Tag: Achinta Sheuli

Achinta Sheuli

  • Achinta Sheuli: অলিম্পিক্সের শিবির থেকে বহিষ্কৃত সোনাজয়ী ভারোত্তলক অচিন্ত্য, কেন জানেন?

    Achinta Sheuli: অলিম্পিক্সের শিবির থেকে বহিষ্কৃত সোনাজয়ী ভারোত্তলক অচিন্ত্য, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সের জাতীয় শিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কমনওয়েলথে সোনাজয়ী বাঙালি খেলোয়াড় অচিন্ত্য শিউলিকে (Achinta Sheuli)। রাতে মহিলাদের হস্টেলে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়েন তিনি। তারই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অচিন্ত্যর বিরুদ্ধে পুরো প্রমাণ ছিল। তাই কোনও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি অচিন্ত্যর বিরুদ্ধে।

    অচিন্ত্যর বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ২০২২ সালে বার্মিংহ্যামে কমনওয়েলথ গেমসে ভারোত্তোলনে ৭৩ কেজি বিভাগে সোনা জিতেছিলেন হাওড়ার ছেলে অচিন্ত্য (Achinta Sheuli)। জাতীয় অলিম্পিক্স শিবিরে প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন অচিন্ত্য। অভিযোগ, মহিলাদের হস্টেলে রাতে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেই সময় এক নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে দেখতে পান। তিনি সেই ঘটনার ভিডিও করেন। অচিন্ত্যকে আটকানো হয়। সেই ভিডিও স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (সাই) ও এনআইএস পাতিয়ালার এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর বিনীত কুমারের কাছে পাঠানো হয়। ভিডিও প্রমাণ থাকায় আলাদা করে কোনও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। অচিন্ত্যকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়। 

    আরও পড়ুন: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    অলিম্পিক্সের স্বপ্ন অধরা

    এই ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। অচিন্ত্যকে (Achinta Sheuli) সঙ্গে সঙ্গে শিবির ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, বলে ভারতীয় ভারোত্তলক সংস্থার তরফে জানানো হয়। শুক্রবারই শিবির ছেড়ে চলে যান অচিন্ত্য। এর ফলে প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের স্বপ্ন এবার আর পূর্ণ হচ্ছে না অচিন্ত্যের। কারণ, এই মাসে আর তাইল্যান্ডের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না অচিন্ত্য। ফলে তাঁর আর অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ থাকছে না। সম্প্রতি চোট সারিয়ে জাতীয় শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন অচিন্ত্য। অলিম্পিক্সে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু বিশৃঙ্খলার অভিযোগে বহিষ্কৃত করা হল তাঁকে। ফলে স্বপ্ন পূরণ হল না অচিন্ত্যের। ক্ষণিকের ভুলে হারিয়ে যেতে চলেছেন বাংলার ছেলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Achinta Sheuli Exclusive: ‘জেরেমি না আমি, সময়ই বলবে! যে যোগ্য সেই যাবে প্যারিস,’ অকপট অচিন্ত্য

    Achinta Sheuli Exclusive: ‘জেরেমি না আমি, সময়ই বলবে! যে যোগ্য সেই যাবে প্যারিস,’ অকপট অচিন্ত্য

    ঈষিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: ফিনিশিং লাইন এখনও অনেকটা দূরে। সাফল্যের শেষ স্টপেজ কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games 2022) সোনার পোডিয়াম নয়। সেটা অতীত। চাঁদের পাহাড় অলিম্পিক্স। আসন্ন প্যারিস অলিম্পিক গেমস (Paris Olympics) এরিনায় দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করাই এখন আশু লক্ষ্য বাংলার ভারোত্তলক অচিন্ত্য শিউলির (Achinta Sheuli)। মাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জানালেন বাংলার সফল ভারোত্তলক।

    চরম দারিদ্রের মধ্যে বেড়ে ওঠা অচিন্ত্য জীবনে ধীরে-চলো নীতিতেই বিশ্বাসী। তাঁর কথায়, “Slow and Steady wins the race: সোনা তো দূর-অস্ত, আগে তো যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। ২০২৪ সালে প্যারিস অলিম্পিক গেমসে (2024 Paris Olympic Games) খেলতে গেলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে (World Championship) ভালো ফল করতে হবে। সেখানেই মিলবে অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র।”

    বিশ্ব ভারোত্তলন চ্যাম্পিয়নশিপে তাহলে প্রধান প্রতিপক্ষ কে? বন্ধু জেরেমি? মানতে নারাজ ২০ বছর বয়সি হাওড়ার ছেলে। তাঁর কথায়, “এটা কোনও সমস্যা নয়। বরং এই লড়াই দুজনকে আরও ভালো খেলতে উৎসাহ দেবে। বেশ মজাও হবে। আমরা একসঙ্গে অনুশীলন করব। আবার একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করব। দুজনেই জিততে চাই। যে ভালো পারফরম্যান্স করবে সেই অলিম্পিক্সে সুযোগ পাবে। যোগ্যতম জায়গা করে নেবে। আমাদের বন্ধুত্ব একরকমই থাকবে।”

    এক ফ্রেমে জেরেমি ও অচিন্ত্য

    কমনওয়েলথের আসর থেকে দুজনেই সোনা এনে দিয়েছেন। দুই বন্ধুরই পাখির চোখ প্যারিস অলিম্পিক গেমস। কিন্তু নিয়মের ফাঁদে যে কোনও একজনই অলিম্পিক্সে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। জেরেমি (Jeremy Lalrinnunga) কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয় করেন পুরুষদের ৬৭ কিলোগ্রাম ওজন বিভাগে। আর অচিন্ত্য ৭৩ কিলোগ্রাম ভারোত্তলন বিভাগে।  প্রসঙ্গত যে ৬৭ কেজি বিভাগে লড়াই করেন জেরেমি সেই বিভাগটি তুলে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক ওয়েটলিফটিং ফেডারেশন। ফলে ১৯ বছর বয়সি জেরেমিকে এবার থেকে লড়তে হবে ৭৩ কেজি বিভাগে। ফলে অলিম্পিক গেমসের জন্য ‘সম্মুখ সমরে’ দুই বন্ধু।

    নিজের লক্ষ্যে অবিচল অচিন্ত্য বলেন, “প্রতিপক্ষ যে-ই হোক আমি নিজের সর্বস্ব দিয়ে লড়াই করব। সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। কমনওয়েলথে মোট ৩১৩ কেজি ওজন তুলেছিলাম। এবার টার্গেট ৩৪০ কেজি ওজন তোলা। সে জন্যই আমেরিকায় প্রশিক্ষণ নিতে যাচ্ছি। সেখানে আমার সঙ্গে দিদি মীরাবাঈ (Mirabai Chanu), জেরেমি সকলে থাকবে। নিজের ভুল-ত্রুটিগুলি শুধরে নেওয়া যাবে।”

    আরও পড়ুন: অচিন্ত্য না জেরেমি! জানেন অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধি কে

    বুধবারই ভারতের সিনিয়র ভারোত্তলকদের বিশেষ অনুশীলনের জন্য আমেরিকা পাঠানো হচ্ছে। প্রায় এক মাসের মতো স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচের তত্ত্বাবধানে শিবির হবে তাঁদের। আমেরিকার সেইন্ট লুইসে তাঁদের বিশেষ ট্রেনিং দেবেন ড.অ্যারন হরশিগ। ২০২০ থেকে তাঁর অধীনে ট্রেনিং নিয়েছেন মীরাবাঈ চানু। সেখানেই এবার নিজেদের ঝালিয়ে নেবেন অচিন্ত্য, জেরেমিরা। তাই এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে নামছেন না তাঁরা।

    হাওড়ার দেউলপুরে মাটির বাড়িতে বেড়ে ওঠা। মা জরির কাজ করে সংসার চালান কোনওক্রমে। সাপ্তাহিক রোজগার পাঁচশো টাকা। তা-ও নিয়মিত নয় সেই কাজ। দাদা এখন দমকল দফতরের অস্থায়ী কর্মী। ছোট থেকেই লড়াই করে বড় হয়েছেন অচিন্ত্য। তাঁর লড়াই সকলকে প্রেরণা যোগাবে বলে ট্যুইট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। অচিন্ত্য বললেন, “মোদিজি অসাধারণ। কমনওয়েলথ গেমসে নামার আগে তাঁর ফোন মনের জোর অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেনার চাকরি আমাকে সাহস জুগিয়েছে। পুষ্টিকর খাবার খেতে সাহায্য করেছে। সাফল্যের জন্য পরিশ্রম যেমন জরুরি, তেমন দরকার ধৈর্যও । শুধু পরিশ্রম করলে হবে না, তার সঙ্গে ধৈর্য না থাকলে সাফল্য পাওয়া কঠিন।”

  • Paris Olympic: অচিন্ত্য না জেরেমি! জানেন অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধি কে

    Paris Olympic: অচিন্ত্য না জেরেমি! জানেন অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধি কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথের আসর থেকে দুজনেই দেশকে সোনা এনে দিয়েছেন। দুই বন্ধুরই পাখির চোখ প্যারিস অলিম্পিক। কিন্তু নিয়মের ফাঁদে যে কোনও একজনই অলিম্পিক (Paris Olympic) অ্যারিনায় দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন। জেরেমি লালরিনুঙ্গা (Jeremy Lalrinnunga)  ও অচিন্ত্য শিউলি (Achinta Sheuli)। ২০ বছর বয়সি অচিন্ত্য শিউলি পুরুষদের ৭৩ কিলোগ্রাম ভারোত্তলন বিভাগে কমনওয়েলথে (CwG 2022) সোনার পদক জয় করেন। অচিন্ত্য স্ন্যাচ বিভাগে ১৪৩ কেজি ওজন তুলেছেন। পাশাপাশি ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে তিনি ১৭০ কিলোগ্রাম ওজন তুলে দেশের হয়ে এক নয়া রেকর্ড গড়েন। মোট ৩১৩ কেজি ওজন তুলে ইতিহাস গড়েন বঙ্গসন্তান। অন্যদিকে, ভারতের মাত্র ১৯ বছর বয়সি তরুণ ওয়েট লিফটার জেরেমি লালরিনুঙ্গা কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয় করেন পুরুষদের ৬৭ কিলোগ্রাম ওজন বিভাগে। তিনি স্ন্যাচ বিভাগে সবথেকে বেশি ১৪০ কিলোগ্রাম ওজন তুলেছেন। ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে তিনি ১৬০ কিলোগ্রাম ওজন তোলেন।

    যুব অলিম্পিকে সোনার পদক জয় করেছিলেন জেরেমি। এবার তাঁর লক্ষ্য প্যারিস অলিম্পিক। কিন্তু সমস্যা অলিম্পিকে ৬৭ কেজি বিভাগটি নেই। জেরেমিকে লড়তে হবে ৭৩ কেজি বিভাগে। যেখানে যেতে গেলে বিশ্ব ভারোত্তলন চ্যাম্পিয়নশিপে  জেরেমির লড়াই হবে অচিন্ত্যর সঙ্গে। অচিন্ত্য ৭৩ কেজি বিভাগেই খেলেন। চলতি বছরের নভেম্বরে কলম্বিয়ায়  বসবে বিশ্ব ভারোত্তলন চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। সেখানকার ফলাফলের উপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হবে কে প্যারিসের বিমানে উঠবেন। 

    আরও পড়ুন: মায়ের ছেঁড়া শাড়িতেই নিরাপদ সোনাজয়ীর পদক! জানেন অচিন্ত্যকে কী বললেন মা

    কমনওয়েলথে জয়ের পরই অচিন্ত্য বলেন, ”আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি, যখন পোডিয়ামে ভারতের তেরঙা সবার উপরে উঠেছে। জাতীয় সঙ্গীত বেজেছে। প্যারিস অলিম্পিক্সে এ রকমই সাফল্য তুলে আনাই এখন আমার পাখির চোখ।” অচিন্ত্য জানান, এই লক্ষ্য পূরণ করার জন্য কোনওভাবেই উৎসবে ডুব দেবেন না তিনি। কিছুদিনের মধ্যেই পুনেতে গিয়ে জাতীয় অ্যাকাডেমিতে যোগ দেবেন। নেমে পড়বেন প্র্যাক্টিসে।”

    জেরেমিও এখন আইজলে নিজের বাড়িতে রয়েছেন। আগামী সপ্তাহেই জাতীয় শিবিরে যোগ দেবেন তিনি। জেরেমি বলেন, “বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অন্য বিভাগে খেলতে নামবেন তিনি। তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। একটুও সময় নষ্ট না করে নিজের সেরাটা দেওয়াই লক্ষ্য তাঁর।”

  • Achinta, Jeremy Win Gold: কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন বাংলার অচিন্ত্য, মণিপুরের জেরেমি

    Achinta, Jeremy Win Gold: কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন বাংলার অচিন্ত্য, মণিপুরের জেরেমি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসের ভারোত্তলন থেকে এল ভারতের তৃতীয় সোনা। ছেলেদের ৭৩ কেজি বিভাগে গেমস রেকর্ড গড়ে স্বর্ণপদক জিতলেন বাংলার অচিন্ত্য শিউলি। ৭৩ কেজি বিভাগে স্ন্যাচে প্রথম প্রয়াসে অচিন্ত্য তোলেন ১৩৭ কেজি, দ্বিতীয় প্রয়াসে ১৪০ কেজি ও তৃতীয় প্রয়াসে ১৪৩ কেজি তুলে নিজের গেমস রেকর্ড আরও বাড়িয়ে নেন অচিন্ত্য। 

    ক্লিন অ্যান্ড জার্কে প্রথম প্রয়াসে অচিন্ত্য ১৬৬ কেজি তোলেন। দ্বিতীয় প্রয়াসে অচিন্ত্য ১৭০ কেজি তুলতে গিয়ে পারেননি। কিন্তু তখনও তিনি লিড ধরে রাখেন। এরপর তৃতীয় প্রয়াসে তিনি ১৭০ কেজি তুলে গেমস রেকর্ডকে আরও উন্নত করেন। তাঁর সম্মিলিত স্কোর দাঁড়ায় রেকর্ড ৩১৩ কেজি। এই ইভেন্টে অচিন্ত্যর থেকে ১০ কেজি পিছিয়ে থেকে রুপো জেতেন হিদায়াত মহম্মদ (৩০৩ কোজি)। সার্বিকভাবে ২৯৮ কেজি ভার তুলে ব্রোঞ্জ জেতেন ডারসিগনি।

    অচিন্ত্যর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লেখেন, গেমসে যাওয়ার আগে আমার সঙ্গে  অচিন্ত্যর কথা হয়েছিল। আমি জেনেছি, কীভাবে পরিবার ওকে সমর্থন করে এসেছে।

     

    অভিনন্দন জানিয়েছেন উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। 

     

    এর আগে, ভারতকে দ্বিতীয় সোনা এনে দেন মণিপুরের ১৯ বছর বয়সী ভারোত্তোলক জেরেমি লালরিনুঙ্গা। তিনিও এদিন গেমস রেকর্ড সোনা জিতলেন। স্ন্যাচে ১৪০ কেজি ওজন তুলেছেন মিজোরামের এই ভারোত্তোলক। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে এগিয়ে ছিলেন ১০ কেজি ব্যবধানে। ক্লিন অ্যান্ড জার্কে তিনি তোলেন ১৬০ কেজি। সব মিলিয়ে ৩০০ কেজি তুলে কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন। তবে ক্লিন অ্যান্ড জার্কে বেশি ওজন তুলতে গিয়ে পেশিতে টান ধরে।

    চার বছর আগে যুব অলিম্পিক্সে সোনা জিতেছিলেন জেরেমি। সোনা জিতেছিলেন কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপেও। এ বার সোনা এল কমনওয়েলথ গেমসেও। স্ন্যাচিংয়ে তাঁর বিভাগে রেকর্ড গড়লেন জেরেমি। ১৪০ কিলো তোলেন তিনি। কমনওয়েলথ গেমসে ৬৭ কিলো বিভাগে যা রেকর্ড। জেরেমিকে উৎসাহ দিতে গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন মীরাবাই চানু, যিনি শনিবারই ভারতকে প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন।

     

  • Achinta Sheuli: মায়ের ছেঁড়া শাড়িতেই নিরাপদ সোনাজয়ীর পদক! জানেন অচিন্ত্যকে কী বললেন মা

    Achinta Sheuli: মায়ের ছেঁড়া শাড়িতেই নিরাপদ সোনাজয়ীর পদক! জানেন অচিন্ত্যকে কী বললেন মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games) ৭৩ কেজি ভারোত্তলন (Weaight Lifting) বিভাগে সোনার পদক (gold) জিতেছেন বাংলার ভারোত্তোলক অচিন্ত্য শিউলি (Achinta Sheuli)। তাঁকে নিয়ে সারা দেশে চর্চা চলছে। দারিদ্র্যকেদূরে ঠেলে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি। আজ প্রচারের লাইমলাইটে হাওড়ার দেউলপুরের ছেলে। ছেলের সাফল্য মায়ের আনন্দ। কিন্তু গ্রামের ভাঙা বাড়িতে ছেলের অর্জিত পদক ও ট্রফি রাখার ভাল জায়গা নেই। তাই নিজের ছেঁড়া শাড়িতেই ছেলের মহামূল্যবান পদক ও ট্রফিগুলি রেখেছেন অচিন্ত্য শিউলির মা পূর্ণিমা শিউলি। বাড়িতে আলমারি নেই, ট্রফি সাজানোর মতো জায়গাও নেই। তাই মা ছেলেকে একটি আলমারি কিনতে বলেছেন। সেখানে তিনি ছেলের পদক ও ট্রফিগুলি রাখবেন। অচিন্ত্যর  বাড়ি কলকাতা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে। অচিন্ত্যর মা জানান, বাড়িতে খাটের নিচে শাড়িতে জড়িয়ে অচিন্ত্যর ট্রফি ও মেডেলগুলি রাখা আছে। সেখানেই ওগুলো সব থেকে বেশি নিরাপদ বলেও জানান তিনি। 

    আরও পড়ুন: ঘরে ফিরলেন সোনার ছেলে! জানেন বাড়ি এসে কী করলেন অচিন্ত্য

    এখনও বাড়িতে ট্রফি রাখার আলাদা জায়গা করতে পারেননি সোনার ছেলে অচিন্ত্য। তবে ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই করবেন। কমনওয়েলথ গেমসে (CWG 2022) সোনা জয়ের পর সেনাবাহিনীতেও এবার পদোন্নতির পথে বাংলার ভারোত্তোলক। সম্প্রতি দিল্লিতে সেনাবাহিনীতে কর্মরত পদকজয়ীদের সংবর্ধনা দিয়েছেন সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে। বাহিনীতে কর্মরত কমনওয়েলথে পদকজয়ীদের হাতে স্মারক ও নগদ পুরস্কারমূল্য তুলে দেন সেনাপ্রধান। সেখানে ছিলেন অচিন্ত্যও। কমনওয়েলথ গেমসে প্রত্যেকের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন সেনাপ্রধান। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, সেনাবাহিনীর প্রথা মেনে সকলেরই পদোন্নতি হবে। তাই আপাতত দিনবদলের আশায় বাংলার ভারোত্তোলক। 

    আরও পড়ুন: জরিশিল্পীর কমনওয়েলথ সোনা উৎসর্গ দাদা ও কোচকে

    তবে যতদিন না পর্যন্ত ছেলে নিজের ঘর নতুন করে সাজাতে পারছে ততদিন তাঁর মা পূর্ণিমা শিউলি ছেলের মূল্যবান জিনিসগুলিকে রেখেছেন নিজের জিম্মায়। পূর্ণিমা বলেছেন, “আমি জানতাম অচিন্ত্য যখন আসবে তখন সবাই বাড়িতে ভিড় করবে। সেই জন্য আমি এই মেডেল-ট্রফিগুলো একটা টুলের ওপর সাজিয়ে রাখি, যাতে সবাই বুঝতে পারে আমার ছেলে কতটা প্রতিভাবান। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি ও দেশের জন্য  সোনার পদক জিতবে। ও স্বপ্ন পূরণ করেছে।”
LinkedIn
Share