Tag: advocate

advocate

  • Nadia: ত্রিকোণ প্রেমের জের! আইনজীবীর গাড়িতে মিলল সেভেন এমএম, দেশি পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি

    Nadia: ত্রিকোণ প্রেমের জের! আইনজীবীর গাড়িতে মিলল সেভেন এমএম, দেশি পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতে নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালির মিলননগর বাজারে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আশিস বিশ্বাস নামে এক দুষ্কৃতীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। যদিও পুলিশের দাবি, নাকা চেকিংয়ের সময় গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে আগ্নেয়াস্ত্র সহ দুষ্কৃতীদের ধরে ফেলে পুলিশ। পরিচয় জানার পরই হতবাক হয়ে যায় পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে দুজন আইনজীবী রয়েছেন। তাঁদের নাম প্রসেনজিৎ দেবশর্মা ও সুদীপ ব্রহ্ম। এছাড়াও একজন আইনের ছাত্র, একজন ল ক্লার্ক এবং একজন কুখ্যাত সমাজবিরোধী রয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন আগে মাদক মামলায় আশিস বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করে। স্বামীকে ছাড়ানোর জন্য তাঁর স্ত্রী নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট আদালতের আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবশর্মার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। নিয়মিত আইনজীবীর সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখতেন। সেই সুবাদে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জেলে বসেই তার আঁচ পান আশিস। জেল থেকেই স্ত্রীকে খুন করার হমকি দিয়েছিলেন আশিস। তাঁর স্ত্রী বিষয়টি প্রেমিক আইনজীবীকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, হুমকির বিষয়টি কথার কথা ভেবে সেভাবে তাঁরা গুরুত্ব দেননি। ফলে মেলামেশা বন্ধ হয়নি। ওদিকে জেল থেকে বেরিয়ে তাঁর সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে স্ত্রীর ওপর। নৃশংসভাবে স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ফের জেলে যান আশিস। জেল থেকে বেরিয়ে স্ত্রীর মতো তাঁর প্রেমিক আইনজীবীকে খুন করার হুমকি দিয়ে যান। কয়েকদিন আগে আশিস জামিনে মুক্তি পান। পথের কাঁটা সরাতে এরপরই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গাড়ি করে আশিসের ওপর হামলা চালানোর ছক কষেন ওই আইনজীবী।

    ধৃতদের কাছে থেকে কী কী বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ?

    জানা গিয়েছে, গাড়ির মধ্যে একটি সেভেন এমএম এবং একটি দেশি পিস্তল সহ ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। মঙ্গলবার ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে চেয়ে রানাঘাট আদালতে পাঠায় হাঁসখালি থানার পুলিশ। বিচারক ৭দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জেলা তৃণমূলের নেতা

    Dakshin Dinajpur: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জেলা তৃণমূলের নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক প্রতুল মৈত্র। শনিবার রাতেই দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি। তিনি আবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবীও। শনিবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালত চত্বর থেকেই তৃণমূলের এই জেলা পদাধিকারী তথা আইনজীবীকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, বংশীহারি থানায় দায়ের হওয়া একটি পকসো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তবে, তদন্তের স্বার্থে সবটা এখনই বলা সম্ভব নয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dakshin Dinajpur)

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পকসো মামলায় ধৃত প্রতুল মৈত্র গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের এডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর। সরকারি আইনজীবীর পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক পদেও রয়েছেন। গঙ্গারামপুরের এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি মামলায় শনিবার রাতে বংশীহারী থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। গঙ্গারামপুরের এক নাবালিকার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সরকারি আইনজীবীকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে বুনিয়াদপুরের গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালত থেকেই বংশীহারী থানার পুলিশ সরকারি আইনজীবী প্রতুল মৈত্রকে থানায় নিয়ে যায়। রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বেশি রাতে তাকে বংশীহারী থেকে হরিরামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বংশীহারী থানার পুলিশ তার বিরুদ্ধে পকসো, চাইল্ড প্রোটেকশন অ্যাক্ট সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করে। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর জামিন বাতিল করে দুদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, সরকারি আইনজীবীর বিরুদ্ধে এই ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। ঘটনার সত্যতা কতটা রয়েছে তা কোর্টে বিচার্য বিষয়। এমনকী অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, আইন আইনের পথেই চলবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলার সহ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, তৃণমূলের নেতা আবার আইনজীবী হয়ে এই ধরনের ঘটনায় জড়িত। এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ১১ দিন ধরে টানা কর্মবিরতিতে বারাকপুর কোর্টের আইনজীবীরা, কেন জানেন?

    Barrackpore: ১১ দিন ধরে টানা কর্মবিরতিতে বারাকপুর কোর্টের আইনজীবীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমা আদালতের কর্মবিরতি ১১ দিনে পড়ল। আদালতের আইনজীবীদের কর্মবিরতির ফলে বিচার প্রার্থী এবং তাঁদের পরিবারের লোকদের যে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গেট বন্ধ রেখে আইনজীবীরা আন্দোলন করছেন। এর আগে একাধিকবার মিছিলও করেছেন তাঁরা। যে দাবিদাওয়ার ভিত্তিতে আইনজীবীরা কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন তার কোনও সদুত্তর কর্তৃপক্ষের থেকে এখনও না পাওয়ায় কর্মবিরতি জারি রেখেছে।

    কেন আন্দোলনে আইনজীবীরা?

    সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশন কোর্ট বারাসত আদালত থেকে বারাকপুর (Barrackpore) কোর্টে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া পকসো আদালতে স্পেশাল বিচারক, এনডিপিএস-এর জন্য পৃথক কোর্ট, ক্যান্টিন, বিচার প্রার্থীর বাড়ির লোকদের জন্য শৌচালয়, পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ, আদালত চত্বরে সিসি ক্যামেরা লাগানো সহ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে আইনজীবীরা এর আগেও একাধিকবার সরব হয়েছিলেন। কিন্তু, কোনও কাজ না হওয়ায় তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন। আইনজীবীদের সঙ্গে টাইপিস্ট, ল ক্লার্করাও আন্দোলনের সামিল হয়েছেন।

    হাইকোর্টের বিচারপতির সঙ্গে আইনজীবীদের বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হল?

    বারাকপুর (Barrackpore) আদালতের অবস্থা দেখতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তথা জোনাল জাজ অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় যান। তিনি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আইনজীবীদের দাবি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জোনাল জাজ জানিয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে আশ্বাস পেয়ে বার অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সভা ডেকে সকলকে অবহিত করেন।

    কী বললেন বারাকপুর (Barrackpore) বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি?

    বারাকপুর (Barrackpore) বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত রায় বলেন, আমরা যে দাবির ভিত্তিতে কর্মবিরতি শুরু করেছি তা লিখিত আকারে ইতিমধ্যে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে জানিয়েছি। এদিনের বৈঠকে আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, এখনও কোনও আশ্বাস পাইনি। তাই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে আমরা এখনই পিছু হটছি না। আমরা শনিবার পর্যন্ত কর্মবিরতি চালাব। ওইদিন আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচীর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে আদালতে কী জানাল কেন্দ্র?

    Congress: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচীর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে আদালতে কী জানাল কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন কংগ্রেস (Congress) নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী । সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে সেই মামলার শুনানি ছিল। একইসঙ্গে কংগ্রেসের (Congress)  ওই নেতা কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছিলেন।  পুলিশের অতি সক্রিয়তা নিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে রিপোর্টও তলব করেছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তাঁর মন্তব্য ছিল, কোনও নোটিস না পাঠিয়ে নাগরিকের অধিকার ক্ষুন্ন করেছে পুলিশ। কীসের ভিত্তিতে মাঝরাতে পুলিশ কৌস্তভের বাড়ি গেল তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে আদালতে। কেস ডায়েরিও খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে রিপোর্ট তলব করার পাশাপাশি সিআরপিএফের কাছে বিচারক জানতে চান, তারা নিরাপত্তা দিতে পারবে কি না। আজ, সোমবার সমস্ত রিপোর্টই জমা পড়ে। সেখানেই কেন্দ্র জানিয়ে দেয়, সিআরপিএফ-নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়।

    কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তা নিয়ে আদালতে কী জানাল কেন্দ্র? Congress

    কংগ্রেস নেতার বাড়ি সিআরপিএফ মোতায়েন নিয়ে আদালতে শুনানি ছিল। সেখানে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়,কৌস্তভের বাড়িতে আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা সম্ভব নয়। সিআরপিএফ-এর অফিস থেকে কৌস্তভ বাগচীর বাড়ির দূরত্ব বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত বলে আদালতে জানায় কেন্দ্র। অন্যদিকে, এদিন আদালতে রিপোর্টও পেশ করেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা পরামর্শ দেন, এই সমস্যার কোনও সমাধানসূত্র বের করা সম্ভব কি না তা নিয়ে আইনজীবীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করুন। একইসঙ্গে বিচারপতি মান্থা মন্তব্য করেন, কৌস্তভ বাগচী একজন আইনজীবী। মুখ্যমন্ত্রীও সকলের মুখ্যমন্ত্রী। এই দুর্ভাগ্যজনক বিতর্কের শেষ হওয়া দরকার।

    গত ৩ মার্চ মধ্যরাতে আইনজীবী তথা কংগ্রেস (Congress)  নেতা কৌস্তভ বাগচীর বাড়িতে কোনওরকম নোটিস ছাড়াই হানা দেয় পুলিশ। ৪ মার্চ সকালে কৌস্তভকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের ৮ ঘণ্টার মধ্যে জামিনও পেয়ে যান তিনি। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন কৌস্তভ। তাঁর বিরুদ্ধে চলা পুলিশি তদন্তে স্থগিতাদেশ দেয় কোর্ট। কোর্টের অনুমতি ছাড়া কোনও থানা কৌস্তভের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে না বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা। এর আগে রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে কংগ্রেস নেতার বাড়িতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: অয়নের ছেলে ও তাঁর বান্ধবীর নামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি! কোথায় জানেন?

    ED: অয়নের ছেলে ও তাঁর বান্ধবীর নামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীলের ছেলে অভিষেক শীল ও তাঁর বান্ধবী ইমন গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য। অয়ন প্রোমোটারির পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে আর্থিকভাবে ফুলেফেঁপে ওঠে। চাকরি বিক্রি করেই সে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে বলে তদন্তে নেমে ইডি (ED) জানতে পেরেছে। আর এই কোটি কোটি টাকা সে সিনেমা, সিরিয়ালেও ঢেলেছে। ইতিমধ্যেই শ্বেতা চক্রবর্তী তাঁর হাত ধরেই রুপোলি জগতে পা রেখেছিলেন। এবার হুগলির গুরাপে অয়নের পেট্রল পাম্পের হদিশ পেল ইডি (ED) ।

    কত টাকায় কেনা হয়েছিল পেট্রোল পাম্প? ED

    ইডি (ED)  সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে গুড়াপের এই পাম্পটি চালান অয়নের ছেলে অভিষেক শীল। এই পাম্পের পার্টনার ইমন গঙ্গোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে কলকাতার বিডন স্ট্রিটের বাসিন্দা নন্দদুলাল শুক্লা, অজয় শুক্লা এবং আশিস শুক্লার কাছে থেকে ১ কোটি টাকায় গুড়াপে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ৩ বিঘা জমির উপর পেট্রল পাম্পটি কেনা হয়েছিল। স্থানীয়ভাবে শুক্লা পাম্প হিসেবে পরিচিত ছিল। এই পাম্পের পাশাপাশি অভিষেক ও ইমনের নামে কলকাতার বন্ডেল রোড উপর ফসিলস নামে একটি অফিস রয়েছে। সেই সম্পত্তির দামও অনেক। এছাড়া অভিষেক ইমনের নামে যৌথভাবে আরও কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছে বলে ইডি (ED)  জানতে পেরেছে। এই ইমন হচ্ছে অভিষেকের বান্ধবী। আইন পড়ার সময় তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে, সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। কারবারের টাকা অভিষেকের বান্ধবী ইমনের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। ইডির তরফে যে ৩২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে তার মধ্যে তিনটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে এই শুক্লা সার্ভিস স্টেশনের নামে গুড়াপের ওই পেট্রল পাম্পও রয়েছে। ইডি-র মতে ইমন ও অভিষেকের যৌথ সংস্থা এবং পেট্রল পাম্পের মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতির কয়েক কোটির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। তার জন্যে অয়ন শীলের নির্দেশে দক্ষিণ কলকাতার অফিস খুলেছিলেন অভিষেক ও তাঁর বান্ধবী। যদিও সেই অফিস দীর্ঘদিন বন্ধ বলেই খবর।

    অয়নের ছেলের বান্ধবী ইমনকে নিয়ে কী বললেন প্রতিবেশীরা? ED

     অয়নের ছেলে অভিষেক শীলের সংস্থার অংশীদার রয়েছে তাঁর বান্ধবী ইমন গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে। এই ইমনের বাড়ি হুগলির উত্তরপাড়া পুরসভার অমরেন্দ্র সরণির দাশরথি আবাসনে। ওই আবাসনের দোতলায় ২০২ নম্বর ফ্ল্যাটটি ইমনের বাবা বিভাস গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে রেজিস্ট্রার রয়েছে। বিভাসবাবু পেশায় আইনজীবী। বাবার সঙ্গে ওই আবাসনেই থাকেন ইমন। বুধবার থেকে বাইরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁরা কেউ কথা বলেননি। এমনকী কাজের মেয়েকেও বাড়ির লোকজন দরজা খুলে দেননি। প্রতিবেশীদের বক্তব্য, গঙ্গোপাধ্যায় পরিবার কারও সঙ্গে সেভাবে মিশত না। মাঝে মধ্যে ইমনকে আইনজীবীর পোশাক পড়ে বিলাসবহুল গাড়িতে করে চলে যেতে দেখা যেত। কখনও কখনও রাত করেও বাড়ি ফিরতে দেখা গিয়েছে। ইমনও খুব কম কথা বলত। তবে, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত অয়নের ছেলের বান্ধবীর বিষয়টি  জানাজানি হতেই হতবাক এলাকাবাসী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Poster: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচিকে সামাজিক বয়কট! কারা দিল পোস্টার?

    Poster: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচিকে সামাজিক বয়কট! কারা দিল পোস্টার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অশালীন ও কুরুচিকর মন্তব্য করে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচি। রাতারাতি রাজ্যবাসীর কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন কৌস্তভবাবু। জামিনে বাড়ি ফিরে আসার পর তাঁর ব্যারাকপুরের বাড়িতে বিজেপি, সিপিএম নেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষদের শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় ব্যারাকপুর শহরে বেশ কয়েকটি এলাকায় রাস্তার ধারে একটি পোস্টার (Poster) ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হওয়া এই কংগ্রেস নেতাকে সামাজিক বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    কৌস্তভ বাগচিকে কারা সামাজিক বয়কটের ডাক দিল? Poster

    গ্রেপ্তার হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জামিন পেয়ে নিজের মস্তক মুণ্ডন করে তৃণমূল সরকারকে উত্খাত করার তিনি শপথ নেন। তাঁর এই জেদ দেখে স্বাভাবিকভাবে কংগ্রেসের নীচুতলার কর্মীরা চাঙা হয়ে ওঠেন। সঙ্গে বিরোধীরাও তাঁর বাড়়ি বয়ে এসে প্রশংসা করে যান। একদিকে তাঁর নামে সর্বত্র জয়জয়কার করছে বিরোধীরা, সেই অবস্থা রবিবার তাঁর ব্যারাকপুরে বাড়়ির আশপাশের এলাকায় রাস্তার ধারে তাঁকে সামাজিক বয়কটের ডাক দেওয়ার পোস্টার (Poster) দেওয়া হয়েছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অশালীন ও কুরুচিকর মন্তব্য করে আমাদের এলাকার সাংস্কৃতিকে সারা বাংলার কাছে হেয় প্রতিপন্ন করেছে কৌস্তভ বাগচি, তাকে সামাজিক বয়কট করা হোক। পোস্টারের (Poster) নীচে কোনও রাজনৈতিক দলের নাম নেই। শুধু লেখা রয়েছে বারাকপুরবাসীর পক্ষ থেকে। তবে, কে বা কারা এই পোস্টার (Poster)   দিয়েছে তা পরিষ্কার নয়। তবে, কংগ্রেস নেতা মাথা ন্যাড়া নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। কামারহাটির পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মলা রায় কংগ্রেস নেতাকে কটাক্ষ করে বলেন, ওই নেতার মাথায় উকুন ছিল। তাই, তিনি মাথা ন্যাড়া হয়েছেন। আর দলীয় নেত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করছেন। এরপর নিজের ওয়ার্ডে এক মাথা ন্যাড়া যুবকের মাথায় গোল ঢেলে কৌস্তভ বাগচিকে ওই কাউন্সিলর কটাক্ষ করেন।

    বারাকপুর শহরে সামাজিক বয়কটের পোস্টার নিয়ে কৌস্তভবাবু বলেন, এই ধরনের পোস্টার দেওয়ার কাজ তৃণমূলের। নিজেরা সামনে নাম দিতে ভয় পাচ্ছে। কিন্তু, পোস্টার (Poster) দিয়ে সামাজিক বয়কটের ডাক দিলেই তো হল না। আমাকে এলাকার মানুষ ভালোবাসেন। বাড়ির বাইরে বের হলেই প্রচুর মানুষ এসে কথা বলে যাচ্ছে। বারাকপুর পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, বাংলার একটি নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে। তিনি একজন আইনজীবী হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যে অশালীন মন্তব্য করেছেন তা নিন্দার ভাষা নেই। তবে, সামাজিক বয়কটের পোস্টার (Poster) দেওয়ারও আমরা তীব্র নিন্দা করছি। এসব তৃণমূলের কাজ নয়। ওরা আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share