Tag: adhir Chowdhury

adhir Chowdhury

  • Suvendu Adhikari: ‘শাহজাহানের সব কিছু রয়েছে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘শাহজাহানের সব কিছু রয়েছে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী গত ১৩ বছরে ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছেন। বুধবার বিকালে মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক বিজেপি জেলার পক্ষ থেকে লালবাগে নাকুড়তলাতে বিধানসভা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যোগ দেন। রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন। একইসঙ্গে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে মুখ খোলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শেখ শাহজাহানের টাকা, নথি সহ সব কিছু রয়েছে সন্দেশখালির এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে। সেখানে তল্লাশি চালালেই সব পেয়ে যাবে ইডি।

    ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, গত ১৩ বছরে তৃণমূল সরকার আশা কর্মী আর চুক্তিভিক্তিক কিছু চাকরি ছাড়া আর কিছু করেনি। নতুন করে চাকরি দেওয়ার কোনও সংস্থান করেনি এই সরকার। আমি নিজে ক্যাবিনেটে ছিলাম। গত ১৩ বছরে এই সরকার ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছে। লক্ষ লক্ষ পদে নিয়োগ নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই শূন্য পদে নিয়োগ হবে। আর অবলুপ্ত হওয়া পদ ফিরিয়ে আনা হবে। মেধার ভিত্তিতে প্রকৃত যোগ্যদের চাকরি দেওয়া হবে।

    শেখ শাহজাহান ইস্যুতে কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু বলেন, মমতার নির্দেশে বুধবার সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকদের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়েছে। শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ১৯দিন পড়ে গেলে আর কিছুই পাওয়া যাবে না। শাহজাহানের বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে তোলাবাজ তৃণমূল নেতা শাসসুল সর্দারের বাড়িতে গেলে সব কিছু পাওয়া যাবে। শাহজাহানের বাড়ি থেকে সব টাকা শামসুলের বাড়িতে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওর বাড়িতে এখন গেলে ২৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।

    ডবল ই়ঞ্জিন সরকারের পক্ষে ফের সওয়াল করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    দলীয় সভা মঞ্চ থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে এক সুরে বেঁধে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অধীরবাবু এখানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিশাল চিৎকার করেন। দিল্লি গিয়ে ভাইপোর সঙ্গে ডিনার করেন। প্রধানমন্ত্রীতে নর্দমার সঙ্গে তিনি তুলনা করেছিলেন। আরে অধীর চৌধুরীকে জিতিয়েছিলেন হিন্দুরা। আর এবার আমি হিন্দু ভাইদের বলব, এই ভুলটা আর মুর্শিদাবাদে করবেন না। আমরা মানুষের কাছে একটি বার্তা দেওয়ার জন্য এসেছি কেন্দ্রে যে দলের সরকার আছে, সেই দল রাজ্যে না হলে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফিরবেন না। বেকার সমস্যার সমাধান হবে না। পশ্চিমবঙ্গকে চোর মুক্ত করতে কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যেও একই সরকার গঠন করতে হবে। এটা একমাত্র সম্ভব ডবল ইঞ্জিনের সুফল। উত্তর প্রদেশ থেকে আসাম সর্বত্র পাবেন যেটা পশ্চিমবঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে না। পাঁচ কোটি লোক দূরারোগ্য ব্যাধিতে চিকিৎসা সুযোগ পাচ্ছেন, কেন পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের সুযোগ নেই একমাত্র রাজ্যে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijeet Ganguly: ‘আপনি ত্রাতা, আমাদের ভবিষ্যৎ’, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে বললেন উৎসাহী জনতা

    Abhijeet Ganguly: ‘আপনি ত্রাতা, আমাদের ভবিষ্যৎ’, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে বললেন উৎসাহী জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijeet Ganguly) রাজ্যবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যুব সমাজের কাছে তিনি আইকন হয়ে উঠেছেন। শনিবার একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুর্শিদাবাদ এসে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পেয়ে তিনি অভিভূত, সে কথা তিনি ব্যক্ত করেছেন।

    আপনি ত্রাতা, আমাদের ভবিষ্যৎ, বিচারপতিকে (Abhijeet Ganguly) বললেন উৎসাহী জনতা

    এদিন সাড়ে দশটা নাগাদ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijeet Ganguly) হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেসে বহরমপুর কোর্ট স্টেশনে নামেন। সেখানে তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্বর্ধনা জানানো হয়। এরপর সোজা সার্কিট হাউসে যান তিনি। সেখানে মুর্শিদাবাদ পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয় তাঁকে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে হাজারদুয়ারি পরিদর্শনে যান বিচারপতি। প্যালেস মিউজিয়ামের ভেতর ঘুরে দেখেন। এরপরে সৈদাবাদের শহিদ ক্ষুদিরাম পাঠাগারে এসে একটি ক্যানসার ইউনিট এর উদ্বোধন করেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, ‘এই ধরনের কর্মকাণ্ড একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনই করতে পারে।’ এরপর তিনি একটি পাঠাগারের উদ্বোধন করতে বহরমপুরের ইন্দ্রপ্রস্থে যান। সেখানে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল লক্ষ্য করার মতো। বহু টেট পরীক্ষার্থীরা হাজির হয়েছিলেন। বিচারপতিকে দেখে উৎসাহী জনগণের মধ্যে থেকে আওয়াজ উঠল আপনি আমাদের ত্রাতা, আমাদের ভবিষ্যৎ। আপনি পারবেন এই বাংলাতে কলঙ্কমুক্ত করতে। পরে, রবীন্দ্র সদনের অনুষ্ঠান শেষ করে হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেসে কলকাতা ফিরে যান কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি।

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী, দাবি জানালেন অধীর

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Abhijeet Ganguly) মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ আমি চাই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ করে একটি ভোট করা হোক। তাঁর মতো মানুষরা রাজনীতিতে এলে নতুন দিগন্ত তৈরি হবে।’ এরপরেই বঙ্গ রাজনীতিতে ঢেউ উঠেছে। অধীরের মন্তব্য প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি শুনেছি। এসব ব্যাপারে আমি কিছু বলব না।’

    কী বললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    মানুষের ভালোবাসায় যে তিনি অভিভূত, এমনটাই জানান  বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijeet Ganguly)। তিনি বলেন, ‘আমি মানুষের ভালোবাসায় অভিভূত। আমি ভগবান নই। আমি ভারতীয় বিচারব্যবস্থার একটি প্রোডাক্ট। কাউকে অভিনন্দন জানাতে হলে ভারতের বিচারব্যবস্থাকে জানান।’ তিনি পথ দেখালেও অনেকেই সেই পথ ধরে হাঁটবেন বলেও আশাবাদী বিচারপতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: মুর্শিদাবাদে ফের তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিল কংগ্রেস, কেন জানেন?

    Congress: মুর্শিদাবাদে ফের তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিল কংগ্রেস, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সাগরদিঘি উপ নির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী হয় কংগ্রেস (Congress) । আর তারপর থেকে মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীরা নতুন করে অক্সিজেন পেতে শুরু করেন। সাগরদিঘিতে তৃণমূলের ভরাডুবি নিয়ে শুক্রবারই কালীঘাটের বৈঠকে জেলার দুই সাংসদ আবু তাহের এবং খলিলুর রহমান রোষে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সাগরদিঘি ভরাডুবি নিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই বৈঠকে দলীয় কোন্দলের বিষয়টি সামনে আসে। প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি কমিটির সদস্যরা উল্লেখ করেন। তৃণমূল সুপ্রিমো দুই সাংসদকে প্রকাশ্যে বলেন, অধীর চৌধুরীর সঙ্গে তোমরা যোগাযোগ রাখছ। তাতে চড়ম বিড়ম্বনায় পড়েন দুই সাংসদ। মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের মুর্শিদাবাদে তৃণমূলে ভরাডুবি। শনিবার বহরমপুর জেলা কার্যালয়ের সামনে সাংসদ অধীর চৌধুরীর উপস্থিতিতে প্রায় দেড় হাজার তৃণমূল কর্মী কংগ্রেসে (Congress)  যোগদান করেন। কংগ্রেস সাংসদ তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক আগেই একসঙ্গে দেড় হাজার কর্মী যোগ দেওয়ায় কংগ্রেস (Congress)  কর্মীরা চাঙা হয়ে উঠেছেন। সভা মঞ্চেই অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury) বলেন, এই জেলায় তৃণমূল বলে আর কিছু থাকবে না। এই তো শুরু। এরপর আরও অনেকেই আমাদের দলে নাম লেখাবেন। চোরেদের দলে কেউ থাকবে না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানগোলা, বেলডাঙা সহ একাধিক ব্লকের তৃণমূল কর্মীরা এদিন কংগ্রেসে (Congress)  যোগদান করেন। তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেস যোগ দেওয়া এক নেতা আবদুল সালাউদ্দিন বলেন, তৃণমূল দলটা দুর্নীতিগ্রস্ত। এই দলে আর যুব সমাজ কেউ থাকতে চাইছে না। এদিন আমরা কয়েকশো কর্মীকে নিয়ে কংগ্রেসে যোগদান করলাম। পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল কিছু করতে পারবে না।

    কংগ্রেসের যোগদান নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব? Congress

    এমনিতেই কালীঘাটের বৈঠকের পর সাগরদিঘির নির্বাচনের ভরাডুবি নিয়ে ব্যাকফুটে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। এরমধ্যে তৃণমূল ছেড়ে প্রায় দেড় হাজার কর্মী কংগ্রেসে (Congress)  যোগ দেওয়ায় শাসক দলের নেতা কর্মীরা অনেকটাই হতাশ। যদিও তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী শাওনি সিংহরায় এত সংখ্যক তৃণমূল কর্মী যোগদানের বিষয়টি মানতে নারাজ। তিনি বলেন, কংগ্রেসের (Congress)  ওটা নাটকের মঞ্চ। তৃণমূলের কোন নেতা, কোন পঞ্চায়েত সদস্য যোগ দিয়েছেন তা ওরা কেউ বলতে পারেনি। ফলে, দেড় হাজার কর্মী যোগ দেওয়ার কথা বলছে তা একেবারের ভিত্তিহীন। সবটাই লোক দেখানো।

    অন্যদিকে, এদিন কান্দিতে পঞ্চায়েত ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে সিপিএমের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে পলিটব্যুরোর সদস্য সূর্যকান্ত মিশ্র আসেন। তিনি বলেন, সাগরদিঘিতে হেরে যাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী বিডিও, রির্টানিং অফিসার, পুলিশ আধিকারিক সবাই বদলি করে দিয়েছেন। আসলে নিচু তলার অফিসাররা আর ওদের কথা শুনছে না। ক্রমশ এই সংখ্যাটা বাড়ছে। আর ওদের দলের মধ্যেই যা অশান্তি হচ্ছে, সেটাই সবার আগে ওরা সামলালে ভালো হয়। পরে, রাজ্যে শান্তি ফেরানোর কথা ভাববে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress News: বহরমপুরে অধীর, কংগ্রেসের তৃতীয় প্রার্থী তালিকায় রাজ্যের ৮ আসন

    Congress News: বহরমপুরে অধীর, কংগ্রেসের তৃতীয় প্রার্থী তালিকায় রাজ্যের ৮ আসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হল। লোকসভা ভোটে তৃতীয় পর্যায়ে কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা সামনে এল। এই প্রথম তালিকায় জায়গা পেল বাংলা। রাজ্যের ৮ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল শতাব্দী-প্রাচীন দল। মঙ্গলবারই এনিয়ে কংগ্রেসের (Congress News) শীর্ষ নেতৃত্বদের বৈঠক হয়, তার পরেই বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হল। মালদা দক্ষিণের সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু টিকিট পাননি। পরিবারতন্ত্র বজায় রেখে তাঁর প্রার্থী করা হয়েছে তাঁর ছেলে ইশা খান চৌধুরীকে। 

    কোথায় কারা প্রার্থী 

    কংগ্রেসের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী— মালদা উত্তর থেকে হাত চিহ্নে ভোটে লড়ছেন মুস্তাক আলম। মালদা দক্ষিণ থেকে লড়ছেন ঈশা খান চৌধুরী। জঙ্গিপুর থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ মুর্তাজা হোসেন। বহরমপুরে প্রার্থী হচ্ছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরি। বীরভূম থেকে প্রার্থী মিল্টন রশিদ। পুরুলিয়া থেকে কংগ্রেসের (Congress News) টিকিটে ভোটে লড়ছেন নেপাল মাহাতো। রায়গঞ্জ থেকে লড়ছেন ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে আসা প্রার্থী আলি ইমরান রামজ ওরফে ভিক্টর। উত্তর কলকাতায় প্রার্থী হয়েছেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। 

    রাজ্যে বেশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে কংগ্রেস। রাজ্যস্তরে সিপিএমের সঙ্গে জোট হয়েছে বটে তবে তাতে সে অর্থে কোনও লাভ হয়নি। এমতাবস্থায় বহরমপুর আসন ছাড়া কোথাও লড়াই দেওয়ার জায়গাতেও নেই কংগ্রেস। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    মঙ্গলবারই বৈঠকে বসে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব

    চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই কংগ্রেসের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় প্রার্থী নিয়ে। উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা, মল্লিকার্জুন খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের (Congress News) একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। তারপরেই কংগ্রসের নেতারা জানিয়েছিলেন বৃহস্পতিবার তৃতীয় পর্যায়ের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছেন তাঁরা। সেই মতো বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশ পেল প্রার্থী তালিকা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দুই কমিশনার, চেনেন জ্ঞানেশ ও সুখবীরকে?

    Lok Sabha Elections 2024: নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দুই কমিশনার, চেনেন জ্ঞানেশ ও সুখবীরকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থাকার কথা তিনজন। ছিলেন মাত্র একজন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের (Lok Sabha Elections 2024) দুই শূন্য পদে নিয়োগ করা হল দুই কমিশনারকে। এঁরা হলে সুখবীর সিং সান্ধু ও জ্ঞানেশ কুমার। এঁদের নিয়োগের আগে এদিন সকালে বৈঠকে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের কমিটি। কমিটিতে রয়েছেন লোকসভার বৃহত্তম বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা তথা সাংসদ অধীর চৌধুরীও। এই কমিটির আর এক সদস্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সুখবীর ও জ্ঞানেশের নিয়োগের খবর প্রকাশ্যে আনেন অধীরই।

    চিনুন জ্ঞানেশকে (Lok Sabha Elections 2024)

    গত অগাস্টে নির্বাচন কমিশনার বিল, ২০২৩ পাশ করিয়ে কেন্দ্র জানায়, তিন সদস্যের প্যানেলে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই কমিটি যে নাম বা নামগুলি প্রস্তাব করবে, তাঁকে বা তাঁদের নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি। জ্ঞানেশ কুমার (Lok Sabha Elections 2024) ১৯৮৮ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের আইএএস। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের সেক্রেটারি ছিলেন তিনি। তাঁর আমলেই ভূস্বর্গে রদ হয় ৩৭০ ধারা। কয়েকদিন আগে সমবায় মন্ত্রকের সচিবের পদ থেকে অবসর নিয়েছেন জ্ঞানেশ। ওই মন্ত্রক গঠনের পর থেকেই ওই পদে ছিলেন তিনি। মন্ত্রকটি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে। 

    সান্ধু কে জানেন?

    প্রাক্তন আইএএস সান্ধু ১৯৮৮ ব্যাচের উত্তরাখণ্ড ক্যাডারের অফিসার। তাঁর আদত বাড়ি পাঞ্জাব। ২০২১ সালে পুষ্কর সিং ধামি যখন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন সান্ধুকে সে রাজ্যের মুখ্যসচিব করা হয়। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন হিসেবেও কাজ করেছেন সান্ধু। মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের উচ্চ শিক্ষা বিভাগে সান্ধু কাজ করেছেন অতিরিক্ত সচিব হিসেবে। অমৃতসরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেছিলেন তিনি। অমৃতসরেরই গুরু নানক দেব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও লাভ করেছিলেন তিনি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে আইনের স্নাতকের ডিগ্রিও।

    আরও পড়ুুন: “৩৫টি প্লটের মালিক যে পরিবার, তাদের খাওয়ার অভাব?” অভিষেককে তোপ সুকান্তর

    তিনজন নির্বাচন কমিশনারকে একত্রে বলা হয় কমিশনের ফুল বেঞ্চ। একজন কমিশনার অবসর নেওয়ায় কাজ চালাচ্ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার ও নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল। ৯ মার্চ হঠাৎই ইস্তফা দেন অরুণ। দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। তাই কমিশনারের দুই শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়। ২১২ জনের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয় জ্ঞানেশ ও সুখবীরকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indi Alliance: ‘ইন্ডি’ জোটে লেগেছে ঠোকাঠুকি! রাহুলকে বহরমপুর স্টেডিয়াম দিল না মমতার প্রশাসন

    Indi Alliance: ‘ইন্ডি’ জোটে লেগেছে ঠোকাঠুকি! রাহুলকে বহরমপুর স্টেডিয়াম দিল না মমতার প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোট (Indi Alliance) একেবারে ঘেঁটে ঘ। বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট হবে কি না, তা নিয়ে জটিলতা অব্যাহত। বুধবার তৃণমূল নেত্রী মমতা জানিয়ে দেন, আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূল একাই লড়াই করবে। রাহুল গান্ধী না জানিয়ে বাংলায় আসায় উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর জেরেই  কয়েকদিন আগে কোচবিহারে রাহুল গান্ধীর মঞ্চ খুলে দেয় মমতার পুলিশ। এমনকী শিলিগুড়িতে রাহুল গান্ধীর সভার অনুমতি পাওয়া নিয়ে জলঘোলা হয়েছে। এ বার অধীরের লোকসভা কেন্দ্রেই রাহুলের সভায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Indi Alliance)

    ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা নিয়ে আবার ২৮ জানুয়ারি বাংলায় আসবেন রাহুল। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বহরমপুরে থাকার কথা তাঁর। রাহুল-সহ কংগ্রেস নেতৃত্বের রাত্রিবাসের জন্য বহরমপুর স্টেডিয়াম চাওয়া হয়েছিল। সেই অনুমতি প্রশাসন বাতিল করে দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩১ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রশাসনিক সভা রয়েছে বহরমপুর স্টেডিয়ামে। রাজ্য সরকারের সভা পূর্ব নির্ধারিত। মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক তাদের জানিয়ে দিয়েছে বহরমপুর স্টেডিয়াম দেওয়া যাবে না। বিকল্প হিসাবে নিকটবর্তী এফইউসি মাঠ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু, কংগ্রেসের দাবি, ওই মাঠে রাহুল এবং তাঁর গোটা টিমের রাত্রিবাসের জন্য পর্যাপ্ত জায়গাই নেই। স্বাভাবিকভাবে বার বার রাহুলের সভা বা কংগ্রেস কর্মীরা মমতার প্রশাসন, পুলিশের বাধার মুখে পড়ায় ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কী বললেন?

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, আমরা বহুদিন আগে স্টেডিয়াম চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলাম। এতদিন কিছু বলেনি। কিন্তু, আমাদের কর্মসূচির দুদিন আগে অনুমতি বাতিল করার ঘটনা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের জেলা নেতা অপূর্ব সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি পূর্ব নির্ধারিত। আর এটা তৃণমূল বাধা দিয়েছে এমন নয়। প্রশাসন মনে করেছে বলেই অনুমতি দেয়নি। আর অন্য কে কোথায় সভা করবে, সেটা তাঁদের দলীয় ব্যাপার। তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জোট (Indi Alliance) ভেস্তে দেওয়ার জন্য অধীর চৌধুরীকে দায়ী করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Women’s Reservation Bill: ‘‘মহিলাদের হয়ে কি পুরুষরা এগিয়ে আসতে পারেন না?’’ অধীরকে ‘শাহী’-পাঠ

    Women’s Reservation Bill: ‘‘মহিলাদের হয়ে কি পুরুষরা এগিয়ে আসতে পারেন না?’’ অধীরকে ‘শাহী’-পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহিলাদের হয়ে কি পুরুষরা এগিয়ে আসতে পারেন না?” বুধবার কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকে এমনই প্রশ্ন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “আমি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসা করি, এই ইস্যুতে (মহিলা সংরক্ষণ বিল) (Women’s Reservation Bill) কেবল মহিলারাই বলবেন। মহিলাদের ইস্যুতে পুরুষরা বলতে পারবেন না?”  

    অধীরকে জবাব শাহের

    সোমবার শুরু হয়েছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন। চলবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে পেশ হয় মহিলা সংরক্ষণ বিল। বিলটি নিয়ে বিজেপির তরফে প্রথমে বলতে ওঠেন সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। তখনই কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, “মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিজেপির হয়ে ব্যাটিং করছেন একজন পুরুষ সাংসদ।” এর পরেই অধীরকে শাহি-পাঠ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রথম বক্তা হতে না পারায় অধীর চৌধুরী নিশিকান্তের ওপর ঈর্ষাকাতর হচ্ছেন।”

    ভারতের ঐতিহ্য মনে করালেন শাহ 

    অধীরের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শাহ মনে করিয়ে দেন, “ভারতের ঐতিহ্যই হল পরিবারের মহিলাদের কল্যাণ কামনা করবেন ওই পরিবারের পুরুষ সদস্যরা।” প্রসঙ্গত, নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill) পেশ করে বিজেপি। বিলটি আইনে পরিণত হলে, লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভার ৩৩ শতাংশ সংরক্ষিত হবে মহিলাদের জন্য। এদিকে, এদিন মহিলা সংরক্ষণ বিলের স্বপক্ষে সওয়াল করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। লোকসভায় বিলটি পেশ করেছিলেন তিনিই।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রাজনীতি করা বন্ধ করুন…’’! মহিলা বিলের কৃতিত্ব দাবি করায় সোনিয়াকে তোপ বিজেপির

    কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী বলেন, “মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ করতে ভারতীয় জনতা পার্টি চেষ্টার কসুর করছে না।” তিনি বলেন, “বিজেপিই দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল যারা লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ করতে চাইছে। বিজেপি যখন বিরোধী পক্ষ ছিল, আমরা সরকারের কাছে এই বিলের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু কংগ্রেস, যারা তখন ক্ষমতায় ছিল, বিলটি আনেনি। ২০১৪ সালে তাদের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। বিলটিও (Women’s Reservation Bill) ল্যাপস হয়ে যায়।” কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী বলেন, “১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর বিআর আম্বেদকর বলেছিলেন, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি আমরা রাজনৈতিক সাম্য পাব। কিন্তু সামাজিক যেসব বিষয় বাদ থেকে গেল, সেগুলি অবশ্যই সংশোধন করবে পরবর্তী সরকারগুলি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়, তাতে ওঁর দাপট রয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর এই খোঁচার অভিমুখ পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর দিকে। এদিন ছিল অনাস্থা বিতর্কের শেষ দিন। সংসদে এই বিতর্কে অংশ নেন অধীর। অগ্নিবাণ তাক করেন বিজেপির দিকে। অন্য দু’দিন সংসদে নিজের চেম্বারে বসে অনাস্থা বিতর্ক শুনলেও, এদিন অধীরের ভাষণ শুরু হতেই সংসদে চলে আসেন প্রধানমন্ত্রী। মন দিয়ে শোনেন অধীরের বক্তৃতা।

    ছক্কা হাঁকালেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন যে প্রধানমন্ত্রী জবাবি ভাষণ দেবেন, তা ঠিকই ছিল। সেই মতো বলতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই হাঁকান ছক্কা। শান্ত এবং রসিকতার সুরে অধীরকে লক্ষ্য করে একের পর এক গোলা ছুড়তে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল কংগ্রেস। সেবার বলেছিলেন বিরোধী দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আর এবার সব থেকে বড় বিরোধী দলের লোকসভার নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীর নাম বলার সূচিতেই ছিল না। কেন অধীরবাবুকে কোণঠাসা করা হল? মনে হয় কলকাতা থেকে কোনও ফোন এসেছিল। আমি অধীরবাবুর প্রতি পূর্ণ সমবেদনা জানাচ্ছি। এটা অমিত শাহের উদারতা যে তিনি অধীরবাবুকে সময় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস ওঁকে বারবার অপমান করে। অধীরবাবুকে কেন ঠিক মতো কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না?”

    ‘ঈশ্বরের আশীর্বাদ’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “দেশের মানুষ বারবার আমাদের সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছে। এজন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ। ঈশ্বর অত্যন্ত দয়ালু এবং তিনি কোনও না কোনও উপায়ে তাঁর ইচ্ছে পূরণ করেন। আমি এটাকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বলে মনে করি যে ঈশ্বর বিরোধীদের পরামর্শ দিয়েছেন এবং তাঁরা প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন। ২০১৮ সালে অনাস্থা প্রস্তাবের সময় আমি বলেছিলাম যে এটি আমাদের জন্য ফ্লোর টেস্ট নয়, এটি তাদের জন্য একটি ফ্লোর টেস্ট এবং ফলস্বরূপ তারা নির্বাচনে হেরেছে। একভাবে বিরোধীদের অবিশ্বাস আমাদের জন্য ভাল। আজ আমি দেখছি যে আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে জনগণের আশীর্বাদে ২০২৪ সালের নির্বাচনে এনডিএ এবং বিজেপি আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে একটি দুর্দান্ত জয় নিয়ে ফিরে আসবে।”

    আরও পড়ুুন: বোর্ড হাতছাড়া হচ্ছে দেখে এবার বিজেপির জয়ী প্রার্থীর শংসাপত্র ছিঁড়ে টপাটপ মুখে!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত হবে এক দফাতেই! অধীরের আবেদন খারিজ করে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত হবে এক দফাতেই! অধীরের আবেদন খারিজ করে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খারিজ হয়ে গেল প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) সভাপতি অধীর চৌধুরীর আবেদন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) দফা বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছিলেন অধীর। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ ওই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ, শনিবার এক দফায়ই হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচন করানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে ভোটের দফা বৃদ্ধির প্রয়োজন নেই। তাই অধীরের আবেদনটির আপাতত কোনও গুরুত্ব থাকছে না।

    নওশাদ সিদ্দিকির দাবি

    অধীরের আগে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) দফা বৃদ্ধির আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁর যুক্তি ছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনে আদালতের নির্দেশ মতো পর্যাপ্ত বাহিনী আনা হোক অথবা পঞ্চায়েত নির্বাচনের দফা বৃদ্ধি করা হোক। এই একই দাবিতে সোমবার হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন অধীর। সেই মামলাই খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির ডিশিশন বেঞ্চ।

    অধীরের আইনজীবীর যুক্তি

    আদালতে অধীরের হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী মৃত্যুঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতি দিনই অশান্তির ঘটনা ঘটছে। গুলি চলছে। পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই। ফলে তৃণমূলস্তরে বাহিনী পৌঁছতে পারছে না। তাই যদি এই বাহিনী দিয়েই নির্বাচন করাতে হয়, তবে ভোটগ্রহণ হোক একাধিক দফায়।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভায় এবারও জিতবে বিজেপি, মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে চান সিংহভাগ ভোটার, বলছে সমীক্ষা

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে পরেই রাজ্যের বিভিন্ন অংশে শুরু হয় অশান্তি। খুন হন অন্তত ১৩ জন। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন রাজ্য পুলিশের ওপর আস্থা রেখেই ভোট করাতে চেয়েছিল। পরে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। হাইকোর্টের গুঁতোয় শেষমেশ ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তার পরেই কেন্দ্রের তরফে প্রথম দফায় পাঠানো হয় ২২ কোম্পানি, দ্বিতীয় দফায় ৩৩৭ কোম্পানি এবং তৃতীয় দফায় আরও ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rashtrapatni Remark Row: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বিতর্কে ইতি টানতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন অধীর 

    Rashtrapatni Remark Row: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বিতর্কে ইতি টানতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন অধীর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি (Rastrapati) নির্বাচিত হয়েছেন ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের জনজাতি সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁকে রাষ্ট্রপত্নী বলে সম্বোধন করে বসেন কংগ্রেস (Congress) সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। অধীরের এই মন্তব্যে দেশজুড়ে শুরু হয় হইচই। বিজেপির (BJP) পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্দরেও অধীরের বিরুদ্ধে বইতে থাকে উষ্মার চোরা স্রোত। এর পরেই স্বয়ং রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন কংগ্রেস সাংসদ।

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে লেখা চিঠিতে অধীর লিখেছেন, আপনার অবস্থান বর্ণনা করার জন্য একটি ভুল শব্দ ব্যবহার করার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করতেই এই চিঠি লিখছি। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করছি যে, শব্দটি ভুল করেই বেরিয়েছে। আমি ক্ষমাপ্রার্থী এবং আপনাকে আমার ক্ষমাপ্রার্থনা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি।

    বিজেপি-বিরোধী সতেরটি দলের সম্মিলিত প্রার্থী যশোবন্ত সিনহাকে বিপুল ভোটে পরাস্ত করে দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন দ্রৌপদী। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয় ২৫ জুলাই। দ্রৌপদী দেশের প্রথম জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা যিনি রাইসিনা হিলসের বাসিন্দা হয়েছেন। তিনি দেশের কনিষ্ঠতম রাষ্ট্রপতিও। তাঁকেই অপমান করায় অধীরের পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীকেও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায় বিজেপি।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি। এনিয়ে এদিন সংসদে সরব হন বহরমপুরের সাংসদ কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। এই সময়ই অধীর দ্রৌপদী সম্পর্কে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ শব্দটি প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ। অধীরের এই মন্তব্য নিয়ে লোকসভার পাশাপাশি গন্ডগোল শুরু হয় রাজ্যসভায়ও। পাল্টা চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে কংগ্রেসও। একসময় উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদের উভয় কক্ষ। ঘটনার জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে যায় দুই কক্ষের অধিবেশন।

    ঘটনার জেরে অধীরকে তলব করে জাতীয় মহিলা কমিশন। ঘটনার পরে পরেই অধীর অবশ্য বিষয়টিকে স্লিপ অফ টাং বলে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তার পরেও অধীরকে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে থাকেন পদ্ম নেতৃত্ব। বিজেপির দাবি, মুখ ফস্কে নয়, ভেবেচিন্তেই অধীর এ কথা বলেছেন। আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, শব্দটি মুখ ফস্কে বেরোয়নি। আপনারা যদি ভিডিও ক্লিপটি দেখেন, দেখবেন অধীররঞ্জন চৌধুরী স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রপতি মুর্মুকে উল্লেখ করে দুবার রাষ্ট্রপতি শব্দটি বলেছেন, তারপর তিনি তাঁকে রাষ্ট্রপত্নী বলেছেন।

    আরও পড়ুন : ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী দেশ! দ্রৌপদী মুর্মুর শপথগ্রহণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

LinkedIn
Share