Tag: ABT

ABT

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশকে খিলাফতে পরিণত করতে চাইছে আইএসআই এবং হামাস!

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশকে খিলাফতে পরিণত করতে চাইছে আইএসআই এবং হামাস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোটানায় বাংলাদেশ! একদিকে দেশের ধর্ম নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে চাইছে শিক্ষিত মহল। আর একদিকে ইসলামি অ্যাজেন্ডার (Caliphate) দিকে ঝুঁকছে মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh Crisis)। বাংলাদেশকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র বা খিলাফতে রূপান্তরিত করতে চাইছে ইসলামপন্থী, জেহাদি এবং খিলাফতকামী গোষ্ঠীগুলি।

    নেতৃত্বে ইউনূস (Bangladesh Crisis)

    এদের নেতৃত্বে রয়েছেন ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক ইউনূসের মতো ব্যক্তিত্বও। ইউনূস সরকারের এহেন আচরণে যারপরনাই উল্লসিত পাকিস্তানের সামরিক প্রতিষ্ঠান, পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মূলত তাদেরই খুশি করতে কট্টর ভারত বিরোধিতার পন্থা নিয়েছে ইউনূস প্রশাসন। এই পরিস্থিতি ইসলামাবাদের নতুন “বাংলাদেশ ২.০”-এর আকাঙ্ক্ষাকে আরও উস্কে দিয়েছে। পাকিস্তানি বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি কনফেডারেশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাকিস্তানের গণমাধ্যমে এই দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে “বাংলাদেশ ২.০”-কে “পূর্ব পাকিস্তান” হিসেবেও উল্লেখ করা হচ্ছে। তারা ১৯৭১ সালের পরবর্তী বাংলাদেশি সরকারগুলিকে “নির্মম শাসক” বলেও অভিহিত করছে (Bangladesh Crisis)।

    পাক মিডিয়ার প্রচার

    ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আসেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। যে আন্দোলনের জেরে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল, সেই ঘটনাকে পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো “দশকের পর দশক ধরে চলা নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিপ্লবী আন্দোলন” বলে বর্ণনা করেছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পালিত হয়েছে পাকিস্তানের জনক মহম্মদ আলি জিন্নার ৭৬তম মৃত্যু বার্ষিকী। নবাব সলিমুল্লাহ অ্যাকাডেমি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উর্দু গান ও কবিতা পরিবেশিত হয়। এতে পাকিস্তানপন্থী অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্তা, শিক্ষাবিদ, কূটনীতিক এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা (Caliphate) উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে বক্তরা জিন্নাহর পাকিস্তান সৃষ্টিতে ভূমিকার উপর জোর দেন। ঢাকার ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু অ্যাভেনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে জিন্নাহ অ্যাভেনিউ রাখার প্রস্তাব দেন। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ পাকিস্তান অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলি থেকে গোলাবারুদ, আরডিএক্স বিস্ফোরক এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রজেক্টাইল কিনেছে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পাকিস্তানের বহুজাতিক সামরিক মহড়া “ইনডাস শিল্ড-২০২৪”-এ অংশগ্রহণ করেছে। একইসঙ্গে ইসলাবমাদ থেকে চিনা-নির্মিত জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনার ব্যাপারেও খোঁজখবর (Bangladesh Crisis) করেছে।

    খিলাফতে পরিণত করার চেষ্টা

    জানা গিয়েছে, ইউনূস প্রশাসন যখন ক্রমেই বাংলাদেশকে খিলাফতে পরিণত করতে সচেষ্ট, তখন বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যরা দেশের সার্বভৌমত্ব বা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহ্যকে খাটো করার যে কোনও চেষ্টার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। তা সত্ত্বেও আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, হিযবুত তাহরীর এবং আল কায়েদা ও আইএস-এর সহযোগী বিভিন্ন ইসলামপন্থী গোষ্ঠী বাংলাদেশে ইউনূসের নেতৃত্বে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাধা হিসাবে চিহ্নিত করে, পাকিস্তানের আইএসআই তাকে দুর্বল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের চেষ্টার মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রভাবশালী লবিস্ট নিয়োগ করে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচার চালানো।

    সক্রিয় হামাসও

    বাংলাদেশের এই ডামাডোলের সুযোগ নিতে শুরু করেছে প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসও। তারা রাষ্ট্রসংঘে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি করেছে (Caliphate)। সেখানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এর আগে, বাংলাদেশের কিছু আদালত বেশ কয়েকজন সেনা কর্তাকে এক্সট্রাজুডিশিয়াল হত্যা ও জোরপূর্বক নিখোঁজ হওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। দেশে গোপন আটককেন্দ্র চালানোর অভিযোগ তুলে সুপরিকল্পিত প্রচার চালানো হয়েছে, যা গোয়েন্দা ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সংস্থার বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে (Bangladesh Crisis)।

    আরও পড়ুন: “মোদির নেতৃত্বে ভারত হবে এক বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ”, বললেন চন্দ্রবাবু

    উবে গেল ‘মায়ের ডাক’

    হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের কয়েক মাস আগে, ‘মায়ের ডাক’ নামে একটি সংগঠন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপক কভারেজ পাচ্ছিল। এই সংগঠনের সংগঠকরা “নিখোঁজ” পরিবারের সদস্যরা ফিরে এসেছে বলে দাবি করেছিল। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ‘মায়ের ডাক’ হঠাৎ উবে গেল কর্পূরের মতো। এর নেপথ্যে বাইডেন প্রশাসন এবং ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের (বিশেষ করে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস) সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা ছিল বলে অভিযোগ।

    সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বিশেষজ্ঞের বক্তব্য

    সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বিশেষজ্ঞ দমসানা রণধীরণ বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে (Bangladesh Crisis) জামাত-ই-ইসলামি এবং মুসলিম ব্রাদারহুড কংগ্রেস ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক বজায় রাখে। যদি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ সামনে আসে, তবে এটি দেশের আন্তর্জাতিক অবস্থানে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী মূলত ইসলামপন্থা এবং জেহাদবাদের ঘোরতর বিরোধী। তারা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো রক্ষা করতে এবং ইসলামিক রিপাবলিক বা খিলাফত (Caliphate) প্রতিষ্ঠার যে কোনও প্রচেষ্টা প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।” রণধীরণ বলেন, “আইএসআই-নিযুক্ত লবিস্ট এবং হামাসপন্থী আইন প্রণেতাদের কার্যকলাপ তীব্রভাবে পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিরোধ করা অত্যন্ত জরুরি (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Militant: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল! জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান গোয়েন্দারা

    Militant: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল! জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল বিস্তৃত করেছে জঙ্গিরা! সেই জালের মধ্যে থাকা একের পর এক জঙ্গিকে (Militant) গ্রেফতার করতে শুরু করেছে পুলিশ। গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, জেল থেকে জঙ্গিদের একাংশ আনসারুল্লা বাংলা টিমের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে এখনও। বিষয়টির গভীরে যেতে জেলবন্দি জঙ্গিদের নতুন করে জেরা করতে চান গোয়েন্দারা। তাদের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করে ফেলেছেন গোয়েন্দারা। এই জঙ্গিদের জেরা করতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তদ্বির করতে শুরু করেছেন।

    বাংলায় নাশকতার ছক!(Militant)

    সূত্রের খবর, রাজ্যের নানা জেলে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এবং আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) প্রায় ৪০ জন বন্দি আছে। তাদের মধ্যে আছে খাগড়াগড় এবং বিহারের বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণে অভিযুক্তরাও। এদের পাঁচজন বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলায় (Militant) এরা নাশকতা করতেই জড়ো হয়েছিল। ত্রিপুরা, অসম, বিহার থেকে এখানে এসে নাশকতা করার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। ক্যানিং থেকেও ধরা পড়েছে জঙ্গি। তাকে জেরা করা হয়েছে। সেখান থেকে নানা তথ্য হাতে এসেছে। আবার সুন্দরবনের উপকূল এলাকায় লস্কর-ই- তৈবার জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়েছে বলে গোয়েন্দারা গোপন সূত্রে খবর পেয়েছেন।

    জেলবন্দি বাংলাদেশি জঙ্গিদের জেরা

    গোয়েন্দাদের দাবি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতেই এবিটি’র প্রধান জসিমুদ্দিন রহমানির নির্দেশে সক্রিয় হয় জঙ্গিরা। তাদের বাকি পরিকল্পনা জানতেই এবার জেলবন্দি বাংলাদেশি জঙ্গিদের (Militant) জেরা করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। বাংলার জেলে এখন বন্দি আছে খাগড়াগড় ও বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণে অভিযুক্ত বাংলাদেশ নাগরিক রহমতুল্লা ওরফে সাজিদ, জাহিদুল ওরফে কওসর, তারিকুল ওরফে সুমন, লিয়াকত ওরফে রফিক। এদের মধ্যে তারিকুল এখন বহরমপুর জেলে বন্দি। আর তারিকুলের সঙ্গে মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার হওয়া এবিটি’র জঙ্গি মিনারুল শেখ ও আব্বাস আলির যোগ রয়েছে। সেই প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তাই গোয়েন্দারা তারিকুলকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চান। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত ১২ জন এখন সাজা শেষ করে বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। তারা আবার নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কিনা সেটার খোঁজও শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

    গোপনে বাংলায় সংগঠন এবিটি-র!

    গোয়েন্দাদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াগড় কাণ্ডের পরেও বাংলায় জঙ্গি (Militant) নেটওয়ার্ক নির্মূল হয়নি। ২০২২ সালে অসম এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে এবিটি’র কয়েকজন জঙ্গি গ্রেফতার হতেই জানা যায়, গোপনে বাংলায় সংগঠন তৈরি করেছে আল-কায়দার উপমহাদেশীয় শাখা এবিটি। এবার অসম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া নূর ইসলাম মণ্ডলকে জেরা করে উঠে এসেছে, খাগড়াগড় বিস্ফোরণের আগে বর্ধমানের শিমুলিয়া মাদ্রাসায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিল সে। ২০২৪ সালে বাংলার নানা জায়গায় ঘুরেছিল নূর। আব্বাস এবং মিনারুলের সঙ্গে বৈঠকও করেছিল নূর। গোয়েন্দারা এবার সব বিষয়টা খুঁজে বের করতেই এখন জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ABT Militants: মুর্শিদাবাদে স্যাটেলাইট স্টেশন তৈরি, জেল ভেঙে সঙ্গীদের ছাড়ানোর ছক ছিল ধৃত এবিটি জঙ্গিদের!

    ABT Militants: মুর্শিদাবাদে স্যাটেলাইট স্টেশন তৈরি, জেল ভেঙে সঙ্গীদের ছাড়ানোর ছক ছিল ধৃত এবিটি জঙ্গিদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে এল আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গিদের (ABT Militants) ছক। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) ছোটখাটো স্যাটেলাইট স্টেশন তৈরি থেকে বহরমপুরের জেল ভেঙে জঙ্গি ছিনতাইয়ের মতো মারাত্মক সব ছক ছিল গ্রেফতার হওয়া আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) জঙ্গিদের। ধৃত এবিটি জঙ্গি নূর ইসলাম মণ্ডল ট্রেনিং-ও নিয়েছিল কুখ্যাত শিমুলিয়া মাদ্রাসায়। একইসঙ্গে জঙ্গিদের এই খাগড়াগড়-যোগ মিলেছে।

    কীভাবে খাগড়াগড়-যোগ প্রকাশ্যে এল?

    খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে জড়িত জঙ্গি গোষ্ঠী, জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ কিংবা জেএমবির সঙ্গে বর্তমানে বাংলাদেশে অত্যন্ত শক্তিশালী ও সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলাদেশ টিমের (ABT Militants) সম্পর্ক অত্যন্ত জোরালো! অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে অসম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠী আনসারুল্লা বাংলা টিমের (ABT Militants) একাধিক জঙ্গি! এখনও অবধি ধৃত ১২ জনের মধ্যে ২ জনকে মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ। এমনকী, কেরল থেকে যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই বাংলাদেশি নাগরিক শাদ রাডিরও বাড়ি মুর্শিদাবাদেই। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) হরিহরপাড়া থেকে আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গি যে আব্বাস আলিকে গ্রেফতার করে অসম পুলিশের এসটিএফ, সেই আব্বাস যখন পকসো মামলায় বহরমপুর জেলে বন্দি ছিল, সেই সময় জেলে তার সঙ্গে আলাপ হয় খাগড়াগড়কাণ্ডে ধৃত জঙ্গি, সাদিক সুমন ওরফে তারিকুল ইসলামের। আর তখনই সাদিককেই জেল থেকে বের করার ছক কষছিল এবিটি-র জঙ্গিরা! জেল ভেঙে তাকে মুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

    এবিটি জঙ্গিদের (ABT Militants) পশ্চিমবঙ্গে ঘাঁটি! 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গিদের পশ্চিমবঙ্গে ঘাঁটি গেড়ে থাকা অত্যন্ত বিপজ্জনক। সূত্রের দাবি, ভৌগলিক অবস্থানের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে জঙ্গিগোষ্ঠী সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) ছোটখাটো ‘স্যাটেলাইট শিবির’ তৈরির ছক কষেছিল! এছাড়া এবিটি-র (ABT Militants) বহু জঙ্গি, আগে জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি-র সঙ্গে যুক্ত ছিল। আর জেএমবি হল সেই সংগঠন, যাদের জঙ্গিরা সেই ২০১৪ সালেই নাশকতার ছক নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল। বর্ধমানে বাড়ি ভাড়া নিয়ে, সেখানে বিস্ফোরক বানাচ্ছিল। খাগড়াগড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণে সেই চক্রান্ত ফাঁস হয়ে যায়। এরপর বাংলাদেশে হাসিনা সরকার তৎপর হতেই, জেএমবির জঙ্গিরা নাম লেখায় আনসারুল্লা বাংলা টিমে। আর এবার তারা ঘাঁটি গাড়ছে এরাজ্যে।

    শিমুলিয়া মাদ্রাসায় ট্রেনিং!

    এবিটি-র ধৃত ১২ জন জঙ্গির (ABT Militants) অন্যতম নুর ইসলাম মণ্ডল। তার বাড়ি অসমের কোকরাঝাড়ে হলেও পুলিশ সূত্রে দাবি, খাগড়াগড়কাণ্ডের আগে নূর ইসলাম কুখ্যাত শিমুলিয়া মাদ্রাসায় ট্রেনিং পর্যন্ত নিয়েছিল। এমনকী, তাঁর অবাধ যাতায়াত ছিল আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটাতেও। ‘অপারেশন প্রঘাত’-এ ধৃত নূর ইসলামকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, অসমের বরপেটার এই জায়গা থেকেই প্রায় ২০৭ কিমি দূরে পশ্চিমবঙ্গের ফালাকাটাতে কমপক্ষে ২-৩ বার বিভিন্ন বাড়িতে দাওয়াতের নামে বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিল এবিটির (ABT Militants) আরও কয়েকজন সদস্য। কী পরিকল্পনা তাদের হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ansarullah Bangla Team: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    Ansarullah Bangla Team: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্যরাই এখন আর এক জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের (Ansarullah Bangla Team), যা সংক্ষেপে এবিটি নামেও পরিচিত, খাতায় নাম লিখিয়েছে বলে আগেই জানতে পেরেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এবার রাজ্য পুলিশের এসটিএফের গোয়েন্দারাও জানালেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তথ্যই ঠিক। সোমবার মুর্শিদাবাদের নওদা থেকে গ্রেফতার হওয়া সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিন মণ্ডল ওরফে মোস্তাকিম শেখকে জেরা করেই এই তথ্যের সত্যতা মিলেছে। এসটিএফের দাবি, কয়েক বছর আগে সাজিবুল ও মুস্তাকিন জেএমবির স্লিপার সেলের সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করেছিল। বছর খানেক ধরে তারা কাজ করছে এবিটির হয়ে।

    এসটিএফের দাবি (Ansarullah Bangla Team)

    এসটিএফের দাবি, এলাকায় ঘুরে ঘুরে ওই দুই জঙ্গি স্থানীয় যুবকদের জঙ্গিদলে ভিড়িয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বাংলায় আসা এবিটির নেতা ফারহান ইসরাক-সহ দুই জঙ্গি সংগঠনের মাথাদের থাকার ব্যবস্থা করার দায়িত্ব ছিল ধৃতদের ওপর। আর্থিক দিক থেকে সংগঠনকে চাঙা করার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল তাদের। গোয়েন্দারা জেনেছেন, নানা জায়গা থেকে টাকা জোগাড় করে সাজিবুলরা পাঠাত ধরা পড়া শাদ রাডি ওরফে শাব শেখকে। তারা ঠিক কত টাকা সংগ্রহ করেছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। জেএমবি এবং এবিটি এই দুই সংগঠনের সদস্যদের গোপন বৈঠক এবং শিবিরের আয়োজনের দায়িত্বও ছিল সাজিপুলদের ঘাড়ে। এই সাজিবুল (Ansarullah Bangla Team) শাবের পিসতুতো ভাই। ফারহান বাংলাদেশ থেকে শাবকে কোনও নির্দেশ দিলে, শাব তা জানাত সাজিবুলকে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ব রেমিট্যান্স তালিকায় শীর্ষে মোদির ভারত, বহু পিছনে চিন, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    ১২ জন এবিটি সদস্য গ্রেফতার

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে বাংলার দুই সহ মোট ১২ জন এবিটি সদস্যকে গ্রেফতার করে অসম পুলিশ। অসমে গিয়ে গোয়েন্দারা শাব এবং নুর ইসলাম মণ্ডলকে জেরা করে জানতে পারে সাজিবুল ও মুস্তাকিনের নাম। রবিবার রাতে নওদা থানা এলাকা থেকে আটক করা হয় এই দুজনকে। পরে করা হয় গ্রেফতার। তাদের জেরা করে কয়েকজন বাংলাদেশির নামও জেনেছেন গোয়েন্দারা। তারা কতজনকে সংগঠনের কাজে যুক্ত করেছে, তারও তত্ত্বতালাশ করছেন গোয়েন্দারা। সাব বহুবার নওদায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে এলেও, জেলা পুলিশ কেন কিছুই জানতে পারল না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মুর্শিদাবাদে বাংলাদেশিদের একাধিক ডেরা থাকলেও, জেলা পুলিশ কেন কিছুই টের পাচ্ছে না নাকি জানার চেষ্টা করছে না, সে প্রশ্নও উঠছে (Ansarullah Bangla Team)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইউনূস জমানায় মুক্ত করে দেওয়া হল জঙ্গি নেতা রাহামানিকে

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইউনূস জমানায় মুক্ত করে দেওয়া হল জঙ্গি নেতা রাহামানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সে আল কায়েদা-প্রাণিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ (Ansarullah) বাংলা টিমের (ABT) প্রধান। ১৮ অগাস্ট তাকেই মুক্তি দিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জসিমুদ্দিন রাহামানি বন্দি ছিল গাজিপুরের কাশিমপুর উচ্চ নিরাপত্তা কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখান থেকে তাকে মুক্তি দেয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

    কী বলছেন জেল সুপার (Bangladesh Crisis)

    জেল সুপার বলেন, “তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলায় জামিন পাওয়ায় রবিবার দুপুর সওয়া একটা নাগাদ তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।” রাহামানিকে মুক্তি দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রসিকিউশনের আইনজীবী এবং সন্ত্রাসবাদ-বিরোধীরা। তাঁদের মতে, রাহামানির মুক্তি সন্ত্রাসের হুমকি বাড়াবে। সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে তাঁর বিরুদ্ধে  দায়ের করা মামলার বিচারে বাধার সৃষ্টি করবে।

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১২ অক্টোবর বরগুনা থেকে গ্রেফতার করা হয় রাহামানিকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, হিংসায় জনগণকে প্ররোচিত করেছিল সে। আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৩০ সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই বন্দিদশা কাটাচ্ছিল রাহামানি। তার বিরুদ্ধে ছ’টি আলাদা আলাদা মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সবক’টি মামলায় চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

    ব্লগার খুনেও অভিযুক্ত

    ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর খুন হন ব্লগার রাজীব হায়দার। এই খুনের ঘটনায় রাহামানিকে (Bangladesh Crisis) পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার একটি আদালত। বাংলাদেশের পল্লবী থানার এই মামলাটি ছাড়াও মহম্মদপুর থানায় তার বিরুদ্ধে আরও দুটি, গুলশান থানায় একটি, বরগুনা সদর থানায় একটি এবং উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই সব মামলাই বিচারাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে। ২০২০ ও ২০২২ সালে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল জামিন দেয় তাকে। ২০২২, ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে, অন্য তিনটি মামলায়ও জামিন দেওয়া হয় তাকে।

    আরও পড়ুন: নকশাল দমনের গতিপ্রকৃতি জানতে দু’দিনের ছত্তিশগড় সফরে যাচ্ছেন অমিত শাহ

    কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রানজিশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মহম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “আমরা এখন রহমানিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। সে আমাদের নজরদারিতে থাকবে।” ভারতেও ঘাঁটি গেড়েছিল রহমানিয়ার সংগঠন। ২০২২ সালে অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, যেটা আল কায়েদার সঙ্গে যুক্ত, এ রাজ্যে সব চেয়ে সক্রিয় ছিল। গত ছ’মাসে রাজ্যে এবিটির (Ansarullah) পাঁচটি মডিউল ধরা পড়েছে (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Assam: অসমে জঙ্গিদের নতুন ছক! হাতিয়ার করা হয়েছে মাদ্রাসাগুলোকে, জানুন কীভাবে

    Assam: অসমে জঙ্গিদের নতুন ছক! হাতিয়ার করা হয়েছে মাদ্রাসাগুলোকে, জানুন কীভাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে অসমে প্রায় ১ হাজার বেসরকারি মাদ্রাসা রয়েছে। ২০১৬ সালে সেই সংখ্যা ছিল ৭৮৮টি। আনুমানিক ১০ হাজার শিক্ষার্থী ওই মাদ্রাসাগুলিতে পড়ে। বহু মাদ্রাসাতেই বেআইনি এবং দেশবিরোধী কাজ হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকটি মাদ্রাসায় দেশবিরোধী কাজে মদত দেওয়া হয় বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সদ্য বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি ধরা পড়েছে অসমে। গ্রেফতার করা হয়েছে মুফতি মোস্তাফা নামের মরিগাঁও এলাকার এক মাদ্রাসা শিক্ষককে। মোস্তাফা এখন রয়েছেন পুলিশ হেফাজতে। ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের অন্যতম জঙ্গি সংগঠন Ansar ul Bangla Team (ABT)-র সদস্য বলে পুলিশের দাবি। অসম পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মতে, ওই জঙ্গি সংগঠন মরিগাঁও এলাকা নিজেদের ‘মডিউল’ গড়ে তুলছিল। মোস্তাফাকে জেরা করে অনেক তথ্য উঠে এসেছে। 

    অসমের পুলিশের স্পেশাল ডিজি জিপি সিং (GP Singh) জানান, “মুফতি মোস্তাফা যে ‘জিহাদি ট্রেনিং’ দেখাতেন, তা তার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলিতে পাওয়া গিয়েছে। আমরা এখন দেখতে চাইছি, তাঁর ওই ভিডিয়োগুলি কতজন দেখেছেন। মাদ্রাসার পড়ুয়াদের ওপরে সেগুলির কী প্রভাব পড়েছে, তাও আমরা দেখতে চাইছি।” জিপি সিং বলেন, “ওই মাদ্রাসার শিক্ষক যে ভিডিয়োগুলি দেখাতেন, সেখানে তালিবানদের ট্রেনিং নেওয়ার বিষয়টিও আছে। সেগুলি দিয়ে তিনি ওই মাদ্রাসার পড়ুয়াদের প্রভাবিত করতেন।” তিনি জানান, একাধিক মাদ্রাসা তাঁদের ‘স্ক্যানারে’ আছে। 

    আরও পড়ুন: বিভীষিকা বিশাখাপত্তনমে! কাপড়ের কারখানায় গ্যাস লিক করে অসুস্থ ৫০জন, ভর্তি হাসপাতালে

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) এক বিবৃতিতে বলেছেন, “পুলিশের সর্ববৃহৎ অভিযানে ধরা পড়েছে একঝাঁক জেহাদি। মৈরাবাড়িতে একটি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্য এই প্রথম কোনও ধর্মীয় মাদ্রাসার শিক্ষককে জেহাদি-যোগের দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে সেই মাদ্রাসাকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বরপেটাতেও বড়সড় জঙ্গি মডিউল ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক, বিভিন্ন ধরনের লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। ধর্মীয় মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি  অভিযান চলছে।”

    অসমের শিক্ষামন্ত্রী রনোজ পেগু (Ranoj Pegu) বলেন, “অসমে কোনও সরকারি মাদ্রাসা নেই। আমরা একাধিক মাদ্রাসার শিক্ষকদের সম্পর্কে কিছু অভিযোগ পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই মাদ্রাসাগুলি বন্ধ করে সেখানের পড়ুয়াদের অন্য স্কুলে যাওয়ার জন্য বলা হবে।” ইতিমধ্যেই অসমে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৫০টি মাদ্রাসা, বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

LinkedIn
Share