Tag: accused

accused

  • Jammu and Kashmir: উপত্যকায় পরপর গ্রেনেড হামলায় জড়িত দুই মূলচক্রী গ্রেফতার, অর্থ দিত পাকিস্তান!

    Jammu and Kashmir: উপত্যকায় পরপর গ্রেনেড হামলায় জড়িত দুই মূলচক্রী গ্রেফতার, অর্থ দিত পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) পরপর গ্রেনেড হামলায় জড়িত দুই মূলচক্রীকে গ্রেফতার করল নিরাপত্তা বাহিনী। ধৃতদের জেরায় জানা গিয়েছে, টাকা আসত সরাসরি পাকিস্তান (Pakistan) থেকে। সীমান্তে হামলা চালানোর একটি ছকও করা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক অস্ত্র এবং গোলাবারুদও। সম্প্রতি এই কেন্দ্রশাসিত রাজ্যের বিধানসভায় নির্বাচন শেষ হয়েছে। ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস জোট সরকার গঠন করেছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ওমর আব্দুল্লা। ফলে গ্রেনেড হামলা ও গ্রেফতারের ব্যাপারে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্যে।

    বাড়ি থেকে গ্রেনেড উদ্ধার (Jammu and Kashmir)

    জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ আনন্দ জৈন বলেন, “পুঞ্চ জেলায় অভিযান চালানো হয়েছিল। সেই অভিযানে আব্দুল আজিজ এবং মানওয়ার হুসেন নামে দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দু’জনেই হরি গ্রামের বাসিন্দা। বড়সড় ষড়যন্ত্র রোধে সাফল্য এসেছে।”

    অপর দিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং সিআরপিএফ যৌথ অভিযান চালিয়ে শুক্রবার প্রথমে আব্দুলকে গ্রেফতার করে। এই ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর উঠে আসে মানওয়ারের নাম। তিনি আব্দুলের সহযোগী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গিয়েছে। তার বাড়ি থেকেও একটি গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। একইভাবে একটি পিস্তল এবং নয় রাউন্ড গুলি পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ওড়িশার আদিবাসী রমণী মোদিকে দিলেন ১০০ টাকা! প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘নারী শক্তির আশীর্বাদ’

    পাকিস্তান থেকে অর্থ সরবরাহ হয়েছে

    আবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় (Jammu and Kashmir) দুই ধৃতই একাধিক সন্ত্রাসমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। হামলায় অর্থ জোগান দেওয়া, দেশবিরোধী কার্যকলাপ, অস্ত্রগুলির চোরাকারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিল তারা। ধৃতরা আরও কোনও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কিনা তা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, পাকিস্তান থেকে অবৈধ কাজের জন্য অর্থ সরবরাহ করা হয়। এমনকী তাঁদের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ পর্যন্ত দেওয়া হয় সীমান্তের ওপার (Pakistan) থেকে। গত কয়েক মাস ধরে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি কার্যকলাপে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কাশ্মীর উপত্যকা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam Case: অনুপস্থিত ৩ অভিযুক্ত! হল না কয়লা পাচার মামলার চার্জ গঠন

    Coal Scam Case: অনুপস্থিত ৩ অভিযুক্ত! হল না কয়লা পাচার মামলার চার্জ গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন বছর ধরে চলছে কয়লা পাচার মামলা (Coal Scam Case)। আসানসোলের (Asansol) বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারকের নির্দেশ মতো ২০ মে মঙ্গলবার থেকেই মামলার ট্রায়াল শুরুর কথা ছিল। সেই মতো মঙ্গলবার ৪৩ জন অভিযুক্তকে তলব করা হয়েছিল আদালতে। কিন্তু অনুপস্থিত ছিলেন তিনজন। ফলে মামলায় চূড়ান্ত চার্জ গঠন হয়নি। জানা গিয়েছে আগামী ৩ জুলাই চার্জ গঠনের পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন চার্জশিটে নাম থাকা সব অভিযুক্তকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে।

    কয়লা পাচার মামলা (Coal Scam Case)

    এর আগে কয়লা পাচার মামলায় দুটি চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। দুটি চার্জশিটে মোট ৪৩ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে।  সেই ৪৩ জনের মধ্যে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি-সহ ৩৯ জন এদিন আদালতে হাজির হলেও অনুপস্থিত ছিলেন তিনজন। তাঁরা হলেন জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ খাড়গে ও বিনয় মিশ্র। এদের মধ্যে বিনয় ‘নিরুদ্দেশ’। প্রাথমিক অনুমান, তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। 
    তবে এদিন অভিযুক্ত জয়দেব মণ্ডল এবং নারায়ণ খারকার অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন বিচারক৷ তাঁরা কোর্টে কেন অনুপস্থিত? এই প্রশ্ন বিচারক তাঁদের আইনজীবীদের করলে ওই আইনজীবীরা জানান, দুজনেই অসুস্থ৷ সেই কারণেই চার্জ গঠনের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি৷ যা শুনে বেজায় ক্ষুব্ধ হন বিচারক৷

    বিচারকের মন্তব্য

    এ প্রসঙ্গে বিচারক বলেন, “এই দুজনকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল একটাই শর্তে ৷ যখনই আদালতে তলব করা হবে, তাঁদের উপস্থিত থাকতে হবে ৷ যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁরা আদালতের নির্দেশ পালনে বাধ্য ৷ এভাবে অসুস্থ রয়েছে বলে দুটো মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দিলে চলবে না ৷ এই দুজনের জন্য বাকিরা উপস্থিত থাকলেও চার্জ গঠন করা যাচ্ছে না ৷ পরবর্তী শুনানির (Coal Scam Case) দিন অবশ্যই তাঁদের কোর্টে আসতে হবে ৷ অসুস্থ থাকলে প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে ৷” 

    আরও পড়ুন: বিশ্ব মেডিটেশন দিবসে জেনে নিন এর কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা

    বিচারকের নির্দেশ 

    অন্যদিকে মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ে আদালত চত্বরে এসে উপস্থিত হন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক উমেশকুমার সিংহ। হাজির হন বেশ কয়েক জন অভিযুক্তের আইনজীবীও। সেসময় উমেশ কুমারের কাছে বিচারক জানতে চান, “এই তদন্ত প্রক্রিয়া আর কতদিন চলবে ?” বিচারকের এই প্রশ্নে ওই আইনজীবীদের কয়েক জন আদালতে দাবি করেন, কয়লা পাচার মামলায় (Coal Scam Case) তদন্ত সংক্রান্ত কোনও নথি হাতে পাননি তাঁরা। তার পরই বিচারক ওই আইনজীবীদের হাতে নথি তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
    পাশাপাশি আগামী শুনানির (Coal Scam Case) দিন সমস্ত অভিযুক্তদের হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক৷ যদি কেউ উপস্থিত না-থাকেন, তা হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলরের আবাস দুর্নীতির অভিযোগ

    Murshidabad: তৃণমূল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলরের আবাস দুর্নীতির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ধুলিয়ান পুরসভার চেয়ারম্যান ইনজামুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূলেরই ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পারভেজ আলম ওরফে পুতুল। পুর এলাকার সমস্ত ওয়ার্ডের উপভোক্তাদের আবাস যোজনার টাকা প্রদান করা হলেও গোষ্ঠী কোন্দল এবং প্রতিহিংসার কারণে শুধুমাত্র ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কিছু উপভোক্তাদের টাকা আটকে রেখেছেন খোদ চেয়ারম্যান। ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় দুর্নীতি ফের প্রকাশ্যে।

    সাংবাদিক সম্মলেন করে অভিযোগ (Murshidabad)

    তৃণমূল কাউন্সিলর এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে ধুলিয়ান পুরসভা (Murshidabad) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এদিন তিনি এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উপভোক্তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন। কাউন্সিলর স্পষ্ট বলেন, “উপভোক্তরা টাকা পাওয়ার জন্য যে কয়েকজন অফিসারের স্বাক্ষর দরকার, তারা সবাই স্বাক্ষর করলেও প্রতিহিংসা করে শুধুমাত্র চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করেননি। ফলে বকেয়া টাকা আটকে রয়েছে। চরম দুর্বিষহ অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের।” এখানেই তিনি থেমে থাকেননি, বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে এবং চেয়ারম্যানের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রকাশ্যে বিজেপিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    ধুলিয়ান পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের (Murshidabad) বঞ্চিত উপভোক্তাদের অভিযোগ, “দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বাড়িতে খোলা অবস্থায় রয়েছেন। কেউ ভিত পর্যন্ত, কেউ আবার বাড়ির কিছুটা অংশ উঠিয়ে টাকা না পেয়ে বেকায়দায় পড়ে রয়েছেন। এই অবস্থায় আমাদের আর্থিক বরাদ্দের টাকা না দিলে আমাদের ঘরের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না। আমাদের সঙ্গে প্রতিহিংসার রাজনীতি করা হচ্ছে।” উল্লেখ করা যেতে পারে, ধুলিয়ান পুরসভার কাউন্সিলর পারভেজ আলম পুতুল ২০২২ সালে কংগ্রেসের প্রতীকে জয়লাভ করে পুরসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু মাস ছয়েক আগেই কংগ্রেস ছেড়ে জেলা সভাপতির হাত থেকে পতাকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এরপর থেকে দলের অন্দরে কোন্দল শুরু হয়। 

    চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    এদিকে দলেরই কাউন্সিলর পারভেজ আলম পুতুলের যাবতীয় অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে ধুলিয়ান (Murshidabad) পুরসভার চেয়ারম্যান ইনজামুল ইসলাম বলেন, “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। ইতিমধ্যেই সমস্ত ওয়ার্ডের পাশাপাশি ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪ জন উপভোক্তাকে ব্যাঙ্কে টাকা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি সোমবারের মধ্যে বাকি আরও ১৫ জন উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা প্রদান করা হবে। চেয়ারম্যান আরও বলেন, “যারা টাকা পাওয়ার কথা, তাদের নাম না দিয়ে তার সাঙ্গপাঙ্গদের টাকা দেওয়ার চেষ্টা করছে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ওই কাউন্সিলর। আমরা সেটা বানচাল করে ন্যায্য প্রাপকদের দিয়েছি। এতেই ওই কাউন্সিলরের গাত্রজ্বালা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম! বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের

    Nandigram: উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম! বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভার ভোট। এই রাজ্যে বিজেপি ২০টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম (Nandigram), ভোটের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল। বিজেপি কর্মীদের উপর তৃণমূল দুষ্কৃতীদের ব্যাপক হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি কর্মীদের জোর করে ভয় দেখিয়ে বাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আবার একই ভাবে বিজেপি করার জন্য বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগে সরব হয়েছেন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি কর্মীর অভিযোগ (Nandigram)

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) কেশবপুরের বাসিন্দা রবীন হালদার তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “পুলিশের সঙ্গে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে হামলা করে। ভোর ৩ টে থেকে ৪ টের সময় আমার বাড়িতে ঢুকে দরজায় ধাক্কা দেয়। এরপর দরজা খুলতে বলা হয়। কিন্তু দরজা না খোলায় দরজা ভাঙার চেষ্টা করা হয়। এরপর দুষ্কৃতীরা আমাকে টেনে ঘর থেকে বাইরে বের করে রাস্তায় নিয়ে যায়। ব্যাপক মারধর করা হয়। প্রায় ৩০-৩৫ জন লোক এসে হামলা করেছিল। সারা সময় ধরে তাণ্ডব চালায় ওরা। আমরা কেবলমাত্র বিজেপি করি বলে আমাদের উপর এই ভাবে অত্যাচার করা হয়। আমাদের আর কোনও দোষ নেই।”

    জেলা বিজেপির বক্তব্য

    জেলার (Purba Medinipur) বিজেপি কর্মী তথা রাজ্য কমিটির সদস্য সাহেব দাস বলেন, “এই অভিযোগ একেবারে সত্য। নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিজেপি সম্পর্কে অপপ্রচার করে তৃণমূলের হার্মাদেরা বাড়িতে ঢুকে অত্যাচার করছে। এমনকী বাড়ির এক সদস্যকে তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে গুন্ডারা। তৃণমূলের এই দুষ্কৃতীদের প্রত্যক্ষ মদত দিচ্ছে পুলিশ।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Nandigram) তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান বলেন, “বিজেপি সব সময় মিথ্যাচার করে। বাংলার তৃণমূল কর্মীদের কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তৃণমূলের কর্মীদের মেরে মাথা ফাটানো হয়েছে, আমরা অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশের কাজ পুলিশ করছে।” উল্লেখ্য নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের গোকুলনগর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গতকাল রাতে। মহেশপুরে এক পথসভাকে ঘিরে বৃন্দাবনচকের কাছে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এরপর থেকেই বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করে তৃণমূলের দুস্কৃতীরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PFI: কুখ্যাত পিএফআই গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার

    PFI: কুখ্যাত পিএফআই গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট-ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি গ্রেফতার। আরএসএস কর্মীকে হত্যার অভিযোগে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। তিনি পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বা পিএফআই-এর (PFI) কুখ্যাত নেতা হিসেবে পরিচিত। নিয়াজির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ এবং নাশকতামূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে। তিনি ২০১৬ সালে বেঙ্গালুরুতে আরএসএস নেতা রুদ্রেশকে হত্যার জন্য প্রধান অভিযুক্ত। কিন্তু সে ধরার আগেই সরকারকে এড়িয়ে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন দেশে জায়গা বদল করে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাসস্থান স্থাপন করে আত্মগোপন করে ছিল বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে গ্রেফতার হল আজ।

    গুজরাট এটিএস তথ্য দিয়েছিল (PFI) 

    গুজরাট অ্যান্টি-টেরোরিজম স্কোয়াড (এটিএস) এই পিএফআই (PFI) নেতা নিয়াজির গতিবিধিকে ট্র্যাক করার জন্য বিশেষ নেতৃত্ব দিয়েছিল। অবশেষে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে তাকে পাকড়াও করতে সুবিধা হয়। সেই সময়ে আরএসএস নেতা রুদ্রেশের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সারা দেশে শোকের আবহ তৈরি হয়েছিল। একই সঙ্গে নিয়াজিকে গ্রেফতারের জন্য তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ দেখা গিয়েছিল। কুখ্যাত এই নেতা নিয়াজিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রেফতার করার পর তাকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ প্রক্রিয়ার কাজ দ্রুত শুরু হয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, তাকে প্রথমে মুম্বাইতে নিয়ে আসা হবে। এরপর তাকে আদালতে তোলা হবে।

    কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল

    আরএসএস নেতা রুদ্রেশ একজন দুধ ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁকে দিনের আলোতে খুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। বেঙ্গালুরুতে শিবাজি নগরের আরএসএস শাখার সঙ্ঘ চালক ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে শিবাজি নগর শাখার বিজেপির সম্পাদক ছিলেন। দলের কাজ সেরে নিজের বাইকে করে ফিরছিলেন বাড়িতে। এরপর শহরের প্রাণ কেন্দ্র এমজি রোডে রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সামনে কালো পালসারে করে আসা দুই পিএফআই (PFI) দুষ্কৃতী তাঁর উপর আক্রমণ করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে পরপর কোপ মেরে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতে মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছিল। এরপর খুনের প্রতিবাদে কমার্শিয়াল রোডের থানার সামনে আরএসএস সমর্থকরা ব্যাপক প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: এ যেন অন্য  সন্দেশখালি, বাঁধের গা থেকে উধাও ইট! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Sandeshkhali: এ যেন অন্য সন্দেশখালি, বাঁধের গা থেকে উধাও ইট! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন ঠিক আরেক সন্দেশখালির খোঁজ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। সেখানেও দুর্নীতির অভিযোগে সরব এলাকাবাসী। এলাকার মানুষের অভিযোগ, পুই তেঁতুলতলায় রায়মঙ্গল নদীর বাঁধের গা থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে একের পর এক ইট। রায়মঙ্গলের এক পাশে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এবং অপর পাশে গোসাবা। সেখানে মূলত অভিযোগ, বাঁধের ইট নদীবাঁধকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু তা কার্যত দিনে দিনে উধাও হয়ে যাচ্ছে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, “এলাকায় কালোবাজারি চলছে। প্রকাশ্য দিনেদুপুরে চুরি হচ্ছে ইট।”

    ইট পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা (Sandeshkhali)

    স্থানীয় (Sandeshkhali) মানুষদের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল নেতা বাঁধের ইট খুলে বিক্রি করছেন। কোনও সময় গ্রামের বাইরে আবার কোনও সময় খোলা বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে এই ইট। কার্যত এলাকায় কালোবাজারি চলছে। আর এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গ্রামের তৃণমূল নেতা নিত্যানন্দ চক্রবর্তী। তিনি আবার এলাকার তৃণমূল নেতা রঞ্জন মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলেও জানা গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দা দেবব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন, “রঞ্জনবাবু তো এসেছিলেন এলাকায়, তাঁদের নির্দেশে ইটগুলো তুলে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় ক্লাবেও কিছু ইট পাচার করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের মারবে।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা নিত্যান্দ চক্রবর্তী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ওই ইটগুলি রাস্তা নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কোনও ইট বিক্রি করা হয়নি। সবটাই পাবলিকের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। টাকা নিয়ে ইট দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা।” অপর দিকে রঞ্জন মণ্ডল বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা। বিক্রি যে করা হয়েছে তার প্রমাণ দিতে বলুন। আমি রাজনীতিতে আসার আগে আমার যা সম্পত্তি ছিল আর এখন যা সম্পত্তি হয়েছে সেই বিষয়ে হিসেব নিলেই সব বোঝা যাবে। মানুষের সেবা করা আমার অপরাধ হয়ে গিয়েছে।” অপর দিকে এলাকার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডল বলেন, “আমি এমন কোনও খবর পাইনি। এখানে গোষ্ঠী কোন্দলের কোনও বিষয় নেই।”

    তৃণমূলের রাজত্বে মানুষের ক্ষোভে এই পুই তেতুলতলা এখন নতুন এক সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) পরিণত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: কংগ্রেস প্রধানের স্বামীকে হাসুয়া দিয়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের এলোপাথাড়ি কোপ!

    Malda: কংগ্রেস প্রধানের স্বামীকে হাসুয়া দিয়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের এলোপাথাড়ি কোপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস প্রধানের বাড়িতে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের সশস্ত্র আক্রমণ। উভয় পক্ষের রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মালদার (Malda) কালিয়াচক। শুক্রবার সকালে তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী হামলা চালায় কংগ্রেস প্রধানের বাড়িতে। কালিয়াচকের সিলামপুর ২ পঞ্চায়েতের প্রধান ফিরোজা বিবির স্বামী নাসিরুদ্দিন শেখ ও দুই ভাইকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় কংগ্রেস এবং তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। তবে ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Malda)?

    গতকাল বৃহস্পতিবার কংগ্রেসে প্রধান ফিরোজা বিবি ও তাঁর স্বামী পঞ্চায়েতের অডিট করাতে কলকাতা গিয়েছিলেন। এরপর ওই দিন রাতেই কলকাতা থেকে বাড়ি (Malda) ফেরেন তাঁরা। পরদিন শুক্রবার সকালে তাঁদের বাড়ির সদর দরজায় কয়েকজন ধাক্কা দেয়। এরপর দরজা খুলতে বলে ওই অজ্ঞাত পরিচিতেরা। ঠিক দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ির লোকজনের ওপর হামলা চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। ঠিক এমনটাই অভিযোগ করে বলেন কংগ্রেস প্রধান। ঘটনায় অভিযুক্ত দুষ্কৃতীরা হল মুকুল শেখ, জাহাঙ্গীর শেখ, ইব্রাহীম শেখ, জলিল শেখ, ফারিদুল। তারা প্রত্যেকে এলাকার তৃণমূল কর্মী। একই ভাবে বাড়ির গেট ভাঙচুর এবং ব্যাপক লুটপাঠ চালায় বলে অভিযোগও উঠেছে।

    কংগ্রেস প্রধানের অভিযোগ

    কংগ্রেসে প্রধান ফিরোজা বিবি বলেন, “বাড়িতে ঢুকে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা আমার স্বামী নাসিরুদ্দিনকে হাসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে। বাঁচাতে ছুটে যাই আমি এবং স্বামীর দুই ভাই। এরপর দুষ্কৃতীরা আমাদের উপরও হামলা চালায়। একের পর এক তিনজনকেই কোপ দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় আশেপাশের স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যায় সিলামপুর গ্রামীন হাসপাতালে। কিন্তু স্বামীর অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় চিকিৎসকেরা মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দেন। ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর শাস্তি চাই।”

    ব্লক কংগ্রেস প্রধানের বক্তব্য

    ব্লকের (Malda) কংগ্রেস সভাপতি মহম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “আমাদের প্রধানের দাদু মানসিক রোগী। তাঁকে ঘিরে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িতে আচমকা আক্রমণ করে। এরপর গলায় কোপ মারতে গিয়ে মাথায় আঘাত করে প্রধানের স্বামীর। মাথায় ৮টি শেলাই পড়েছে তাঁর। বর্তমানে তাঁর অবস্থা খুব আশঙ্কাজনক। পুলিশের কাছে আমরা অভিযোগ জানাবো। তবে পুরাতন কোনও শত্রুতার জন্য এই ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    South 24 Parganas: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যাগ বা একশো দিনের কাজ নয়, এবার অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা নয় ছয়ের অভিযোগ সামনে এলো রাজ্যে। আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতির পর এবার কেন্দ্রের বরাদ্দ পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকায় নয়ছয় হয়েছে। আর এই ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নামখানা ব্লকে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। যদিও বিডিও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে এই দুর্নীতিকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে বিজেপি। অপর দিকে পালটা তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। কিন্তু ফের একবার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    মূল অভিযোগ কী (South 24 Parganas)?

    স্থানীয় (South 24 Parganas) সূত্রে জানা গিয়েছে, নামখানা ব্লকের পাঁচটি পঞ্চায়েত এলাকায় ২০২২-২৩ অর্থ বর্ষে ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয়ছয় হয়েছে। এই অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্লকের নামখানা পঞ্চায়েতের বাসিন্দা স্নেহাশিস গিরি। তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে ব্লকের নামখানা, বুধাখালি, হরিপুর, শিবরামপুর ও নারায়ণপুর পঞ্চায়েত অঞ্চলে ২০২২-‌২৩ অর্থবর্ষে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করেনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। অর্থ কমিশনের টাকা এলাকার রাস্তা, নিকাশি এবং পানীয় জলের প্রকল্পে খরচ হওয়ার কথা। কিন্তু কাজের টেন্ডার এবং লেনদেনে মোট ১৬৫টি বেনিয়ম হয়েছে।” এবার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এলাকার বিডিও। যদিও ব্লকের তৃণমূল নেতৃত্ব দুর্নীতি মানতে নারাজ।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির মথুরাপুর (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার জেলা সম্পাদক বিপ্লব নায়েক বলেন, “এই যোজনার টাকা সবটাই লুট হয়েছে। অবিলম্বে চোরেদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিডিও দুর্নীতির বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে তৃণমূলেরই পক্ষ নিয়েছেন।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    নামখানার (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা অভিষেক দাস এই আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে বলেছেন, “পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকাকে প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে নিয়ম মেনে কাজের জন্য খরচ করা হয়েছে। কোনও অভিযোগের বাস্তব ভিত্তি নেই। তদন্ত হলে সত্যতা প্রমাণ হবে।”     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: বিজেপি কর্মীর চোখের মণিতে গুলি! অভিযুক্ত শাহজাহানের ফাঁসি চান স্ত্রী

    Sandeshkhali: বিজেপি কর্মীর চোখের মণিতে গুলি! অভিযুক্ত শাহজাহানের ফাঁসি চান স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali), ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। জমিজমা, বাড়ি-ঘর, চাষের জমি থেকে শুরু করে মাছের ভেড়ি লুট করে অত্যাচার চালিয়েছে তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহান-শিবু-উত্তমরা। শুধু তাই নয়, নিজেদের শারীরিক চাহিদা মেটাতে বাড়ির সুন্দরী বউদের রাতবিরেতে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে দিনের পর দিন যৌননিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়ে সোচ্চার হয়েছেন গ্রামের মহিলারা। ঠিক একই অত্যাচারের কথা মনে করিয়ে দেয় ২০১৯ সালে এক বিজেপি কর্মীর নির্মম হত্যার ঘটনা। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে সরব হলেন এবার বিজেপির নির্যাতিত পরিবার। চোখের মণিকে লক্ষ্য করে পরপর ৮টি গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডলকে। এখন নিহত বিজেপি কর্মীর স্ত্রী কঠোর শাস্তি চান এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।

    জামাইষষ্ঠীর দিনেই নৃশংস হত্যাকাণ্ড (Sandeshkhali)

    নৃশংসতার বর্ণনা দিয়ে স্বামীহারা পত্নী এদিন বলেন, “দিনটি ছিল ২০১৯ সালের জামাইষষ্ঠী। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ৫৬ নম্বর বুথের হাটগাছি অঞ্চলের ঘটনা। শেখ শাহজাহান প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লোক নিয়ে আক্রমণ করে আমাদের বাড়িতে। চারজন পুলিশ অন ডিউটি ছিল। আমার স্বামী প্রদীপকে লক্ষ্য করে চোখের মণিতে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। শরীরের সব জায়গায় অজস্র ভোজালির কোপ। আমার স্বামী এই ভয়ানক অত্যাচারের শিকার হন। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হলেন শেখ শাহজাহান, কাদের মোল্লা, আখের আলি গাইন, জিয়াউদ্দিন মোল্লা, আইফুল মোল্লা সহ আরও অনেকে।” কিন্তু পরে মামলার চার্জশিট হলে নিহত প্রদীপবাবুর স্ত্রী বলেন, “সিআইডি মামলার চার্জশিট জমা দিয়েছে, এফআইআর-এ এক নম্বরে নাম ছিল শাহজাহানের। কিন্তু এই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে ষড়যন্ত্র করে। খুব নগণ্য দুই ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়েছে। আর তাই সিআইডি-কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি।”

    শাহজাহানের ফাঁসি চাই

    কিন্তু কেন স্বামীকে এইভাবে খুন হতে হল? প্রশ্ন প্রদীপের স্ত্রীর। প্রদীপ মণ্ডল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভায় হাটগাছি অঞ্চলে বুথে বিজেপি জয়ী হয়েছিল। এই নির্বাচনের ফলাফলের পরই শাহজাহান বাহিনী আক্রমণ করে। স্বামীর এই নৃশংস হত্যার পর নিহত প্রদীপের স্ত্রী আতঙ্কে ছিলেন। ২০২১ সাল পর্যন্ত শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন প্রদীপের স্ত্রী। সেখানে মাছের ভেড়িতে ফিশারি চালাতেন। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভার নির্বাচনের ভোট পরবর্তী হিংসার কারণে তাঁদের ফিশারিতে ব্যাপক লুটপাট চালায় তৃণমূলের গুন্ডারা। এরপর বাড়িছাড়া হন তাঁরা। দুই সন্তান নিয়ে অন্যত্র আত্মগোপন করে আছেন তাঁরা। শেখ শাহজাহানের ফাঁসি চান নিহত বিজেপি কর্মী প্রদীপবাবুর পত্নী।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: গ্যাসের রি-কেওয়াইসি’র নামে ফের টাকা নেওয়ার অভিযোগে ধুন্ধুমার

    Paschim Bardhaman: গ্যাসের রি-কেওয়াইসি’র নামে ফের টাকা নেওয়ার অভিযোগে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য যেন মগের মুলুক। সরকার বা প্রশাসনের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। যে কাজে টাকা লাগার কথা নয়, সেই কাজে টাকা নেওয়াটা যেন রাজ্যে অলিখিত প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর প্রশাসন! সে তো চোখ থাকতেই অন্ধ। গ্যাসের ভর্তুকির রি-কেওয়াইসি করে দেওয়ার নামে ডিলাররা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে। ফের এমন অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে পশ্চিম বর্ধমানের উখড়ায় (Paschim Bardhaman)।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Paschim Bardhaman)?

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী গ্যাসে ভর্তুকি পেতে হলে রি-কেওয়াইসি করাটা বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন জায়গায় সম্প্রতি শুরু হয়েছে রি-কেওয়াইসির কাজ। গ্যাসের দোকানে তাই লম্বা লম্বা লাইন। কিছু জায়গায় আধার যোগের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে উঠছে অভিযোগ। এই নিয়ে এলাকার (Paschim Bardhaman) মানুষের প্রশাসনের বিরুদ্ধে বেজায় ক্ষুব্ধ। বৃহস্পতিবার উখড়া (Paschim Bardhaman) গ্রামের নতুন হাটতলা এলাকায় দেখা গেল এরকমই ছবি। চার-পাঁচদিন ধরে নতুন হাটতলায় একটি দোকানের বাইরে উজ্জ্বলা গ্যাসের ভর্তুকির জন্য আধার যোগের কাজ চলছিল অস্থায়ী ক্যাম্প করে। ওই ক্যাম্পে প্রতি গ্রাহকের কাছ থেকে আধার যোগের নামে ৪০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তবে টাকা নিলেও কোনও রসিদ না দেওয়ায় সন্দেহ হয় গ্রাহকদের। খোঁজ নিয়ে গ্রাহকরা জানতে পারেন, আধার লিঙ্কের জন্য কোনও টাকা লাগে না। এরপরই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবিতে সরব হন গ্রাহকদের একাংশ। এরপর ক্যাম্পে ছড়ায় উত্তেজনা।

    ঘটনাস্থলে পুলিশ

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে উখড়া (Paschim Bardhaman) ফাঁড়ির পুলিশ। গ্যাসের ডিলার বিশ্বজিৎ মাঝি ও কর্মী নির্মলকুমার ঠাকুরকে আটক করে উখড়া ফাঁড়িতে নিয়ে যায় পুলিশ। স্থানীয় গ্রাহক সীমা রুইদাস এবং নাসরিন খাতুন বলেন, “রি-কেওয়াইসি’তে আধার যোগের জন্য ৪০ টাকা করে আমাদের কাছে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিনিময়ে কোনও রসিদ দেয়নি ওই ডিলার।” ঘটনায় অভিযুক্ত আটক ডিলার বিশ্বজিৎ মাজি বলেন, “ক্যাম্পটি আয়োজন করেছে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী। কেন টাকা নেওয়া হয়েছে, সেটা তারাই বলতে পারবে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    উখড়া (Paschim Bardhaman) গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান মীনা কোল বলেন, “ক্যাম্প করার কথা পঞ্চায়েতকে জানানো হয়নি। আধার যোগের নামে টাকা নেওয়াটা বেআইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share