Tag: Aftab Amin Poonawalla

Aftab Amin Poonawalla

  • Interfaith Marriages: ভিন ধর্মের বিয়ে চিহ্নিত করতে কমিটি গঠন মহারাষ্ট্র সরকারের

    Interfaith Marriages: ভিন ধর্মের বিয়ে চিহ্নিত করতে কমিটি গঠন মহারাষ্ট্র সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছু দিন আগেই শ্রদ্ধা ওয়াকার (Shraddha Walkar) হত্যাকাণ্ডের জেরে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল দেশ। তারপর গ্রেফতার হয়েছে শ্রদ্ধার প্রেমিক তথা লিভ ইন পার্টনার আফতাব পুনাওয়ালা। শ্রদ্ধা ধর্মে হিন্দু হলেও, যাঁর সঙ্গে তিনি এক ছাদের তলায় থাকতেন, সেই আফতাব মুসলমান। ওই ঘটনার পরে ভিন ধর্মে বিয়ের (Interfaith Marriages) ঘটনা নথিভুক্ত করে রাখতে চলেছে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) একনাথ শিন্ডের  সরকার।

    ভিন ধর্মে বিয়ে…

    ভিন ধর্মের বিয়ে ট্র্যাক করতে বৃহস্পতিবার উদ্যোগী হয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। এদিন ১৩ সদস্যের একটি কো-অর্ডিনেশেন কমিটি গড়েছে শিন্ডের সরকার। এই কমিটির মাথায় রয়েছেন একজন মন্ত্রী। গোটা মহারাষ্ট্রে কতজন ভিন ধর্মে বিয়ে করেছেন, তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করবে। তথ্য সংগ্রহ করা হবে তাঁদের  পরিবারেরও। মহারাষ্ট্র সরকার গঠিত ওই কমিটির নাম দেওয়া হয়েছে ইন্টারফেইত ম্যারেজ ফ্যামিলি কো-অর্ডিনেশন কমিটি। কমিটির মাথায় রয়েছেন মহারাষ্ট্রের নারী ও শিশু বিকাশ মন্ত্রী মঙ্গল প্রভাত লোধা।

    লোধা ছাড়াও বাকি যে সদস্যরা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন নারী ও শিশু বিকাশ দফতরের ডেপুটি কমিশনার। তিনি এই প্যানেলের মেম্বার সেক্রেটারি। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, একটি হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হবে। যাঁরা ভিন ধর্মে বিয়ে (Interfaith Marriages) করেছেন, সেই সব দম্পতি যাতে সহজে এই কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, তাই দেওয়া হচ্ছে এই হেল্পলাইন নম্বর। সরকারি ওই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, যাঁরা পালিয়ে গিয়ে ভিন ধর্মে বিয়ে করছেন কিংবা কোনও ধর্মস্থানে গিয়ে বিয়ে করছেন অথবা রেজিস্ট্রি ম্যারেজ করছেন বা সামাজিক বিয়ে করছেন তাঁদের প্রত্যেকের নথি সংগ্রহ করা হবে। যেসব মহিলা ভিন ধর্মে বিয়ে করেছেন, তাঁদের প্রয়োজনে কাউন্সেলিংও করানো হবে।

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    এদিকে, গত শুক্রবার শ্রদ্ধা ওয়াকারের বাবা বিকাশ ওয়াকার মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে দেখা করেন। মেয়ের হত্যাকারী আফতাব পুন্নাওয়ালার মৃত্যদণ্ডও দাবি করেন তিনি। প্রসঙ্গত, দিল্লিতে প্রেমিকা তথা লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধাকে খুনের পর তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক আফতাবের (Aftab Amin Poonawalla) বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিকভাবে নিজের অপরাধের কথা সে স্বীকারও করে নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Sraddha Murder Case: শ্রদ্ধার হাড় গ্রাইন্ডারে গুঁড়ো করে আফতাব! জানেন চার্জশিটে আর কী কী তথ্য উঠে এল?

    Sraddha Murder Case: শ্রদ্ধার হাড় গ্রাইন্ডারে গুঁড়ো করে আফতাব! জানেন চার্জশিটে আর কী কী তথ্য উঠে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্টোন গ্রাইন্ডার ব্যবহার করে বান্ধবীর হাড় গুঁড়ো করেছিল আফতাব।  দিল্লিতে শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে খুনের সেই নৃশংস বিবরণ উঠে এসেছে পুলিশের চার্জশিটে। শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আফতাব পুণেওয়ালার বিরুদ্ধে ৬ হাজার ৬০ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে দিল্লি পুলিশ। আর সেই চার্জশিটের ছত্রে ছত্রে উঠে এসেছে হাড়হিম করা নানান তথ্য।

    হারপিক দিয়ে রক্ত সাফ

    চার্জশিট থেকে জানা গিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুনের পর চিকেন রোল খেয়েছিল আফতাব। প্রেমিকার রক্ত সাফ করেছিল হারপিক দিয়ে। একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে মহারাষ্ট্রের পালঘরের তরুণী শ্রদ্ধার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল আফতাবের। সেই আলাপ পরে প্রেমে গড়ায়। বাড়ির অমতেই আফতাবকে জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নেন শ্রদ্ধা। যার জন্য আপনজনদের ছেড়েছেন, সেই আফতাবের হাতেই খুন হতে হয় শ্রদ্ধাকে। ২০২২ সালের ১৮ মে শ্রদ্ধাকে খুন করে তাঁর প্রেমিক। তবে এই হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশ্যে আসে গত বছরের নভেম্বর মাসে। তিন মাস ধরে প্রেমিকার শরীরের ৩৫ টুকরো করে দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় ফেলে এসেছিল আফতাব। খুনের তিনমাস পরে সবশেষে ফেলেছিল শ্রদ্ধার মাথা। 

    আরও পড়ুন: শেষ হল পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ডিসেম্বরের শুরুতেই আফতাবের নারকো টেস্ট?

    চিকেন রোল অর্ডার

    ১৮ মে শ্রদ্ধাকে খুন করার পরে জোমাটো থেকে চিকেন রোল অর্ডার করেছিল আফতাব। তার আগে অবশ্য শ্রদ্ধার দেহ নিয়ে গিয়ে রেখেছিল বাথরুমে। ঘটনার দিন সন্ধে পৌনে ৮টার সময় ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ করে সামনের হার্ডওয়ার শপ থেকে একটি করাত, তিনটি ধারাল ছুরি এবং একটা হাতুড়ি কেনে সে। তারপর ঘরে ফিরে সেই সব ধারাল অস্ত্র দিয়েই একে একে শ্রদ্ধার দেহের ৩৫ টুকরো করে পলিথিনে ভরে রাখে। খুনের পরের দিন ১৯ মে একটা দামী রেফ্রিজিরেটর কিনে সেখানে ভরে রাখে সেই সমস্ত পলিথিন। তারপর পরের চার-পাঁচ দিনে দিল্লির ছাত্তারপুর পাহারি এলাকার জঙ্গলে এক এক করে সেই দেহাংশ ছড়িয়ে আসতে থাকে আফতাব।

    আরও পড়ুন: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

    আফতাবের ফাঁসির দাবি

    শ্রদ্ধাকে খুনের পর একটি ডেটিং সাইটে অন্য এক মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল আফতাব। ওই মহিলা আফতাবের ফ্ল্যাটে এসে বেশ কয়েক বার রাতও কাটান। যখনই ওই মহিলা ফ্ল্যাটে যেতেন, সেই সময় ফ্রিজ পরিষ্কার করে রাখত আফতাব। সেই সঙ্গে শ্রদ্ধার দেহাংশ রান্নাঘরে লুকিয়ে রাখত। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য শ্রদ্ধার হাড়গোড় গ্রাইন্ডারে গুঁড়ো গুঁড়োও করেছিল আফতাব। তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পলিগ্রাফ পরীক্ষা এবং নার্কো পরীক্ষার সময় এই বয়ান দিয়েছে আফতাব। সেই বয়ানই চার্জশিটে তুলে ধরা হয়েছে। আফতাবের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন শ্রদ্ধার বাবা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share