Tag: Accident

Accident

  • West Bengal Road: দুর্গাপুরের কাঁকসায় ব্যস্ততম রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসী

    West Bengal Road: দুর্গাপুরের কাঁকসায় ব্যস্ততম রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের কাঁকসা থানার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শিবপুর বাইপাস থেকে গৌরবাজার যাওয়ার প্রধান রাস্তা (West Bengal Road) দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ, খানাখন্দে ভরা ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পড়ুয়ারাও। এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তাটি অবিলম্বে মেরামত না করলে ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলবে না। কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।

    কী বলছেন এলাকার বাসিন্দারা?

    দুর্ভোগের শিকার স্থানীয় বাসিন্দা দয়াময় বাগদি জানান, এটি খুবই ব্যস্ততম রাস্তা (West Bengal Road)। শিবপুরের জয়দেব ঘাট থেকে দুর্গাপুর শহর ও লাউদোহা এলাকায় যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি। এই রাস্তা দিয়ে অনবরত বালির গাড়ি যাতায়াত করায় রাস্তা বেহাল হচ্ছে। বালির জল পড়ে পড়ে খানাখন্দে ভরেছে রাস্তা। সামনেই আসছে বর্ষাকাল। এই বেহাল রাস্তা অবিলম্বে মেরামত না করলে বর্ষায় বৃষ্টির জলে তা মরণফাঁদে পরিণত হবে। পথচারীরা সাইকেল, বাইক নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রায়শই ছোটখাট দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। গ্রামের পড়ুয়ারাও এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হলে বহু মানুষ উপকৃত হবে।

    কী বলছেন পঞ্চায়েত সদস্য?

    বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য গিরিধারী সিনহা বলেন, শিবপুর বাইপাস থেকে গৌরবাজার পর্যন্ত ওই ১০ কিলোমিটার রাস্তা (West Bengal Road) বেহাল, একথা ঠিক। রাস্তাটা মোরামের ছিল। পরে পিচরাস্তা ও কিছুটা ঢালাই রাস্তা হয়েছিল। কিন্তু ভারী পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য কোনও রাস্তাই টেকে না। বর্তমানে ওই রাস্তা ভগ্নদশায় রয়েছে। শুনেছি কোটি কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছিল বা হচ্ছে। কেন এখনও রাস্তা মেরামত করা হচ্ছে না, সেই সঠিক তথ্য জানা নেই।

    তোপ দাগলো বিজেপি

    বর্ধমান সদরের বিজেপির সহ সভাপতি রমন শর্মা এই বিষয়ে বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে যত সব রাস্তাশ্রী, পথশ্রী প্রকল্পের নাম তো শোনা যাচ্ছে। এত বছর কোথায় ছিল এই সব প্রকল্প। মানুষ যে এত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে, তার উত্তর দেবে কে? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বাংলাদেশ আচমকা জল ছাড়ায় আত্রেয়ীর জলস্তর হু হু করে বাড়ছে, দুর্ঘটনায় ত্র্যস্ত প্রশাসন

    Balurghat: বাংলাদেশ আচমকা জল ছাড়ায় আত্রেয়ীর জলস্তর হু হু করে বাড়ছে, দুর্ঘটনায় ত্র্যস্ত প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটে (Balurghat) আত্রেয়ী নদীর উপর নির্মীয়মাণ বাঁধের কাজ প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু মাঝে বাংলাদেশ থেকে জল ছেড়ে দেওয়ায় আত্রেয়ীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। বিপদ এড়াতে নির্মীয়মাণ বাঁধের পশ্চিমপ্রান্ত দিয়ে জল ছাড়া হচ্ছে। আর সেখানেই স্নান করতে উপচে পড়ছে ভিড়। ওই জলের স্রোতে ইতিমধ্যেই অনেকে ভেসে গিয়েছে। আবার বেশ কয়েকজন নির্মীয়মাণ বাঁধের লোহার আঘাতে জখম হয়েছে। যা নিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। সেচ দফতর ও নির্মাণ সংস্থা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে। পুলিশ গিয়ে সকলকে তুলে দিলেও সমস্যা কাটেনি। তাই ওই এলাকাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু করছে প্রশাসন।

    কী বলছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা?

    এবিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) সদর মহকুমাশাসক সুমন দাশগুপ্ত বলেন, আমাকে সেচ দফতরের তরফে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আমি পুলিশকে জানিয়েছি। পুলিশ ব্যবস্থাও নিয়েছে। আগামীতে ওই এলাকা বিপজ্জনক ও নিষিদ্ধ বলে প্রচার করা হবে। কেউ যাতে স্নান করতে না নামে, তার জন্য দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো হবে। বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন, ওই জায়গাটা এমনিতেই বিপজ্জনক। তাই সেখানে কেউ যাতে স্নান করতে না নামে, তার জন্য পুলিশ নজরদারি চালাবে। পাশাপাশি সেচ দফতরকেও প্রচার ও সতর্কমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেচ দফতরের ওই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার সঞ্জয় পারেখ বলেন, আমাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি। এর মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে জল ছেড়ে দেওয়ায় জলস্তর বেড়েছে। যার ফলে নদীর একপাশ থেকে জল ছেড়ে দিয়েছি আমরা। সেই জলস্রোতে স্থানীয় বহু মানুষ স্নান করতে নামছে। একজন তলিয়ে গিয়েছিল। আমরা বাঁচিয়েছি। এছাড়া দুজন জখম হয়েছে। আমরা কাজ করব, না মানুষ বাঁচাব? যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।

    কাজ শেষের মুখেই নয়া বিপদ

    প্রসঙ্গত, আত্রেয়ীর জলের সমস্যা মেটাতে বালুরঘাট (Balurghat) শহরে এর উপরে ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে স্বল্প উচ্চতার বাঁধ। ওই বাঁধের কাজ ইতিমধ্যেই ৯০ শতাংশ হয়ে গিয়েছে৷ বাকি অংশের কাজ শেষ করতে তোড়জোড় শুরু করেছে সেচ দফতর। ২০২১ এর ডিসেম্বর মাসে সেই কাজ শুরু হয়েছে। নদী বরাবর ২ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট বাঁধের কাজ প্রায় হয়ে গিয়েছে। দুপাশে দুটি স্লুইস গেটের কাজও চলছে। কিন্তু এখনও কাজ শেষ না হতেই বিপদ বাড়ছে এলাকায়।

    কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন

    জানা গিয়েছে, ওই বাঁধের পশ্চিমপাড়ে জলের স্রোত বয়ে চলেছে। ওই জলস্রোতের সৌন্দর্য দেখতে যেমন মানুষ ভিড় করছে, তেমনি সেই জলে স্নান করতে বহু মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। এদিকে এখনও বাঁধের কাজ শেষ হয়নি। নদীর মধ্যে অনেক জায়গায় লোহার রড, সিমেন্টের পোল সহ নানা ধারালো সরঞ্জাম রয়েছে। ফলে স্নান করতে গিয়ে অনেকেই আহত হয়েছে। একজন জলে তলিয়ে গেলে তাকে দড়ি দিয়ে কোনওরকমে উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকছে। তাই প্রশাসনের তরফে ওই এলাকায় পুলিশকে (Balurghat) নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকী বিপজ্জনক এলাকা এবং সাইরেন সহ নানা সতর্কমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগেই আত্রেয়ীতে তলিয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাই কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে প্রশিক্ষণ চলার সময় জলে ডুবে মৃত্যু হল দুই জওয়ানের। এছাড়াও আরও এক জওয়ান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে সেনা (Army) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম লেংখোলাল এবং অলড্রিন হিমিংথানজুয়ালা। লেংখোলাল নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন। আর সিপাই পদে কর্মরত ছিলেন অলড্রিন। দুজনেই ১৬ নম্বর আসাম রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন। একজনের বাড়ি নাগাল্যান্ড। অন্যজনের বাড়ি মিজোরাম। ইতিমধ্যেই দুই সেনা (Army) জওয়ানের দেহ ময়না তদন্ত করা হয়েছে। নিয়ম মেনে মৃতদের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। তবে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন এই ঘটনা কী করে ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কী করে মৃত্যু হল দুই সেনা জওয়ানের? Army

    বুধবার বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে অ্যাসল্ট রিভার প্রশিক্ষণ নামে বিশেষ প্রশিক্ষণ চলছিল। মূলত, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনা জওয়ানদের দড়ি ধরে জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার হতে হয়। সেনা (Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, আসাম রেজিমেন্ট থেকে ওই জওয়ানরা এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন। ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে বিশাল জলাশয়ের ওপর চলছিল এই প্রশিক্ষণ। নিয়মিত এই প্রশিক্ষণ করা হয়। দুর্ঘটনার দিন ৬ জন জওয়ানকে নিয়ে প্রশিক্ষণ চলছিল। প্রথম তিনজন নিয়ম মেনেই দড়ি ধরে জলাশয় পারাপার করেন। কারও কোনও সমস্যা হয়নি। পরের তিনজন দড়ি ধরে ওই জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। দড়ি ছিঁড়ে তিনজন জওয়ান জলাশয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা তলিয়ে যান। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশিক্ষকের উদ্যোগে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনজনকে জলাশয় থেকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর দুজনের মৃত্যু হয়। অন্যজন এখনও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। তবে, এই ধরনের দুর্ঘটনা এর আগে কখনও হয়নি। তাই, প্রশিক্ষণ করতে এসে দুই সেনা জওয়ানের মৃত্যুতে বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Accident: রেফার চক্রে ঘুরপাক! ৩ সরকারি হাসপাতাল ঘুরে মৃত্যু যুবকের, কাঠগড়ায় পরিষেবা

    Accident: রেফার চক্রে ঘুরপাক! ৩ সরকারি হাসপাতাল ঘুরে মৃত্যু যুবকের, কাঠগড়ায় পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেফারের গেরোয় পড়ে আবারও ২৬ বছরের যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল এ রাজ্যে। মৃতের নাম মেঘনাথ চন্দ্র। জানা যাচ্ছে যে রোগীর পরিবার মেঘনাথকে নিয়ে একের পর এক হাসপাতালে ঘুরছিলেন কিন্তু কোথাও ভর্তি হতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ভোরবেলায় এনআরএস হাসপাতালে মৃত্যু হয় যুবকের।

    কী বলছেন পরিবারের লোক

    মর্মান্তিক এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছে যুবকের পরিবারের লোক। তাঁরা বলেন, চিকিৎসাক্ষেত্রে এমন গুরুত্বহীনতার জন্য একজনের প্রাণ চলে গেল আর কবে টনক নড়বে? 
    পরিবার সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে যে মেঘনাথ চন্দ্র একজন উঠতি ফুটবলার ছিলেন এবং নিয়মিতভাবে মাঠে যেতেন প্র্যাকটিস করতে। কয়েকদিন আগে অনুশীলনের সময় কুঁচকিতে চোট লাগে, ঘটনাক্রমে ওই একই জায়গায় ক’দিন আগেই তিনি বাইক থেকে পড়ে গিয়ে (Accident) আঘাত পান। এরপর থেকেই নাকি চরম যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন ওই যুবক। বাধ্য হয়ে পরিবারের লোকেরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। 

    অসুস্থ যুবকের ঠাঁই হয়নি কোনও হাসপাতালে

    এদিন সন্ধ্যা বেলায় মেঘনাথকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে ছুটে বেড়ালেও কোথাও একটি বেড জোগাড় করা করা যায়নি, এমনটাই বলছেন পরিবারের লোকেরা।  প্রথমে বাঙ্গুরে নিয়ে যাওয়া হয় ওই যুবককে। সেখান থেকে এসএসকেএম, তারপর চিত্তরঞ্জন। কিন্তু ঠাঁই হয়নি কোথাও। এভাবেই ঘুরপাক খেতে থাকেন অসুস্থ যুবক। অবশেষে আজকে ভোরে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। 

    কী বলছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা

    এই ঘটনায় রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে মৃত মেঘনাদের পরিবার এবং তার প্রতিবেশীরা। এ ব্যাপারে এক স্বাস্থ্য অধিকর্তা বলেন রোগীকে প্রাথমিক পরিষেবা এবং চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে কিনা তা আমরা খতিয়ে দেখছি। তিনটি হাসপাতাল থেকেই রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে, যেগুলিতে তাকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। রোগীর আঘাতের মাত্রা কতটা ছিল তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। ময়নাতদন্তে রিপোর্টও খতিয়ে দেখা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rishabh Pant: আহত ঋষভ পন্থকে সরানো হল কেবিনে, কিন্তু কেন?

    Rishabh Pant: আহত ঋষভ পন্থকে সরানো হল কেবিনে, কিন্তু কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant)। অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচেছেন এই ভারতীয় ব্যাটার। গুরুতরভাবে আহত তিনি। রয়েছে শরীরের বিভিন্ন অংশে চোট। একাধিক অস্ত্রোপচার করা হয়েছে তাঁর শরীরে। তবে এর মাঝেও রয়েছে বেশ কিছু আশার খবর। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন ঋষভ। আইসিইউ থেকে ব্যক্তিগত কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে ঋষভকে। ঋষভের পরিবারের বক্তব্য, অত্যধিক ভিড়ের কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন না পন্থ। হাসপাতালের চিকিৎসকরাও এই ক্ষেত্রে পরিবারের সঙ্গে একমত। প্রসঙ্গত, হাসপাতালে তরুণ ক্রিকেটারকে অনেকেই দেখতে আসছেন। আর সেই কারণেই এমনটা মনে করছে পন্থ পরিবার।

    ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পন্থ   

    উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর ভোরবেলায় ঋষভ পন্থের গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেদিন থেকে দেরাদুনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার ডিরেক্টর শ্যাম শর্মা জানিয়েছেন, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন ঋষভ। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি আরও জানান, “আইসিইউ থেকে ব্যক্তিগত কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে পন্থকে। প্রচুর মানুষ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসছেন। সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাঁকে কেবিনে রেখেই চিকিৎসা করা হবে।”  

    ক্রিকেটারের দুর্ঘটনার খবর পেয়ে অনেকেই হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। বাইরে থেকে আসা মানুষের মাধ্যমে সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রবল। তাছাড়া সকলের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিশ্রামেও ঘাটতি হচ্ছে। বিষয়টিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও। দেরাদুনের হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, “এখন ঋষভের বিশ্রাম দরকার। দুর্ঘটনায় চোট পেয়ে এখনও যন্ত্রণা রয়েছে ওর। তার মধ্যেই ওকে দেখতে আসা সকলের সঙ্গে কথা বলতে হচ্ছে, তাতে ওর শক্তিক্ষয় হচ্ছে। তার ফলে সুস্থ হতে অনেক বেশি সময় লাগবে। তাই সকলের কাছে অনুরোধ, এখন ঋষভের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা বাতিল করুন।”

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চান রাহুল গান্ধী! নোটবন্দি নিয়ে সুপ্রিম রায়ের পর কংগ্রেসকে কটাক্ষ রবি শঙ্কর প্রসাদের   

    অনিল কাপুর, অনুপম খের, নীতীশ রানা থেকে শুরু করে বিনোদন এবং ক্রীড়া জগতের বহু জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব পন্থের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে যান। পন্থের সঙ্গে দেখা করতে যান,  উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামীও। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের ভিজিটিং টাইম না থাকা সত্বেও আহত ক্রিকেটারকে দেখতে আসছেন সকলে। দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ঋষভের চিকিৎসার ওপর নজর রাখছে বিসিসিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Rishabh Pant: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ঋষভ পন্থ! একবাক্যে পুলিশকে জানালেন কীভাবে ঘটেছে গাড়ি দুর্ঘটনা

    Rishabh Pant: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ঋষভ পন্থ! একবাক্যে পুলিশকে জানালেন কীভাবে ঘটেছে গাড়ি দুর্ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে ভারতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্থ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দিল্লি-দেরাদুন হাইওয়েতে রুরকির কাছে। নিজেই ড্রাইভ করে উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি ফিরছিলেন ঋষভ। আচমকাই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। ধরে যায় আগুন। বরাত জোরে বেঁচে যান ঋষভ। গাড়ির গতিবেগ খুব বেশি ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর ধামি ট্যুইট করে এই খবর দেন।

    আঘাত গুরতর

    মাথায়, পিঠে, পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন ঋষভ। আপাতত বিপন্মুক্ত হলেও ঋষভের অস্ত্রোপচার হতে পারে। এখনও পর্যন্ত যে সব ছবি সামনে এসেছে, তা সত্যিই শিউরে ওঠার মতোই। গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে রয়েছেন ঋষভ। মাথায় ব্যান্ডেজ করা। পিঠে লাল ক্ষত স্পষ্ট। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের কাজ শুরু করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গাড়িটি ডিভাইডারে ধাক্কা মারতেই আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর পাশাপাশি ঋষভকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। উত্তরাখণ্ডের ডিজি অশোক কুমার জানিয়েছেন, উইন্ড স্ক্রিন ভেঙে উদ্ধার করা হয় ঋষভ পন্থকে।

    আরও পড়ুন: ফুটবল-বিশ্ব সম্রাটহীন! ৮২ বছর বয়সে চলে গেলেন পেলে

    পুলিশ সূত্রে খবর

    উত্তরাখণ্ড পুলিশের ডিজিপি অশোক কুমার বলেন, “ভোর ৫.৩০ মিনিটে ঋষভ পন্থের গাড়ি দুর্ঘটনাটি ঘটে। রুরকির মহম্মদপুর জটের কাছে ঘটে সেই দুর্ঘটনাটি। পন্থ পুলিশকে বলেন যে, গাড়ি চালানোর সময় তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সেই কারণেই ডিভাইডারে ধাক্কা মারে গাড়িটি। প্রথমে রুরকির একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে সেখান থেকে দেহরাদুনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে।” উত্তরাখণ্ডের পুলিশ জানিয়েছে যে, পন্থ গাড়িতে একাই ছিলেন।

    সময়টা ভাল নয়

    সত্যিই সময়টা ভালো যাচ্ছে না ভারতীয় দলের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানের। খারাপ ফর্মের কারণে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ এবং ওয়ান ডে সিরিজে ভারতীয় দলে জায়গা পাননি। তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ট্রেনিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেশ চাপেই রয়েছেন ঋষভ। এরই মধ্যে তিনি উত্তরাখণ্ডে গিয়েছিলেন ছুটি কাটাতে। সেখান থেকে শুক্রবার দিল্লি ফিরছিলেন। তখনই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটার ঋষভের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Prahlad Modi: দুর্ঘটনার কবলে প্রধানমন্ত্রীর ভাই প্রহ্লাদ মোদির গাড়ি, পা ভাঙল নাতির

    Prahlad Modi: দুর্ঘটনার কবলে প্রধানমন্ত্রীর ভাই প্রহ্লাদ মোদির গাড়ি, পা ভাঙল নাতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাই প্রহ্লাদ মোদির (Prahlad Modi) গাড়ি। মঙ্গলবার কর্নাটকের মহীসুরুর ঠিক বাইরে, কাড়কোল্লা নামে এক জায়গায় প্রহ্লাদ মোদির গাড়িটি ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। জানা গিয়েছে, গাড়িটি বেশ গতিতে ছুটছিল। ওই গাড়িতে প্রহ্লাদ মোদি-সহ মোট ৫ জন ছিল। সকলেই আহত হন। আহতদের দ্রুত এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রহ্লাদ মোদি আপাতত বিপন্মুক্ত। প্রহ্লাদ মোদি মহীসুরু থেকে সড়কপথে চামরঞ্জনগড় এবং বন্দিপুর যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় স্থানীয় পুলিশ। এক স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক জানান, মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা নাগাদ ঘটেছে দুর্ঘটনাটি।

     


     

    কী জানিয়েছে পুলিশ? 

    পুলিশ আরও জানায়, এদিন প্রহ্লাদ মোদি (Prahlad Modi), তাঁর স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ এবং নাতিকে নিয়ে একটি মার্সিডিজ় বেঞ্জ গাড়িতে করে বন্দিপুরায় যাচ্ছিলেন। ডিভাইডারে ধাক্কা মারে গাড়িটি। প্রহ্লাদ মোদির পুত্র ও পুত্রবধূ গুরুতর আহত হয়েছে জানা গিয়েছে। মহীসুরুর জেএসএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁদের। আরও জানা গিয়েছে, প্রহ্লাদ মোদির নাতির পা ভেঙে গিয়েছে। তার মাথায়ও সামান্য চোট লেগেছ। বাকিরা আপাতত আইসিইউতে।

    আরও পড়ুন: এখন থেকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন, দাম কত জানেন? 

    খবর পেয়েই, জেএসএস হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাই প্রহ্লাদ মোদি (Prahlad Modi) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন সুত্তুর মঠের প্রধান শিবরাত্রি দেশিকেন্দ্র স্বামীজি। মুহূর্তেই দুর্ঘটনার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে গাড়িটির সামনের অংশ বেশ ক্ষতিগ্রস্থ। ডানদিকের সামনের চাকাটি খুলে গিয়েছে। গাড়িটি একটি ক্রেন দিয়ে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান মহীসুরু সিটি পুলিশ কমিশনার এবং মহীসুরু জেলা পুলিশ সুপার। একটি মামলা দায়ের হয়েছে মহীসুরু দক্ষিণ থানায়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Canada: কানাডায় ট্রাক পিষে দিল ভারতীয় পড়ুয়াকে

    Canada: কানাডায় ট্রাক পিষে দিল ভারতীয় পড়ুয়াকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় (Canada) একটি পিকআপ ট্রাক পিষে দিল এক ভারতীয় ছাত্রকে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ সাইকেল করে রাস্তা পার হওয়ার সময় ২০ বছর বয়সী ওই ছাত্রকে ধাক্কা মারে ট্রাকটি। ঘটনাটি ঘটেছে কানাডার টরোন্টো শহরের ইয়ং স্ট্রিট এবং সেন্ট ক্লেয়ার অ্যাভিনিউয়ের সংযোগস্থলে। দুর্ঘটনা ঘটার পর জরুরি পরিষেবার মাধ্যমে ওই ছাত্রকে বাঁচানোর সম্পূর্ণ চেষ্টা করা হয়।  

    গুরুতর চোট পান ওই ভারতীয় পড়ুয়া। মৃত্যু হয় তাঁর। ২০২১ সালে ভারত থেকে কানাডায় (Canada) এসেছিলেন কার্তিক সাইনি নামে ওই ছাত্র। কানাডার শেরিডান কলেজের ছাত্র ছিলেন কার্তিক। এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষও। জানা গিয়েছে, কানাডায় তদন্ত সম্পূর্ণ হলেই মৃতদেহ সৎকারের জন্য নিয়ে আসা হবে ভারতে। টরোন্টো পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত চলছে। ঠিক কিভাবে ঘটনাটি ঘটেছে তা জানা গেলেই মৃতদেহ ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    বিদেশের মাটিতে মৃত্যু ভারতীয় তরুণের

    গত বুধবার বিকেলে সাইকেল নিয়ে একটি রাস্তা পেরোনোর চেষ্টা করছিলেন ওই ছাত্র (Canada)। পিছন থেকে একটি মালবাহী ট্রাক এসে ধাক্কা মারে তাঁকে। ছিটকে পড়ার পরিবর্তে ট্রাকেরই একটি অংশের সঙ্গে আটকে যান কার্তিক। সেই অবস্থাতেই কার্তিককে টানতে টানতে এগিয়ে চলে ট্রাক। বেশ কিছুটা যাওয়ার পর কার্তিক আটকে আছেন বুঝতে পারেন ট্রাকের চালক। ট্রাক থামিয়ে কার্তিককে বার করার চেষ্টা করেন তিনি। জরুরি পরিষেবা প্রদানকারীরা চেষ্টা করেও কার্তিককে বাঁচাতে পারেননি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। 

    হরিয়ানার কারনালের বাসিন্দা কার্তিক গত বছরই পড়াশোনা করতে টরোন্টোর শেরিডন কলেজে  (Canada)গিয়েছিলেন। কলেজের পড়ুয়া সংসদের পক্ষ থেকে কার্তিকের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর শোকসভার আয়োজন করা হয়েছে। কার্তিকের দেহ দেশে ফেরানোর বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর কনভয়ে লরির ধাক্কা, কী হল জানেন?

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর কনভয়ে লরির ধাক্কা, কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় বিপদ থেকে বাঁচলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। বিরোধী দলনেতার কনভয়ে (Convoy) আচমকা ধাক্কা মারল লরি (Truck)। কাঁথির বাড়ি থেকে তমলুকে আসার পথে শুভেন্দুর কনভয়ে ধাক্কা মেরেছে লরিটি। শুক্রবার দুপুর ২টো নাগাদ ১১৬বি জাতীয় সড়কে মারিশদার কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে শুভেন্দু অধিকারীর কোনও আঘাত লাগেনি। সুস্থ আছেন তিনি। দুর্ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি তমলুকের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান। লরিচালক পলাতক। ঘটনাস্থলে যায় মারিশদা থানার পুলিশ। আপাতত চালকের খোঁজ চলছে।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুকে নেতাই যেতে বাধা কেন? ডিজি, এসপির বিরুদ্ধে রুল জারি হাইকোর্টের    

    দুর্ঘটনার জেরে শুভেন্দুর কনভয়ে থাকা ওই গাড়ির সামনের অংশটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। মারিশদায় একটি পেট্রোল পাম্পের কাছে শুভেন্দুর কনভয়ের গাড়িতে ধাক্কা দেয় লরিটি। কনভয়ের গাড়ির সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কা লাগলেও শুভেন্দু অন্য গাড়িতে থাকায় সম্পূর্ণ নিরাপদে রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিন দুর্ঘটনার পর জাতীয় সড়কে সাময়িক যানজটও তৈরি হয়। পরে শুভেন্দু নিজের গন্তব্যে রওনা দেন। নিছকই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে কোনও ষড়যন্ত্র? তা খতিয়ে দেখছে মারিশদা থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের চাপে ‘বাংলা’ সরে ফের বসছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম? ট্যুইট শুভেন্দুর 

    দুর্ঘটনার জেরে বিরোধী দলনেতার কনভয়ের ওই গাড়ির চালকসহ আরও একজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পরেই গাড়ি ফেলে চম্পট দেয় চালক। পরে গাড়িটি আটক করে মারিশদা থানার পুলিশ। চালকের খোঁজ শুরু হয়েছে।  

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, রথযাত্রা উপলক্ষে আজ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে। তমলুকের ইসকন মন্দিরে যাওয়ার জন্য এদিন দুপুরে বাড়ি থেকে রওনা দেন শুভেন্দু অধিকারী। ১১৬বি জাতীয় সড়ক দিয়ে শুভেন্দুর কনভয় যাচ্ছিল। সেই সময় আচমকা কনভয়ের একটি গাড়িকে ধাক্কা মারে লরিটি। তার পরই গাড়িটিকে ধাওয়া করতে শুরু করে পুলিশ। যদিও লরি সমেত চালক পালিয়ে যান।   

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তা সত্ত্বেও কীভাবে কনভয়ে লরিটি ঢুকল, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  

     

  • Spicejet: “মনে হচ্ছিল আকাশেই উল্টে যাবে বিমান…”, এখনও আতঙ্কে দুর্ঘটনাগ্রস্ত স্পাইসজেটের যাত্রীরা

    Spicejet: “মনে হচ্ছিল আকাশেই উল্টে যাবে বিমান…”, এখনও আতঙ্কে দুর্ঘটনাগ্রস্ত স্পাইসজেটের যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আছে, অজয় দেবগণ অভিনীত ছবি ‘রানওয়ে ৩৪’ (Runway 34)-এর কথা। যেখানে খুবই খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে পড়ে একটি বিমান। কিন্তু বিমানচালকের কুশলী ক্ষমতায় বিমানটিকে ঠিক মতো অবতরণ করানো যায়। ঠিক এরকমই রবিবার মাঝ আকাশে ঝড়ের কবলে পড়ল স্পাইসজেটের (Spicejet) একটি বিমান। মুম্বই-দুর্গাপুর (Mumbai-Durgapur flight SG-945) দৈনিক বিমানটি দুর্গাপুরের অণ্ডাল (Andal airport) বিমানবন্দরের রানওয়েতে সঠিক ভাবে অবতরণ করার আগে এই দুর্যোগের মধ্যে পড়ে। ঝড় ও বৃষ্টির জন্য প্রবল ঝাঁকুনি লাগে বিমানে। আহত হন ১৭ জন যাত্রী। ডিজিসিএ-র (DGCA) তরফে জানানো হয়েছে, আহতদের মধ্যে ১৪ জন যাত্রী এবং তিন জন বিমানকর্মী। স্পাইসজেটের মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘অবতরণের পরই ওঁদের চিকিৎসা করানো হয়। আপাতত সকলেই সুস্থ। কয়েক জনের চোট একটু গুরুতর ছিল।’’

    তথ্য বলছে, ঝড়ের সময় এক ধাক্কায় ১২ হাজার মিটার উচ্চতা থেকে ৮ হাজার মিটার উচ্চতায় নেমে আসে বিমানটি। সন্ধ্যা ৭টা থেকে সওয়া ৭টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ক্রমাগত তিন বার ঝাঁকুনির পর ধীরে ধীরে নীচে নামতে শুরু করে বিমানটি। শেষ পর্যন্ত অণ্ডাল বিমানবন্দরে সাবধানেই অবতরণ করানো হয় বিমানটিকে।

    এক যাত্রী বলেন, ‘‘বিমানসেবিকা আমাদের বলেছিলেন সিট বেল্ট পরে নিতে। কিন্তু ঝাঁকুনিতে সেই বেল্ট ছিঁড়ে যায়। মাথায় চোট পেয়েছি।’’ আর এক যাত্রী মহম্মদ ইকবাল বলেন, ‘‘মনে হচ্ছিল, বিমানটা এ দিক থেকে ও দিক পর্যন্ত হেলে যাচ্ছে। সিটে বসে থাকা যাচ্ছিল না। উপরের লাগেজ কেবিন থেকে কারও কারও ব্যাগও পড়ল মাথায়।’’ আর এক যাত্রী বলেন, ‘‘আমার মনে হচ্ছিল আকাশেই বোধ হয় বিমানটা উল্টে যাবে।’’

    ওই ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিমানটি হঠাৎ করে নেমে যাওয়ার সময় অভ্যন্তরে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বিমানের ভিতরেও যেন ‘ঝড়’ বয়ে যায়। বিমানটিকে ঠিক মতো অবতরণ করানোর চেষ্টায় ছিলেন বিমানচালক। কিন্তু হঠাৎ ঝাঁকুনিতে এলোমেলো হয়ে যায় বিমানের অভ্যন্তর। জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে যেতে দেখা যায়। ভয়ে চিৎকার করতে থাকেন যাত্রীরা। বিমানসেবিকা উপর থেকে অক্সিজেন মাস্ক নামিয়ে নিতে বলেন যাত্রীদের। এক যাত্রীর কথায়, ‘‘অবতরণের সময় তিন বার ঝাঁকুনি হয়। গাড়িতে ঝাঁকুনি হলে যে রকম অনুভূতি হয়, তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ছিল ওই ঝাঁকুনি।’’ ডিজিসিএ-র তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।  

     

LinkedIn
Share