Tag: Aftab Poonawala

Aftab Poonawala

  • Aftab Poonawala: আট ঘণ্টা ধরে চলল পলিগ্রাফ টেস্ট, কী কী জিজ্ঞেস করা হল আফতাবকে?

    Aftab Poonawala: আট ঘণ্টা ধরে চলল পলিগ্রাফ টেস্ট, কী কী জিজ্ঞেস করা হল আফতাবকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালার (Aftab Poonawala) নার্কো ও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি চেয়েছিল দিল্লি পুলিশ। আদালতের নির্দেশে ইতিমধ্যেই আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু হয়েছে। গতকাল দিল্লির রোহিণীর ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল)-এ প্রায় আট ঘণ্টা ধরে তার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়। এই টেস্ট চলাকালীন তাকে প্রায় ৪০টি প্রশ্ন করা হয়। শুক্রবার তাকে আবারও ডাকা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    বুধবারই তার (Aftab Poonawala) পলিগ্রাফ টেস্ট করার কথা ছিল, কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী, আফতাব জ্বরে ভুগছে। আর সেই কারণে বুধবার তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা যায়নি। বৃহস্পতিবারের পলিগ্রাফ পরীক্ষার সময় সে সহযোগিতা করলেও অতিরিক্ত হাঁচির কারণে কিছু রেকর্ডিং পরিস্কার হয়নি। তাই আজও তাকে আবার পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে। এফএসএল সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই আফতাবের পলিগ্রাফ পরীক্ষার রিপোর্ট জানা যাবে। প্রসঙ্গত, পলিগ্রাফ টেস্টের অপর নাম ‘লাই ডিটেক্টর’ টেস্ট অর্থাৎ অভিযুক্ত মিথ্যা বলছেন কি না, তা যাচাইয়ের পরীক্ষা।

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    পলিগ্রাফ টেস্টে কী কী জিজ্ঞেস করা হল?

    বৃহস্পতিবার এই পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু হয় সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে এবং তার রক্তচাপ মাপা সহ বেশ কিছু প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়। জানা গিয়েছে যে, আফতাবকে (Aftab Poonawala) প্রশ্নগুলো হিন্দিতে করা হলেও সে ইংলিশে উত্তর দেয়।

    ১) পলিগ্রাফ টেস্টের সময়, আফতাবকে তার শৈশব, তার বন্ধুবান্ধব ও লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকরের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।

    ২) শ্রদ্ধার সঙ্গে আফতাবের সম্পর্ক ঠিক কেমন ছিল, দিল্লি বা মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে কীভাবে তাঁদের দিন কাটত, এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়।

    ৩) এরপর শ্রদ্ধাকে খুন করার ব্যাপারে বিশদে জিজ্ঞেস করা হয়। জিজ্ঞেস করা হয়, কী কারণে সে শ্রদ্ধাকে খুন করল, কখন সে এই অপরাধ ঘটালো, খুনের পর কীভাবে সে প্রমাণ লোপাট করল ইত্যাদি।

    ৪) শ্রদ্ধার সঙ্গে ডেটিং শুরু হওয়ার পর কী কী হয়েছিল এবং কেন সে শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করার পর ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাও জিজ্ঞসা করা হয়।

    ৫) আফতাবের কাছে পলিগ্রাফ পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়েছে, তিনি শ্রদ্ধার মোবাইল ফোনটি কোথায় ফেলেছে। সূত্রের খবর, তার উত্তর অনুযায়ী ফোনটির খোঁজ শুরু হয়েছে।

    ৬) শ্রদ্ধার দেহকে একাধিক অংশে কেটে ফেলার জন্য যে ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করেছিল আফতাব সে সম্পর্কেও তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।

    শ্রদ্ধা ও আফতাবের বন্ধুদের বয়ান রেকর্ড

    ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশ শ্রদ্ধা ও আফতাবের (Aftab Poonawala) বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ও তাঁদের বয়ান ১৬৪ ধারার অন্তর্গত রেকর্ড করেছে। উভয়ের বন্ধুরাই বলেছে যে শ্রদ্ধাকে আফতাব মারধর করত এবং তাঁকে প্রাণে মারার হুমকিও দিয়েছিল। পুলিশ শ্রদ্ধা ও আফতাবের বন্ধু, যিনি বেঙ্গালুরুতে থাকেন, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে। আবার শ্রদ্ধার এক বন্ধু রজত শুক্লা জানিয়েছেন, আফতাব সিগারেট দিয়েও শ্রদ্ধার গায়ে ছেঁকা দিত। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে এইসব তথ্যই পাওয়া গিয়েছে তাদের বন্ধুদের থেকে।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ আফতাবের (Aftab Poonawala) ফ্ল্যাট থেকে পাঁচটি ছুরি উদ্ধার করে, যা ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ মনে করছে এই ছুরিগুলি দিয়েই আফতাব শ্রদ্ধার দেহ টুকরো টুকরো করে। আবার পুলিশ শ্রদ্ধার চোয়ালে কিছু চুলের দাগ দেখতে পেয়েছে, যেটাকে ডিএনএ টেস্টে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, সম্ভবত আগামী সপ্তাহে আফতাবের নার্কো টেস্টও করা হবে।

  • Delhi-Mehrauli Murder: শ্রদ্ধা খুনের তদন্তে সিবিআই? আফতাবের নার্কো পরীক্ষায় ‘হ্যাঁ’ আদালতের

    Delhi-Mehrauli Murder: শ্রদ্ধা খুনের তদন্তে সিবিআই? আফতাবের নার্কো পরীক্ষায় ‘হ্যাঁ’ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়াকার খুনের মামলায় এবার তদন্তে নামতে পারে সিবিআই। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, দিল্লি হত্যাকাণ্ডের (Delhi Murder Case) কিনারা করতে রীতিমতো ঘাম ঝড়ছে দিল্লি পুলিশের। এখনও বেশ কিছু তথ্য হাতে আসেনি। এই তথ্যগুলিই এই খুনের তদন্তে মিসিং লিঙ্ক বলে দাবি করেছে পুলিশ। আর সেই তথ্য খুঁজতেই ময়দানে নামতে পারে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে হিন্দু লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করল মুসলিম যুবক

    এদিকে খুনের মামলার অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালার ‘নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট’- এর অনুমতি দিয়েছে সাকেত আদালত। বুধবার দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই ধৃতের নার্কো পরীক্ষা করানো হবে। সাধারণত খুব বড় ধরনের অপরাধে নার্কো পরীক্ষার অনুমতি দেয় আদালত। মুম্বই বিস্ফোরণের খলনায়ক আজমল কাসবের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ‘নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট’- এ ধৃতের জবানবন্দি আদালত গ্রাহ্য না হলেও এ ক্ষেত্রে তদন্তের সুবিধা হয়। অনেক না জানা তথ্যের খোঁজ পাওয়া যেতে পারে এই পরীক্ষায় বলে আশাবাদী দিল্লি পুলিশ।

    কী ঘটেছিল?

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Delhi-Mehrauli Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর। কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Delhi-Mehrauli Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Delhi-Mehrauli Murder)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Shraddha Walkar Murder: শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে বিয়ার-সিগারেট খান আফতাব, দেখেন নেটফ্লিক্স

    Shraddha Walkar Murder: শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে বিয়ার-সিগারেট খান আফতাব, দেখেন নেটফ্লিক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Shraddha Walker Murder) মামলায় ক্রমাগত নতুন নতুন তথ্য উদ্ধার করছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। এবার সামনে এল হাড় হিম করা এক তথ্য। আফতাবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, খুনের পর  ১০ ঘণ্টা ধরে শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে আফতাব। সেইসবের মাঝে ক্লান্ত হয়ে গেলে কিছুক্ষণ বিশ্রামও নেয় সে। বিয়ার খায়, সিগারেট খায়। দেহের টুকরোগুলি কয়েক ঘণ্টা ঘরে জলে ধোয়। এছাড়া দেহ টুকরো টুকরো করা হয়ে গেলে, অনলাইনে খাবার আনিয়েও খায় আফতাব। তারপর নেটফ্লিক্সে সিনেমাও দেখে সে। 

    জেরায় আফতাব আরও জানায়, যাতে শ্রদ্ধাকে চেনা না যায়, তাই দেহ টুকরো করার পর তাঁর মুখ পুড়িয়ে দেয় সে। এমনকী কীভাবে দেহ লোপাট করবে তা জানতে ইন্টারনেটের সাহায্যও নেয় সে। খুনের পর কেমিক্যাল এবং ব্লিচিং পাউডার দিয়ে মেঝের রক্তের দাগ মোছে আফতাব। মূলত প্রমাণ লোপাটের জন্যই এইসব করেছিল বলে জেরায় জানায় আফতাব।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে হিন্দু লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করল মুসলিম যুবক

    খুনের পরেও ওই ফ্ল্যাটেই থাকতো আফতাব। অনলাইনে আনাতো খাবার। পাশাপাশি শ্রদ্ধার স্যোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও চালু রেখে দিয়েছিল সে। শ্রদ্ধার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকাও ট্রান্সফার করে। অন্যদিকে আবার অন্য মহিলাদের সঙ্গেও সম্পর্ক রাখছিল আফতাব। তাদের কখনও কখনও সে ফ্ল্যাটে আনত বলেও জানা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে আফতাবের অপরাধের জাল আরও কতটা ছড়িয়ে, তাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

    কী ঘটেছিল?

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Delhi-Mehrauli Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর। কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Delhi-Mehrauli Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Delhi-Mehrauli Murder)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

         

  • Shraddha Walker Murder: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    Shraddha Walker Murder: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Shraddha Walker Murder) মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই একের পর এক তথ্য উঠে আসছে দিল্লি পুলিশের হাতে। এবার মেহুরুলির জঙ্গল থেকে শ্রদ্ধার আরও কিছু কাটা দেহাংশ উদ্ধার করল পুলিশ। পাওয়া গেল খুলির অংশও। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহাংশগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছে। 

    কে চালাবে সংসারের খরচ এই নিয়েই বচসা শুরু হয়েছিল ১৮ মে। তারপরই সেই ভয়ঙ্কর পরিণতি আড়াই বছর ধরে লিভ-ইনে থাকা সঙ্গীর হাতে খুন হয় শ্রদ্ধা। পুলিশের জেরায় এমনই জানিয়েছে আফতাব। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের সবরকম প্রয়াস চালায় সে। শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে। তারপর রাতের অন্ধকারে তা ফেলে আসে জঙ্গলে। এখনও সব টুকরো খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাকি দেহাংশের খোঁজে তল্লাসি চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। 

    আফতাবের (Aftab Amin Poonawala) দিল্লির ছত্তরপুরের ফ্ল্যাটে একাধিক রক্তের দাগ মিলেছে। রান্নাঘর-সহ ফ্ল্যাটের একাধিক জায়গায় মিলেছে রক্তের দাগ। আফতাবের ওই ফ্ল্যাটের জলের বিল বকেয়া রয়েছে। ওই মাসে ৩০০টাকা জলের বিল আসায়, পুলিশের অনুমান রক্তের দাগ ধোয়ার জন্য প্রচুর জল খরচ করেছে আফতাব। শ্রদ্ধাকে বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার পর সেখনাকার শাওয়ার ছেড়ে দেয় আফতাব। তারপর দেহ টুকরো করতে থাকে। শাওয়ারের তলায় পুরো কাজটি করে সে। যাতে রক্ত শাওয়ারের জলে ভেসে বাইরে চলে যেতে পারে খুব সহজে, তাই এই পদ্ধতি। 

    প্রেম থেকে খুনের আখ্যান

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Shraddha Walker Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    আরও পড়ুন: সোমনাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে গুজরাটে প্রচার শুরু মোদির

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর।

    কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Shraddha Walker Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Shraddha Walker Murder)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

LinkedIn
Share