Tag: ABT

ABT

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইউনূস জমানায় মুক্ত করে দেওয়া হল জঙ্গি নেতা রাহামানিকে

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইউনূস জমানায় মুক্ত করে দেওয়া হল জঙ্গি নেতা রাহামানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সে আল কায়েদা-প্রাণিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ (Ansarullah) বাংলা টিমের (ABT) প্রধান। ১৮ অগাস্ট তাকেই মুক্তি দিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জসিমুদ্দিন রাহামানি বন্দি ছিল গাজিপুরের কাশিমপুর উচ্চ নিরাপত্তা কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখান থেকে তাকে মুক্তি দেয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

    কী বলছেন জেল সুপার (Bangladesh Crisis)

    জেল সুপার বলেন, “তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলায় জামিন পাওয়ায় রবিবার দুপুর সওয়া একটা নাগাদ তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।” রাহামানিকে মুক্তি দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রসিকিউশনের আইনজীবী এবং সন্ত্রাসবাদ-বিরোধীরা। তাঁদের মতে, রাহামানির মুক্তি সন্ত্রাসের হুমকি বাড়াবে। সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে তাঁর বিরুদ্ধে  দায়ের করা মামলার বিচারে বাধার সৃষ্টি করবে।

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১২ অক্টোবর বরগুনা থেকে গ্রেফতার করা হয় রাহামানিকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, হিংসায় জনগণকে প্ররোচিত করেছিল সে। আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৩০ সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই বন্দিদশা কাটাচ্ছিল রাহামানি। তার বিরুদ্ধে ছ’টি আলাদা আলাদা মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সবক’টি মামলায় চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

    ব্লগার খুনেও অভিযুক্ত

    ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর খুন হন ব্লগার রাজীব হায়দার। এই খুনের ঘটনায় রাহামানিকে (Bangladesh Crisis) পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার একটি আদালত। বাংলাদেশের পল্লবী থানার এই মামলাটি ছাড়াও মহম্মদপুর থানায় তার বিরুদ্ধে আরও দুটি, গুলশান থানায় একটি, বরগুনা সদর থানায় একটি এবং উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই সব মামলাই বিচারাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে। ২০২০ ও ২০২২ সালে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল জামিন দেয় তাকে। ২০২২, ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে, অন্য তিনটি মামলায়ও জামিন দেওয়া হয় তাকে।

    আরও পড়ুন: নকশাল দমনের গতিপ্রকৃতি জানতে দু’দিনের ছত্তিশগড় সফরে যাচ্ছেন অমিত শাহ

    কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রানজিশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মহম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “আমরা এখন রহমানিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। সে আমাদের নজরদারিতে থাকবে।” ভারতেও ঘাঁটি গেড়েছিল রহমানিয়ার সংগঠন। ২০২২ সালে অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, যেটা আল কায়েদার সঙ্গে যুক্ত, এ রাজ্যে সব চেয়ে সক্রিয় ছিল। গত ছ’মাসে রাজ্যে এবিটির (Ansarullah) পাঁচটি মডিউল ধরা পড়েছে (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Assam: অসমে জঙ্গিদের নতুন ছক! হাতিয়ার করা হয়েছে মাদ্রাসাগুলোকে, জানুন কীভাবে

    Assam: অসমে জঙ্গিদের নতুন ছক! হাতিয়ার করা হয়েছে মাদ্রাসাগুলোকে, জানুন কীভাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে অসমে প্রায় ১ হাজার বেসরকারি মাদ্রাসা রয়েছে। ২০১৬ সালে সেই সংখ্যা ছিল ৭৮৮টি। আনুমানিক ১০ হাজার শিক্ষার্থী ওই মাদ্রাসাগুলিতে পড়ে। বহু মাদ্রাসাতেই বেআইনি এবং দেশবিরোধী কাজ হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকটি মাদ্রাসায় দেশবিরোধী কাজে মদত দেওয়া হয় বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সদ্য বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি ধরা পড়েছে অসমে। গ্রেফতার করা হয়েছে মুফতি মোস্তাফা নামের মরিগাঁও এলাকার এক মাদ্রাসা শিক্ষককে। মোস্তাফা এখন রয়েছেন পুলিশ হেফাজতে। ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের অন্যতম জঙ্গি সংগঠন Ansar ul Bangla Team (ABT)-র সদস্য বলে পুলিশের দাবি। অসম পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মতে, ওই জঙ্গি সংগঠন মরিগাঁও এলাকা নিজেদের ‘মডিউল’ গড়ে তুলছিল। মোস্তাফাকে জেরা করে অনেক তথ্য উঠে এসেছে। 

    অসমের পুলিশের স্পেশাল ডিজি জিপি সিং (GP Singh) জানান, “মুফতি মোস্তাফা যে ‘জিহাদি ট্রেনিং’ দেখাতেন, তা তার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলিতে পাওয়া গিয়েছে। আমরা এখন দেখতে চাইছি, তাঁর ওই ভিডিয়োগুলি কতজন দেখেছেন। মাদ্রাসার পড়ুয়াদের ওপরে সেগুলির কী প্রভাব পড়েছে, তাও আমরা দেখতে চাইছি।” জিপি সিং বলেন, “ওই মাদ্রাসার শিক্ষক যে ভিডিয়োগুলি দেখাতেন, সেখানে তালিবানদের ট্রেনিং নেওয়ার বিষয়টিও আছে। সেগুলি দিয়ে তিনি ওই মাদ্রাসার পড়ুয়াদের প্রভাবিত করতেন।” তিনি জানান, একাধিক মাদ্রাসা তাঁদের ‘স্ক্যানারে’ আছে। 

    আরও পড়ুন: বিভীষিকা বিশাখাপত্তনমে! কাপড়ের কারখানায় গ্যাস লিক করে অসুস্থ ৫০জন, ভর্তি হাসপাতালে

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) এক বিবৃতিতে বলেছেন, “পুলিশের সর্ববৃহৎ অভিযানে ধরা পড়েছে একঝাঁক জেহাদি। মৈরাবাড়িতে একটি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্য এই প্রথম কোনও ধর্মীয় মাদ্রাসার শিক্ষককে জেহাদি-যোগের দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে সেই মাদ্রাসাকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বরপেটাতেও বড়সড় জঙ্গি মডিউল ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক, বিভিন্ন ধরনের লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। ধর্মীয় মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি  অভিযান চলছে।”

    অসমের শিক্ষামন্ত্রী রনোজ পেগু (Ranoj Pegu) বলেন, “অসমে কোনও সরকারি মাদ্রাসা নেই। আমরা একাধিক মাদ্রাসার শিক্ষকদের সম্পর্কে কিছু অভিযোগ পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই মাদ্রাসাগুলি বন্ধ করে সেখানের পড়ুয়াদের অন্য স্কুলে যাওয়ার জন্য বলা হবে।” ইতিমধ্যেই অসমে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৫০টি মাদ্রাসা, বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

LinkedIn
Share