Tag: Agriculture

Agriculture

  • India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও কানাডা (India And Canada) অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India And Canada)

    নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মোদি ও কার্নির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি হয়।  সেখানে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়। বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে কার্নি লেখেন, “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ও পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক-সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

    ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরাম

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কার্নি এদিন বিকেলে ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে কার্নির এই সফর (Mark Carney)। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক উদ্বেগ ও সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান, জনগণ-স্তরের দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন (India And Canada)। এদিন দিনের শুরুতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, মোদি-কার্নি বৈঠকের আগে। বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সকালে নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত। ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার তাঁর অঙ্গীকারের প্রশংসা করছি (Mark Carney)।”

    ভারত সফরে সস্ত্রীক কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কার্নি, তাঁর স্ত্রী ডায়ানা ফক্স কার্নিকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রথম সরকারি সফরে শুক্রবার মুম্বই পৌঁছেছিলেন। সোমবার তিনি নয়াদিল্লিতে আসেন। এর পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছি। কানাডা ও ভারত দুই আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ, যারা একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে চায়। আমাদের জনগণের জন্য আরও নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা জ্বালানি, প্রতিভা, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি (India And Canada)।”

    মুম্বইয়ে কার্নি ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডিয়ান পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন (Mark Carney)। শুক্রবার মুম্বই পৌঁছানোর পর কার্নি ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি বলে অভিহিত করেছিলেন। কানাডীয় কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিকারী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছিলেন তিনি (India And Canada)। নভেম্বর ২০২৫-এ জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে সর্বশেষ মোদি-কার্নি সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে মোদি জানিয়েছিলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ভারত (Mark Carney)।

     

  • Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ (এআই) বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও কানাডা কীভাবে (Tata Group) অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    কার্নির বক্তব্য (Canada PM)

    এক্স হ্যান্ডেলে কার্নি লিখেছেন, “কানাডা ও ভারত—উভয়ই দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি, যাদের জ্বালানি, প্রযুক্তি ও এআই খাতে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন এবং আমি মুম্বইয়ে সাক্ষাৎ করেছি—আমাদের দুই দেশ কীভাবে এই ক্ষেত্রগুলিতে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে উভয় দেশের মানুষের জন্য অধিকতর নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে মার্ক কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভারতে সরকারি সফরে রয়েছেন। এটি প্রধানমন্ত্রী কার্নির প্রথম সরকারি ভারত সফর। কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে পৌঁছন। পরবর্তী দু’দিনে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডীয় পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন (Canada PM)।

    ভারত-কানাডা সিইও ফোরামে অংশ নেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী কার্নির ১ মার্চ নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে দুই প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে কানানাস্কিসে এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে তাঁদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হবে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুই নেতা চলমান সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলি—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন, এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক—পর্যালোচনা করবেন (Canada PM)। এছাড়াও তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করবেন।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। উল্লেখ্য যে (Tata Group), দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

     

  • PM Modi: ‘নমস্তে’! প্রথম পাতা জুড়ে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ প্রচ্ছদ ইজরায়েলি পত্রিকার

    PM Modi: ‘নমস্তে’! প্রথম পাতা জুড়ে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ প্রচ্ছদ ইজরায়েলি পত্রিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামাম বিশ্বে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দ্বিতীয়বারের জন্য ইজরায়েলে যাচ্ছেন তিনি। তার আগে ইজরায়েলের সংবাদপত্র ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট  ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে একটি বিশেষ প্রথম পৃষ্ঠা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক-ইন-চিফ জিভিকা ক্লাইন ২৪ ফেব্রুয়ারি এক্স হ্যান্ডেলে এই বিষয়টি জানান।

    পত্রিকার সম্পাদকের আবেদন (PM Modi)

    তিনি লিখেছেন, “আগামীকালের পত্রিকা আমরা জেরুজালেমে মুদ্রণের জন্য পাঠিয়েছি, প্রধানমন্ত্রী @নরেন্দ্রমোদির ঐতিহাসিক ইজরায়েল সফর উপলক্ষে—২০১৭ সালের পর এটি তাঁর প্রথম সফর। এই উপলক্ষে এটি আমাদের বিশেষ @জেরুজালেম পোস্ট কভার। আপনাদের কী মনে হয়?” প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পাঠকদের আহ্বানও জানান তিনি। বুধবার ভারতীয় সময় বিকেল প্রায় ৪টায় প্রধানমন্ত্রী মোদি পৌঁছবেন ইজরায়েলে। ২০১৭ সালের পর এটি তাঁর প্রথম ইজরায়েল সফর। সফরকালে তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি ইজরায়েলের সংসদ ‘কনেসেট’-এ ভাষণও দেবেন, যা হবে সেখানে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণ।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “দুই নেতা ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বে অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও মতামত বিনিময় হবে।” ইজরায়েল-ইরান সংঘাত শুরু পর গাজার পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সফরের আগে উভয় দেশই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সন্ত্রাস মোকাবিলায় গোয়েন্দা ও তথ্য আদান-প্রদান জোরদার-সহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দুই দেশ।

    মঙ্গলবার উভয় দেশ জোর দিয়ে বলেছে, সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় “টেকসই ও সর্বাঙ্গীণ পদ্ধতিতে” সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজন। ভারত-ইজরায়েল যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবিরোধী ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘ, ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা মজবুত করার অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করেছে দুই পক্ষ।” তেল আভিভাবের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে প্রকাশিত বিদায়ী বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ককে একটি দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেন।

     

  • US Trade Deal: কৃষি ও দুগ্ধ খাত সুরক্ষিতই থাকবে, ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট কেন্দ্রের

    US Trade Deal: কৃষি ও দুগ্ধ খাত সুরক্ষিতই থাকবে, ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য আলোচনা (US Trade Deal) ডকুমেন্টেশনের পর্যায়ে এগোচ্ছে। তবে কৃষি ও দুগ্ধ খাতে নিজেদের দীর্ঘদিনের অনড় অবস্থানই বজায় রাখবে ভারত, এমনটাই (Agriculture Dairy) ইঙ্গিত মিলল সরকারের শীর্ষ কর্তাদের তরফে। তাঁদের স্পষ্ট বার্তা, সংবেদনশীল কৃষি খাতগুলিকে বড় ধরনের বাজার উন্মুক্তকরণ সংক্রান্ত কোনও প্রতিশ্রুতির আওতায় আনা হবে না।

    কৃষিপণ্য ও দুগ্ধ খাত (US Trade Deal)

    সংবেদনশীল কৃষিপণ্য ও দুগ্ধ খাতকে চুক্তির আওতার বাইরে রাখার বিষয়ে নয়াদিল্লির অবস্থান অপরিবর্তিতই রয়েছে। এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “যে অবস্থান ছিল, সেটাই রয়েছে।” তিনি বলেন, “কৃষি ও দুগ্ধ খাতে সংবেদনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে আমাদের প্রচলিত অবস্থানই বজায় থাকবে। আমাদের কৃষকদের স্বার্থ কোনওভাবেই ক্ষুণ্ণ করা হবে না।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে ওই খাতগুলির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংবেদনশীলতার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।

    বাণিজ্য চুক্তি

    প্রসঙ্গত, এই বক্তব্যটি এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন এর একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ ঘোষণা করেন, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির লক্ষ্য হল, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে কার্যকর হতে চলা পারস্পরিক শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো। ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তির ফলে ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নামবে এবং ভারতের বাজারে প্রবেশকারী মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক শূন্যে নেমে আসবে। তবে নয়াদিল্লির কর্তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, উভয় পক্ষের আলোচকরা এখনও চুক্তির সূক্ষ্ম শর্তাবলি ও আনুষ্ঠানিক নথি চূড়ান্ত করার কাজেই ব্যস্ত রয়েছেন (Agriculture Dairy)।

    দেশীয় উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন

    ভারতের বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবিকা কৃষি ও দুগ্ধ খাতের সঙ্গে যুক্ত। লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এই খাতগুলির ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে দুগ্ধ খাত মূলত ছোট, পারিবারিক স্তরের উৎপাদকদের দখলে—বড় কর্পোরেট খামার নয়। নীতিনির্ধারক ও মুক্ত বাণিজ্যের সমালোচকরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে যে— যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলির ভর্তুকিপ্রাপ্ত, বৃহৎ আকারের কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার জন্য ভারতীয় বাজার খুলে দিলে দেশীয় উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থানে ধস নামতে পারে (US Trade Deal)। কৃষি খাতে অধিকতর প্রবেশাধিকার দিতে ভারতের অনীহা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় বারবার সংঘাতের কারণ হয়েছে। দুগ্ধ ও সয়াবিনের মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল খাত খুলে দিতে নয়াদিল্লি ধারাবাহিকভাবে আপত্তি জানিয়েছে, যদিও অন্যান্য আলোচনায় নির্বাচিত কিছু ক্ষেত্রে বাজারে প্রবেশাধিকার দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র কাঠামোর আওতায় কৃষি ও দুগ্ধ খাত সুরক্ষিতই থাকবে (Agriculture Dairy)।

    চুক্তির অংশ

    এই চুক্তির অংশ হিসেবে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সম্ভাব্যভাবে ভেনেজুয়েলা থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করবে—এমন দাবিও করেছেন ট্রাম্প। তবে ভারতীয় সরকারি সূত্র এই দাবি খারিজ করে ‘মানুষ-প্রথম’ এবং বাজারনির্ভর জ্বালানি নিরাপত্তা নীতির কথা আবারও একবার জানিয়ে দিয়েছে মার্কিন কর্তাদের। সরকারি এক শীর্ষ কর্তা বলেন, “যে বাজারে সবচেয়ে ভালো চুক্তি পাওয়া যাবে এবং যেসব সংস্থা নিষেধাজ্ঞার আওতায় নেই, সেখান থেকেই আমরা তেল কিনব। আমাদের কৌশল নির্ধারিত হবে বাজারদরের ভিত্তিতে।” বিশ্বের তৃতীয় (US Trade Deal) বৃহত্তম তেল আমদানিকারী দেশ ভারত বর্তমানে রুশ অপরিশোধিত তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভারত দৈনিক প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেল রুশ তেল আমদানি করে, যা মোট আমদানির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। অন্তত এমনটাই জানিয়েছে বৈশ্বিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষক সংস্থা ক্লেপলারের তথ্য।

    ভারতের অবস্থান

    এই অবস্থান ভারতের পরিশোধন শিল্পের সাম্প্রতিক পদক্ষেপেও প্রতিফলিত হয়েছে। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নিষেধাজ্ঞামুক্ত সরবরাহকারীদের মাধ্যমে ছাড়ে রুশ অপরিশোধিত তেল কেনা আবার শুরু করেছে এবং সেই তেল গুজরাটের জামনগর শোধনাগারে পাঠানো হচ্ছে। দেশের বৃহত্তম রিফাইনারি সংস্থাটি আফ্রাম্যাক্স ট্যাঙ্কার ভাড়া করেছে এবং রুশ এক্সপোর্টের মতো সংস্থা থেকে তেল সংগ্রহ করে দৈনিক ৬ লক্ষ ৬০ হাজার ব্যারেল ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিটে সরবরাহ করছে, যা মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটায় (Agriculture Dairy)। আধিকারিকরা বলেন, “নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলি থেকে ভারত তেল কিনবে না, তবে ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় সেখান থেকে আমদানি পুনরায় শুরু হবে।” এক আধিকারিক বলেন, “নিষেধাজ্ঞা থাকাকালীন আমরা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনিনি। এখন নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে, তাই আমরা কিনব (US Trade Deal)।”

    ট্রাম্পের দাবি

    ট্রাম্পের আরও দাবি, ভারত ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে—যার মধ্যে জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি, কয়লা ও অন্যান্য খাত অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি শুল্ক ও অশুল্ক বাধা তুলে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ভারতীয় আধিকারিকদের বক্তব্য, এই বিপুল অঙ্কটি মূলত দীর্ঘমেয়াদি বিমান কেনা এবং সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকে নির্দেশ করে, তাৎক্ষণিক আমদানির বাধ্যবাধকতাকে নয় (Agriculture Dairy)। এর আগে এক আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমে বলেছিলেন, “মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি ওষুধ, টেলিকম, প্রতিরক্ষা, পেট্রোলিয়াম ও বিমান খাতের মতো ক্ষেত্রগুলির অন্তর্ভুক্ত। এটি বহু বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।” সরকারের দাবি, প্রস্তাবিত এই চুক্তি ভারতের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। বাণিজ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে নভেম্বর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রফতানি বছরে প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়ে ৮৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের আমদানি হয়েছে ৪৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (US Trade Deal)।

    তবে আপাতত নয়াদিল্লি স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিচ্ছে, রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে সংবেদনশীল কৃষি খাতগুলিকে আলোচনার টেবিলের বাইরে রাখা হবে। বার্তা পরিষ্কার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়তে ভারত আগ্রহী হলেও, দেশের কৃষকদের জীবিকার (Agriculture Dairy) সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা হবে না।

     

  • India: গত ১০ বছরে প্রায় তিন গুণ বেড়েছে ভারতের  কৃষি রাসায়নিক রফতানি

    India: গত ১০ বছরে প্রায় তিন গুণ বেড়েছে ভারতের  কৃষি রাসায়নিক রফতানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ বছরে প্রায় তিন গুণ বেড়েছে ভারতের (India) কৃষি রাসায়নিক রফতানি। ২০২৫ অর্থবর্ষে এই রফতানি পৌঁছেছে ৩.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ২০১৪-’১৫ সালে এর পরিমাণ ছিল ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এভাবে ভারত চিন ও আমেরিকার পর কৃষি রাসায়নিক রফতানিতে তৃতীয় বৃহত্তম দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি এমনই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে ভারতের এগ্রো-কেমিক্যালস ফেডারেশন (ACFI) ও ডেলয়েটের তৈরি একটি রিপোর্টে (Agrochemical Exporter)।

    সরকারকে প্রস্তাব (India)

    এই প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে এসিএফআই সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছে একটি প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) স্কিম তৈরি করতে। এই খাতের জন্য কর ছাড় ঘোষণা করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, এই পদক্ষেপগুলি গুরুত্বপূর্ণ মলিকিউল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাবে এবং ভারতের বিভিন্ন জায়গায় কৃষি রাসায়নিক উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। এর ফলে বৃদ্ধি পাবে দেশীয় উৎপাদন। ভারতের প্রধান কৃষি রাসায়নিক কোম্পানিগুলির প্রতিনিধিত্বকারী এই সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, গবেষণা ও উন্নয়নে আরও বেশি পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বের প্রয়োজন। বাড়াতে হবে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (MSMEs)-এর সক্ষমতা।

    ভারতীয় কৃষি রাসায়নিক বাজারের মূল্য

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় কৃষি রাসায়নিক বাজারের মূল্য ২০২৪ অর্থবর্ষে প্রায় ৬৯ হাজার কোটি টাকা অনুমান করা হয়েছে। এর মধ্যে রফতানি অংশীদারিত্ব ৫১ শতাংশ এবং দেশীয় ফর্মুলেশন ৪৯ শতাংশ (India)। এটি মূলত একটি মাল্টিসোর্স জেনেরিক্স বাজার, যার অংশীদারিত্ব প্রায় ৮০ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী আরও বেশি পণ্য পেটেন্ট মুক্ত হওয়ায় জেনেরিক্সের অংশীদারিত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই অনুমান। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ’২৪ অর্থবর্ষে ভারতীয় কৃষি রসায়ন বাজারে কীটনাশকের অবদান ৪১ শতাংশ, আর আগাছানাশকের অবদান ২২ শতাংশ। বাকিদের অবদান যথাক্রমে ছত্রাকনাশকের ২১ শতাংশ, উদ্ভিদ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রকের ৬ শতাংশ, বায়োস্টিমুল্যান্টের ৮ শতাংশ এবং বীজ চিকিৎসা পণ্যের ২ শতাংশ।

    অর্থবর্ষ ’২১ থেকে অর্থবর্ষ ’২৪ পর্যন্ত কীটনাশক সেগমেন্টটির বার্ষিক যৌগিক বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ, ছত্রাকনাশক ৮ শতাংশ এবং আগাছানাশক ১০ শতাংশ। যার ফলে আগাছানাশক হয়ে উঠেছে কৃষি রাসায়নিকের (Agrochemical Exporter) মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল সেগমেন্ট। জানা গিয়েছে, কৃষি রাসায়নিক বাজারে ধান, তুলো, গম, সোয়াবিন, মরিচ, আঙুর, দারুচিনি এবং ছোলার অবদান প্রায় ৬৫ শতাংশ (India)।

  • Purba Bardhaman: মাঠেই নষ্ট আলু, অবসাদে আত্মঘাতী কৃষক, দ্বিতীয় ঘটনাতেও নির্বিকার সরকার

    Purba Bardhaman: মাঠেই নষ্ট আলু, অবসাদে আত্মঘাতী কৃষক, দ্বিতীয় ঘটনাতেও নির্বিকার সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কাই ধীরে ধীরে সত্যি হচ্ছে। শীতের মরশুমের শুরুতেই অকাল বৃষ্টিতে হাহাকার পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর বিয়ে নিয়ে যখন প্রশাসন শশব্যস্ত, ঠিক তখনই রাজ্যের কোণায় কোণায় উঠেছে কান্নার রোল। একদিকে মাঠে পাকা ধান বৃষ্টির জলে নষ্ট, পাশাপাশি আলু চাষ করে যে নতুন স্বপ্ন দেখবেন, সে ভাতেও ছাই দিয়েছে অসময়ের বৃষ্টি। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষ করেছেন। কিন্তু সেই ঋণ শোধ করবেন কী করে? দিশাহারা এই অবস্থায় জীবনের চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা। খানাকুলে এক কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনার পর এবার একই ঘটনা ঘটল পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) পূর্বস্থলীতে। মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা এক কৃষক আম গাছে ঝুলে নিজের জীবনেই ইতি টেনে দিলেন। দিকে দিকে ক্ষতিপূরণের দাবি উঠছে। কিন্তু খেলা, মেলা, বিয়ে নিয়ে মেতে থাকা সরকারের কবে এদিকে নজর পড়ে, সেটাই এখন দেখার।

    কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার (Purba Bardhaman)

    পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত কৃষকের নাম রূপ সনাতন ঘোষ, বয়স আনুমানিক ৪৭। পূর্বস্থলী দু নম্বর ব্লকের নিমদহ পঞ্চায়েত এলাকার ছাতনি উত্তরপাড়ায় তাঁর বাড়ি। পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, বাজার থেকে টাকা ধার করে মাঠে আলু বসিয়েছিলেন। বড় আশা ছিল, আলু উঠলে মোটা টাকা ঘরে আসবে, আর তা দিয়েই সুদ সহ ধার মিটিয়ে দেবেন। কিন্তু টানা বৃষ্টি সেই আশার কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিয়েছে। সব আলু নষ্ট। অগত্যা ঘুরে দাঁড়ানোর সব পথও যেন অবরুদ্ধ। তাই আমগাছে গলায় দড়ি দিয়ে শেষ করে দিলেন যাবতীয় আশা। স্বাভাবিকভাবেই আচমকা এই দৃশ্য দেখে হতবাক গোটা পরিবার। চাষের এই বিপর্যয়ের কথা বাড়িতে তিনি বলতেন। তা বলে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত? ভেবে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার। মৃতের ভাই অমল ঘোষ (Purba Bardhaman) বলেন, দাদা বাজার থেকে ঋণ নিয়ে আলু চাষ শুরু করেছিল। দুদিনের বৃষ্টিতে আলুর জমি নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে আর নতুন করে চাষ করার তার সামর্থ্য নেই। সেই চিন্তায় মনমরা হয়ে পড়ে। তারপরই এই ঘটনা

    দ্বিতীয় ঘটনা (Purba Bardhaman)

    উল্লেখ্য, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে রাজ্যে এটি এ ধরনের দ্বিতীয় ঘটনা (Purba Bardhaman)। একদিন আগেই হুগলি জেলার খানাকুলে একই ভাবে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছিলেন তরুণ পালুই (৩৭) নামে এক কৃষক। খানাকুলের ঘোষপুর অঞ্চলের পিলখাঁ এলাকায় তাঁর বাড়ি। কারণ সেই একই, মানসিক অবসাদ। প্রশাসন অবশ্য এদিকে এখনও নজর দিয়ে উঠতে পারেনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে রাজ্য প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে তোপ দেগেছেন। কতজন কৃষকের মৃত্যুর পর টনক নড়ে, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agriculture: জেলায় জেলায় মাঠ জুড়ে পাকা ধান, অকাল বৃষ্টিতে কপাল চাপড়াচ্ছেন চাষিরা

    Agriculture: জেলায় জেলায় মাঠ জুড়ে পাকা ধান, অকাল বৃষ্টিতে কপাল চাপড়াচ্ছেন চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে টানা বৃষ্টি। এর ফলে চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা। কারণ, ধান কাটা শুরু হলেও সেই ধান মাঠেই পড়ে আছে। মাঠের পর মাঠ জুড়ে শুধুই পাকা ধান। এদিকে বৃষ্টির জেরে সেই ধান নষ্টও হচ্ছে (Agriculture)। ফলে আবহাওয়ার এই আচমকা পরিবর্তন চাষিদের ক্ষেত্রে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে তাঁরা বেরতে পারবেন, তা কারোরই জানা নেই। সরকারের দিক থেকেও এখনও পর্যন্ত কোনও আশার আলো দেখানো হয়নি।

    জেলায় জেলায় হাহাকার (Agriculture)

    পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীর চাষি নিখিল ঘোষ বলেন, আমার আড়াই বিঘে জমি আছে। ধান কাটা অবস্থায় জমিতেই পড়ে আছে। বৃষ্টির কারণে ধান তুলতে পারছি না। দিনের পর দিন সারের দাম, শ্রমিকদের মজুরি ইত্যাদির খরচ বাড়ছে। ট্রাক্টরের খরচও বেশি। কিন্তু ধানের দাম পাচ্ছি না। এই অবস্থায় যদি ধান ঘরে তুলতেই না পারি, তাহলে তো পরিবার পরিজন নিয়ে পথে বসতে হবে। বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলাতেও একই পরিস্থিতি। আমন ধান একদিকে যেমন কাটা শুরু হয়েছিল, পাশাপাশি তা ঘরে তোলারও কাজ চলছিল। আচমকা টানা বৃষ্টি সব লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। মাঠের পর মাঠ জলের তলায় (Agriculture)। ধান এবং অন্যান্য সবজি ডুবে গিয়েছে। ফলে কাল বা পরশু রোদ উঠলেও বিঘের পর বিঘে জমির ফসল যে আর কিছু আস্ত থাকবে না, তা চাষিরা বিলক্ষণ বুঝতে পারছেন। তাই আমন ধানের সঙ্গে আলু চাষেও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা। কারণ, এখন জমিতে আলু বসানোর কাজ চলছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সেই কাজ থমকে গেল। তাছাড়া যেখানে আলু বসানো হয়ে গেছে, তাদের অবস্থাও হবে পাকা ধানের মতোই।

    ক্ষতি সবজি চাষেও (Agriculture)

    তবে দুশ্চিন্তা শুধু যে ধান নিয়ে, এমনও নয়। শীতের মরশুমে নানা সবজির চাষও (Agriculture) হয় জোর কদমে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালং শাক, মটরশুঁটি, বিনস ইত্যাদির এখন বাজারও চাঙ্গা। কিন্তু এরকম একটা সময়ে অকাল বৃষ্টিতে যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। কারণ, অনেকেই চাষ করার জন্য মোটা টাকা ঋণ নিয়ে বসে আছেন। আশা, ফসল বিক্রি করে তা শোধ করবেন। কিন্তু ফসল যদি নষ্টই হয়ে যায়, তাহলে কপাল চাপড়ানো ছাড়া আর কোনও পথ খোলা থতাদের।এটা ভেবেই তাঁদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agriculture: কালবৈশাখীর ঝড়ে লন্ডভন্ড পানের বরজ, ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ

    Agriculture: কালবৈশাখীর ঝড়ে লন্ডভন্ড পানের বরজ, ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পুরাতন মালদা ব্লকের মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মুচিয়া বাড়ুইপাড়া গ্রামের পানচাষিরা (Agriculture)। মালদা জেলার পানচাষের অন্যতম জায়গা হল এই মুচিয়া গ্রাম। কয়েকদিন আগের কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে পানের বরজ। মাথায় হাত পড়েছে চাষিদের। এই এলাকায় প্রায় ৭০ টি পরিবার পান চাষের সাথে যুক্ত এবং এটাই এদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান পথ। অনেকেই সুদে টাকা ধার নিয়ে পান চাষ করেছিলেন। এখন টাকা কীভাবে শোধ করবেন, তা নিয়ে তাঁদের মাথায় হাত পড়েছে। এমন অবস্থায় পড়ে তাঁরা দাবি তুলেছেন, সরকারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, না হলে তাঁদের মৃত্যুর দিকে এগতে হবে। কিন্তু তাঁদের আক্ষেপ, বিভিন্ন মহলে দরবার করেও কোনও লাভ হয়নি। নিরুপায় হয়ে সোমবার ওই গ্রামে  বিক্ষোভ দেখান অসহায় পানচাষিরা। যদিও এতে প্রশাসনের কতটা টনক নড়বে, তা নিয়ে তাঁরা যথেষ্ট সন্দিহান।

    কী বলছেন বিরোধী দলের নেতারা?

    পানচাষিদের (Agriculture) পাশে দাঁড়িয়েছেন পুরাতন মালদার প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক অর্জুন হালদার। তিনি বলেন, অবিলম্বে সরকারের ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত। একই দাবি করেন বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি তাপস গুপ্ত। পানচাষিদের নিয়ে আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন সারা ভারত কৃষক সভার মালদা জেলার সভাপতি প্রণব চৌধুরী।

    কী আশ্বাস দিলেন তৃণমূল নেতা?

    পানচাষিদের (Agriculture) ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, এমনই আশ্বাস দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি শুভময় বসু। চাষিদের এই ক্ষতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা কৃষি দফতরে ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান তুলে ধরে আবেদন করলে তারা ব্যবস্থা নিশ্চয়ই নেবে। একইসঙ্গে তিনি কৃষকদের কৃষাণ ক্রেডিট কার্ড এবং কৃষি বিমা করিয়ে রাখার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে কৃষি ভাতা সম্প্রতি দিয়েছেন, তা দিয়েও খানিকটা ক্ষতিপূরণ হতে পারে পান চাষিদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Beekeeping: কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে মৌমাছি পালনে জোর কেন্দ্রের, উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    Beekeeping: কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে মৌমাছি পালনে জোর কেন্দ্রের, উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জৈব ও প্রাকৃতিক চাষের ওপর নির্ভর করে বেড়ে উঠছে দেশের পরিবর্তনশীল কৃষি ব্যবস্থা। এবার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালনের (Beekeeping) মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, যা ক্ষুদ্র কৃষকদের জীবিকা ব্যবস্থায় একটি অসাধারণ প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় কৃষি অনুসন্ধান পরিষদ। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে বলেছেন, মধু উৎপাদন দেশে কৃষকদের জীবনশৈলীরও পরিবর্তন ঘটাচ্ছে।

    লকডাউনের সময় থেকেই উদ্যোগ শুরু

    প্রসঙ্গত, গত ২০২০-২১ সালে করোনা আবহে লকডাউন চলাকালীন নানা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন দেশবাসী। কৃষির গুরুত্ব কতখানি, হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন তাঁরা। যদিও, ওই সময় কেন্দ্র আত্মনির্ভরতার বার্তা দিয়েছিল। একইসঙ্গে গুরুত্ব দিয়েছিল কৃষিজ ফসলে। তার ফলস্বরূপ উষরমুক্তি প্লাস প্রকল্পে ও ১০০ দিনের কাজে সবজি চাষে জোর দেওয়া হয়। বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে শুরু হয় সবজি চাষ, উদ্যান পালন। তাতে একদিকে যেমন বাজারে পর্যাপ্ত সবজির জোগান থাকবে, একইসঙ্গে আয় বাড়বে গোষ্ঠীর সদস্যদের। এবার কৃষকদের মৌমাছি পালনের (Beekeeping) ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

    মৌমাছি পালন কীভাবে করবেন কৃষকরা?

    প্রসঙ্গত, শুরু হয়েছে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন (Beekeeping)। এর জন্য দরকার বিশেষ ধরনের বাক্স, যেখানে মৌমাছিদের কলোনি থাকবে। ২০-৫০ হাজার মৌমাছি থাকবে একটি কলোনিতে। কৃষি প্রধান এলাকা, যেখানে সরষে, তিষি, ফুল চাষ হয় এবং বনভূমি এলাকায় ওই বাক্স রাখতে হবে। একজন চাষিকে কমপক্ষে ৪০-৫০টি বাক্স রাখতে হবে মৌমাছি পালনে। খরচ পড়বে ৫ হাজার টাকা। তার সঙ্গে শ্রমিকের খরচ ও কখনও মৌমাছিদের চিনি অথবা গুড়ের রস করে খাওয়ানোর খরচ। মৌমাছি পালনের মরশুম নভেম্বর থেকে মে-জুন মাস। মরশুমে একজন চাষি ২-৩ মাসে একটা কলোনিতে ১২-১৪ কেজি পর্যন্ত মধু সংগ্রহ করতে পারবেন। বাজারে বিভিম্ন নামী কোম্পানির থেকে অনেকগুণ উৎকৃষ্টমানের হবে এই মধু। 

    লাভজনক এবং পরিবেশবান্ধব মডেল

    প্রসঙ্গত, নব্বইয়ের দশকের শেষের দিক থেকে ভারতে মধু উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ৭০ শতাংশ অবদান হল অসংগঠিত ক্ষেত্রের। এই নিরিখে মৌমাছি পালনকে (Beekeeping) সবচেয়ে লাভজনক এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি-ব্যবসার মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন, মধু উৎপাদন আমাদের কৃষকদের আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের জীবনশৈলীরও পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি দেশের যুব জনগোষ্ঠীকে ব্যবসায়িক মনোভাবের মাধ্যমে মৌমাছি পালন এবং নতুন সম্ভাবনাগুলি উপলব্ধি করার আহ্বান জানান।

    কী বলছে সমীক্ষার রিপোর্ট?

    সম্প্রতি, ভারতীয় কৃষি অনুসন্ধান পরিষদ ‘মন কি বাত’-এর প্রেক্ষাপটে ভারতব্যাপী একটি সমীক্ষা করেছে। যেখানে ৪০ জন মৌমাছি পালক এবং ৪০টি মৌমাছি পালনকারী (Beekeeping) দল অংশগ্রহণ করেছিল। সমীক্ষাটি ছিল দেশের ২৬টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৬টি জেলা জুড়ে। তাতে দেখা গেছে, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রগুলি সচেতনতা, প্রশিক্ষণ এবং প্রদর্শনী কর্মসূচির মাধ্যমে মৌমাছি পালনের অনুশীলনকে উন্নত করতে সত্যিই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের এইসব কর্মসূচি প্রায় ৩২.৫০ শতাংশ মৌমাছি পালনকারীকে অনুপ্রাণিত করেছে। মৌমাছি পালনের লাভজনক দিক প্রায় ২৭.৫০ শতাংশ ব্যক্তিকে মৌমাছি পালনে উদ্বুদ্ধ করেছে। সফলতার নিরিখে সর্বমোট ২২.৫০ শতাংশ একক মৌমাছি পালনকারী এটিকে ব্যবসায়িক উদ্যোগ হিসাবে গ্রহণ করেছেন। লক্ষণীয় হল, মৌমাছি পালন সহায়ক চাষের বিকল্প হিসাবে সত্যিই একটি লাভজনক উদ্যোগ হিসাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agriculture: তাইল্যান্ডের পিঙ্ক কাঁঠালের চাষ করে আয়ের দিশা দেখাচ্ছেন মাজদিয়ার প্রশান্ত

    Agriculture: তাইল্যান্ডের পিঙ্ক কাঁঠালের চাষ করে আয়ের দিশা দেখাচ্ছেন মাজদিয়ার প্রশান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতবর্ষ কৃষিপ্রধান দেশ। কিন্তু বর্তমানে সার, কীটনাশক এবং কৃষিকাজে ব্যবহৃত অন্যান্য যন্ত্রাংশের দাম প্রচণ্ড ঊর্ধগামী। এর পাশাপাশি আবহাওয়াও বিরূপ হওয়ায় চাষিরা ফসলের সঠিক ফলন ও পর্যাপ্ত দাম পান না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ফসল ঘরে ওঠার সময় আবহাওয়ার অবনতির ফলে চাষি সঠিক পরিমাণ ফলন পান না। এমনকী ঋণে জর্জরিত হয়ে আত্মহত্যার পথও বেছে নেন। এমন অবস্থায় স্বল্প খরচে এবং স্বল্প সময়ে তাইল্যান্ডের পিঙ্ক কাঁঠাল চাষ (Agriculture) করে অধিক ফলন ও অধিক লাভের মুখ দেখাচ্ছেন নদিয়ার মাজদিয়ার প্রশান্ত বিশ্বাস।

    লাভজনক নতুন চাষের দিশা (Agriculture)

    নিজে প্রথমে বাড়ির নিকটস্থ এক বিঘা জমিতে কুড়িটি চারা দিয়ে শুরু করেন পিঙ্ক কাঁঠালের চাষ। দুই বছরের মধ্যেই পেতে শুরু করেন অধিক ফলন। ওই গাছ থেকেই কলমের মাধ্যমে তৈরি করেন চারা এবং খুবই স্বল্প মূল্যে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় অন্যান্য চাষিদের কাছে তা বিক্রি করেন। তাঁর কাছ থেকে চারা নিয়ে নদিয়ার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এই পিঙ্ক কাঁঠালের চাষ শুরু করেছেন। এই চাষে প্রতি বছর গড়ে বিঘা প্রতি তিন থেকে চার লাখ টাকা লাভ হয় চাষিদের (Agriculture)। কাঁঠালের পাশাপাশি বারোমাসি আম, বারোমাসি লেবু, হাইব্রিড পেঁপে সহ অন্যান্য ফল ও তার চারা তৈরি করছেন এই প্রশান্ত বিশ্বাস। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও শুধুমাত্র কর্মদক্ষতার মাধ্যমে তিনি নিজে তথা অন্যান্য চাষিদের দেখাচ্ছেন লাভজনক নতুন চাষের দিশা। প্রায় প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন মানুষ আসেন তাঁর এই নতুন ধরনের চাষ দেখতে এবং চারা গাছ সংগ্রহ করতে।

    কুড়িখানা চারা দিয়ে শুরু (Agriculture)

    এ বিষয়ে প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, আমি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় গিয়ে প্রথম এই চাষ দেখেছিলাম। তারপরে নিজেও এই চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করি। ওই ব্যক্তির কাছ থেকেই কুড়িখানা চারা আমি নিয়ে এসেছিলাম। পনেরো খানা চারা থেকে ঠিকঠাক ফলন (Agriculture) দেওয়া শুরু হয়েছিল। এখন আমি প্রায় দুই বিঘা জমি চাষ করি। এক এক বিঘাতে ৮০ খানা চারা লাগানো যাবে। অন্যান্য চাষের থেকে এই চাষ অনেক লাভজনক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share