিল যে তাদের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Abhishek Banerjee) আসলে “কয়লা ভাইপো”? এটা কি তাহলে স্বীকারোক্তি? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটা সম্ভাবনা হতে পারে যে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা এমন চাপে আছেন যে মাথা কাজ করছে না। তাঁদের মতে, এই বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা না করে, বিতর্ক উসকে দিলেন তৃণমূল নেতারা। ঠিক যেন— ঠাকুরঘরে কে, আমি তো কলা খাইনি !!!

    কেউ যদি এই ঘোষণায় মনে করা হয়ে থাকে যে এই বার্তা পাঠানোর মধ্য দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে হয়তো রাজ্য রাজনীতিতে ‘মুন্নাভাই’ খ্যাত গান্ধীগিরির আমদানি হবে এবং বিগত কয়েক মাসের কুকথার রাজনীতির অবসান হবে, তাহলে সেই ভুল আজ ভেঙে গেছে। যে সকল যুবকরা আজ সকালে শান্তিকুঞ্জের (শুভেন্দুর বাসভবন) সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন, তাঁরা অন্তত গান্ধীগিরির ধার ধারেননি। গেরিলা কায়দায় পুলিশের অবরোধ ভেঙে শান্তিকুঞ্জে আক্রমণ করাই তাঁদের লক্ষ্য ছিল।

    রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, আসলে রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরির বিতর্কিত মন্তব্যে তৃণমূল এখন ব্যাকফুটে। তাই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়ে নজর অন্যদিকে ঘোরাতে চাইছে। তাই অভিষেককে “কয়লা ভাইপো” স্বীকৃতি দিতে তৃণমূল দল দ্বিধাবোধ করেননি। অভিষেকের গায়ে কয়লার কালি মাখিয়ে যদি অখিল গিরির জ্বালানো কয়লার উনুনের আঁচ কমানো যায়।

    আরও পড়ুন: অখিল গিরির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    তবে আজ ১৪ নভেম্বর, শিশু দিবস। এইদিনেই জন্মছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াও বাচ্চাদের প্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাতে এই দিনটি শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। নেহরুর কোটে সবসময় গোঁজা থাকত একটি তাজা গোলাপ ফুল। সেই দিনই তৃণমূল গোলাপ ফুল পাঠাচ্ছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। এখন দেখা যাক শুভেন্দু গোলাপের কাঁটায় বিদ্ধ হন নাকি পাল্টা বিদ্ধ করেন শাসক দলের কুশীলবদের!

  • TET Scam: টেট উত্তীর্ণদের তালিকায় মমতা-অভিষেক-শুভেন্দুর নাম! কী বললেন পর্ষদ সভাপতি?

    TET Scam: টেট উত্তীর্ণদের তালিকায় মমতা-অভিষেক-শুভেন্দুর নাম! কী বললেন পর্ষদ সভাপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণদের তালিকা নিয়ে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি (TET Scam)। টেট উত্তীর্ণদের তালিকায় রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নাম থেকে শুরু করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম পর্যন্ত। টেট পরীক্ষা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুজন চক্রবর্তীও! এ কি অবাক কাণ্ড! টেট তালিকার অদ্ভুত ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও একই নামের অন্য কেউ থাকতেই পারে, তবে এভাবে হেভিওয়েট রাজনীতিবিদদের নাম চাকরিপ্রার্থী হিসেবে প্রকাশিত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

    ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ

    উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে গত ১১ নভেম্বর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ২০১৪-র চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে (TET Scam)। নাম রয়েছে প্রায় এক লক্ষ ২৫ হাজার পরীক্ষার্থীর। আর এই তালিকাতেই নাম রয়েছে মমতা ব্যানার্জির। এমনকি এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণও করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: টেট চাকরিপ্রার্থীকে কামড়-কাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের সম্ভাবনা

    শুধু তাই নয়, ঘটনাচক্রে চাকরিপ্রার্থীদের সেই তালিকায় রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, সুজন চক্রবর্তী এবং অমিত শাহের নাম (TET Scam)। জানা গিয়েছে, ২০১৪-এর টেট পাশ করাদের তালিকায় নাম থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত নম্বর দেখানো হয়েছে ৯২, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত নম্বর ৯৮, শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ১০০, সুজন চক্রবর্তী পেয়েছেন ৯৯ নম্বর,  দিলীপ ঘোষের প্রাপ্ত নম্বর ৮৪। আর এরপরেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। বিষয়টি কাকতালীয় নাকি কেউ ইচ্ছা করেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে, তা নিয়েই শুরু জোর চর্চা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল।

    পর্ষদ সভাপতি কী বললেন?

    প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে বলে আশঙ্কা করেছেন সভাপতি গৌতম পাল (TET Scam)। তিনি বলেন, “কেউ হয়ত নিজেদের তৈরি করা তালিকা ঢুকিয়ে দিয়েছে।”  তিনি আরও জানিয়েছেন, টেট পরীক্ষার্থীদের নাম কোনওভাবে হুবহু মিলেও যেতে পারে। তবে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গৌতম পাল। ফলে এই অবাক কাণ্ড নিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) নবান্ন অভিযানে পুলিশের ধৈর্যের প্রশংসা করে গুলি চালানো নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তা নিয়ে অভিযোগ জানাতে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। অভিযোগ, অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা নিতে চায়নি পুলিশ। অগত্যা ব্যাংকশাল কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সুকান্ত।

    বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন ব্যাপক অশান্তি হয়। জখম হন এক পুলিশ কর্তাও। তাঁকে দেখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, ওনাকে বলেছি, আপনাকে স্যালুট জানাই। আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতাম, তাহলে মাথায় গুলি করতাম। তৃণমূল নেতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন সুকান্ত। পুলিশ অভিযোগ না নেওয়ায় আদালতের শরণ নেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি। তাই আদালতের দ্বারস্থ হলাম।

    আরও পড়ুন : বিজেপির নবান্ন অভিযানে ‘অশান্তি’, সিবিআই তদন্তের দাবি অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে

    আইনজীবী লোকনাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, এদিন ব্যাংকশাল কোর্টে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ওই ‘গুলি’ মন্তব্য নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দুই আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল ও অজিত মিশ্র আদালতকে বলেন, রাজ্যের শাসক দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপির কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে কর্মীদের ওপর অত্যাচার করে পুলিশ। লাঠি, কাঁদানে গ্যাস, বোম সহ নানা ধরনের পদক্ষেপ করা হয়। এর ফলে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আবার বিজেপি কর্মীদেরই মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। এর পর অভিষেক ওই মন্তব্য করেন। এই দুই আইনজীবী বলেন, এটি এক ধরনের অপরাধমূলক মন্তব্য। এ নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে নেওয়া হয়নি। তাঁদের প্রশ্ন, তাহলে মানুষ কোথায় অভিযোগ জানাতে যাবেন? শুনানি পর্ব চলাকালীন সরকারি আইনজীবীরা আদালতে হইচই করেন বলে অভিযোগ সুকান্তর। তিনি বলেন, তবে বিচার ব্যবস্থার ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Menoka Gambhir: হঠাৎ মধ্যরাতে আইনজীবীকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির মেনকা গম্ভীর! কেন?

    Menoka Gambhir: হঠাৎ মধ্যরাতে আইনজীবীকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির মেনকা গম্ভীর! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনটা ঘটার কথা নয়। তবু ঘটল। রবিবার রাত সাড়ে ১২ টার সময় ইডির দফতরে পৌঁছলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা (sister-in-law) মেনকা গম্ভীর (Menoka Gambhir)। কয়লা মামলায় (Coal scam) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে তলব করে ইডি (ED)। মধ্য রাতে সিজিও কমপ্লেক্সে স্বাভাবিক ভাবেই সেই সময়ে সিজিও-র মূল দরজায় তালা ঝোলানো ছিল। কর্তব্যরত জওয়ানদের মেনকারা জানান, এই সময়ে তাঁদের তলব করা হয়েছে। তারপর তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়। মেনকা এবং তাঁর আইনজীবী যান পাঁচতলায়। কিন্তু সেখানেও কেউ ছিলেন না। ফলে খানিকক্ষণ অপেক্ষা করে রাত একটা নাগাদ সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা।

    কিন্তু এত রাতে এই নাটকের মানে কী? স্বভাবতই যে কেউ বুঝতে পারবেন এত রাতে কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে না। এটা হয়ত বা যান্ত্রিক ত্রুটি। কী কোনওভাবে ভুলবশত হয়ে গিয়েছে। যদিও বা এই ধরনের ভুল কাম্য নয়। কিন্তু এই বিচিত্র সময়ে ডাকার কারণ আগেই চিঠি দিয়ে জানতে চাইতে পারতেন মেনকা। কিন্তু তিনি তা না করে নিজের আইনজীবী  সৌমেন মহান্তিকে নিয়ে রাতেই ইডির দফতরে যান। শুরু হয় নাটক। সংবাদ মাধ্যমকে ডেকে এই খবর দেওয়া হয়। এটা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ছোট করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে করা হয়েছে, বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন: বাংলায় কালো টাকার পাহাড়! এবার ইডি হানা কোথায়?

    এর আগে শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা মেনকাকে ব্যাঙ্কক যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরেই আটকে দেয় ইডি। লুকআউট সার্কুলার থাকায় তাঁকে ফিরতে হয় কলকাতা বিমানবন্দর থেকে।  বিমানবন্দর সূত্রে খবর,মেনকা অভিবাসন দফতরের কাউন্টারে যাওয়ার পরই সেখানকার অফিসাররা তাঁকে ইডির লুকআউট সার্কুলারের কথা জানান।  এরপর তাঁকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয় অভিবাসন দফতরের একটি ঘরে। অভিবাসন দফতর বিষয়টি জানায় দিল্লির ইডি দফতরে। তারপর কলকাতার ইডি দফতরের এক অফিসার পৌঁছে যান বিমানবন্দরে। আগামী সপ্তাহে কলকাতার ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে ইডির নোটিস ধরানো হয় মেনকাকে। ওই নোটিসেই সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ‘টুয়েলভ থার্টি PM’-এর বদলে কোনওভাবে ‘টুয়েলভ থার্টি AM’হয়ে যায়। 

    সূত্রের খবর, নোটিস পাঠিয়েও ইডির তরফে কারও না থাকাকে হাতিয়ার করে এবার পাল্টা আইনি লড়াইয়ে হাঁটতে পারেন মেনকা গম্ভীর। যদিও এ ব্যাপারে সোমবার পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। সময়ের গণ্ডগোলের জন্য আজ হয়ত হাজিরা দেবেন না মেনকা যদি না পাল্টা সমন জারি করা হয় এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।

    এদিকে, ভুল সংশোধন করে সোমবার সকালে মেনকাকে নতুন সমন পাঠানো হয়। সেই মতো, দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা। এদিন তাঁকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। 

LinkedIn
Share