Tag: Aftab Poonawalla

Aftab Poonawalla

  • Shraddha Walkar: শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিট দিল্লি পুলিশের, রয়েছে শতাধিক সাক্ষীর বয়ান

    Shraddha Walkar: শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিট দিল্লি পুলিশের, রয়েছে শতাধিক সাক্ষীর বয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে (Shraddha Walkar) খুন করায় অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালা বর্তমানে জেল হেফাজতে। সূত্রের খবর, আজ তার বিরুদ্ধে ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিট প্রস্তুত করেছে দিল্লি পুলিশ। এই চার্জশিটে শ্রদ্ধা খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত একাধিক প্রমাণ, তথ্য ও শতাধিক সাক্ষীদের বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। আফতাব পুনাওয়ালার গ্রেফতারের প্রায় আড়াই মাস পরে দিল্লি পুলিশ চার্জশিট জমা করতে চলেছে আদালতে।

    ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিটে কী রয়েছে?

    পুলিশ সূত্রে খবর, শ্রদ্ধার (Shraddha Walkar) খুনের ঘটনা নিয়ে তাঁর আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব থেকে শুরু করে প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদেরই বয়ান এই চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রায় ১০০ জনের বেশি সাক্ষীর বয়ান রয়েছে এই চার্জশিটে। শুধু তাই নয়, এই হত্যা নিয়ে আফতাব কী কী তথ্য দিয়েছে, তার শ্রদ্ধাকে খুন করার স্বীকারোক্তিরও উল্লেখ রয়েছে। আফতাবকে গ্রেফতার করার পরে আফতাবের নারকো টেস্ট, পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছে, সেই টেস্ট থেকে কী কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে, সেগুলোও রয়েছে চার্জশিটে। এতে রয়েছে ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট। সূত্রের খবর, সেই খসড়া চার্জশিট এখন নিরীক্ষা করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। তার পর তা জমা পড়বে আদালতে।

    আরও পড়ুন: আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট! শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে রহস্যময় অডিও ক্লিপ

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৮ মে আফতাবের বিরুদ্ধে শ্রদ্ধাকে (Shraddha Walkar) খুন করার অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, শ্রদ্ধাকে খুন করে ৩৫ টুকরোয় কেটে দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে আফতাবের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, দিল্লির আদালতে আফতাব নিজেও স্বীকার করেছিল যে, রাগের মাথায় সে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিল।

    এর পর পুলিশ দিল্লির মেহরৌলির জঙ্গল থেকে কিছু দেহাংশ, হাড়, চুল উদ্ধার করে। সেগুলি শ্রদ্ধার (Shraddha Walkar) কিনা তা নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্ট করায় পুলিশ। শ্রদ্ধার বাবার সঙ্গে ডিএনএ মিলে যেতেই পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, উদ্ধার হওয়া দেহাংশ শ্রদ্ধারই। চার্জশিটে সেই ডিএনএ রিপোর্টের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে বলে দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর।

    পুলিশের দাবি, প্রাথমিক ভাবে নিজের অপরাধের কথা সে স্বীকারও করে নিলেও, তা প্রমাণ করতে মরিয়া পুলিশ। তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই নতুন নতুন তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। শ্রদ্ধা খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে, বলে আগেই জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবারে এই চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়ার পর আর কী কী তথ্য প্রকাশ্যে আসে, তারই অপেক্ষায় দেশবাসী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shraddha Murder Case: আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট! শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে রহস্যময় অডিও ক্লিপ

    Shraddha Murder Case: আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট! শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে রহস্যময় অডিও ক্লিপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর হত্যাকাণ্ডে (Shraddha Murder Case) এল নয়া মোড়। এবারে পুলিশের হাতে এল অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালার অডিও রেকর্ড। এই রেকর্ডিংকে ‘বড় প্রমাণ’ বলেই মনে করছে পুলিশ। তবে কি অডিও রেকর্ডিং থেকেই জানা যাবে শ্রদ্ধা খুনের আসল রহস্য? কী জানাল পুলিশ?

    পুলিশের হাতে এল আফতাবের অডিও রেকর্ডিং

    আফতাবের যে নতুন অডিওটি পাওয়া গিয়েছে, তাতে শোনা গিয়েছে, শ্রদ্ধার সঙ্গে কোনও বিষয় নিয়ে তাঁর কথা কাটাকাটি চলছে। আর সেটি পৌঁছে গিয়েছে চরম পর্যায়ে। তদন্তকারীদের দাবি, এই অডিও ক্লিপ পরীক্ষা করার পর বোঝা যাবে যে, ঠিক কী নিয়ে এই দুই লিভ ইন পার্টনারের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। আদালতের নির্দেশের পর, সোমবার ফরেন্সিক দল আফতাবের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করে। তার পর তা নতুন পাওয়া অডিও রেকর্ডটির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এর পরেই বেরিয়ে আসবে আসল তথ্য, এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সময়ের আগেই পৌঁছল গন্তব্যে, ট্রায়াল রানেই সুপারহিট বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    কেন শ্রদ্ধাকে (Shraddha Murder Case) খুন করা হয়েছিল? কী কারণে এত অত্যাচারের পরেও শ্রদ্ধা সম্পর্কে থেকে গিয়েছিলেন? ঠিক কী কী সমস্যা ছিল দু’জনের মধ্যে? তদন্তকারীদের দাবি, এসবের জবাব পাওয়া যেতে পারে নতুন এই অডিও ক্লিপ থেকে।

    আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট

    পলিগ্রাফ, নারকো টেস্টের পর এদিন কেন্দ্রীয় ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে আফতাবের ভয়েস স্যাম্পেলও নেওয়া হল। এদিন দিল্লি কোর্ট জানিয়েছে, তদন্তকারী অফিসার যে ভয়েস স্যাম্পেলের দাবি করেছেন, তার অনুমতি দেওয়া হল। এরপরই আফতাব পুনাওয়ালার ভয়েস স্যাম্পেলের অনুমতি দেয় কোর্ট। আদালতের নির্দেশে সিবিআইয়ের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এই ভয়েস স্যাম্পেল নিয়েছেন। নতুন অডিও ক্লিপের সঙ্গেও তা মিলিয়ে দেখা হবে। আবার এই ভয়েস স্যাম্পলিং নিয়ে আফতাবের আইনজীবী বিরোধিতা করলেও কোর্ট থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, একমাত্র নারকো, পলিগ্রাফের মত পরীক্ষার জন্য অভিযুক্তের সম্মতি নেওয়ার প্রয়োজন পরে। ভয়েস স্যাম্পলিং-এর ক্ষেত্রে অনুমতি লাগে না। সেই কারণেই তদন্তকারী অফিসারের অনুরোধে আজ সম্মতি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবারই আফতাবের জেল হেফাজতের মেয়াদ আরও ১৪ দিন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর থেকে তাঁকে হেফাজতেই রাখা হয়েছে (Shraddha Murder Case)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shraddha Murder Case: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

    Shraddha Murder Case: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে (Shraddha Murder Case) নৃশংসভাবে খুন করে, দেহ ৩৫ টুকরো করেছিল আফতাব আমিন পুলাওয়ালা। ফলে তিহার জেলে দিন কাটছে আফতাবের। তবে কোনওরকমের অনুশোচনা নেই তার। খোশমেজাজেই দিন কাটছে তার। জেলে দিন কাটছে দাবা খেলে ও বই পড়ে। জেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলে শান্তই রয়েছে আফতাব। বেশিরভাগ সময়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখে সে। তার দাবি অনুযায়ী, তাকে একটি বইও দেওয়া হয়েছে। ফলে এইসবেই মজে ‘কিলার’ আফতাব।

    কী বই পড়ছে আফতাব?

    তিহার জেল সূত্রে খবর, আফতাব (Shraddha Murder Case) ইংরেজি বই পড়তে চেয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষের তরফে সেই দাবি মেনে ইংরেজি বই ‘দ্য গ্রেট রেলওয়ে বাজার: বাই ট্রেন থ্রু এশিয়া’ নামক একটি বই দেওয়া হয়েছে আফতাবকে। এটি একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বই। এই বই সম্পর্কে জেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, আফতাবকে যে বইটি দেওয়া হয়েছে তা বিদেশি লেখক পল থেরক্সের লেখা। এই বইয়ে কোনও অপরাধের উল্লেখ নেই এবং বইয়ের বিষয়বস্তুও এমন কিছু নয়, যা পড়ে আফতাব তার সঙ্গে থাকা বন্দিদের ক্ষতি করতে পারে।

    দাবা খেলায় মজে আফতাব

    পুলিশ জানিয়েছে, জেলে বেশির ভাগ সময় আফতাব দাবা খেলে। পুনাওয়ালা দাবা খেলার পরিকল্পনা করে সময় কাটায় ও একা থাকতেই পছন্দ করে। তাকে মাঝে মাঝে দুই জেলবন্দীর সঙ্গে ঝগড়া করতেও দেখা গিয়েছে। উল্লেখ্য, আফতাবের সেলে আরও দুই বন্দি রয়েছে, যারা চুরির অপরাধে অভিযুক্ত। দুইজনকেই জেল কর্তৃপক্ষের তরফে আফতাবের উপরে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে (Shraddha Murder Case)।  

    পুলিশ কী জানিয়েছে?

    অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, আফতাবকে দাবা খেলায় বেশ পারদর্শী মনে হয়েছে। সে নিজেই নিজের প্রতিপক্ষ হিসাবেও দাবা খেলে। তাঁকে হারানো খুবই কঠিন। ফলে তার দাবা খেলার চাল দেখে মনে হচ্ছে, সে কতটা ধূর্ত ও তীক্ষ্ণ মস্তিষ্কের। জেলসূত্রে জানা গিয়েছে, তার দাবা খেলার এক-একটি চাল দেখে মনে হচ্ছে শ্রদ্ধা ওয়ালকরের হত্যাও তার দাবা কৌশলের মতো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল। আবার এই হত্যাকাণ্ডের এক তদন্তকারী জানিয়েছে, পুলিশ তাকে যা করতে বলেছিল তা পুরোপুরি অনুসরণ করেছে। সে তার অপরাধও স্বীকার করেছে, পুলিশকে সহযোগিতা করেছে এবং পলিগ্রাফ ও নারকো টেস্টেও রাজি হয়েছে। কিন্তু এখন তার ‘ভালো’ আচরণেও সন্দেহ হচ্ছে পুলিশের।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে আফতাবের নারকো ও পলিগ্রাফ টেস্ট দুই-ই করা হয়েছ। দুটিতেই সে শ্রদ্ধাকে খুন করার কথা স্বীকার করেছে। এরপর অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার ব্রেন ম্যাপিংও (Brain Mapping) করতে পারে দিল্লি পুলিশ। ব্রেন ম্যাপিং- এর ফলে ব্রেনের পরিস্কার ছবি পাবেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পরবর্তীতে তদন্তে সাহায্য করবে।

  • Aftab Poonawalla: নারকো টেস্ট চলাকালীন অবচেতন মনে কী কী বলল আফতাব?

    Aftab Poonawalla: নারকো টেস্ট চলাকালীন অবচেতন মনে কী কী বলল আফতাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পলিগ্রাফ টেস্টের পর বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) নারকো পরীক্ষাও করা হল অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালার (Aftab Poonawalla)। আর এই পরীক্ষা চলাকালীনই বেরিয়ে এল একের পর এক সত্য। এদিন সে আবার বলে, “হ্যাঁ, আমিই খুন করেছি শ্রদ্ধাকে।” সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল তাকে রোহিণীর বাবা সাহেব আম্বেদকর হাসপাতালে সকালে নিয়ে যাওয়া হয় ও প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে চলে তার নারকো টেস্ট। জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে আফতাবের কাছ থেকে একাধিক গুরুত্বপুর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

    আফতাবের নারকো টেস্ট

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল আফতাবকে (Aftab Poonawalla) তিহার জেল থেকে কড়া নিরাপত্তায় বাবা সাহেব আম্বেদকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল প্রায় ৮টা ৪০ মিনিটে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ও তাকে কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করার পর তার নারকো টেস্ট শুরু হয় সকাল ১০টা নাগাদ। এরপর দু’ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর দুপুর ১টার দিকে ফের তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এফএসএল থেকে জানানো হয়েছে, যদি পুলিশ এবং ফরেনসিক দল তার উত্তর সন্তোষজনক না মনে হয়, তবে আফতাবকে আরেকটি নারকো পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: শেষ হল পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ডিসেম্বরের শুরুতেই আফতাবের নারকো টেস্ট?

    নারকো টেস্টে কী কী বলল আফতাব?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, নারকো পরীক্ষায় অবচেতন মনে শ্রদ্ধাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে আফতাব (Aftab Poonawalla)। পলিগ্রাফ টেস্টের মত এই টেস্টেও সে শ্রদ্ধাকে খুনের কথা স্বীকার করেছে। পরীক্ষার সময় আফতাব দাবি করেছে, রাগ ও ক্ষোভের বশেই সে শ্রদ্ধাকে হত্যা করেছিল। পাশাপাশি সে জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৭টি অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, হত্যার পর সেই সব অস্ত্র সে কোথায় ফেলেছে, তাও জেরায় জানিয়েছে আফতাব। শ্রদ্ধার মোবাইল ও জামাকাপড় কোথায় ফেলেছে, তাও এদিন জানিয়েছে আফতাব।

    আরও জানা গিয়েছে, গতকাল আফতাবের স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো ছিল ফলে পুনাওয়ালার নারকো পরীক্ষা সম্পূর্ণ সফল হয়েছে। পুলিশ কমিশনার সাগর প্রীত হুডা জানিয়েছেন, নারকো টেস্টের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে ও  পরীক্ষার পরেও তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। তবে আরও জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র পলিগ্রাফ টেস্ট বা নারকো টেস্টই যথেষ্ট নয়, দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, যদি তার পলিগ্রাফ এবং নারকো বিশ্লেষণের ফলাফল অনিশ্চিত হয়, তবে তারা অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার ব্রেইন ম্যাপিং করাতে পারে। ফলে পুনাওয়ালার ব্রেন ম্যাপিং করার জন্য আদালতের অনুমতি চাইতে যেতে পারে তারা। পরে আর কোনও নারকো টেস্ট হয় কিনা আফতাবের (Aftab Poonawalla) বা টেস্ট হলেও নতুন কোন তথ্য সামনে বেরিয়ে আসে, সেটাই এখন দেখার।

  • Aftab Poonawalla: শেষ হল পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ডিসেম্বরের শুরুতেই আফতাবের নারকো টেস্ট?

    Aftab Poonawalla: শেষ হল পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ডিসেম্বরের শুরুতেই আফতাবের নারকো টেস্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেমিকা তথা লিভ-ইন পার্টনাার শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে নৃশংসভাবে খুন করে তাঁর ৩৫ টুকরো করেছিল আফতাব। এরপর দেহের টুকরোগুলো দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ফেলে দিয়ে আসে সে। আর এই হত্যাকাণ্ডের সত্যিটা উদ্ধার করেতই পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয় অভিযুক্ত আফতাবের। অবশেষে ছ’দিন পর সেই পলিগ্রাফ টেস্ট করা অবশেষে শেষ হল। আর এবারে নারকো টেস্টের পালা।

    অবশেষে শেষ হল পলিগ্রাফ টেস্ট

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল সকাল ১০টায় রোহিণী ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে কড়া নিরাপত্তার সঙ্গে নিয়ে যাওয়া আফতাবকে। এরপর টানা ৫ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর দুপুর ৩ টের দিকে পলিগ্রাফ টেস্ট শেষ হয় তার। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছিল, শ্রদ্ধাকে খুন করার পর বিন্দুমাত্র আক্ষেপ নেই তার। সে আরও দাবি করেছিল যে, শ্রদ্ধাকে খুন করে সে জন্নতের হুর পাবে।

    এক সিনিয়র এফএসএল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আফতাবের পলিগ্রাফ পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে এবং তাঁরা দু-এক দিনের মধ্যে টেস্টের যাবতীয় তথ্য বিস্তারিত ভাবে দিল্লি পুলিশকে দেবে। তিনি জানান, বিস্তারিত প্রতিবেদনে সমস্ত প্রশ্ন ও উত্তর থাকবে। আফতাবের প্রতিটি উত্তরের জন্য, এফএসএল বিজ্ঞানীরা তাদের মতামত দেবেন, ও সেটির উপর ভিত্তি করেই জানা যাবে যে আফতাব সত্যি বলেছে নাকি মিথ্যা।

    আরও পড়ুন: ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে…’, পলিগ্রাফ টেস্টে কী বলল আফতাব?

    নারকো টেস্ট আফতাবের

    মঙ্গলবারই দিল্লির আদালতের তরফে দিল্লি পুলিশকে নারকো টেস্টের অনুমতি দেওয়া হয়। আগামী ১ ও ৫ ডিসেম্বর দিল্লির রোহিনীর ফরেন্সিক আদালতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পলিগ্রাফ টেস্টই যথেষ্ট নয়, আফতাব আমিনের মুখ থেকে সত্যিটা বের করতে দিল্লি পুলিশের তরফে আদালতে নারকো পরীক্ষার অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। অবশেষে সেই পরীক্ষা করানোর জন্য অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। এক্ষেত্রে আফতাবেরও অনুমতি নেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, সত্যি জানার জন্য এই পরীক্ষায় একধরনের ড্রাগ ব্যবহার করা হয়, যাকে ট্রুথ সেরাম বলা হয়। সোডিয়াম পেন্টোথাল, স্কোপোলামাইন ও সোডিয়াম অ্যামাইটাল দিয়ে তৈরি এই সেরাম কোনও ব্যক্তির উপরে প্রয়োগ করলে তিনি অ্যানেসথেসিয়ার বিভিন্ন ধাপে প্রবেশ করেন। হাইপোনেটিক অবস্থায় জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ পাওয়ায়, সেই সময় সত্যি কথা বলার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। ফলে আফতাবের মুখ থেকে পুরো সত্যিটা জানতে এই পদ্ধতিকেই বেছে নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share