Tag: Agnipath scheme

Agnipath scheme

  • Agnipath Scheme: নেপালি এবং গোর্খাদেরও সেনায় নিয়োগ করা হবে অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে

    Agnipath Scheme: নেপালি এবং গোর্খাদেরও সেনায় নিয়োগ করা হবে অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) সাতটি গোর্খা রেজিমেন্টে (Gorkha regiment) নেপালিদের (Nepali) এবং গোর্খাদের অগ্নিপথ (Agnipath) প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। অগ্নিপথ প্রকল্পের ভারতীয় সৈন্যদের নিয়োগের শর্ত এখানেও মানা হবে। অন্যান্যদের মতো নেপালিদেরও চার বছরের জন্য নিয়োগ করা হবে, যার পরে ২৫ শতাংশ সেনাকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য রাখা হবে। নিয়োগের তারিখ নির্ধারণের জন্য ভারতীয়, নেপাল ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মধ্যে আলোচনা চলছে। নেপাল থেকে গোর্খাদের নিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং এবং উত্তর প্রদেশের গোরখপুরে অবস্থিত দুটি গোর্খা রিক্রুটমেন্ট ডিপো (GRD)-এর মাধ্যমে হবে।

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল সেনা ও নৌসেনা  
     
    ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টের ৪৩ ব্যাটালিয়নে নেপালের আবাসিক এবং ভারতের সৈন্য রয়েছে। এই রেজিমেন্টে ৬০% নেপালিদের নেওয়া হয়, বাকি ভারতীয়দের নেওয়া হয়ে থাকে। উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, দার্জিলিং, আসাম এবং মেঘালয় থেকে গোর্খাদের নিয়োগ করা হয় এই রেজিমেন্টে। ভারতীয় গোর্খাদের নিয়োগ এই রাজ্যগুলিতে অবস্থিত আর্মি রিক্রুটমেন্ট অফিসের (ARO) মাধ্যমে করা হয়।

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    ভারত, নেপাল এবং ব্রিটেনের সেনাবাহিনী প্রথমে নিয়োগ সমাবেশের তারিখ নির্ধারণ করে। এই বিশেষ দিনে, তিনটি সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা নেপালের একটি নির্দিষ্ট স্থানে একটি লিখিত এবং শারীরিক পরীক্ষা পরিচালনা করে। এক সূত্র জানিয়েছে, “ধরা যাক, ১০০ জন প্রার্থী সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন এবং ব্রিটিশরা ২০, ভারত ৪০ এবং নেপাল সেনা ৫০ চায়। শীর্ষ ২০ জন নিয়োগপ্রাপ্তদের ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের পছন্দ দেওয়া হয়। এদের বেতন এবং ভাতা সর্বোচ্চ। পরবর্তী লট ভারত নেয় ভারত। ভারত নেপাল সেনাবাহিনীর ২.৫ গুণ বেতন ও ভাতা দেয়। ভারতীয়-আবাসিক গোর্খাদের নিয়োগের সময় সেনাবাহিনীকে সমস্যার মুখে পড়তে হয়। নেপাল থেকে গোর্খা রেজিমেন্টে যথেচ্ছ নিয়োগ হয়। একবার নেপালি সৈন্যরা ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করলে, থাইল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলি তাদের পুলিশ বাহিনীতে কাজ করার জন্য অবসরপ্রাপ্তদের নিযুক্ত করে। যারা ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং পরিষেবা দিয়েছে তাঁদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সমস্যা হয় ভারতীয়-আবাসিক গোর্খাদের নিয়ে। সম্প্রতি ভারতীয়দের জন্য সংরক্ষিত ৪০ শতাংশের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশের ঘাটতি লক্ষ্য করেছে সেনাবাহিনী। এই ঘাটতি পূরণের জন্যে সেনাবাহিনীতে কুমাওনি এবং গাদওয়ালীদের নিয়োগ শুরু হয়েছে। যদিও এটা কোনও স্থায়ী সমাধান নয়। সেনাবাহিনীর ধারনা, যখন গোর্খারা দেখবে তাদের কোটা অন্যদের কাছে যাচ্ছে তাহলে গোর্খারা সেনায় যোগদানের বিষয়ে আরও আগ্রহী হবে।     

     

  • Agnipath Syllabus: অগ্নিবীর নিয়োগের পরীক্ষার পাঠক্রম প্রকাশ বায়ুসেনার, জানুন বিস্তারিত

    Agnipath Syllabus: অগ্নিবীর নিয়োগের পরীক্ষার পাঠক্রম প্রকাশ বায়ুসেনার, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry) ‘অগ্নিপথ’ (Agnipath) প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছে। এই নিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামীতে সেনাকর্মী, বায়ুসেনা কর্মী ও নৌসেনা কর্মী নিয়োগ করা হবে।  প্রকল্পের আওতায় তরুণ-তরুণীদের ‘অগ্নিবীর’ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। প্রকল্প অনুসারে সাড়ে ১৭ থেকে ২৩ বছর বয়সীদের বাহিনীতে নিয়োগ করা হবে। অষ্টম শ্রেণী বা দশম বা দ্বাদশ ঊত্তীর্ণ প্রার্থীরা সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বার্ষিক বেতন ৪.৭৬ লক্ষ টাকা থেকে ৬.৯২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আয়ের ৩০ শতাংশ সেবা নিধিতে জমানো যাবে। সমপরিমাণ টাকা দেবে সরকারও। চার বছরের মেয়াদ শেষে কাজের ভিত্তিতে ২৫ শতাংশকে দেওয়া হবে সেনার স্থায়ী কমিশন পদে চাকরি।

    ভারতীয় সেনা (Indian Army), বায়ুসেনা (Indian Air Force) এবং নৌসেনায় (Indian Navy) চাকরির জন্যে এই প্রকল্পে আবেদন করেছেন লক্ষ লক্ষ চাকরি প্রার্থী। ইতিমধ্যেই নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে নিরাপত্তা বিভাগের এই তিন দফতর। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল সেনা ও নৌসেনা

    যারা এখন অনলাইনে আবেদন করবেন, তাঁদের নিয়োগের পরবর্তী ধাপ অগাস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু করবে ভারতীয় সেনা। প্রথম ব্যাচের কমবাইন্ড প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৬ অক্টোবর এবং ১৩ নভেম্বর। ২০২৩ সালের জুলাইয়ের শেষেই ট্রেনিং শেষ করে কাজে যোগ দেবে প্রথম ব্যাচ। এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

    অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু করেছে নৌসেনাও। চলতি মাসের ১৫-৩০ তারিখের মধ্যেই খুলে যাবে অ্যাপ্লিকেশন উইন্ডো। লিখিত এবং শারীরিক পরীক্ষা নেওয়া হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি। এই বছরেই ৩ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে নৌসেনা। 

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    ২৪ জুন থেকেই অগ্নিবীর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। বায়ুসেনায় আবেদন প্রক্রিয়া চলেছে ৫ জুলাই অবধি। ২৪-৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইন পরীক্ষা নেবে ভারতীয়  বায়ুসেনা। ডিসেম্বরের ১ তারিখের মধ্যে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এবার পরীক্ষার পাঠক্রম (Syllabus) প্রকাশ করল ভারতীয় বায়ুসেনা। https://agnipathvayu.cdac.in/AV/img/upcoming/AGNIVEER_VAYU.pdf -এই লিঙ্কে গিয়ে ডাউনলোড করতে পারবেন পিডিএফ (PDF)। 

    কী পদ্ধতিতে নেওয়া হবে পরীক্ষা?

    বিজ্ঞান এবং আরও কিছু বিষয়ে পরীক্ষা নেবে বায়ুসেনা।

    কোন পদের জন্যে আবেদন করছেন তার ওপর নির্ভর করবে পাঠক্রম। 

    দ্বাদশ শ্রেণীর ইংরেজি, অঙ্ক এবং ভৌত বিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হবে পরীক্ষা।

    যারা বিজ্ঞানের ছাত্র নন, তাঁদের জন্যে ইংরেজি, রিজনিং এবং সাধারণ জ্ঞানের ওপর প্রশ্ন করা হবে।

    প্রতি প্রশ্নে ১ নম্বর করে থাকবে।

    ভুল প্রশ্ন প্রতি ১/৪ নম্বর করে কাটা হবে।

    কোনও প্রশ্নের উত্তর না দিলে কোনও নম্বর কাটা হবে না।

    যারা লিখিত পরীক্ষায় পাশ করবেন তাঁদের দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় ডাকা হবে।

    পাঠক্রমের পিডিএফটি কী করে ডাউনলোড করবেন? 

    প্রথমে agnipathvayu.cdac.in – এই লিঙ্কে যান। 

    নীচের ‘নোটিফিকেশন’ বাটনটিতে যান। 

    এরপর ‘সিলেবাস’ বলে লিঙ্কটিতে যান।

    তারপর ডাউনিলোড করুন। 

    একটি প্রিন্টআউট নিজের কাছে রাখুন।

     

     

     

  • Ajit Doval on Agnipath: “গণতন্ত্রে প্রতিবাদ গ্রহণযোগ্য, তবে হিংসা বরদাস্ত নয়”, হুঁশিয়ারি ডোভালের

    Ajit Doval on Agnipath: “গণতন্ত্রে প্রতিবাদ গ্রহণযোগ্য, তবে হিংসা বরদাস্ত নয়”, হুঁশিয়ারি ডোভালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্প (Agnipath Scheme) নিয়ে এবার জোরদার সওয়াল করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (NSA Ajit Doval)। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, অগ্নিপথ (Agnipath) প্রকল্প প্রত্যাহারের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কারণ দেশের নিরাপত্তার কথা ভেবে, বহু বছর ধরে আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই এই প্রকল্প রূপায়িত হয়েছে। অগ্নিবীরদের (Agniveer) নিয়ে পুরো সেনাবাহিনী (Indian Army) তৈরি হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    ডোভাল জানান, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি যখন প্রধানমন্ত্রী হন, তখন তাঁর অন্যতম লক্ষ্য ছিল দেশের নিরাপত্তা বাড়ানো। কোন পথে দেশকে মজবুত করা যায়, তার জন্য অনেক পথই ভাবতে থাকেন তিনি। সেই ভাবনারই ফল এই প্রকল্প। ডোভাল বলেন, ভবিষ্যতে সব দেশেরই প্রতিরক্ষা হবে প্রযুক্তি নির্ভর। তাই যুবশক্তির প্রয়োজন। প্রয়োজন প্রশিক্ষিত আর্মড ফোর্স (Armed Forces)। 

    আরও পড়ুন: রাজনীতির রঙে থমকে যায় ভাল কাজ ! অগ্নিপথ-বিরোধিতা প্রসঙ্গে মোদি

    যারা অগ্নিবীর হতে চায় সেই যুবকদের উদ্দেশ্যে অজিত দোভালের বার্তা, সর্বদা পজিটিভ থেকো। দেশের প্রতি বিশ্বাস রাখো, বিশ্বাস রাখো নেতৃত্বের প্রতি। সর্বোপরি নিজের ওপর। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান হবে। তাঁর সাফ কথা, গণতন্ত্রে কোনও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ হতেই পারে, কিন্তু ভাঙচুর বা হিংসাকে কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে যে তাণ্ডব চলেছে, তার পিছনে একশ্রেণির স্বার্থ জড়িত বলে মন্তব্য করেন তিনি। এসবের মোকাবিলা করেই দেশ এগিয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    ডোভালের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই দেশে বিরাট পরিবর্তন এসেছে। তিনি সাহস দেখাতে পেরেছেন, সাহস দেখিয়েছেন বদল আনার। তাঁর সিদ্ধান্তের ওপর ভরসা করা যায়, তা যতই ঝুঁকির হোক না কেন। আর এই সাহসে ভর করেই আগামীর ভারত তৈরি হবে বলে আশাবাদী তিনি। 

    আরও পড়ুন: “অগ্নিপথ পছন্দ না হলে সেনায় আসবেন না”, স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    সাক্ষাৎকারে কাশ্মীর (Kashmir) থেকে পাকিস্তান (Pakistan) প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA)। ডোভালের দাবি, কাশ্মীরের মানুষ আর পাকিস্তানের পক্ষে নেই। সন্ত্রাসও বরদাস্ত করে না তারা। তারা চায় শান্তি। ধর্মঘট চালিয়ে দিনের পর দিন রাজ্যকে অচল রাখার পক্ষপাতি নয় আজকের কাশ্মীর। ২০১৯ সালের পর থেকেই তাদের এই মনোভাবে বদল এসেছে বলে মনে করেন ডোভাল (Doval)। এই সাক্ষাৎকারের মধ্যে দিয়ে অজিত ডোভাল একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে নিরাপত্তার স্বার্থে দেশ সঠিক পথেই এগোচ্ছে। দূরদৃষ্টি নিয়েই দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। 

  • Agnipath Scheme: পরিস্থিতি এমন হবে বুঝিনি! একথা কেন বললেন নৌসেনা প্রধান?

    Agnipath Scheme: পরিস্থিতি এমন হবে বুঝিনি! একথা কেন বললেন নৌসেনা প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ (Agnipath scheme) প্রকল্পের বিরোধিতায় দেশ জুড়ে এই রকম পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে ভাবতেই পারেননি, ভারতীয় নৌ সেনাবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার (Navy Chief R Hari Kumar)। হরি কুমার বলেন, ‘‘প্রকল্প নিয়ে এরকম প্রতিবাদ যে হতে পারে, তা আমি ভাবতে পারিনি ৷ আমরা প্রায় দেড় বছর ধরে এই প্রকল্পের উপর কাজ করেছি ৷ আমি অগ্নিপথ প্রকল্পের পরিকল্পনা দলের অংশ ছিলাম। এটি একটি পরিবর্তনশীল প্রকল্প। এর ফলে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে (Indian Army) বিভিন্ন উপায়ে পরিবর্তন আসবে।’’ কিন্তু এই প্রকল্পের গুরুত্ব না বুঝে এর ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে বলে জানান নৌসেনা প্রধান।

    হরি কুমারের দাবি, এই প্রকল্প দেশের যুবকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। অগ্নিপথকে কেন্দ্র করে ভুল তথ্য এবং ভুল ধারণার কারণেই দেশ জুড়ে এত প্রতিবাদ হচ্ছে বলেও তিনি মনে করছেন। তাঁর মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আগে যেখানে এক জন সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ পেতেন, এখন সেখানে চার জন সেই চাকরি করার সুযোগ পাবেন। 

    আরও পড়ুন: তারুণ্যে ভরপুর সেনা! অগ্নিপথ সঠিক দাবি কংগ্রেস নেতার

    অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী হরি কুমার। তিনি এই প্রকল্পকে, ‘ভারতীয় সেনাবাহিনীর একক বৃহত্তম মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার রূপান্তর’ বলেও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি এই প্রকল্পকে ‘পরিবর্তন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘‘এটা মেড-ইন-ইন্ডিয়া এবং মেড-ফর ইন্ডিয়া৷’’ তাঁর মতে এটি ভারতের নিজস্ব এবং ভারতের জন্য ৷ শান্তি ফেরানোর আর্জি জানিয়ে নৌপ্রধান বলেন, ‘‘আমি সবাইকে বলব, এভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন না করতে ৷ হিংসা বন্ধ করুন ৷ আগে এই প্রকল্পটা সবাইকে বুঝতে হবে ৷ শান্তি বজায় রাখুন ৷ দেশের সেবায় তরুণদের জন্য এটা একটা বড় সুযোগ৷’’

    প্রসঙ্গত, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে অগ্নিপথ প্রকল্পের ঘোষণার পর থেকেই দেশ জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, তেলঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বহু রাজ্যে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বহু যুবক। বিপর্যস্ত জনজীবন। এই প্রকল্প অনুযায়ী, সাড়ে ১৭-২১ বছরের তরুণ-তরুণীরা চার বছরের জন্য মাসিক ৩০-৪৫ হাজার টাকার চুক্তির ভিত্তিতে সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় (স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনা) যোগ দিতে পারবেন। 

  • Modi on Agnipath: রাজনীতির রঙে থমকে যায় ভাল কাজ ! অগ্নিপথ-বিরোধিতা প্রসঙ্গে মোদি

    Modi on Agnipath: রাজনীতির রঙে থমকে যায় ভাল কাজ ! অগ্নিপথ-বিরোধিতা প্রসঙ্গে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির রং ভাল কাজকেও নষ্ট করে দেয়। দেশের অগ্রগতিতে অনেক সমস্যা তৈরি হয়। অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে সারা দেশে বিরোধিতার প্রেক্ষিতে রবিবার একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এ আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য যে ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে করা অনেক কিছুই রাজনীতির রঙে দেখা হয়।”

    [tw]


    [/tw]

    অগ্নিপথ (Agnipath)-বিক্ষোভের জেরে দেশ (India)-জুড়ে চলছে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ (Protest)। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে ট্রেন (Train)। জাতীয় সড়কেও অবরোধ চলছে। সেই অগ্নিপথ আন্দোলনের আবহে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বেশ কিছুটা ক্ষোভের সুর শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়। দিল্লিতে প্রগতি ময়দানের মূল টানেল উদ্বোধনের পরে রবিবার প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ভাষণে অগ্নিপথের কথা উল্লেখ না করেই আক্ষেপের সুরে বলেন, “দেশের ভালর জন্য যা করা হয়, তাতেই রাজনীতির রঙ লেগে যায়! ১০০ টাকা দিলে খবর হয়, কিন্তু ২০০ টাকা সঞ্চয়ের কথা বললে সমালোচনা হয়। দেশের নাগরিকদের ভালোর জন্য সরকার নানা প্রকল্পের পরিকল্পনা করে। তাতে রাজনীতির রং লেগে গেলে আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।”

    আরও পড়ুন: মায়ের জন্মদিনে মাতৃপূজায় মোদি

    এদিন নয়াদিল্লিতে প্রগতি ময়দান ইন্টিগ্রেটেড ট্রানজিট করিডোর প্রকল্পের মূল টানেল এবং আন্ডারপাস উদ্বোধন করেন মোদি। দিল্লি-এনসিআর-এর সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলির বিশদ বিবরণ দিয়ে, মোদি বলেন,”গত আট বছরে মেট্রো পরিষেবা ১৯৩ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৪০০ কিলোমিটার হয়েছে। কয়েক দশক আগে ভারতীয় ঐতিহ্য প্রদর্শনের জন্য তৈরি হওয়া প্রগতি ময়দানের খুব বেশি ‘প্রগতি’ হয়নি। কাগজে কলমে উন্নয়নের একটি পরিকল্পনা ছিল। তখনকার সরকার সংবাদপত্রের শিরোনামে এটিকে নিয়ে আসার জন্য এমনিই ঘোষণা করে দিয়েছিল এবং তারপরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।”

  • Agnipath scheme: বিপুল বেতন পাবেন ‘অগ্নিবীর’রা! মেয়াদ শেষে এককালীন করমুক্ত টাকাও

    Agnipath scheme: বিপুল বেতন পাবেন ‘অগ্নিবীর’রা! মেয়াদ শেষে এককালীন করমুক্ত টাকাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশসেবার জন্য সেনাবাহিনীতে (Indian Army) যোগ দিতে চায় বহু ছেলেমেয়ে। সামরিক বাহিনীতে (Armed Forces) কাজ মানেই একদিকে কঠোর চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে দুর্দান্ত কেরিয়ার। সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) সেনাবাহিনীতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বা ‘অগ্নিপথ নিয়োগ যোজনা’-র (Agneepath Scheme) ঘোষণা করেন। এই স্বল্পমেয়াদী চুক্তিভিত্তিক ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পে নিয়োজিত জওয়ানদের পোশাকি নাম ‘অগ্নিবীর’ (Agniveer)। এই বিশেষ স্কিমের আওতায় ৪ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ হবে সেনায়। 

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিন বিভাগে সর্বভারতীয় পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ৪৬ হাজার পদে চলবে নিয়োগ। অফিসার পদ ছাড়া সেনায় সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। যদিও অনেকেই মনে করছেন, এই চুক্তিভিত্তিক চাকরির শেষে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে এগোবে ‘অগ্নিবীর’রা। মাত্র ২৫%-কে নিয়োগ করা হবে স্থায়ীপদে, বাকিদের চার বছর পরে অবসর। তবে বিদায়ী ‘অগ্নিবীর’রা অবসরকালে কেন্দ্রের থেকে এককালীন প্রায় ১২ লাখ করমুক্ত টাকা ভাতা পাবেন। এবার জেনে নেওয়া যাক কত বেতন পাবেন অগ্নিবীররা?

    আরও পড়ুন: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    চুক্তিভিত্তিক হলেও প্রথম থেকেই ‘অগ্নিবীর’দের জন্য আকর্ষণীয় বেতনের প্যাকেজ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার (Modi govt)। প্রথম বছরে মাসিক ৩০ হাজার টাকা করে বেতন ধার্য করা হয়েছে। তার মধ্যে হাতে মিলবে ২১ হাজার টাকা। ৯ হাজার টাকা করে কেটে নেওয়া হবে। সরকারও সমপরিমাণ টাকা দেবে। অর্থাৎ প্রতিমাসে ১৮ হাজার টাকা করে জমবে ‘অগ্নিবীর’দের। ওই টাকা জমিয়ে চার বছর চাকরির শেষে ‘সেবা নিধি’ (Seva Nidhi) প্রকল্পের মাধ্যমে এককালীন ১১ থেকে ১২ লাখ টাকা পাবেন ‘অগ্নিবীর’রা। তবে কোনও প্রভিডেন্ট ফান্ড থাকবে না। যেহেতু এই সেবা নিধি তহবিলই প্রভিডেন্ট ফান্ডের অনুরূপ।

    চাকরি জীবনের দ্বিতীয় বছরে প্রতি মাসে বেতন হবে ৩৩ হাজার টাকা। তৃতীয় বছরে হবে সাড়ে ৩৬ হাজার টাকা এবং শেষ বছরে ওই বেতন গিয়ে দাঁড়াবে ৪০ হাজার টাকায়। তখন জওয়ানদের নেট পে হবে ২৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রথম বছরে ‘অগ্নিবীর’দের মোট বার্ষিক প্যাকেজ হবে ৪.৭৬ লাখ, এবং চার বছর শেষে তাদের মোট বার্ষিক প্যাকেজ হবে ৬.৯২ লাখ টাকা। এছাড়াও, মেয়াদ ফুরলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ থাকবে।

    এছাড়াও কর্মরত অগ্নি সেনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব নেবে সরকার। চুক্তিভিত্তিক কর্মরত সেনাদের চাকরি করতে করতে মৃত্যু হলে পরিবারকে এক কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য করবে কেন্দ্র। এছড়া অঙ্গহানি বা কোনওরকম দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ৪৮ লাখ টাকা দেওয়া হবে।

  • Agnipath Scheme: ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প কী? কীভাবে করতে হবে আবেদন? জেনে নিন সব খুঁটিনাটি 

    Agnipath Scheme: ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প কী? কীভাবে করতে হবে আবেদন? জেনে নিন সব খুঁটিনাটি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:অগ্নিপথ’ (Agnipath) প্রকল্পের মাধ্যমেই এবার থেকে জওয়ান নিয়োগ করা হবে সেনাবাহিনীতে (Indian Army)। মঙ্গলবার এমনই ঘোষণা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনায় নিয়োগের ক্ষেত্রে আধুনিক এই পন্থা অবলম্বন করতে চায় কেন্দ্র। 

    কেন্দ্রের ঘোষণা অনুযায়ী, এই প্রকল্পে অংশ নিতে পারবেন, সাড়ে ১৭ থেকে ২৩ বছর বয়সি ছেলেরা। এই প্রকল্পে যাদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে, তাঁরা ‘অগ্নিবীর‘ (Agniveer) নামে পরিচিত হবেন। প্রতিবছর সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রেজিমেন্টে যত শূণ্যপদ হবে, তার ওপর নির্ভর করে প্রতিবছর নিয়োগ করা হবে।  প্রথম বছর নেওয়া হবে ৪০ হাজার যুবককে। প্রথম বছর তাঁরা পাবেন ৩০ হাজার টাকা। চতুর্থ বছরে গিয়ে পাবেন ৪০ হাজার টাকা। আয়ের ৩০ শতাংশ তাঁরা জমাতে পারবেন। সম পরিমাণ টাকা দেবে সরকারও। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ
     
    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, চার বছরের মেয়াদ শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ২৫ শতাংশকে স্থায়ী কর্মী হিসেবে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হবে। বাকি ৭৫ শতাংশকে দেওয়া হবে ১০-১১ লক্ষ টাকা করমুক্ত ভাতা।

    এক নজরে এই প্রকল্প সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক: 

    আরও পড়ুন: “Agnipath”: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    অগ্নিপথ প্রকল্পটি কী? 

    সশস্ত্র বাহিনীতে প্যান ইন্ডিয়ার চ্যুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া। যারা এই প্রকল্পে চাকরি পাবেন তাঁদের ‘অগ্নিবীর’ বলা হবে। পাহাড়, মরুভূমি, স্থল, বায়ু, সমুদ্র যেকোনও বিভাগের দায়িত্ব পেতে পারেন অগ্নিবীররা।

    মহিলারা এই পদে আবেদন করতে পারবেন? 

    এই মুহূর্তে না। কিন্তু পরবর্তীতে মহিলাদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। 

    এই চাকরির সময়সীমা কী?

    চারবছরের জন্যে নিয়োগ করা হবে এই অগ্নিবীরদের।

    কত বেতন পাবেন এই অগ্নিবীরেরা?

    শুরুতে বেতন হবে ৪.৭৬ লক্ষ। সময়ের সঙ্গে বেতন বাড়বে। শেষের বছরে ৬.৯২ লক্ষ অবধি বেতন পাওয়া যাবে।

    এই অগ্নিবীররা কী সশস্ত্রবাহিনীতে স্থায়ী চাকরি পেতে পারেন?

    চার বছর শেষে এই অগ্নিবীরদের মধ্যে ২৫%-কে স্থায়ীভাবে সশস্ত্রবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে এবং বাকিদের করমুক্ত ভাতা দিয়ে অবসর দেওয়া হবে।

    কীভাবে আবেদন করা যাবে এই চাকরিতে?

    এই ওয়েবসাইটগুলিতে কিছুদিন পর থেকে আবেদন করা যাবে।

    joinindianarmy.nic.in
    joinindiannavy.gov.in
    careerindianairforce.cdac.in

    ট্রেনিং-এ কী কী বিষয় রয়েছে?

    সাধারণ সশস্ত্র বাহিনীর ট্রেনিং-এর সাথে অগ্নিবীরদের আংশিক মিলিটারি ট্রেনিং-ও দেওয়া হবে। 

    কখন আবেদন করা যাবে?

    মঙ্গলবারই এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে আবেদনের প্রক্রিয়া। 

     

  • Defence Recruitment “Agnipath”: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    Defence Recruitment “Agnipath”: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনাবাহিনীর অগ্নিপথে দেশের তরুণরা। সেনার (Army) তিন বিভাগে চাকরি নিয়ে মঙ্গলবার “অগ্নিপথ প্রকল্পের” ঘোষণা করলেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। দেশের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে দেশাত্মবোধ জাগাতে এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তিনি। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক অ্যাখ্যা দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Defence Minister)। এই প্রকল্পের আওতায় ১৭ থেকে ২১ বছর বয়সী তরুণরা দেশের সেনাবাহিনীতে সাময়িকভাবে ” অগ্নিবীর” (Agniveer) হিসেবে কাজে যোগ দিতে পারবেন। ৪ বছরের চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগে মিলবে আকর্ষণীয় বেতন সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা।

    [tw]


    [/tw]

    জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্যই হল বেতন, পেনশন বিল কমানো এবং অস্ত্রের জরুরি সংগ্রহের জন্য তহবিল খালি করা। এই প্রকল্পের অধীনে চার বছরের জন্য সেনাতে লোক নিয়োগ করা হবে। এই চার বছরের কাজের মধ্যে চাকরি প্রার্থীদের প্রথম ছয় মাস প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। নিয়োগের প্রথম কিস্তিতে ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর তিন শাখায় ৪৫,০০০ এর বেশি নিয়োগ হবে। সরকারি তরফে তাঁদের জন্য ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা বেতন বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও চিকিৎসা, বিমা সহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবেন তাঁরা। 

    চার বছর পর এই সৈন্যদের মধ্যে মাত্র ২৫ শতাংশকে স্থায়ীভাবে কাজে বহাল রাখা হবে। তাঁরা ক্যাডারে নিযুক্ত হয়ে আরও ১৫ বছর নন-অফিসার পদে চাকরি করতে পারবেন।জানা গিয়েছে, চার বছরের মেয়াদে চাকরি চলে যাওয়ার আনুমানিক ৩০ দিনের মধ্যে ২৫ শতাংশ সেনাকে চাকরিতে ফিরিয়ে আনা হবে। চাকরিতে যোগ দেওয়ার নয়া তারিখ ধরে তাঁদের নিয়োগ করা হবে। সেই তারিখের ভিত্তিতেই বেতন এবং পেনশন পাবেন সেনারা। এই পদ্ধতিতে নিয়োগ চালু হলে সেনাদের প্রথম চার বছরের পেনশনের ভার বহন করতে হবে না কেন্দ্রকে। তার ফলে প্রচুর ৫.২ কোটি টাকা বাঁচবে সরকারের।

    [tw]


    [/tw]

    চার বছরের জন্য সেনাবাহিনীতে থাকবেন যাঁরা ‘সেবা নিধি প্যাকেজ’ এর অন্তর্ভুক্ত হবেন সৈনিকরা। তাঁদের বেতনের ৩০ শতাংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য কাটা হবে তাতে সরকারও সমান অবদান রাখবে। এর ফলে সৈন্যরা চার বছরের চাকরির পরে তাদের অবসর গ্রহণের সময় এককালীন ১০ লাখ টাকা পাবে। যদিও চাকরি ছাড়ার পর তাঁরা আর পেনশন যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।  

    দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) সঙ্গে স্বল্পমেয়াদী নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠকে বসেছিল দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। এবার পরিকল্পনাটি সামরিক বিষয়ক বিভাগ দ্বারা বাস্তবায়ন হতে চলেছে। এবার থেকে সামরিক বাহিনীতে স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে নিয়োগ চলবে। এই প্রকল্পের ফলে প্রতিরক্ষা খাতে সরকারের ব্যায়ও কিছুটা কমবে। আর্থিক সাশ্রয়ের জন‌্যই জওয়ান ও অফিসার নিয়োগে এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ভাবনা কেন্দ্রের। 

    এই প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা বাহিনীর তিন বিভাগের প্রধানেরা। সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে জানান, এই প্রকল্পের ফলে সেনাবাহিনীতে তরুণ এবং অভিজ্ঞ সেনাদের যথোপযুক্ত সংমিশ্রণ ঘটবে। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরী বলেন, বিমানবাহিনীতে আধুনিক-প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটাতে তরুণ সম্প্রদায় বড় ভূমিকা নেবে। নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার জানান, মহিলারাও এই প্রকল্পে সমান সুবিধা পাবেন। মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের নিয়োগ সম্পূর্ণ হবে। প্রশিক্ষণের পর ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রথম দফায় কাজ শুরু করবে ‘অগ্নিবীর’রা।

     

  • Agnipath Scheme: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    Agnipath Scheme: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক বছরের মধ্যেই প্রায় ১২ লক্ষ ভারতীয় সেনা জওয়ানের মধ্যে ৫০ শতাংশই হবে ‘অগ্নিবীর‘ (Agniveer)। বুধবার এমন দাবি করলেন ভারতীয় সেনা (Indian Army) উপপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (Lt General) বাগগাভল্লি সোমশেখর রাজু (BS Raju)।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, চলতি বছরে ৪৬ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে। তাঁদের জন্য ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের (Agnipath Scheme) আওতায় সেনার নিয়ন্ত্রণে তৈরি হবে সম্পূর্ণ নতুন একটি বাহিনী। এ প্রসঙ্গে বিএস রাজু এদিন বলেন, “শীঘ্রই এই পদ্ধতিতে সেনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলতি বছর ৪০ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে।

    ছয়-সাত বছরের মধ্যে এর সংখ্যা দাঁড়াবে এক লক্ষ ২০ হাজার। দশ-এগারো বছরের মধ্যে সংখ্যাটা হবে এক লক্ষ ৬০ হাজার।” অফিসার পদে নিয়োগ ছাড়া প্রায় সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে বলে জানান সেনা উপপ্রধান। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ হতে থাকলে ২০৩০-৩২ সালের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে অগ্নিবীররাই ৫০ শতাংশ স্থান দখল করবেন।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র পৃথ্বী-২এর সফল উৎক্ষেপণ

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (Ministry of Defence) দাবি, অগ্নিপথ প্রকল্প সশস্ত্র বাহিনীতে অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের ভারসাম্য আনবে। শুধু পুরুষরা নন, মহিলারাও স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনায় অগ্নিবীর হওয়ার সুযোগ পাবেন। নৌসেনা (Navy) ও বায়ুসেনায় (IAF) চলতি বছর তিন হাজার করে অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে। প্রথম বছরে সেনার তিন বিভাগে অগ্নিবীরের সংখ্যা হবে ৪৬ হাজার এর পরের বছর তা বেড়ে হবে ৪৬ হাজার ৫০০। দ্বিতীয় বছর বায়ুসেনায় অতিরিক্ত ৫০০ জন নিয়োগ করা হবে। তৃতীয় বছর সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াবে ৫২,৪০০। সেনায় (Army) অগ্নিবীরের সংখ্যা হবে ৪৫ হাজার, নৌবাহিনীতে তিন হাজার এবং বায়ুসেনায় চার হাজার ৪০০।

    গত দুবছর সেনায় নিয়োগ হয়নি। তাই চতুর্থ বছরের সেনায় প্রায় ৫০ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে বলে জানান বিএস রাজু। সূত্রের খবর,নতুন বাহিনীর উর্দি হবে ভারতীয় সেনার ধাঁচেই। তবে থাকবে চিহ্নিতকরণের জন্য পৃথক ব্যাজ ও রঙের ‘ইনসিগনিয়া’। তবে এ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।

    বর্তমানে ভারতীয় সেনার গড় বয়স ৩২। অগ্নিবীর নিয়োগ শুরুর ৬-৭ বছরের মধ্যে তা ২৪ থেকে ২৬-এ নেমে আসবে বলে জানান রাজু। এই ‘নতুন রক্তে’ ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Indian Armed Forces) যুদ্ধ-ক্ষমতা বাড়বে বলে বিশ্বাস সেনা উপপ্রধানের। সেনাবাহিনী হবে আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর।

  • Agnipath scheme: ৭.৫ লক্ষ আবেদন! অগ্নিপথে আগ্রহী তরুণ সমাজ, জানালেন বায়ুসেনা প্রধান

    Agnipath scheme: ৭.৫ লক্ষ আবেদন! অগ্নিপথে আগ্রহী তরুণ সমাজ, জানালেন বায়ুসেনা প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্পে সেনা নিয়োগে আবেদন পাঠিয়েছেন প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ প্রার্থী৷ এর থেকেই বোঝা যায় দেশের যুবসমাজ অগ্নিপথ (Agnipath) প্রকল্প নিয়ে কতটা আগ্রহী। এমনটাই জানালেন ভারতীয় বায়ু সেনা (Indian Air Force) প্রধান ভিআর চৌধুরি (VR Chaudhari)৷ তিনি বলেন, “ভারতীয় বায়ুসেনা পরিচালিত অগ্নিপথ প্রকল্পের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে ৷ অতীতে ৬ লক্ষ ৩১ হাজার ৫২৮ জন আবেদন করেছিলেন ৷ সেই সংখ্যা ছাপিয়ে এবার ৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ৮৯৯ জনের আবেদনপত্র গৃহীত হয়েছে ৷ এর থেকেই বোঝা যায় যতই বিরোধিতা হোক না কেন দেশের তরুণরা অগ্নিপথে আগ্রহী।” 

    দেশজুড়ে বিক্ষোভের মাঝেই ভারতীয় বায়ু সেনা অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের বিস্তারিত প্রকাশ করেছিল ৷ বায়ু সেনায় এই প্রকল্পের আওতায় নিযুক্ত জওয়ানদের ‘ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স অ্যাক্ট ১৯৫০’ অনুযায়ী পরিচালনা করা হবে ৷ বিবৃতিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, চার বছরের মেয়াদ শেষে অগ্নিবীররা সমাজে ফিরে যাবেন ৷ ভারতীয় বায়ুসেনার প্রকাশিত এই বিস্তারিত বিবৃতিতে প্রার্থীদের বয়সসীমা, ফিজিক্যাল ফিটনেস, মেডিক্যাল পরীক্ষা, চাকরির শর্ত, ট্রেনিং এবং মূল্যায়ন সম্বন্ধে জানানো ছিল ৷ অগ্নিবীররা বছরে ৩০ দিন ছুটি পাবেন ৷ চাকরির শুরুতেই প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা বেতন পাবেন তাঁরা ৷ প্রতি বছরে বেতন বৃদ্ধিও হবে ৷

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে মুখোমুখি জয়শঙ্কর-ওয়াং ই! চলতি মাসের শেষে ফের বৈঠক চিন ও ভারতের

    বায়ুসেনা প্রধান জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই নিয়েগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। কী করে সব কাজ ঠিকমতো করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়ের মধ্যে শেষ করা যাবে, সেটাই এখন চ্যালেঞ্জের। সোমবারও এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Defence Minister Rajnath Singh) সঙ্গে বৈঠক করে বিরোধীরা। সংসদের বাদল অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার কথাও বলা হয়। এর মধ্যে বায়ুসেনা প্রধানের এই অভিমত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ৮ অক্টোবর বায়ুসেনা দিবস (Air Force Day) নিয়েও এদিন কথা বলেন এয়ার চিফ মার্শাল। তিনি জানান এবছর চণ্ডিগড়ে (Chandigarh) এয়ার ফোর্স ডে প্যারেড অনুষ্ঠিত হবে। সে নিয়েও প্রস্তুতি চলছে।

LinkedIn
Share