Tag: adhir ranjan Chowdhury

adhir ranjan Chowdhury

  • Murshidabad: “তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে মমতার সরকার”, আক্রমণ বিজেপি প্রার্থী নির্মল সাহার

    Murshidabad: “তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে মমতার সরকার”, আক্রমণ বিজেপি প্রার্থী নির্মল সাহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুর (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল সাহা শহরের ১০ নম্বর এলাকায় আজ রবিবার জন সংযোগ ও প্রচার সারলেন। বহরমপুরের মধুপুর বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে এই প্রচার শুরু করে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বিষ্ণুপুর কালীবাড়ি মাতৃমন্দিরে পুজো দিলেন এবং প্রার্থনা করলেন তিনি। প্রচার সেরে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিলেন সাংবাদিকদের। বিরোধীদের সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “বিজেপির জন্য মানুষের মনে আশাতীত সাড়া পেয়েছি। মানুষ বাড়ি থেকে বের হয়ে আমাদের আশীর্বাদ করছেন। মোদির কাছে সকলে হারবেন।” উল্লেখ্য এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান এবং কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। ত্রিমুখী লড়াইতে জমে উঠেছে এই কেন্দ্রের লোকসভা নির্বাচন।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী (Murshidabad)?

    এদিন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর লোকসভা বিজেপি প্রার্থী নির্মল সাহা বলেন, “কর্মীদের মধ্যে বিরাট উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে। এলাকার অধিক সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি। মানুষ মনে মনে স্থির করে ফেলেছেন এই কেন্দ্রে বিজেপিকে জয় করবেন। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর কোনও প্রতিনিধিকে আর মানুষ নির্বাচিত করবেন না। একই ভাবে দুর্নীতিগ্রস্থ মমতার প্রতিনিধিকে কোনও জায়গা দেওয়া হবে না। রাজ্য জুড়ে তোলাবাজি, জুলুম, নারী নির্যাতনের মতো সামজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন মানুষ। এই লোকসভার নির্বাচন ঠিক করে দেবে মমতার সরকার হয়তো আর বেশি দিন থাকবেনা। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে মমতার সরকার।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত কোচবিহার! বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূলের

    আর কী বলেন?

    আজকের লোকসভার প্রচারে বহরমপুরে (Murshidabad) বেরিয়ে নির্মল বাবু আরও বলেন, “আমি যে কোনও প্রার্থী এবং তাঁদের প্রচার পদ্ধতি সম্বন্ধে সৌজন্যতা বজায় রেখে কথা বলব। কারণ এতে বিতর্কের সম্ভাবনা কমে যাবে। তাই সৌজন্য রেখেই কথা বলছি। আমাদের অনেক সৌভাগ্য যে প্রার্থী তালিকা আগেই প্রকাশ হয়েছে। একই ভাবে ভোটের দিন অনেক পরে। ফলে এই লম্বা সময়ের সবটাই জন সংযোগে ব্যবহার করবো। ১৭ লক্ষ মানুষের কাছে না পৌঁছাতে পারলেও বৃহত্তর মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারব বলে আশা রাখছি। সকল কর্মীরা আমাদের পাশে রয়েছেন। রাজ্যের মানুষ বামেদের অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। একই ভাবে তৃণমূলের সব রকম অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। মানুষ সুযোগ দিলে আরও কাজ করবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: লোকসভার প্রচারে তৃণমূল-কংগ্রেসকে একযোগের আক্রমণ বিজেপির প্রার্থী নির্মল-গৌরীশংকরের

    Murshidabad: লোকসভার প্রচারে তৃণমূল-কংগ্রেসকে একযোগের আক্রমণ বিজেপির প্রার্থী নির্মল-গৌরীশংকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বহরমপুর (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল সাহা হাতিনগর বকুলতলায় সকালে চায়ে পে চর্চায় অংশ গ্রহণ করেন। তিনি সেখানে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন “এখানে বিপুল সমর্থন দিয়েছেন আমার মা বোনেরা। তাঁরা আজ এখানে একত্রিত হয়েছেন এবং যুব সমাজও দাঁড়িয়ে পাশে। আজ এখানকার সবাই মোদির সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। এই রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফেলে দিয়ে নতুন সরকার এখানে আনবেন।” অপর দিকে মুর্শিদাবাদ (Murshidbad) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী গৌরীশংকর নিজের জয় নিয়ে ব্যাপক আশাবাদী।

    তৃণমূল-কংগ্রেসকে আক্রমণ নির্মল সাহার (Murshidabad)

    ডাক্তার নির্মল সাহা ভোটের প্রচারে বের হয়ে বলেন, “সেদিনের আর বেশি দেরি নেই, তৃণমূল সরকারের পতন ঘটবেই এবং ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার গঠন করবে এই রাজ্যে। অধীরের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন কাজ নয়। আমি চিকিৎসক হিসেবে বহু মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছি। যখন তাঁদের কাছে গিয়ে ভোট চাইবো, তখন আমার এবং দলের আদর্শ নিরিখে আমাকে ভোট দিবেন, এটাই আমার আশা। জেলাবাসীকে একটা কথাই বলবো, এর আগে যাঁকে লোকসভায় পাঠিয়েছিলেন, তাঁকে প্রশ্ন করুন বহরমপুরে (Murshidabad) তিনি কী কাজ করেছেন? আবার আগামী পাঁচ বছর জয়ী হলে কী কাজ করবেন? ইউসুফ পাঠান আপনাদের কাছে এসে নিশ্চয়ই ভোট চাইবে। তাঁর কাছে জানতে চাইবেন তিনি এখানে কী করবেন?”

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী গৌরীশংকর

    এর আগেও দলের পক্ষ থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী গৌরীশংকরকে দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার প্রার্থী ঘোষণা করায় আরও বড় লড়াই হবে। গৌরীশঙ্কর বলেন, “এটা নতুন কিছু না। রাজনীতিতে দল সামলাতে হয়, আবার কখনও নির্বাচনে লড়াইও করতে হয়। এবারের টিমটি পুরো ইয়াং, তাঁদেরকে নিয়ে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে সুবিধা হবে। মানুষের ভরসার একমাত্র জায়গা বিজেপি। সেই ভরসার জায়গাকে শক্তিশালী করতে প্রত্যেককেই নামতে হবে। প্রার্থী যেই হোক না কেন তার জন্য অনেক আগে থেকেই দলের কর্মীরা বিজেপিকে জয়যুক্ত করতে অত্যন্ত আশাবাদী।”

    গৌরীশংকরের পরিচয়

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রে এবারে বিজেপির প্রার্থী মুর্শিদাবাদ বিধানসভার জয়ী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। গৌরীশংকর ঘোষ ভারতীয় জনতা পার্টির একজন রাজনীতিবিদ। তিনি মুর্শিদাবাদ জেলার এম জে ব্লকের হাড়িভাঙ্গা প্রদাদপুরের বাসিন্দা। তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে এমএ করেছেন। ২০২১ সালের মে মাসে বিধানসভার সদস্য হিসাবে মুর্শিদাবাদ থেকে নির্বাচিত হন। তিনি বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সিংহ রায়কে ২৪৯১ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। বর্তমান মুর্শিদাবাদ লোকসভা নির্বাচনে দল তাঁকে প্রার্থীর সিলমোহর দেয়। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন বর্তমান ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবির। তিনি বর্তমানে শাসকদল তৃণমূলের ভরতপুরের বিধায়ক। গত ২০১৯ সালের মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন আবু তাহের খান, কংগ্রেসের আবু হেনা, সিপিএমের বদরুদ্দোজা খান এবং বিজেপির হুমায়ুন কবীর।

    ২০১৯ সালে প্রাপ্ত ভোট কেমন ছিল?

    ২০১৯ সালে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের আবু তাহের খান। তিনি মোট ভোট পেয়েছিলেন ৬০৪৩৪৬, কংগ্রেসের আবু হেনা মোট ভোট পেয়েছিলেন ৩৭৭৯২৯, সিপিএমের বদরুদ্দোজা খান ভোট পেয়েছিলেন ১৮০৭৯৩ এবং হুমায়ুন কবীর বিজেপির হয়ে ভোট পেয়েছিলেন ২৪৭৮০৯। এইবার ঘরের ছেলে মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ লোকসভা নির্বাচন ২০২৪-এ মুর্শিদাবাদ লোকসভার প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  •  Murshidbad: ‘হিন্দু-মুসলিম সকলেই মোদিকে জেতাতে চাইছেন’, বহরমপুরে প্রচারে বার্তা মুক্তার আব্বাস নাকভির

     Murshidbad: ‘হিন্দু-মুসলিম সকলেই মোদিকে জেতাতে চাইছেন’, বহরমপুরে প্রচারে বার্তা মুক্তার আব্বাস নাকভির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু-মুসলিম সকলেই মোদিকে জেতাতে চাইছেন। বহরমপুর (Murshidbad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে বার্তা দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নাকভি। মুর্শিদাবাদ জেলার সদর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে কংগ্রেসকে ‘গদি গ্যাং’ এবং ‘তৃণমূল সংখ্যালঘু ভোটারকে চুইংগামের মতো ব্যবহার করে’ বলে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। উল্লেখ্য এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ২০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ৪২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    কী বললেন মুক্তার আব্বাস (Murshidbad)?

    মুর্শিদাবাদে (Murshidbad) লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপিরও প্রচার শুরু হয়েছে। বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস বলেন, “২০২৪ সালের লোকসভার নির্বাচন মহাভারতের যুদ্ধ। এই যুদ্ধ সত্যের সঙ্গে অসত্যের। ধর্মের সঙ্গে অধর্মের লড়াই। কংগ্রেসের গদি গ্যাং রয়েছে। এই গদি গ্যাং গালি গ্যাং হয়েছে। মোদির নামে গালিগালাজ করে কেবলমাত্র। আর এটাই তাদের একমাত্র সংস্কৃতি। দেশের সাধারণ মানুষ তাদের সঠিক জবাব দেবে। আমরা সকলকে নিয়ে একসঙ্গে চলছি। এখন হিন্দু-মুসলিম সকলেই মোদিজিকে জেতাতে চাইছেন।

    বহরমপুর কেন্দ্র এখন হাইভোল্টেজ

    লোকসভা ভোটের আগে মুর্শিদাবাদ (Murshidbad) জেলার বহরমপুর কেন্দ্রে এখন হাইভোল্টেজ। এই কেন্দ্রে গত পাঁচবারের সাংসদ রয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি। এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। অবশ্য মুসলিম ভোট যে মূল লক্ষ্য, এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বিজেপির প্রার্থী নির্মলকুমার সাহা। কংগ্রেসের তরফ থেকে নাম ঘোষণা না হলেও অধীরই প্রার্থী হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    অধীরের বক্তব্য

    সাংবাদিক বৈঠকে বহরমপুরের (Murshidbad) সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেছেন, “আমি চাই মমতা ব্যানার্জি ও খোকাবাবু আমার বিরুদ্ধে লড়াই করুক। আমি যদি গোহারা হারাতে না পারি তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনার নাম করে আমি চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। আমি  তৃণমূলের প্রার্থীকে হারিয়ে ছাড়বো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: একই রাস্তার দু’বার শিলান্যাস! অধীর-তৃণমূল বিধায়ক দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    Murshidabad: একই রাস্তার দু’বার শিলান্যাস! অধীর-তৃণমূল বিধায়ক দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক রাস্তার দু’বার শিলান্যাস! এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কংগ্রেসের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরির মধ্যে দ্বৈরথের চিত্র দেখা গেল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। কিন্তু এমন কাণ্ড কেন ঘটল! সামনেই আসন্ন লোকসভার ভোট। তাই কি এলাকার কাজ দেখিয়ে মানুষের কাছে উন্নয়নের ঢাক পেটানোর চেষ্টা চলছে? এলাকার মানুষ ঠিক এই ভাবেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করলেন।

    কোন রাস্তার শিলান্যস করা হয়েছিল (Murshidabad)?

    কংগ্রেস সাংসদ এবং তৃণমূল কংগ্রস বিধায়কের মধ্যে রাস্তার শিলান্যাস করা নিয়ে ‘উন্নয়ন-যুদ্ধে’ ব্যাপক শোরগোল পড়েছে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। এই জেলার বেলডাঙা-২ ব্লকের দাদপুর পঞ্চায়েতে ৬৩৫ মিটার লম্বা একটি রাস্তার দাবি ছিল অনেক দিন ধরেই। মারদিঘি থেকে অমরপুর পর্যন্ত রাস্তার শিলন্যাস করলেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি। আনুমানিক খরচ হবে চার লক্ষ টাকা। একই রাস্তাকে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের অধীনে শিলান্যাস করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরি।

    তৃণমূল বিধায়কের বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরি বলেন, “মরাদিঘি (Murshidabad) ও অমরপুরের বাসিন্দাদের অনেক দিনের দাবি মেনে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তার অনুমোদন করিয়েছি। দু-চারদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।” প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে বিধায়ক আরও বলেন, “সাংসদকে বলতে চাই আপনি আপনার তহবিল থেকে আরও একটি রাস্তা তৈরি করে দিন। আর তা করতে পারলেই উন্নয়ন হবে।”

    কী বলেন অধীররঞ্জন?

    পাল্টা রাস্তার শিলান্যাসের ফিতে কেটে সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরি (Murshidabad) বলেন, “আমি সরকারি অনুমতি নিয়ে কাজ করছি। সরকারের পছন্দ না হলে কাজ বাতিল করে দিক।” রাস্তা তৈরি করতে গিয়ে যুদ্ধ কেন? প্রশ্ন করলে উত্তরে কংগ্রেস সাংসদ আরও বলেন, “বিধায়কের সঙ্গে তো আমি যুদ্ধে যেতে পারি না, তাই একসঙ্গে বসলে হয়তো কাজের বিষয়ে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তবে ওই রাস্তা আমি করবই।”

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    রাস্তাকে ঘিরে দুই দলের জনপ্রতিনিধিদের কার্যকলাপ সম্পর্কে স্থানীয় (Murshidabad) আলম মণ্ডল বলেন, “সামনেই ভোট, তাই উন্নয়ন নিয়ে মারামারি চলছে। ভোটের সময় ছাড়া তো আর কাউকে দেখা যায় না। আপাতত রাস্তাটা হলে ভালো আমাদের জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha: তুমুল বিশৃঙ্খলা ও অসংসদীয় আচরণ! লোকসভা ও রাজ্যসভায় একই দিনে সাসপেন্ড ৬৭ সাংসদ

    Loksabha: তুমুল বিশৃঙ্খলা ও অসংসদীয় আচরণ! লোকসভা ও রাজ্যসভায় একই দিনে সাসপেন্ড ৬৭ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অসংসদীয় আচরণের অভিযোগ বিরোধী সাংদদের বিরুদ্ধে। লোকসভা (Loksabha) ও রাজ্যসভা এদিন চরম বিশৃঙ্খলা সাক্ষী থাকল, যার নেপথ্যে কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। লোকসভার স্মোককাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই বলেছিলেন যে এনিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার, বিতর্কের চেয়ে। প্রসঙ্গত, গত ১৩ ডিসেম্বর ঘটনার পরেই উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিও গঠন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তারপরেও বিরোধী সাংসদদের এহেন আচরণে উঠছে প্রশ্ন। সোমবার স্মোককাণ্ড নিয়ে তুমুল হই-হট্টগোল শুরু করেন বিরোধী সাংসদরা। আর এ কারণেই ৩৩ জন লোকসভার সাংসদকে (Loksabha) এবং ৩৪ জন রাজ্যসভার সাংসদকে চলতি শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হল। যার মধ্যে রয়েছেন বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। এই হিসেবে দুটি কক্ষ মিলিয়ে একই দিনে সাসপেন্ড করা হল ৬৭ সাংসদকে।

    তৃণমূলের ৯ সাংসদ সাসপেন্ড

    এরাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নয় সাংসদও রয়েছেন তালিকায়। নারদাকাণ্ডে অভিযুক্ত সৌগত রায় তো রয়েছেন, পাশাপাশি কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরূপা পোদ্দারদেরও সাসপেন্ড করা হয়েছে বিশৃঙ্খল আচরণের জন্য। অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর ডিএমকে সাংসদ দয়ানিধি মারণ ও টিআর বালুকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতি দাবি করেন লোকসভায় (Loksabha)। কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ঘটনার দিনই সিআরপিএফের শীর্ষ আধিকারিককে মাথায় রেখে কমিটি তৈরি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বাড়ানো হয়েছে সংসদের (Loksabha) নিরাপত্তা। গ্যালারি এবং ভবনের মাঝখানে বসানো হচ্ছে পুরু কাচের দেওয়াল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  নিজের করণীয় কাজ তো করেছেন। অমিত শাহের কাজই তো তাঁর সবচেয়ে বড় বিবৃতি। তারপরে আলাদা করে বিবৃতির প্রয়োজন কি রয়েছে? এমনটাই প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলের।

    ইস্যু নেই বিরোধীদের!

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, ‘‘কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো কোনওরকম ইস্যু পাচ্ছে না। বছর ঘুরলে লোকসভা ভোটও রয়েছে। তাই লোকসভার স্মোককাণ্ডকেই রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে চলতি শীতকালীন অধিবেশন কে পন্ড করতে চাইছে তারা।’’ প্রসঙ্গত, আজকের ৩৩ জনকে নিয়ে মোট ৪৭ জন লোকসভার সদস্যকে বিভিন্ন ইস্যুতে শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আগেই খোলা হল বহরমপুর বাইপাস

    Murshidabad: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আগেই খোলা হল বহরমপুর বাইপাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকড়ির উদ্যোগে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে সারাদেশে। পুজোর আগেই এই রাজ্যের কলকাতার সঙ্গে শিলিগুড়ির অন্যতম প্রধান জাতীয় সড়ক ৩৪ নম্বর সম্প্রসারণের কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রীকে আবেদন করেছিলেন। আর তার ফলে মহালয়ার দিনে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে শহরের যানজট কমাতে বাইপাস খুলে দেওয়া হল। রাস্তা সম্পূর্ণ না হলেও একটা অংশ খুলে উদ্বোধন করলেন এলাকার সাংসদ। পুজোর আগে বহরমপুরবাসীর কাছে এক আনন্দের খবর। এলাকাবাসী বলছেন, যানজটের কবল থেকে শহরের মানুষ অনেকটাই মুক্তি পাবে।

    খোলা হল বহরমপুর বাইপাস (Murshidabad)

    উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সংযোগকারী ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর শহরের মধ্যপথ দিয়ে গিয়েছে। শহরে জনসংখ্যার ঘনত্ব বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। তাই জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ এবং পুনঃনির্মানের মধ্যে দিয়ে বহরমপুর শহরের বাইরে দিয়ে একটি বাইপাস রাস্তা করা হয়। যদিও, এখনও জাতীয় সড়কের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। কিন্তু এই উৎসবের মরশুমে শহরবাসী তথা সারা বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং অধীর চৌধুরীর অনুরোধে জাতীয় সড়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে পুজোর কিছুদিন সাময়িক ভাবে বাইপাস খোলা হল। রাস্তা চালু হওয়ায় উপকৃত হলেন অগণিত মানুষ।

    বাইপাসের অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রক

    কেন্দ্রীয় সরকার ১৪ বছর আগে বহরমপুর বাইপাস রাস্তার কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু জমিজট এবং নানা জটিলতা মিটিয়ে শেষ হওয়ার পথে। বাইপাস সড়কটি সারগাছি থেকে বহরমপুরের দিকে এসে, বলরামপুর থেকে মানকরা হয়ে ভাগীরথীর উপর দিয়ে বাসুদেবখালি হয়ে খাগড়াঘাট স্টেশনের পশ্চিম দিক দিয়ে ফতেপুরের কাজ পর্যন্ত, প্রায় ১১ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য ২০০৯ সালে বাইপাস রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা করে কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ত দপ্তর। এই দপ্তরের মন্ত্রী নীতিন গডকড়ী বহরমপুর বাইপাসের কাজ শুরু হওয়ার বরাত দেন।

    সাংসদের বক্তব্য

    সাংসদ (Murshidabad) অধীর চৌধুরী নিজেই, ওই রাস্তায় নিজের সমর্থকদের নিয়ে মোটরসাইকেল চালালেন এবং সেই সঙ্গে বাইকে হাত ছেড়ে সোজা হয়ে একপ্রকার চমক দেখালেন। আজ বলেন তিনি, “পুজোর আগে বহরমপুরকে যানজট মুক্ত করা আমার লক্ষ্য, সেজন্য আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিনজির কাছে গিয়েছিলাম এবং সরকারি আধিকারিক, ঠিকাদারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে, আজ মহালয়ার দিনে খুলে দেওয়া হল নতুন বাইপাস ও দ্বিতীয় সেতু।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Adhir Ranjan Chowdhury: দুঃখ প্রকাশ অধীর চৌধুরীর! সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিল স্বাধিকার রক্ষা কমিটি

    Adhir Ranjan Chowdhury: দুঃখ প্রকাশ অধীর চৌধুরীর! সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিল স্বাধিকার রক্ষা কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিল স্বাধিকার রক্ষা কমিটি। বুধবারই কমিটির বৈঠক বসে এবং সেখানেই বহরমপুরের সাংসদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করার বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। ওই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে লোকসভার স্পিকারের কাছে। স্বাধিকার রক্ষা কমিটির এই বৈঠকে হাজির ছিলেন অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) নিজেও।

    চলতি বছরের বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড হন অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের বাদল অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয় অধীর চৌধুরীকে (Adhir Ranjan Chowdhury)। কংগ্রেসের দলনেতা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নীরব মোদির সঙ্গে তুলনা করেন। পাশাপাশি, মণিপুর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে ধৃতরাষ্ট্র বলেও কটাক্ষ করেন অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)। ১০ অগাস্ট তাঁর এই সংসদীয় আচরণের জন্য স্বাধিকার ভঙ্গের প্রস্তাব এনেছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেই স্পিকার ওম বিড়লা অধীর চৌধুরীকে সাসপেন্ড করেন। সাসপেন্ডের সময় জানানো হয়, লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি অধীরের বিষয়ে রিপোর্ট যতক্ষণ না জমা দিচ্ছে, ততদিন তিনি সাসপেন্ড থাকবেন।

    ১৮ অগাস্ট হয় কমিটির প্রথম বৈঠক

    ১৮ অগাস্ট হয় কমিটির প্রথম বৈঠক। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় প্রিভিলেজ কমিটি অধীর চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) বক্তব্য শুনেই সেই পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রসঙ্গত, সাসপেনশনের সময় ওয়াক আউট করেছিলেন কংগ্রেসের সাংসদরা, সেখানে ছিলেন অধীর চৌধুরী নিজেও। পরে অবশ্য অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) জানিয়েছিলেন, স্বাধিকার রক্ষা কমিটি তাঁকে ডেকে পাঠালে তিনি অবশ্যই যাবেন। স্বাধিকার রক্ষা কমিটির তরফ থেকে এদিন বিজেপি সাংসদ সুনীলকুমার সিংহ জানিয়েছেন, অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) বৈঠকে বলেছেন, কাউকে আঘাত করা তাঁর মন্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল না। পাশাপাশি তাঁর মন্তব্যে কেউ আঘাত পেলে তিনি তাঁর জন্য দুঃখিত। এরপরেই সর্বসম্মতিতে সাসপেনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: অধীরের সভার প্রচার করতে গিয়ে আক্রান্ত মহিলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Murshidabad: অধীরের সভার প্রচার করতে গিয়ে আক্রান্ত মহিলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার আনুমানিক রাত নটা নাগাদ মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরে রাস্তার উপর তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী এক মহিলাকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ওই মহিলাকে এমন ভাবে মারধর করা হয়, তাঁর ডান হাতের আঙুল থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। মহিলাকে মারধর করার জন্য তৃণমূলের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলছে, রাজ্যে মহিলাদের সুরক্ষা কোথায়?

    রানিনগরে (Murshidabad) কী হয়েছিল?

    আগামী কয়েকদিনের মধ্যে রানিনগরে (Murshidabad) কংগ্রেসের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সভায় কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি থাকবেন বলে ওই মহিলা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারও করেন। আর তার পরেই তৃণমূলের নাজমুল সহ আরও অনেক নেতা তাঁকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। 

    আক্রান্ত মহিলার বক্তব্য

    আহত মহিলার দাবি, কিছুতেই তিনি এই রাস্তা থেকে সরবেন না, যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রশাসন (Murshidabad) তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আটক করছে। সেই সঙ্গে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় শুয়ে থাকবেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কোনও প্রশাসন নেই। সভার প্রচারকে কেন্দ্র করে শহরে মিছিল করা হবে বলে আমি কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানাই। আর তার পরেই তাঁর উপর এই আক্রমণ হয় বলে তিনি জানান। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যারা আমার উপর আক্রমণ করেছে, তাদের মধ্যে আমি নাজমুলকে চিনি, সে তৃণমূল করে। আর যারা সাথে ছিল তাদেরকেও চিনি আমি। কিন্তু নাম জানি না।

    প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ

    রানিনগরের (Murshidabad) শেখপাড়ায় ওই ঘটনা এলাকার ব্যবসায়ীদের আতঙ্কিত করে তুলেছে। রাতে রাস্তায় লোকজন বেরোতে ভয় পাচ্ছেন। এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, পুলিশ কী সহযোগিতা করবে! আমাদেরকেই পুলিশকে সহযোগিতা করতে হয়। পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। সেই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিন মহিলারা মার খাচ্ছে, ধর্ষিতা হচ্ছে। কিন্তু মহিলাদের উপর আক্রমণ চলছে, অথচ প্রশাসনের কোনওরকম ভ্রুক্ষেপ নেই। বিরোধী রাজনৈতিক দলের বক্তব্য, এরপরও কী করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এখনও আইন আছে! উনি কোন চশমা ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গের আইন ব্যবস্থাকে জাগ্রত রেখেছেন, সেটাই প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘নো ভোট টু তৃণমূল বললে এই দিন দেখতে হত না’, অধীরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘নো ভোট টু তৃণমূল বললে এই দিন দেখতে হত না’, অধীরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের পাশাপাশি এবারে বাম-কংগ্রেসকেও নিশানা করতে ছাড়লেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাগরদিঘি উপনির্বাচন বঙ্গ রাজনীতিকে এক অন্য পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে কৌস্তভ বাগচীর গ্রেফতারি তাতে এক অন্যমাত্রা যোগ করেছে। কৌস্তভের গ্রেফতারিতে রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধী ঐক্য গড়ে তোলার ডাক দিলেও, এ বার বাম-কংগ্রেসকে একযোগে আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাম-কংগ্রেসকে মনে করিয়ে দিলেন, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘নো ভোট টু বিজেপি’ স্লোগান। তাঁর মন্তব্য, তখন ‘নো ভোট টু তৃণমূল’ বললে আজ এই দিন দেখতে হত না।

    অধীরকে তোপ শুভেন্দুর

    রবিবার মহিষাদল ব্লকের ইটামগরা-২ অঞ্চল বিজেপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কেশবপুর জালপাই বাজার সংলগ্ন ময়দানে। সেই সম্মেলন থেকেই বাম-কংগ্রেসকে নিশানা করে তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, “মীনাক্ষী, কৌস্তভকে এখন জেলে ভরছে। তখন সিপিএম, কংগ্রেস বলেছিল নো ভোট টু বিজেপি। সেই সময় নো ভোট টু তৃণমূল বললে আজ এই দিন দেখতে হতো না।”

    আরও পড়ুন:ইডি না আসানসোল পুলিশ! আজ আদালতই ঠিক করবে অনুব্রতকে কারা নিয়ে যাবে দিল্লি?

    অধীরকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি মমতাকে। ভবানীপুরে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। ভবানীপুরে অধীর চৌধুরী কংগ্রেসের প্রার্থী দিলেন না। আজ সেই অধীর চৌধুরীকেই ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব থেকে বড় গদ্দার।”

    তিনি সেদিন আরও বলেন, “সিপিএম-কংগ্রেস বেরিয়ে পড়েছে। ২০১১ সাল থেকে বিরোধী দল ছিল সিপিএম। ২০১৬ সাল থেকে বিরোধী আসনে ছিল কংগ্রেস। কখনও কোনও কিছু প্রতিবাদ করেছে? চোর ধরা পড়েছে? ফাঁদ পাতবে বিজেপি আর খই খাব আমি! সেগুড়ে বালি, এটা হবে না। সিপিএম ও কংগ্রেস কয়েনের এপিঠ আর ওপিঠ। বামফ্রন্ট নন্দীগ্রামে গুলি চালিয়ে কৃষক মেরেছে আর তৃণমূল বগটুইয়ে মুসলমান পুড়িয়েছে। তাই বিজেপি ছাড়া গতি নেই।” 

    শুভেন্দুর নিশানায় রাজ্য

    গতকাল বাম-কংগ্রেসকে নিশানা করার পাশাপাশি শুভেন্দু কটাক্ষ করেছে রাজ্যকেও। কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে রাজ্যের নামে চালানো হচ্ছে এই নিয়ে ফের সরব হয়েছেন শুভেন্দু। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ও প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার পর এবার কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনা। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ও প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার মতই প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে বলে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেন্দ্রের কৃতিত্ব খাটো করে দেখাতেই রাজ্য সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল করছে বলে তাঁর অভিযোগ।

    আবার আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী এবং কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচীকে গ্রেফতার করা নিয়েও রাজ্যকে একহাত নেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। তাঁদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতের নিয়ম মানা হয়নি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “ইতিমধ্যে বিচার ব্যবস্থা এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেছে। জামিন অযোগ্য ধারা লাগলে হয় না। বিচার ব্যবস্থা নিরাপত্তা দিচ্ছে। পুলিশ অপদস্ত হচ্ছে। পুলিশের গরিমা মান সম্মান নষ্ট হচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cash Recovered: ফের উদ্ধার মোটা অঙ্কের টাকা, পুলিশ হেফাজতে ঝাড়খণ্ডের ৩ কংগ্রেস বিধায়ক

    Cash Recovered: ফের উদ্ধার মোটা অঙ্কের টাকা, পুলিশ হেফাজতে ঝাড়খণ্ডের ৩ কংগ্রেস বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পর এবার হাওড়া (Howrah)। ফের উদ্ধার প্রচুর নগদ টাকা (Cash)। পুলিশের (Police) জালে ভিন রাজ্যের তিন কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক। তাঁদের গাড়ি থেকেই বাজেয়াপ্ত হয়েছে বান্ডিল বান্ডিল নোট। কার টাকা, নিয়েই বা যাওয়া হচ্ছিল কোথায়, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    শনিবারই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) পার্থ-অর্পিতা ইস্যুতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) নেতৃত্বে পথে নেমেছিল কংগ্রেস। এদিন রাতে তাঁদেরই দলের তিন বিধায়কের কাছ থেকে উদ্ধার হল বিপুল নগদ অর্থ। এ নিয়ে টুইটে সরব বাংলার শাসকদল তৃণমূল। তাদের প্রশ্ন,  ঝাড়খণ্ডে সরকার ফেলা ও ঘোড়া কেনাবেচার গুঞ্জনের মধ্যেই বাংলায় তিন কংগ্রেস বিধায়কের কাছ থেকে বিপুল নগদ উদ্ধার হল। এই টাকার উৎস কি খতিয়ে দেখবে ইডি? স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করবে?  নাকি এই তৎপরতা শুধুমাত্র বাছাই করা কয়েকজনের জন্যই?

    পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা থেকে জামতাড়াগামী একটি কালো গাড়িতে করে টাকা পাচার হচ্ছিল বলে সূত্র মারফত খবর পেয়েছিল হাওড়া পুলিশ। সেই সূত্রেই ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন পাঁচলার রানিহাটি মোড়ের কাছে তল্লাশি চালায় পাঁচলা ও সাঁকরাইল থানার পুলিশ। ঝাড়খণ্ডের বিধায়কের স্টিকার লাগানো একটি কালো গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালাতেই পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নোট ভরতি দু’টি কালো ব্যাগ। সেই গাড়িতে ছিলেন ঝাড়খণ্ডের তিন কংগ্রেস বিধায়ক- রাজেশ কচ্ছপ, নমন বিকসাল এবং ইরফান আনসারি। পুলিশ সূত্রে খবর, চালক-সহ মোট ৫ জন ছিলেন গাড়িতে। এত নগদ কোথায়, কী উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তার স্বপক্ষে কোনও নথি দেখাতে পারেননি তাঁরা। এরপরেই তিন কংগ্রেস বিধায়ককে আটক করা হয়।

    আরও পড়ুন :এসএসসি-দুর্নীতির টাকা পাচার বাংলাদেশে? হাওয়ালা-যোগ খতিয়ে দেখছে ইডি

    জানা গিয়েছে, এদিনই দমদম বিমানবন্দরে নেমে সড়কপথে ঝাড়খণ্ডের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা। আপাতত পাঁচলা থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ওই বিধায়কদের। তাঁদের কাছে উদ্ধার হওয়ার টাকার পরিমাণ জানতে আনা হয়েছে চারটি কারেন্সি কাউন্টিং মেশিন। দু’টি ব্যাগে এখনও পর্যন্ত ৪৯ লক্ষ টাকা মিলেছে বলে পুলিশের একটি সূত্রের খবর। হাওড়া জেলার পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) স্বাতী ভাঙারিয়া জানান, আমাদের কাছে আগাম খবর ছিল। সেই সূত্র ধরেই কালো গাড়িটি আটক করা হয়। 

    এদিন টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সরব তৃণমূল। গাড়ির ডিকিতে থাকা নোটের বান্ডিলের ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূলের প্রশ্ন, ইডি কি শুধুমাত্র কয়েকজন ব্যক্তির ক্ষেত্রেই তৎপর?  বিষয়টি ইডির নজরে এনে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। এদিকে ঝাড়খণ্ডের বিরোধী দল বিজেপির তরফে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন : এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?

LinkedIn
Share