Tag: agriculture department

agriculture department

  • Dakshin Dinajpur: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে রমরমিয়ে চলছে সারের কালোবাজারি, নাজেহাল কৃষক

    Dakshin Dinajpur: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে রমরমিয়ে চলছে সারের কালোবাজারি, নাজেহাল কৃষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরে (Dakshin Dinajpur) বন্ধ হয়নি সারের কালো বাজারি। ব্যবসায়ীদের সাসপেন্ড ও শোকজ করা হয়েছে। তাতেও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে বন্ধ হয়নি বেআইনি কারবার। নাজেহাল কৃষকরা। আর এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন।

    কৃষকরা কী বললেন? (Dakshin Dinajpur)

    হিলিতে কালোবাজারির অভিযোগে ফের এক সার ব্যবসায়ীকে শোকজ করতেই তুমুল হইচই পরিস্থিতি তৈরি হয় সীমান্ত শহরে। যদিও এই ঘটনাকে তেমন বাড়তি গুরুত্ব দিতে চায়নি জেলা কৃষি দফতর। এদিকে জমির ফসল ঘরে উঠতেই ফের জেলায় অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে সারের কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্য বলে অভিযোগ তুলেছেন কৃষকেরা। যা নিয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, সার বিক্রেতাদের কালোবাজারি নিয়ে প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। চাষের মরশুম শুরু হতেই দক্ষিণ দিনাজপুরে (Dakshin Dinajpur) মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে সারের কালোবাজারি। যা নিয়ে প্রশাসনকে একপ্রকার বুড়ো আঙুল দেখিয়েই চলছে দেদার কারবার। কৃষকদের বক্তব্য, সরকারের বেধে দেওয়া নির্ধারিত দামের থেকে প্রতি প্যাকেটে প্রায় ৫০০ টাকা করে বেশি আদায় করছে অসাধু কারবারীরা। জেলাজুড়ে সর্বত্র এই অব্যবস্থা চললেও তেমন কোনো ভ্রুক্ষেপই নেই প্রশাসনের। মদন বিশ্বাস ও অসীম সরকার নামে দুই কৃষক বলেন, সারের কালোবাজারি কোথাও বন্ধ হয়নি। চাষের মরশুম শুরু হতেই তা লাগামহীন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। যা নিয়ে প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।আমরা কৃষকেরা চাই সারের এই কালোবাজারি বন্ধ হোক।

    কৃষি দফতরের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    যদিও কৃষকদের তোলা এই অভিযোগ মানতে নারাজ জেলা কৃষি দফতর। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাদের দাবি, দক্ষিণ দিনাজপুরে (Dakshin Dinajpur) কালোবাজারির অভিযোগে ইতিমধ্যে ১১৫ জন সার ব্যবসায়ীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে ২৫০ জন সার ব্যবসায়ীকে। শুধু তাই নয়, চাষের মরশুম শুরু হতেই বিভিন্ন এলাকায় কালোবাজারির বিরুদ্ধে নানা অভিযানও শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। সেই হিসাবেই হিলির এক সার ব্যবসায়ীকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি দফতর। কৃষি দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, সারের কালোবাজারি রুখতে আমরা বদ্ধপরিকর। এব্যাপারে নানা সচেতনতার পাশাপাশি কোনও অভিযোগ পেলেই অভিযুক্ত সার ব্যবসায়ীদের শোকজ ও সাসপেন্ড করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: কৃষি দফতরে আবেদনের সাত বছর পর এল অ্যাডমিট কার্ড, তাজ্জব চাকরিপ্রার্থী

    Burdwan: কৃষি দফতরে আবেদনের সাত বছর পর এল অ্যাডমিট কার্ড, তাজ্জব চাকরিপ্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়ম মেনে চাকরি পাওয়ার আশায় ফর্ম ফিল-আপ করেছিলেন এক চাকরিপ্রার্থী। আর সেই পরীক্ষা দেওয়ার অ্যাডমিট কার্ড এসে পৌঁছলো সাত বছর পর। অবাক করার মতো এই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমান (Burdwan) শহরের নারকেলবাগান এলাকায়। জানা গিয়েছে, ওই চাকরিপ্রার্থীর নাম আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের ১৮ ই মার্চ কাগজে বিজ্ঞাপন দেখেন বর্ধমান (Burdwan) শহরের নারকেলবাগান এলাকার বাসিন্দা আশিসবাবু। সেই বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায় রাজ্য কৃষি দফতরে কৃষি প্রযুক্তি সহায়ক পদে ৮১৮ জন নিয়োগ করা হবে। যোগ্যতা ছিল উচ্চ মাধ্যমিক। বিজ্ঞপি নং-০৪/WBSSC/২০১৬. বেতনক্রম ছিল ৫৪০০-২৫২০০। সেই মতো আশিসবাবু ওই পদে  আবেদন করেছিলেন। কিন্তু, আবেদন করার পর থেকে প্রায় সাত বছর তাঁর কাছে পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড বা আনুষঙ্গিক কিছু আসেনি। কিন্তু, আচমকা চলতি বছরের ১ নভেম্বর দুপুর একটা নাগাদ চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রায় সাত বছর পরে সেই পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড হাতে পান আশিসবাবু। যা পেয়ে রীতিমতো উৎসাহিত হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু, অ্যাডমিট খুলেই হতবাক হন। কারণ পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে প্রায় সাত বছর আগে, ২০১৬ সালের ১৮ই ডিসেম্বর।

    কী বললেন ওই চাকরি প্রার্থী?

    চাকরিপ্রার্থী আশিসবাবু বলেন, যাঁরা চাকরি পাওয়ার যোগ্য, তাঁদের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়ে অন্য লোককে চাকরি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। কার ভুলে আমাকে এই খেসারত দিতে হল, তা প্রকাশ্যে আসুক। বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথাও ভাবছি। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে চরম রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দলগুলি একযোগে শাসকদল ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, যেভাবে রাজ্যে শিক্ষা ও পুরসভার মতো কৃষি দফতরে দুর্নীতি হয়েছে। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    কৃষিমন্ত্রী কী বললেন?

    যদিও শাসকদলের সাফাই, এটা ডাকযোগে এসেছে। যদি কোনও গলদ থাকে তাহলে সেখানে হয়েছে। কৃষিমন্ত্ৰী প্ৰদীপ মজুমদারের বক্তব্য, এটা ২০১৬ সালের ঘটনা। কবে হয়েছে বলতে পারব না। তবে, এক্ষেত্রে তো কারও দায় থাকলে সেটা ডাক বিভাগের।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: কৃষি দফতরে গ্রুপ সি চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ  লক্ষ টাকা প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Uttar Dinajpur: কৃষি দফতরে গ্রুপ সি চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি দেওয়ার নাম করে বেকার যুবক-যুবতী ও তাঁদের অভিভাবকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন তৃণমূল নেতা। টাকা তুলে তার পরিবর্তে চাকরি দেননি কাউকেই। টাকা তোলা এবং চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস অঞ্চল (Uttar Dinajpur) সভাপতির বাড়ির সামনে অবস্থানে বসলেন বিক্ষোভকারীরা।

    উত্তর দিনাজপুরে (Uttar Dinajpur) অভিযোগ কী?

    শনিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে উত্তর দিনাজপুর জেলার (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জ ব্লকের কমলাবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কসবা-মহাশো এলাকায়। অবস্থান-বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অনিন্দ্য কুমার দাস অভিযোগ করেন, কৃষি দফতরের গ্রুপ সি পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রার্থী পিছু ১১ লক্ষ টাকা করে নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি উত্তম ঘোষ, তাঁর ভাগ্নে মিঠুন ঘোষ এবং ভাই অনিল ঘোষ। কিন্তু এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও চাকরি তো জোটেইনি, উল্টে চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা করা হচ্ছে। এর আগেও টাকা চাইতে গেলে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এক বিক্ষোভকারী সুমন কুমার নাথ বলেন, প্রায় ছয় মাস হল তাঁদের নাগালে পাওয়া যাচ্ছে না। টাকা নেওয়ার জন্য ভুয়ো ইন্টারভিউ এবং নকল নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করছেন তিনি। প্রার্থীদের অবিলম্বে সেই টাকা ফেরতের দাবিতে তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে এই আন্দোলন বলে জানানো হয়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে এক অভিভাবক নৃপেন্দ্রনাথ দাস বলেন, উত্তম ঘোষের ভাগ্নে মিঠুন ঘোষ যে টাকা নিয়েছেন, সে কথা স্বীকার করা একটি ভিডিও রয়েছে আমাদের কাছে। আমরা পুলিশের কাছে যাব।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মিঠুন ঘোষের বক্তব্য

    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিঠুন ঘোষ বলেন, আমার মামা উত্তম ঘোষ এলাকায় (Uttar Dinajpur) অনেকদিন ধরেই সুনামের সঙ্গে বসবাস করছেন। তিনি কোনও অনৈতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁর পরিবারকে কালিমালিপ্ত করতেই এই চক্রান্ত চালানো হচ্ছে। তবে মিঠুনের দেওয়া এক ভিডিওতে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ওঁদের কাছ থেকে আমি ১১ লক্ষ টাকা নিয়েছি। আজ শনিবার টাকা দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু আমি দিতে পারিনি। আগামী রবিবার ওঁদের ডেকে আমি মামার উপস্থিতিতে সব টাকা দিয়ে দেব। এরকম একটি বক্তব্য সামজিক মাধ্যমে ঘুরছে বলে জানা গেছে।

    তৃণমূল নেতা উত্তম ঘোষের বক্তব্য

    অপরদিকে উত্তম ঘোষ বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ। এর সাথে কোনও ভাবেই আমি যুক্ত নই। প্রমাণ করতে পারলে যা শাস্তি দেবে, তা মাথা পেতে নেওয়ার কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন আমি বাড়িতেই (Uttar Dinajpur) ছিলাম। অসত্যকে আশ্রয় করে কীভাবে একটি অভিযোগ আনা যায়, সে বিষয়টি আমি লক্ষ করেছি। তবে মিঠুন ঘোষ তাঁর ভাগ্নে, একথা স্বীকার করেন উত্তম বাবু স্বয়ং। তিনি আরও বলেন, মিঠুনের টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি আমিও শুনেছি। কিন্তু আমার ভাগ্নের টাকা নেওয়ার সঙ্গে আমার কোনও যোগ নেই। এ ব্যাপারে আমার বদনাম করা হচ্ছে। আমি প্রয়োজনে মানহানি মামলা করব।

    পুলিশের ভূমিকা

    অন্যদিকে, এদিনের এই ঘটনার (Uttar Dinajpur) খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসে স্থানীয় কর্ণজোড়া ফাঁড়ির পুলিশ। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আন্দোলন তুলে নেন এবং অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন বলে জানা গেছে। প্রতারিত ব্যক্তিরা কবে টাকা ফিরে পান, তাই এখন দেখার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: “ডিরেক্টর! আমি তো জানি না, সই করিয়েছিল দাদার লোক”, বললেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক

    Ration Scam: “ডিরেক্টর! আমি তো জানি না, সই করিয়েছিল দাদার লোক”, বললেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিজিৎ দাসের পর এবার রামস্বরূপ শর্মা। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে ‘ফাঁসাচ্ছেন’ (Ration Scam) তাঁরই ঘনিষ্ট বৃত্তের লোকজন। দিন কয়েক আগে জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস দাবি করেন, মন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁর মা ও স্ত্রীকে কোম্পানির ডিরেক্টর করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এবার মুখ খুললেন পরিচারক রামস্বরূপও।

    ‘বালুদার কাছে কাজ করতাম’

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় রামস্বরূপ জানিয়েছেন, বিহার থেকে ভাগ্যান্বেষণে ১৯৯৩ সালে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। কলেজ স্ট্রিটে সেলুন খুলেছিলেন। এখানেই বাড়ি ছিল জ্যোতিপ্রিয়রও। রামস্বরূপ বলেন, “আমি ’৯৩ সালে কলকাতায় এসেছি। সেলুন আছে। কলেজ স্ট্রিটের ওখানে ফুটপাতের ওপর সেলুন ছিল। এখনও আছে। এখানেই একটি বাড়িতে থাকতেন দাদা। দাদার বাজার এটা সেটা করে দিতাম। ২০ বছর কাজ করার পর দাদা আমাকে একটা চাকরি দিয়েছে। ১০ বছর হয়ে গিয়েছে চাকরির।” রামস্বরূপ (Ration Scam) বলেন, “আমি সাহেবের কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা লোন হিসেবে নিই। ৫ লক্ষ টাকা শোধও করেছি। আরও ১৫ লক্ষ টাকা পাবেন সাহেব।” তিনি বলেন, “আমি বালুদার কাছে কাজ করতাম। ওঁর কাছ থেকেই নিয়েছি।”

    ‘কোম্পানির ব্যাপারে কিছুই জানি না’

    ইডি জেনেছে, এই রামস্বরূপ একটি সংস্থার ডিরেক্টর। কীভাবে ডিরেক্টর হলেন? ইডি-র দাবি, রামস্বরূপ জেরায় বলেন, “কোম্পানির ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। খবরে শুনেছি। আমি এসব কিছুতেই নেই। ওসব নামও আমি জানি না। বালুদার নাম করে কিছু লোক আমার কাছে সই করিয়েছিল। আমি সই করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমি আর কিছু জানি না। আমি অতশত বুঝি না। আমি হিন্দিতে লেখাপড়া জানি। বিহারে ক্লাস সিক্স-সেভেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলাম। আমি ইংরেজি কিছু জানি না। বলল, দাদা পাঠিয়েছে, সই করে দাও। আমি জানি না, কিছু বুঝিও না। এর পিছনে কিছু বলার নেই।”

    আরও পড়ুুন: “যুদ্ধ থামানোর কোনও প্রশ্নই নেই”, যুদ্ধের মাসপূর্তিতে সাফ জানালেন নেতানিয়াহু

    তিনি বলেন, “আমার তো ধোয়া, মোছা, পরিষ্কার করার কাজ (জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে)। করতেই হয়। কৃষি দফতরেও কাজ করি। চুক্তিভিত্তিক গ্রুপ ডি।” ইডির (Ration Scam) দাবি, চালকলের মালিকের কাছ থেকে কমিশন হিসেবে টাকা না নিয়ে সম্পত্তি নিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। সেই সম্পত্তি আবার নিজের নামে রাখেননি। পরিচারকের নামে দানপত্র লিখিয়ে নেন ওই চালকল মালিকের কাছ থেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

LinkedIn
Share