Tag: agitation

agitation

  • Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৯ মাস ধরে বেতন মিলছে না। কর্মবিরতির হুমকি গত মাসেই  দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তাতেও টনক নড়েনি প্রশাসন বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। সোমবার দুপুর থেকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা সদর হাসপাতালে আচমকা  কর্মবিরতি শুরু করে দিলেন সাফাই কর্মীরা।

    হাসপাতালে পরিষেবা শিকেয় (Balurghat)

    গত কয়েকদিন আগে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতাল (Hospital) সেরার শিরোপা পায়। সুপার স্পেশালিটি এই হাসপাতালে কলকাতার এক এজেন্সির অধীনে কর্মীরা রয়েছেন। ৯ মাস ধরে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। এদিকে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও এজেন্সির মালিককে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই, নিয়মিত বেতনের দাবিতে এদিন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিলেন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের পুরনো ভবনের অস্থায়ী কর্মীরা। আর এতেই প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের পরিষেবায়। প্রায় ১১৬ জন অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মী এভাবে কর্ম বিরতিতে যোগ দেওয়ায় পুরো হাসপাতাল জুড়ে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। পুরো হাসপাতালের ইনডোর, আউটডোর, পিপি ইউনিট, ডায়ালিসিস, সি সি ইউ, এস এন সি ইউ, লিফট সহ সমস্ত পরিষেবায় প্রভাব পড়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা থেকে সাফাই কোনও কিছুই কার্যত এদিন থেকে আর হচ্ছে না। এভাবে এতজন কর্মী একসঙ্গে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্ম বিরতিতে যাওয়ার কারণে মাথায় হাত পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও। জেলা হাসপাতাল সুপারের পক্ষ থেকে সিএমওএইচ, জেলাশাসকসহ উচ্চ আধিকারিকদের সকলের কাছে এই  বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

     আন্দোলনকারীদের কী বক্তব্য?

     বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীদের নেতা yeবিজয় বাঁশফোড় বলেন, আমরা গত ৯ মাস ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছি না। সামান্য কিছু টাকা দেওয়া হচ্ছে। এভাবে সংসার চালানো সম্ভব নয়। এদিকে সামনের মাস থেকে আর কোনও টাকায় দিতে পারবেন না বলে এজেন্সির মালিক জানিয়ে দিয়েছেন। তাই, পরিষেবা বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছি।

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা কী বললেন?

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা অজয় কুমার ঘোষ বলেন, গত নয় মাস ধরে নিয়মিত বিল পাচ্ছি না। প্রায় দেড় কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। ট্রেজারিতে চারটে বিল জমা করা হলেও, সব থেকে নূন্যতম বিল ছাড়া হচ্ছে। বিষয়টি বারবারই  হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি। বকেয়া টাকা না পেলে কী করে আমি কর্মীদের বেতন দেব? 

    হাসপাতাল সুপারের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে (Hospital) সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন,  বালুরঘাটের ট্রেজারি অফিসার রয়েছেন তিনি উদ্দেশ্য  প্রণোদিতভাবে কর্মীদের বেতন আটকে রেখেছেন। পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এমনকী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অর্ডারেও কর্মীদের বিল ছাড়ছেন না। এভাবে কর্মীদের কর্ম বিরতিতে হাসপাতালে পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা স্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে কিছুটা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা, তৃণমূল কাউন্সিলরদের ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Kamarhati: বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা, তৃণমূল কাউন্সিলরদের ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ করতে গিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল তৃণমূল কাউন্সিলরদের। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের উড়ানপাড়া এলাকায়। এলাকাবাসীর বিক্ষোভের জেরে কার্যত এদিন তৃণমূল কাউন্সিলররা উচ্ছেদ করার সাহস দেখাননি। বাধ্য হয়ে বুলডোজর ঘুরিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। আর এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জায়গায় দখলদারদের উচ্ছেদ করার নির্দেশ জারি করেন। আর তারপরই রাজ্যজুড়ে শুরু হয় তৎপরতা। টনক নড়ে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভারও। এই পুরসভার আগরপাড়ার উড়ানপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে ড্রেন দখল করে দোকান রয়েছে। বহু বসতি রয়েছে সরকারি জায়গায়। এর আগে পুরসভার পক্ষ থেকে দোকান সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু, পুরসভার নির্দেশ মেনে কেউ দোকান সরিয়ে নিয়ে যাননি। এদিন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিমল সাহার নেতৃত্বে একাধিক কাউন্সিলর উড়ানপাড়া এলাকায় যান। সঙ্গে বুলডোজার নিয়ে যান। উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে গিয়ে তাঁরা বিক্ষোভের মুখে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, “আমরা এখন কোথায় যাব। দোকান করেই সংসার চলে। গায়ের জোরে উচ্ছেদ করে দিলে পরিবার নিয়ে সকলকে পথে বসতে হবে। তাই, আমরা এদিন উচ্ছেদ করতে দিইনি। এই বিষয় নিয়ে সব জায়গায় দরবার করব। আমরা উচ্ছেদ করতে দেব না।” জানা গিয়েছে, উড়ানপাড়ার বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে তৃণমূল কাউন্সিলররা (Trinamool Congress) বাধ্য হয়ে বুলডোজার ঘুরিয়ে নিয়ে চলে যান।

    আরও পড়ুন: সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, স্ত্রী-পুত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    তৃণমূল কাউন্সিলর কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর বিমল সাহা বলেন, “এদিন এলাকার মানুষ কোনও বিক্ষোভ দেখাননি। তাঁরা আমাদের কাছে অনুরোধ করেন। তাঁদের অনুরোধ মেনে আমরা আরও দুদিন সময় দিয়েছি। তবে, সামনের সোমবার ফের আমরা আসব। এই দুদিনের মধ্যে তাঁদের সব কিছু সরিয়ে নিতে বলেছি। কারণ, ড্রেনে দখলদার থাকার কারণে তা পরিষ্কার করা যাচ্ছে না। তাই, ওরা না সরালে আমরা সোমবার গিয়ে সব ভেঙে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিশ, রায়গঞ্জ থানায় অবস্থানে দলের বিধায়করা

    Raiganj: বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিশ, রায়গঞ্জ থানায় অবস্থানে দলের বিধায়করা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রায়গঞ্জ উপ-নির্বাচনে সব রাজনৈতক দলের প্রচার এখন তুঙ্গে। এরই মাঝে এবার বিজেপি কর্মীদের ওপর পুলিশি অত্যাচার ও হুমকির বিষয়টি সামনে এসেছে। আর এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় কর্মীদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে শুক্রবার রায়গঞ্জ (Raiganj) থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হলেন বিজেপি বিধায়করা। ভোটের আগে পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপির এই আন্দোলন নিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলাজু়ড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক? (Raiganj)

    শুক্রবার রায়গঞ্জ (Raiganj) থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেববর্মন, কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে, ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন, হবিবপুরের বিধায়ক জুয়েল মুর্মু, গঙ্গারামপুরের বিধায়ক সত্যেন রায়, ওল্ড মালদার বিধায়ক গোপাল সাহাসহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, উপ-নির্বাচনে জেতার জন্য তৃণমূল তাদের শাখা সংগঠন পুলিশকে কাজে লাগিয়েছে। আর পুলিশ রাতের অন্ধকারে আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের বাড়ি গিয়ে তাঁদের তুলে নিয়ে আসছে। কাউকে ভয় দেখাচ্ছে, কাউকে নানা ধরনের টোপ দিচ্ছে। পুলিশ রাজনৈতিক দলের মতো কাজ করছে। আমরা কোনওভাবেই তা মেনে নেব না। কারণ, এই এলাকার মানুষ বিজেপির পক্ষে রয়েছে। ফলে,শত চেষ্টা করেও কোনও লাভ হবে না। পুলিশের এই জুলুমবাজির বিরুদ্ধে আমাদের এই আন্দোলন। আমরা এদিন শান্তিপূর্ণ অবস্থান করে পুলিশকে বার্তা দিয়ে গেলাম। আগামীদিনে এর বিরুদ্ধে বৃহত্তরও আন্দোলন হবে।

    আরও পড়ুন: চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    শুভেন্দুর নির্দেশে অবস্থান-বিক্ষোভ

    বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ (Raiganj) বিধানসভা উপ-নির্বাচনের বিজেপি (BJP) প্রার্থী মানস কুমার ঘোষের সমর্থনে জনসভায় যোগ দিতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভা মঞ্চ থেকেই দলীয় (BJP) কর্মীদের ওপরে অত্যাচার ও নানাভাবে ভয় দেখানোর অভিযোগ তোলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। তারই প্রতিবাদে বিধায়কদের থানা ঘেরাও ও অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করে যান তিনি। শুভেন্দুর নির্দেশ মেনে এদিন রায়গঞ্জ থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে শামিল হন বিজেপি বিধায়কেরা। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে এই অবস্থান বিক্ষোভ চলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়াতেও বুলডোজার! উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি, হল প্রতিবাদ মিছিল

    Nadia: নদিয়াতেও বুলডোজার! উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি, হল প্রতিবাদ মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরেও বুলডোজারের মাধ্যমে শুরু হয়েছে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান ভাঙ্গার কাজ। এরই মধ্যে দোকান হারানো ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াল বিজেপি। সোমবার বিজেপির এক প্রতিনিধি দল কৃষ্ণনগরের ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের অভাব অভিযোগ শুনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। শুধু তাই নয় হকারদের পুনর্বাসনেরও দাবি তুলেছেন তারা।

    উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি নেত্রী রানিমা (Nadia)

    কৃষ্ণনগর (Nadia) লোকসভা কেন্দ্রের পরাজিত বিজেপি  (BJP) প্রার্থী রানিমা অমৃতা রায়ের স্বামী শারীরিক অসুস্থতার জন্য রয়েছেন কৃষ্ণনগরের বাইরে। রাজ পরিবারের সদস্য তথা রানিমার স্বামী সৌমিশ চন্দ্র রায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই অবস্থার মধ্যে কৃষ্ণনগরের ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়াসহ হকারদের পুনর্বাসনের দাবি করেছেন তিনি। তিনি বলেন, বুলডোজার চালিয়ে ব্যবসায়ীদের দোকান ভাঙ্গার তীব্র নিন্দা করছি। আগামীতে এই লড়াইয়ে আমরা সবসময় তাঁদের পাশে রয়েছি।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    হকার উচ্ছেদে প্রতিবাদ মিছিল!

    বেআইনিভাবে হকার উচ্ছেদের অভিযোগ তুলে জেলা হকার রক্ষা মঞ্চ এবং বিজেপির (BJP) পক্ষ থেকে যৌথভাবে প্রতিবাদ মিছিল করা হল নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। সোমবার কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড় থেকে  জেলাশাসকের দফতর পর্যন্ত মিছিল করা হয়। পরে, মহকুমা শাসকের কাছে একটি ডেপুটেশন দেওয়া হয়। উল্লেখ, দিন কয়েক আগে রাজ্য সরকারের নির্দেশে কোতোয়ালি থানার পুলিশের পক্ষ থেকে কৃষ্ণনগরের বেশ কয়েকটি জায়গায় হকার উচ্ছেদ করা হয়। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, যে সমস্ত হকারদের বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের অবিলম্বে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। কীভাবে নোটিশ না দিয়ে দোকান ভেঙে ফেলা হল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। তাদের দাবি, এরপর হকার উচ্ছেদ করতে গেলে বিভিন্ন হকারি যে সংগঠন রয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যে সংগঠন রয়েছে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: লাঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী-বিডিওকে তাড়া করলেন মহিলারা, মালদায় শোরগোল

    Malda: লাঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী-বিডিওকে তাড়া করলেন মহিলারা, মালদায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল সরকারের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের প্রতিমন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল  হোসেন। লাঠি উঁচিয়ে তাঁকে তাড়া করলেন গ্রামের মহিলারা। নিজেকে বাঁচাতে নৌকায় উঠে পড়তে হয় মন্ত্রীকে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের রশিদপুর গ্রামে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ত্রাণ নেই, ক্ষোভ উগরে দিলেন গ্রামবাসীরা (Malda)

    ভাঙন-কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মন্ত্রী তাজমুল হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও (Malda) তাপসকুমার পালসহ অন্য প্রশাসনিক কর্তারা। মন্ত্রীসহ প্রশাসনিক কর্তাদের ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। তাঁদের বক্তব্য, ফুলহার নদীতে গত কয়েকদিনে জলস্তর অনেকটাই বেড়েছে। যার ফলে এলাকা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদী ভাঙনের কবলে পড়ে গ্রামের কয়েকটি বাড়ি, দোকান ভেসে গিয়েছে। কিন্তু, সরকারের কোনও হেলদোল নেই। প্রশাসনিক আধিকারিকদের কেউই গ্রামে আসেননি। ত্রাণেরও ব্যবস্থা করা হয়নি। এই অভিযোগ তুলেই মন্ত্রী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন গ্রামবাসীরা। রীতিমতো লাঠি নিয়ে মন্ত্রী ও বিডিওকে তাড়া করতে দেখা যায়। নিজেকে বাঁচাতে নৌকায় উঠে পড়তে হয় মন্ত্রীকে। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় রশিদপুরে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    মন্ত্রী তাজমুল হোসেন (Trinamool Congress) বলেন, ‘রশিদপুর গ্রামের খুবই খারাপ অবস্থা। সেচ দফতর কিছু কাজ করেছে। কিন্তু, আরও কাজ বাকি আছে। সেচ দফতরকে বলব, বাকি কাজ শেষ করতে। আমি নিজেও সেচমন্ত্রীকে যা বলার বলব।’ গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিডিও তাপসকুমার পালও। তিনি বলেন, ‘গ্রামবাসীদের ক্ষোভের কথা শুনলাম। কী করা যায়, তা ওপর মহলের সঙ্গে কথা বলে করতে হবে।’এ-বিষয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন আরও বলেন, “এই কেন্দ্র থেকে জিতেছেন খগেন মুর্মু। এই বিক্ষোভ তাঁকে ঘিরে দেখানো উচিত। ভাঙন রোধের কাজে কেন্দ্র ও তাদের জনপ্রতিনিধি জেলার জন্য, মানুষের জন্য কিছুই করেন না। রাজ্য যেটুকু পারছে, সাধারণ মানুষের জন্য করছে।”

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    মন্ত্রীকে (Trinamool Congress) পালটা কটাক্ষ করেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। তিনি বলেন, ‘ওই এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা আমি করেছি। ভাঙন রোধের অর্থ চেয়ে রাজ্য সরকার চিঠি দিক। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্যই সাহায্য করবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Katwa: টিউশন না পড়ার মাশুল! পরীক্ষায় ফেল করলেন ১১ জন পড়ুয়া, কাঠগড়ায় তিন অধ্যাপক

    Katwa: টিউশন না পড়ার মাশুল! পরীক্ষায় ফেল করলেন ১১ জন পড়ুয়া, কাঠগড়ায় তিন অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা টাকা বেতন পাওয়ার পরও স্কুলের মতো কলেজের অধ্যাপকরা টিউশনের লোভ সামলাতে পারেন না। তাই, স্রেফ টিউশন পড়তে না আসায় ১১ জন পড়ুয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল কাটোয়া (Katwa) কলেজের জুলজি বিভাগের অধ্যাপক কৌশিক সরকার এবং দুই অধ্যাপিকা সুলগ্না মুখোপাধ্যায় ও চন্দ্রাণী দাসের বিরুদ্ধে। এমনই অভিযোগ পড়ুয়াদের। আর এই ঘটনায় কলেজ জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তিন অধ্যাপকের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানালেন পড়ুয়ারা (Katwa)

    জানা গিয়েছে, জুলজি বিভাগের (Katwa) তিন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কলেজ অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু সরকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন ১১জন পড়ুয়া। পড়ুয়ারা বলেন, “পঞ্চম সেমেস্টারের পরীক্ষার আগে থেকেই আমাদের ওপর রুষ্ট ছিলেন ওই তিনজন অধ্যাপক। তার পরিণতি এরকম হবে, তা কল্পনাও করতে পারিনি আমরা। শুধু তাই নয়,  ডিউটি না থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষার দিন হলে এসে ইনভিজিলেটরের দায়িত্ব সামলানো থেকে শুরু করে ইন্টারনাল ইনভিজিলেটরের দায়িত্ব সামলেছেন তাঁরা। পরীক্ষা খারাপ হলে আমাদের কিছু বলার ছিল না। আমরা ওই অধ্যাপকের কাছে পড়িনি, এটাই আমাদের অপরাধ। তার খেসারত এভাবে দিতে হবে তা মেনে নিতে পারছি না। আমরা এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত দাবি করছি। আর সুবিচারের আশায় আমরা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই আমরা দেখব। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। কারণ, এই অন্যায়ের শাস্তি হওয়া উচিত। নাহলে আগামীদিনে এই অধ্যাপকরা শুধু অর্থের লোভে অন্য পড়ুয়াদের জীবন নষ্ট করে দেবে। সেটা হতে পারে না। ওই তিন অধ্যাপকের মুখোশ আমরা সকলের সামনে খুলে দেব।” যদিও অভিযুক্ত ওই তিনজন অধ্যাপকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    কলেজের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    কলেজ (College) অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু সরকার বলেন, “এই বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে, যদি কলেজের কোনও অধ্যাপক, কলেজ আওয়ার্সে টিউশনি পড়ান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে, কোন পড়ুয়া কার কাছে টিউশনি পড়বেন এটা তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারি না। আমরা সমস্ত ঘটনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birati Station: শিশু চুরির ঘটনা গুজব! অভিযুক্ত মহিলাই বাচ্চার মা, রহস্যভেদ করল জিআরপি

    Birati Station: শিশু চুরির ঘটনা গুজব! অভিযুক্ত মহিলাই বাচ্চার মা, রহস্যভেদ করল জিআরপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে ধরা সন্দেহে গত কয়েকদিন ধরে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত, অশোকনগর, বারাকপুরে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। পরে, তদন্তে নেমে ছেলে ধরার কোনও তথ্যই পুলিশ পায়নি। নিছক গুজব থেকেই জেলা জুড়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটছিল। এসবের মাঝে ব্যাগের মধ্যে শিশু চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে বুধবার উত্তাল হয়ে উঠেছিল বিরাটি স্টেশন (Birati Station)। পাচারকারী সন্দেহে এক মহিলাকে ট্রেনের কামরার মধ্যেই গণপিটুনি দেওয়া হয়। উত্তেজিত জনতার থেকে জিআরপি উদ্ধার করে শিশু ও পাচারকারী সন্দেহে ওই মহিলাকে। এরপর জিআরপি তদন্তে নামে। আর রাতেই জানা যায়, সমস্ত ঘটনাটি গুজব। পাচারকারী মহিলাই আদতে ওই শিশুর মা।

    কীভাবে জানা গেল? (Birati Station)

    জিআরপি (Birati Station) সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুটি ওই মহিলারই সন্তান। শিশুটি মোটেও ব্যাগে ছিল না। মহিলার কোলেই ছিল। মহিলার কিছু মানসিক সমস্যা রয়েছে, জিআরপি-র তরফ থেকে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তবে, বুধবার সন্ধ্যার দিকে মহিলার বলা ঠিকানা গিয়েও বাড়ির খোঁজ মেলেনি। ফলে, সন্ধ্যা পর্যন্ত রহস্য ছিল। তবে, বুধবার গভীর রাতে রামেশ্বর পাণ্ডে নামে এক ব্যক্তি জিআরপিতে ফোন করেন। তিনি জানান, তাঁর বাড়ি বিহারে। তাঁর স্ত্রীর নাম বাসন্তী দেবী। তাঁর বাড়ি ওড়িশা। শিশুটি তাঁদেরই। স্ত্রীর কিছুটা মানসিক সমস্যা রয়েছে। আর ভাষাগত সমস্যার জন্য জটিলতা তৈরি হয়েছে। এরপরই রামেশ্বর পাণ্ডে জিআরপি অফিসে যান। তিনি জানান, গত কয়েক মাসে তাঁরা উত্তর ২৪ পরগনার বামনগাছিতে এসে থাকছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোররাতে রামেশ্বর পাণ্ডের সঙ্গে বামনগাছিতে তাঁর ভাড়া বাড়িতে পৌঁছয় রেল পুলিশ। পাণ্ডের প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয় জিআরপি। পাশাপাশি যথাযথ নথিপত্র খতিয়ে দেখে তারা। পরে, জিআরপি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাণ্ডে দম্পতিই ওই শিশুর বাবা-মা। সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে শেষ পর্যন্ত পাণ্ডে দম্পতির হাতেই ওই শিশুকে তুলে দেয় জিআরপি।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল

    নিত্যযাত্রীরা কী বললেন?

    প্রসঙ্গত, বুধবার ডাউন দত্তপুকুর লোকালে শিশু চুরিকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে। পাচারকারী সন্দেহে মহিলাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। বিরাটি স্টেশন (Birati Station) অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান যাত্রীরা। পরে, জিআরপি গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে, এদিন শিশু চুরির ঘটনা গুজব জেনে ট্রেনের নিত্যযাত্রীরা হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। তবে, মহিলাকে মারধর করার ঘটনাকে সকলেই নিন্দা করেন। নিত্যযাত্রীরা বলেন, আসল সত্যি না জেনে এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। যারা এই কাজ করেছে, তাদের শাস্তি হওয়া দরকার। নাহলে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তিলক কেটে ছাত্রীকে স্কুলে না আসার ফতোয়া! অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Siliguri: তিলক কেটে ছাত্রীকে স্কুলে না আসার ফতোয়া! অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের পর এবার শিলিগুড়ি (Siliguri)। সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী স্কুলে তিলক কেটে যাওয়ায় এক শিক্ষিকা তাতে আপত্তি করেন। এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই বিতর্ককে সামনে রেখে বুধবার স্কুলে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লকের মেডিক্যাল মোড় ঠিকনিকাটা জুনিয়র হাইস্কুলে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুর্শিদাবাদেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে অভিভাবক ও এলাকার বাসিন্দারা খোল-কর্তাল নিয়ে নাম-সংকীর্তণ করে স্কুলে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। 

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Siliguri)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঠিকনিকাটা (Siliguri) জুনিয়র হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী রত্না বর্মন ও তার পরিবারের সকলে ইসকনের ভক্ত। মঙ্গলবার স্কুলে রত্না কপালে তিলক কেটে স্কুলে গিয়েছিল। রত্না বলে, শিউলি ম্যাম আমাকে স্কুলে তিলক কেটে আসতে মানা করেন। বাড়িতে গিয়ে মা’কে বলি। তারপর বাবা ও পাড়ার সকলে বিষয়টি জানতে পারে। বাবা-মা,পাড়ার সকলে এবং ইসকনের সদস্যরা বুধবার স্কুলে এসে মঙ্গলবারের ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। তাই এদিন তিলক কেটে স্কুলে এসেছি। ম্যাম আর কিছু বলেননি। 

    আরও পড়ুন: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

     অভিভাবকদের কী বক্তব্য?

    এদিন সকালে স্কুল খুলতেই দল বেধে অভিভাবক ও ইসকনের শিষ্যরা জমায়েত হন। অভিযুক্ত শিক্ষিকা শিউলি পালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। জানতে চান, কেন রত্না বর্মনকে তিলক কেটে আসতে মানা করা হয়েছে। এক অভিভাবক মলয় সরকার বলেন, স্কুলের শিক্ষিকা  এভাবে তিলক কেটে আসতে মানা করায় হিন্দুধর্মের আবেগে আঘাত করেছেন। এর প্রতিবাদ জানাতে এদিন আমরা স্কুলে এসে ওই শিক্ষিকার কাছে জানতে চাই, স্কুলের কোন নিয়মে লেখা রয়েছে যে তিলক কেটে কেউ স্কুলে আসতে পারবে না। শিক্ষিকা এব্যাপারে সদুত্তর দিতে পারেননি। এতে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। শেষে সকলের সামনে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

     ক্ষমা চাইলেও অভিযোগ মানছেন না শিক্ষিকা

    শিক্ষিকা শিউলি পাল বলেন, এদিন অভিভাবকরা স্কুলে জমায়েত হওয়ায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে। তাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য আমি ক্ষমা চেয়ে নিই। তবে, আমি ওই ছাত্রীকে তিলক কেটে আসতে মানা করিনি। রত্নার বাবা নির্মল বর্মন বলেন, আমার মেয়ে মিথ্যা কথা বলে না। নিজেকে বাঁচাতে শিক্ষিকা এখন এসব কথা বলছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birati Station: ব্যাগে করে শিশু পাচার! পাচারকারীকে ধরে গণধোলাই, তুলকালাম কাণ্ড বিরাটিতে

    Birati Station: ব্যাগে করে শিশু পাচার! পাচারকারীকে ধরে গণধোলাই, তুলকালাম কাণ্ড বিরাটিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকালে ব্যাগের মধ্যে শিশু পাচারকে কেন্দ্র করে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় বিরাটি স্টেশনে (Birati Station)। শিশু পাচারকারী সন্দেহে এক মহিলাকে ধরে গণধোলাই দেওয়া হয়। এলাকায় কয়েকশো যাত্রী জমায়েত হয়ে পড়েন। ঘটনা বড় আকার ধারণ করার আগেই পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে, এই ঘটনার পর রেল অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন যাত্রীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birati Station)

    স্থানীয় ও জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল পৌনে আটটা নাগাদ দত্তপুকুর থেকে শিয়ালদাগামী লোকাল ট্রেনের মহিলা কামরায় উঠেছিলেন ওই মহিলা। তাঁর কাঁধে ছিল একটি বড় ব্যাগ। বামনগাছি স্টেশনে ওই মহিলা যাত্রী ট্রেনে ওঠেন। ব্যাগের ভিতরে কোনও কিছু নড়াচড়া করছিল। সেটা দেখেই সন্দেহ হয় যাত্রীদের। প্রত্যক্ষদর্শী এক মহিলা যাত্রী বলেন, “ওই মহিলাকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ব্যাগের ভিতরে কী রয়েছে, তিনি প্রথমে বলেন মুরগী রয়েছে। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর ব্যাগের ভিতর থেকে কান্নার আওয়াজ আসতেই আমরা তাঁকে চেপে ধরি। ব্যাগের ভিতরে কী রয়েছে তা দেখাতে বলি। তিনি রাজি হননি। এরপরই আমরা একরকম জোর করেই ব্যাগ খুলেই থ হয়ে যায়। একটি শিশুকে ব্যাগে করে নিয়ে যাচ্ছিল ওই মহিলা। এরপরই ট্রেনের অন্য যাত্রীরা তাঁকে ধরে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। আমরা বিরাটি (Birati Station) স্টেশনে শিশু সহ ওই মহিলাকে নামাই। খবর ছড়িয়ে পড়তেই অন্য যাত্রীরা এসে ওই মহিলাকে গণপিটুনি দেওয়া শুরু করেন। পরে, জিআরপি ঘটনাস্থলে আসলে শিশু সহ মহিলা পাচারকারীকে তুলে দেওয়া দিই।”

    আরও পড়ুন: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

    বিরাটিতে রেল অবরোধ

    যদিও ঘটনার পর তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয় বিরাটি স্টেশনে (Birati Station) । বিক্ষোভ চলে স্টেশনে। রেল অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। অবরোধের কারণে একাধিক ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকে যায়। যার জেরে দুর্ভোগে পড়েন অফিস যাত্রীরা। যদিও জিআরপি এসে যাত্রীদের বুঝিয়ে অবরোধ তোলার ব্যবস্থা করে। অবরোধকারীদের বক্তব্য, এই শিশু পাচারের পিছনে কারা কারা রয়েছে তা তদন্ত করে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল! গেটে তালা ঝুলিয়ে সরব বিজেপি কর্মীরা

    Balurghat: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল! গেটে তালা ঝুলিয়ে সরব বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল। এমন অভিযোগে বালুরঘাট (Balurghat) খিদিরপুর শ্মশানে বৈদ্যুতিক  চুল্লির গেটের সামনে প্রতীকী তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি। মূলত, তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দেন। জানা গিয়েছে, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে মেরামতি করার পরও ফের অকেজো হয়ে গিয়েছে শ্মশানের চুল্লি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে প্রায় ১ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বৈদ্যুতিক চুল্লিটি তৈরি করা হয়। অভিযোগ, চুল্লি তৈরি করার পর থেকেই দুটি চুল্লি বিকল হয়ে যায়। পুরসভা থেকে একটি চুল্লি সংস্কার করলেও তা বিকল হয়ে যায়। গত ৯ মাস ধরে বৈদ্যুতিক চুল্লিটি বিকল হয়ে পড়েছিল। বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা থেকে খিদিরপুর শ্মশানে ইলেকট্রিক চুল্লি গঠনগত ত্রুটি সারিয়ে তোলার জন্য ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে কাজ শুরু হয়েছিল।পরে, চুল্লিটি চালু হওয়ার পর ফের বিকল হয়ে পড়ে। চলতি  মাসের ১২ তারিখ ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নতুন করে সারিয়ে তোলা হয় চুল্লিটি। এরপর শহর জুড়ে পুরসভার পক্ষ থেকে লাগাতার প্রচার করা হয়, চুল্লি মেরামতি করা হয়েছে। ১২ দিনের মধ্যে মেশিন ফের বিকল হয়ে পড়েছে। সোমবার বিকেলে দাহ করতে না পেরে বালুরঘাট খিদিরপুর শ্মশানে প্রবল বিক্ষোভ দেখান শ্মশান যাত্রীরা।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফের ওপর পাচারকারীদের হামলা, চলল গুলি

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মঙ্গলবার বালুরঘাট (Balurghat) খিদিরপুর বৈদ্যুতিক চুল্লির গেটে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি (BJP) কর্মীরা। বিজেপির টাউন সভাপতি সমীর প্রসাদ  দত্ত বলেন, বালুরঘাট পুরসভা শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে। ৩৬ লক্ষ টাকা খরচ করে বালুরঘাট পুরসভা ১২ দিনের জন্য চুল্লি ঠিক করেছে। পুরসভা এর মধ্যেও কাটমানি খেয়ে রেখেছে, যারজন্য চুল্লি ঠিক করার ১২ দিনের মধ্যে বিকল হয়ে পড়েছে। আমরা এর প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে যাব। এই বিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার এমসিআইসি বিপুল ক্রান্তি ঘোষ বলেন, বিজেপি এটাকে নিয়ে রাজনীতি করছে। আজকে গেটে তালা মেরে বিজেপি খুব নোংরা কাজ করেছে। চুল্লিতে ইলেকট্রিক আপ-ডাউন করার জন্য চুল্লির কয়েকটি কোয়েল পুড়ে যায়, যারজন্য চুল্লি বন্ধ রাখা হয়েছে। চুল্লিটির সংস্কারের কাজ চলছে। আগামী দুদিনের মধ্যে চুল্লিটি ঠিক হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share