Tag: agitation

agitation

  • Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়ালিসিস করাতে এসে কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ার কল্যাণী (Kalyani) জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাহুল সূত্রধর (২১)। হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এই বিক্ষোভ-আন্দোলনে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ছিলেন কল্যাণীর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    পরিবার সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, রাহুল সূত্রধর গত তিন দিন আগে হাসপাতালে (Kalyani) ভর্তি হন। পরপর তাঁর ডায়ালিসিস চলছিল। মঙ্গলবারও তাঁর ঠিকঠাক ডায়ালিসিস হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা। সেই মতো রোগীকে ডায়ালিসিস ওয়ার্ডে রেখে পরিবারের লোকজন নীচে অপেক্ষা করতে থাকেন। পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে ওয়ার্ড থেকে রোগীকে ছাড়ার কথা। কিন্তু, সেটা না করেই ডায়ালিসিস হওয়ার পর রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর এরপরই ওই রোগী হাসপাতালের তিনতলা বিল্ডিং থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে নীচে পড়ে যান। হাসপাতালের গেটের বাইরে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে যাননি। রোগীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, এদিন সাড়ে তিনটে নাগাদ ওয়ার্ডে গিয়ে জানতে পারি, রোগী নেই। এরপরই আমরা রোগীকে খোঁজা শুরু করি। হাসপাতলের একপাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে আমরা উদ্ধার করি। এরপর জরুরি বিভাগে তাঁকে ভর্তি করি। কিছুক্ষণ পরই রোগীর মৃত্যু হয়। হাসপাতালের গাফিলতির জন্য একটি তরতাজা প্রাণ চলে গেল। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ বিজেপির

    রোগী মৃত্যুর পরই পরিবারের লোকজন ও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে সামিল হন। কল্যাণীর (Kalyani) বিজেপির বিধায় অম্বিকা রায় বলেন, এই হাসপাতালের দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার গাফিলতি  অভিযোগ রয়েছে। ডায়ালিসিস রুমে এসি নেই। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা হয়ে গেল দেহ পড়ে রয়েছে, কোনও রকম প্রশাসনিক তৎপরতা নেই। আমাদের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডায়ালিসিস ইউনিটে বিকল এসি মেশিন ঠিক করতে হবে। নাহলে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পরই বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। এবার লোকসভায় গঙ্গারামপুর বিধানসভায় বিপুল ভোটে লিড পেয়েছে বিজেপি। এরপর পানীয় জল সরবরাহ এবং পথবাতি জ্বালানো নিয়ে টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। রবিবারই বিজেপি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। এরপরই টানা চারদিন পরিষেবা বন্ধ রাখার পর পানীয় জল সরবরাহ ঠিক করা হয়। আর আংশিকভাবে পথবাতি জ্বালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    গঙ্গারামপুরে বিজেপি লিড পেতেই পরিষেবা শিকেয়! (Balurghat)

    গত ৬ জুন থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভা এলাকায় আচমকা পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকী  পুরসভা এলাকার পথবাতির কোনও আলো জ্বলেনি। গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা থেকেই ভোটে পিছিয়ে ছিল গঙ্গারামপুরের ভূমিপুত্র তথা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। ১২ হাজারেরও কিছু বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার লিড পেয়েছেন। এই গঙ্গারামপুর শহরের পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র। তিনি আবার তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের ভাই। এই শহরেরই মানুষ তাঁরা। তারপরেও তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছেন ভোটাররা। কেন তৃণমূলের এই খারাপ ফল? এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কাঁটা ছেড়া চলছে প্রতিনিয়ত।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    আন্দোলনে বিজেপি

    সন্ধ্যার পর থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। শহরের ১৮ টি ওয়ার্ডের পানীয় জল ও পথবাতি বন্ধ রাখার প্রতিবাদে রবিবার বিজেপির পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুরের জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বিজেপির আন্দোলনের ফলে এলাকায় পানীয় জল পরিষেবা ঠিক হয়। গত চার দিন ধরে গোটা পুরসভায় এলাকায় পথবাতি পরিষেবা ঠিক হয়নি। এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরবাসী বলেন, গত চারদিন ধরে গঙ্গারামপুরে  রাস্তার বেশিরভাগ জায়গায় কোনও আলো জ্বলছে না। কী কারণে এমনটা হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, গঙ্গারামপুরে তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি। এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এটাই অপরাধ! সেই রাগে তৃণমূল এসব করেছে। এই ধরনের নোংরামি করা ঠিক নয়।  কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করেছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, বিজেপি সবসময় মিথ্যে কথা বলে, মিথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে ওরা রাজনীতি করতে চায়। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য সমস্যা হতে পারে। অন্য কোনও কারণ নয়। আমরা বিষয়টি দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের সন্দেশখালিতে ধুন্ধুমার! পুলিশি অভিযানের বিরুদ্ধে আন্দোলনে মহিলারা

    Sandeshkhali: ফের সন্দেশখালিতে ধুন্ধুমার! পুলিশি অভিযানের বিরুদ্ধে আন্দোলনে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ফের সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ধুন্ধুমার বাধে। আগারহাটি মণ্ডলপাড়ায় বিজেপি নেতার খোঁজে তল্লাশির নামে পুলিশ চরম হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, বিজেপি নেতা অমর ভুঁইয়ার বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    সোমবার রাতে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিজেপি নেতার বাড়িতে পুলিশ ঢুকতে গেলে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশ ঘরে ঢুকতে গেলে পরিবারের লোকজন আপ্রাণ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে, ধস্তাধস্তি, তুমুল চিৎকার শুরু হয়। অনুমতি ছাড়া পুলিশের অভিযান নিয়ে বিরোধিতা করেন বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যরা। অমর ভুঁইয়ার পরিবারের মহিলা সদস্যদের টেনে হিঁচড়ে বের করেন মহিলা পুলিশ কর্মীরা। বিজেপি নেতার ঘরের মধ্যে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। পুলিশের দাবি, ভোটের আগে এবং ভোটের সময় যে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার নেপথ্যে হাত ছিল এই অমর ভুঁইয়ার। রবিবারও কার্যত এক ছবি দেখা গিয়েছিল সন্দেশখালিতে।

    আরও পড়ুন: গণনার আগে বারাকপুরে গণনাকেন্দ্রে বিজেপি-তৃণমূল ধস্তাধস্তি, ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ

    বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য?

    পুলিশি অভিযানের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে মহিলারা রাস্তায় বেরিয়ে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, এক জনের বাড়িতে পুলিশ কখনও এভাবে ঢোকে? এ কীরকম পুলিশ? এসবই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘চামচা’। আমাদের প্রশ্ন, ‘অমর ভুঁইয়া কিছু করেননি। তাও তাঁর নাম আসছে কেন?’ বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের কাছে তল্লাশি অভিযানের সার্চ ওয়ারেন্ট দেখতে চান। পুলিশ সেসব কথার কোনও গুরুত্ব না দিয়ে মহিলাদের গায়ে হাত তোলে অভিযোগ। এরপরই মহিলারা জোটবদ্ধ হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠি হাতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রসঙ্গত, রবিবারও সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আগারহাটি মণ্ডলপাড়ায় রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে গ্রামে ঢুকে ধরপাকড়ের অভিযোগ ছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় একজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় তুমুল বিক্ষোভ করেন গ্রামের মহিলারা। সোমবার রাতেও সেই একই বিক্ষোভের ছবি ধরা পড়ল সন্দেশখালিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিষ জল কাণ্ড! পুলিশের সঙ্গে বিজেপির মহিলা মোর্চার ব্যাপক ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা শিলিগুড়িতে

    Siliguri: বিষ জল কাণ্ড! পুলিশের সঙ্গে বিজেপির মহিলা মোর্চার ব্যাপক ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা শিলিগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাথায় মাটির কলসি মাথায় নিয়ে শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার সামনে শনিবার বিক্ষোভ দেখাল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার মহিলা মোর্চা। মেয়র গৌতম দেবের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। মেয়রের কুশপুতুল পোড়াতে গেলে পুলিশ তা কেড়ে নেয়। মহিলা মোর্চার এই আন্দোলনকে পুলিশ দিয়ে ভেস্তে দেওয়ার চেস্টায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরসভা চত্বর। পুলিশের সঙ্গে মহিলা মোর্চার সদস্যদের ব্যাপক ধস্তধস্তি হয়। বিজেপি মহিলা মোর্চা সদস্যদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে।

    কেন এই আন্দোলন? (Siliguri)

    জলের জন্য হাহাকার চলছে শিলিগুড়ি (Siliguri) জুড়ে। পানীয় জল চাইছেন মানুষ। ১৫ দিন দূষিত জল পান করিয়ে এখন শহরবাসীকে জল দিতে পারছেন না শিলিগুড়ির তৃণমূল মেয়র। এর প্রতিবাদে শনিবার শিলিগুড়ি পুরসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা মহিলা মোর্চা।  ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শেখা চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এদিন বাঘাযতীন পার্ক থেকে বিশাল মিছিল করে মহিলা মোর্চা শিলিগুড়ি পুরসভার সামনে উপস্থিত হয়। সকলের মাথায় ছিল মাটির কলসি। পুরসভায় ঢোকার মুখে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়। বিশাল পুলিশবাহিনী এদিন মোতায়েন করা ছিল পুরসভার গেটের সামনে।  অভিযোগ পুলিশের ভিড়ে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী ছিল। পুলিশের সামনেই তারা বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে।

    মেয়র এখন ময়ূর হয়ে বসে রয়েছেন, কটাক্ষ বিজেপির

    শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব নাগরিক পরিষেবা দিতে ব্যর্থ। শহরের মানুষকে  বিষাক্ত করিয়ে এখন ময়ূর হয়ে তিনতলায় বসে রয়েছেন। এই মেয়র অপদার্থ। অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ চাই। তিনি মানুষের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন। তাই পুলিশ দিয়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কাড়া হচ্ছে। মানুষ তাঁর কাছে জল চাইতে এসেছিলেন।

    মেয়রকে এক গ্লাস করে জল খাওয়ানোর আবেদন সুকান্তর

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, শহরবাসীর কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা একগ্লাস করে দূষিত জল নিয়ে গিয়ে মেয়রকে খাওয়ান। তাহলে তিনি বুঝতে পারবেন শহরবাসীকে তিনি ২৫ দিন ধরে কী খাইয়েছেন। বিজেপি এই বিষ জলপান নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ ।                                                        

  • Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২০ দিন ধরে বিষ জল পান করানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে শুক্রবার আন্দোলনে নামে বিজেপি। সেই আন্দোলন আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর তা নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এলাকায়।

    বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি (Siliguri)

    পুরসভার জল কেলেঙ্কারিতে বৃহস্পতিবার থেকে শিলিগুড়িতে (Siliguri) পানীয় জলের হাহাকার। এর প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটি। পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈনের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল পুরসভার গেটের সামনে হাজির হয়। ঘটনাস্থলে থাকা বিশাল পুলিশ বাহিনী মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে। অভিযোগ, পুলিশ বলপূর্বক এই মিছিল আটকাতে গেলে বিজেপির কাউন্সিলর, নেতা, কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কেন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি?

    গত বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব ঘোষণা করেন, দুই সপ্তাহ ধরে শিলিগুড়ি শহরে পুরসভা থেকে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয়েছে তা ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত। সেই জল যেন আর কেউ পান না করেন। মেয়রের মুখ থেকে একথা শোনার পর শহরবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেই সঙ্গে দেখা দেয় পানীয় জলের হাহাকার। পুরসভার এই দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ এবং  মানুষকে বিপদে ফেলে দেওয়ায় প্রতিবাদ জানাতে এদিন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি।

    মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি

    পরিস্থিতি সামাল দিতে শিলিগুড়ি (Siliguri) জুড়ে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, মেয়র গৌতম দেবকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। তৃণমূলের মেয়র মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। জল মানে জীবন। তিনি মানুষকে দূষিত জল পান করিয়েছেন। এটা ভয়ঙ্কর অপরাধ। এখন পাউচে, পুরসভার ট্যাঙ্কে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও আমাদের সন্দেহ রয়েছে। কেননা নোংরা জলের ট্যাঙ্কে জল দেওয়া হচ্ছে। নোংরা ফেলার গাড়ি করে জলের পাউচ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মেয়রকে এই অধিকার কে দিয়েছে? আমাদের প্রশ্ন, মহানন্দার জল ব্যবহার করার আগেই কেন নমুনা পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়নি। তিনি দূষিত জল মানুষকে খাওয়ানোর পর নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠান। এটা ক্ষমাহীন অপরাধ। গৌতম দেবের আর মেয়রের চেয়ারে বসার অধিকার নেই। অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। এখন সত্যের মুখোমুখি হতে তিনি ভয় পাচ্ছেন। মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ঘোষণার পরও মেলেনি পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা! মেয়রকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Siliguri: ঘোষণার পরও মেলেনি পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা! মেয়রকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল হতেই শিলিগুড়িরবাসী হাতে বালতি, জ্যারিকেন, বোতল নিয়ে রাস্তায় জনে জনে জিজ্ঞেস করছেন, কোথায় জল পায়? অবাক জলপান নয়, এ আতঙ্কের জলপান! বৃহস্পতিবার দিনভর এই দৃশ্য দেখা গিয়েছে শহর শিলিগুড়িতে। পানীয় জলের জন্য হাহাকার করছে শহর শিলিগুড়ি (Siliguri)। আর এই জলকষ্টের জন্য এদিন পুরসভায় চরম বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মেয়র গৌতম দেব ও ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। নিজের গাড়ি ছেড়ে এক মেয়র পারিষদ সদস্যের গাড়িতে এক প্রকার পালিয়ে যান মেয়র। শুনলেন চোর চোর স্লোগানও।

     হঠাৎ কেন জলের হাহাকার?(Siliguri)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা এলাকায় সরবরাহ হওয়া পানীয় জলে ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষণ রয়েছে। গত দু’সপ্তাহ ধরে শহরবাসী দূষিত জল পান করেছেন। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে সেকথা কবুল করেন মেয়র তথা তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। শহরবাসীকে পুরসভার নলবাহিত জল পান না করার তিনি আবেদনও জানান। মেয়রের এই ঘোষণায় শহরবাসী একদিকে যেমন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, সেরকম পানীয় জলের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    ঘোষণার পরও মেলেনি জলের পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা!

    বুধবার মেয়র ঘোষণা করেছিলেন, পাড়ায় পাড়ায় পর্যাপ্ত জলের পাউচ দেওয়া হবে। থাকবে পুরসভার জলের ট্যাঙ্কও। কিন্তু, এদিন সকালে কোথাও জলের পাউচ বিতরণ করা হয়নি। সকাল ১০ টা নাগাদ কিছু জায়গায় জলের ট্যাঙ্ক দেওয়া হয়। কিন্তু, সেখানেও লম্বা লাইন। কাজ ফেলে অফিস টাইমে এভাবে লাইন দিয়ে জল নেওয়ার ঘটনায় সকলেই ক্ষুব্ধ। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি দামে জল বিক্রি করছেন।  অভিযোগ, লিটার পিছু জলের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সেই জল বিক্রি হচ্ছে ৭০থেকে ৮০ টাকায়। তাও সবখানে জল মিলছে না।

    এ যে আতঙ্কের জলপান!

    পুরসভার (Siliguri) ট্যাঙ্কের জলে অধিকাংশ মানুষ আর ভরসা করতে পারছেন না। সকলেরই প্রশ্ন, কোথা থেকে আনা হচ্ছে এই জল। আদৌ কি নিরাপদ এই জল? দোকান থেকে কেনা বোতল, জ্যারিকেন বন্দি জল নিয়েও মানুষের মনে একই প্রশ্ন। শহরে জলের হাহাকার দেখা দেওয়ায়, মুনাফা করতে দূষিত জল ভরে বিক্রি করার আশঙ্কাও রয়েছে শহরবাসীর। তাই,কষ্টে জল জোগার করলেও সেটাও আতঙ্কের জলপান বলে মনে করেন সকলে।

     মেয়রকে ঘিরে উঠল চোর-চোর স্লোগান

    এই জল কেলেঙ্কারিতে গোটা শহর (Siliguri) ক্ষোভে ফুঁসছে। মেয়রের সমালোচনায় সরব গোটা শহর। বৃহস্পতিবার প্রাক্তন মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে পুরসভায় বিক্ষোভ দেখায় সিপিএম। তাতে সাধারণ মানুষও শামিল হন। মেয়র, ডেপুটি মেয়র পুরসভায় গেলে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁদের উদ্দেশ্য করে চোর চোর স্লোগান ওঠে। কোনও মতে এক মেয়র পারিষদ সদস্যের গাড়ি করে এলাকা ছেড়ে কার্যত পালিয়ে যান মেয়র গৌতম দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: কাজ দেওয়ার নাম করে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, বিক্ষোভ বিজেপির

    Balurghat: কাজ দেওয়ার নাম করে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজ দেওয়ার নাম করে ডেকে এনে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম রাকেশ শীল। তিনি তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের প্রাক্তন জেলা সভাপতি। মাস দুয়েক আগে বালুরঘাট (Balurghat) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মহিলা কর্মীদের মধ্যে গোলমালের ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল। শহরে অবৈধ নির্মাণেও নাম জড়ায় তাঁর। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্রমিক সংগঠনের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে, এখনও শহরে তৃণমূলের বাহুবলী নেতা হিসাবে তিনি পরিচিত। তবে, ধর্ষণের চেষ্টায় অভিযুক্ত হলেও পুলিশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করেনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাট (Balurghat) থানার ১০০ মিটারের মধ্যে রাকেশের মোবাইলের দোকান। ওই দোকানের দোতলায় বাথরুম সহ বিশ্রাম কক্ষ রয়েছে। সেখানেই গত মঙ্গলবার এক নাবালিকাকে তিনি ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাবা-মা পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা এখন মহারাষ্ট্রে রয়েছেন। সে দাদুর বাড়িতে থাকে। তাকে কোনও কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিলেন তার মামিমা। তৃণমূল নেতা রাকেশ তাঁর পূর্বপরিচিত। তাই ভাগ্নির কাজের জন্য তিনি রাকেশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ওই নেতা নিজেরে দোকানে ওই নাবালিকা ডেকে পাঠান। এরপর নিজের দোকানের দোতলার বিশ্রাম কক্ষের বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। কোনওরকমে ওই নাবালিকা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে, সে তার মামিমাকে গোটা বিষয়টি জানায়। ওই নাবালিকার মামিমা বালুরঘাট থানায় ওই নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই খবর জানাজানি হতেই জেলা জুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। বালুরঘাট থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শারীরিক পরীক্ষা করার পর ওই নাবালিকাকে বালুরঘাট আদালতে নিয়ে গিয়ে গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়। যদিও রাকেশের শীলের দাবি, “আমি ওদের চিনিই না। আমার এবিষয়ে কিছুই জানা নেই। আমার দোকানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। পুলিশ তার ফুটেজ তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    বিজেপির থানা ঘেরাও

    ওই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবিতে বালুরঘাট (Balurghat)থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির মহিলা মোর্চা। বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে বালুঘাট শহরে মিছিল করে এসে বালুরঘাট থানার সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রাকেশ শীলকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ও কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়।  

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, ‘আগেও ওই নেতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আসায় তাঁকে দলীয় পদ থেকে সরানো হয়েছে। এটা আইনগত বিষয়। আইন তার নিজের পথেই চলবে।’ এনিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর বক্তব্য, ‘ওই তৃণমূল নেতা দীর্ঘদিন ধরেই নানা অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বহু অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। তবুও তৃণমূল তাঁকে প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলা হয়েছে। দ্রুত তাঁকে গ্রেফতার করা না হলে আমরা আন্দোলনে নামব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে “গো ব্যাক” স্লোগান, ফের তপ্ত নন্দীগ্রাম

    Nandigram: তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে “গো ব্যাক” স্লোগান, ফের তপ্ত নন্দীগ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির মহিলা কর্মীর খুন হওয়ার খবর জানাজানি হতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় নন্দীগ্রাম (Nandigram)। তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দল ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, এমনিতেই নন্দীগ্রাম জ্বলছে। এই অবস্থায় ভোটের আগে রাজনীতি করতে এসেছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। এলাকার মানুষ তা মেনে নিয়ে পারেননি বলেই বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।

    তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে গো ব্যাক স্লোগান (Nandigram)

    ষষ্ঠ দফা ভোটের আগে বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের (Nandigram) সোনাচূড়ায় প্রাণ গিয়েছে এক বিজেপি কর্মীর। জখম আরও অন্তত সাত জন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যেই তাঁকে কলকাতায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকিদের চিকিৎসা চলছে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। এদিকে এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার বিকালে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। প্রতিনিধি দলকে ঘিরে ধরে গো ব্যাক স্লোগান দেন গ্রামবাসীরা। প্রতিনিধি দলে ছিলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যরা। নন্দীগ্রামে প্রতিনিধি দল যেতেই, তাঁদের দেখেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মনসাবাজার এলাকার বাসিন্দারা। তৃণমূলের প্রতিনিধি দল মনসাবাজার এলাকায় এসে লোকজনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কোন কোন দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যাঁরা হামলা চালিয়েছে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় কী সবটাই জানার চেষ্টা করছিলেন। সূত্রের খবর, ঠিক সেই সময় মনসাবাজার লাগায়ো গ্রাম থেকে প্রচুর লোকজন বেরিয়ে আসেন। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে উদ্দেশ্য করে তাঁরা গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    প্রসঙ্গত, বুধবার গভীর রাতে সোনাচূড়া (Nandigram) এলাকায় সশস্ত্র বাইক বাহিনী হামলা চালায়। প্রতিবাদে নন্দীগ্রাম থানা ঘেরাও করেও বিক্ষোভও দেখায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে পথ অবরোধও চলে। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি, বুধবার রাতের ঘটনা পুরোটাই পারিবারিক বিবাদ থেকে হয়েছে। এর মধ্যে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। জোর করে রাজনীতির রঙ লাগানোর চেষ্টা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কার্তিক মহারাজের পাশে সাধু-সন্তরা, মমতাকে ধিক্কার জানিয়ে  হল প্রতিবাদ মিছিল

    Murshidabad: কার্তিক মহারাজের পাশে সাধু-সন্তরা, মমতাকে ধিক্কার জানিয়ে হল প্রতিবাদ মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সারগাছির ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবমাননাকর মন্তব্য করার ঘটনায় রাজ্যজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফরে এসে এই বিষয় নিয়ে সরব হয়েছেন। এই মন্তব্যের জন্য কার্তিক মহারাজের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রবিবার তীব্র আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার বিশ্ব হিন্দু পরিষদও মহারাজের পাশে দাঁড়ালেন। অন্য সাধু-সন্তরাও কার্তিক মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে ধিক্কার সভা এবং প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।

    ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? (Murshidabad)

    শনিবার এক নির্বাচনী সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,’ সব সাধু সমান নয়। বহরমপুরের (Murshidabad) একজন মহারাজ আছেন। কার্তিক মহারাজ। আমি শুনেছি উনি বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে বসতে দেব না। তাঁকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তিনি সরাসরি রাজনীতিকরছেন। দেশের সর্বনাশ করছেন। আমি চিহ্নিত করেছি কে কে করছেন।’

    বহরমপুরে ধিক্কার মিছিলে সাধু-সন্তরা

    সোমবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের বিরোধিতায় বহরমপুরে (Murshidabad) মিছিল করেন সাধু-সন্তরা। মিছিলে হাজির ছিলেন কার্তিক মহারাজ। রবিবার ধিক্কার জানিয়ে বেলডাঙায় মিছিল করেন কার্তিক মহারাজের ভক্তরা। ভারত সেবাশ্রম সংঘের উদ্যোগে একটি ধিক্কার মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। কার্তিক মহারাজ বলেন, আমি কোনও নির্দিষ্ট দলের এজেন্ট বসতে দিইনি এমন কোনও প্রমাণ মুখ্যমন্ত্রী দেখাতে পারলে যে শাস্তি দেবেন মেনে নেব। সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার সখ্যতা রয়েছে। সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের তরফে যখন বিবৃতি জারি করে তৃণমূলকে ভোট দিতে বলা হয় তখন মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে থাকেন কেন?

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত, সপ্তাহভর বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    কার্তিক মহারাজের পাশে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    মুখ্যমন্ত্রীর লাগাতার আক্রমণের মধ্যেই কার্তিক মহারাজের পাশে দাঁড়াল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সাংবাদিক বৈঠক করে কার্তিক মহারাজকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানান পরিষদের দক্ষিণবঙ্গ শাখার সম্পাদক চন্দ্রনাথ দাস। ইসকনকে জমি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন তার বিরোধিতা করেছে ইসকন মায়াপুর। ইসকন মায়াপুরের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ‘সচেতন মানুষ যার যেখানে উচিত মনে হয় সেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এব্যাপারে কেউ হুইপ দিতে পারে না। এই ধর্মীয় সংগঠনের ব্যাপারে রাজনৈতিক উদ্দেশে কেউ কিছু না বলাই শ্রেয়।’ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা চন্দ্রনাথ দাস বলেন, ‘হিন্দু অরাজনৈতিক সংগঠনগুলিকে রাজনীতির প্রাঙ্গনে সংমিশ্রণ করে যে জঘন্য রাজনীতির আমদানি করেছেন তা অবাঞ্ছিত ও অশোভনীয় কার্যকলাপ হিসাবে গন্য হওয়া উচিত।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal University: গবেষিকার রহস্য মৃত্যুতে অধ্যাপককে গ্রেফতারের দাবি, আন্দোলনে এবিভিপি

    North Bengal University: গবেষিকার রহস্য মৃত্যুতে অধ্যাপককে গ্রেফতারের দাবি, আন্দোলনে এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (North Bengal University) এক গবেষিকার রহস্যজনক মৃত্যুতে নাম জড়ালো এক অধ্যাপকের। এমনিতেই এই গবেষিকার মৃত্যু নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মৃত্যুর দুদিন পর কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ না গ্রহণ করায় অধ্যাপকের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে আন্দোলনে নামল এবিভিপি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (North Bengal University)

    বিশ্ববিদ্যালয় (North Bengal University) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ববিতা দত্ত নামে গবেষিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে মাটিগাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অধ্যাপকের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনেছে মৃতার পরিবার। অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক বার গবেষিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বিভাগীয় প্রধান। কিন্তু, চলতি মাসে গবেষিকাকে তিনি জানান যে, বিয়ে করা সম্ভব নয়। তার পরেই ‘রহস্যজনক’ ভাবে মৃত্যু হয়েছে ববিতার।তদন্তে নেমে পুলিশ ববিতার ভাড়াবাড়ি থেকে ওই অধ্যাপকের বেরিয়ে যাওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। বস্তুত, ববিতার ঘর থেকে একটি চিঠি উদ্ধার হয়। যা সুইসাইড নোট বলেই মনে করা হচ্ছে। সেখানে অধ্যাপকের নাম রয়েছে। কিন্তু, তার পরেও কেন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা। এই ঘটনা প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দেবাশিস দত্ত বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। ছাত্রী-শিক্ষক অথবা গবেষক-অধ্যাপকের সম্পর্ক সম্মানের, শ্রদ্ধার এবং স্নেহের। সেখানে এই রকমের ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়।”

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে এবিভিপি

    সোমবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (North Bengal University) প্রশাসনিক ভবনের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কর্মী এবং সমর্থকেরা। ‘অভিযুক্ত’ বিভাগীয় প্রধানের গ্রেফতারের দাবিতে সরব পড়ুয়াদের একাংশ। এদিন দুপুরে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ল-মোড়ে গণস্বাক্ষর গ্রহণ করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনি ভবনের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এবিভিপি রাজ্য সম্পাদক দীপ্ত দের অভিযোগ, “ববিতা দত্ত আত্মহত্যা করেননি। তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share