Tag: Accident

Accident

  • Jalpaiguri: গাড়ি চালানো শিখতে গিয়ে ৯ বছরের বালককে পিষে মারল যুবক, অগ্নিগর্ভ এলাকা

    Jalpaiguri: গাড়ি চালানো শিখতে গিয়ে ৯ বছরের বালককে পিষে মারল যুবক, অগ্নিগর্ভ এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাড়ি চালানো শিখতে গিয়ে ৯ বছরের বালককে পিষে মারল এক যুবক। রবিবার ঘটনাটি ঘটছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ির দেবীনগর পাড়া এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম শুভজিৎ রায় (৯)। তার বাড়ি ময়নাগুড়ি শহরের দেবীনগর এলাকায়। এখানেই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকে তার পরিবার। ঘটনার জেরে গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন উত্তেজিত জনতা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jalpaiguri)

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি শহরের দেবীনগর এলাকায় একটি শুভজিৎ বাড়িতে ভাড়া থাকে তার পরিবার। রবিবার সকালে সাইকেল নিয়ে বাড়ির ঠিক পাশের একটি দোকানে এসেছিল শুভজিৎ। তখন ময়নাগুড়ি বেসিক স্কুল ময়দানে গাড়ি চালানো শিখছিল স্থানীয় যুবক অমিতাভ ঘোষ। ওই রাস্তা দিয়ে শুভজিৎ যাওয়ার সময় তখনই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই কিশোরকে ধাক্কা মারে। পিষে দেওয়ায় মৃত্যু হয় তার। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তার চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। কিন্তু, ততক্ষণে সব শেষ। এই দুর্ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। ছোট বালককে পিষে দেওয়ার ঘটনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির দেবীনগর পাড়া এলাকা। উত্তেজিত জনতা যুবকের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। রবিবার সকালে এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। কিন্তু, এসবের মাঝে ওই যুবক ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। পুলিশ এখনও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তাতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এলাকার মানুষজন। তাই পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এই বালক মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান।আর ঘাতক গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ময়নাগুড়ি দমকল কেন্দ্রের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। কিন্তু, পলাতক অভিযুক্ত যুবক অমিতাভ তার খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছেন ময়নাগুড়ি থানার আইসি তমাল দাস। ওই বালককে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু, চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পরই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে। অভিযুক্ত যুবকের গাফিলতির জন্যই এই কিশোরের মৃত্যু হল। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ফের ফরাক্কা ব্যারাজের উপর দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেল তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস

    Murshidabad: ফের ফরাক্কা ব্যারাজের উপর দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেল তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ফরাক্কা ব্যারাজে (Murshidabad) ভয়াবহ দুর্ঘটনা। সোমবার রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্যারাজের গার্ড রেলিং ভেঙে রেল লাইনে ঢুকে গেল একটি মালবাহী ট্রাক। সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ। অল্পের জন্য রক্ষা পেল তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস। যাত্রীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট রাজ্য প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছে মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন।

    কীভাবে বিপত্তি (Murshidabad)?

    নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মালবাহী ট্রাকটি গার্ড ভেঙে ঢুকে পড়ে রেল লাইনে। আর এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় (Murshidabad)। ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ ধরেই ব্যারাজে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছিল। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে আটকে পড়ে বহু যানবাহন। বন্ধ হয়ে যায় রেলের যোগাযোগ মাধ্যমও। দুর্ঘটনার জেরে ফরাক্কা ব্যারাজের উপরে ডাউন লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ে তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস। যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যদিও বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। চালকের তৎপরতায় রক্ষা পেয়েছে ট্রেনটি। ফরাক্কা ব্যারাজে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সিআইএসএফ জওয়ান ও পুলিস প্রশাসন। এদিকে দুর্ঘটনার পরেই ট্রাকটিকে রেল লাইন থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে রেল পুলিশ। উল্লেখ করা যেতে পারে, গত সপ্তাহে ফরাক্কা ব্যারাজে একই রকম একটি দুর্ঘটনা ঘটে।

    গত সপ্তাহেও ঘটেছে দুর্ঘটনা

    গত সপ্তাহে মঙ্গলবার ভোর পাঁচটায় ফরাক্কা ব্যারাজের (Murshidabad) ৬২ নম্বর গেটের কাছে ট্রাক দুর্ঘটনায় বিচ্ছিন্ন হয় উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ। উল্লেখ্য একটি ট্রাক মালদা থেকে আসার পথে ব্রিজের রেলিং ভেঙে রেল লাইনের দিকে চলে যায়। ব্রিজের ওপরে থাকা কর্মরত সিআইএসএফ জওয়ানদের তৎপরতায় ওই মাল গাড়িটিকে দাঁড় করানো হয়। বড়সড় দুর্ঘটনার থেকে রেহাই পায় গাড়ির চালক। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসে ফরাক্কা থানার পুলিশ ও মালদা জেলার বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটিকে উদ্ধার করার কাজে হাত লাগান ব্রিজে থাকা কর্মরত সিআইএসএফ জওয়ানরা। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। কিছুক্ষণের জন্য ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে আস্তে আস্তে তা স্বাভাবিক করে তোলে প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Accident: বর্ধমান-বোলপুর জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স, আরোহী সহ মৃত ৩

    Accident: বর্ধমান-বোলপুর জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স, আরোহী সহ মৃত ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিনজনের। রামপুরহাট থেকে রেফার হয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার সময় বিপত্তি (Accident)। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে পাঁচজন। শুক্রবার মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে বর্ধমান-বোলপুর ২বি জাতীয় সড়কের ভাতারের নতুনগ্রাম এলাকায়। ভাতারের নতুনগ্রাম সংলগ্ন এলাকায় আসতেই বেপরোয়া গতিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি বাইক ও সাইকেল আরোহীকে ধাক্কা মেরে দুই পথচারীকে পিষে দিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায় অ্যাম্বুলেন্সটি।

    কাদের মৃত্যু হল (Accident)?

    দুর্ঘটনায় আম্বুলেন্সে থাকা রোগী সহ মৃত্যু হয় সাইকেল ও বাইক আরোহীর। মৃতরা (Accident) হলেন আম্বুলেন্স থাকা রোগী অনন্ত লেট (৭০), সাইকেল আরোহী তাপস ঘোষ (২৬) এবং বাইক আরোহী আব্দুল রহিম (৩০)। স্থানীয় মানুষজন ও ভাতার থানার পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। সেখানেই মৃত্যু হয় এক পথচারীর। মৃতের নাম তাপস ঘোষ ( ২৬)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের নতুনগ্রামে। বাইক আরোহী দু’জনের বাড়ি বর্ধমানের আলমপুর এলাকায়। ঘটনায় বেশ কিছুক্ষণ যানজটের সৃষ্টি হয়। তড়িঘড়ি ভাতার থানার পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। স্থানীয় মানুষজন জাতীয় সড়কের নতুনগ্রামে স্পিড ব্রেকারের দাবি জানান। পুলিশের আশ্বাসে শান্ত হন উত্তেজিত জনতা। পুলিশ দুর্ঘটনাগ্রস্থ গাড়িগুলিকে উদ্ধার করে।

    কী বলছেন মৃতের আত্মীয়? 

    মৃতের আত্মীয় রানু ঘোষ বলেন, আমি বাড়িতে দোতলায় ছিলাম। একটা বিকট আওয়াজ (Accident) শুনে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসি। মনে হল যেন কিছু বিস্ফোরণ হয়েছে। দেখি দুজন পড়ে রয়েছে। একজনের হাত ভেঙেছে, একজনের পা। এরই মধ্যে দেখি আমেদের গ্রামেরই একটা ছেলে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বুঝতে পারলাম, সে আমাদেরই ভাই হয়, আমার পিস-শাশুড়ির ছেলে, তাপস ঘোষ। কিছু বোঝার আগেই ওকে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে গেল। বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

    কী অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের?

    স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ ঘোষ বলেন, এখানে সব গাড়ি অত্যন্ত রেপরোয়া গতিতে (Accident) যায়। হাম্পের কোনও ব্যবস্থা নেই। দুটো হাম্প ছিল। কিন্তু রাস্তা উঁচু করার পর সেগুলো প্রায় রাস্তার সঙ্গে মিশে গেছে। কোনও লরি মানে না। রাতের দিকে এতো ভাইব্রেশন হয়, আমরা ঘুমতে পারি না। আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করেছিলাম। পুলিশ এসে আশ্বাস দিয়েছে, এখানে হাম্প করে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Accident: ধানবাদ ডিভিশনে রেলের ওভারহেড তারে ঝলসে মৃত্যু ৬ জনের!

    Accident: ধানবাদ ডিভিশনে রেলের ওভারহেড তারে ঝলসে মৃত্যু ৬ জনের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলের ওভারহেড তারে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ৬ জনের (Accident)। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার, ধানবাদ ডিভিশনের নিচিতপুর রেল গেটের কাছে। হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটের ধানবাদ এবং গোমোর মাঝামাঝি জায়গা হল নিচিতপুর গেট। এই ঘটনার জেরে হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটে ট্রেন পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। জানা গেছে, এদিন ২৫ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারে সকাল থেকেই কাজ চলছিল। বিদ্যুৎ কর্মীরা এই কাজ করছিলেন। সেই সময় ওভারহেডে কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত (Accident) হাই ভোল্টেজ বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে চলে আসেন ওই বিদ্যুৎ কর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান ৬ জন। রেল সূত্রে খবর, এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। এর জেরে শুধুমাত্র হাওড়া-নয়াদিল্লি রুটের রেল পরিষেবাই বন্ধ রাখা হয়নি, বিভিন্ন লোকাল ট্রেনও বন্ধ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    মৃতদের পরিচয়

    জানা গেছে, সোমবার দুপুর সাড়ে ১১ টা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন পোল লাগানোর কাজ করছিলেন বিদ্যুৎ কর্মীরা। তখনই ২৫ হাজার ভোল্টের তারের সংস্পর্শে চলে আসেন (Accident) তাঁরা এবং ৬ জনের তৎক্ষণাৎ মৃত্যু ঘটে। নিহতরা হলেন সঞ্জয় ভুঁইয়া, গোবিন্দ সিং, সুরেশ মিস্ত্রি, শ্যাম সিং। অন্য দুজনের পরিচয় এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

    কী বলছে রেল?

    ধানবাদ রেলওয়ে ডিভিশনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘ওভারহেড তারে কাজ চলাকালীন এই দুর্ঘটনা (Accident) ঘটেছে এবং তাতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।’’ ওই আধিকারিক আরও জানান, এই তদন্ত তিন ভাবে হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত করছে, আরপিএফ তদন্ত করছে এবং বিভাগীয় তদন্তও চলছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য ধানবাদ ডিভিশনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং রেলের চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধানবাদ থেকে মেডিক্যাল ভ্যানও নিয়ে আসা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাংলার তৃতীয়! গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারতের সূচনা মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Accident Death: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ বিজেপি নেতার, স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ নেতৃত্ব

    Accident Death: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ বিজেপি নেতার, স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ নেতৃত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় (Accident Death) মর্মান্তিক মৃত্যু হল দুই বিজেপি নেতার। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে আসানসোলের বারাবনি এলাকায়। জানা গিয়েছে, মৃত দুই বিজেপি নেতা মন্ডল সভাপতি ও সম্পাদক ছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে বারাবনি থানার গৌরান্ডী থেকে আসানসোল যাওয়ার রাস্তার আমডিহা মোড় এলাকায়।

    কী বলছে আসানসোল জেলা বিজেপি নেতৃত্ব ?

    তবে দুই বিজেপি নেতার পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে (Accident Death) নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আসানসোল জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা জানিয়েছেন, দুই বিজেপি নেতার মৃত্যু রহস্যজনক দুর্ঘটনা বলে তাঁরা মনে করছেন। আদতে কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আসানসোল জেলা বিজেপি সভাপতি দিলীপ দে ও রাজ্য নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখার্জিরা। তাদের বক্তব্য, ওই দুই নেতা খুবই লড়াকু ছিলেন। কিন্তু তারা গ্রামে থাকতে পারতেন না। আসানসোলে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে দেখা করে সন্ধ্যার পর আসানসোল ফিরে পড়তেন। এদিনও তাই করেছিলেন। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে বলেই তারা মনে করছেন। 

    কীভাবে হল এই দুর্ঘটনা ?

    মৃত দুই বিজেপি নেতার নাম বাবলু সিংহ ও মহেন্দ্র সিংহ। এঁরা দাসকেয়ারির বাসিন্দা। এঁরা দুজনেই একটি মোটর বাইকে করে গৌরান্ডী থেকে আসানসোলের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই বারাবনি থানার আমডিহা মোড়ে এক পেট্রোল পাম্প থেকে তেল ভরে বের হওয়ার সময় কোনও বড় লরি এসে তাঁদের ধাক্কা মারে (Accident Death)। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় বাবলু সিংহের। আহত অবস্থায় পুলিশ মহেন্দ্র সিংহকে নিয়ে যায় আসানসোলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পর তিনিও মারা যান। এই ঘটনার জেরে শোকের ছায়া নেমে আসে বারাবনি ব্লক জুড়ে। তবে দুর্ঘটনার পর শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘাতক কোনও লরি ধরা পড়েনি।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব ? 

    অন্যদিকে, তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, বিজেপির হাতে কিছু কাজ নেই। তাই তৃণমূলের নামে সব জায়গায় বদনাম করার চেষ্টা করছে। পথ দুর্ঘটনার (Accident Death) তদন্ত করছে পুলিশ। আর এই দুর্ঘটনাকে বিজেপি রাজনৈতিক রং দিচ্ছে! সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলার জন্য ইস্যুর দরকার। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি বারাবনিতে প্রার্থী দিতে পারবে না। তাই তারা তৃণমূলের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Avtar Saini: মহারাষ্ট্রে পথ দুর্ঘটনায় নিহত অবতার সাইনি, তিনি কে ছিলেন জানেন?

    Avtar Saini: মহারাষ্ট্রে পথ দুর্ঘটনায় নিহত অবতার সাইনি, তিনি কে ছিলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের নভি মুম্বইয়ে ক্যাবের ধাক্কায় নিহত অবতার সাইনি (Avtar Saini)। মুম্বই শহরতলির চেম্বুরের বাসিন্দা অবতার সাইনি ইন্টেলের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা নাগাদ সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন অবতার। সেই সময় একটি দ্রুত গতিতে আসা ট্যাক্সির ধাক্কায় ছিটকে পড়েন ইন্টেল ইন্ডিয়ার প্রাক্তন প্রধান অবতার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী তাঁর ছেলে এবং মেয়েকে এই মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। তাঁরা ইতিমধ্যে ভারতে আসছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কে ছিলেন অবতার সাইনি?

    ইন্টেল সংস্থার পেন্টিয়াম ৩৮৬ এবং ৪৮৬ মাইক্রোপ্রসেসরের ওপর কাজ করেছেন অবতার। পাশাপাশি, প্রসেসরের ডিজাইনেও নেতৃত্ব দেন অবতার সাইনি (Avtar Saini)। ৬৮ বছর বয়সী এই প্রবাসী ভারতীয় একজন উৎসাহী সাইকেল আরোহী ছিলেন তিনি। কয়েক বছর আগে অসুস্থতার কারণে তাঁর স্ত্রীবিয়োগ ঘটেছিল এবং তারপর থেকে মুম্বইতে এসে চেম্বুরে একাই থাকতেন। তিনি একটি সাইক্লিং গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি ট্রেকিং বা সাইকেল চালানোর সময় সর্বদা নিরাপত্তা এবং সাবধানতা অবলম্বন করতেন। তিনি ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে ইন্টেল ছেড়ে দেন। তার পর মন্টালভো সিস্টেমের মতো বেশ কয়েকটি তথ্যপ্রযুক্তির কোম্পানির সঙ্গে কাজ করেছিলেন। যেখানে তিনি ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ভারতে ওই সংস্থার শীর্ষতম কর্তা ছিলেন।

    আটক চালক

    অবতার সাইনি (Avtar Saini) মৃত্যু প্রসঙ্গে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় ওই ট্যাক্সি চালকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে মুম্বই পুলিশ। যার মধ্যে রয়েছে ২৭৯, ৩৩৭ এবং ৩০৪ নম্বর ধারা। একই ভাবে মোটরযান আইনে চালককে গ্রেফতার করে হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalkaji Temple: ভজন চলাকালীন হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল মঞ্চ, দিল্লির মন্দিরের ঘটনায় মৃত মহিলা

    Kalkaji Temple: ভজন চলাকালীন হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল মঞ্চ, দিল্লির মন্দিরের ঘটনায় মৃত মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাগরণ ব্রত উপলক্ষে চলছিল নিশি পুজো। দেবী কালকাজি (Kalkaji Temple) শুনবেন বলে আয়োজন করা হয়েছিল ভজনের। ব্রত উপলক্ষে মন্দিরে ভক্ত সমাগমও হয়েছিল প্রচুর। আচমকাই ঘটে দুর্ঘটনা। মন্দিরের মঞ্চ ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয় এক মহিলার। জখম হন অন্তত ১৭ জন। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে।

    মন্দিরে দুর্ঘটনা

    শনিবার ছিল জাগ্রত ব্রত। দিনভর হয়েছে বিশেষ পুজোপাঠ। ব্রতের নিয়ম মেনে এদিন রাতভর মন্দিরে আয়োজন করা হয়েছিল কালী-ভজন ও পুজোআচ্চার। সব কিছুই চলছিল প্রথা মাফিক। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে মঞ্চ। মঞ্চ (Kalkaji Temple) চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক মহিলার। মৃত মহিলার পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনায় জখম হন বেশ কয়েকজন। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় সফদরজং হাসপাতাল, ম্যাক্স হাসপাতাল এভং এইমসের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আহতদের মধ্যে অনেকের হাত-পা ভেঙেছে। তবে তাঁদের প্রত্যেকের অবস্থাই স্থিতিশীল।

    কী বলছে পুলিশ

    জানা গিয়েছে, এদিন কালী-ভজন শুনতে হাজার দেড়েক মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা বজায় রাখতে উপযুক্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। দক্ষিণ দিল্লির ডিসিপি রাজেশ দেও জানান, ভজন শুনতে আসা মানুষের বসার ব্যবস্থা করতে মন্দিরের মূল মঞ্চের সামনে তৈরি করা হয়েছিল একটি অস্থায়ী মঞ্চ। কাঠ ও লোহা দিয়ে তৈরি ওই মঞ্চের নীচেও বসেছিলেন অনেকে। মঞ্চ ভেঙে পড়ায় সব চেয়ে বেশি আঘাত লেগেছে তাঁদেরই। আয়োজকদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘অভিষেকের গড়ে ২০ হাজার বিজেপি কর্মীর নাম বাদ’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    জানা গিয়েছে, এদিন যখন ভজন গাইছিলেন বিখ্যাত শিল্পী এবং মিউজিক প্রডিউসার বি প্রাক, সেই সময় মঞ্চে উঠে পড়েন বহু মানুষ। বহন ক্ষমতার চেয়ে মঞ্চে বেশি মানুষ উঠে পড়ায় ভার বইতে পারেনি মঞ্চ। ভেঙে পড়ে হুড়মুড়িয়ে। ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিল্পী। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক। আমার সামনে এরকম ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। ঘটনায় আমি গভীরভাবে দুঃখিত। ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, দুর্ঘটনায় এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। আহতদের দ্রুত আরোগ্যও কামনা (Kalkaji Temple) করি।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: মানুষের ভুলেই রেল দুর্ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশে? প্রকাশ্যে এল আসল সত্য

    Train Accident: মানুষের ভুলেই রেল দুর্ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশে? প্রকাশ্যে এল আসল সত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দুর্ঘটনার কবলে ট্রেন (Train Accident)। এবার অকুস্থল অন্ধ্রপ্রদেশের ভিজিয়ানগরম। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা, তা নিয়ে চলছিল চুলচেরা বিশ্লেষণ। এবার সামনে এল দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ। ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, মানুষের গাফিলতির জেরেই অন্ধ্রপ্রদেশে এই দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে।

    দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ

    ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বিশ্বজিৎ সাহু বলেন, “এই রেল দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ মানুষের গাফিলতি। আর সেই ত্রুটির জন্যই গন্তব্য ছাড়িয়ে দ্রুতগতিতে ছুটে গিয়ে বেলাইন হয়ে যায় বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার স্পেশাল ট্রেনটি।” তিনি জানান, মুখোমুখি সংঘর্ষের জেরে বিশাখাপত্তনম-পলাসা প্যাসেঞ্জার ট্রেনটির দুটি কামরা ও বিশাখাপত্তনম-রায়গড়ের লোকো পাইলটের কোচটি লাইনচ্যুত হয়। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে বিশাখাপত্তনম-পালাসা ট্রেনটির ১১টি বগি ও বিশাখাপত্তনম-রায়গড় ট্রেনের ৯টি বগি সরানো হয়েছে। বাকিগুলি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলি এখনও ঘটনাস্থল থেকে সরানো যায়নি। 

    কেন্দ্রের তৎপরতা 

    দুর্ঘটনার (Train Accident) পরে পরেই রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পর্যালোচনা করেন পরিস্থিতি। দুর্ঘটনায় মৃতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন রেলমন্ত্রী। রেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানি নিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন রেড্ডি। সোশ্যাল মিডিয়ায় রেলমন্ত্রী জানান, মৃত ও আহতদের ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। মৃতদের ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা এবং যাঁরা অল্পস্বল্প জখম হয়েছেন, তাঁদের ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়া হবে। রেড্ডি সরকারের তরফেও মৃতদের নিকট আত্মীয়দের ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    এদিকে, দুর্ঘটনার (Train Accident) জেরে রবিবার রাতেই বাতিল করা হয় বেশ কিছু ট্রেন। সোমবার সকালেও বিশাখাপত্তনম থেকে ছাড়া এবং বিশাখাপত্তনমগামী বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বদল করা হয়েছে বেশ কিছু ট্রেনের যাত্রাপথ। এগুলি হল ০৩৩৫৭ কোয়েম্বাটোর স্পেশাল ফেয়ার, ১৮১৮৯ এর্নাকুলাম এক্সপ্রেস, ১১০২০ কোনারক এক্সপ্রেস, ১২৭০৩ হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেস ও ১২২৪৫ হাওড়া-যশবন্তপুর দুরন্ত এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Accident: বেহালার পর ফের দুর্ঘটনা শহরে! সৌরনীলের মৃত্যুর পর রাতারাতি বদলে গেল ট্রাফিক নিরাপত্তা

    Kolkata Accident: বেহালার পর ফের দুর্ঘটনা শহরে! সৌরনীলের মৃত্যুর পর রাতারাতি বদলে গেল ট্রাফিক নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেহালায় (Behala) ট্রাকের ধাক্কায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যুর পর শুক্রবার রাতে ফের এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন হাওড়ার এক যুবতী। মৃতের নাম সুনন্দা দাস। কলকাতার ধর্মতলা এলাকার এক হোটেলের কর্মী ছিলেন সুনন্দা। হাওড়ার নেতাজি সুভাষ রোডের বাসিন্দা তিনি। শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ স্কুটি চালিয়ে দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সুনন্দা। ফ্লাইওভারে ওঠার মুখে পিছন থেকে একটি লরি এসে স্কুটিতে ধাক্কা মারে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। লরির ধাক্কায় সুনন্দার শরীরের একাংশ গাড়ির তলায় পিষে যায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকেরা সুনন্দাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ লরিটিকে আটক করলেও ঘটনাস্থল থেকে পলাতক লরির চালক।

    ট্রাক চলাচলে নয়া নিয়ম

    বেহালায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যুর পর অবশেষে টনক নড়ল পুলিশের (Police)। লালবাজারের (Lalbazar) নির্দেশ, সকাল ৬টার পর কলকাতায় (Kolkata) ঢুকবে না কোনও ট্রাক। আজ থেকেই চালু হয়েছে এই নিয়ম। মৌখিকভাবে সমস্ত ট্রাফিক গার্ডকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি হোক বা বেসরকারি, কলকাতার সমস্ত স্কুলের বাইরে থাকতে হবে ওসি বা অ্যাডিশনাল ওসি পদমর্যাদার একজন অফিসারকে। সমস্ত স্কুলের বাইরে যান নিয়ন্ত্রণ ও ভিড় সামলাতে থাকবে পুলিশ। গতকাল পথ দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যুর পরের দিন বদলে গেল বেহালা চৌরাস্তার ছবিও। 

    আরও পড়ুন: ‘‘গলায় গামছা দিয়ে পদত্যাগ করুন পুলিশ কমিশনার’’, বেহালা কাণ্ডে মন্তব্য শুভেন্দুর

    বদলে গেল বেহালার ছবি

    রাতারাতি পাল্টে দিল বেহালা চৌরাস্তা এলাকার ট্রাফিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শহরের অন্যান্য গুরত্বপূর্ণ মোড়গুলির মত বেহালা চৌরাস্তায় শুক্রবার রাতেই বসিয়ে দেওয়া হয়েছে ম্যানুয়াল ড্রপ গেট। জেব্রা ক্রসিংয়ের ঠিক সমান্তরাল ভাবেই। দড়ির বাঁধনের কন্ট্রোলে পুলিশকর্মীরা ড্রপ গেট তুলছেন এবং নামিয়ে দিচ্ছেন। রাস্তা পারাপার করতে হবে এখান দিয়েই। আর কোনও অবস্থাতেই, কোনওভাবে রাস্তা পারাপারের চেষ্টা করামাত্র জুটবে পুলিশের কড়া ধমক। বড়িশা হাই স্কুলের সামনেও বসানো হয়েছে ম্যানুয়াল ড্রপ গেট, মোতায়ন পুলিশ।ঠাকুরপুকুর থেকে তারাতলা পর্যন্ত ফুটপাতের সিংহভাগ কার্যত হকারদের দখলে। ব্যস্ততার মধ্যে একপ্রকার বাধ্য হয়েই পথচারীদের রাস্তার ধার ঘেঁষেই চলাচল করতে হয়। তাঁদের জন্য রাস্তার দু’দিকের লেনের এক পাশে আড়াই মিটার অংশ পথচারীদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Islampur: ছেলের বিয়ের নেমন্তন্ন করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বাবার

    Islampur: ছেলের বিয়ের নেমন্তন্ন করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলের বিয়ের নেমন্তন্ন করতে গিয়ে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বাবার। জখম হয়েছেন আরও একজন। বুধবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩১ নং জাতীয় সড়কের ওপর ইসলামপুর (Islampur) থানার ঘোরামারা বাইপাস এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মহম্মদ হাসিমুদ্দিন (৫৫)। তাঁর বাড়ি ইসলামপুর থানার নয়াবস্তি পাঁচোরসিয়া এলাকায়। মুজাহিদ নামে ২০ বছরের অপর এক যুবক জখম হন। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ছেলের বিয়ে। বাইক চেপে এক যুবকের সঙ্গে তিনি ছেলের বিয়ের নেমন্তন্ন করতে বের হন। জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার সময় কোনও এক গাড়ি তাদের বাইকের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। বাইক থেকে তাঁরা ছিটকে পড়েন। দুজনেই গুরুতর জখম হন। স্থানীয় লোকজন তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে ইসলামপুর (Islampur) মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে চিকিত্সকরা মহম্মদ হাসিমুদ্দিনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন পরিবারের লোকজন। মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইসলামপুর (Islampur) থানার পুলিশ। পরে, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার পর হামলাকারী গাড়িটি চলে যায়। ঘাতক গাড়ির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    কী বললেন মৃতের আত্মীয়?

    মৃতের এক আত্মীয় বলেন, হাসিমুদ্দিনসাহেবের ছেলের বিয়ের জন্য প্রস্তুতি সাড়া। বাড়িতে আত্মীয়স্বজন আসতে শুরু করেছেন। বাড়িতে প্যাণ্ডেল হয়ে গিয়েছে।  ক্যাটারারদের বলা হয়ে গিয়েছিল। নিমন্ত্রণ পর্ব প্রায় শেষের দিকে। হাতেগোনা কয়েকটি বাকী ছিল। তাই এদিন বাইকে চড়ে তিনি নিমন্ত্রণ করতে বেরিয়েছিলেন। সঙ্গে একজন ছিলেন। তারমধ্যেই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে আসি। এসে দেখি, সব শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন বাড়িতে অনুষ্ঠান কী করে হবে তা ভেবে পাচ্ছি না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share