Tag: agitation

agitation

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ওটা ক্রাইম স্থল, নাকি গরু চরার মাঠ’’, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তুলোধনা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘ওটা ক্রাইম স্থল, নাকি গরু চরার মাঠ’’, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তুলোধনা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলছে। চিকিৎসকদের লাগাতার আন্দোলনে ইতিমধ্যেই যোগ দেওয়ার কথা বলেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। একইসঙ্গে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেছেন তাঁরা। এই আবহে সোমবার সন্ধ্যায় নির্যাতিতার বাড়িতে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেন তিনি।

    আন্দোলন জোরদার করার ডাক (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘রবিবার ধর্না মঞ্চ থেকে জানিয়েছিলাম, আরজি করের নিহত চিকিৎসকের বাড়িতে গিয়ে দেখা করব তাঁর বাবা, মা’র সঙ্গে। সেই মতো নির্যাতিতার বাড়িতে এসে তাঁদের সমবেদনা জানালাম। ওর বাবা, মা অত্যন্ত মর্মাহত। তাই বেশি সময় আমি ছিলাম না। ওঁরা সবাইকে অনুরোধ করেছেন আন্দোলন চালিয়ে যেতে যাতে ন্যায়বিচার হয়। কী কারণে মেয়ের এই পরিণতি হল? সেই প্রশ্নের জবাব খুঁজছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। কোনও ধর্ষিতা এই রাজ্যে ন্যায় পাচ্ছে না। সব থেকে বড় উদাহরণ কামদুনি। তখন আইজি সিআইডি ছিলেন বিনীত গোয়েল। এখন উনিই কলকাতার পুলিশ কমিশনার। তাই, পরিবারের সন্দেহ, আন্দোলন থেমে গেলে ন্যায়বিচার হবে না। সে জন্য আমিও আবেদন জানাচ্ছি সকলের কাছে। রাজনৈতিক রং দূরে সরিয়ে সকলে সামিল হন আন্দোলনে। যেভাবে আন্দোলন চলছে, তার থেকেও তীব্র প্রতিবাদ হওয়া উচিত।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    নবান্ন অভিযান নিয়ে হুঁশিয়ারি

    নবান্ন অভিযানে পুলিশের অনুমতি না-থাকা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রী ভয়ে আছেন। কোনও অভিযানের জন্য অনুমতির প্রয়োজন হয় না। নবান্ন অভিযান অরাজনৈতিক। এর প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন আছে। আগেও বলেছি সেখানে যাব না। তবে, এমন পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয় যেখানে আমাদের পথে নামতে বাধ্য করা হয়। নবান্ন অভিযানে পুলিশ দমন-পীড়ন করলে, বিজেপি পাল্টা নবান্ন অভিযানের ডাক দেবে।’’

    ক্রাইম স্থল নাকি গরু চরার মাঠ!

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) সেমিনার হলের ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘ওটা ক্রাইম স্থল নাকি গরু চরার মাঠ! সেটাই তো বোঝা দায়! দেখে মনে হচ্ছে, নাটকের পুরো স্ক্রিপ্ট রচিত হয়েছে আগেই। ওই ভিডিওতে সবকিছু প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দেখে মনে হয়েছে, কী করতে হবে। কী বলতে হবে। সেই চিত্রনাট্য যেন আগে থেকেই তৈরি। অপরাধীরা শাস্তি পাচ্ছে না বলে মানুষ প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। কারণ, প্রমাণ গায়েব করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রমাণ ছিল মৃতদেহ। স্থানীয় বিধায়ক শ্মশান ও লোকাল প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অন্য মৃতদেহ টপকে নির্যাতিতার দেহ দাহ করেছে। এরকম ঘটনা অন্য কোনও রাজ্যে ঘটেছে কিনা আমার জানা নেই। এখন তো আমার মনেও সন্দেহ, যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে আদৌ অপরাধী কি?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সিবিআইয়ে আস্থা, পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিতে চান নির্যাতিতার বাবা-মা

    RG Kar Incident: সিবিআইয়ে আস্থা, পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিতে চান নির্যাতিতার বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা কাজে যোগ না দিয়ে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এই আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন নিহত চিকিৎসকের বাবা-মা। সঙ্গে আরজি করে (RG Kar Incident) দালাল চক্র নিয়ে সরব হলেন। সিবিআইয়ের ওপর তাঁদের যে চরম আস্থা রয়েছে, সে কথাও তাঁরা প্রকাশ্যে জানান।

    আন্দোলনে যোগদান (RG Kar Incident)

    মেয়ের নৃশংস হত্যার পর কেটে গিয়েছে ১৪ দিন। সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার পরও গ্রেফতার সেই একেতেই রয়ে গিয়েছে। সিবিআইয়ের কাছে নির্যাতিতার (RG Kar Incident) বাবা মায়ের আবেদন তারা আরও একটু তৎপর হোক তদন্তের ক্ষেত্রে। সেই সঙ্গে এদিন বাবা মা বলেন, ‘‘আন্দোলনরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশে আমরা আছি। প্রয়োজনে আন্দোলনে (Agitation) যোগও দেব। আমরা মেয়ের খুনের বিচার চাই। নিরপেক্ষভাবে যে আমাদের ডাকবে তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেব।’’

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    পুলিশ নয়, সিবিআইয়ে আস্থা, জানালেন নির্যাতিতার বাবা-মা

    এদিন ফের একবার রাজ্যের সরকার এবং পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। তাঁরা বলেন, ‘‘প্রশাসনের প্রথম থেকে যে গা ছাড়া মনোভাব ছিল সেটা সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে ধরেছে। সারা দেশ এবং পৃথিবীও সেটা জেনে গিয়েছে। যে অকুস্থল থেকে মেয়ের দেহ পাওয়া গিয়েছিল সেই ঘটনাস্থল থেকে তথ্য প্রমাণ কিছুটা নষ্ট করা হয়েছিল। তা না হলে সিবিআইয়ের এতদিন সময় লাগত না। আর সে কারণেই হয়ত পলিগ্রাফ টেস্টের মতো সিবিআই এখন অন্যভাবে তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করছে। আসলে প্রথম থেকেই বিষয়টিকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কাউকে আড়াল করা হচ্ছে প্রথম থেকেই বুঝতে পারছিলাম। খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আড়াল করা হচ্ছে। এমন কেউ জড়িত যে, তাকে আড়াল করার প্রয়োজন পড়ছে সরকারের। ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও হাসপাতাল (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষ মিলে যে চক্রান্ত করেছিল তা এখন প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। আমাদের বলা হয়েছিল যে, কলকাতা পুলিশ পৃথিবী বিখ্যাত। কীরকম বিখ্যাত সেটা আজও আমরা বুঝতে পারিনি। রাজ্য সরকার দ্বিচারিতা করছে। আর পুলিশের ওপর আস্থা উঠে গিয়েছিল বলেই আমরা ভালো এজেন্সি দিয়ে তদন্ত চেয়েছিলাম। আমরা চাই সিবিআই ভালো এজেন্সি হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক। আমরাও ধৈর্য্য হারাচ্ছি। ১৪ দিন হয়ে গেল এক সঞ্জয় রায় ছাড়া কোনও রেজাল্ট আমরা এখনও পাইনি। আমরা বলতে চাই সবাই আর একটু তৎপর হয়ে কাজ করুক।’’

    আরজি করে দালাল চক্র!

    নির্যাতিতার বাবা-মায়ের দাবি, ‘‘মেয়ের কাছেও শুনেছিলাম, বিভিন্ন জায়গা থেকে রোগী এসে ভর্তি হতে পারত না। দালালচক্র চলত। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রেও দালালচক্র আছে। আমরা অনেক আগেই জেনেছি। অনেক বিষয় আছে, যা আলোচনা করা যাবে না। প্রশাসন এগুলো ভাল করে দেখুক। কোটি কোটি টাকার খেলা চলে। হাসপাতাল (RG Kar Incident) যারা পরিচালনা করে তারা জড়িত, প্রশাসন জড়িত। জুনিয়র ডাক্তারদের এ নিয়ে হতাশা আছে। কারণ প্রচুর পরিশ্রম করে তাঁদের সেই জায়গায় পৌঁছতে হয়। মেয়েকে নিয়ে কিছু অপপ্রচারও হচ্ছে। আমরা বলার পরে অনেকেই সমাজমাধ্যম থেকে পোস্ট সরিয়ে নিচ্ছে। প্রশাসনকে বলেছি, আমাদের মেয়েকে নিয়ে যেন ব্যবসা না হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: আরজি করের ‘আবর্জনা’ মালদা হাসপাতালে ফেলা যাবে না, হুঁশিয়ারি জুনিয়র চিকিৎসকদের

    Malda: আরজি করের ‘আবর্জনা’ মালদা হাসপাতালে ফেলা যাবে না, হুঁশিয়ারি জুনিয়র চিকিৎসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এবার মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়ারা নতুন করে আন্দোলনে নামতে চলেছেন। আরজি কর থেকে ট্রান্সফার হওয়া চিকিৎসককে মালদা হাসপাতালে ঢুকতে না দেওয়ার দাবিতে সকলে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    মালদা মেডিক্যাল আবর্জনার স্তূপ নয় (Malda)

    জুনিয়র চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের পরই তড়িঘড়ি বদল করা হয় আরজি করে (RG Kar Incident) সদ্য দায়িত্ব নেওয়া নয়া প্রিন্সিপ্যাল সহ চার শীর্ষ আধিকারিককে। বদলি করা হয় চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান অরুনাভ দত্ত চৌধুরীকে। তাঁকে বদলি করা হয়েছে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজে। সেই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর থেকেই মালদা মেডিক্যালে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আন্দোলনরত চিকিৎসক পড়ুয়ারা সাফ জানাচ্ছেন, অরুনাভ দত্ত চৌধুরীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসার কারণেই ওনাকে মালদা মেডিক্যালে ট্রান্সফার করা হয়েছে। বিষয়টি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আন্দোলনরত এক চিকিৎসক পড়ুয়া রবি মীনা বলেন, ‘‘আমরা ওনাকে এখানে আসতে দেব না। প্রয়োজনে তালা মেরে দেওয়া হবে। কারণ, মালদা মেডিক্যাল কোনও আবর্জনার স্তূপ নয়। আরজি কর থেকে আবর্জনা তুলে এখানে ফেলে দেওয়া হবে, সেটা আমরা মেনে নেব না।’’ এক মহিলা পড়ুয়া চিকিৎসক সুহানি সাহিল বলেন, ‘‘আরজি করের পরিত্যক্ত অধ্যাপকদের এখানে ফেলে দেওয়া হোক এটা আমরা মানতে পারব না। মালদা মেডিক্যালের পরিবেশ খারাপ হোক আমরা তা চাই না। উনি এখানে এলে আমরা একত্রিত হয়ে লড়াই করব।’’ জুনিয়র চিকিৎসক রাজশেখর মুখোপাধ্যায়, সোহানি সাইতি বলেন, ‘‘ওনার যদি কোনও গাফিলতি না থাকত, তবে ওনাকে ট্রান্সফার করা হত না। বিষয়টিকে ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মালদায় এলে আমরা একত্রিত হয়ে লড়াই করব।’’

    হাসপাতালের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    মালদা (Malda) মেডিক্যালে অরুনাভবাবুকে রুখতে একসঙ্গে লড়াইয়ের বার্তাও দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এই বিষয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থ প্রতিম মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওয়েবসাইটে আমরা দেখেছি। তবে এখনও অর্ডার কপি হাতে পাইনি।’’ এর আগে, সন্দীপ ঘোষকে নিয়েও এক পন্থা অবলম্বন করেছিলেন মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। রাতারাতি ‘পুরস্কার বদলি’ করে ন্যাশনাল মেডিক্যালে পাঠানো হয় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ  সন্দীপ ঘোষকে। এর পরই, ন্যাশনাল মেডিক্যালে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়। চিকিৎসক-পড়ুয়ারা জানিয়ে দিয়েছিলেন, সন্দীপকে তাঁরা সেখানে ঢুকতে দেবেন না। এমনকী, অধ্যক্ষের ঘরে তালাও লাগিয়ে দিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি ছিল, ন্যাশনাল মেডিক্যালের পরিবেশ দূষিত হোক, তাঁরা চান না। এবার মালদা মেডিক্যালেও দেখা গেল একই চিত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘এক মেয়ে হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পেয়েছি’’, আন্দোলনের প্রশংসা নির্যাতিতার বাবার

    RG Kar: ‘‘এক মেয়ে হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পেয়েছি’’, আন্দোলনের প্রশংসা নির্যাতিতার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি এক মেয়ে হারিয়েছেন। কিন্তু, পাশে পেয়ে গিয়েছেন কোটি কোটি মেয়েকে। আন্দোলনকারীদের এভাবেই সমর্থন জানালেন নিহত ডাক্তার তরুণীর বাবা। 

    স্বাধীনতার মধ্যরাতে ‘রাত দখলে মেয়েরা’ নেমে এসেছিলেন রাস্তায়। আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে কলকাতা শহরের দিকে দিকে তো বটেই, জেলা এমনকী অন্য রাজ্যতেও রাতের রাস্তায় ঢল নামে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের। বাংলার অন্যান্য প্রান্তের মতো আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষিতা, নিহত চিকিৎসকের বাড়ির এলাকাতেও মধ্যরাতে নাগরিক জমায়েতে কার্যত জনজোয়ার তৈরি হয়েছিল। যার জেরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল বিটি রোড। সোদপুরে লোকসংস্কৃতি মঞ্চের সামনের জনপ্লাবন থেকে ওঠে রাজনৈতিক স্লোগানও। যদিও তাতে জমায়েতে কোনও ভাটা পড়েনি।

     মধ্যরাতে সোদপুর ট্রাফিক মোড় জনপ্লাবন (RG Kar)

    নিহত চিকিৎসকের (RG Kar) বাড়ি সোদপুরে। বুধবার রাত ৯টায় সোদপুরের নাটাগড় কদমতলা এলাকার দুর্গা মণ্ডপের চাতালে জমায়েত হয়েছিলেন একেবারে পাড়ার লোকেরা। সেই জমায়েতই ছিল কয়েকশো মানুষের। রাত বাড়তেই সেই জমায়েত এইচবি টাউন মোড়, সোদপুর উড়ালপুল হয়ে এগিয়ে যেতে থাকে বিটি রোডের দিকে। অমরাবতী, ঘোলা, মহিষপোতা, কর্ণমাধবপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শয়ে শয়ে মানুষের মিছিল এগোতে থাকে বিটি রোডের দিকে। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় সোদপুর-মধ্যগ্রাম রোডেও। রাত ১১টা নাগাদ বিটি রোডের সোদপুর ট্রাফিক মোড় মিনি-ব্রিগেড হয়ে ওঠে। নাটাগড়ের বাসিন্দা স্বাতী সরকার ভৌমিক বলেন, ‘‘এটা একটা রাজনৈতিক হত্যা। রাজনৈতিক অপদার্থতার কারণেই আমাদের পাড়ার মেয়েকে অকালে চলে যেতে হয়েছে, তাই মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধিক্কার জানিয়ে স্লোগান দিয়েছি।’’ ঘোলার বাসিন্দা অম্লান দত্তের কথায়, ‘‘এত মানুষ রাস্তায় নামবেন ভাবতেও পারিনি। এমন হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রণ করেছেন যাঁদের হয়তো এটাই জীবনের প্রথম মিছিল।’’  

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    ‘‘কোটি কোটি মেয়েকে পাশে পেয়েছি’’

    রাজ্যজুড়ে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন (Agitation) নিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেন,  ‘‘ সবাইকে একটাই কথা বলতে চাই, একটা মেয়েকে (RG Kar) হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পাশে পেয়েছি। এই কোটি কোটি মেয়ে, আজ বলে নয়, আমার তো মনে হচ্ছে, ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমার পাশে থাকবেন। এঁরা সবাই আমার মেয়ের মতো। যে পুরুষরা রাস্তায় নেমেছিলেন, তাঁরা আমার ছেলের মতো। এঁদের ধন্যবাদ দিলে খুব অন্যায় করব আমি। কারণ আমার মেয়েকে তো কখনও ধন্যবাদ দিইনি! এঁদের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন আছে আমার। আমার মেয়েকে আগলে রাখতে পারিনি, আশা করি এঁদের আগলে রাখতে পারব, যদি এভাবেই এঁরা আমার পাশে থাকেন।’’

    দুষ্কৃতী তাণ্ডব

    প্রসঙ্গত, মধ্যরাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় আর জি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। পুলিশের সামনেই ব্যারিকেড ভেঙে ভাঙচুর চালানো হয় হাসপাতালে। তাই প্রশ্ন উঠছে, প্রতিবাদ থেকে নজর ঘোরাতেই কি ময়দানে নামানো হল দুষ্কৃতীদের? শুরুতেই কেন ভাঙচুর আটকাল না পুলিশ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: “রাতের দখল নাও মেয়েরা”, আজকের অভিনব কর্মসূচিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল

    RG Kar: “রাতের দখল নাও মেয়েরা”, আজকের অভিনব কর্মসূচিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর জি কাণ্ড (RG Kar) নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। দেশজুড়ে এই আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। এবার পথে নামছেন মহিলারাও। কোনও রাজনৈতিক ব্যানার নেই। কোনও ঝান্ডা নেই। কর্তব্যরত অবস্থায় একজন মহিলা চিকিৎসকের শরীরের ওপর নারকীয় অত্যাচার করে খুনের ঘটনা কেউ মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। তাই, রাজ্যজুড়ে অধিকাংশ হাসপাতালেই লাগাতার কর্মবিরতি চলছে। বুধবার সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালও কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছে। এরই মধ্যে বুধবার মহিলারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হবেন। আর আন্দোলনের এই কর্মসূচি শুধু কলকাতার রাজপথের গন্ডির মধ্যে আটকে নেই। বরং, রাজ্যজুড়েই এদিন রাতে মহিলারা পথে নামবেন। এই প্রতিবাদ আন্দোলন যে অন্য মাত্রা পেতে চলেছে তা বলা বহুল্য।

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    ‘মেয়েরা রাতের দখল নাও’ (RG Kar)

    মেয়েদের আন্দোলনের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে, ‘রিক্লেম দ্য নাইট’। বাংলায় ‘মেয়েরা রাতের দখল নাও’। ১৯৭৫ সালে আমেরিকার ফিলাডেলফিয়া শহরে জনৈক মাইক্রো বায়োলজিস্টকে খুনের ঘটনায় ওই আন্দোলন শুরু হয়েছিল। তার পরে নানা ঘটনায় দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে এই আন্দোলনে পথে নেমেছেন মেয়েরা। দিল্লির ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতায় কয়েক বার এই নামে আন্দোলনও হয়েছিল। ২০১২ সালের শেষ রাতেও অ্যাকাডেমির সামনে মেয়েরা এই নামে আন্দোলনের ডাক দিয়ে পথে নেমেছিলেন। এখন আরজি করের (RG Kar) ঘটনার প্রেক্ষিতেও সেই আহ্বান জানানো হয়েছে।

    কোথায় কোথায় মিছিল?

    আরজি করের (RG Kar) ইস্তফা দেওয়া অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ করার নির্দেশের পর থেকেই মধ্যরাতে রাস্তা দখলের আন্দোলনের আহ্বানটি সমাজমাধ্যমে সংক্রমিত হতে শুরু করে। এই আন্দোলনের যাঁরা আহ্বায়ক, তাঁরা রাজনৈতিক দলের কেউ নন। প্রথম যে পোস্টারটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তাতে স্বাধীনতা দিবসের আগে অর্থাৎ ১৪ অগাস্ট (বুধবার) রাত ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে মেয়েদের রাস্তায় নামার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু, সোমবার রাত থেকেই সেটি অন্য মাত্রা পেতে শুরু করে। মঙ্গলবার তা গোটা বাংলার মানচিত্র জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে দক্ষিণবঙ্গের বৃহত্তর কলকাতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলা শহর এবং মফস্সলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের মতো করে মহিলারা ওই আন্দোলনে (Agitation) সংহতি জানাচ্ছেন। জমায়েত করতে উদ্যোগী হচ্ছেন। আন্দোলনের প্রাথমিক আহ্বানে ওই জমায়েতের স্থান হিসেবে তিনটি জায়গার কথা বলা হয়েছিল- কলেজ স্ট্রিট, অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস এবং যাদবপুর এইটবি বাস স্ট্যান্ড। কিন্তু, দেখা যায় সোমবার রাত থেকে উত্তরপাড়া সখের বাজার, সোদপুর বিটি রোড মোড়, চন্দননগর স্ট্র্যান্ড, কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড়ে মধ্যরাতে মেয়েদের দখল নেওয়ার ওই পোস্টার ছড়িয়ে পড়তে থাকে। মঙ্গলবার তাতে যুক্ত হয় বর্ধমান শহরের কার্জন গেট, দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার, রায়গঞ্জ, শিলিগুড়ি, মালদা শহর, বহরমপুর, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া শহর, ব্যান্ডেল, শ্রীরামপুরের মতো জেলায় জেলায় মফস্সল শহরের মহিলারাও।

    সিঁদুরের মেঘ দেখছে তৃণমূল!

    ‘রাত দখলের’ কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে। এমনিতেই আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। তারপর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন। সর্বোপরি মেয়েদের এভাবে পথে নেমে আন্দোলনের ঘটনায় আরও ব্যাকফুটে শাসক দল। তাই, আন্দোলনের লাগাম নিজেদের দখলে রাখতে লোকদেখানো করে মায়া কান্না করে তাঁরা আন্দোলনে সামিল হচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। আর তাই, অনেক জায়গাতেই তৃণমূল নেতাদের বাড়ির লোকেরাই সেই কর্মসূচিকে সফল করতে প্রচারে নেমেছেন। রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ও আন্দোলনে সামিল হওয়ার কথা জানিয়েছেন। কলকাতা পুরসভার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সোমা চৌধুরী ফেসবুকে অন্তত ১৪টি জায়গার জমায়েতের পোস্টার পোস্ট করে লিখেছেন, ‘নারীদের সম্মান, প্রাণ বাঁচাতে দলবদ্ধ হোন।’ কলকাতা পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলরের স্ত্রী মঙ্গলবার মানিকতলা থেকে আরজি কর পর্যন্ত নাগরিক মিছিলে পা মিলিয়েছিলেন। হুগলির এক তৃণমূল বিধায়কের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী তাঁর এলাকায় স্কুটি নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মধ্যরাতে রাস্তায় নামার আন্দোলনের প্রচার করছেন। তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “আগামীকাল আমি প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে যোগ দিতে যাচ্ছি। কারণ, লক্ষ লক্ষ বাঙালি পরিবারের মতো আমার একটি কন্যা এবং ছোট নাতনি রয়েছে। নারীর প্রতি নিষ্ঠুরতা যথেষ্ট। আসুন এক সঙ্গে প্রতিরোধ করি।”

    তৃণমূলের আন্দোলন দখলের ছক!

    যদিও বিজেপি এটিকে তৃণমূলের কৌশল হিসাবে দেখাতে চেয়েছে। কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে রাজ্যের পর্যবেক্ষক তথা আইটি সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্য বলেন, “সুখেন্দুশেখরকে আন্দোলনে পাঠিয়ে আসলে তৃণমূল তার দখল নেওয়ার ছক করেছে।” তৃণমূলের একটা বড় অংশ রাত দখলের আন্দোলনের (Agitation) আহ্বানকে সমালোচনায় বিদ্ধ করেছেন।

     

    Aparna Sen, now Sukhendu. Mamata Banerjee’s old strategy. Co-opt protesters and compromise protest.

    Those seeking justice for the RG Kar MCH rape and murder victim shouldn’t let any Trinamool leader even come close. They are snakes. pic.twitter.com/BWWQIfFjjP

    — Amit Malviya (@amitmalviya) August 13, 2024

    text-align: justify;”> 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি কর-কাণ্ডে মঙ্গলবারও কর্মবিরতি চলল রাজ্যের ২১টি হাসপাতালে, দুর্ভোগ চরমে

    RG Kar Protest: আরজি কর-কাণ্ডে মঙ্গলবারও কর্মবিরতি চলল রাজ্যের ২১টি হাসপাতালে, দুর্ভোগ চরমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Protest) প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে তোলপাড়় চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে (Agitation) সামিল হয়েছেন। জানা গিয়েছে, কর্মবিরতি পালনের ডাক দেয় ২১টি হাসপাতাল। এর মধ্যে কলকাতার সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল তো রয়েছে, পাশাপাশি জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ এবং সরকারি হাসপাতালগুলিতেও কর্মবিরতি পালন করেন চিকিৎসকেরা। অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে আউটডোর চিকিৎসা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে, কিছু কিছু হাসপাতালে রোগীদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে কর্মবিরতিতে রাশ টানা হয়। এক ঘণ্টার প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করার পরে আবার স্বাভাবিক হয় পরিষেবা।

    জেলায় জেলায় কর্মবিরতি (RG Kar Protest)

    উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাটে স্বাস্থ্য জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মঙ্গলবার সকাল থেকে নার্স এবং চিকিৎসকদের কর্মবিরতি (RG Kar Protest) শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা  বলেছেন, “আমাদের এক সহকর্মীকে খুনের প্রতিবাদে আমরা ১ ঘণ্টার জন্য কর্মবিরতির ডাক দিতে বাধ্য হয়েছি।” এদিন বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালেও চিকিৎসকেরা এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করে হাসপাতাল চত্বরে প্রতিবাদ জানান। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা বন্ধ রেখে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন ডাক্তাররা। হাওড়ার মহেশ ভট্টাচার্য হোমিওপ্যাথি কলেজে আন্দোলন অব্যাহত। হুগলি চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ওপিডি-তে কাজ করছেন না জুনিয়র চিকিৎসকরা। সিনিয়ররা পরিষেবা চালু রেখেছেন। মঙ্গলবার বেলা এগারোটা থেকে বারোটা পর্যন্ত ‘পেন ডাউন’ করেন হাসপাতালের সব চিকিৎসক। তাতে যোগ দেন নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। মঙ্গলবারও কালো ব্যাজ পরে হাতে পোস্টার নিয়ে স্লোগান দেন। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি চলছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সকাল থেকে আউটডোর বিভাগে চিকিৎসার জন্য রোগীদের টিকিট দেওয়া শুরু হলেও পরে কয়েক জন জুনিয়র চিকিৎসক এসে কাউন্টার বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক পড়ুয়াদের আন্দোলন চতুর্থ দিনেও অব্যাহত।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনে ডাক্তাররা

    নিরাপত্তার দাবিতে অনির্দিষ্ট কালের জন্য অবস্থান-বিক্ষোভ (RG Kar Protest) শুরু করেন পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডাক্তারি পড়ুয়ারা। মেডিক্যাল কলেজের মূল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা। বন্ধ থাকে আউটডোর পরিষেবা, বন্ধ ডাক্তারি পঠনপাঠন।  অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও চলছে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন। আউট ডোরের সামনে বিক্ষোভ-অবস্থান করেন জুনিয়র ডাক্তার-সহ ছাত্র-ছাত্রীরা। চিকিৎসক না আসায় বালুরঘাট হাসপাতালে মৃত্যু হয় এক বালকের। সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ তাকে গুরুতর জখম অবস্থায় ভর্তি করানো হলেও সকাল ৭টা পর্যন্ত কোনও চিকিৎসক দেখতে আসেননি। তবে এর সঙ্গে চিকিৎসকদের কর্মবিরতির সম্পর্ক নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।

    বারাসতে নেই কর্মবিরতি

    রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে যখন টালমাটাল পরিস্থিতি, এমার্জেন্সি-নন এমার্জেন্সিতে কর্মবিরতি চলছে, সেইসময় বারাসত মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রতিবাদ তারা জানাচ্ছে। তবে কর্মবিরতির পথে হাঁটছে না। বারাসত মেডিক্যাল কলেজের সুপার সুব্রত মণ্ডল বলেন, আমরা রোগী ফেরাচ্ছি না। আসলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসেন রোগীরা। তাঁরা চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাবেন, এটা সম্ভব নয়। আর বিভিন্ন হাসপাতালে এখন যেহেতু কর্মবিরতির কারণে পরিষেবা সমস্যায় পড়ছে, তাই চেষ্টা করছি রোগীকে অন্যত্র ট্রান্সফার না করে যথাসাধ্য এখানেই চিকিৎসা দিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Potato Price: “আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের ওপর দমন পীড়ন নীতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার”, তোপ শুভেন্দুর

    Potato Price: “আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের ওপর দমন পীড়ন নীতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিন রাজ্যে আলু নিয়ে যাওয়ার ওপর রয়েছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা। প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে আলু ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট ডেকেছিলেন। আর তারপরই চড়চড়িয়ে আলুর দাম বাড়তে শুরু করে। কোথাও ৪০ টাকা, কোথাও আবার ৫০ টাকার বেশি দরে আলু বিক্রি হয়েছে। কিন্তু, ধর্মঘট উঠলেও আলুর দাম (Potato Price) এখনও আম-জনতার নাগালের মধ্যে আসেনি। এই আবহের মধ্যেই কোচবিহারের মাথাভাঙায় ভালো দাম পাচ্ছেন না বলে চাষিরা রাস্তায় আলু ফেলে বিক্ষোভ দেখান। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু আধিকারী (Suvendu Adhikari) এই ঘটনার জন্য তৃণমূল সরকারে তুলোধনা করেছেন।

    চাষিরা কী দাবি জানালেন? (Potato Price)

    বুধবার মাথাভাঙা-২ ব্লকের কোচবিহার ফালাকাটা জাতীয় সড়কের সতীশের হাট এলাকায় পথ অবরোধে সামিল হন ক্ষুদ্র আলু চাষিরা। চাষিরা বলেন, “বেশ কিছুদিন ধরে আলু পাইকাররা আলু কেনা বন্ধ রাখায় আমরা সমস্যায় পড়েছি। একইসঙ্গে বাজারে আলু বিক্রির জন্য নিয়ে গেলেও দাম (Potato Price) পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে, আলু বিক্রি করে আমন ধান সহ সবজি চাষের জন্য রাসায়নিক সার কিনতে পারছি না। কিনতে পারছি না অন্যান্য চাষের সামগ্রীও।” এদিন কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। পরে ঘোকসাডাঙা থানার পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। জাতীয় সড়কে অবরোধের জেরে দু’দিকে পন্যবাহী ও যাত্রীবাহী গাড়ির লাইন পড়ে যায়। অবরোধ উঠে যেতেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে সমস্যার সমাধান না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন আলু চাষিরা।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    রাজ্যকে তোপ শুভেন্দুর

    আলু নিয়ে চাষিদের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্য জুড়ে আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের ওপর রাজ্য সরকার দমন পীড়ন নীতি অবলম্বন করছে। বিশেষ করে রাজ্যের সঙ্গে ওড়িশা ও অসমের সীমান্তবর্তী এলাকায়। কোচবিহারে ক্ষুব্ধ আলু ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ কর্মসূচি তারই প্রতিফলন। এক দিকে সারের কালোবাজারির জন্য আলু চাষিরা (Potato Price) জেরবার হচ্ছে, সেই ব্যাপারে রাজ্য সরকারের কোনও সদর্থক ভূমিকা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, অথচ বিভিন্ন সময়ে হঠকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের ওপর খবরদারি ফলাতে গিয়ে তাঁদেরকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের সমস্ত ন্যায্য অধিকার ও দাবি দাওয়ার পক্ষে আমরা। অবিলম্বে রাজ্য সরকারি আধিকারিকগণ চাষিদের সঙ্গে সমন্বয় স্থাপন করে দ্বন্দ্ব মেটানোর উদ্যোগ গ্রহণ করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: লোকসভায় লিড পেয়েছে বিজেপি, আদিবাসী গ্রামে জল বন্ধ করল তৃণমূল! আন্দোলনে গেরুয়া শিবির

    Birbhum: লোকসভায় লিড পেয়েছে বিজেপি, আদিবাসী গ্রামে জল বন্ধ করল তৃণমূল! আন্দোলনে গেরুয়া শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ভোটে দিয়েছিলেন গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা। ভোটের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায়, বীরভূমের (Birbhum) নারায়ণপুরের খড়িডাঙা নামে আদিবাসী গ্রামে তৃণমূলকে হারিয়ে লিড পেয়েছে বিজেপি। এটাই ছিল ওই গ্রামের বাসিন্দাদের অপরাধ। কারণ, তারপর থেকেই এই আদিবাসী গ্রামে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে তৃণমূল পঞ্চায়েত। এমনই অভিযোগে সরব বিজেপি। পানীয় জল সরবরাহ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার থেকে রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বসে বিজেপি। এদিনের অবস্থান বিক্ষোভে বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ স্থানীয় নেতা, কর্মী-সমর্থকেরা হাজির ছিলেন। তিন ধরে এই ধর্না চলবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবি (Birbhum)

    এমনিতেই বেশ কিছুদিন ধরেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে রামপুরহাট (Birbhum) জুড়ে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন দেওয়ার বিষয়ে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি প্রশাসন। অসহায় ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। উচ্ছেদ হওয়া ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে। এদিনের অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে বিজেপি নেতারা বলেন, অবিলম্বে উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। নাহলে আমাদের আন্দোলন আরও জোরদার হবে।

    আরও পড়ুন: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    বিজেপি জেলা সভাপতি কী বললেন?

    বিজেপি (BJP) জেলা (Birbhum) সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, লোকসভা ভোটে বিজেপি লিড পেয়েছে বলে খড়িডাঙার আদিবাসী গ্রামের মানুষ পানীয় জল পাচ্ছেন না। তৃণমূল নোংরা রাজনীতি করছে। আমরা এর আগে বিডিও অফিসে দ্বারস্থ হয়ে সমস্যার কথা বলেছিলাম। কিন্তু, তাতেই প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। তাই, বাধ্য হয়ে মহকুমা শাসকের দরবারে আমরা সেই একই আর্জি জানিয়েছি। পাশাপাশি জেলায় যে সব জায়গায় বিজেপির (BJP) ফল ভালো হয়েছে, সেখানেই তৃণমূল আমাদের কর্মীদের বঞ্চিত করছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের এই আন্দোলন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: সহকর্মীকে বেধড়ক মার পুলিশের! বিচার চেয়ে থানার সামনে অবস্থানে সিভিক ভলান্টিয়াররা

    Cooch Behar: সহকর্মীকে বেধড়ক মার পুলিশের! বিচার চেয়ে থানার সামনে অবস্থানে সিভিক ভলান্টিয়াররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের (Cooch Behar) পুন্ডিবাড়ি থানার পুলিশ আধিকারিকদের ‘দাদাগিরি’। কর্মরত এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধর করার অভিযোগ উঠল সেই থানারই কর্তব্যরত এক পুলিশ আধিকারিক চন্দ্রনাথ বটব্যাল সহ দুজনের বিরুদ্ধে। ওই পুলিশ আধিকারিক থানার মেজবাবুর দায়িত্বে রয়েছেন। ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে থানার সামনে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। হামলার প্রতিবাদে অন্যান্য সিভিকররা আক্রান্ত সহকর্মীর সঙ্গে প্রতিবাদ আন্দোলনে সামিল হন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Cooch Behar)

    জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে একটি ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে যাওয়ার কথা ছিল পুন্ডিবাড়ি থানার (Cooch Behar) পুলিশের। সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) সন্তোষ দাস বলেন, একজনকে গ্রেফতার করার জন্য সোমবার রাতে থানা থেকে বের হচ্ছিলাম। থানার লকআপ থেকে আসামীকে আমাদের সঙ্গে অভিযানে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আমি আসামীকে আমাদের গাড়ির পরিবর্তে মেজবাবুর গাড়িতে তুলতে গিয়েছিলাম। এরপরই মেজবাবু আমার ওপর চড়াও হন। আমাকে থানার ভিতরে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। থানার মেজোবাবু সহ দুই জন আধিকারিক মিলে আমাকে মারধর করে এবং পুণ্ডিবাড়ি সরকারি হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে তাঁরা ডাক্তার’কে দিয়ে ভুয়ো রিপোর্ট তৈরি করেন। আমি নাকি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলাম। এটা একেবারে মিথ্যা। কোনও কারণ ছা়ড়াই আমার ওপর এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই আমরা আন্দোলন শুরু করেছি। এই থানায় অনেক সিভিক ভলান্টিয়ার আমার মতো নির্যাতনের শিকার। আমরা এই ঘটনার সুবিচাই চাই। পুলিশ আধিকারিকদের এই অত্যাচারের প্রতিবাদ জানাতে আমরা পুন্ডিবাড়ি থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছি। অন্য এক সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) বলেন, থানার বড়বাবু গত একমাস ধরে নাইট ডিউটি দিচ্ছেন। পরিকল্পিতভাবে একটি জঙ্গলের মধ্যে ব্রিজে একা ডিউটি করতে পাঠাচ্ছেন। এসবই ইচ্ছাকৃত করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলছে। যদিও এই বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকরা কেউ মুখ খুলতে চাননি।

    আরও পড়ুন: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ মানিকচক, গুলি চালাল পুলিশ, গুলিবিদ্ধ দুই আন্দোলনকারী

    Malda: লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ মানিকচক, গুলি চালাল পুলিশ, গুলিবিদ্ধ দুই আন্দোলনকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। তার সঙ্গে দোসর হয়েছে লোডশেডিং। আর এই দুর্ভোগ একদিন বা দুদিন নয়, টানা এক মাস ধরেই পরিষেবা ব্যাহত। যার জেরে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছিলেন সাধারণ মানুষ। আর সেই আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতেই পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) মানিকচক এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)  

    এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিরুদ্ধে মানিকচকের (Malda) শেখপুরা, চণ্ডীপুরসহ ১০টি জায়গায় চলছিল পথ অবরোধ। টায়ার জ্বালিয়েও বিক্ষোভ দেখান অনেকে। অবরোধকারীরা বলেন, রাতে বিদ্যুৎ চলে যেত। দিনের বেলায় আসত। এক মাস ধরে এই সমস্যা চলছিল। তাই, বাধ্য হয়ে রাস্তা অবরোধে সকলে সামিল হয়েছিল। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকে ঘরবন্দি করে মারধর করে বিক্ষোভকারীরা। হামলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন আইসি-সহ বেশ কয়েক জন পুলিশ কর্মী। পুলিশের গাড়িু ভাঙচুর চালানো হয়। অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের গুলিতে দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পরে, ঘটনাস্থলে বিশাল বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কী কারণে গুলি চালাতে হল পুলিশকে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নবান্ন।

    আরও পড়ুন: পুলিশের নাকের ডগায় মাছের ভেড়িতে আত্মগোপনে সাদ্দাম, তিনদিন পর গ্রেফতার

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মানুষের পুলিশ-প্রশাসনের (Police Fire) ওপর থেকে বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আক্রান্ত হচ্ছে পুলিশ। এই ঘটনা আরও একবার তা প্রমাণ করল।”  তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের তরফে বিভাগীয় তদন্ত হবে। তৃণমূল মুখপাত্র তথা কলকাতার কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। বিভাগীয় তদন্ত হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।” মানিকচকের তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র এই প্রসঙ্গে বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে মানিকচক এলাকার বেশ কিছু এলাকায় রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় সমস্যা হচ্ছিল। আমি বহু বার ডিভিশনাল অফিসারকে বলেছিলাম সমস্যা মেটাতে। তা সত্ত্বেও সমস্যা মেটেনি। নুরপুর, শেখপুরা, চণ্ডীপুরে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে অবরোধ হয়েছিল। আমি অবরোধকারীদের অনুরোধ করায় তাঁরা অবরোধ তুলে নিয়েছিলেন। কিন্তু এনায়েৎপুরের মানুষজন অবরোধে অনড় ছিলেন। পুলিশের গুলি চালানোর (Police Fire) যে ঘটনা ঘটেছে তা কাম্য নয়। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share