Tag: agitation

agitation

  • West Burdwan: দেড় কোটি টাকার রাস্তা শেষ না হতেই উঠে গেল পিচ, বন্ধ করা হল কাজ

    West Burdwan: দেড় কোটি টাকার রাস্তা শেষ না হতেই উঠে গেল পিচ, বন্ধ করা হল কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় কোটি টাকা খরচ করে শুরু হয়েছে পিচের রাস্তা তৈরির কাজ। শেষ হয়নি সেই কাজ। এরমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে রাস্তার পিচ। প্রতিবাদে কাজ বন্ধ করে দিলেন স্থানীয়রা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের (West Burdwan) পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকে। তৃণমূলের জমানাতেই এই রাস্তা তৈরি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (West Burdwan)

    পশ্চিম বর্ধমানের (West Burdwan) দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের মাধাইগঞ্জ থেকে উখড়া পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার পিচের রাস্তা তৈরির বরাত পেয়েছেন এক ঠিকাদার। এই রাস্তাটি পূর্ত বিভাগ এর অর্থানুকুল্যে তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করে তৈরি হচ্ছে এই রাস্তা। কিছুদিন আগেই এই রাস্তা তৈরির ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল রাস্তার ওপর নির্মাণ সামগ্রী রেখে দেওয়ার। যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছিল পরপর। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই তড়িঘড়ি ঠিকাদার রাস্তা থেকে নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নেন। এবার ওই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার লাউদোহা মোড়ের কাছে তৈরি রাস্তার কাজ বন্ধ করলেও স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দা শতদীপ ঘটক বলেন, রাস্তা যেভাবে তৈরি হয়েছে তা মোটেও কাঙ্খিত নয়। নিয়ম মতো রাস্তা তৈরি করার আগে যে সকল পরিকল্পনা নেওয়া হয় তা নেওয়া হয়নি এখানে। তাছাড়া রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ। রাস্তার কাজ বর্তমানে চলছে তার মধ্যেই রাস্তার পিচ উঠে যাওয়ায় ঠিকাদারের এই কারচুপির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দা মৃত্যুঞ্জয় রুইদাস বলেন, যেভাবে রাস্তাটা তৈরি হচ্ছে তাতে মনে হয় এর আগেই রাস্তার যে রূপ ছিল তা অনেক ভালো। আমাদের দাবি, রাস্তাটা ভালোভাবে তৈরি হোক,  নইলে আগের মতই অবস্থায় রাস্তা ফিরিয়ে দিক ঠিকাদার।

    ঠিকাদারের এক শাগরেদকে ঘিরে বিক্ষোভ

    নতুন রাস্তা পা দিয়ে খুঁড়তেই বেরিয়ে পড়ছে পুরানো রাস্তার বেহাল রূপ। এদিন ঠিকাদারের রাস্তার কাজকর্ম দেখাশোনা করতে আসা  এক শাগরেদ কোনও সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। স্থানীয়রা তাঁকে ঘিরেই বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয়দের দাবি রাস্তাটি পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দিক। নতুবা নিয়ম মত যেভাবে রাস্তা তৈরি করার বরাত রয়েছে, সেভাবেই হোক রাস্তার কাজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: কেন্দ্র মিটিয়ে দিলেও হিলি রেল প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের টাকা থেকে বঞ্চিত জমিদাতারা

    Dakshin Dinajpur: কেন্দ্র মিটিয়ে দিলেও হিলি রেল প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের টাকা থেকে বঞ্চিত জমিদাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট হিলি রেল প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই রেল জমি অধিগ্রহণের জন্য টাকা দিয়ে দিয়েছে। জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও এখনও জমিদাতাদের টাকা মেলেনি। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা মিটিয়ে দিলেও রাজ্য তা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে, জমির টাকা পেতে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) বালুরঘাট শহরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখালেন জমিদাতারা। 

    জমিদাতারা কী বললেন? (Dakshin Dinajpur)

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) হিলি ব্লকের ত্রিমোহিনী, ধলপাড়া, পাঞ্জুল সহ একাধিক গ্রামের শতাধিক জমিদাতারা জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রশাসনকে জমি দেওয়ার জন্য সমস্ত নথি জমা করেছেন। কিন্তু এখনও জমির টাকা মেলেনি। জমিদাতাদের অভিযোগ, টাকা না পাওয়ায় কারও মেয়ের বিয়ে আটকে, কেউ অন্যত্র জমি কিনতে পারছেন না। ফলে, তাঁরা আর্থিক সংকটের মুখে পড়ছেন। এবিষয়ে হিলির ধলপাড়া এলাকার একজন জমিদাতা সুজন ঘোষ বলেন, রেলকে জমি দেওয়ার জন্য আমাদের কারও বসত জমি, কেউ আবাদি জমি দিয়েছে। এখন আমাদের টাকার প্রয়োজন। একবছর হতে চলল তবুও টাকা পাচ্ছি না। অনেকের বিবাহ যোগ্য কন্যা রয়েছে, টাকার অভাবে বিয়ে দিতে পারছি না। আবার কেউ অন্যত্র জমি কিনবে, তবুও পারছে না। ফলে আমরা আর্থিক সমস্যায় ভুগছি। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে আমাদের যাতে টাকা দিয়ে দেওয়া হয়, তার জন্য প্রশাসনকে চিঠি করেছি।

    জেলাশাসকের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। যাদের কাগজ ঠিকঠাক রয়েছে, টাকাও ঢুকে যাচ্ছে। তবে একই প্লটে অনেকেই রয়েছে। সেই বিষয়গুলি ফিল্ডে গিয়ে ভালো করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভালো করে সবার কাগজ দেখেই টাকাটা দেওয়া হবে। কারণ একটা ভুল হলে পুরো প্রকল্পের ক্ষতি হতে পারে। তাই টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। কারও দ্রুত টাকার প্রয়োজন হলেও তা দিয়ে দেওয়া হবে।

    কেন্দ্রীয় সরকার টাকা মিটিয়ে দিলেও রাজ্য টাকা দিচ্ছে না

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা বিজেপি সভাপতি স্বরুপ চৌধুরী বলেন, রেলের তরফে প্রশাসনকে ২৯৮ কোটি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, কেন এই টাকা জমিদাতাদের অ্যাকাউন্টে এখনও ঢোকেনি, সেই বিষয় প্রশাসনই বলতে পারবে। ইচ্ছে করেই দেরি করছে প্রশাসন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

     তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, টাকা যখন ঢুকতে শুরু করেছে, তাহলে সবাই টাকা পাবে। এনিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর কিছু নেই। এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত বলেই মনে হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, বালুরঘাট হিলি রেল প্রকল্পে বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত  ২৯.৭ কিলোমিটার পথ এবং ওই পথের জন্য ৩৮৬ একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রেলের তরফে ২৯৮ কোটি টাকা প্রশাসনকে দিয়েছে রেল মন্ত্রক। এছাড়াও রেলমন্ত্রী ওই প্রকল্পের জন্য ৬৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছে। এদিকে জেলাপ্রশাসনের তরফে জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যেই জেলাপ্রশাসনের তরফে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা জমিদাতাদের দিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, একই প্লটে অনেকের জমি রয়েছে। সেই প্লটের কারও না কারও কাগজের সমস্যা রয়েছে। ফলে, বাকিদেরও টাকা পেতে দেরি হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ‘হয় কাজ দিন, না হলে মৃত্যু দিন’, আন্দোলনে নেমে করুণ আবেদন আপদ মিত্রদের

    Bankura: ‘হয় কাজ দিন, না হলে মৃত্যু দিন’, আন্দোলনে নেমে করুণ আবেদন আপদ মিত্রদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন বিপর্যয়, দুর্যোগ বা দুর্ঘটনার সময়ে তাঁরা জীবন বাজি রেখে কাজ করেন আপদ মিত্ররা। তাঁদের হাতে এখন কাজ নেই। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁকুড়া (Bankura) জেলা শাসকের অফিসের সামনে রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, এই আপদ মিত্রদের মূলত অস্থায়ী ভিত্তিক ভলান্টিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন বিপর্যয় বা দুর্যোগ বা দুর্ঘটনার সময়ে। তার আগে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু, বাঁকুড়ার এই আপদ মিত্ররা দাবি করছেন, গত প্রায় দেড় বছর ধরে তাঁদের কোনও কাজে ব্যবহার করা হয়নি। এমন অবস্থায় এর আগেও তাঁরা আন্দোলন, প্রতিবাদ, বিক্ষোভে রাস্তায় নেমেছিলেন। তারপরও কোনও কাজের সুবিধা তাঁরা  পাননি। তাই, এদিন সকলে জোটবদ্ধ হলে আন্দোলনে সামিল হলেন। জেলা প্রশাসনের কর্তাদের কাছে কাজের দাবি জানালেন। যদিও প্রশাসনের কর্তারা এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    হয় আমাদের কাজ দিন, না হয় মৃত্যু দিন, দাবি বিক্ষোভকারীদের (Bankura)

    আপদ মিত্রদের কাজ কোনও স্থায়ী চাকরি নয়। কোনও বিপর্যয় বা দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই আপদ মিত্রদের ব্যবহার করা হয়। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় কোভিড পরিস্থিতির মোকাবিলাতেও আপদ মিত্রদের ব্যবহার করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ২০২২ সালে আমরা আপদ মিত্রের প্রশিক্ষণ নিয়েছি। আমাদের নিয়মিত কাজ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু, দেড় বছর ধরে হাতে কোনও কাজ নেই। বাড়িতে আমাদের অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মা আছেন। এত উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে আমরা শুধু কাজের দাবি করছি। এটা কি আমাদের পাওনা নয়? আমাদের বলা হয়েছিল, বিপর্যয়ের সময় ডাকা হবে। কিন্তু কেন ডাকা হচ্ছে না? এদিন বাঁকুড়া (Bankura) জেলা শাসকের ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, হয় আমাদের কাজ দিন, না হয় মৃত্যু দিন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: পরিচয় জানতেই মেডিক্যাল পড়ুয়াকে মার, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর স্বামী

    North 24 Parganas: পরিচয় জানতেই মেডিক্যাল পড়ুয়াকে মার, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেদের ক্যান্টিনে আক্রান্ত হলেন মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসত মেডিক্যাল কলেজে। হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা পারমিতা ঘোষের স্বামী। পঞ্চায়েত সদস্যা ক্যান্টিন চালানোর দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর স্বামী মেডিক্যাল পড়ুয়াদের গায়ে হাত তুলেছেন। ইতিমধ্যেই আক্রান্ত মেডিক্যাল পড়ুয়ারা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে, এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। রবিবার হামলাকারীর গ্রেফতারের দাবিতে প়ড়ুয়ারা রাত থেকে অনশন-বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও হস্টেল সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসত সরকারি মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিন চালানোর দায়িত্ব পান তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা পারমিতা ঘোষ। তিনি ক্যান্টিন চালান। শনিবার রাতে ক্যান্টিনে বসে ল্যাপটপ চালাচ্ছিলেন দ্বিতীয় বর্ষের এক মেডিক্যাল ছাত্র। তাঁর পিছনেই বসেছিলেন তৃণমূল নেত্রীর স্বামী। যদিও এর আগে ক্যান্টিনে ওই ব্যক্তিকে দেখেন না। ফলে, বহিরাগত ভেবে ক্যান্টিনে দেখে তাঁর পরিচয় জানতে চান মেডিক্যাল পড়ুয়া। আর সেটা জানতে গিয়ে বিপত্তি বাধে। ওই তৃণমূল নেত্রীর স্বামী নিজেকে বিএসএফ কর্মী পরিচয় দিয়ে ছাত্রদের ওপর চড়াও হন তিনি। পড়ুয়াদের মারধর করা হয়। হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও এই ঘটনা নিয়ে হামলাকারী বা তাঁর স্ত্রী তথা তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। পরে, রবিবার দুপুরের পর সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার এসে দোষীদের শাস্তি দেওয়ার আশ্বাস দিলে মেডিক্যাল পড়ুয়ারা অনশন বিক্ষোভ তুলে নেন। তৃণমূল নেত্রীকে ক্যান্টিন থেকে সরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সাংসদ।

    আক্রান্ত পড়ুয়াদের কী বক্তব্য?

    আক্রান্ত পড়ুয়াদের বক্তব্য, ক্যান্টিনে বহিরাগতরা কেউ ঢুকতে পারে না। কিন্তু, হামলাকারী ব্যক্তি ছিলেন। আমরা আপত্তি জানাতেই চড়া হয়। আমাদের যে মোবাইল ছিল সেই মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। এমনিতেই এই ক্যান্টিনে নিম্নমনের খাবার দেওয়া হয়। বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে কোনও সুরাহা হয়নি। এবার বহিরাগতরা এসে হামলা চালাল। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে। নাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। কারণ, হামলাকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আরও বড় কোনও ঘটনা ঘটতেই পারে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: তৃণমূলের মদতেই রমরমিয়ে চলছে মাটি-বালি পাচার! আটকালেন বিজেপি বিধায়ক

    Arambagh: তৃণমূলের মদতেই রমরমিয়ে চলছে মাটি-বালি পাচার! আটকালেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদী সংস্কারের নামে কোটি কোটি টাকার বালি ও মাটি তুলে তা রাতের অন্ধকারে পাচার করে দেওয়ার অভিযোগ। আরও অভিযোগ, প্রশাসনের একাংশ এবং তৃণমূলের মদতেই চলছে এই সব বেআইনি কারবার। ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) হুগলির খানাকুলের হরিশচক এলাকায়।

    রাতের অন্ধকারে পাচার হয়ে যাচ্ছে বালি ও মাটি (Arambagh)

    জানা গিয়েছে, আরামবাগের (Arambagh) মুন্ডেশ্বরী নদীতে বাঁধ সংস্কারের জন্য নদী খননের কাজ শুরু করে সেচ দফতর। সেই মতো টেন্ডার দেওয়া হয় একটি বেসরকারি ঠিকাদার সংস্থাকে। অভিযোগ, ওই বেসরকারি ঠিকাদার সংস্থার কর্মীরা বাঁধ সংস্কার ও নদী খননের নাম করে নদী থেকে বালি তুলে তা পাচার করে দিচ্ছে। দিনের আলোয় মাটি, বালি মজুত করা হচ্ছে নদী বাঁধের পাশে। আর রাতের অন্ধকারে তা ডাম্পারে ও ট্রাক্টর ,লরি করে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    তৃণমূলের মদতেই পাচার, সরব বিজেপি বিধায়ক

    আর্থ মুভার দিয়ে কখনও রাতের অন্ধকারে আবার কখনও প্রকাশ্য দিবালোকে নদী থেকে কোটি কোটি টাকার বালি ও মাটি তোলার পর তা গোপনে অন্যত্র পাচার হয়ে যাচ্ছে, এবার এমনই অভিযোগ তুলে সরব হন খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ। আটকে দেওয়া হয় বালি বোঝাই ট্রাক্টর ও লরি। ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিধায়ক সহ বিজেপি কর্মী সমর্থক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের অভিযোগ, নিয়ম মানা হচ্ছে না এই ঠিকাদার সংস্থার পক্ষ থেকে। বালি দিয়ে বাঁধ মেরামত হচ্ছে না। তাহলে ট্রাক্টরের পর ট্রাক্টর ও লরি লরি বালি যাচ্ছে কোথায়? লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে এই বালি। প্রশাসনের সমস্ত স্তরে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কোনও সঠিক উত্তর মেলেনি। আসলে প্রশাসনের একাংশ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মদতেই এসব হয়েছে।

    ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গাড়ি ও মেশিনের আওয়াজে রাতে ঘুমোতে পারা যায় না। তবে, এলাকার সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, যদি বৈধ কোনও কাজই হয় তাহলে তা দিনের আলোয় হয় না কেন? রাতের অন্ধকারে সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে কেন বালি তোলার কাজ হবে?

    মহকুমা শাসক কী বললেন?

    আরামবাগ (Arambagh) মহকুমা শাসক সুভাষিনী বলেন, নদী বাঁধের কাজের জন্য কয়েক জায়গায় খননের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নদী থেকে তোলা ওই বালি বিক্রি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ব্যুমেরাং, মমতার সিল্ক হাব তৈরির স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ল কৃষকদের জমি আন্দোলনে

    Hooghly: ব্যুমেরাং, মমতার সিল্ক হাব তৈরির স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ল কৃষকদের জমি আন্দোলনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরে কৃষকদের বাধায় টাটাদের ন্যানো কারখানার জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি তৎকালীন রাজ্য সরকার। কৃষকদের আন্দোলনের পাশে সেই সময় ছিল তৃণমূল। এখন সরকারে তৃণমূল। এবার সেই হুগলি জেলায় সিল্ক হাব করতে গিয়ে কৃষকদের বাধার মুখে পড়লেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তৃণমূল কাউন্সিলরের সামনেই চলল বিক্ষোভ। এবার ঘটনাস্থল শ্রীরামপুর। সিঙ্গুর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে স্রেফ কৃষকদের বাধায় তৃণমূল সরকার সিল্ক হাব করতে পারল না।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Hooghly)

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) শ্রীরামপুর পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রভাস নগরে সিল্ক হাব হবে বলে ২০১৬ সালে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু জমিজটে সেই সিল্ক হাব তৈরির কাজ থমকে ছিল এতদিন। কয়েকদিন আগে সেখানে নীচু জমি ভরাট করতে মাটি ফেলা শুরু হয়েছে। প্রায় কুড়ি একর জমির উপর গড়ে উঠবে সিল্ক হাব। বুধবার সকালে প্রস্তাবিত সিল্ক হাবের জায়গা মাপজোক করতে যান এসডিএলআরও দফতরের কর্মীরা। ছিলেন শ্রীরামপুর পুরসভার কাউন্সিলররাও। সেই সময় তাঁরা কৃষকদের বাধার মুখে পড়েন। সরকারি আধিকারিকদের ঘিরে ধরে তাঁদের দাবি জানাতে থাকেন কৃষকদের।

    বিক্ষোভকারী কৃষকরা কী বললেন?

    কৃষকদের বক্তব্য, বহুদিন ধরে এই জমিতে চাষ করে আসছেন। এই জমিতে সিল্ক হাব হলে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। এই জমিতে আমরা ৪০-৫০ বছর চাষ করি। সরকারি খাস জমি বলছে, সেটা কী করে হয়? আর খাস জমি যদি হয়, তাহলে সেই জমিতে আবাসের ঘর কী করে হয়? আমরা চাই সিল্ক হাব হোক, আমাদের পুনর্বাসন দিয়ে যা হওয়ার হোক। না হলে আমরা আন্দোলন শুরু করব। কোনওভাবে এখানে সিল্ক হাব হতে দেব না।

    প্রশাসনের আধিকারিকরা কী বললেন?

    যদিও প্রশাসনের দাবি, সরকারি কিছু খাস জমি পড়ে রয়েছে, সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী সিল্ক হাব করার কথা বলেছিলেন। এর মধ্যে দিয়ে হুগলির (Hooghly) শ্রীরামপুর ও বৈদ্যবাটির সিল্ক প্রিন্টিংকে এক ছাতার তলায় আনা হবে। এর ফলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও হবে। পুরভার কাউন্সিলর সন্তোষ সিং, পিন্টু নাগরা বলেন, ‘সরকারি খাস জমিতে সিল্ক হাব তৈরি হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কৃষক দরদী। কোনও কৃষককে বঞ্চিত করা হবে না। আমরা বলেছি, জমির কাগজ যদি কিছু থাকে তা নিয়ে আসুন, পুরসভায় দেখান। মুখের কথায় হবে না। যদি কাগজ থাকে কাজ বন্ধ থাকবে। আর কাগজ না থাকলে প্রশাসন নিজের মতো করে ব্যবস্থা নেবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মহকুমা হবে ধূপগুড়ি, কী হল অভিষেকের দেখানো স্বপ্নের?

    Dhupguri: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মহকুমা হবে ধূপগুড়ি, কী হল অভিষেকের দেখানো স্বপ্নের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর ২ সেপ্টেম্বর বিধানসভা উপ নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িকে (Dhupguri) মহকুমা করার ডেডলাইন উল্লেখ করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। বলা ভালো স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। যে স্বপ্ন ফেরি করেই উপ নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী জয়লাভ করেছিলেন, তা হল, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ধূপগুড়ি মহকুমা গঠন করা হবে। কিন্তু, কথা রাখেনি তৃণমূল। কারণ, নিয়ম মেনে ধূপগুড়িকে মহকুমা করতে সরকারি বিজ্ঞপ্তি এখনও জারি হয়নি। তাই, এবার মহকুমার দাবিতে বুধবার থেকে ধূপগুড়ির বিধায়কের বাড়ির সামনে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ধর্নায় বসতে চলেছে ধূপগুড়ি মহকুমা নাগরিক মঞ্চ।

    নাগরিক মঞ্চের এক কর্মকর্তা কী বললেন? (Dhupguri)  

    ধূপগুড়ি (Dhupguri) মহকুমা নাগরিক মঞ্চের এক কর্তা অনিরুদ্ধ দাশগুপ্ত বলেন, মহকুমা গঠনের জন্য অনেক তৎপরতা দেখলাম। আমাদের এসব দেখে খুব ভালো লেগেছিল। কিন্তু, বাস্তবে এই ঘোষণা যদি শুধুমাত্র ভোটের জন্য হয়ে থাকে, তাহলে এটা ধূপগুড়ির মানুষকে অপমান করা। আমরা তো বিশ্বাস করেছিলাম। সেটা রাখা হল না। আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হল। আমরা খুবই হতাশ। এভাবে তো মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হল। আমরা এর প্রতিবাদ করব। এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    মহকুমা গঠনের কথা মুখ্যমন্ত্রীও বলেছিলেন

    ১১ সেপ্টেম্বর নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধূপগুড়িকে (Dhupguri) মহকুমা করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ভোটের ফল প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই ধূপগুড়ি মহকুমা গঠনের প্রস্তাব পাশ হয়ে যায় মমতার মন্ত্রিসভায়। একাধিক ক্ষেত্রে সংস্কারের আশা দেখে অকাল হোলিতে মেতেছিলেন ধূপগুড়িবাসী। নতুন বছর শুরু হয়ে যাওয়ার পরও গঠন হল না মহকুমা। সেই দাবিতেই এবার খোদ বিধায়কের বাড়ির সামনে ধর্নার ডাক দিল নাগরিক মঞ্চ।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    বিধায়ক নির্মল রায় বলেন, ‘মহকুমা যে হচ্ছে, এটা জোর দিয়ে বলাই যায়। আইনি প্রক্রিয়ায় জটিলতা রয়েছে, সেই কারণেই সময় লাগছে। তবে, চিন্তার কোনও কারণ নেই। ধূপগুড়ির (Dhupguri) মানুষকে আমি আশ্বস্ত করছি, খুব শীঘ্রই সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে।’ কিন্তু, তাঁর এই আশ্বাসে নাগরিক মঞ্চ খুশি নয়। তাই, তাঁরা মহকুমার দাবি আদায়ে আন্দোলনের পথকে বেছে নিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: বেহাল রাস্তার দাবিতে অবরোধ, মহিলাকে হেনস্থা করে দাপট দেখালেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা

    Panihati: বেহাল রাস্তার দাবিতে অবরোধ, মহিলাকে হেনস্থা করে দাপট দেখালেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে বেহাল হয়ে গিয়েছে রাস্তা। প্রশাসনিক মহলে একাধিকবার দরবার করেও কোনও লাভ হয়নি। তাই স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা মিলেই রাস্তা অবরোধে নেমেছিলেন। কিন্তু, রাস্তা সারানোর প্রতিশ্রুতি তো দূরে থাক, উল্টে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের দাদাগিরি দেখলেন অবরোধকারীরা। এক মহিলার হাত ধরে টেনে তাঁকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) পুর এলাকার রাসমণি মোড় সংলগ্ন আর এন এভিনিউতে।

    পুলিশের সামনেই এক মহিলাকে হেনস্থা করেন এক তৃণমূল কর্মী! (Panihati)  

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পানিহাটি (Panihati) পুরসভা এলাকার এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ। খানাখন্দে ভরে রয়েছে। সকাল থেকে রাত ধূলোয় ঢাকছে এলাকা। রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রায় প্রতিদিনই ছোটবড় দুর্ঘটনা যেমন ঘটছে, তেমনি অত্যধিক ধূলোর কারণে রাস্তা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বিশেষ করে প্রবীণ ও শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। স্থানীয় পুরসভা সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। প্রশাসনিক উদাসীনতার অভিযোগ তুলে ওই এলাকার বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে আর এন এভিনিউয়ের রাস্তায় বাঁশ ফেলে অবরোধে সামিল হন। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে খড়দা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বেশকিছুক্ষণ ধরে চলে অবরোধ। অভিযোগ, অবরোধ চলাকালীন আচমকা অবরোধ তোলার জন্য তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী ঘটনাস্থলে হাজির হন। তৃণমূল নেতা রাজেশ দে-র নেতৃত্বে প্রথমে তাঁরা অবরোধ তোলার জন্য বলেন। কিন্তু, অবরোধকারীরা তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কথা না শোনায় তাঁদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অবরোধকারীরা। তাদের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই এক মহিলা অবরোধকারীকে হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে সরিয়ে দেয় তৃণমূলেরই এক কর্মী। বাধা দিতে গেলে অবরোধীকারীদের উপর চ়ড়াও হয়। উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়। বেগতিক বুঝে পুলিশ অবরোধকারীদের হটিয়ে দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    খুব শীঘ্রই রাস্তা সংস্কার করা হবে, আশ্বাস চেয়ারম্যানের

    পানিহাটি (Panihati) পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, ‘প্রথমত রাস্তাটি পুরসভার নয়, পূর্ত দফতরের রাস্তা। কাচকলের দিক থেকে ইতিমধ্যে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই তা শেষ হবে। কিন্তু, তার মধ্যেও এদিন যাঁরা অবরোধ করলেন বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বোঝাই যাচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। সাধারণ মানুষ সব কিছুই দেখতে পাচ্ছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: লোকসভায় বিজেপির পাখির চোখ ৩৫টি আসন, স্পষ্ট করে দিলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: লোকসভায় বিজেপির পাখির চোখ ৩৫টি আসন, স্পষ্ট করে দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর মহকুমার সমস্ত থানা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের নামে পুলিশ মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। নানাভাবে বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে। এমনই অভিযোগ বিজেপির। এবার সেই পুলিশের বিরুদ্ধে শুক্রবার আন্দোলনে নামল বিজেপি। এদিন বিকেলে বুনিয়াদপুরে গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), কিষাণ মোর্চার রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার, বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্বরা।

    পুলিশকে তুলোধনা সুকান্ত-র (Sukanta Majumdar)

    এদিন বিকেলে বুনিয়াদপুর শহরের ফুটবল ময়দান থেকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। যা গোটা শহর পরিক্রমার পর এসডিপিও অফিসে যায়। সেখানে বিজেপি কর্মীর-সমর্থকরা পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান। পরে, কয়েকজনের প্রতিনিধি দল এসডিপিওকে ডেপুটেশন দেন। এদিন এসডিপিও অফিসের পাশেই সভামঞ্চ করা হয়। সেখানেই জেলার পুলিশকে এক হাতে নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, এসডিপিও অফিসের অধীনে যে সব থানা আছে, সেইসব থানার পুলিশ তৃণমূলের দলদাস হিসেবে কাজ করছে। তৃণমূলের নেতারা কোথায় ওঠাবসা করছেন তা আমাদের জানা রয়েছে। পুলিশ তৃণমূল নেতাদের কথা শুনে আমাদের কর্মীদের মিথ্যে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করছে। পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের ঘর বাড়ি ভাঙা হচ্ছে। এমনকী মহিলাদের শ্লীলতাহানি করছে এই পুলিশ। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের বিক্ষোভ। কারণ, পুলিশের ভয় দেখিয়ে তৃণমূল যদি মনে করে আমাদের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেবে তা কখনও সম্ভব নয়। দলদাসের মতো পুলিশের এই আচরণ বন্ধ করতে হবে।

    লোকসভায় পাখির চোখ ৩৫টি আসন, বললেন সুকান্ত

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোকসভায় ৩৫টি আসন লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দিয়েছেন, সেটা নিয়ে আমরা এখন থেকে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। তাই, রাজ্যে তৃণমূল একা লড়বে, না কংগ্রেস বা সিপিএমকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল লড়াই করবে, তা নিয়ে আমাদের কোনও মাথা ব্যাথা নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বেহাল রাস্তা সারানোর দাবি তুলতেই তৃণমূলের রোষানলে, হামলা বিজেপি নেতার বাড়িতে

    Nadia: বেহাল রাস্তা সারানোর দাবি তুলতেই তৃণমূলের রোষানলে, হামলা বিজেপি নেতার বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট থানার রামনগর পঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রানাঘাট-কৃষ্ণনগর রাজ্য সড়ক অবরোধ করলেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    সূত্রের খবর, নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট থানার রামনগর এক নং গ্রাম পঞ্চায়েতের কালীতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি রাস্তা বেহাল হয়ে রয়েছে। সেই রাস্তা তৈরির দাবি নিয়ে এলাকাবাসীর সই সংগ্রহ করছিলেন এলাকার প্রাক্তন বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য সহ অন্যান্যরা। সেই সময়ই এলাকার বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী তৃণমূল নেতা দেবাশিস দাস ওই বিজেপি নেতাকে প্রথমে ফোনে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে দলবল নিয়ে ওই বিজেপি নেতার বাড়িতে গিয়ে হামলা চালান। হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি নিয়ে এদিন রানাঘাটে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে বিজেপির এই পথ অবরোধ এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি চলে। ঘটনার খবর পেয়ে পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে যায় রানাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস পেয়ে অবরোধ ওঠে।

    আক্রান্ত বিজেপি নেতা কী বললেন?

    বিজেপি নেতা অসীম দেবনাথ বলেন,পঞ্চায়েত সদস্য থাকার সময় একটি রাস্তা করতে পারেনি। সেই রাস্তার জন্য এলাকায় গণ স্বাক্ষর করছিলাম। তার জন্য তৃণমূলের লোকজন আমার বাড়িতে চড়াও হয়। আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। আমি চরম আতঙ্কিত বোধ করছি।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্যা সবিতা দাস এবং তাঁর স্বামী দেবাশিস দাস। তৃণমূল নেতা দেবাশিসবাবু বলেন, রাস্তাটি সংস্কার করার বিষয়ে আমরা উদ্যোগী হয়েছি। সেটা জেনে মানুষের সই সংগ্রহ করে নিজের কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন ওই বিজেপি নেতা। দলীয় কর্মীরা আপত্তি করেছেন। তা নিয়ে বচসা হয়। কোনও হামলা করা হয়নি। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share