Tag: Adani Group

Adani Group

  • BGBS 2023: মহুয়াকাণ্ডের জেরেই কি তাজপুর বন্দর থেকে সরে গেলেন আদানিরা?

    BGBS 2023: মহুয়াকাণ্ডের জেরেই কি তাজপুর বন্দর থেকে সরে গেলেন আদানিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে কার্যত ল্যাজেগোবরে হয়েছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। মহুয়া যাঁর হয়ে প্রশ্ন করেছিলেন তিনি ব্যবসায়ী হিরানন্দানি। যাঁর বিরুদ্ধে প্রশ্ন করেছিলেন ঘুষ নিয়ে, তিনি এই আদানি গোষ্ঠীর প্রধান গৌতম আদানি। ওয়াকিবহাল (BGBS 2023) মহলের মতে, সেই কারণেই তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে ফের নতুন করে দরপত্র দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

    ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলা যাক। লগ্নি টানার নামে তৃণমূল জমানায় ফি বার হয় বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। গত বছর ওই সম্মেলন শেষে রাজ্য সরকারের তরফে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা করেছিলেন, তাজপুর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের বরাত পেয়েছে আদানি গোষ্ঠী। সেটি নির্মাণে খরচ হবে ২৫ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছর দুদিনের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। এদিনের সম্মেলনে আদানি গ্রুপের কাউকে দেখা যায়নি। অথচ গত বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে মঞ্চ আলোকিত করেছিলেন গৌতমই। কথা দিয়েছিলেন, বিনিয়োগ করবেন ১০ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হবে ২০ থেকে ২৫ হাজার।

    মহুয়াকাণ্ডের জের!

    এদিনের সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তাজপুরে সমুদ্রবন্দর হবে। আপনারা তাতে অংশগ্রহণ করতে পারেন।” দু’ বছরের মধ্যে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের দুই মন্ত্রীর (এঁদের মধ্যে একজন আবার মুখ্যমন্ত্রী) দুই বিপ্রতীপ মন্তব্যে সৃষ্টি হয়েছে জল্পনার। প্রশ্ন উঠছে, মহুয়াকাণ্ডের জেরেই কি তাজপুরে বিনিয়োগে (BGBS 2023) বিমুখ আদানিরা? অবশ্য মমতা এবং ফিরহাদের বক্তব্যে বিপ্রতীপ কিছু দেখছেন না রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি বলেন, “তাজপুর বন্দর নিয়ে নতুন করে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আদানি গোষ্ঠীকে অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছিল। তবে সেটা বাতিল করা হয়নি।”

    আরও পড়ুুন: মোদির নেতৃত্বে আজ শুরু ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলন, যোগ দেবেন কি ট্রুডো?

    কটাক্ষ বিজেপির

    তাজপুর নিয়ে গতকালের ঘোষণার পরই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আদানি নিয়েছিলেন, তবে সেখানকার মাটির ফিট সার্টিফিকেট আসেনি। তাজপুর বন্দরের একটা পাথরও গাঁথা হয়নি। আদৌ বন্দর করা যাবে কিনা, সেটাই তো বোঝা যাচ্ছে না! কে জলে টাকা ফেলতে চায়? ওঁর (আদানি) থেকে কেড়ে নিলেন? দেবেন কাকে? সবই তো গভীর জলে পড়ে রয়েছে। অন্যদিকে, আম্বানি বুঝে গিয়েছেন দিদির কাছে বড় বড় কথা বললে দিদি খুশি। নাহলে বাকি যে (BGBS 2023) ব্যবসাগুলো চলছে, সেগুলোও চলতে দেবেন না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: ‘এটা কেন্দ্রের জবাব দেওয়ার মতো বিষয় নয়’, আদানি ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitharaman: ‘এটা কেন্দ্রের জবাব দেওয়ার মতো বিষয় নয়’, আদানি ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের কারণে বড় ক্ষতির মুখে আদানি গ্রুপ। গৌতম আদানির সম্পত্তি মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই কার্যত অর্ধেকে এসে ঠেকেছে। শেয়ার বাজারে আদানি গ্রুপের সবকটি স্টকেরই দাম পড়েছে। আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দর শেষ ৫ দিনে ৫০ শতাংশ কমেছে। ভারতের শেয়ার বাজারের সূচকও নিম্নমুখী। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)।

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) আশ্বাস দিয়ে বলেন, দেশের বাজার রয়েছে ‘যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে’। পাশাপাশি তিনি বলেন, আদানি গ্রুপের বিতর্কের জেরে যে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও বিশ্বাসকে প্রভাবিত করবে, তা তিনি আশা করেননি। তিনি এও বলেন যে, এটা কেন্দ্রের উত্তর দেওয়ার মতো বিষয় নয়। নিয়ন্ত্রকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।  

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মার্কিন আর্থিক রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশ করে। আর তাতেই ভয়ঙ্করভাবে ক্ষতিগ্রস্থ আদানি গ্রুপ। খোদ গৌতম আদানির সম্পত্তি ১২০ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে এসেছে ৬১.৯ বিলিয়ন ডলারে। বিশ্বের তৃতীয় ধনীতম ব্যক্তি এক ধাক্কায় ছিটকে গিয়েছেন ২১ তম স্থানে। রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, আদানি গ্রুপ কারচুপি করে নিজেদের শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে। যদিও আদানি গ্রুপ হিন্ডেনবার্গের এই রিপোর্টকে ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছে। 

    সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে স্বাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) দাবি করেন, দেশ ‘সম্পূর্ণ সুশাসনে’ রয়েছে। দেশের বাজার ‘খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রিত আর্থিক বাজার’ হিসেবে রয়েছে। সীতারমন এপ্রসঙ্গে জানিয়েছেন, “গোটা বিশ্বে অনেক কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু ভারতীয় আর্থিক বাজারগুলি কতটা ভালোভাবে পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হচ্ছে না।”

    এসবিআই- এলআইসি নিয়ে কী বললেন অর্থমন্ত্রী? 

    এদিকে, আদানি গ্রুপের শেয়ারের দাম যত পড়ছে, তত দুশ্চিন্তা বাড়ছে আমজনতার। কারণ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং জীবন বিমা নিগমের সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে। এই দুই সংস্থাই আদানি গ্রুপকে বড় অঙ্কের ঋণ দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আবার আদানি গ্রুপে বিনিয়োগ করেছে এলআইসি। সেই উদ্বেগের মধ্যেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) আশ্বাস দিলেন, এখনও আদানি গ্রুপে টাকা ঢেলে লাভ করছে এলআইসি এবং এসবিআই।

    অর্থমন্ত্রী সীতারামন (Nirmala Sitharaman )বলেন, “আদানি নিয়ে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং এলআইসি বিস্তারিত বিবৃতি জারি করেছে। আদানি গ্রুপে ওরা বেশি টাকা ঢালেনি। ওরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে অনুমোদিত সীমার মধ্যেই ওরা টাকা ঢেলেছে এবং লাভজনক অবস্থায় আছে।”

    শুক্রবার ভারতের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এসবিআইয়ের চেয়ারম্যান দীনেশ খারা দাবি করেছেন, আদানি গ্রুপে সার্বিকভাবে ২৭,০০০ কোটি টাকা ঢেলেছে এসবিআই। যা রাষ্টায়ত্ত ব্যাঙ্কের মোট মূলধনের ০.৮৮ শতাংশ।

    এদিকে, গত ৩০ জানুয়ারি এলআইসির তরফে বিবৃতিতে (Nirmala Sitharaman) দাবি করা হয়, আদানি গ্রুপে যে পরিমাণ টাকা ঢেলেছে এলআইসি, তা মোট বিনিয়োগের এক শতাংশেরও কম। ৩৬,৪৭৪.৭৮ কোটি টাকা। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদানি এন্টারপ্রাইজের ফলো-অন পাবলিক অফারিংয়ে বিনিয়োগ করেছিল এলআইসি। যদিও সেই এফপিও তুলে নিয়েছে আদানি এন্টারপ্রাইজ। টাকা ফিরিয়ে দেওয়া বলেও জানিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

     

  • Adani Group: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Adani Group: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ হাজার কোটি বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। ১০ লাখ চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির এবার কী হবে? আদানিকাণ্ডের (Adani Group) পর এসব প্রশ্নই তুলে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আদানি শিল্পগোষ্ঠীর শেয়ারে পতন ও তাদের সম্পত্তি মূল্য কমে যাওয়ার রিপোর্ট নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। এর প্রেক্ষিতে বাংলায় আদানি গোষ্ঠীর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। এক সংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমরা সকলেই জানি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর (আদানি) সঙ্গে একটা গোপন আঁতাঁত করেছিলেন। আমি তাজপুর বন্দর নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। এর পরেই শুভেন্দু বলেন, ২৫ হাজার কোটি বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। ১০ লাখ চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির এবার কী হবে?

    বিশবাঁও জলে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ?

    প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুরে তাজপুর বন্দর ও বীরভূমে ডেউচা পাঁচামির খনি প্রকল্পে বিনিয়োগ করার কথা আদানি গোষ্ঠীর (Adani Group)। এখানে প্রচুর পরিমাণে গ্রানাইট পাথর থাকায় আগ্রহ দেখিয়েছে এই শিল্পগোষ্ঠী। কৃষিভিত্তিক শিল্পেও আগ্রহ রয়েছে আদানিদের। বর্তমানে তাজপুরে চলছে সমীক্ষার কাজ। এসবের জেরে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে আদানিদের উপস্থিতি বড় করে তুলে ধরা হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। তবে বর্তমানে  আদানিদের বিপর্যয়ের খবর প্রকাশ্যেই প্রমাণ গুণছে তৃণমূল। এদিন শুভেন্দু বলেন, আমি ভাবিত আমাদের তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে। আমি ভাবিত ডেউচা পাঁচামির পাথর কে কিনবে, তাই নিয়ে। তিনি বলেন, ভাইপো নতুন বন্ধু নিয়ে এসেছিল। এ বার নির্বাচনী বন্ড কোথা থেকে আসবে?

    আরও পড়ুুন: মতুয়া ধর্মগুরুদের নাম বিকৃতি, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর, কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    এই প্রথম নয়, আদানি (Adani Group) প্রসঙ্গে এর আগেও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছিলেন শুভেন্দু। নিউ টাউনের ইকোপার্কে গৌতম আদানির পুত্র কিরণ আদানির হাতে তাজপুর বন্দরের কাজ শুরুর অনুমতি তুলে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ও সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন শুভেন্দু। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, রাজ্য সরকার তো নীতিগতভাবে বেসরকারি সংস্থার জন্য জমি অধিগ্রহণের বিরোধী। তাহলে পাঁচ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করবে কে? সেই সময় তিনি এও বলেছিলেন, একেবারে ঢপের চপ। আমি বারে বারে বলি একটি গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করতে গেলে যেখানে লক গেট হবে, তার পাশে ন্যূনতম পাঁচ হাজার একর জমি লাগে। চার লেনের জাতীয় সড়ক লাগে। রেলের লাইন লাগে। রেললাইন হল না, জাতীয় সড়কের কাজও তো শেষ হল না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Adani: ক্ষতির মুখে আদানি গোষ্ঠী, তিন দিনেই হাওয়া ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা

    Adani: ক্ষতির মুখে আদানি গোষ্ঠী, তিন দিনেই হাওয়া ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে গৌতম আদানির সংস্থা (Adani)। আদানি গ্রুপকে নিয়ে হিনডেনবার্গ রিসার্চের একটি চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে এসেছে। রিপোর্ট প্রকাশের পরই  সংস্থাটির অধীন তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারমূল্য তিন দিনে প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ডলার কমেছে। 

    ফোর্বসের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় গৌতম আদানি (Adani) তিন থেকে আটে নেমে এসেছেন। এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানির সংস্থার বিরুদ্ধে গত সপ্তাহে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে নিউইয়্ররকের শর্ট–সেলার হিনডেনবার্গ। এই রিপোর্টে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ‘কর্পোরেট জগতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জালিয়াতির’‌ অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া আদানি গ্রুপের ঋণের পরিমাণ ও তাদের ট্যাক্স হেভেন ব্যবহার নিয়েও এই রিপোর্টে কিছু বিশেষ তথ্য দেওয়া হয়েছে।   

    রবিবার এক বিবৃতি জারি করে আদানি (Adani) গ্রুপ হিনডেনবার্গের বিরুদ্ধে ভারত ও তার প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণের অভিযোগ এনেছে। প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার বিবৃতিতে আদানি  গ্রুপ জানায়, স্থানীয় আইন মেনেই সবকিছু করেছে সংস্থা। আইন অনুযায়ী যেসব তথ্য প্রকাশ করার, তা করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘৩৭০ ধারা থেকে তিন তালাক বাতিল…, আমার সরকার নির্ভীক সরকার’, বললেন রাষ্ট্রপতি  

    এরপরেই আদানি (Adani) গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আদানি ট্রান্সমিশন ও আদানি টোটাল গ্যাসের শেয়ারমূল্য সোমবার ২০ শতাংশ পড়ে যায়। এছাড়া আদানি গ্রিন এনার্জির শেয়ারের মূল্য ১৬ শতাংশ কমেছে।

    ‘লাইভ মিন্ট’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু সোমবারই আদানি গ্রুপের ছ’টি শেয়ারে ১.৫৩ লক্ষ কোটি টাকা খোয়া গিয়েছে। শুধুমাত্র একটি শেয়ারই ওপরের দিকে উঠেছে।

    এক নজরে কোন শেয়ারের কত পতন?

    • আদামি উইলমার: সোমবার বিএসইতে (বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ) পাঁচ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে। প্রতিটি শেয়ারের দাম পড়ছে ৪৯১.৪৫ টাকা। 
    • আদানি টোটাল গ্যাস: সোমবার বিএসইতে ২০ শতাংশ (প্রতিটি শেয়ারের দাম ৫৮৬.৯ টাকা) পতনের মুখে পড়েছে আদানি টোটাল গ্যাস। আপাতত প্রতিটি শেয়ারের দাম পড়ছে ২,৩৪৭.৬৫ টাকা।
    • আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড: আজ বিএসইতে ১৯.৯৯ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড। আজ বাজার বন্ধের সময় প্রতিটি শেয়ারের দাম ঠেকেছে ১,১৮৭.৭ টাকা। আজই ৫২ সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিল।
    • আদানি ট্রান্সমিশন: সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ১৪.৯১ শতাংশ পতন হয়েছে। সকালের দিকে তো ৫২ সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিল (প্রতিটি শেয়ারের দাম ১,৬০৭.৮ টাকা)। তারপর কিছুটা উত্থান হয়ে প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ১,৭১০.১ টাকা।
    • আদানি পাওয়ার: আজ পাঁচ শতাংশ কমে গিয়েছে আদানি পাওয়ারের শেয়ারের দাম। আপাতত প্রতিটি শেয়ারের দাম ঠেকেছে ২৩৫.৬৫ টাকায়।
    • আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোনস লিমিটেডের শেয়ার: শেয়ার বাজারে আদানি গ্রুপের রক্তক্ষরণের মধ্যে দিনের শুরুতে কিছুটা আশার আলো দেখিয়েছিল আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোনস লিমিটেডের শেয়ার। ছুঁয়ে ফেলেছিল আপার সার্কিট। কিন্তু বাজার বন্ধের সময় সেটিও ‘লাল’ জোনে চলে গিয়েছে। ০.২৯ শতাংশ কমে প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ৫৯৬.৮৫ টাকা।
    • আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ার: আদানি গ্রুপের দুর্দশার মধ্যে একমাত্র মুখরক্ষা করেছে আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ার। প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪.২১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৮৭৮.৫ টাকা। একটা সময় ‘আপার সার্কিট’ ছুঁলে ফেলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Vizhinjam: পিছু হটলেন আন্দোলনকারীরা, তোলা হল অবস্থান, ভিজহিনজামে বন্দর হচ্ছেই

    Vizhinjam: পিছু হটলেন আন্দোলনকারীরা, তোলা হল অবস্থান, ভিজহিনজামে বন্দর হচ্ছেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ পিছু হটলেন আন্দোলনকারীরা। ঠিক একদিন আগে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন (CM Pinarayi Vijayan) স্বয়ং। তার পরেই কাটে জট। ল্যাটিন ক্যাথলিক চার্চ ও স্থানীয় মৎস্যজীবী সম্প্রদায় (Fishermen Community) অবস্থান তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করে। ফলে এবার আর কেরলের (Vizhinjam) বন্দর তৈরিতে কোনও বাধা রইল না। ভিজহিনজামে এই সামুদ্রিক বন্দরটি তৈরি করছে আদানি গোষ্ঠী। বন্দর হচ্ছে কেরলের দক্ষিণে। মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন বলেন, উপকূল অঞ্চলের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন ও তাঁদের জীবিকার নিরাপত্তার দিকটি সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকবে।

    ভিজহিনজামে বন্দর…

    কেরলের ভিজহিনজামে বন্দর তৈরি করছে আদানি গোষ্ঠী। বন্দরটি হলে এলাকার পাশাপাশি ব্যাপক উন্নতি হবে রাজ্যের। এই বন্দর তৈরিতেই বাধা দিচ্ছিল ল্যাটিন ক্যাথলিক চার্চ ও স্থানীয় মৎস্যজীবী সম্প্রদায়। বন্দর তৈরির প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। অবস্থান বিক্ষোভ প্রদর্শন চলে ১৩৮ দিন ধরে। জট কাটাতে একাধিকবার হয়েছে বৈঠক। তার পরেও সমস্যা মেটেনি। শেষমেশ জট কাটল বুধবার। ল্যাটিন ক্যাথলিক চার্চের তরফে বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীরা সরকারের সঙ্গে সব ব্যাপারে একমত নয়। তবে বৃহত্তর স্বার্থে আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: পুলিশি হেনস্থার শিকার উস্তাদ রশিদ খান, শিল্পীর পাশে রয়েছেন শুভেন্দু

    এদিকে, এদিনই বিধানসভায় এনিয়ে বিবৃতি দেয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেরলের পরিকাঠামো উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এই জাতীয় প্রকল্প মানবিক এবং গ্রহণযোগ্য পথেই রূপায়ন করতে হবে। তিনি জানান, আন্দোলনকারীরা সাতটি দাবি জানিয়েছিলেন। তার মধ্যে পাঁচটি মেনে নিয়েছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভিজহিনজামে বন্দর (Vizhinjam) তৈরি করতে গিয়ে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে। আগামী দেড় বছরের মধ্যেই তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে। যাঁরা ভাড়া ঘরে থাকছেন, তাঁদের মাসে সাড়ে ৫ হাজার টাকা করে ভাড়া বাবদ দেওয়া হবে। অগ্রিম দেওয়া হবে দু মাসের। মৎস্যজীবীরা যাতে তাঁদের জাল এবং মাছ ধরার অন্যান্য সরঞ্জাম রাখতে পারেন, সেজন্য তাঁদের পর্যাপ্ত জায়গাও দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী এও জানান, মৎস্যজীবীরা বতর্মানে যে কেরোসিন চালিত বোট ব্যবহার করেন, তাকে ডিজেল এবং পেট্রোল চালিত বোটে পরিবর্তন করা হবে। এজন্য মৎস্যজীবীদের এককালীন ভর্তুকিও দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Vizhinjam Port: ভিজিঞ্জাম বন্দরে যাওয়ার রাস্তা আটকানো যাবে না, নির্দেশ কেরল হাইকোর্টের

    Vizhinjam Port: ভিজিঞ্জাম বন্দরে যাওয়ার রাস্তা আটকানো যাবে না, নির্দেশ কেরল হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিজিঞ্জাম বন্দরে (Vizhinjam Port) যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে কষ্ট দেওয়া যাবে না রাজ্য এবং রাজ্যবাসীকে। সম্প্রতি এই মর্মে রায় দিয়েছে কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court)। দ্রুত এই রায় কার্যকর করার নির্দেশও দিয়েছে কেরলের এই আদালত। বিচারপতি অনু শিবরামণ এও বলেন, এই আন্দোলন নিয়ে কাউকেই রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। প্রসঙ্গত, কেরল (Kerala) থিরুভানানথাপুরম জেলার মুল্লুরে একটি মাল্টি-পারপাস সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কাজ চলছে। তার জেরেই অশান্তির সূত্রপাত। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানিই এই বন্দরটি গড়ছেন। কিন্তু অতিকায় এই মাল্টি পারপাস সমুদ্র বন্দরের প্রবেশপথই আটকে দিয়েছেন স্থানীয় খ্রিস্টান মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের মানুষ। যার জেরে মাঝপথে থমকে গিয়েছে বন্দর নির্মাণের কাজ।

    কারা বাধা দিচ্ছে?

    জানা গিয়েছে, ৯০০ মিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পটি গৌতম আদানির স্বপ্নের প্রকল্প। দেশের প্রথম কন্টেনার ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর হতে চলেছে ভিজিঞ্জামের এই বন্দরটিই (Vizhinjam Port)। আদানির সেই স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের আন্দোলন। চলতি বছরের অগাস্ট মাসে এখানে তৈরি হয়েছে ১২০০ বর্গফুটের একটি শেল্টার। শেল্টারের ছাদ লোহার তৈরি। সেখানেই ঝোলানো হয়েছে ব্যানার। চলছে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতিবাদ আন্দোলন। লোহার এই শেডের নীচে পাতা রয়েছে শ’ খানেক প্লাস্টিকের চেয়ার। এই চেয়ারেই বসে রয়েছেন প্রতিবাদীরা। অশান্তি এড়াতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে’’, গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য বিচারপতির

    কেরল হাইকোর্ট বারবার নির্মাণকাজ শুরু করতে দেওয়ার নির্দেশ দিলেও, এখনও পর্যন্ত পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরানোর কোনও চেষ্টা করেনি। এদিকে, আগামী শুক্রবারই বন্দরে (Vizhinjam Port) ভারী যান পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করেছে গৌতম আদানির সংস্থা। চলতি সপ্তাহেই আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কোনওভাবেই ওই এলাকায় যান চলাচলে বাধা দেওয়া যাবে না। তার পরেই বন্দর এলাকায় যান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আদানি গ্রুপ।

    আদানি গ্রুপের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতের  একাধিক নির্দেশ সত্ত্বেও বন্দরে (Vizhinjam Port) যাওয়ার রাস্তা অবরোধমুক্ত হয়নি। পরিস্থিতিরও কোনও পরিবর্তন হয়নি। সরানো হয়নি শেল্টার শেডও। যদিও প্রতিবাদীদের দাবি, আলোচনা চলছে, পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে। আদালত জানিয়েছে, আলোচনা চলছে ভাল কথা। তবে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। এর পরেই আদালত বলে, বন্দরে যাওয়ার রাস্তায় অবরোধ অনুমোদন করা যায় না। রাজ্য এবং রাজ্যবাসীকে কোনওভাবেই আটকানো যায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gautam Adani: একদিনের উপার্জন ১৬১২ কোটি টাকা! মুকেশ আম্বানিকে ছাপিয়ে ভারতের প্রথম ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানি

    Gautam Adani: একদিনের উপার্জন ১৬১২ কোটি টাকা! মুকেশ আম্বানিকে ছাপিয়ে ভারতের প্রথম ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে ধনীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও দেশের মধ্যে সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলেন গৌতম আদানি (Gautam Adani)। ‘আইআইএফএল ওয়েলথ হুরুন ইন্ডিয়া ২০২২-এর রিচ লিস্ট’-এর তালিকা অনুযায়ী ভারতে ধনীতম ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হয়েছেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ১০,৯৪,৪০০ কোটি টাকা। গত এক বছরে এক এক দিনে তাঁর সম্পদে বৃদ্ধি এসেছে ১৬১২ কোটি টাকা করে। ফলে ধনী হওয়ার তালিকায় তিনি শুধুমাত্র রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানিকেই ছাপিয়ে যাননি, তিনি এক একদিনে ১৬১২ কোটি টাকা উপার্জনের জন্য এক রেকর্ড গড়ে তুলেছেন।

    সম্প্রতি জানা গিয়েছিল, পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধনী ব্যক্তি হিসেবে উঠে এসেছেন গৌতম আদানি। অ্যামাজন কর্তা জেফ বেজসকেও (Jeff Bezos) পিছনে ফেলে দিয়ে রেকর্ড করেছিলেন তিনি। আবার গতকাল তাঁর এই নতুন রেকর্ডের কথা সামনে এসেছে। ভারতীয় ধনকুবের থেকে এগিয়ে আছেন শুধুমাত্র টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্ক। বিশ্বের তালিকায় থাকা ১০ জন ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে কারও সম্পদ এর আগে এত পরিমাণে বৃদ্ধি পায়নি।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের ধনীতম তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলেন আদানি, সত্যি?

    তবে ভারতে আর কে কে ধনীদের তালিকায় রয়েছেন ও তাঁদের কত পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে, জেনে নিন।

    গৌতম আদানির পর দ্বিতীয় স্থানে আছেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৭ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। গত বছরের তুলনায় এবছর ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে তাঁর সম্পত্তি।

    তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাইরাস এস পুনাওয়ালা। এই গ্রুপের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২ লক্ষ ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। তাঁদের সম্পত্তির বৃদ্ধি ঘটেছে বছরে ২৫ শতাংশ।

    চতুর্থ স্থানে রয়েছে শিব নাদার। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১ লক্ষ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন রাধাকিশান দামানি এবং তাঁর মোট সম্পদের মূল্য ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন বিনোদ শান্তিলাল আদানি এবং এনার সম্পত্তির পরিমাণ ১.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা। সপ্তম স্থানে শ্রীচাঁদ পরমানন্দ হিন্দুজা রয়েছেন। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা। অষ্টম স্থানে রয়েছেন এলএন মিত্তল, তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১.৫১ লক্ষ কোটি টাকা। নবম স্থানে উঠে এসেছেন বিজয়ী দিলীপ সাংঘভি। বর্তমানে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১.৩৩ লক্ষ কোটি টাকা। দশম স্থানে রয়েছেন উদয় কোটাক। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১.১৯ লক্ষ কোটি টাকা।

     

  • Adani Group: এবার সিমেন্ট দুনিয়াতেও আদানি-রাজ! ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিমেন্ট সংস্থার মালিক গৌতম আদানি

    Adani Group: এবার সিমেন্ট দুনিয়াতেও আদানি-রাজ! ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিমেন্ট সংস্থার মালিক গৌতম আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিমেন্ট সংস্থা এসে গেল গৌতম আদানির (Gautam Adani)কাছে। অম্বুজা এবং এসিসি সিমেন্ট কিনে কিনে নিয়ে সিমেন্টের জগতে নিজের প্রভাব বিস্তার করলেন গৌতম আদানি। একের পর এক রেকর্ডের অধিকারী হচ্ছেন ভারতের এই ধনকুবের। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই আদানি বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির শিরোপা পেয়েছেন। এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই বিরল কৃতিত্বের অধিকারী তিনি। এবার ১৫৪ বছরের পুরোনো টাটা গ্রুপকে (Tata Group) হারিয়ে গৌতম আদানির নেতৃত্বাধীন আদানি গ্রুপ (Adani Group) দেশের সবচেয়ে মূল্যবান ব্যবসায়িক গোষ্ঠীতে (Most Valuable Business Group) পরিণত হল। শুধু তাই নয়,এই গ্রুপের মার্কেট ক্যাপ ২০.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা। মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স গ্রুপের মার্কেট ক্যাপ হয়েছে ১৭.১ লক্ষ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: বিশ্বের ধনীতম তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলেন আদানি, সত্যি?

    প্রসঙ্গত, সিমেন্ট ব্যবসার ক্ষেত্রে গত মে মাসেই হলসিম সিমেন্ট গ্রুপের সঙ্গে একটি চুক্তির কথা ঘোষণা করেছিল আদানি লিমিটেড। শুক্রবার এসিসি এবং অম্বুজা হলসিম গ্রুপের সম্পূর্ণ অংশীদারিত্ব অধিগ্রহণ করে তারা। সুইজারল্যান্ড এর এই গোষ্ঠীর কাছে অম্বুজা সিমেন্ট লিমিটেডের ৬৩.১% এবং এসিসি সিমেন্ট লিমিটেডের ৫৪.৫% শেয়ার ধরা ছিল। সেটি অধিগ্রহণের জন্য নগদ ৬.৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে আদানি গোষ্ঠী। ভারতীয় মুদ্রায় এই টাকার পরিমাণ ৫১ হাজার কোটিরও বেশি। 

    আরও পড়ুন: বিক্রি হয়ে গেল ইজরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা, বর্তমান মালিক আদানি

    সেবির নিয়ম মেনে ওপেন অফারের মাধ্যমে এই অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এটি এখনও পর্যন্ত আদানি গোষ্ঠীর সবথেকে বড় অধিগ্রহণ। পরিকাঠামগত কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি ভারতের সব থেকে বড় ব্যবসায়িক লেনদেন বলে অনুমান ব্যবসায়িক মহলের। দেশে সিমেন্ট ব্যবসার সম্ভাবনা এবং বিস্তার নিয়ে আশাবাদী আদানি বলেন, “ভবিষ্যতে এই সিমেন্ট ব্যবসাকে আরও বড় করতে চান তিনি।”

    উল্লেখ্য, এখন সিমেন্ট উৎপাদনের নিরিখে দেশে এক নম্বরের রয়েছে আদিত্য বিরলা লিমিটেড গ্রুপের আলট্রাটেক সিমেন্ট। অন্যদিকে অম্বুজা এবং এসিসি বছরের সাত কোটি টন সিমেন্ট উৎপাদন করে। যৌথভাবে এই দুটি কোম্পানির ৩১ টি সিমেন্ট কারখানা রয়েছে। ১০ হাজারের বেশি কর্মী এই কারখানায় কাজ করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Gautam Adani: এখন বিশ্বের তৃতীয়তম ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানি, ধারে কাছে নেই আম্বানি!

    Gautam Adani: এখন বিশ্বের তৃতীয়তম ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানি, ধারে কাছে নেই আম্বানি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি (Gautam Adani) এখন বিশ্বের তৃতীয় ধনী ব্যক্তি। এর আগেই ভারতের ধনীদের তালিকায় সেরা হয়েছেন আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। কিন্তু এবারে বিশ্বের ধনকুবেরদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসলেন আদানি। এই প্রথম এশিয়ার কোনও ব্যক্তি বিশ্বের ধনীদের তৃতীয় নম্বরে উঠে এলেন। সম্প্রতি এই তালিকা প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স (Bloomberg Billionaires Index) অনুসারে আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা গৌতম আদানিকে এই শিরোপা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চলতি বছরেই এফএমসিজি বাজারে আত্মপ্রকাশ রিলায়েন্স রিটেলের, ঘোষণা মুকেশ-কন্যা ইশার

    বর্তমানে আদানির থেকেও ধনী, এমন ব্যক্তি বিশ্বে মাত্র ২ জন। একজন হলেন, আমাজন কর্তা জেফ বেজোস (Jeff Bezos)। অপরজন টেসলার মালিক ইলন মাস্ক (Elon Musk)। ফ্রান্সের বার্নার্ড আর্নোলকেও ছাপিয়ে (France’s Bernard Arnault) বিশ্বের তৃতীয় ধনী ব্যক্তির স্থানে উঠে এসেছেন আদানি। বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের জায়াগায় কখনও উঠে আসতে পারেননি মুকেশ আম্বানি ও চিনের জ্যাক মা।

    ৬০ বছরের এই ধনকুবের তাঁর কয়লা ব্যবসা থেকে শুরু করে বন্দর ব্যবসা সমস্ত ক্ষেত্রে উন্নতি করেই চলেছেন। এখানেই শেষ নয়, ভারতের বৃহত্তম বেসরকারি-ক্ষেত্রের বন্দর, বিমানবন্দর অপারেটর, সিটি-গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর ও কয়লা খনির মালিক আাদানি গোষ্ঠী। আবার নভেম্বরে গ্রিন এনার্জিতে ৭০ বিলিয়ন ইনভেস্ট করতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: বিল গেটসকে টপকে বিশ্বের চতুর্থ ধনী ব্যক্তি আদানি, দশম স্থানে মুকেশ

    গৌতম আদানি সম্পদের পরিমাণ ১৩৭ বিলিয়ন ডলার। ইলন মাস্ক, যিনি প্রথম স্থানে রয়েছেন, তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৫১ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় স্থানে থাকা জেফ বেজোসের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১৫৩ বিলিয়ন ডলার। চতুর্থ স্থানে থাকা বার্নার্ড আর্নল্টের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১৩৬ বিলিয়ন ডলার। গত মাসেই ফোরবেস রিয়্যাল টাইম থেকে জানানো হয়েছিল যে তাদের প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে চার নম্বরে নাম রয়েছে ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির। কিন্তু এবার জানা গেল তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Haifa Port: বিক্রি হয়ে গেল ইজরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা, বর্তমান মালিক আদানি 

    Haifa Port: বিক্রি হয়ে গেল ইজরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা, বর্তমান মালিক আদানি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রি হয়ে গেল ভূমধ্য সাগরের তীরে অবস্থিত ইসরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা (Haifa Port)। ভারতের আদানি গ্রুপ (Adani Ports) এবং ইসরায়েলের (Israel) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গাগত যৌথভাবে কিনেছে সেই বন্দর। ১১৮ কোটি মার্কিন ডলারে রফা হয়েছে। গতকাল বিষয়টি জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। 

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২ বছরের দরপত্র প্রক্রিয়ার শেষে কম মূল্যে আমদানি ও স্বল্প সময়ে পণ্য খালাসের শর্তে আদানি ও গাগতের কাছে হাইফা বন্দর বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “হাইফা বন্দরের বেসরকারিকরণ, অন্যান্য বন্দরগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং জীবনযাত্রার খরচ কমাবে।” সংশ্লিষ্ট এক আধিকারিক জানান, হাইফা বন্দরের অংশীদারিত্বের ৭০ শতাংশ আদানি গ্রুপ ও ৩০ শতাংশ গাদত পেয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে পড়লেন আদানি! আবারও এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি আম্বানি 

    আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি (Gautam Adani) ট্যুইটে লেখেন, “দরপত্রে জয়ী হতে পেরে আনন্দিত। ২ দেশের কাছেই এর কৌশলগত ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। হাইফায় আসতে পেরে গর্বিত। ১৯১৮ সালে এখানে নেতৃত্ব দিয়েছে ভারত। সামরিক ইতিহাসের অন্যতম সেরা ঘটনা।”

    [tw]


    [/tw]

    হাইফা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দরপত্রে বিজয়ী প্রতিষ্ঠান ২টি ২০৫৪ সাল পর্যন্ত বন্দর পরিচালনা করবে।      

    গত বছর বন্দরে কর্মীর অভাব, লকডাউন, বিশ্বের অনেক অংশে পরিবহন জট ও ভাড়ায় চালিত জাহাজের খরচের কারণে বন্দর বিশাল ক্ষতির মুখ দেখে। যার প্রভাব ইসরায়েলেও পড়ে। দেশটির সমস্ত পণ্যের প্রায় ৯৮ শতাংশ সমুদ্রপথে আসা-যাওয়া করে। কারমেল পর্বত দ্বারা বেষ্টিত হাইফা বন্দর শতাব্দি পুরোনো। ইসরায়েলের প্রধান এই বন্দর দিয়ে গত বছর অর্ধেক পণ্য পরিবহন করা হয়েছে। 

    আদানি গ্রুপ বন্দর ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ, জ্বালানি, খনি, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক গ্যাস, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করে থাকে। বিশ্বের ৫০টি দেশের ৭০টি স্থানে তারা ব্যবসা করে। তাদের বার্ষিক আয় ২ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি।    

     

LinkedIn
Share