Tag: Afganistan

Afganistan

  • Pakistani Nuclear Scientists Abducted: ১৬ পরমাণু বিজ্ঞানী অপহরণে মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের, আদৌ ছাড়া পাবেন তাঁরা?

    Pakistani Nuclear Scientists Abducted: ১৬ পরমাণু বিজ্ঞানী অপহরণে মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের, আদৌ ছাড়া পাবেন তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের লাগানো বিষবৃক্ষে ফল ধরতে শুরু করেছে! ভারতে নিত্য অশান্তি জিইয়ে রাখতে লাগাতার জঙ্গিদের মদত দিয়ে গিয়েছে পাকিস্তানের (Pakistani Nuclear Scientists Abducted) সরকার। যিনিই মসনদে বসেছেন, তিনিই দেশের বিভিন্ন সমস্যা থেকে দেশবাসীর নজর ঘোরাতে অক্সিজেন জুগিয়ে গিয়েছেন বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে। এবার সেই জঙ্গিফাঁদে পড়েই অপহৃত পরমাণু বিজ্ঞানীদের ছাড়াতে কার্যত নাকানি চোবানি খাচ্ছে পাকিস্তানের শাহবাজ শরিফের সরকার।

    টিটিপির হানা তেজস্ক্রিয় খনিতে (Pakistani Nuclear Scientists Abducted)

    ঘটনার সূত্রপাত দিন দুই আগে। তেহরিক-ই-তালিবান, সংক্ষেপে টিটিপির (TTP Terrorists) কয়েকশো জঙ্গি দিনে-দুপুরে হানা দেয় পাকিস্তানের বৃহত্তম ইউরেনিয়াম খনিতে। সশস্ত্র জঙ্গিদের রণমূর্তি দেখে পালিয়ে যায় খনি প্রহরারত নিরাপত্তারক্ষীরা। বিনা বাধায় খনিতে লুটপাট চালায় জঙ্গিরা। যাওযার সময় সঙ্গে নিয়ে যায় প্রচুর ইউরেনিয়াম। পণবন্দি করে ১৬ জন পাক পরমাণু বিজ্ঞানী-সহ মোট ১৮ জনকে। এই খনির নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল পাক রেঞ্জার্স এবং আধা কমান্ড বাহিনী। জঙ্গিদের দেখে প্রাণ বাঁচাতে গা-ঢাকা দেয় তারা। অসহায়ের মতো জঙ্গিদের সঙ্গে যেতে বাধ্য হন পাক পরমাণু বিজ্ঞানীরা। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা-সহ পশ্চিম দুনিয়া। ভয়েস অফ আমেরিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে পাক বিজ্ঞানীদের অপহরণ করেছে টিটিপি। পরে তাঁদের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের অনুমান, ইউরেনিয়ামের সাহায্যে এবার শক্তিশালী বোমা তৈরির চেষ্টা করবে টিটিপি। তাই খনি থেকে ইউরেনিয়াম লুট করেছে তারা (Pakistani Nuclear Scientists Abducted)।

    সুপ্ত ইচ্ছে পূরণ হবে জঙ্গিদের!

    দীর্ঘ সময় ধরে পরমাণু বোমা তৈরির সুপ্ত ইচ্ছে পোষণ করেছে বহু জঙ্গি নেতা। একই সঙ্গে বিজ্ঞানী ও তেজস্ক্রিয় লুট করে সেই স্বপ্ন সফল করতে পারে জঙ্গিরা। জঙ্গি সংগঠনগুলি পরমাণু বোমা তৈরি করলে বিশ্বজুড়ে শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হবে বলেই শঙ্কা মার্কিন গোয়েন্দাদের। এর আগেও পাক সেনাবাহিনীর হাতে থাকা পারমাণবিক হাতিয়ারের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তাঁরা। আমেরিকার বহু বিশেষজ্ঞই ইসলামাবাদের কাছে আণবিক অস্ত্র থাকাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মনে করেন। ইউরেনিয়াম খনি লুট এবং বিজ্ঞানীদের অপহরণের ঘটনায় উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লিও।

    মুখ পোড়ার ভয়

    বিশ্বে মুখ পোড়ার ভয়ে প্রথমে বিজ্ঞানীদের অপহরণের কথা স্বীকার করেনি পাক সরকার। পরে অবশ্য জঙ্গি-কবল থেকে বিজ্ঞানীদের মুক্ত করতে শাহবাজ শরিফের সরকার দর কষাকষি করছে বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর। যদিও এ ব্যাপারে অফিসিয়ালি কিছু জানানো হয়নি পাক সরকারের তরফে। তবে টিটিপি (TTP Terrorists) জঙ্গিরা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রাণ বাঁচাতে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে কাতর আর্জি জানাচ্ছেন পাকিস্তানের অপহৃত ১৬ জন বিজ্ঞানী এবং দুই ইঞ্জিনিয়র।

    টিটিপির গুচ্ছের শর্ত

    এদিকে পণবন্দিদের জীবিত ছেড়ে দিতে গুচ্ছের শর্ত দিয়েছে টিটিপি জঙ্গিরা (Pakistani Nuclear Scientists Abducted)। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল, অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে তাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে পাক ফৌজকে। মুক্তি দিতে হবে পাক জেলে বন্দি টিটিপির সমস্ত নেতা ও যোদ্ধাকে। আর পাক-আফগান সীমান্তের ‘ডুরান্ড লাইন’ বাতিল করে নয়া সীমান্ত নির্ধারণ করতে হবে। গত ডিসেম্বরে পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশে বড়সড় হামলা চালায় টিটিপি। মৃত্যু হয়েছিল পাক সেনা বাহিনীর এক মেজর-সহ বেশ কয়েকজন জওয়ানের। বদলা নিতে ২৫ ডিসেম্বর আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রদেশে এয়ারস্ট্রাইক চালায় পাকিস্তানের বায়ুসেনা। পরে পাকিস্তান দাবি করে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন জানায়, পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন শিশু ও মহিলা-সহ প্রায় ৫০ জন। এর পরেই সীমান্তে কয়েক হাজার জঙ্গি পাঠিয়ে দেয় তালিবানরা। তালিবান এবং টিটিপি জঙ্গিদের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেনি পাক সেনা। এই ঘটনার সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই পরমাণু বিজ্ঞানীদের অপহরণ করে টিটিপি বুঝিয়ে দিল পাক সেনার তুলনায় তারা কতটা শক্তিশালী।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

    গত ডিসেম্বর (TTP Terrorists) থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে টিটিপি ও পাক সেনার মধ্যে। এই সশস্ত্র গোষ্ঠীকে জঙ্গির তকমা দিয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অভিযোগ, আড়ালে থেকে টিটিপিকে (Pakistani Nuclear Scientists Abducted) ক্রমাগত মদত দিয়ে চলেছে তালিবান প্রশাসন। জঙ্গিদের তারা আশ্রয়ও দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে ইসলামাবাদ ও কাবুলের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক চালানোর পরে পরেই সীমান্তে অন্তত দুটি পাক চৌকি দখল করে টিটিপির জঙ্গিরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় সেই ভিডিও-ও। চাপে পড়ে পাক সরকার জানায়, চৌকিগুলি খালি ছিল।

    ২০২১ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য আফগানিস্তানের ক্ষমতায় বসে তালিবান। সেই সময় উল্লাস করেছিল পাকিস্তান। তবে ইসলামাবাদের সেই আনন্দ অবশ্য বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। কারণ ‘ডুরান্ড লাইন’কে কোনওদিনই মান্যতা দেয়নি তালিবান। তারাই নিয়মিত অক্সিজেন জুগিয়ে গিয়েছে টিটিপিকে (TTP Terrorists)। সেই টিটিপিই কালি লেপে দিল পাক সরকারের মুখে (Pakistani Nuclear Scientists Abducted)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Taliban: তালিবানি শাসনে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল, শরিয়ত মেনেই সিদ্ধান্ত, জানালেন আইনমন্ত্রী

    Taliban: তালিবানি শাসনে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল, শরিয়ত মেনেই সিদ্ধান্ত, জানালেন আইনমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তালিবান (Taliban) মানেই যেন ফতোয়া! আমরা যাকে বলি কোনও কিছুকে নিষিদ্ধ করা বা ব্যান করা। নারী অধিকার, নারী শিক্ষা তো সে দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে, এবার যে কোনও রকমের রাজনৈতিক কার্যকলাপও নিষিদ্ধ হল আফগানিস্তানে। তালিবান (Taliban) সরকারের আইনমন্ত্রী শাইখ মৌলবি আবদুল হাকিম শারি একথা নিজে ঘোষণা করেছেন।

    আরও পড়ুুন: এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উড়ল ছত্তিশগড়ের আটটি গ্রামে

    তালিবানি (Taliban) ফতোয়া 

    জনপ্রিয় সংবাদ সংস্থা দ্য ডন পত্রিকাতে এই নিয়ে রিপোর্ট বেরিয়েছে। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার তালিবানে আইনমন্ত্রী শাইখ মৌলবি আবদুল হাকিম শারি কাবুলে তার মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। সেময় তিনি বলেন, দেশে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড পুরোপুরি বন্ধ করা হল। কারণ শরিয়ত আইন অনুযায়ী, তাদের কোনও স্থান নেই। এসব দলের সঙ্গে কোনও জাতীয় স্বার্থও জড়িত নয় ও দেশের সাধারণ মানুষ তাদের পছন্দও করে না। গত ১৬ অগাস্ট এ বিষয়ে জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, আফগানিস্তানে একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করতেই তালিবান এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চাপের কাছেও তালিবান (Taliban) যে নতি স্বীকার করবে না সে কথাও সাফ ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ২০২১ সালে ক্ষমতা দখল তালিবানের 

    ২০২১ সালের ১৫ অগাস্ট আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালিবানরা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও দেশই তালিবান (Taliban) সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি।
    ক্ষমতায় এসেই ঠিক আগের রূপেই ফিরে যায় তারা। ২০ বছর আগের আফিগানিস্তান যেন ফিরে এসেছে। নারীদের শিক্ষা ও একাকী চলাফেরায় বিধি নিষেধ আরোপ করে তালিবান। সম্প্রতি আফগানিস্তানের মহিলাদের বিউটি পার্লারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে তালিবানরা (Taliban)। এবার বন্ধ হল রাজনৈতিক কার্যকলাপ।

     

    আরও পড়ুন: কোচবিহারে বাড়ি সংস্কার করতে হলেও দিতে হবে নতুন হারে পুরকর, আন্দোলনে বিজেপি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Afghanistan: নির্বিষ আক্রমণ, আফগানদের বিরুদ্ধে ড্র করে পয়েন্ট হাতছাড়া ভারতের

    India vs Afghanistan: নির্বিষ আক্রমণ, আফগানদের বিরুদ্ধে ড্র করে পয়েন্ট হাতছাড়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুযোগ ছিল। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় নিট ফল শূন্য। হাতে পেনসিল নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল ভারতকে । আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে (India vs Afghanistan) বিশ্বকাপের যোগ্যতা (World Cup Qualifier) অর্জন পর্বের ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়েই খুশি হতে হল সুনীল ছেত্রীদের। এই প্রথম পয়েন্ট পেল আফগানিস্তান। আর তিনটি ম্যাচ খেলে চার পয়েন্ট নিয়ে দুয়ে উঠে এল ভারত।

    যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচ (India vs Afghanistan)

    বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ (World Cup Qualifier) তথা এএফসি এশিয়ান কাপ ২০২৭-এর যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচে সৌদি আরবের আভায় ভারত মুখোমুখি হয়েছিল আফগানিস্তানের (India vs Afghanistan)। ম্যাচ হয়েছে গোলশূন্য ড্র। ফলত, তুলনায় দুর্বল প্রতিপক্ষ পেয়েও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হাতছাড়া করল সুনীল ছেত্রীর দল। অথচ নির্বিষ এই ম্যাচে বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ পেয়েছিল ভারত। সেই সুযোগ হেলায় হারিয়েছেন নিখিল পুজারি, মনবীর সিংরা। ম্যাচে উল্লেখযোগ্য ছাপ রাখতে পারেননি সুনীল। একাধিকবার ক্রস ভেসে এলেও, গোল হয়নি।

    আরও পড়ুুন: ফের দিল্লিতে তলব সুকান্ত-শুভেন্দুকে, কেন জানেন?

    সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ

    এদিন গোল খেয়েই মাঠ ছাড়তে হওয়ার উপক্রম হয়েছিল ভারতের (India vs Afghanistan)। খেলার ৬২ মিনিটের মাথায় সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন আফগানিস্তানের আকবরি। তিনি স্কোয়ার পাস বাড়িয়ে দেন পোপালজেকে। রাহুল বেকের দুর্দান্ত পারফরমেন্সের জেরে গোলে ঢোকেনি বল। এদিন লিস্টন কোলাসো ডান দিকের উইং থেকে বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ইগর স্টিমাচের ছেলেরা।

    ম্যাচ শুরুর ৭৯ মিনিটের মাথায় শুভাশিস বসুর একটা হেডের পরে গোল হওয়ার একটা ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল। তবে বল অনেকটা বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ায় গোল হয়নি। এই ম্যাচ (World Cup Qualifier) থেকে শিক্ষা নিয়ে ভুলভ্রান্তি শুধরে টিম ইন্ডিয়া হোম লেগে মাঠে নামবে বলে আশা করা যায়। ফিরতি লেগের ম্যাচ (India vs Afghanistan) রয়েছে ২৬ মার্চ গুয়াহাটিতে। এই ম্যাচে সুনীল ছেত্রীর দল কামব্যাক করতে পারে কিনা, তা-ই দেখার। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে টানা পাঁচটি ম্যাচের একটিতেও জয় পায়নি সুনীল ছেত্রীর ফুটবল দল। প্রত্যাশিতভাবেই পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সুনীলের দলের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে চান? কী কী লাগবে জেনে নিন

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে চান? কী কী লাগবে জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সন্ধ্যায় লাগু হয়েছে সিএএ (CAA)। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চালু করে দিল এ সংক্রান্ত ওয়েব পোর্টাল। যাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে অনলাইনের দ্বারস্থ হবেন, তাঁদের জন্যই এই ব্যবস্থা। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের জন্য ‘সিএএ-২০১৯’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপও কেন্দ্র চালু করবে বলে খবর।

    সিএএ (CAA)

    ২০১৯ সালে সংসদে পাশ হয় সিএএ বিল। পরে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মেলায় বিলটি পরিণত হয় আইনে। তবে বিরোধীদের অপপ্রচারের জেরে সিএএর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয় বলে অভিযোগ। প্রায় সাড়ে চার বছর পরে সোমবার দেশজুড়ে লাগু হয় সিএএ আইন। এই আইন বলে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়িত যেসব শরণার্থী (হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টান) এদেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব (CAA) দেওয়া হবে। এই আইন তাঁদের সাংস্কৃতিক, লিঙ্গুইস্টিক এবং সোশ্যাল আইডেন্টিটি রক্ষা করবে। এটা তাঁদের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, মুক্তভাবে চলাচল করা এবং সম্পত্তি কেনার অধিকারও দেবে।

    কী কী নথি প্রয়োজন (CAA)

    প্রথমেই নথি পেশ করতে হবে যা প্রমাণ করবে যে আবেদনকারী বাংলাদেশ, আফগানিস্তান বা পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত

    • বাংলাদেশ বা আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তান সরকারের দেওয়া পাসপোর্ট।
    • ভারতের ফরেনার্স রিজিয়নাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার কিংবা ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসারের দেওয়া রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বা রেসিডেন্সিয়াল পারমিট।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তান সরকারের দেওয়া জন্মের শংসাপত্র।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের কোনও স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের সরকার বা এই তিন দেশের কোনও সরকারি সংস্থার ইস্যু করা যে কোনও ধরনের পরিচয়পত্রের নথি।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের সরকারি কোনও সংস্থার দেওয়া যে কোনও লাইসেন্স কিংবা সার্টিফিকেট।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের  জমি কিংবা ভাড়ায় থাকলে তার রেকর্ড।
    • আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তান সরকারের দেওয়া কোনও নথি যা প্রমাণ করে যে আবেদনকারীর বাবা-মা বা পিতামহ কিংবা প্রপিতামহ এই তিন দেশের কোনও একটির নাগরিক ছিলেন।
    • বাংলাদেশ বা আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তানের সরকারি কর্তৃপক্ষ কিংবা সংস্থার দেওয়া কোনও নথি যা প্রমাণ করবে যে আবেদনকারী এই তিন দেশের কোনও একটি থেকে এসেছেন।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটে বাংলায় একক বৃহত্তম দল হবে বিজেপি, ভবিষ্যদ্বাণী পিকে-র

    এ ছাড়াও আরও কিছু তথ্য লাগবে, যা প্রমাণ করবে আবেদনকারী ভারতে এসেছেন ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে (CAA)। এগুলি হল—

    • ভারতে আসার ভিসা এবং ইমিগ্রেশন স্ট্যাম্পের কপি।
    • রেজিস্ট্রশন সার্টিফিকেট বা রেসিডেন্সিয়াল পারমিট যেটা ইস্যু করেছেন ভারতের ফরেনার্স রিজিয়নাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার কিংবা ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসার।
    • জনগণনার সময় ভারতে যে স্লিপ দেওয়া হয়েছিল।
    • সরকারের ইস্যু করা কোনও লাইসেন্স বা সার্টিফিকেট বা পারমিট (ড্রাইভিং লাইসেন্স, আধার কার্ড ইত্যাদি)।
    • আবেদনকারীর ভারতীয় রেশন কার্ড।
    • অফিসিয়াল স্ট্যাম্প-সহ কোনও চিঠি যা ভারত সরকার কিংবা আদালত আবেদনকারীকে দিয়েছে।
    • আবেদনকারীর ভারতে জন্মের শংসাপত্র।
    • ভারতে আবেদনকারীর নামে থাকা জমি বা ভাড়ায় থাকলে তার রেকর্ড।
    • তারিখ-সহ প্যানকার্ড ইস্যুর নথি।
    • অন্য কোনও নথি, যা কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা রাজ্য সরকারের দেওয়া।
    • কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকার বা ব্যাঙ্ক কিংবা অন্য কোনও পাবলিক অথরিটির দেওয়া নথি।
    • গ্রাম কিংবা শহরের কোনও নির্বাচিত সদস্য বা রেভিনিউ অফিসারের দেওয়া সার্টিফিকেট।
    • আবেদনকারীর নামে ব্যাঙ্ক কিংবা পোস্ট অফিসের রেকর্ড এবং অ্যাকাউন্টের ডিটেইলস।
    • আবেদনকারীর নামে ভারতে থাকা কোনও ইন্স্যুরেন্স পলিসির নথি।
    • আবেদনকারীর নামে বিদ্যুৎ সংযোগের কাগজ কিংবা বিদ্যুতের বিল।
    • আবেদনকারীর কোর্ট কিংবা ট্রাইব্যুনাল রেকর্ডের নথি।
    • আবেদনকারী চাকরি করলে তার নথি বা প্রভিডেন্ট ফান্ড বা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পেনশনের কাগজ।
    • স্টেট ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশনের নথি।
    • আবেদনকারীর ভারতীয় কোনও স্কুল পরিত্যাগের নথি।
    • ভারতের কোনও স্কুল বা কলেজ বা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কোনও প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট।
    • আবেদনকারীর মিউনিসিপ্যালিটি ট্রেড লাইসেন্স।
    • বিয়ের শংসাপত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Talibans: প্রমাণ ছাড়া সরকারের সমালোচনা নয়, নতুন ফতোয়া তালিবান সরকারের

    Talibans: প্রমাণ ছাড়া সরকারের সমালোচনা নয়, নতুন ফতোয়া তালিবান সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বার বার সমালোচিত হয়েছে তালিবান (Taliban) সরকার। বার বার তালিবানদের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারিতার অভিযোগে সরব হয়েছে আফগানিস্তানবাসীসহ সারা বিশ্ব। আফগানিস্তানবাসীর ওপর ফতোয়া (Diktat) জারি করে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তালিবানরা। এবার এক নয়া ফতোয়ায় দানা বাঁধল বিতর্ক। ‘

    আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফের চালু ভারতের, কী প্রতিক্রিয়া তালিবানের? 

    নতুন ফতোয়া জারি করে তালিবান সরকার জানিয়েছে, বৈধ প্রমাণ ছাড়া আফগানিস্তানের কোনও সরকারি আধিকারিক অথবা কোনও গবেষকের সমালোচনা করলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেবে তালিবান সরকার। তালিবানের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ বেশ কিছু নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। তালিবান মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “শরিয়া আইন আমাদের এই দায়িত্ব দিয়েছে। সেই কারণে আফগানিস্তানের জনসাধারণকে তালিবান সরকারে পক্ষ থেকে সত্যতা যাচাই না করে কোনও সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে নিষেধ করা হয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: আফগান ছাত্রদের ভারতে পড়ার ছাড়পত্র দিতে আর্জি জানানোর পথে তালিবান 

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সামাজিক মাধ্যমে সরকারি আধিকারিকদের সমালোচনা করার অপরাধে বহু আফগান নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের ওপর শারীরিক অত্যাচারেরও অভিযোগ রয়েছে। তালিবানদের এই নির্দেশিকা সামনে আসায় ফের বিতর্ক শুরু হয়। 

    তালিবানদের সর্বোচ্চ নেতা আখুন্দজাদার এই নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, অপ্রয়োজনে প্রমাণ ছাড়া তালিবান সরকারের সমালোচনা করা কোনও ব্যক্তি যদি সেনাবাহিনীর জওয়ানদের গায়ে হাত দেয় অথবা তাদের জামাকাপড় ধরে টান দেয় বা তাদের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য করে, তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

    প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট নামের একটি সংগঠন আফগানিস্তানে তালিবান সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তারা একাধিকবার তালিবান সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হত্যা এবং অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের অভিযোগ এনেছে।   

    কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতার অধ্যাপক বাইতুল্লা হামিদি ফেসবুকে লেখেন, “দেশের পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। আতঙ্ক বাড়ছে দেশজুড়ে। এই পৃথিবীতে কেউই সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়।” 

    ২০২১ সালের ১৫ অগস্ট আসরফ ঘানি সরকারকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে আফগানিস্তান দখল করেছিল তালিবান। তালিবান দেশের ক্ষমতায় আসার পর সব থেকে বেশি আতঙ্কে ছিলেন সেদেশের মহিলারা। কারণ আগের তালিবান শাসন কালে মহিলাদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তালিবান শাসকদের বিরুদ্ধে। মহিলাদের স্বাধীনতাই সব থেকে বেশি খর্ব হয়। 

  • India In Afganistan: আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফের চালু ভারতের, কী প্রতিক্রিয়া তালিবানের?

    India In Afganistan: আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফের চালু ভারতের, কী প্রতিক্রিয়া তালিবানের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপন্ন প্রতিবেশীর পাশে ফের ভারত। ভূমিকম্প (Earth Quake) বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের (Afganistan) রাজধানী কাবুলে (Kabul) দূতাবাসে ত্রাণ সামগ্রী সহ টেকনিক্যাল টিম পাঠিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনায় কাবুলে ফের শুরু হল ভারতের (India) কূটনৈতিক উপস্থিতি।

    নির্বাচিত সরকারকে হঠিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালিবান। তারপরেই সে দেশের দূতাবাস থেকে ভারতীয় কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করে নেয় সাউথ ব্লক। এই ঘটনার দশ মাসেরও বেশি সময় পরে কাবুলে ফের দল পাঠাল নয়াদিল্লি। তবে এবার গিয়েছে টেকনিক্যাল টিম। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভারতীয়  একটি টেকনিক্যাল টিম কাবুলে পৌঁছেছে। সেখানে ভারতীয় দূতাবাসে তাদের মোতায়েন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান, মৃত্যু হাজার পার

    পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং ইরানের জন্য বিদেশ মন্ত্রকের পয়েন্ট পার্সন জেপি সিংয়ের নেতৃত্বে একটি ভারতীয় দল কাবুল সফর করে। সেখানে তারা ভারপ্রাপ্ত বিদেশমন্ত্রী মাওলাউই আমির খান মুত্তাকি এবং অন্য তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে। এই ঘটনার সপ্তাহ তিনেক পরে দূতাবাস ফের চালু করা হয়। যদি কাবুলে ভারতীয় ওই দূতাবাসে এতদিন কাজ করছিলেন স্থানীয় কর্মীরাই।   

    বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, মানবিক সাহায্য কার্যকর করতে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের প্রচেষ্টা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করতে একটি ভারতীয় টেকনিক্যাল টিম কাবুলে পৌঁছেছে। সম্প্রতি আরও একটি ভারতীয় দল আফগানিস্তানে ভারতের মানবিক সহায়তার কাজের তদারকি করতে কাবুলে গিয়েছিল এবং তালিবানের বর্ষীয়ান সদস্যদের সঙ্গে তারা দেখাও করেছে।

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, আফগান সমাজের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আফগানিস্তানের জনগণের জন্য মানবিক সাহায্য ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারিত্ব বজায় থাকবে।

    আরও পড়ুন : সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান গড়তে, মানুষের পাশে সর্বদা থাকবে ভারত, বার্তা ডোভালের

    বুধবার ভোরে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভূমিকম্পের জেরে আফগানিস্তানে মৃত্যু হয় হাজারেরও বেশি মানুষের। জখম হয়েছেন হাজার দুয়েক মানুষ। তার পরেই টেকনিক্যাল টিম পাঠায় ভারত।

    ভারতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। তালিবান মুখপাত্র আবদুল ওয়াহার বালকি বলেন, ভারতের টেকনিক্যাল টিম পাঠানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানবাসী সম্পর্ক বহু পুরানো। মানবিক  সাহায্যের জন্যই দল পাঠিয়েছে ভারত।

     

LinkedIn
Share